পরীমণির সঙ্গে রাত-যাপন : সেই সাকলায়েনকে অবসরে পাঠানোর সুপারিশ




কলাপাড়ায় পানিতে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পানিতে ডুবে জুনায়েদ (৭) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের পক্ষিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিশু জুনায়েদ পক্ষিয়াপাড়া গ্রামের শিমুল হাওলাদারের ছেলে।

আরো পড়ুন : দেয়ালে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে কৃষকের মৃত্যু

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে শিশু জুনায়েদ খেলতে গিয়ে সবার অগোচরে বাড়ির পার্শ্ববর্তী পুকুরে পড়ে যায়। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পুকুর থেকে তাকে উদ্ধার করে। পরে চিকিৎসার জন্য কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জুনায়েদ কে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় কলাপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করা হয়েছে।




দেয়ালে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে কৃষকের মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নতুন ভবনের দেয়ালে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের মাধবখালি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত কৃষকের নাম মো. শাহ আলম সরদার (৬৮)। তিনি মাধবখালী গ্রামের মৃত্যু ওয়ারেচ আলী সরদারের ছেলে।

মাধবখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম নান্নু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহ আলম সরদারের ঘরের সামনে তাঁর প্রতিবেশী লিটন সিকদার এক মাস আগে একটি নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। মঙ্গলবার সকালে কাউকে না বলে শাহ আলম সরদার ওই ভবনের দেয়ালে পানি দিতে যান। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুতায়িত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক উমর ফারুক জাবির তাঁকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

আরো পড়ুন : তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলে দেশের বৃহৎ বীজবর্ধন খামার

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মো. উমর ফারুক জাবির বলেন, শাহ আলম সরদারকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর ইসিজি করে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




ব্যবসায়ী নাসিরের মামলায় পরীমণির জামিন




বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের বিদায়




অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমিতে ভারত, বেঁচে রইলো বাংলাদেশের আশা




বাংলাদেশকে ১১৬ রানের লক্ষ্য দিলো আফগানিস্তান




তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলে দেশের বৃহৎ বীজবর্ধন খামার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :; স্থাপনের পূর্ব থেকেই তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনের কবলে দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলের (বরিশাল ও পটুয়াখালী) বীজ বর্ধন খামার প্রকল্প। বালাম ধানের জন্য বিখ্যাত বরিশালের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ১৯ মার্চ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার চরবাঁশবাড়িয়ায় উদ্বোধন করেন এই মেগা প্রকল্প।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে বীজবর্ধন খামার স্থাপনে চর-বাঁশবাড়িয়া, চরসাইমুন ও চরবোথামের ১ হাজার ৪৪ দশমিক ৩৬ একর জমি অধিগ্রহণ করে। সুগন্ধি কালিজিরা আর বাঁশফুল বালাম প্রজাতির ধানবীজসহ স্থানীয় জাতের ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন করে কৃষকের মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করে সরকার। ওই খামারকে ঘিরে কৃষক এবং বিএডিসি স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। কিন্তু সেই স্বপ্ন চুরমার করে দিচ্ছে রাক্ষুসে তেঁতুলিয়া নদী। খামার প্রকল্পে বীজ উৎপাদনে আসার আগে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় ২৬ একর জমি। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে প্রায় এক’শ ৩০ একর জমি হারিয়ে যায় প্রকল্প এলাকা থেকে।
পর্যায়ক্রমে সেখানে নির্মাণ করা হয় বীজ সংরক্ষণের গুদামঘর এবং প্রকল্পে কর্মরতদের জন্য বহুতল বিশিষ্ট কার্যালয় ভবন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসিক ব্যবস্থাপনাও রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যেই জমি চাষ করে বীজ উৎপাদন এবং পরিবহনের জন্য শত শত কোটি টাকার বিভিন্ন সামগ্রী কেনা হয়েছে। কিন্তু তেঁতুলিয়ার ভাঙনে সবই বিলীন হয়েছে। ২০১৫ সালের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রীর অস্থায়ী বিশ্রামাগারের দ্বিতল ভবনটি নদী ভাঙনের কবলে পড়ে।

তেঁতুলিয়ার অব্যাহত ভাঙনের আড়ালে পরিচালক মিজানুর রহমান ভূমি উন্নয়ন, বালু ভরাট, বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও নদী খনন নামক একই কাজ ভিন্ন ভিন্ন নামে দেখিয়ে ৩৪কোটি টাকাসহ নদীতে ব্লক নির্মাণ না করে অর্থ লোপাটের ঘটনায় তার কর্ম স্থগিতাদেশ দেন বিএডিসি চেয়ারম্যান।

স্থানীয় কৃষক মনির হোসেন হাওলাদার জানায়, যেহেতু ভাঙনকবলিত নদীর পাড়ে প্রকল্পটি গড়া হয়েছে, তাই আগে থেকে ভাঙন রোধে ব্লক দ্বারা বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলে জমি নদীগর্ভে বিলীন হতো না। পরিকল্পনায় ভুল থাকায় এমনটি হয়েছে। ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া না হলে বীজ গুদাম ও অফিস ভবন নদীগর্ভে হারিয়ে যাবে।

এ বিষয়ে বীজ বর্ধন খামারের ডিডি শেখ ইকবাল হোসেন বলেন, ২০১৪ সালে ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে ভাঙন রোধের পরিকল্পনা ভুল ছিল। তার চেয়ে তেঁতুলিয়া নদীর মাঝখানে যে ডুবো চরটি রয়েছে সেটি গভীর করে খনন করলে ভাঙন রোধ করা সম্ভব। এ ছাড়া ব্লক কিংবা আরসিসি শিটের মাধ্যমে বেড়িবাঁধ তৈরি করা হলে ভাঙন রোধ করা সম্ভব।




দ্বিতীয় ধাপে আবেদন শুরু ৩০ জুন প্রথম ধাপে কলেজ পাননি ৪৭ হাজারের‌ বেশি শিক্ষার্থী




বিষধর সাপে কামড়ালে প্রাথমিকভাবে যা যা করবেন