‘তুফান’-এর পর ‘পদাতিক’ নিয়ে আসছেন চঞ্চল চৌধুরী

বরিশাল অফিস :: গেলো ঈদুল আযহা মাতিয়েছেন ‘তুফান’ দিয়ে। সুপারস্টার শাকিব খানের সঙ্গে তার টক্কর দারুণ উপভোগ করেছে দর্শক। বলছি দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর কথা। ‘তুফান’-এর বেগ কমতে না কমতেই নতুনভাবে পর্দায় ফিরছেন এই মেধাবী অভিনেতা।

গত বছর ভারতের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা মৃণাল সেনের বায়োপিকে নাম লেখিয়ে হইচই ফেলে দেন তিনি। ফার্স্ট লুকের পর থেকেই ভক্তরা অপেক্ষা করছিল চঞ্চলের নতুন চ্যালেঞ্জের ফলাফল দেখার জন্য। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে সেই ছবি মুক্তি পেতে যাচ্ছে। আগামী ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসে মুক্তি পাবে মৃণাল সেনের বায়োপিক সিনেমা ‘পদাতিক’। সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন সৃজিত মুখার্জি।

`পদাতিক’ সিনেমার শুটিংয়ে সহশিল্পীদের সঙ্গে চঞ্চল চৌধুরী এই ছবির মাধ্যমেই পূর্ণাঙ্গ কলকাতার ছবিতে অভিষেক হতে যাচ্ছে চঞ্চলের। অবশ্য এর আগে তিনি ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনার ছবি ও কলকাতার ওয়েব প্ল্যাটফর্মে কাজ করেছেন।

‘পদাতিক’ সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী। ইতোমধ্যেই পোস্টার ও টিজারে মৃণালরূপে বেশ প্রশংসিত হয়েছেন অভিনেতা। তবে পর্দায় তার মতো ব্যক্তিত্ব তুলে ধরা একেবারেই সহজ নয়। একটু ১৯-২০ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কিংবদন্তি পরিচালককে নিজের মধ্যে ধারণ করা যে কতটা চ্যালেঞ্জিং তা সিনেমার শুটিং শুরু হবার পর থেকেই টের পেয়েছেন চঞ্চল।

এ সিনেমায় মৃণালের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মনামী ঘোষ। এ ছাড়াও রয়েছেন কোরাক সামান্থা, সম্রাট চক্রবর্তী এবং জিতু কমলসহ অনেকে।




ঝালকাঠিতে পানি উঠছে না অধিকাংশ নলকূপে!

বরিশাল অফিস :: ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় ঝালকাঠি শহর ও গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ হস্তচালিত নলকূপে পানি পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও নতুন নলকূপে পানি উঠলেও লবণাক্ততার কারণে তা খাবার অনুপযোগী।

বিকল্প উপায়ে খাবার পানি সমস্যা দূর করতে সরকার সৌরশক্তিচালিত পিএসএফ (পন্ডস স্যান্ড ফিল্টার) প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। যদিও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ বলছে, এ অবস্থায় মোটরচালিত গভীর নলকূপের কোনো বিকল্প নেই।

জানা গেছে, মাটি থেকে ১৮ ফিট নিচে থাকার কথা থাকলেও পানির স্তর ২২ থেকে ৩১ ফুট নেমে গেছে। এতে সুপেয় পানিসংকটে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। ইতিমধ্যেই জেলার দুইটি পৌরসভায় ৮০ শতাংশ এবং ইউনিয়ন সমূহে ৩৫ শতাংশ নলকূপ অকেজ হয়ে পড়েছে। ঝালকাঠি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, পানির স্তর নেমে যাওয়ায় সরকার ইতিমধ্যেই জেলায় তিনটি উপায়ে পানি সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে। এগুলো হচ্ছে—প্রতিটি ৮৬ হাজার টাকা ব্যয়ে হস্তচালিত গভীর নলকূপ স্থাপন, ৫০ হাজার টাকায় রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং এবং সাড়ে ৭ লাখ টাকায় সোলার পিএসএফ পদ্ধতি।

উল্লিখিত হস্তচালিত গভীর নলকূপ স্তর সমস্যার কারণে বর্তমান পরিস্থিতিতে কার্যকর নয়। তাই এর সাথে সাবমারসিবল মোটর যুক্ত করতে পারলে নলকূপগুলো অচল হওয়ার আশঙ্কামুক্ত হবে। এ ক্ষেত্রে হারভেস্টিং পদ্ধতি খরচ কম হলেও কার্যকর। কিন্তু তা বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভর করতে হবে। তৃতীয় পদ্ধতি পিএসএফ ব্যয়বহুল হওয়ায় বরাদ্দ জটিলতায় বাস্তবায়ন করা সম্ভব না। এ পদ্ধতির মাধ্যমে কমপক্ষে ১০টি পরিবার জীবাণুমুক্ত সুপেয় পানি পান করতে পারবে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের ঝালকাঠি সদর উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী অমিত কর্মকার জানান, উপজেলায় ৫ হাজার নলকূপ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের মাধ্যমে স্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যে গত ৫ বছরে ১ হাজার ৩০০টি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু পানির স্তর নিচে নামার কারণে এসব নলকূপ হুমকির মুখে পড়েছে। কিছু দিন আগে পোনাবালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পে স্থাপন করা ৪টি নলকূপে পানি পাওয়া যায়নি।

জেলায় পানির স্তর নিচে নেমে নলকূপ অকেজ হওয়ার বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার এরশাদুজ্জামান মৃদুল বলেন, পানির স্তর নিচে নামায় হস্তচালিত নলকূপে পানি উঠছে না। এতে ক্রমান্বয়ে সুপেয় খাওয়ার পানির সংকট প্রকট আকার ধারণ করছে। তাই হস্তচালিত গভীর নলকূপের সঙ্গে সাবমারসিবল মোটর স্থাপনের কোনো বিকল্প নেই। এর মাধ্যমে ৭০ ফুট গভীরতা থেকে পানি ওঠানো সম্ভব। তাই ভবিষ্যতে নলকূপের সঙ্গে সাবমারসিবল মোটর স্থাপনের মৌখিক প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।




সুনীল অর্থনীতিকে কাজে লাগাতে গবেষণায় সাপোর্ট দিতে হবে : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

বরিশাল অফিস :: সুনীল অর্থনীতি কাজে লাগানোর উপর জোর দিয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আমরা সুনীল অর্থনীতি নিয়ে কাজ করব। আর সুনীল অর্থনীতিকে দেশের মূল অর্থনীতিতে কাজে লাগাতে গবেষণায় সাপোর্ট দিতে হবে। কারণ গবেষকদের জন্য দেশ এগিয়ে যেতে পারছে।

প্রতিমন্ত্রী আজ বুধবার ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিশ্ব মহাসাগর দিবস’ উপলক্ষে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ‘বায়োডাইভারসিটি এন্ড মেরিন রিসোর্সেস’ শিরোনামে ব্রেকআউট সেশনে চেয়ারপারসনের বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর সহায়তায় পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ “ওসান প্রোসপারিটি: ক্যাটিলাইজিং ব্লু ইকনোমি ইন বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুনীল অর্থনীতিতে অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা অনেকটা পিছিয়ে আছি। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা ‘শূন্য’ ছিল। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ইত্যাদির অভাবের মধ্যেও বঙ্গবন্ধু ‘টেরিটোরিয়াল ওয়াটার্স এন্ড মেরিটাইম জোনস এক্ট’ প্রণয়ন করেন। ৭৫ এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সে এক্ট বা অন্যসব ক্ষেত্রে দেশ এগোতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমার ও ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা সেটেলড করেন। প্রধানমন্ত্রী সুনীল অর্থনীতির খসড়া অনুমোদন করে দিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ বান্ধব আমাদের সোনালী আঁশ পাটকে রক্ষা করা যায়নি। যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে হারিয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধুর পরে আমরা যোগ্য নেতৃত্ব পাইনি। এখন আমাদের সৌভাগ্য যে, আমরা যোগ্য নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনাকে পেয়েছি। তিনি ছোট্ট ভূখ-কে উন্নয়নের পথে নিয়ে গেছেন।

তিনি বলেন, ‘‘আন্তর্জাতিক নৌসংস্থায় ‘সি’ ক্যাটাগরিতে আমরা সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। এর মূল কাজ সমুদ্র পরিবহন পরিবেশ সম্মত এবং ফ্রেন্ডলি হওয়া’’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের সমুদ্রে অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। এটাকে কাজে লাগিয়ে সুনীল অর্থনীতিতে এগিয়ে নিতে পারলে সার্থকতা খুঁজে পাবো।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) ড. মো. এমদাদ উল্লাহ মিয়া, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) মো: মোস্তাফিজুর রহমান, ফিলিপাইনের সহকারী অধ্যাপক জন ভার্ডিন, চীনের প্রফেসর উইডং ইউ, থাইল্যান্ডের প্রফেসর সুরিয়ান টুংকিজিয়ানুকিজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক মো. মনিরুল ইসলাম অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আমিনুর রহমান




সরকার স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

বরিশাল অফিস :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে।
তিনি বলেন, “আমরা সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিয়েছি।”

তিনি  গণভবনে সবার জন্য সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য খাতের রূপান্তরের ওপর একটি উপস্থাপনা অবলোকন করেন। এ সময় তিনি গত দেড় দশকে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে নেওয়া পদক্ষেপের বর্ণনা দেন।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম সাখাওয়াত মুন এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

উপস্থাপনা প্রত্যক্ষ করার পর প্রধানমন্ত্রী সবার জন্য সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
তিনি দেশের স্বাস্থ্য খাতের আরও উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ে সতর্কতা বজায় রাখার পাশাপাশি প্রকৃত প্রয়োজনের ভিত্তিতে সরকারি হাসপাতালের জন্য চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয় করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “চিকিৎসা সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।”

দেশের স্বাধীনতার পর সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যখাতকে এগিয়ে নিতে বঙ্গবন্ধুর যুগান্তকারী পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. আ ফ ম রুহল হক, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান এবং স্বাস্থ্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।




ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদের বাছাইপর্ব বরিশালে শুক্রবার

বরিশাল অফিস :: বাংলা ভাষা নিয়ে মেধাভিত্তিক টিভি রিয়্যালিটি শো ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ-ষষ্ঠ বর্ষ’-এর বরিশাল বিভাগের বাছাইপর্ব আগামী শুক্রবার হবে। বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল ও কলেজ প্রাঙ্গণে এই বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

বরিশাল বিভাগে চলতি বছরের ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদেরকে শুক্রবার সকাল ৯টায় বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল ও কলেজে উপস্থিত হওয়ার জন্যে অনুরোধ করা হচ্ছে। ‘বাংলায় জাগি ভরপুর’—এই বিশ্বাসকে ধারণ করে ইস্পাহানি টি লিমিটেড বাংলা ভাষার এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করে চলেছে দেশের প্রতিটি বিভাগে।

প্রতিযোগিতায় শুদ্ধ বাংলা ভাষার ব্যবহার, বানানচর্চা, শুদ্ধ উচ্চারণ ও ব্যাকরণের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন পর্যায় শেষে চূড়ান্ত বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে। দেশসেরা বাংলাবিদ জিতে নেবে ১০ লাখ টাকার মেধাবৃত্তি এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী পাবেন যথাক্রমে ৩ লাখ টাকা ও ২ লাখ টাকার মেধাবৃত্তি।

এ ছাড়া প্রথম ১০ জন প্রতিযোগী পাবেন ১টি করে ল্যাপটপসহ ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার করার জন্যে ৫০ হাজার টাকা সমমূল্যের বাংলা বই ও বইয়ের আলমারি।




বার্ধক্যের ভারে চলছে ঝালকাঠির ঝুঁকিপূর্ণ বাসন্ডা সেতু

বরিশাল অফিস :: ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর দাঁড়িয়ে আছে ১২৪ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭ দশমিক ৩০ মিটার প্রস্থের বেইলি ব্রিজ। ১৯৯১-৯২ অর্থবছরে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেতুটি নির্মাণের ৩৪ বছর পরও এটির ওপর দিয়ে চলেছে যানবাহন। বর্তমানে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পরিণত হয়েছে। মেরামত করলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। সেতু কর্তৃপক্ষ তিন বছর আগে এটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করলেও নতুন সেতু নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়। প্রতি বছর সেতু সংস্কারে ব্যয় করা হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ।

ঝালকাঠি সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ মাসে সেতুটি মেরামতে তাদের খরচ গুনতে হয়েছে প্রায় চার লাখ টাকা। প্রতিদিনই ছুটে যাচ্ছে ঝালাই, স্থানচ্যুত হচ্ছে প্লেট এবং খুলে যাচ্ছে নাট-বল্টু। তার পরও সেতুর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে ভারী যানবাহন। গাড়ি উঠলেই সেতুটি দুলতে থাকে। ফলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।

সেতুটি ভেঙে পড়লে ঝালকাঠি থেকে বরগুনা পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনা ও যশোরসহ সীমান্তবর্তী এলাকার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে। স্টিলের সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে সেখানে একটি কংক্রিটের সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পাঠানো হয়েছে। সেটি অনুমোদিত হলে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে।
বার্ধক্যের ভারে চলছে ঝালকাঠির ঝুঁকিপূর্ণ বাসন্ডা সেতু
হাসপাতালের সড়কে ভাসমান সেতু

স্থানীয়রা জানান, বারবার মেরামত করা হলেও সেতুটি কয়েকদিনের মধ্যেই ফের যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। নাট-বল্টু খুলে পড়ার পাশাপাশি ফেটে যায় প্লেট। এ ছাড়া সেতুতে ভারী যানবাহন উঠলে দুলতে থাকে। এ পথে যাতায়াতকারী যাত্রী, চালক ও পথচারীরা বাসন্ডা সেতু নতুন করে নির্মাণের জোর দাবি জানান।

তারা আরও জানান, বাসন্ডা সেতুটি কয়েকবছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করার পরও এত দিনে সেখানে নতুন ব্রিজ নির্মাণ না করার কোনো কারণ থাকতে পারে না। আবার প্রতিবছর মেরামতের পেছনে সওজ যে অপচয় করছে, তাতে সরকারের অর্থ পানিতেই পড়ছে।

সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, দরপত্র ছাড়া নিজস্ব তত্ত্বাবধানে বছরে তিনবার সেতুটি মেরামত করে সড়ক বিভাগ। প্রতিবার মেরামতে খরচ হয় ৬ লাখ টাকা। গাবখান সেতু টোলপ্লাজা থেকে জানা যায়, ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ শতাধিক ভারী যানবাহন চলাচল করে। বারবার মেরামত করা হলেও সেতুটি কয়েক দিনের মধ্যেই ফের যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে।

ট্রাকচালক মহিম মিয়া বলেন, লোড ট্রাক নিয়ে ব্রিজে উঠলে মনে হয় এ বুঝি ভেঙে পড়ল। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়।

খুলনাগামী একটি বাসের চালক মালেক হাওলাদার বলেন, রাতে ব্রিজ পার হওয়ার সময় যে শব্দ হয়, তাতে মনে হয় গাড়ির চাকা থেকে টায়ার খুলে গেছে। ব্রিজটি ভেঙে পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। মেরামতে আর কাজ হবে না। এখন নতুন করে নির্মাণ করা দরকার।

ধানসিঁড়ি পরিবহনের বাসচালক ইদ্রিস হাওলাদার বলেন, ব্রিজে গাড়ি উঠলে দুলতে থাকে। মনে হয় ভূমিকম্প হচ্ছে। এখানে দ্রুত নতুন ব্রিজ বানানো দরকার, তা না হইলে যেকোনো সময় ভেঙে পড়বে

এ রুটের নিয়মিত যাত্রী আবুল কাশেম বলেন, আমাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে দিনের পর দিন। হয়ত বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে কর্তৃপক্ষের টনক নড়বে। এ ব্রিজের পাশেই রয়েছে নেছারাবাদ মাদরাসা। যেখানে মাহফিল অনুষ্ঠিত হলে প্রচুর যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। যানবাহনের চাপে দুলতে থাকে ব্রিজটি।

ঝালকাঠি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহরিয়ার শরীফ খান বলেন, এ সেতুটি ঝুকিপুর্ণ হওয়ায় ইতোমধ্যে নতুন সেতু নির্মাণের জন্য আমরা ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি সম্পন্ন করেছি। বাকি তথ্যগুলো আমরা প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে পাঠিয়েছি। ডিপিপি বাস্তবায়ন হলে শিগগির এখানে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির জন্য ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের প্রকল্প পরিচালকের কাছে সম্ভাব্য সেতুর যে তালিকা চূড়ান্ত করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে বাসন্ডা সেতুর নামও রয়েছে। অনুমোদন পেলেই নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ বাসন্ডা বেইলি সেতুটি কংক্রিট দিয়ে নির্মাণ করার জন্য নকশা একে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

নির্বাহী প্রকৌশলী আরও বলেন, আমি যোগদানের পর ৯ মাসে ৪ লাখ টাকা দিয়ে সেতুটি মেরামত করেছি। ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বর ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা সেতুটি বর্তমানে ঝালকাঠি সড়ক বিভাগের গলার কাঁটা।




বিএনপি পরনির্ভর দলে পরিণত হয়েছে : ওবায়দুল কাদের

বরিশাল অফিস :: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকার বিরোধী সব আন্দোলনে ব্যর্থতার পর কোটা ও শিক্ষক আন্দোলনের ওপর ভর করছে পরজীবী দল বিএনপি।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বুধবার বিকেলে সাভারের হেমায়েতপুরে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কোটাবিরোধী আন্দোলন গতবার ছিল, এখনও রয়েছে। বিএনপি এই আন্দোলনের ওপর ভর করেছে। কিন্তু পরের কাঁধে ভর দিয়ে আন্দোলনে জয়ী হওয়া যায় না।’

বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘নেতাদের মুখের কোনও ট্যাক্স নাই, লাগাম নাই। গাড়ি চালক বেপরোয়া হলে যে অবস্থা হয়, রাজনীতিতে তারা হলো বেপরোয়া চালক। কখন কোন দুর্ঘটনা ঘটে কেউ জানে না। কে চালায় বিএনপি? লন্ডন থেকে রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে চালায়। সড়কপথে কিংবা নৌপথে নয়- আকাশপথে বিএনপি চলে।’
বিএনপির বড় নেতারা ভয়ে আছেন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নেতাদের দিনের আরাম আর রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। কখন কার চাকরি নট হয়ে যায়, কখন যে তারেক রহমানের ডাক আসে। ফখরুল সাহেবেও শান্তিতে নাই।’
বিএনপির আন্দোলনের হাত ভেঙ্গে গেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘দিন যায়, রাত যায়। আন্দোলন আর সফল হয় না। মরা গাঙ্গে জোয়ার আর আসে না।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তারা (বিএনপি) ভয় দেখায় বাংলাদেশ ভারত হয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত গেলেই বলে- কিছুই আনতে পারে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ৫৩ বছরে বাংলাদেশ ভারত হয়নি। সীমান্ত ও ছিটমহল সমস্যা সমাধান হয়েছে। আমাদের হিস্যা আমরা বুঝেপেয়েছি। আর খালেদা জিয়া ৩ হাজার পিস জামদানি শাড়ি দিয়ে এসে জানায় গঙ্গা চুক্তির কথা বলতে ভুলে গেছেন। কোন মুখে বিএনপি নেতারা এখন তিস্তার কথা বলেন?

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পর শেখ হাসিনার মতো এতো সৎ আর নির্ভিক নেতা এদেশে নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার কাজ চলছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচার, অন্যায় আর দূর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার। দূর্নীতিবাজরা পালিয়ে যাবে।  ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ এমপির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণের সঞ্চালনায় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপি, আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি, ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।




পিরোজপুরে হচ্ছে সম্ভাবনাময়ী লটকনের চাষ

বরিশাল অফিস :: পিরোজপুরে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ষাটোর্ধ্ব প্রবীণদের মাঝে হুইল চেয়ারবিতরণ করা হয়েছে। বুধবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) এর আয়োজনে ও পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর সহযোগিতায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান প্রবীণদের মাঝে এ হুইল চেয়ার বিতরণ করেন।

হুইল চেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন রিক এর বরিশাল জোনের জোনাল ম্যানেজার এবিএম জাহিদুল কবির, প্রবীণ কর্মসূচির সম্মানিত আঞ্চলিক সমন্বয়ারী ফারুক রহমান, রিক এর সদর উপজেলার এরিয়া ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম সহ সমৃদ্ধি কর্মসূচির প্রোগ্রাম কোর্ডিনেটর শংকর দেবনাথ ও জয়দেব কুমার শর্মা এবং কৈশোর কর্মসূচির উপজেলা সমন্বয়কারী ডা: জয় কুমার ঘোষ এবং প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নন কর্মসূচির সকল সম্মানিত প্রোগ্রাম অফিসারগণ ।

এ সময় পিরোজপুর সদর উপজেলার ৭ টি ইউয়িনের ১৪ জন ষাটোর্ধ্ব পক্ষঘাতগ্রস্থ’ অসহায় প্রবীনদের মাঝে এ হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়।




ওষুধের গুণগতমান নিশ্চিত করে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বরিশাল অফিস :; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ওষুধের গুণগতমান নিশ্চিত করার মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করতে হবে। নি¤œমানের ও ভেজাল ওষুধের অব্যাহত স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে জনগণকে রক্ষা করতে হলে এর কোন বিকল্প নেই। মন্ত্রী আজ সকালে সাউথ ইস্ট এশিয়া রেগুলেটরি নেটওয়ার্কের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের বার্ষিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া রেগুলেটরি নেটওয়ার্ক (এসইএআরএন) হচ্ছে ডব্লিউএইচও’র দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জাতীয় নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।
অনুষ্ঠানে ডা. সামন্ত লাল সেন আরো বলেন, সাউথ ইস্ট এশিয়া রেগুলেটরি নেটওয়ার্কের সমাবেশে বক্তব্য দেয়াটা আমার জন্য সম্মানের। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর এই সমাবেশ আমাদেরকে একত্রিত করে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আমাদের অঞ্চলে ওষুধের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণকে শক্তিশালী করার জন্য একটি মূল্যবান সুযোগ এনে দিয়েছে।

তিনি বলেন ‘আমরা সবাই জানি, ওষুধের নিরাপত্তা, কার্যকারিতা এবং গুণগতমান নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করতে হবে। এই প্রচেষ্টায় যে সাধারণ চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হই, তার মধ্যে রয়েছে নি¤œমানের এবং ভেজাল ওষুধের অব্যাহত ঝুঁকি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, সাউথ ইস্ট এশিয়া রেগুলেটরি নেটওয়ার্কে কাজ করার মাধ্যমে আমরা এই চ্যালেঞ্জগুলোকে কার্যকরভাবে মোকাবেলা করতে পারি। এই জন্য আমরা আমাদের যৌথ দক্ষতা, সম্পদ এবং সর্বোত্তম অনুশীলনকে কাজে লাগাতে পারি। তথ্য আদান-প্রদান, সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা আমাদের নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থাকে উন্নত করতে পারি।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. আহমেদুল কবীর বক্তৃতা করেন।

এতে সদস্য দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং পূর্ব তিমুরের প্রতিনিধি ও পর্যবেক্ষকগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।




দুর্যোগ মোকাবিলায় শেখ হাসিনা বিশ্বে রোল মডেল : দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

বরিশাল অফিস :: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণপ্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান বলেছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বে রোল মডেল। শেখ হাসিনা বিশ্বে দুর্যোগ মোকাবিলায় রোল মডেল তা তিনি নেপাল ও তুরস্কের দুর্যোগের সময় তাদের পাশে দাঁড়িয়ে তা প্রমাণ করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য তারই যোগ্য উত্তরসুরী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বুধবার আমতলী উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন বিষয়ক আমতলী উপজেলা প্রশাসন এবং পৌরসভা আযোজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বরগুনা জেলার জন্য ১ কোটি টাকা, আমতলী উপজেলা পরিষদের জন্য ৫০ লাখ টাকা এবং ১০০ বান্ডিল ঢেউটিন, ৭ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের জন্য ৩৫ লাখ টাকা, আমতলী পৌরসভার জন্য ১০ লাখ টাকা এবং ৫০ বান্ডিল ঢেউটিন ও গুলিশাখালী ইসহাক ও শাখারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় দুটিতে সাইক্লোন সেল্টার বরাদ্দের ঘোষাণা দেন। পরে মন্ত্রী রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে ত্রাণের চাল তুলে দেন।

আমতলী উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপত্বি করেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আশরাফুল আলম। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গোলাম ছরোয়ার ফোরকান, আমতলী পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মতিয়ার রহমান, বরগুনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিমেষ বিশ্বাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামাল হোসাইন, ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন আহম্মেদ মাসুম তালুকদার, আখতারুজ্জামান বাদল খান প্রমুখ। পৌরসভা হলরুমে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপত্বি করেন পৌর মেয়র মো. মতিয়ার রহমান।

সভা দুটিতে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব তালুকদার, কলাপাড়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম প্রমুখ।