সড়কের বেহাল দশা – পর্যটক হারাচ্ছে কুয়াকাটা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের বেহালদশায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে কুয়াকাটা ভ্রমণে যাওয়া পর্যটকদের। কুয়াকাটা ভ্রমণ এখন অনেকের কাছে আনন্দের চেয়ে ভোগান্তিতে পরিণত হয়েছে বেশি।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজার থেকে মহিপুর শেখ রাসেল সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১১ কিলোমিটার সড়কটির বেহাল দশায় এ ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন জায়গায় সৃষ্ট বড় বড় গর্তের এক একটি যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থাকছেন কুয়াকাটাগামী পর্যটকরা।

শুক্রবার পাখিমারা বাজার এলাকায় বৃষ্টির পানিতে ডুবে থাকা মহাসড়কের গর্তে পড়ে আটকা পড়ে ঢাকাগামী দুটি বাস। এ নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকসহ ওই এলাকার মানুষ।

সরেজমিন দেখা গেছে, কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের পাখিমারা বাজার থেকে মহিপুর মৎস্যবন্দর পর্যন্ত সড়কটির সাড়ে ১১ কিলোমিটার অংশে বড় বড় গর্ত হয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে গাড়ি। যে কোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড় কোনো দুর্ঘটনা।

স্থানীয়রা জানান, পর্যটনমুখী সড়ক হওয়ায় বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলের কারণে এবং দীর্ঘদিন সংস্কার কাজ না হওয়ায় সড়কটিতে অসংখ্য ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের অর্ধেকাংশের পিচ, বালু ও খোয়া উঠে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে সড়কটি। সংস্কারে উদ্যোগ না নেওয়ায় ভাঙা সড়ক দিয়েই যানবাহন চলাচল করতে হচ্ছে।

পাখিমারা বাজারের ব্যবসায়ী মো. সোহেল গাজী বলেন, এটা মনে হয় না মহাসড়ক। এটি এখন খালে পরিণত হয়েছে। ৩-৪ ফুট গর্ত হয়েছে। চলাচলকারী গাড়ি এসব গর্তে পড়লে বড় ধরনের বিপদ ঘটবে।

তার মতে, এটি এখনই সংস্কার না করলে যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাবে। প্রভাব পড়বে পর্যটন খাতে।

হানিফ পরিবহনের ড্রাইভার মো. মঞ্জু হাওলাদার বলেন, অনেক ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। যে কোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারি।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিয়ার জব্দ, গ্রেপ্তার ৩

কুয়াকাটা থেকে ঢাকাগামী পর্যটক অধরা হাওলাদার জানান, আমরা সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে কুয়াকাটা থেকে রওনা দিই। আমাদের বাসটি পাখিমারা বাজারে বড় গর্তে পড়ে আটকা পড়লে আড়াই ঘণ্টা আমাদেরকে সেখানে বসে থাকতে হয়। পরে ট্রলি গাড়ির সাহায্যে বাসটিকে টেনে উঠানো হয়। এরপর আরও একটি বাস এখানে আটকা পড়তে দেখেছি। দ্রুত এই সড়কের সংস্কার প্রয়োজন বলে জানান তিনি। সড়কের ভোগান্তি দূর করা না হলে অনেকেই কুয়াকাটা বেড়াতে আসবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কুয়াকাটার ব্যবসায়ীদের মতে, কুয়াকাটার প্রতি মানুষের অনীহার বড় একটি কারণ হলো সড়কটির চরম দুরবস্থা। সড়কটির কারণে অনেকে কুয়াকাটায় আসতে চায় না। বছরের পর বছর ধরে সড়কটি এভাবে পড়ে আছে। অথচ এর সংস্কারে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। কুয়াকাটার স্বার্থে সড়কটি মেরামত করা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

কুয়াকাটার যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা দূর করা গেলে কুয়াকাটার প্রতি মানুষের আগ্রহ যেমন বাড়বে, তেমনি কুয়াকাটার ব্যবসা-বাণিজ্যও আরও সম্প্রসারিত হবে বলে মনে করছেন তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০০৯-২০১৪ অর্থ বছরে কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজার থেকে মহিপুর মৎস্যবন্দরের শেখ রাসেল সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১১ কিলোমিটার অংশের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করে খুলনার দি রূপসা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তখন এর নির্মাণ ব্যয় ছিল ২০ কোটি টাকা। কাজটি মানসম্মত না হওয়ায় তখন ঠিকাদারের বিল আটকে দেয় পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। এ নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে দুটি দল সরেজমিন তদন্তও করে। তদন্তকারী দলের পক্ষ থেকেও কাজের গুণগত মান ভালো হয়নি বলে প্রতিবেদন দেওয়া হয়। নিম্নমানের কাজের কারণে তখন সড়ক ও জনপথ বিভাগ ৮ কোটি টাকার বিল আটকে দেয়। তবে এ কাজ বাবদ ১২ কোটি টাকার বিল পরিশোধ করা হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দি রূপসা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম চূড়ান্ত বিল দাবি করে ২০১৪ সালে আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলার কারণে ১১ কিলোমিটার সড়কের ওপর সংস্কার কাজে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেন। যার ফলে গত দশ বছর ধরে সংস্কারবিহীন অবস্থায় পড়ে থাকে পাখিমারা বাজার থেকে শেখ রাসেল সেতু পর্যন্ত এ অংশের সড়কটি।

পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ এম আতিকুল্লাহ বলেন, ‘কলাপাড়া-কুয়াকাটা সড়কের সাড়ে ১১ কিলোমিটার সড়কটি নিয়ে আদালতে মামলা থাকায় এতদিন এর সংস্কার কাজ করা যায়নি। গত বছরের ২৭ মার্চ উচ্চ আদালত মামলার শুনানি শেষে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করায় এ সড়কের নির্মাণ বা মেরামতের জন্য আর কোনো বাধা নাই। ইতিমধ্যে সাড়ে ১১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য ১৭ কোটি টাকার প্রাক্কলন তৈরি করে দরপত্র আহ্বান করে ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়েছে। আমরা আশা করছি মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী মাসের মধ্যে ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দিতে পারব। এরপর দ্রুত ওই সড়কের সংস্কার কাজ শুরু হবে।




