টিভিতে খেলা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইউরো ও কোপা আমেরিকার কোনো খেলা নেই আজ। উইম্বলডনে চতুর্থ রাউন্ডের খেলা আছে।
টেনিস

উইম্বলডন
৪র্থ রাউন্ড
বিকেল ৪টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১, ২




কুয়াকাটা সৈকতের ১০ কি. মি. জুড়ে এক লাখ বৃক্ষ রোপণ চলছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের আওতায় মাটির ক্ষয়রোধ, বেড়িবাঁধ সুরক্ষা ও সুফল প্রকল্পের আওতাভুক্ত সদস্যদের সুবিধায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় এক লাখ গাছের চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে পটুয়াখালী উপকূলীয় বন বিভাগ।

শনিবার বিকারে কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্ট পূর্ব পাশে ঝাউবন এলাকায় এই বনায়নের উদ্বোধন করেন কোস্টাল অঞ্চল বরিশাল বিভাগীয় বন সংরক্ষক মো. হারুন অর রশিদ খান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপকূলীয় বন বিভাগ পটুয়াখালীর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে নতুনপাড়া পর্যন্ত সমুদ্র রক্ষা বেড়িবাঁধের দুই পাশে ১০ কিলোমিটার এলাকায় ২০টি সারিতে মোট ১ লাখ গাছের চারা লাগানো হবে। আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে চারা রোপণ শেষ করা হবে বলে বন বিভাগ মহিপুর রেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বেড়িবাঁধ রক্ষায় এই প্রকল্পের আওতায় লাগানো হবে ঝাউ, আকাশমনি, অর্জুন, তেঁতুল, ইপিল ইপিল, মেহগনি, শিশু, জারুল, আমলকিসহ ১৫ প্রজাতির গাছের চারা।

কোস্টাল অঞ্চল বরিশাল বিভাগীয় বন সংরক্ষক মো. হারুন অর রশিদ খান জানান, ঘূর্ণিঝড় রেমালসহ উপকূলীয় এলাকায় ঝড়-ঝাপটায় প্রতিনিয়ত ধ্বংস হচ্ছে উপকূলের সংরক্ষিত বনাঞ্চল। তাই এই উপকূল এলাকা ও সমুদ্র রক্ষা বেড়িবাঁধ টেকসই করতে সরকারের সুফল প্রকল্পের আওতায় এই ১ লাখ গাছের চারা রোপণের উদোগ নেয়া হয়। এতে একদিকে মাটিক্ষয় রোধসহ ঘূর্ণিঝড় থেকে উপকূল রক্ষা হবে। অন্যদিকে এই সুফল প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৫০০ জন সুফলভোগীও উপকৃত হবেন।




পায়ে হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পথ পরিভ্রমণ তিন শিক্ষার্থীর

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ব‌রিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের তিন রোভার বরিশাল থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ১৫০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে পরিভ্রমণের উদ্দেশে বের হয়েছেন।

রোববার (৭ জুলাই) সকাল ৭টায় পাঁচ দিনব্যাপী এ যাত্রা শুরু করেন তারা। এ যাত্রা শেষ হবে ১১ জুলাই।

রোভার স্কাউটস এর সর্বোচ্চ সম্মান প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির লক্ষ্যে পরিভ্রমণ ব্যাজ অর্জন করতে এই পরিভ্রমণ সম্পন্ন করবেন সিনিয়র রোভার মেট অভিজিৎ দাস, রাশেদ ইমরান ও রবিন চন্দ্র মজুমদার।

পাঁচ দিনব্যাপী এই প্রোগ্রামে তারা বাকেরগঞ্জ, পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও কুয়াকাটা পায়ে হেঁটে পরিভ্রমণ করবে। এই সময় সমাজ সচেতনতামূলক তিনটি স্লোগান তারা বহন করে।

পথে তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ অফিস ইত্যাদি পরিদর্শন করবে। এছাড়া গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হবে।




ত্বক উজ্বল করতে কোন ফলগুলো খাবেন




স্বাগত হিজরি নববর্ষ ১৪৪৬




১০ বিলিয়ন পাসওয়ার্ড ফাঁস করলেন হ্যাকার




বরিশালে দোয়া পড়ে ঢুকতে হয় সমাজসেবা অফিসে

বরিশাল অফিস :: দোয়া পড়তে পড়তে ঢুকতে হয় বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সমাজসেবা অফিসে। যে কোনো কাজে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে ভয়ে বুকটা দুরুদুরু করে অনেকের। বড় বড় ফাটল আর পলেস্তারা খসে পড়ছে ভবনটির। ফলে সেবার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। জরাজীর্ণ ভবনে বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে অফিসের কার্যক্রম।

পাঁচ যুগেরও বেশি সময়ের পুরোনো এ ভবনটিতে বড় বড় ফাটল আর একাংশ ভেঙে গেছে। ভবনের পেছনে একটি খাল রয়েছে, যার ফলে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলেই ভেতরে পানি ঢুকে ফ্লোর থইথই করে। আরেক দিকে ছাদ চুঁইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ে চেয়ার-টেবিল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নষ্ট হচ্ছে।

কিন্তু উপায় নেই এ ভবনে সেবা প্রদানকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। ভবন ভেঙে পড়ার ভয় ও আতঙ্ক নিয়েই সেবা দিচ্ছেন তারা। এতে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও জরুরি নথিপত্র নষ্ট হচ্ছে। জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন সবাই।

অফিসে সেবা নিতে আসা চর এককরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ বলেন, আমি সেবা নেওয়ার জন্য এসেছি। অফিসের বেহাল অবস্থা দেখে ভেতরে ঢোকার সাহস পাচ্ছি না।

ইউপি সদস্য নাছির হোসেন বলেন, ভবনটি এতটা ঝুঁকিপূর্ণ, যে কোনো সময় ভবনটি ভেঙে পড়তে পারে। আমরা নতুন ভবনের দাবি জানাই।

সমাজসেবা অফিসের ইউনিয়ন সমাজ কর্মী আরিফুজ্জামান বলেন, ভবনের ভেতরে ঢোকার আগে দোয়া পড়ি। ভবনের ভেতরে কাজ করার সময়ে ভয়ে বুকটা দুরুদুরু করে।

বড় বড় ফাটল, পলেস্তারা খসে পড়ছে, পানি এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থা নেই, ভিতরে স্যাঁতসেঁতে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের অফিসিয়াল কাজ করতে হচ্ছে। কাজের সময় ভয়ে কখনো ছাদের দিকেও তাকাই।

প্রতিদিন গড়ে অফিসে ৩-৪ শতাধিক সেবাপ্রত্যাশী আসা-যাওয়া করে। আতংকিত হয়ে তাড়াহুড়ো করে তারা কাজ শেষ করেন।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান বলেন, ভবন ভেঙে পড়ার ভয় ও আতংক থাকলেও কিছু করার নেই। মানুষকে সেবা দিতেই হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ একাধিকবার এ ভবন পরিদর্শন করলেও এখনও কার্যকরী কোনো ব্যবস্থা হয়নি। অনেকবার বিষয়টি লিখিতভাবেও জানানো হয়েছে।

৫০ বছরের পুরোনো ভবনটিতে জীবন বাজি রেখে তারা অফিস করছেন। ভবনের একাংশে বড় বড় ফাটল, দেবে গেছে, খালের দিকে হেলে পড়েছে, বার বার মনে হয় এই বুঝি মাথার ওপর ভেঙে পড়ল ছাদ! বর্তমানে এই জরাজীর্ণ ভবনে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাইরে ডেকে এনে কথা বলেন উপকার ভোগীরা। অতি দ্রুত কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। উপজেলা মাসিক মিটিংয়েও তা তুলে ধরে রেজুলেশন করা হয়েছে।

সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এ ভবনটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, অতিদ্রুত সরকারি জনগুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের জন্য জরাজীর্ণ পুরোনো এ ভবনটি ভেঙে নতুন আধুনিক ভবন নির্মাণ করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।




পটুয়াখালীতে ই-জিপি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ই-জিপি বিষয়ক কর্মশালা। রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) এর পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. নাছিমুর রহমান শরীফ।

তিনি বলেন, সরকারি ক্রয়ে ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট বা ই-জিপি সিস্টেম উল্লেখযোগ্য সুফল বয়ে এনেছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. নূর কুতুবুল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন। পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইদুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

আছিমুর রহমান শরীফ তার বক্তৃতায় উল্লেখ করেন, ই-জিপিকে একটি পূর্ণাঙ্গ অনলাইন সিস্টেমে পরিণত করার জন্য এতে কিছু নতুন মডিউল যুক্ত করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে রথযাত্রার আনুষ্ঠানিকতা শুরু

