আজ সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আজ সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা এবং ঢাবি প্রশাসনের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে আজ (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাত পৌনে ৮টায় সংগঠনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ তার ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ হাসপাতাল ও জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সবকিছু বন্ধ থাকবে এবং রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া কোনো যানবাহন চলবে না বলে জানানো হয়।




কলা চাষে অল্প পুঁজিতে অধিক লাভের স্বপ্ন পটুয়াখালীর কৃষকের

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় কলা চাষে অল্প পুঁজিতে অধিক লাভের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক আব্দুস সালাম চুন্নু মোল্লা (৭০)। পৌরসভার শান্তিবাগে নিজের পৈত্রিক ৯০ শতক অ-কৃষি জমিতে ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে ১ বছর সময় নিয়ে নিজের উদ্যোগ ও কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে ৭০০ কলা গাছের চারা রোপন করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিভিন্ন প্রজাতির কলার বাগান। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও অধিকাংশ গাছে ফল ধরেছে। এখন তার মুখে ফুটে উঠেছে সুখের হাসি। প্রতিনিয়ত আশপাশের গ্রাম থেকে বিভিন্ন মানুষ দেখতে আসেন এই বাগান। অনেকে আবার তার কাছ থেকে বাগান করার পরামর্শও নিচ্ছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে বাজারে কলা বিক্রি করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। বছরে কলা ও গাছের চারা বিক্রি করে ৫ লাখ টাকা আয় করার স্বপ্ন এই কৃষকের।

সরেজমিনে দেখা যায়, গলাচিপা পৌরসভার শান্তিবাগে ওয়াবদা বেড়িবাঁধের বাহিরে আব্দুস সালাম চুন্নু মোল্লা গড়ে তুলেছেন সাগর, শবরী, চম্পা ও কাঁচাকলা প্রজাতির কলার বাগান। নিজের শ্রম ও লোকবল নিয়োগ করে একটি লাভজনক কলাবাগান গড়ে তুলেছেন তিনি। বাহির থেকে বিভিন্ন পশু কিংবা অন্য কেউ যাতে গাছের অনিষ্ট করতে না পারে সেজন্য বাগানটির চারদিক দিয়ে তারকাটা দিয়ে বেড়া দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত গাছে সার ও কীটনাশক প্রয়োগসহ গাছের পরিচর্যা করছেন তিনি। অধিকাংশ গাছেই ফল ধরেছে।

জানা যায়, গত বছর আষাঢ় মাসের শুরুর দিকে নিজের পৈত্রিক ৯০ শতক জমিতে সাত শত কলা গাছের চারা তিনি রোপন করেছেন। বাগানটি তৈরি করতে গত ১ বছরে ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করেছেন এই কৃষক। পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাজারে কলা ও চারা কলা গাছ বিক্রি করে তিনি বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হতে চান। পরিবার ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভিটামিনের অভাব দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবেন বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

ঝড়-বন্যার কবলে বাগানের সামান্য ক্ষতি হলেও সার্বক্ষণিক সার, কীটনাশক ও পরিচর্যার মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ঝড়-বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বিলম্ব হলেও বাগানের অধিকাংশ গাছে ফুল-ফল ধরতে শুরু করেছে। এ অবস্থায় আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকূলে থাকলে অচিরেই সম্ভাবনাময় স্বপ্ন পুরণ হবে বলে আশা করছেন তিনি। বর্তমানে তার বাগানে যে পরিমাণ কলা গাছের চারা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে একাধিক বাগান করা সম্ভব। তাই তিনি বাগান থেকে চারাগাছ বিক্রি করা শুরু করেছেন।

আব্দুস সালাম চুন্নু মোল্লা বলেন, ‘আমি প্রথমে শখের বশে কলার বাগান তৈরি করি। ঝড়-বন্যার মধ্যেও বাগানটি টিকে আছে। গাছে ফুল ও ফল ধরতে শুরু করেছে। অনেকে বাগান থেকে চারা গাছ কিনে নিচ্ছে। এখন আমি বাণিজ্যিকভাবে কলা ও চারা গাছ বিক্রি করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছি। আশা করছি বাগান থেকে বছরে পাঁচ লাখ টাকা আয় করা যাবে। এ ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে আমাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন।’

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শ্রাবন্তী মন্ডল বলেন, ‘আমি চুন্নু মোল্লার কলা বাগান একাধিকবার পরিদর্শন করেছি। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি এবং পাশাপাশি তাকে সবজির বাগান করারও পরামর্শ দিচ্ছি।’




কলাপাড়ায় ৮০ মণ সামুদ্রিক মাছ জব্দ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ইলিশ ও বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক ৮০ মণ মাছসহ একটি মিনি কাভার্টভ্যান ও একটি বাস জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার বেলা এগারোটায় শেখ কামাল সেতুর টোল প্লাজা থেকে এসব মাছ আটক করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কৌশিক আহমেদ।

এসময় মিনি কাভার্ট ভ্যানের চালক সাব্বির হোসেনকে ১০ হাজার ও বাসের চালক রুবেল হুসাইনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দকৃত মাছ টিয়াখালী বঙ্গবন্ধু কলোনির অসহায় মানুষের মাঝে বিতরন করা হয়।

পরে নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে আর সামুদ্রিক মাছ পরিবহন করবেনা মর্মে মুচলেখা দিলে চালকদের ছেড়ে দেয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কৌশিক আহম্মেদ জানান, ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিনের মাছধরার উপর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সমুদ্র থেকে মাছ শিকাররত অসাদু জেলেদের কাছ থেকে ক্রয় করে এসব মাছ ঢাকায় পাচার করতে চেয়েছিল ব্যবসায়ীরা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব মাছ জব্দ করা হয়েছে।




পটুয়াখালীতে চিরকুটের পাশেই ঝুলছিল যুবকের মরদেহ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিজ ঘরের বিছানায় মৃত্যুর কারণ লেখা দুটি চিরকুটের পাশে ঝুলছিল মো. হাসিবুল ইসলাম (২০) নামের এক যুবকের মরদেহ।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে কলাপাড়া উপজেলার মহিপুরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাসিবুল উপজেলার কুয়াকাটা এলাকার মেলাপাড়ার বাসিন্দা মো. হারিচ ঘরামীর ছেলে। গত দুই বছর আগে মহিপুর এলাকার বাসিন্দা লাল মিয়ার মেয়ে আখির সাথে তাঁদের বিবাহ হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিকভাবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বেশ কিছুদিন যাবৎ কলহ চলছিল। তাই তারা পার্শ্ববর্তী বিপিনপুর গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকতেন। মঙ্গলবার তারা স্বামী-স্ত্রী মেয়ের বাবার বাড়িতে যায়, রাতে হাসিবুল একা বাড়িতে আসে। বুধবার সকালে স্ত্রী আখি ওই ভাড়া বাসায় এসে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীদের নিয়ে দরজা ভেঙে ভীতরে ফ্যানের রটের সাথে ঝুলতে দেখে ডাকচিৎকার দেয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। চিরকুটে তার মৃত্যুর জন্য স্ত্রী দায়ী করেন, এবং শ্বশুর বাড়ির লোকজন অবহেলা করিত বলে চিরকুটে উল্লেখ করেন।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে লাশ নামানো হয়েছে। ঝুলন্ত লাশের পাশ থেকে দুটি চিরকুট পাওয়া গেছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।




প্রাণহানির প্রতিটি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে : প্রধানমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সংঘর্ষে সারা দেশে যেসব প্রাণহানি ঘটেছে প্রতিটি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, কিছু মহল কোটা আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। এর ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক।

তিনি আরও বলেন, একটি আন্দোলন ঘিরে অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্ট, তা আমার চেয়ে আর কেউ বেশি জানে না।

বক্তব্যের শুরুতে শেখ হাসিনা বলেন, আজকে অত্যন্ত বেদনা ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছি। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে জনগণকে উন্নত জীবনযাত্রা দিতে শুরু করেছি। অনেক সাফল্য অর্জন করেছি। বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে একটা মর্যাদার আসনে আসীন করতে সক্ষম হয়েছি। তারপরও আমাদের অনেক দূর যেতে হবে।