সপ্তাহে আড়াই ঘণ্টা হাঁটবেন যে কারণে




সক্রিয় মৌসুমি বায়ু, ৬ বিভাগে বৃষ্টি থাকবে ৩ দিন




বরিশাল ল কলেজের ভবিষ্যৎ নিয়ে শংকিত শিক্ষার্থীরা

বরিশাল অফিস :: বরিশাল শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত আইন মহাবিদ্যালয় বা বরিশাল  ল কলেজের ভবিষ্যৎ নিয়ে শংকা প্রকাশ করেছেন কলেজে অধ্যায়নরত সাধারণ শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে ক্ষমতার রদবদলের প্রভাবে এই কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে একাধিক অভিযোগ করেন প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থীর বেশিরভাগ অংশ।
২৭ জুন বৃহস্পতিবার সকালে কলেজ প্রশাসন, শিক্ষার্থী এবং ২৮ জুন শুক্রবার বরিশালের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,  বরিশালের বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও বাস টার্মিনাল দীর্ঘদিন ধরে সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ অনুসারী লোকজন ধারা নিয়ন্ত্রিত ছিলো।
স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের মহানগরীর কোথাও কোনো প্রভাব ছিলোনা। নতুন মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই প্রথমে বাস টার্মিনাল এবং পরবর্তীতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতৃত্বে রদবদল ঘটতে শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১০ জানুয়ারী শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত আইন মহাবিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল ও সভাপতিকে বের করার জন্য মারধরের ঘটনা ঘটেছে। যা নিয়ে সংবাদ হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে।  ঐ সময় আইন মহাবিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসাইন জানান, বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ছাত্র সংসদের অস্থায়ী ছাত্র কর্মপরিষদের ম্যাগাজিন সম্পাদক ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য আরিফুর রহমান অপু ও সাবেক ছাত্রদল নেতা আসাদুজ্জামান আজিম গত ১০ জানুয়ারী তাদের উপর  হামলা চালিয়েছেন। এরপর তারা এটাও বলেছেন আমাদের কিছুতেই আর দায়িত্ব পালন করতে দেবেন না। আমরা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এর লোক এটাই আমাদের অপরাধ বলে গালাগালিও করেছেন।
এরপর হঠাৎ করেই পুনরায় সভাপতিকে অপসারণের দাবীতে একদল শিক্ষার্থী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে সড়কের উপর দাঁড়িয়ে। তারা ২৭ জুন বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় কলেজের সম্মুখে কালিবাড়ি সড়কে এ মানববন্ধন করে। মানববন্ধন চলাকালে শিক্ষার্থীরা আনোয়ার হোসেনের আর্থিক অনিয়মের একাধিক বিষয় তুলে ধরে তার অপসারনণ দাবী করে ।
শিক্ষার্থী মাহী, গাজী মেহেদী হাসান ও বেল্লাল হোসেন ত‍াদের বক্তৃতায় অভিযোগ তোলেন, আনোয়ার হোসেন সভাপতির দায়িত্ব পালনের পর থেকেই নানা কৌশলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা তুলে নিচ্ছেন। ওই টাকার কোন বিল ভাউচার দেয়া হয় ‍না।  এ নিয়ে কথা বললে ওই শিক্ষার্থীকে নানাভাবে লাঞ্ছিত করার হুমকি দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। এখানেই শেষ নয়, শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও ‍আর্থিক বাণিজ্য করার অভিযোগ রয়েছে । যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে তারা শিক্ষক হিসেবে তেমন যোগ্য না বলে জানান আন্দোলনকাারী শিক্ষার্থীরা। এছাড়া কলেজের ফান্ডের টাকা দিয়ে আনোয়ার হোসেন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তার স্ত্রীর নির্বাচন পরিচালনা করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। যা বিল ভাউচারে প্রমাণ রয়েছে বলে জানালেন বক্তারা।
এ সব অভিযোগ সম্পর্কে জানতে ২৮ জুন শুক্রবার বন্ধের দিনে, কলেজ ক্যাম্পাস ও আশেপাশের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ১০ জানুয়ারী   সন্ধ্যায় একদল দুর্বৃত্ত  অধ্যক্ষের কার্যালয়ে প্রবেশ করে ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মোস্তফা জামাল খোকন এবং পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে মারধর করেছে। তারপর থেকেই এই কলেজে শিক্ষার পরিবেশ ব্যহত হতে শুরু করে বলে জানান বাসিন্দারা। আর এই আইন মহাবিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের কয়েকজন বলেন, প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী আমরা এখানে পড়াশুনা করতে এসেছি। কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করতে আসিনি। আমরা এখানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দেখতে চাই এবং এজন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবীর সাথে সহমত পোষণ করে বরিশালের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব কাজী মিজানুর রহমান বলেন, আইন মহাবিদ্যালয় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে কোনো অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা তৈরি হলে তা দেখার দায়িত্ব জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। যেহেতু একটি অভিযোগ উঠেছে, তা দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরামর্শ দেন এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
এদিকে মানববন্ধন করা শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগ বহিরাগত দাবী করে কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসাইন বলেন, ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য আরিফুর রহমান অপু ও সাবেক ছাত্রদল নেতা আসাদুজ্জামান আজিমের ষড়যন্ত্র এই কলেজের বাইরে মানববন্ধন ঘটনা।  আমি এখানে যুক্ত হবার পর ল কলেজের আশেপাশে থাকা তাদের অনেক অবৈধ বাণিজ্যি বন্ধ হয়ে গেছে। যে কারণে তারা আমাকে সরাতে উঠেপড়ে লেগেছে। আমি আসার পর প্রতিজন শিক্ষার্থীর বেতন, ভাতা সবকিছু ব্যাংকের মাধ্যমে হচ্ছে। কারচুপি বা দূর্নীতি করার কোনো সুযোগ এখানে নেই বলে জানান আনোয়ার হোসাইন।
এ দিকে বরিশালের সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিক সমাজের সাবেক সভাপতি শাহ সাজেদা বলেন, শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে এখানে জরুরী তদন্ত কমিটি করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাবো বিষয়টির দ্রুত সমাধান করতে।



পটুয়াখালীতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিয়ার জব্দ, গ্রেপ্তার ৩

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে প্রায় নয় হাজার লিটার নিষিদ্ধ চাইনিজ বিয়ারের ২৭ হাজার ক্যানসহ ৩ যুবককে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

শুক্রবার (২৮ জুন) ভোররাতে পটুয়াখালী টোল প্লাজা থেকে একটি কাভার্টভ্যানসহ এসব মাদক জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বাসিরুল ইসলাম (২৮), মেহেদী হাসান রাব্বি (২৩) ও রুবেল মুন্সী (২৭)।

বাসিরুল ও মেহেদী পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চাইনিজ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওরিয়েন্টাল পার্লে বিভিন্ন পদে কর্মরত। রুবেল মুন্সী ওই কাভার্ট ভ্যানের চালক।

আরো পড়ুন : পায়রার ১ ইউনিট বন্ধ – দক্ষিণে দৈনিক ৭ ঘণ্টা লোডশেডিং

পটুয়াখালী মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এনায়েত হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, চায়না থেকে নৌপথে এসব মাদক পায়রা বন্দর হয়ে কলাপাড়ায় আসে। এখান থেকে ঢাকায় পাচারকালে অবৈধ বিয়ার জব্দ করা হয়। প্রতিটি ক্যানে ৩৩০ এমএল করে মোট বিয়ারের সংখ্যা ৮ হাজার ৮শ’ ৭০ লিটার। জব্দকৃত এসব বিয়ারের বাজার মূল্য ২ কোটি ১৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা। স্বাধীনতার পরে বরিশাল বিভাগে অবৈধ বিয়ার জব্দের এটাই সবেচেয়ে বড় চালান বলে জানান এই কর্মকর্তা।




পায়রার ১ ইউনিট বন্ধ – দক্ষিণে দৈনিক ৭ ঘণ্টা লোডশেডিং

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ৪ দিন ধরে বন্ধ পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট। ফলে দক্ষিণাঞ্চলসহ গোটা দেশে লোডশেডিং দেখা দিয়েছে চরমে। গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন।

বিদুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শিডিউল মেইনটেনেন্সের জন্য সাময়িকভাবে এক ইউনিট বন্ধ রয়েছে। তবে অপর ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ দেয়া হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) বিকেলে বন্ধ হয় পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট। ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুই ইউনিটের একটি বন্ধ হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দেখা দেয় লোডশেডিং। দৈনিক ছয়-সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলছে না। তাই গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন।

আরো পড়ুন : বাউফলে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তত্বাবাধায়ক প্রকৌশলী শাহ আব্দুল হাসিব জানান, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে কেন্দ্রে নিয়মিত যন্ত্রাংশ রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় এক ইউনিটের উৎপাদন সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ হয়। তবে ৪ জুলাই ইউনিটটির রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষে ফের উৎপাদন শুরু হবে।

জাতীয় গ্রিডে কর্মরত একজন সহকারী প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পটুয়াখালী জেলায় মোট বিদ্যুতের চাহিদা ১০০ মেগাওয়াট। সেখানে বুধবার থেকে তারা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন মাত্র ৫০ মেগাওয়াট। এ অবস্থায় বেশি মাত্রায় লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে ন্যাশনাল ক্রাইসিসের কারণে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বেশি হচ্ছে। তার ওপর পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের একটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ না হওয়ায় পটুয়াখালী জেলায় লোডশেডিং বেড়ে গেছে। তবে সম্মিলিতভাবে বিদ্যুৎ বিভাগ চেষ্টা চালাচ্ছে এই ‘ন্যাশনাল ক্রাইসিস’ থেকে মুক্ত হওয়ার।

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী দীন মোহাম্মদ মুহিম জানান, এ জেলায় মোট ৩২ হাজার গ্রাহকের জন্য ১৪ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে ১০-১২ মেগাওয়াট পাওয়া যাচ্ছে। ফলে পৌর এলাকায়ও মাঝে মধ্যে লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

দেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র পায়রা। কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চীন ও বাংলাদেশের যৌথ বিনিয়োগে নির্মিত হয়েছে। ২০২০ সালের ১৫ মে প্রথম কেন্দ্রটি পুরোপুরি উৎপাদনে আসে।

এরপর ২০২৩ সালের ২৫ মে ডলার সংকটে কয়লার দাম পরিশোধ করতে না পারায় গত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ৬৬০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। একই কারণে ৫ জুন দুপুরে কেন্দ্রটির ইউনিটটিও সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।




রাইসির মৃত্যুতে নতুন প্রেসিডেন্টের খোঁজে ইরানে নির্বাচন আ




ইংল্যান্ডকে বিদায় করে ফাইনালে ভারত




শিক্ষকতার পাশাপাশি ছাদ বাগান করে সফল পটুয়াখালীর শামীম

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বর্তমানে সারা দেশে ফসলি জমি কমছে বাড়ছে বসতি। তাই অল্প জায়গায় অধিক ফল-ফসল উৎপাদন করা যায় তা নিয়ে সরকারের নানা উদ্যোগ রয়েছে। তাই বিভিন্ন শহরে বড় বড় ভবনের ছাদ বাগানে বিভিন্ন ধরনের ফল ও সবজি চাষে ঝুঁকছেন বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ। এসব বাগান করে সফলতাও পাচ্ছেন অনেকে। শখ থেকে হয়ে উঠছে বাণিজ্যিক চিন্তাধারাও। আর এই শখ এবং বাণিজ্যিক চিন্তাধারা মাথায় রেখে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের সুবিদখালী বাজার এলাকায় এম শামীম আহমেদ নাসির নিজ বাড়ির ছাদে গড়ে তুলেছেন, অরিজিনাল থাই ড্রাগন লাল, সাদা হলুদ প্রজাতির বাগান। এ ছাড়াও আম্রপলি, হাঁড়িভাঙ্গা, বারোমাসি পেয়ারাসহ বিভিন্ন প্রকার মৌসুমি শাকসবজি রয়েছে তার বাগানে।

শামীম উপজেলার এন এস আমড়াগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি মির্জাগঞ্জ উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক।

আরো পড়ুন : বাউফলে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

এ ব্যাপারে শামীম জানান, ২০২০ সালের করোনাকালীন বিদ্যালয়ে ছুটি থাকায় ড্রাগন ফলের গাছ লাগিয়ে ছাদবাগান শুরু করি। ছোট বেলা থেকেই বাগান করা আমার শখ। বর্তমানে আমার ছাদবাগানে ১০০টি অরিজিনাল থাই ড্রাগন লাল, সাদা ও হলুদ ড্রাগন ছাড়াও আম্রপলি, হাঁড়িভাঙ্গা, বারোমাসি পেয়ারা ও বিভিন্ন প্রকার মৌসুমি শাকসবজি রয়েছে। তিনি সব ধরনের সবজি ও ফলে জৈবসার ব্যবহার করেন। পরিবারের চাহিদা পূরণ করে অতিরিক্ত ফল ও সবজি আত্মীয়স্বজনের মধ্যে বণ্টন করেন।

তিনি আরো বলেন, ছাদ বাগানে পরিশ্রম ও খরচ বেশি তবে বাগান থাকে নিরাপদ। অনেকে আমার বাগান দেখে উৎসাহিত হচ্ছেন। আমি তাদের ছাদ বাগান করার পরামর্শ দেই। তবে আমার মতো মির্জাগঞ্জের সুবিদখালীতে আরো দু’জন ছাদবাগান করে সফলতা পেয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আবদ্ল্লুাহ আল-মামুন জানান, শিক্ষকতার পাশাপাশি শামীম আহমেদের মতো প্রত্যেক নাগরিকের বাগান করার দিকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। গত কয়েক বছরে মির্জাগঞ্জে ছাদ বাগানের সংখ্যা বেড়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সবাইকে নিয়মিত পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।




বাউফলে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাসের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২০ জুন বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল পরিমাণ ওই অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি অবহিত করে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৩-২০২৪ ইং অর্থ বছরে কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ না করে ভূয়া বিল ভাউচার তৈরি করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাত করেন কৃষি কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস। বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ মনগড়াভাবে পরিচালনা করেন তিনি। ঠিকভাবে কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন না। কৃষকের প্রশিক্ষণের নাস্তা, খাবার ও ভাতাদি ঠিকমতো প্রদান না করে বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাত করেছেন।

গত ২২ এপ্রিল আউশ প্রণোদণা কার্যক্রম না করে ১ মাস পর ২৩ মে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করেন। নির্দিষ্ট সময় সার ও বীজ বিতরণ না করায় সরকারের এই প্রকল্প কৃষকের উপকারে আসেনি।

এছাড়াও মৌসুম পেরিয়ে যাওয়ার পর বিভিন্ন প্রণোদনা কার্যক্রম পরিচালনা করায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ২০২৩-২০২৪ ইং অর্থ বছরে অনাবাদী পতিত জমি ও বসত বাড়ির আঙিনায় সবজি ও পুষ্টি বাগান স্থাপণ প্রকল্প থেকে ৩৬ লক্ষ ২৪ হাজার ৩৫০ টাকা, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ২৬ লক্ষ ৬১ হাজার ১১২ টাকা, পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা জোড়দারকরণ প্রকল্প থেকে ১০ লক্ষ ৮১ হাজার ৫০০ টাকা, বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠী, বরগুনা, মাদারীপুর ও শরিয়তপুর কৃষক উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ৪০লক্ষ ৮০ হাজার ৮০০ টাকা, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নতমানের ধান,গম ও পাটবীজ উৎপাদন সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্প থেকে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ১০০ টাকা, তেল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প থেকে ৯ লক্ষ ৩০ হাজার ৮০০ টাকা, রাজস্ব প্রকল্প থেকে ১৬ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬০০ টাকা, সমন্বিত ব্যবস্থাপণার মাধ্যমে খামার যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প থেকে ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা, প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারগ্রেনরশীপ অ্যান্ড রেডিয়েশন ইন বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে বরাদ্দকৃত ২৭ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩১৮ টাকা, ষ্টেকহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কমপিটিটিভনেশন প্রকল্প (এসএসিপি) থেকে ২৯ লক্ষ ১০ হাজার ৪০০ টাকা এবং বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প থেকে ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ৮০০ টাকার কাজ না করে ভূয়া বিলভাউচার তৈরি করে মোট ২ কোটি ৪ লক্ষ ১৫ হাজার ২৯০ টাকা আত্মসাত করেন কৃষি কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস।

আরো পড়ুন : দুমকিতে ছাত্রলীগের ৩ নেতাকে অব্যাহতি

প্রতিবেদন আরও উল্লেখ করা হয়, উল্লেখিত প্রকল্পের কোনো দৃশ্যমাণ কাজ বাউফল উপজেলায় নেই। কৃষি কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস বরাদ্দকৃত সমুদয় টাকা আত্মসাত করায় সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বিলীন হয়ে যাচ্ছে। কৃষক সঠিকভাবে সেবা পাচ্ছে না। কৃষি উপকরণ, প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা। কৃষি কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাসের কারণে কৃষি সেক্টর ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এবং সরকারের উন্নয়ন আলোর মুখ দেখছে না।

একটি সূত্র জানায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উর্দ্ধতন কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজসে বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত করেন অনিরুদ্ধ দাস। অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি ফাঁস হওয়ার পর থেকে ওই উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ম্যানেজ প্রক্রিয়ার জন্য মাঠে নেমেছেন। তারা অনিরুদ্ধ দাসের অনিয়ম-দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। বিষয়টি বাড়াবাড়ির পর্যায়ে না যায় সে জন্য লবিং তদবিরও শুরু করেছেন।

অর্থআত্মসাতের বিষয়টি অস্বীকার করে বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস বলেন, প্রকল্পের কাজগুলো যথানিয়মে হয়েছে। সব কাজই দৃশ্যমান। এ ব্যাপারে পত্রিকায় নিউজ প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী বলেন, আমার জানা মতে উল্লেখিত প্রকল্পের কোনো কাজই হয়নি। অনিরুদ্ধ দাসের অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি অবহিত করে এবং তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানিয়ে জেলা প্রশাসকের বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।