তিনি বলেন, মোট সরকারি ক্রয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ এখন ই-জিপি’র মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি দেশে ই-জিপি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে অর্জিত ইতিবাচক ফলাফলগুলিও উল্লেখ করেন। ‘এ পর্যন্ত ১১টি দেশ এবং পাঁচটি আন্তর্জাতিক সংস্থা আমাদের ই-জিপি সাফল্য সম্পর্কে জানার জন্য বিপিপিএ পরিদর্শন করেছে’।

তিনি উল্লেখ করে বলেন, ই-জিপি এখন সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় ক্রয়কারী সংস্থাগুলির জন্য বাধ্যতামূলক।

একই ধরনের একটি কর্মশালা আগামীকাল (সোমবার) বাকেরগঞ্জ উপজেলায় অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রামস (বিসিসিপি) বিপিপিএ কর্তৃক নিয়োজিত পরামর্শক হিসেবে কর্মশালাটি পরিচালনা করেছে।

স্থানীয় ক্রয়কারী সংস্থা, দরদাতা, ব্যাংক ও গণমাধ্যমের প্রায় ৭৫ জন প্রতিনিধি কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। কিছু ক্রয়কারী সংস্থা ও দরদাতা সরকারি ক্রয় ও ই-জিপি সিস্টেম সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করেন। মো. নাসিমুর রহমান শরীফ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট ২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস ২০০৮ অনুযায়ী ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

বিপিপিএ (পূর্বতন সিপিটিইউ) সরকারি ক্রয়ের ডিজিটাইজেশনের জন্য ই-জিপি চালু করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১১ সালের ২ জুন ই-জিপি পোর্টাল উদ্বোধন করেন। বিপিপিএ কর্তৃক নিয়োজিত দোহাটেক নিউ মিডিয়া প্রধান পরামর্শক হিসাবে, বেক্সিমকো আইটি এবং জিএসএস ইনফোটেকের সাথে ই-জিপি সিস্টেম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছে।




বাংলা ব্লকেড : অচল শাহবাগ, বাড়ছে যানবাহনের সারি




পটুয়াখালীতে রথযাত্রার আনুষ্ঠানিকতা শুরু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে রথযাত্রার আনুষ্ঠানিকতা শুরু বর্ণাঢ্য আয়োজনে পটুয়াখালীতে শুরু হয়েছে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব।

রোববার (৭ জুলাই) সকালে বৈদিক যজ্ঞানুষ্ঠানের মাধ্যমে শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দির (ইসকন)-এ সাত দিনব্যাপী এই উৎসবের সূচনা হয়। এ সময় হাজারো ভক্তের সমাগমে মন্দির চত্বর পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। পুরোহিতরা দেশ ও জাতির শান্তি ও কল্যাণ কামনায় প্রার্থনা করেন।

আজ বিকেলে মন্দিরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, মেয়রসহ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নেতারা। পরে মন্দির প্রাঙ্গন থেকে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথটি যাত্রা শুরু করে শহর প্রদক্ষিণ করেন।

ইসকন কর্তৃপক্ষ সাত দিনব্যাপী এ উৎসবে হরিনাম সংকৃর্ত্তন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কুইজ প্রতিযোগীতার আয়োজন করেছে। এছাড়া পুরান বাজার শ্রী শ্রী মদন মোহন জিউর আখড়া বাড়ি থেকে জগন্নাথ দেবকে নিয়ে আরো একটি রথ বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করেন।

শাস্ত্র মতে, ভক্তদের দর্শন দিতে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেব প্রতিবছরের আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে রথে চড়ে নগর পরিভ্রমণ করে মাসির বাড়ি বেড়াতে যান। সাত দিন পরে তিনি আপন আলয়ে ফিরে আসেন। তখন হয় উল্টো রথ। বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এ উৎসবটি পালন করেন।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া শ্রী শ্রী জগন্নাথ নাট মন্দিরের পুরোহিত শিশির বলেন, ‘যজ্ঞানুষ্ঠানে বৈদিক মন্ত্রচারনের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করেছি। বিকেলে মন্দির থেকে রথযাত্রা অনুষ্ঠান শুরু হয়। সাত দিনব্যাপী মন্দিরে নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে।