দেশজুড়ে ভারী বর্ষণের শঙ্কা, থাকবে ৫ দিন

বরিশাল অফিস  রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার (১ জুলাই) থেকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আগামী ৪৮ ঘণ্টার এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। ফলে সারা দেশে ভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। যা আগামী পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি মৌসুমী অক্ষের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষ উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

এদিন সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।




গোপন সংবাদে যেভাবে উদ্ধার হলো অর্ধকোটি টাকার চিংড়ির রেণু

বরিশাল অফিস :: ভোলার লালমোহন উপজেলায় ট্রলারে করে পাচারের সময় অন্তত অর্ধকোটি টাকার চিংড়ির রেণু উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ৬টি চটজাল এবং রেণু বহন করা ওই ট্রলারটিও উদ্ধার করা হয়।

রবিবার  রাত সাড়ে ১২ টার দিকে লালমোহন উপজেলা মৎস্য অফিস ও কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযানে বদরপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর এলাকার তেঁতুলিয়া নদী থেকে এসব মাছ, জাল এবং ট্রলার উদ্ধার করা হয়।

লালমোহন উপজেলা সামুদ্রিক মৎস্য কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বদরপুর ইউনিয়নের কয়েকটি স্পট দিয়ে চিংড়ির রেণু পোনা পাচার হচ্ছে। পাচারকারীদের ধরতে তৎপর ছিলাম। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে হঠাৎ খবর আসে উপজেলার নাজিরপুর এলাকার তেঁতুলিয়া নদী দিয়ে পটুয়াখালীর বাউফলের উদ্দেশ্যে একটি ট্রলারে করে অন্তত অর্ধকোটি টাকার চিংড়ির রেণু পোনা পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক কোস্টগার্ডের সদস্যদের নিয়ে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি আরো বলেন, অভিযান পরিচালনা করে নদীতে থাকা একটি ট্রলার থেকে ৫টি ড্রামের মধ্য থেকে ৪০ লাখ চিংড়ির রেণু উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য অর্ধকোটি টাকার মতো। উদ্ধার করা ওইসব চিংড়ির রেণু তেঁতুলিয়া নদীতে অবমুক্ত করা হয়। এছাড়া এ সময় ৬টি চটজাল উদ্ধার করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৬০ হাজার টাকা। ওইসব জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। এ সময় চিংড়ির রেণু বহন করা ট্রলারটিও উদ্ধার করা হয়েছে। ওই ট্রলারটি পরবর্তীতে নিলামে তোলা হবে।




বরিশালে জনগণের কোনো কাজে আসছে না ৩৩ লাখ টাকার ব্রিজ

বরিশাল  অফিস :: বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জে উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের গুরিয়া গ্রামের আটবাড়িয়া খালের ওপর ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। যা আদৌ জনগণের কোনো কাজে আসছে না।

গত ২০০৬-০৭ অর্থবছরে আটবাড়িয়া খালের ওপরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে এ ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছে।

সূত্রে থেকে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে নির্মিত ব্রিজের ঠিকাদার ছিলেন একজন বিএনপি নেতা। ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজ বাড়ির পার্শ্ববর্তী আটবাড়িয়া খালে ব্যক্তিস্বার্থে ব্রিজটি নির্মাণ করে। ব্রিজটি দীর্ঘ ১৭ বছরে জনগণের কোনো কাজে আসেনি। ব্রিজটি নির্মাণে সরকারি অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

তারা অভিযোগ করে বলেন, ব্রিজের একপাশে কোনো রাস্তাঘাট কিংবা জনবসতি নেই। যতদূর চোখ যায় শুধু বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত। অথচ এখানে এত বড় একটা ব্রিজ করার কোনো কারণ ছিল না। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে পটুয়াখালী কৃষি কলেজের ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. রফিকুল ইসলামের বাড়ি থেকে ধান এবং গরু-বাছুর আনা-নেওয়ার জন্যই ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছে।

তারা আরও জানান, মো. রফিকুল ইসলাম কলসকাঠী ইউনিয়নের গুরিয়া গ্রামের ইসমাইল সিকদারের ছেলে ও যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হ‌ওয়া সাবেক মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামীর এপিএস ছিলেন। এছাড়াও তিনি বর্তমানে ভূমি সংস্কার বোর্ডে সহকারী ভূমি সংস্কার কমিশনার-২ পদে কর্মরত।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অফিস সূত্র ও স্থানীয়রা জানান, বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের গুড়িয়া গ্রামের ওই শিবির নেতার বাড়ির পার্শ্ববর্তী আটবাড়িয়া খালের ওপরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছে।

গুড়িয়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সাবেক শিবির নেতার বাড়ির সামনের খালে এই ব্রিজের কোনো প্রয়োজন ছিল না। ব্রিজের ওপারে শুধু ধানক্ষেত। তাছাড়া খালেও বছরের অধিকাংশ সময় কোনো পানি থাকে না। এক কথায় সরকারি অর্থের অপচয় করা হয়েছে।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. কামরুজ্জামান জানান, গ্রামীণ সড়ক এবং কাবিখা প্রকল্পের রাস্তার সংযোগ স্থানে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়নে মনিটরিংয়ে ব্রিজগুলো নির্মাণ করা হয়। এ ক্ষেত্রেও তেমনটি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ব্রিজটি নির্মাণকালীন সময়ে আমি এ উপজেলার দায়িত্বে ছিলাম না। এজন্য আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না বলেও তিনি জানান।




বরগুনার তালতলীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে যুবক উধাও

বরিশাল অফিস :: বরগুনার তালতলীতে ২ সন্তানের জননী সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে শহিদুল নামের এক যুবক উধাও হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকার হালিম মেকারের ছেলে শহিদুল (২৭) এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার সদর রোডস্থ মুন্সি মার্কেটের ব্যবসায়ী হালিম মেকারের ছেলে শহিদুল পার্শ্ববর্তী এলাকার সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। গত ২২ জুন স্বামীর বাড়ি থেকে তালতলী বাজারে যাওয়ার কথা বলে চলে আসে ওই প্রবাসীর স্ত্রী। বাড়ি থেকে আসার সময়ে নগদ টাকা ও স্বামীর দেওয়া গহনা নিয়ে আসেন। রাতে বাড়ি না ফিরলে অনেক খোঁজাখুঁজির পর জানা যায়- প্রেমের সম্পর্কের সুবাদে ৯ বছরের মেয়ে ও ৪ বছরের ছেলেকে রেখে হালিম মেকারের ছেলে শহিদুলের সঙ্গে পালিয়েছেন ওই নারী।

ওই প্রবাসীর বড় মেয়ে (৯) বলে, আমার মা ওই ছেলের মতো আমাদের মারধর করত। ৪ বছরের ছেলে বলে, আমার মাকে ফিরিয়ে দেন। আমি মাকে চাই।

এ দিকে সৌদি প্রবাসীর মা বলেন, একটা ছেলের সঙ্গে কথা বলত। ওই ছেলের সঙ্গে টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়েছে। এ দিকে শহিদুলের বাবা হালিম মেকার বলেন, ঘটনা যেহেতু একটা ঘটে গেছে- দেখি কীভাবে সমাধান করা যায়। আমি বর্তমানে তাদের খোঁজে দূরে এসেছি।

এদিকে ওই ২ সন্তানের জননীর পরিবারের সদস্যরা জানান, এটা আমরাও মেনে নিতে পারছি না। ওখান থেকে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি।

সৌদি প্রবাসী বলেন, আমি ভালোবেসে আমার স্ত্রীর নামে অ্যাকাউন্ট করেছি। আমি জমি কেনার জন্য সৌদিতে থেকে গত ৫ বছরের বিভিন্ন সময়ে আমি ১০ লাখ টাকার উপরে তার অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছি। ২২ জুন বাড়ি থেকে সে নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে শহিদুলের সঙ্গে উধাও হয়ে গেছে।

তালতলী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম খান বলেন, এ ব্যাপারে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




ভোলায় চোখের সামনে সব শেষ হয়ে গেছে

বরিশাল অফিস :: আগুনের লেলিহান শিখার কাছে মানুষ বড় অসহায়। চোখের সামনে সব শেষ হয়ে যায়। চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া যেন কিছুই করার নেই। দিনশেষে রাতের অন্ধকারে সবাই ঘুমিয়ে পড়বে। সমবেদনা জানানোর মানুষগুলো ভুলে যাবে এই অভাগা দুই সহোদরকে। অনিশ্চয়তার মধ্যেই খোকন ও রিপনের নতুন সূর্য উঠবে।

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ড মুসলিম পাড়ায় একটি বসতবাড়ি গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। খোকন ও রিপন দুই ভাই এবং পরিবারের পরনের পোশাক ছাড়া কিছুই রক্ষা পায়নি আগুনের লেলিহান শিখা থেকে।

জানা গেছে, শনিবার (২৯ জুন) তাদের ঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ওই ঘরে দুই ভাই খোকন ও রিপনের পরিবারসহ নয়জন বসবাস করতেন। দু’জনই ঝালমুড়ির ব্যবসা করেন। প্রতিদিনের মতো ছোট ভাই রিপনের বউ রান্নার জন্য লাকড়ির চুলা জ্বালায়। পাশেই ছিল গ্যাসের চুলা। গ্যাসের চুলার পাইপ লাইনে ত্রুটি থাকার কারণে আগুন ধরে যায় এবং খুব দ্রুত সমস্ত ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

বড় ভাই খোকন বলেন, আমি সকালে ব্যবসায়িক কাজে বাসা থেকে বাজারে যাই। খবর পেয়ে বাসায় এসে দেখি আগুনে সব পুড়ে যাচ্ছে। ৯৯৯ -এর মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিসকে কল দেই। আমার বাসার রাস্তাটি ছোট হওয়ার কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢুকতে পারেনি। পরবর্তীতে তারা অন্যভাবে চেষ্টা করে আগুন নেভায় ততক্ষণে আমার সব শেষ। আমার ও সন্তানদের পরিধেয় পোষাক ছাড়া কিছুই নেই। আমরা প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামালসহ সীমাহীন ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি।

এ ঘটনায় বোরহানউদ্দিন পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম দুই বস্তা চাল দিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় সহোযোগিতার আশ্বাস দেন।

বোরহানউদ্দিন ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো: আবুল কালাম বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।জামায়াতে ইসলামী বোরহানউদ্দিন উপজেলা আমির ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি পরিদর্শন করেন ও সমবেদনা জানান।




১৩৫ বছরে বিএম কলেজ : শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা

বরিশাল অফিস :: দক্ষিণ বাংলার অক্সফোর্ড হিসেবে পরিচিত বরিশালের ঐতিহ্যবাহী, প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ। দক্ষিণবঙ্গের শ্রেষ্ঠ এই বিদ্যাপীঠটি ১৮৮৯ সালে মহাত্মা অশ্বিনীকুমার দত্ত প্রতিষ্ঠা করেন, তার বাবা ব্রজমোহন দত্তের নামে কলেজটির নামকরণ করেন। একসময় বরিশাল অঞ্চলের একমাত্র উচ্চশিক্ষার কেন্দ্রস্থল ছিল এই কলেজটি। বরিশালের প্রাচীনতম এই কলেজটিতে পড়াশোনা করেছেন দেশবরেণ্য অসংখ্য গুণিজন। কলেজটির সুনাম, সুখ্যাতি রয়েছে দেশ জুড়ে। ইতিহাস ঐতিহ্য ও গৌরবের ১৩৪ পেরিয়ে কলেজটি পা দিয়েছে ১৩৫ বছরে। শর্তবষী কলেজটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা তুলে ধরেছেন, অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী, তরুণ লেখক মো. মেহেরাব হোসেন রিফাত

‘ব্রজমোহন কলেজের গৌরব পুনরুদ্ধারে আমাদের অঙ্গীকার’ ::

ব্রজমোহন কলেজ, বরিশাল- যে নামটি শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বরং বরিশাল শহরের জন্য এক গর্বের প্রতীক। এ কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্রছাত্রীরা এসে এখানকার জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়েছে। তবে গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলতে পারি, এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান ধীরে ধীরে অবনতি হয়েছে, যা একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমার এবং অনেকের কাছেই গভীর উদ্বেগের বিষয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অন্যতম মূলভিত্তি হলো তার শিক্ষকরা। ব্রজমোহন কলেজের অনেক শিক্ষকই অত্যন্ত যোগ্য এবং অভিজ্ঞ। কিন্তু সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, কিছু শিক্ষকের পাঠদানের পদ্ধতি অত্যন্ত পুরোনো এবং কার্যকারিতা হারিয়েছে। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে, কিন্তু আমাদের কলেজে এই দিকটি যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না। ল্যাবরেটরি এবং লাইব্রেরির ব্যবহারে নতুনত্বের অভাবও শিক্ষার মানকে প্রভাবিত করছে। প্রশাসনিক কাঠামোর জটিলতা এবং দুর্বলতা শিক্ষার্থীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সময়মতো ক্লাস না হওয়া, পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন এবং ফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রতা শিক্ষার্থীদের মনোবল হ্রাস করছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় না, যার ফলে শিক্ষার্থীরা হতাশা এবং বিভ্রান্তির মধ্যে থাকে। সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং ছাত্রসংগঠনগুলোর কার্যক্রমেও মন্দা দেখা যাচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শুধু অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমই নয়, বরং ছাত্রছাত্রীদের সর্বাঙ্গীন বিকাশের জন্য সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গত কয়েক বছরে এ ধরনের কার্যক্রমের সংখ্যা এবং মান কমে গেছে, যা শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের অভাব সৃষ্টি করছে। তবে সবকিছুর পরও, ব্রজমোহন কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এখনো উচ্চমানের শিক্ষার জন্য একটি গভীর আগ্রহ এবং প্রতিশ্রুতি রয়েছে। আমি আশা করি, কলেজের প্রশাসন এবং শিক্ষকরা আমাদের এই চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করবেন। শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন এবং মানসিক বিকাশের জন্য একটি আদর্শ পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করতে পারি। শিক্ষাজীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে স্মরণীয় এবং অর্থবহ করতে, আসুন আমরা আমাদের কলেজের উন্নতির জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকি।

রাইসুল ইসলাম শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ

‘চন্দ্রদীপের প্রদীপ’ ::

আজ থেকে ১৩৫ বছর আগে আঁধারে ঘেরা চন্দ্রদীপের মধ্যে প্রদীপ রূপে জ্বলে উঠেছিল এই ব্রজমোহন কলেজ। প্রদীপালোক পৌঁছে গেছে পদ্মার পাড় থেকে বঙ্গোপসাগর তীরে। তিন শতাব্দীর সেতুবন্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আজও জ্ঞান বিতরণ করে চলেছে এই ব্রজমোহন কলেজ। বহু শিক্ষার্থী এই ক্যাম্পাসে এসে হয়েছেন প্রতিষ্ঠিত। পেয়েছেন পরিচিতি ও সম্মান। তারা আমাদের গর্ব। আমাদের প্রেরণা ও আবেগ। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় সরকারি ব্রজমোহন কলেজ তার গৌরব হারাতে বসেছে। হয়তো যৌবন পেরিয়ে প্রৌঢ় হয়ে যাচ্ছে। আগের মতো সফলতার গল্প শোনা যায় না। প্রত্যাশা পূরণ করছে না এখন আর। বিসিএস পরীক্ষার সাফল্য প্রচার হচ্ছে না। এমনকি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিংয়ে প্রথম হওয়া কলেজটি এখন টপ-থ্রিতেও জায়গা পায় না। ক্যাম্পাসে পড়াশোনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের তৎপরতা চোখে পড়ে না। বহিরাগত, অছাত্র এবং উচ্চমাধ্যমিকের শিশুশিক্ষার্থীদের চলাফেরা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে। বিভিন্নভাবে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ, ক্যানটিন উন্নয়ন, হল অব্যবস্থাপনা নিরসন, বাকসু নির্বাচন, প্রয়োজনীয় কর্মচারী নিয়োগ দেওয়াসহ ইত্যাদি বিষয়ের পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। পরিশেষে বলতে চাই, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে, শিক্ষাবান্ধব স্মার্ট ক্যাম্পাস চাই।

বনি আমিন শিক্ষার্থী, সমাজকর্ম বিভাগ

‘দৈন্যদশায় ভুগছে ব্রজমোহন কলেজ’ ::

দক্ষিণবঙ্গের আলোকবর্তিকা হিসেবে পরিচিত, ইতিহাস ঐতিহ্যসমৃদ্ধ সরকারি ব্রজমোহন কলেজ। কথিত আছে, ভারতবর্ষ যখন অন্ধকারে নিমজ্জিত, বরিশাল তখন আলোকিত। মূলত শিক্ষার আলোতেই আলোকিত ছিল বরিশাল। সেই আলোর দীপশিখা জ্বেলেছে মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্ত প্রতিষ্ঠিত ব্রজমোহন কলেজ। ইতিহাস ও ঐতিহ্যে আমাদের কলেজটি ছিল ঋদ্ধ। কিন্তু বর্তমান সময়ে কলেজটির মর্যাদা ও শ্রীবৃদ্ধি ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। আমাদের এই শিক্ষাঙ্গন জাতীয় পর্যায়ে সর্বদাই শীর্ষ পাঁচে থাকত। কিন্তু বর্তমানে সেই স্থানটিও হারিয়ে ফেলছে। জাতীয় রাজনীতিসহ সব ক্ষেত্রেই এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিখ্যাত অনেক ব্যক্তি আমাদের এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিলেন। তবে বর্তমান সময়ে ব্রজমোহন কলেজ তার অতীত জৌলুস হারিয়ে হয়তো বার্ধক্যে উপনীত হচ্ছে। কলেজের কিছু ডিপার্টমেন্টে রয়েছে শিক্ষকস্বল্পতা, প্রায় ৩০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত ছাত্রাবাস; আবার ক্যাম্পাসে সৌন্দর্য রক্ষার্থে দেখা যায় কলেজ প্রশাসনের চরম উদাসীনতা। রাজনৈতিক অনৈক্য ও অস্থিরতা সমানতালে বিরাজমান। এ ছাড়া এই কলেজে একসময় বিশটিরও বেশি সামাজিক সংগঠন ছিল যেগুলো বিভিন্ন উৎসব, পার্বণে বা সংকটে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখত। কিন্তু ক্রমান্বয়ে সামাজিক সংগঠনগুলো নিস্তেজ হয়ে পড়ছে। আবাসিক ছাত্ররা কায়ক্লেশে ও টানাপড়েন জীবন-সংগ্রাম চালাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা তিনবেলা যে খাবার খাচ্ছে তাতে নেই চাহিদামতো পুষ্টি উপাদান। কলেজ প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপই পারে কলেজের দৈন্যদশা থেকে অতীত ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে। তাই আমি সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে কলেজ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

জাহিদুল ইসলাম পলাশ শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ




রাকিবের সঙ্গে বিয়ের পরই প্রেম শুরু হয়েছিল : মাহি




আগামী এক বছরে বদলে যাবে বরিশাল নগরীর চিত্র

বরিশাল অফিস :: আগামী এক বছরের মধ্যে বরিশাল নগরীর চিত্র বদলে যাবে। ব্যাপক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে নগরীতে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কাজের টেন্ডার আহবান হয়ে গেছে। গত ১০ বছর ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকা বিভিন্ন সড়কের কাজও শুরু করা হয়েছে। সিটি মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহর তত্ত্বাবধানে হচ্ছে এ সকল উন্নয়ন কাজ। বরিশাল সিটি মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ বলেছেন, জনগনের দুর্ভোগ লাগবে তিনি কাজ করছেন। বরিশাল নগরীকে সুন্দর নগরীতে পরিনত করা হবে।

গত ১১ বছর ধরে কোন কাজ হয়নি নগরীর অক্সফোর্ড মিশন রোডের। এই সড়কের কাজ শুরু হয়েছে গত ২৯ জুন। অক্সফোর্ড মিশন রোডের সড়ক মেরামতের শুরু হওয়ায় খুশি ২০ হাজার বাসিন্দা। সরেজমিনে ৩০ জুন বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২০ ও ২১ নং ওয়ার্ডের অক্সফোর্ড মিশন ও গোরস্থান সড়ক ঘুরে এলাকাবাসীর চোখেমুখে এই নতুন স্বপ্ন দেখা গেছে। অভিযোগ, অনুযোগ ও দৈনিক আজকের পরিবর্তন পত্রিকার সংবাদের প্রশংসা করে এলাকাবাসী অনেকেই নতুন মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রায় বছর পার হতে চললো। মেয়রের কাজের অগ্রগতি শুধু নগরীর খালকে ঘিরেই সীমাবদ্ধ ভেবেছিলাম। এখন গত ২৯ জুন অক্সফোর্ড মিশন সড়কের খোঁড়াখুঁড়ি দেখে বুঝতে পারলাম, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করছেন আমাদের মেয়র। অক্সফোর্ড মিশন রোডের হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, আজ বৃষ্টির জন্য কাজ বন্ধ আছে, তবে বালুর ট্রাক এসে বালু রেখে যাচ্ছে।

আর গোরস্থান রোডের চা দোকানী বলেন, শুনেছি অক্সফোর্ড মিশন রোড ধরে এই গোরস্থান রোডে এসে শেষ হবে এই অংশের কাজ। ২০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র জিয়াউর রহমান বিপ্লবও খুশিতে আত্মহারা অনেকটা। বললেন, দুটি সড়কেরই ঠিকাদার মাহফুজ খান। তার কাজের মান নিয়ে কোনো সংশয় নেই কারো।

অনুসন্ধানে জানা গেছে শুধু অক্সফোর্ড মিশন বা গোরস্থান রোড নয়, নগরীর ১৬৭ সড়কেরই কাজের টেন্ডার হয়ে গেছে এবং আগামী এক বছরের মধ্যে বদলে য়াবে বরিশালের সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার চিত্র। যা দেখে বুঝে একথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, যে অবশেষে দূর হতে শুরু করেছে নগরবাসীর ভোগান্তি ও অপ্রাপ্তির যন্ত্রণা।

ইতিমধ্যেই দুএকটি এলাকা বাদে প্রায় সব এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হয়েছে। সাতটি খালের চারটিতেই এখন নিয়মিত জোয়ারভাটা খেলা করছে। সড়কেও দীর্ঘ সময় আর স্থায়ী হচ্ছেনা বৃষ্টির পানি। শুধু বিষফোঁড়া এখন ঐ নবগ্রাম রোডের জলাবদ্ধতা। এখানের জলাবদ্ধতা দূর করতে হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের আন্তরিকতা খুবই জরুরী বলে জানালেন সিটি করপোরেশনের ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাঈদ আহমেদ মান্না। জানালেন, অক্সফোর্ড মিশন রোডটি পরেছে তারই ওয়ার্ডে। তিনি বলেন, ১৪, ১৫, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১ ও ২৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের সমন্বয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে তবেই এই নবগ্রাম রোডের জলাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব হবে। তা না হলে খালটি পুনরুদ্ধার প্রায় অসম্ভব এখানে । বিশেষ করে চৌমাথা বাজার এলাকায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দেয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

কাউন্সিলর মান্না আরো বলেন, গত পাঁচ বছর তিনি এলাকার উন্নয়নে কোনো কাজ করতে পারেননি। বর্তমান মেয়র আশ্বস্ত করেছেন, তার মেয়াদকাল আমার ওয়ার্ডের সব কাজ পরিপূর্ণ হবে বলে জানান মান্না।

নগরীর গোরস্থান রোড থেকে অক্সফোর্ড মিশন রোড পর্যন্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়কের কাজ শুরু হয়ে গেছে। যা ছিলো এতোদিন নগরবাসীর কাছে অভিশাপের মতো জানিয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল বাসার বলেন, নগরবাসীতো অনেকটা বছর কষ্ট করেছেন, তারা যেন আর একটু ধৈর্য ধরেন। এক বছরের মধ্যে বরিশালের সব সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার ব্যপক পরিবর্তন দেখবেন নগরবাসী।

এসময় সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবদুল মোতালেব বলেন, ১৬৭টি সড়ক ৯৫টি ড্রেনসহ আনুষঙ্গিক কাজের ১৮টি প্যাকেজে কাজ শুরু করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। সবগুলো কাজের টেন্ডারও হয়ে গেছে। ৬টি করে ৩টি প্যাকেজে এই কাজের টেন্ডার ইতিমধ্যেই হয়েছে এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজও শুরু করেছেন। তাদের এক বছরের মধ্যে কাজ সমাপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। মেয়র মহোদয় নিজেই এসব কাজের নিয়মিত তদারকি করছেন বলে জানান প্রকৌশলী আব্দুল মোতালেব।




স্বর্ণ প্রতারক চক্রের তিন সদস্য আটক

বরিশাল অফিস :: বরিশাল নগরী থেকে সোনা প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। রোববার (৩০ জুন) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড এলাকার আ. জব্বার হাওলাদারের ছেলে মো: জসিম হাওলাদার (৩২), বরিশাল নগরের কাউনিয়া থানা এলাকার মো. মোতালেব হাওলাদারের ছেলে মো. শামীম খান (৪৫) ও মরক খলার পোল সংলগ্ন এলাকার মো. ছিদ্দিক মৃধার ছেলে মো. কালু মৃধা (৪২)।

আটকের সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একটি সচল ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা, গোলাপি রঙ্গিন কাগজের টুকরায় মোড়ানো দুটি সোনালী কালারের পিতলের বার ও হাতে লেখা দুটি চিঠি সাদৃশ্য কাগজের টুকরা উদ্ধার করা হয়। ডিবির

এসআই ফিরোজ আলম জানান, প্রতারক চক্রের কাওছার ও অপু এবং মফিজ গ্রুপের সদস্যরা নকল স্বর্ণের বার দেখিয়ে কম দামে বিক্রি করার কথা বলে প্রতারনার ফাদে ফেলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্য কাউনিয়া হাউজিং সড়ক এলাকায় অবস্থান করছিলো। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোঃ ছগির হোসেনের নেতৃত্বে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মালামালসহ ওই তিন জনকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে- বরিশাল শহর ও শহরের বাহির থেকে আসা সহজ-সরল, নিরিহ লোকদের বিশেষ করে সহজ-সরল নিরিহ মহিলাদের টার্গেট বানান তারা। এরপর উদ্ধারকৃত আলামত সমূহ ব্যাবহার করে কৌশলে নকল সোনার বার দেখিয়ে বিশ্বাস অর্জন করেন। পরে কম দামে বিক্রি করার কথা বলে প্রতারনার ফাদে ফেলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। কাউনিয়া এলাকাতেও একই উদ্দেশ্য তারা অবস্থান করছিলো। আর দীর্ঘদিন যাবৎ তারা এ কাজ করে আসছিলো।

এদিকে প্রতারণার কাজে জড়িত ২ টি গ্রুপের পলাতক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোঃ ছগির হোসেন।




টুর্নামেন্ট সেরা দল প্রকাশ, বাংলাদেশ-দ. আফ্রিকার কেউ জায়গা হয়নি