টার্গেট করে হামাস নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা ইসরায়েলের




পটুয়াখালীতে অসহায় বিধবা নারীর করুন আর্তনাদ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় সহায় সম্বলহীন এক অসহায় বিধবা নারীর করুন আর্তনাদ একটু আশ্রয়ের জন্য। বিধবা নারী আলো বেগম (৪৮) হচ্ছেন উপজেলা গোলখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড হরিদেবপুর ফেরিঘাট এলাকার মৃত. মানিক মাদবর এর মেয়ে এবং মৃত. হানিফ মোল্লার স্ত্রী।

আলো বেগম ছোট বেলায় বাবাকে হারিয়েছেন। পরে তার মা তাকে বিবাহ দিয়েছেন। কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতেই মা আনোয়ারা বেগমও চলে যান না ফেরার দেশে। পরে স্বামীর সাথে হরিদেবপুর ফেরিঘাট সংলগ্ন সরকারি খাস জায়গায় জীবনের তাগিদে একটি চায়ের দোকান দিয়েছিলেন।

কিন্তু এক সময় তার স্বামীও তাকে একা করে মারা যান। ফলে বাধ্য হয়ে তিনি সন্তানদের মুখে দুমুঠো অন্ন জোগাড় করতে নিজেই চালাতে থাকেন সেই দোকান। এখন সরকার সরকারি জায়গায় ডিসিআর দিচ্ছেন। কিন্তু আলো বেগম তার শেষ সম্বল দোকানের ঐ জায়গাটুকু ডিসিআর পাওয়ার জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছেন সকলের দ্বারে দ্বারে।

এ বিষয়ে বিধবা নারী আলো বেগম বলেন, বাবা মারা যাওয়ার পরে একটু শান্তি ও আশ্রয়ের জন্য স্বামীর সংসারে আসি। আমার স্বামী হরিদেবপুর ফেরিঘাট সংলগ্ন সরকারি খাস জায়গায় একটা চায়ের দোকান দেন। দোকানটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ হচ্ছে ১২ দ্ধ ১০ = ১২০ বর্গফুট।

দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর্যন্ত টিনের একচালা ঘর তুলে দোকান করে আসছি আমরা। এক সময় আমার স্বামী ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। মানুষের উপকারে তাদের পাশে ছিলেন। ভালই চলছিল আমাদের সংসার। কিন্তু আমার স্বামী মারা যাওয়ায় শুরু হয় আমার করুন কাহিনী।

আমার জীবনে নেমে আসে অন্ধকারের ছায়া। এক সময় আমার স্বামী মানুষের উপকার করত এখন স্বামী মারা যাওয়ার পরে আমি মানুষের কাছে হাত পাতি। সংসারে ছেলেমেয়েদের কথা চিন্তা করে নিজেই সেই জায়গায় দোকান করা শুরু করি।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে পরেশ বিশ্বাসের খুনিদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন

বিভিন্ন সময় ঘূর্ণিঝড়ে দোকান ঘরটি নষ্ট হয়ে গেলেও ঠিক করার মত অর্থ ছিল না আমার। গত ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে আমার দোকানের চালা উড়ে যায় এবং একটি অংশ ভেঙ্গে যায়। এরই মধ্যে মাইকে ঘোষণা শুনেছি সরকারি জায়গার ডিসিআর কাটানোর জন্য।

আমার আর কোন পৈত্রিক জায়গা নাই। বর্তমানে ঐ দোকানটি হচ্ছে উপর্জনের একমাত্র আশ্রয়স্থল। এই জায়গাটি আমি ডিসিআর পেলে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে চলে যেত আমার সংসার। কিন্তু ডিসিআর না পেলে আমাকে পথে বসে যেতে হবে।

আমি ডিসি মহোদয়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্যারের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি যাতে আমি ডিসিআর পেয়ে সুন্দরভাবে চায়ের দোকান করে সংসার চালাতে পারি। এ জন্য আমি ডিসিআর পাওয়ার জন্য লিখিত আবেদন করেছি।

এ বিষয়ে গোলখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার বলেন, দীর্ঘ বছর পর্যন্ত হরিদেবপুর ফেরিঘাটে হানিফ মোল্লার চায়ের দোকানটি আছে। এখন তার স্ত্রী আলো বেগম ঐ দোকান চালাচ্ছেন।

