গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আলোচনা ফের শুরু করতে চান নেতানিয়াহু




প্রবাসীর স্ত্রীর আপত্তিকর ছবি তুলে চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার ৪

বরিশাল অফিস :: বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে কৌশলে প্রবাসীর স্ত্রীর আপত্তিকর ছবি মোবাইল ফোনে ধারণ করে চাঁদা দাবির অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির ভিত্তিতে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে পুলিশ।

বুধবার (৩ জুলাই) রাতে মেহেন্দিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর করা পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মেহেন্দিগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চরহোগলা গ্রামের রকি ঢালী (২৫), রিদয় মিস্ত্রি (২৩), হাসান ঢালী (২৭) ও শিমুল চন্দ্র দাশ (৩০)।

ভুক্তভোগী নারীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার যুবকেরা গত ১ জুলাই রাতে কৌশলে প্রবাসীর স্ত্রীর আপত্তিকর ছবি মোবাইল ফোনে ধারন করে। পরে হাসান ঢালী নামে গ্রেপ্তার যুবক ভর্ষা চৌধুরী নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের একটি ভুয়া আইডি খুলে ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে ওই নারীর প্রবাসী স্বামী আনোয়ার হোসেনের ম্যাসেঞ্জারে ছবি পাঠায়। এ জন্য তারা ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দিলে তার স্ত্রীর ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখায়।
প্রবাসীর স্ত্রীর আপত্তিকর ছবি তুলে চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার ৪
খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

বিষয়টি জানতে পেরে গত ২ জুলাই সন্ধ্যায় অভিযুক্ত প্রবাসীর স্ত্রী থানায় অভিযোগ করলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মো. মিঠু আহমেদ অনুসন্ধান করে তথপ্রযুক্তির মাধ্যমে চক্রদের শনাক্ত করে। পরে বুধবার ভুক্তভোগী নারী থানায় মেহেন্দিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার সূত্র ধরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মিঠু আহমেদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে ওইদিন রাতেই আসামিদের গ্রেপ্তার করেন।

এসআই মো. মিঠু আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তারের পর আসামিদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দিয়ে চাঁদা দাবির তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও মেমোরি কার্ডসহ জব্দ করা হয়েছে।




বাউফলে চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে যুবলীগ নেতার মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে গৃহবধূকে বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন তার স্বামী। এ ঘটনায় বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওই যুবলীগ নেতা বুধবার বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে চার সাংবাদিকের নামে মামলা করেছেন।

আসামিরা হলেন কালবেলার বাউফল প্রতিনিধি জিএম মশিউর রহমান মিলন, বাউফল প্রতিদিন ডটকম অনলাইন পোর্টালের সম্পাদক এনামুল হক এনা, বেসরকারি টেলিভিশন সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার মনির হোসেন ও দৈনিক ভোরের আকাশের বাউফল প্রতিনিধি মো. ফিরোজ।

বাদী আরিফুজ্জামান খান রিয়াদ বাউফল পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগান্তরের বাউফল স্টাফ রিপোর্টার।

আরো পড়ুন : নির্মাণের ১০ দিন পরই হাতের টানে উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ

এর আগে ‘অন্যের বউ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা’ শিরোনামে কালবেলায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। বাগিয়ে নেওয়া ওই নারীর স্বামী মাইনুল ইসলাম জানান, যুবলীগ নেতা রিয়াদ খান কৌশলে তার স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সর্বশেষ ১৩ জুন ভোররাতে তার স্ত্রীকে রিয়াদের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় তার শাশুড়ি দেখতে পান। পরে রিয়াদ খান তার স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে যুবলীগ নেতা আরিফুজ্জামান খান রিয়াদ বলেন, ‘মিথ্যা তথ্য দিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এ কারণে সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেছি।’




পটুয়াখালীতে আদালত চত্বরে মারধরের শিকার সাবেক মেম্বার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে আদালতে জামিন নিতে এসে মারধরের শিকার হয়েছেন মো. মনির মীর (৪৫) নামে সাবেক এক ইউপি সদস্য (মেম্বার)। গুরুতর আহত অবস্থায় পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে গলাচিপা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। মনির গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২১ মে গলাচিপা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহিন শাহকে ১৫ হাজার ৫৪৯ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ওয়ানা মার্জিয়া নিতু। উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক নিতু এর আগে পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। এই নির্বাচনে নিতুর পক্ষে ভোট করেছেন মনির মীর। এ নিয়ে শাহিন শাহের সমর্থকদের সঙ্গে বিরোধ চলছে। একপক্ষের অনুসারীরা আরেক পক্ষের সমর্থকদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে মনিরের ওপর হামলা করেছেন প্রতিপক্ষের লোকজন।

আহত মনির বলেন, ‘মঙ্গলবার এইচএসসি পরীক্ষার হল থেকে আমার ছেলেকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। তার জামিনের জন্য বুধবার দুপুরে আদালত চত্বরে গেলে প্রতিপক্ষ শাহারুল ফকির, আবদুল্লাহ আল নোমান তুর্জ ও সিফাতসহ সাত-আট জন আমার ওপর হামলা চালান। তারা আমাকে পিটিয়ে জখম করেন। এ অবস্থায় দৌড়ে আদালতের ভেতরে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গিয়ে জীবন রক্ষা করেছি। ম্যাজিস্ট্রেট চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়ার পথে আবারও হামলার চেষ্টা করেন তারা। এর আমাকে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।’

আরো পড়ুন : নির্মাণের ১০ দিন পরই হাতের টানে উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ

তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচনে আমি মার্জিয়া নিতুর ভোট করেছি। এ নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান শাহিন শাহের লোকজন আমার নামে দুটি মিথ্যা মামলা দিয়েছে। বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছে। মামলার পর থেকে বাড়িঘরে থাকতে পারছি না। রাস্তাঘাটে বের হলে শাহিনের লোকজন আমার ওপর হামলা চালায়।’

পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মনিরের শরীরের বেশ কিছু জায়গায় আঘাতের চিহ্ন আছে। গুরুতর আহত হয়েছেন তিনি। তার চিকিৎসা চলছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুল্লাহ আল নোমান তুর্জ বলেন, ‘অনেকদিন আগে শাহারুল ফকিরের বাড়ি গোলখালী এলাকায় দাওয়াতে গিয়েছিলাম। তখন শাহারুলের সঙ্গে মনিরদের মারামারি হয়েছিল। এজন্য আমার বাবা রাগারাগিও করেছেন। তবে বুধবারের ঘটনার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। শাহারুল এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে। প্রথম ঘটনার পর থেকে শাহারুলের সঙ্গে আমার যোগাযোগ নেই।’

এ ব্যাপারে সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহিন শাহ বলেন, ‘আমি কিছুদিন আগে ঢাকায় এসেছি। এখনও ঢাকায় আছি। মারধরের বিষয়টি আমার জানা নেই।’

ঘটনার সার্বিক বিষয়ে জানতে বর্তমান চেয়ারম্যান ওয়ানা মার্জিয়া নিতুর মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদাউস আলম খান বলেন, ‘আদালত চত্বরে মারধরের বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে অবশ্যই তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।




নির্মাণের ১০ দিন পরই হাতের টানে উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মহিপুরে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার ১০ দিন পরই হাতের টানে উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ।

নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় এমন দুরাবস্থা হয়েছে মহিপুর সাগর সিনেমা হল থেকে নিজামপুর খেয়াঘাট পর্যন্ত ৩.৩ কিলোমিটার সড়কের। ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ের এ সড়কের নির্মাণ কাজ করে শহীদুল এন্টার প্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

উপজেলা এলজিইডি অফিসের উদাসীনতা ও ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে সড়কের এমন বেহাল দশা হওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী।

আরো পড়ুন : গলাচিপায় পরীক্ষার্থীর বাড়ি থেকে উত্তরপত্র উদ্ধার – অবশেষে বহিষ্কার

এবিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি কলাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী সাদেকুর রহমান।

তবে সড়কটির তদারকি কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর সুপারিশের পাশাপাশি দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন করে নির্মাণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কলাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব তালুকদার।

এ বিষয় পটুয়াখালীর এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ লতিব হোসেন বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টি এবং ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে রাস্তার কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। তবে ঠিকাদারকে বলা হয়েছে রাস্তাটি ঠিক করে দেওয়ার জন্য।




গলাচিপায় পরীক্ষার্থীর বাড়ি থেকে উত্তরপত্র উদ্ধার – অবশেষে বহিষ্কার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় এইচএসসির পরীক্ষার উত্তরপত্র বাড়িতে নিয়ে যাওয়ায় গলাচিপা মহিলা কলেজ (৪১৯) কেন্দ্রের এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০ টায় ইংরেজি প্রথমপত্র (১০৭) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ওই পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর ২২৬৯১০। সে গলাচিপা সরকারী কলেজের মানবিক শাখার ছাত্রী।

আরো পড়ুন : বাউফলে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১১টি তদন্ত কমিটি গঠন

জানা যায়, গলাচিপা মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ১১১ নম্বর কক্ষে ৫০ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে। ওই কক্ষে তিনজন দায়িত্ব পালন করেন। পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র গণনা করা হলে একটি উত্তরপত্র কম পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক তদন্ত করে শিক্ষার্থীর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরে কেন্দ্রের পরীক্ষা কমিটি পুলিশের সহায়তা গলাচিপা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড সাগরদী রোড এলাকায় পরীক্ষার্থীর বাড়ি থেকে উত্তরপত্রটি উদ্ধার করে।

গলাচিপা মহিলা কলেজ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অধ্যক্ষ মো: শাহজাহান মিয়া জানান, পরীক্ষার্থীর বাড়ি থেকে ইংরেজি প্রথমপত্রের উত্তরপত্রটি উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।




এক নজরে যুক্তরাজ্যের নির্বাচন




দুই দিনের সফরে টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী




ইসরায়েলে বৃষ্টির মতো ২০০ রকেট ছুড়েছে হিজবুল্লাহ




বাউফলে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১১টি তদন্ত কমিটি গঠন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: সরকারের ১১টি প্রকল্প থেকে ২ কোটি ৪ লাখ ১৫ হাজার ২শ ৯০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাসের বিরুদ্ধে ১১টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তিনটি তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত কাজ শেষ করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডটকম সহো কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় গত ৩০ জুন ‘কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুইকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ’ সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১ জুলাই অনাবাদী পতিত জমিতে পারিবারিক পুষ্টিবাগান প্রকল্প, কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য জোড়দার প্রকল্প এবং এসএসিপি এই ৩টি প্রকল্প তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। খুব শিগ্রই বাকি ৭টি প্রকল্পের তদন্ত করা হবে। ইতিমধ্যে ওই সব প্রকল্পের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : গলাচিপায় ফ্যান ছিঁড়ে শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে অনাবাদী পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় সবজি ও পুষ্টি বাগান স্থাপণ প্রকল্প, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্প, পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা জোড়দারকরণ প্রকল্প, বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠী, বরগুনা, মাদারীপুর ও শরিয়তপুর কৃষক উন্নয়ন প্রকল্প, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নতমানের ধান, গম ও পাটবীজ উৎপাদন সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্প, তেল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প, রাজস্ব প্রকল্প, সমন্বিত ব্যবস্থাপণার মাধ্যমে খামার যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প, প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারগ্রেনরশীপ অ্যান্ড রেডিয়েশন ইন বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে বরাদ্দকৃত টাকা, স্টেকহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কমপিটিটিভনেশন প্রকল্প (এসএসিপি) এবং বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প থেকে মোট ২ কোটি ৪ লাখ ১৫ হাজার ২৯০ টাকা আত্মসাত করেন।

তদন্ত কমিটি গঠন নিয়ে কোন ধরনের বক্তব্য দিকে রাজি হননি অভিযুক্ত কৃষি কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বশির গাজী বলেন, কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির অনুলিপি আমি পেয়েছি ।

উল্লেখ, এসব প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বশির গাজী গত ২০ জুন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন।