লালমোহনে এইচএসসি পরীক্ষায় বসছে ১৯১১ শিক্ষার্থী

বরিশাল অফিস :: আজ  রোববার শুরু হবে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর ভোলার লালমোহন উপজেলায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বসবে ১ হাজার ৯১১জন শিক্ষার্থী।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, মোট ৫টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এ পরীক্ষা। যার মধ্যে সরকারি শাহবাজপুর কলেজ কেন্দ্রে ৩২৯জন, করিমুন্নেছা-হাফিজ মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ২৫৩জন, হাজী মো. নূরুল ইসলাম চৌধুরী মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রে ৫০৪জন, লালমোহন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে (কারিগরি/বিএম/বিএমটি) ৪৯৯ জন এবং লালমোহন ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে ৩২৬ জন আলিম শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন।

লালমোহন উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার মদন মোহন মন্ডল বলেন, নকলমুক্ত ও সুষ্ঠু এবং সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে পরীক্ষার নীতিমালা অনুযায়ী আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রভিক্তিক ট্যাগ অফিসার নিয়োগ ও ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে।

পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী, এইচএসসির প্রথমদিনে বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাদরাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় কোরআন মাজিদ বিষয় এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসির (বিএম/বিএমটি) বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা প্রথমদিনে অনুষ্ঠিত হবে।




বরগুনায় নেশাদ্রব্য মেশানো খাবার খেয়ে অসুস্থ ৫

বরিশাল অফিস :: বরগুনার আমতলী উপজেলার টেপুরা গ্রামে একই বাড়ির ৫ সদস্যদের নেশাদ্রব্য খাইয়ে অচেতন করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, উপজেলার টেপুরা গ্রামের তুষার প্যাদা মোটরসাইকেল চালিয়ে রাত ৯ টার বাড়ি ফেরেন। দরজা খুলতে ডাকাডাকি করলে কোনো সাড়া শব্দ দিচ্ছিলেন না কেউ। পরে নিজে ঘরের দরজা খুলে দেখতে পান পরিবারের ৫ সদস্য সবাই অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছেন। তাৎক্ষণিক তাদের উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

অসুস্থরা হলেন- পিয়ারা বেগম (৭০), রুবেল (৩০), মৌসুমী (২৫), লিমা (২৬) ও তাসমিম (১০)।

তুষার প্যাদা বলেন, রাতের আধারে দুর্বৃত্তরা ঘরের খাবারের সঙ্গে নেশা জাতীয় পদার্থ মিশিয়ে দেয়। ঐ খাবার খেয়ে ঘরের সবাই অজ্ঞান হয়ে পরে। শনিবার সকালে ঐ খাবার একটি বিড়াল খেয়েছে। বিড়ালটিও অসুস্থ হয়ে পরেছে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মনিরুজ্জামান খাঁন বলেন, খাদ্যে নেশা জাতীয় খাবার খেয়ে সবাই অজ্ঞান হয়ে পরেছে। তাদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। পরিবারের অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।




Padma Bridge river training cost rises by 249.42 crore

Barishal office :;: Padma Bridge river training cost has been increased by 249 crore 42 lakh 52 thousand 349 taka. In this, the cost of Padma Bridge river training has increased to 9,834 crore 77 lakh 45 thousand 349 taka.

The Cabinet Committee on Government Purchase approved the proposal to increase the expenditure again with Finance Minister Abul Hasaan Mahmood Ali in the chair on Saturday. At the end of the meeting, the Secretary of Coordination and Reform of the Cabinet Department Mahmudul Hossain Khan informed this information.

The final tender for river training works adjacent to Padma Bridge was accepted on 19 June 2014. On the recommendation of the Tender Evaluation Committee, the Cabinet Committee on Public Purchase meeting on September 10 of that year approved the proposal regarding the appointment of the Chinese state-owned Sinohydro Corporation for the river training work of the Padma Multi-purpose Bridge construction project.

After the approval of the proposal, the contract was signed with Sinohydro Corporation on November 10, 2014, to complete the construction work within 48 months. The contract price of which is 8,707 crore 81 lakh 41 thousand 446 taka. Later the time was extended several times. Korea Expressway Corporation & Associates has been engaged as construction supervision consultant to supervise this work.

After the traffic started in September last year, the river training cost of the Padma Multipurpose Bridge was increased by Tk 877 crore 53 lakh 51 thousand 553. In this, including VAT and taxes, the cost of Padma Bridge river training has increased to 9,585 crore 34 lakh 93 thousand taka. Now, in the second phase, Padma Bridge river training cost has been increased by 249 crores 42 lakhs 52 thousand 349 taka to 9,834 crores 77 lakh 45 thousand 349 taka.

Secretary Md. Mahmudul Hossain Khan said that the Padma multi-purpose bridge project is being implemented by the Bangladesh Bridge Authority. The project expires on 30 June 2024. That means the project will expire tomorrow. Sinohydro Corporation of China is doing the work of river training work. Their deadline was 30 June 2023. The defect liability period is one year. That means their work will be finished tomorrow.

He said, at this time the contractor had to do some additional work. Additional work has to be done for two reasons. One is the delay in getting space from BIWTA for operationalizing about one-kilometer-long water communication system at Kanthalabari ferry ghat, launch ghat and surrounding river control works boundary at Jazira end of the project. It has been delayed for more than three years.

The second reason is that while going to work after the design was finalised, some parts of the contractor’s works were washed away in the river bed by the heavy current of the river in 2012 along the boundary of the river control work under the weight of the main bridge at the Mawa end. As a result, design changes are required. In this context, the design is delayed. Due to this, the contractor has submitted a proposal to increase the cost, said Secretary Mahmudul Hossain Khan.

On September 30, 2017, the first span of the bridge was installed. The last span was laid on December 10, 2020. Prime Minister Sheikh Hasina inaugurated the Padma Bridge on June 25, 2022. The next day, on June 26, the Padma Bridge opened to traffic.

The Padma Multipurpose Bridge Project has been implemented by the Bangladesh Bridge Authority. The main bridge work was done by China Major Bridge Engineering Company Limited. The main bridge is 6.15 km long and the width is 18.10m. Its approach road is 12.117 km while the viaduct is 3.148 km (road) and 532 m (rail).




এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

বরিশাল অফিস :: চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আজ রোববার (৩০ জুন) শুরু হচ্ছে। এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি/আলিম/এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ডিপ্লোমা-ইন কমার্স পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন।

এর মধ্যে ছাত্রসংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার ২৮১ জন এবং ছাত্রী সংখা ৭ লাখ ৫০৯ জন। এবার মোট কেন্দ্র ২ হাজার ৭২৫টি ও মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৯ হাজার ৪৬৩টি। সূচারুভাবে পরীক্ষা সম্পন্নের লক্ষ্যে কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

১. পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে প্রবেশ করতে হবে। কোনো কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে এর পরে প্রবেশ করতে দিলে তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, দেরি হওয়ার কারণ রেজিস্ট্রারে লিখে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে।

২. পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।

৩. পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না এবং কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে পারবেন না।

৪. পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রশ্নপত্রের সেট কোড জানিয়ে দেওয়া হবে। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল বা ইলেকট্রনিকস ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। শুধু ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন (ছবি তোলা যায় না এমন মোবাইল)।

৫. পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি (যেমন-পরীক্ষার্থী, কক্ষ প্রত্যবেক্ষক (ইনভিজিলেটর), মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, বোর্ডের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পরিদর্শন টিম, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য) ছাড়া অন্য কেউই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।

৬. বিশেষ সক্ষম (ডিফারেন্টলি অ্যাবল) পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কিছু ব্যবস্থা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরমধ্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রালপালসি জনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই, এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী স্ক্রাইব (শ্রুতি লেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এ ধরনের পরীক্ষার্থীদের এবং শ্রবণ পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট বাড়ানো হয়েছে।

৭. প্রতিবন্ধী (অটিস্টিক, ডাউনসিন্ড্রম, সেরিব্রালপালসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বাড়ানোসহ শিক্ষক, অভিভাবক বা সাহায্যকারীর বিশেষ সহযোগিতায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রেখেছে সরকার।




বর্ষায় ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়া থেকে বাঁচার ঘরোয়া উপায়




২০২৫ সালে যোগ দেওয়াদের পেনশন স্কিমে যুক্ত করার কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী

বরিশাল অফিস :: ২০২৫ সালে যারা সরকারি চাকরিতে যোগ দেবেন, তাদেরও পেনশন স্কিমে যুক্ত করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার জাতীয় সংসদে চলমান বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০২৫ সালে যারা চাকরিতে যোগ দেবেন তারাও যেন সরকারি পেনশন স্কিমে যুক্ত হতে পারেন, সেই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে আগামী দিনে বিদ্যুতে ভর্তুকি থাকছে না বলেও জানান শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, মানুষের সক্ষমতা যখন কম ছিল, তখন কম বিদ্যুৎ হলেও চলতো। এখন সক্ষমতা বেড়েছে, তাই বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়েছে। এ অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিতে হচ্ছে বিদ্যুতে। এটা সামনের দিনগুলোতে আর দেওয়া হবে না।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিগগিরই বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।




টিভিতে আজ যেসব খেলা দেখবেন




বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পিরোজপুরের প্রতিবন্ধী ইমরানের

বরিশাল অফিস :;: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বুড়িরচর গ্রামের মো. ইমরান (১৯) দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। পরিবারের দারিদ্র্যতার কারণে তাকে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে পড়াশোনা করতে হয়েছে। এ বছর তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হয়েছেন। আগামী ১৫ জুলাই থেকে তার ক্লাস শুরু হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে আসন বরাদ্দ না পাওয়ায় তাকে মেসে থাকতে হবে। কিন্তু থাকা, খাওয়া ও পড়াশোনার খরচ চালানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন মো. ইমরান।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মো. ইমরানের বাবা মো. সোবাহান পেশায় দিনমজুর। বছর দুয়েক আগে নারকেলগাছ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়ে এখন আর ভারী কোনো কাজ করতে পারেন না তিনি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ইমরানের বড় ভাই শফিকুল ইসলাম ট্রাকচালক ছিলেন। গত ফেব্রুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় পা ভেঙে এখনো চিকিৎসা নিচ্ছেন। ভাইয়ের উপার্জন বন্ধ থাকায় ইমরানের পড়াশোনার খরচ চালানো পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

মো. ইমরান বলেন, লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ থাকায় পরিবার থেকে সব সময় সহযোগিতা পেয়েছি। বন্ধু ও শিক্ষকরা সহযোগিতা করেছেন। বাবা অসুস্থ হয়ে পড়ার পর বড় ভাই আমার পড়াশোনার খরচ চালাতেন। তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর আমার পড়াশোনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ১৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু হবে। এ জন্য একটি মেসে উঠব। প্রতি মাসে মেসে থাকা-খাওয়ার জন্য পাঁচ হাজার টাকা খরচ হবে। সব মিলিয়ে ছয়–সাত হাজার টাকা প্রতি মাসে খরচ। তবে আমার পরিবারের পক্ষে এত টাকা দেওয়া সম্ভব নয়।

২০২১ সালে বরিশাল সরকারি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয় থেকে জিপিএ–৩ পেয়ে এসএসসি পাস করেন ইমরান। এরপর ২০২৩ সালে রাজধানীর পল্লবী কলেজ থেকে জিপিএ ৪ দশমিক ৪২ পেয়ে এইচএসসি করেন। গত ২ মে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হন। জন্মের পর থেকে মো. ইমরানের চোখে সমস্যা। ব্রেইল–পদ্ধতিতে পড়াশোনা করেছেন তিনি। পরীক্ষায় শ্রুতলেখকের সহযোগিতা নিয়েছেন।

বরিশাল সরকারি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষক খোকন চন্দ্র বর্মণ বলেন, মো. ইমরান আমাদের বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে সরকারি খরচে পড়াশোনা করেছে। তার পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে তার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সহযোগিতা প্রয়োজন।




ভোলায় প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়ে মানুষের জীবন নিয়ে খেলা

বরিশাল অফিস :: মেঘনা পাড়ি দেওয়ার ব্যস্ত নৌপথ ভোলার ইলিশা-লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরী ঘাট। এ রুটে যাতায়াতকারী মানুষের তুলনায় নিরাপদ জলযান অপ্রতুল। বিষয়টিকে সুযোগ হিসেবে নিয়েছে একদল অসাধু ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মকর্তা। মিলেমিশে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালী সিন্ডিকেট, চালাচ্ছেন রমরমা বাণিজ্য। মেতেছেন মানুষের জীবন নিয়ে কমিশনের খেলায়। বর্ষা মৌসুমে উত্তাল এ নদীতে অবাধে ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী পারাপার করছে ছোট ছোট ট্রলার-স্পিডবোট। দেখেও না দেখার ভান করছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। বিনিময়ে নিয়মিত তাদের পকেটে পৌঁছে যায় মাসোহারা। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে যাত্রীর চাপ তৈরি হওয়ায় ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা সত্ত্বেও বাড়ে ছোট ছোট ট্রলারের দৌরাত্ম্য।

ইলিশা-মজু চৌধুরী ঘাট রুটে চারটি সি-ট্রাক চালায় বিআইডব্লিউটিসি। এগুলোর ধারণ ক্ষমতা এক হাজার (প্রতিটি ২৫০ করে) জন। পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানাধীন দুটি লঞ্চ চলে। এগুলোর যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৯০০ জন। সারা বছর এসব বৈধ নৌযান দিয়ে যে পরিমাণ যাত্রী পারাপার করা হয়, চাহিদা রয়েছে তার চেয়ে কয়েক গুণ। ঈদসহ বিভিন্ন ছুটিতে বাড়তি ট্রিপও দেওয়া হয়। কিন্তু নৌযান না বাড়ানোর সংকট কাটে না। এতে ঈদের ছুটিতে কোনো কোনো দিন ২০ হাজার যাত্রীও পারাপার হন, যাদের অধিকাংশকেই বাধ্য করা হয় ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে যাতায়াত করতে। ছোট ট্রলারগুলোর যাত্রী পারাপারের অনুমোদন নেই, রাখা হয় না নদীর মাঝে বিপদে পড়লে উদ্ধারের কোনো ব্যবস্থাও।

এ ছাড়া ১৫ অক্টোবরের পর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ছোট লঞ্চ চলায় খুব একটা সংকট হয় না। তখন সিডিউলের মারপ্যাঁচে ফেলে যাত্রীদের বাধ্য করা হয় স্পিডবোটে যাতায়াতে। এগুলোর অনুমোদন না থাকলেও চলে নির্ঝঞ্ঝাট।

অবৈধ নৌযান চলাচল ঠেকাতে ঘাট এলাকায় মাঝেমধ্যে নামকাওয়াস্তে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন। আদালতের নেতৃত্বে থাকা ম্যাজিস্ট্রেট আসেন অফিসের সময় ধরে সকাল ১০টার পরে। আর ট্রলার-স্পিডবোটগুলো দিনের সবচেয়ে বড় ট্রিপগুলো দেয় ওই সময়ের আগেই।

নেপথ্যে কারবারিরাযাত্রী ও ঘাট সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সিন্ডিকেট সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। অবৈধ নৌযানের নির্বিঘ্ন চলাচল দেখভাল করেন ছয়জন। তারা হলেন– ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য বশির মেম্বার, মো. মনির, মজু চৌধুরী ঘাটের ধানু, লিটন ও শিমুল বিশ্বাস। এই কারবারিরা সবাই ঘাট ইজারাদারের অনুসারী ও স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ও বিআইডব্লিউটিএর স্থানীয় কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করে এই সিন্ডিকেট। তারা নিয়মিত কমিশন নিয়ে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ঝুঁকি উপেক্ষা করে অবৈধ যানগুলো চলাচলের ব্যবস্থা করে দেয়।

এজন্য স্থানীয় নৌ থানা ও পুলিশকে ‘মাসিক কিস্তি’ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ঘাটে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ট্রলার প্রতি একশ থেকে দুইশ টাকা করে (প্রতি সদস্য) মাসোহারা দেওয়া হয়। যা থানার মাসিক কিস্তির বাইরে। বিআইডব্লিউটিএর তিন কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন, রকিব হাসান ও মো. আলীকে প্রতি ট্রলার বাবদ পাঁচশ টাকা করে দিতে হয়। তাদের ম্যানেজ করার খরচ বাদে যা থাকে সেখান থেকে ঘাট ইজারাদার পান এক-তৃতীয়াংশ। অবশিষ্ট টাকা ভোগ করতে পারেন ট্রলার পরিচালনাকারীরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ট্রলার মালিক জানান, ঈদ করার জন্য নৌ থানায় ২০ হাজার এবং পুলিশ ফাঁড়িতে খাসি কিনে দিয়েছেন তিনি।

তবে ট্রলার থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিআইডব্লিউটিএর ট্রাফিক সুপারভাইজার রকিব হাসান ও মো. আলী। ভোলা পূর্ব ইলিশা নৌ থানার ওসি বিদ্যুৎ কুমার বড়ুয়াও টাকা নেওয়া এবং অবৈধ ট্রলার মালিকদের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। বশির মেম্বার জানান, ঈদের সময় দু’একটা ট্রলার চলেছে। এগুলো ইলিশা ঘাটের না। লক্ষ্মীপুর থেকে এসে যাত্রী নিয়ে যায়।

ইলিশা থেকে মজু চৌধুরী ঘাট পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে যাত্রীদের গুনতে হয় ২০০ টাকা। ট্রলার ও স্পিডবোটে নেওয়া হয় ৩০০ টাকা করে। ঈদের ছুটিতে যাত্রীর চাপ বাড়ায় ৩০ থেকে ৩৫ জনের ধারণ ক্ষমতার ট্রলারগুলো গাদাগাদি করে ১০০ থেকে ৩০০ মানুষ পরিবহন করে। ঘাট-সংশ্লিষ্ট কর্মী, নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে এসব যাত্রীকে জিম্মি করা হয়। আদায় করা হয় বাড়তি ভাড়াও। ম্যানেজের খরচ বাদ দিয়ে প্রতি ট্রিপে তাদের টেকে হয় ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা।

রফিজুল হক, সিরাজুল হক, হনুফা খাতুনসহ কয়েক যাত্রী বলেন, চাহিদার ভিত্তিতে নৌযান না বাড়িয়ে যাত্রীদের ট্রলার মালিকদের হাতে তুলে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। আর এই কারবারিরা মানুষকে জিম্মি করে ফেলছে। অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও জীবন বাজি রেখে নদী পার হতে হয়। রোদ-বৃষ্টিতে কষ্ট করতে হয়।

ভোলা নদী বন্দরের সহকারী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম জানান, বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তাদের পক্ষে ট্রলারগুলো বন্ধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তারপরও সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।




বরিশাল নগর বিএনপির কমিটি ঘিরে গুঞ্জন

বরিশাল অফিস :: সদ্যবিলুপ্ত বরিশাল মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি কবে হবে, কাদের নিয়ে হবেÑ তা নিয়ে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। অনেকের মতে, এখানে আবারও আহ্বায়ক কমিটিই ঘোষণা করা হবে। কেউ কেউ বলছেন, সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ পাঁচ সদস্যের কমিটিও গঠিত হতে পারে। কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পর থেকেই এসব নিয়ে নানা জল্পনাকল্পনা চলছে বিএনপি ও এর বিভিন্ন সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনগুলোতে।

এদিকে মহানগর বিএনপির সদ্যবিলুপ্ত কমিটির দপ্তরের দায়িত্বে থাকা জাহিদুর রহমান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে জানিয়েছেন, ‘কী ধরনের কমিটি হবে, সেই বিষয়ে আমরা কেউ নিশ্চিত নই। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিদ্ধান্ত দেবেন কী কমিটি হবে।’

বিএনপি নেতা রিপনের ধারণা, পহেলা জুলাইয়ের আগেই এই কমিটি পাবে মহানগর বিএনপি। মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদুল হাসান আনিচ বলছেন, ‘ধারণা করছি, দক্ষিণ জেলা বিএনপির মতো মহানগর বিএনপিরও আবারও আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হবে। দক্ষিণ জেলার মতো এখানেও আসলে আহ্বায়ক কমিটিই পুনর্গঠন করা হবে।’

বিএনপি নেতারা জানান, ২০২১ সালের ৩ নভেম্বর বিএনপি বরিশাল মহানগরের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে মো. মনিরুজ্জামান ফারুককে আহ্বায়ক, অ্যাডভোকেট আলী হায়দার বাবুলকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং মীর জাহিদুল কবিরকে সদস্য সচিব করা হয়। সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গত ৫ নভেম্বর কমিটি অনুমোদনের স্বাক্ষর দেন। ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি আহ্বায়ক কমিটি ৪২ সদস্যসম্পন্ন করার অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু আকস্মিকভাবে গত ১৩ জুন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। তখন থেকে বরিশালে বিএনপির কমিটি নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়।

দলের একটি সূত্র জানাচ্ছে, যেহেতু আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে, তাই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সভাপতি-সম্পাদকসহ আপাতত ৫ সদস্যের কমিটি ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।

সভাপতি হিসেবে আলোচিত হচ্ছেন যারা ::

এ ক্ষেত্রে সভাপতি হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের নামই বেশি শোনা যাচ্ছে। আবার চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হওয়ায় তার এই সুযোগ নেই বলেও মনে করছেন অনেকে। যদিও সরোয়ার অনুসারীদের ধারণা, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে এ পদ দিতে পারেন।

এ বিষয়ে মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, ‘দল যদি দায়িত্ব দেয়, তাহলে সিদ্ধান্ত মেনে সবার সঙ্গে সমন্বয় করে দলকে এগিয়ে নেব। দল দায়িত্ব দিলে একাধিক পদ কোনো বিষয় নয়।’

এরপরেই আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরীন। তিনি বললেন, ‘গত সাত বছর ধরে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছি। এখন আমি পদোন্নতি প্রত্যাশা করছি। তা ছাড়া দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিলেও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব।’

তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবায়দুল হক চানকে এবার মহানগর বিএনপির সভাপতি করা হতে পারে বলেও গুঞ্জন রয়েছে।

এ বিষয়ে এবায়দুল হক চান বলেন, ‘দলের প্রতি ভালোবাসা সব সময় ছিল, থাকবে।’ মহানগরের কমিটিতে তাকে রাখার বিষয় সম্পর্কে কিছু জানেন না, এ-কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব দিলে অবশ্যই আমার সঙ্গে আগে আলোচনা করতে হবে।’

সদ্যবিলুপ্ত কমিটির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকও রয়েছেন আলোচনায়। এ বিষয়ে মনিরুজ্জামান খান ফারুক জানান, দলের সিদ্ধান্ত মেনেছেন সব সময়। আন্দোলন-সংগ্রামে পিছপা হননি কখনও। দায়িত্ব পাওয়ার পর বরিশাল মহানগর বিএনপিকে সুসংগঠিত করার চেষ্টা করেছেন। তিন মাসের বেশি সময় জেল খেটেছেন। সব দিক বিবেচনা করে তার প্রতিদান পাওয়ার প্রত্যাশা তো থাকতেই পারে। তারপরও দলের চেয়ারম্যান যে সিদ্ধান্ত দেবেন, তা তিনি মাথা পেতে নেবেন।

সম্পাদক/সদস্য সচিব পদে আলোচিত যারা ::

সাধারণ সম্পাদক কিংবা সদস্য সচিব হিসেবে আলোচনায় রয়েছে তিন জনের নাম। তারা হলেনÑ সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার, সদ্যবিলুপ্ত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মীর জাহিদুল কবির ও মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আক্তারুজ্জামান শামীম।

এ বিষয়ে জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে আসছি শুরু থেকেই। এই দলের জন্য নিজের সর্বস্ব দিতে রাজি আমি। দলের চলমান প্রক্রিয়ায় আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত হয়েছে। সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় আবারও কমিটি হবে। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে কমিটিতে যেখানে রাখার যোগ্য মনে করবেন, সেখানেই নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। এ বিষয়ে আমি চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের ওপর পুরোপুরি আস্থাশীল।’

মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি আক্তারুজ্জামান শামীম বলেন, ‘৪০ বছর ধরে বরিশাল নগরীতে বিএনপির সৈনিক হয়ে কাজ করছি। দল যখন যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা পালন করেছি নিষ্ঠা ও একাগ্রতা নিয়ে। মৃতপ্রায় যুবদলের কার্যক্রমকে উজ্জীবিত করেছি। ভবিষ্যতেও যদি দল আমাকে যোগ্য মনে করে কোনো দায়িত্ব দেয় তবে নিজের শতভাগ দিয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করব।

সদ্যবিলুপ্ত কমিটির সদস্য সচিব মীর জাহিদুল কবির জাহিদ বলেন, ‘রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে এই পর্যন্ত এসেছি। টানা চারবারের কাউন্সিলর ছিলাম। দলের সিদ্ধান্ত মেনে এবার নির্বাচন থেকে বিরত থেকেছি। সব সময় দলের সিদ্ধান্তের প্রতি অনুগত ছিলাম, এখনও আছি। ভবিষ্যতে যাদের দায়িত্ব দেবেন, তাদের নিয়েই কাজ করব।’