ঘূর্ণিঝড় রিমেলে দোকানটির ছাউনি উড়ে যাওয়ায় পরিবারটি আজ দিশেহারা। যেহেতু সরকারি খাস জায়গা সেহেতু ডিসিআর পেলে আলো বেগমের সংসারটা ভালমত চলত। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি, দেখব।

এ বিষয়ে ১১৩ পটুয়াখালী-৩ গলাচিপা-দশমিনা আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এস.এম শাহজাদা (এমপি) বলেন, এ বিষয়ে আলো বেগম আমার কাছে এসেছিল। আমি ইউএনওর কাছে পাঠিয়েছি। তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।




কোটার বিষয়ে আদালতকে পাশ কাটিয়ে কিছুই করবে না সরকার : আইনমন্ত্রী




গলাচিপায় শিশু শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় মুগ্ধ হলেন পরিকল্পনা সচিব

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দেশের দক্ষিন জনপদ পটুয়াখালী জেলার সমুদ্র উপকূলীয় গলাচিপা উপজেলার শিশুদের উন্নত শিক্ষা প্রসারতায় নিডর বিধ্বস্ত গলাচিপা উপজেলা কমপ্লেক্সে ২ জানুয়ারি/২০০৮ খ্রিঃ তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শিক্ষা দরদী, বর্তমানে গণপ্রজাতন্ত্রের পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের মাননীয় সচিব আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন (আইএসইডি) স্থাপন করেন একটি (প্রাইভেট) প্রাথমিক বাংলাদেশ-তুরস্ক ফ্রেন্ডশীপ স্কুল।

তিনি সরকারের বিভিন্ন মেগা প্রকল্প পরিদর্শনের মাঝে গত ১১ জুলাই/২০২৪ তারিখ তিনি এবং তার সুযোগ্য সহধর্মীনি ও স্কুলের প্রথম অধ্যক্ষ সেলিনা মহিউদ্দিন ও একমাত্র সু-কন্যা নিহা সহ সফর সঙ্গীদের নিয়ে স্কুল পরিদর্শনে দীর্ঘ ২১ বছর পরে পরিদর্শনের জন্য প্রবেশ করলে চার শতাধিক কোমল মতি স্মার্ট শিশু শিক্ষার্থীরা প্রবেশ গেট থেকে মূল ভবনের দু-পাশে শুভেচ্ছা সহ করতালী দিয়ে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও প্রথম অধ্যক্ষ সাহেবকে বরণ করে। যেমনি ভাবে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সুধীজনদের উপস্থিতিতে এক মহা মিলন মেলায় পরিনত হয়।

শিশুরা ফুলের পাপড়ী, স্কুল ড্রেস, জাতীয় পতাকা ও নানা রঙের সাঁঝ সজ্জায় উল্লাস দেখে মুগ্ধ হন তিনি। সচিব মহোদয় বর্তমান স্কুলের সভাপতি ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল এবং তার সুযোগ্য সহধর্মীনি ও স্কুল অধ্যক্ষ ডাঃ জান্নাতুল নাঈম ইলভি সহ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নব নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ওয়ানা মার্জিয়া নিতু।

স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যবৃন্দরা এক পর্যায়ে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি স্কুল আঙ্গিনায় পার্কের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন এবং এ সময় সংবর্ধনা সভা ও সাংস্কৃতিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুলের সভাপতি ও সুদক্ষ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মাননীয় সচিব আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সেলিনা মহিউদ্দিন, স্কুল অধ্যক্ষ ডাঃ জান্নাতুল নাঈম ইলভি, স্কুলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মু. খালিদ হোসেন মিল্টন।

পরিচালনায় ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান শিবলী। উপাধ্যক্ষ মো. সাইফুল ইসলাম, শিশু শিক্ষার্থী মো. সালে আল ফাওজান শুভেচ্ছা জানান। শিক্ষার উন্নয়নে ইতিপূর্বে সাতক্ষীরা কালেক্টরেট উচ্চ বিদ্যালয় সহ শিক্ষা ও আগামী প্রজন্মের জন্য যে দেশ প্রেমের নিদর্শন রেখে গেছেন। তা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে ঐ সব জনপদে।




মির্জাগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পুকুরে হাত-পা ধূতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বপন হাওলাদার (২০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত স্বপন হাওলাদার ওই গ্রামের গোলাম মোস্তফা হাওলাদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের গাপতলা গ্রামের স্বপন হাওলাদারের গোয়াল ঘরের পাশের পুকুর থেকে পানি তোলার জন্য বৈদ্যুতিক মটারের সংযোগ দেয়া ছিল। স্বপন গরুর জন্য ঘাস কেটে এনে গোয়াল রেখে হাত-পা পরিষ্কার করার জন্য পুকুরের পানিতে নামলে মটেরের তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সে। পরে তার বাবা স্বপনকে পানিতে ভাসতে দেখে চিৎকার দেয়। এ সময় স্থানীয় লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মির্জাগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: হাফিজুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত পরিবারের থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।




পটুয়াখালীতে পরেশ বিশ্বাসের খুনিদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে নিহত পরেশ বিশ্বাসের খুনিদের বিচার ও গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা।

গতকাল বেলা ১১টায় পটুয়াখালী প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে নিহতের পরিবারের সদস্যসহ স্থানীয় শতাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, জমিজমা বিরোধের জেরে গত বৃহস্পতিবার বগা ইউনিয়নের চন্দনবাড়িয়া গ্রামে বিরোধপূর্ণ জমিতে পরেশ চাষাবাদ করতে গেলে বিরোধী পক্ষ ফারুকসহ তার সহযোগীরা চাষাবাদে বাধা দেয়। একপর্যায়ে ফারুক ও তার সহযোগীরা লাঠিসোটা ও লোহার পাইপ নিয়ে পরেশ এবং তার পরিবারের ওপরে হামলা চালায়। হামলায় পরেশ, মানবিকা বিশ্বাস ও পলাশী বিশ্বাস গুরুতর আহত হয়। আহত পরেশকে প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শনিবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় বাউফল থানায় অভিযোগ করলেও এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি বলে মানববন্ধনে অভিযোগ করেন নিহতের স্বজনরা।

হত্যায় জড়িত সকল আসামিকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার জন্য পটুয়াখালী পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে দাবি জানান।




২০ জুলাইয়ের পর বাড়বে বৃষ্টিপাত




বেইজিংয়ে ফের শুরু হচ্ছে ফাতাহ-হামাস ঐক্য সংলাপ




বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী




বাউফলে মারধরে আহত ব্যক্তির মৃত্যুতে ১১ জনের নামে মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়নের চন্দনবাড়িয়া গ্রামে হাতুড়িপেটায় আহত পরেশ চন্দ্র বিশ্বাসের(৩৫) মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুলাই) রাতে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে বাউফল থানায় মামলা করেছেন নিহতের বড় ভাই শেখর চন্দ্র বিশ্বাস। গত শনিবার সন্ধ্যায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় পরেশ চন্দ্র বিশ্বাসের।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার চন্দনবাড়িয়া গ্রামের পরেশ চন্দ্র বিশ্বাসের সঙ্গে একই গ্রামের মো. ফারুক সিকদারের (৪৮) জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। গত বুধবার (১০ জুলাই) সকালে পরেশ চন্দ্র বিশ্বাস চন্দনবাড়িয়া গ্রামে তার জমি চাষ করতে যান। ওই সময় মো. ফারুক সিকদার (৪৮) নেতৃত্বে একটি দল ওই জমি চাষে বাঁধা দেয় এবং তাকে মারধর করে। একপর্যায়ে তাকে লোহার হাতুড়ি ও লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। পরেশের চিৎকারে তার স্ত্রী পলাশী বিশ্বাস ও ভাইয়ের স্ত্রী মানবিকা বিশ্বাস এগিয়ে গেলে তাদেরকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করান। অবস্থার অবনতি হলে ওইদিনই তাদের পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে পরেশের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার বেলা ১১টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। সেখানে সন্ধ্যা ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরেশের মৃত্যু হয়।

আরো পড়ুন : দুমকিতে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি

এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বড় ভাই শেখর চন্দ্র বিশ্বাস বাদী হয়ে ফারুক সিকদারকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত নামা আরও ৬ জনের নামে রবিবার রাতে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ফারুক সিকদার পলাতক থাকায় থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোনিত কুমার গায়েন বলেন, ‘মারধরের ঘটনার পর এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা তা করেননি। তৎক্ষণাৎ মামলা করলে আসামিরা পালাতে পারত না। এরপরেও পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। আশা করছি খুব কম সময়ের মধ্যে আসামিরা গ্রেপ্তার হবে।