বাংলাদেশের মানুষ যখন স্বস্তি-শান্তিতে ফেরে তখন তাদের মাঝে এমন কোনো ঘটনা ঘটে যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ছাত্র আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিল করে একটা পরিপত্র জারি করে সরকার। পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে উচ্চ আদালত ২০১৮ সালের জারি করা সরকারি পরিপত্র বাতিল করে দেয়। সরকারের পক্ষ থেকে পরিপত্র বহাল রাখার জন্য সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করা হয়। আদালত শুনানির দিন ধার্য করেন। এ সময় ছাত্ররা কোটা বাতিলের দাবি নিয়ে আবারো আন্দোলন শুরু করে। এ আন্দোলনের শুরু থেকেই সরকার যথেষ্ট ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন করেছে।

আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশ সহযোগিতা করেছে। রাষ্ট্রপতির কাছে যখন আন্দোলনকারীরা স্মারকলিপি প্রদানের ইচ্ছাপোষণ করে সেক্ষেত্রে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হয়। নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সরকারপ্রধান বলেন, যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আমি প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাই।

ছাত্ররা উচ্চআদালত থেকে ন্যায়বিচার পাবে, তাদের হতাশ হতে হবে না

উচ্চ আদালত থেকে ছাত্রসমাজ ন্যায়বিচার পাবে এবং তাদের হতাশ হতে হবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সরকারপ্রধান বলেন, আমার বিশ্বাস আমাদের ছাত্রসমাজ উচ্চ আদালত থেকে ন্যায় বিচারই পাবে। তাদের হতাশ হতে হবে না। আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধানের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও রাস্তায় আন্দোলনে নেমে দুষ্কৃতকারীদের সুযোগ করে দেবেন না। সর্বোচ্চ আদালতের রায় আসা পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, সরকার হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করেছে। আপিলে আদালতে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কোনো বক্তব্য থাকলে আদালত তা শোনার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের সুযোগ রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাই। যে ঘটনা ঘটেছে সেটা কাম্য ছিল না। চট্টগ্রামের বহুতল ভবন থেকে সন্ত্রাসীরা ছাত্রকে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে নিচে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। অনেক ছাত্রের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। তাদের ওপর লাঠিপেটা ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। তাদের একজন মৃত্যুবরণ করেছে এবং অনেকে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। ঢাকা, রংপুর এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়। সাধারণ পথচারী ও দোকানেদারকে আক্রমণ করা হয়। এমনকি রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে বাধা প্রদান করা হয়। মেয়েদের হলে ছাত্রীদের আক্রমণ করা হচ্ছে এবং লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। আবাসিক হলে প্রভোস্টদের হুমকি এবং আক্রমণ করা হয়েছে। শিক্ষকদের উপর চড়াও হয়ে তাদের গায়ে হাত তোলা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি যারা কোটা সংস্কার আন্দোলনে জড়িত তাদের সঙ্গে এই সন্ত্রাসীদের কোনো সম্পর্ক নেই। সন্ত্রাসীরা এদের মধ্যে ঢুকে সংঘাত ও নৈরাজ্যমূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। যারা শহীদ হয়েছে তাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহের জন্য যা করা দরকার তা আমি করব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছি— যারা সন্ত্রাস, লুটপাট এবং অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটিয়েছে তারা যেই হোক না কেন তাদের শাস্তির আওতায় এনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, কাদের উস্কানিতে সংঘাতের সূত্রপাত হলো; তারা কোন উদ্দেশ্যে এমন অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করলো তা তদন্ত করে বের করা হবে। আমি আন্দোলনরত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। এ সন্ত্রাসীরা যেকোনো সময় অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে এই শিক্ষার্থীদের প্রতি সাধন করতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের পিতা-মাতা অভিভাবক এবং শিক্ষকদের প্রতি আমার আবেদন তারা যেন তাদের সন্তানদের নিরাপত্তার বিষয়ে সজাগ থাকেন।

প্রসঙ্গত, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন গতকাল মঙ্গলবার বেশ সহিংস রূপ নেয়। এদিন ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে ৬ জন মারা যান। আহত হন কয়েকশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।

এ অবস্থায় মঙ্গলবারই সারা দেশের স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার বন্ধ ঘোষণা করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হল ও ক্যাম্পাস ত্যাগ না করার ঘোষণা দিয়েছেন। হলগুলোর ভেতরে অবস্থান করছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। বেশিরভাগ হল থেকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বের করে দেওয়া হয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজধানী ঢাকাসহ ৬ জেলায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে




পটুয়াখালী বাউফল মহাসড়কে বিক্ষোভ ও গায়েবি জানাজা আদায় – পবিপ্রবির

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনের অংশ হিসেবে পটুয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল ও গায়েবি জানাজা পড়েছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল গেটের সামনে পটুয়াখালী বাউফল মহাসড়ক আবরোধ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় তারা বিভন্ন স্লোগান দিতে থাকে, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দিব না’, ‘অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’। পরে কোঠা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে মৃত্যু বরণকারী সকল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে গায়েবি জানাজা পড়ে কর্মসূচি শেষ করে।

এছাড়া সারাদেশে ছাত্র সমাজের ওপর মর্মান্তিক হামলার প্রতিবাদ ও কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে দুমকিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা সরকারি জনতা কলেজ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে লেবুখালী-বাউফল সড়ক দিয়ে নতুন বাজার হয়ে থানাব্রিজ বাজার ও পবিপ্রবি হয়ে পুনরায় জনতা কলেজের সামনে এসে মহাসড়ক অবরোধ করে। তারা বেলা ১১টা থেকে টানা আড়াইটা মিনিট পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে দুপুর আড়াইটার পর যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়।




কমনওয়েলথে স্বর্ণজয়ী শুটার আতিক আর নেই

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: কমনওয়েলথে স্বর্ণজয়ী শুটার আতিক আর নেই রাজধানীর এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আতিকুর রহমান।
গত ৫ জুলাই আকস্মিকভাবে চলে গেলেন কিংবদন্তী ক্রীড়াবিদ দাবার গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান। দুই সপ্তাহ পর ক্রীড়াঙ্গনে আরেকটি বড় ধাক্কা। কিংবদন্তী শুটার আতিকুর রহমানও চলে গেলেন। আজ সকালে রাজধানীর এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আতিকুর রহমান। (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)।

গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান খেলতে খেলতে বিদায় নিলেও শুটার আতিক প্রায় এক দশক মরণব্যাধী ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছিলেন। শুটিং রেঞ্জে লড়াই করা এই শুটার শেষ পর্যন্ত আজ জীবন যুদ্ধে হেরে গেলেন।

গত দুই দশক বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন পুরোটাই ক্রিকেট নির্ভর। আশি-নব্বইয়ের দশকে ছিল একেবারে ভিন্ন চিত্র। ফুটবল-হকির পেছনে ছিল ক্রিকেটের অবস্থান। ফুটবল ঘরোয়া পর্যায়ে জনপ্রিয় হলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তেমন অর্জন ছিল না। সেই সময় কমনওয়েলথ গেমসের মতো আসরে স্বর্ণ জিতেছিলেন আতিকুর রহমান। যা বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনেই সাড়া ফেলেছিল।

১৯৯০ সালে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড কমনওয়েলথ গেমসে আতিকুর রহমান ১০ মিটার পিস্তল ইভেন্টে আব্দুস সাত্তার নিনির সঙ্গে জুটি গড়ে স্বর্ণ জেতেন। ব্যক্তিগত ইভেন্টে জিতেছিলেন ব্রোঞ্জ। কমনওয়েলথের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ান গেমসেও স্বর্ণ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে আতিকের। শুটিং ছাড়ার পরও কিছুদিন শুটিংয়ের সঙ্গে ছিলেন।

শারীরিক অসুস্থতা গত কয়েক বছর একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। কন্ঠনালীর ক্যান্সারে তিনি আক্রান্ত ছিলেন। দেশ ও দেশের বাইরে চিকিৎসা করালেও শেষ পর্যন্ত আর লড়াই করতে পারলেন না। ১৯৬৫ সালে জন্ম নেয়া কৃতি এই শুটারের জীবন থামল মাত্র ৫৯ বছর বয়সেই। কিংবদন্তী শুটারের বিদায়ে শুটিং ফেডারেশনসহ আরও অনেক ক্রীড়া সংস্থা ও ব্যক্তিত্ব শোক প্রকাশ করেছে। আজ বিকেল তিনটায় শুটিং ফেডারেশনে আতিকের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক স্বাধীনতা পুরস্কার। খুব কম সংখ্যক ক্রীড়াবিদ এই পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন শুটার আতিক। স্বাধীনতা পদক ছাড়াও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার, বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি, বাংলাদেশ ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থা সহ আরো অনেক স্বীকৃতি/পুরস্কার পেয়েছেন ক্যারিয়ার জুড়ে।




গলাচিপায় নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল রাসেলস ভাইপার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া এলাকায় নদীতে জেলের জালে ধরা পরলো ভয়ংকরী সাপ রাসেল ভাইপার।

জানা যায়, ১৭ জুলাই বুধবার সকাল ৯টার দিকে হাতেম হাওলাদার নামে এক জেলে নদীতে মাছ ধরতে গেলে নদীতে দেখতে পায় রাসেল ভাইপার নামের সাপটি। প্রথমে কিছু বুঝে উঠতে পারেনি, হঠাৎ সাপটি তার দিকে আক্রমণের উদ্দেশ্যে ধেয়ে আসলে জীবন রক্ষায়, তার কাছে থাকা জাল দিয়ে ভয়ংকরী রাসেল ভাইপার সাপটি আটকিয়ে ফেলে। তার ডাক চিৎকারে স্থানীয় জনগণ আসলে পরে তিনি ও স্থানীয়রা মিলে তারা নিজেদেরকে রক্ষার জন্য সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে। তবে স্থানীয়রা জানান সাপটি কাউকেই ক্ষতি করতে পারনি।

এ বিষয়ে বন বিভাগের গলাচিপা উপজেলার রেঞ্জার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, চলমান বন্যাজনিত কারণে উজান থেকে ভেসে আসা রাসেল ভাইপার দেশের সর্বত্র এলালায় ছড়িয়ে পরার খবর আসছে। সে অনুযায়ী সকল জনসাধারণ, বিশেষ করে ইতি পূর্বেই আমাদের সোনালি প্রান্তিক কৃষকদের সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে, পাশাপাশি প্রকৃতি ভারসাম্য বজায় রাখতে বিলুপ্ত বন্য প্রাণিসম্পদ রক্ষা করাও সকল নাগরিকদের দায়িত্বশীলতার পরিচয় বহন করে। তাই সতর্কতার পাশাপাশি বিলুপ্তি প্রাণিসম্পদ রক্ষায় আমাদের সচেতন হতে হবে বলে, তিনি জানান।




পটুয়াখালীতে নারীদের কোটা রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: চলমান কোটা সংস্কারের দাবিতে উত্তাল সারা বাংলাদেশ সেখানে পটুয়াখালীতে নারীদের কোটা রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন পটুয়াখালী সম্মিলিত নারী সমাজ।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল ১১ টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে তারা। পরে প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে লঞ্চ টার্মিনালে গিয়ে শেষ হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা ভিপি আব্দুল মান্নান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান খান জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী কানিজ সুলতানা হেলেন, জেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আবদুল আল হাদী সোহাগ ও মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃরা।

মানববন্ধনে নেতারা বলেন উন্নয়নের অভিযাত্রায় দেশ যখন স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছে, ঠিক তখন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে কোটা আন্দোলনের নামে একটু গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতীশীল, বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্যপূর্ন করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এ ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে নারী সমাজের এ প্রতিবাদ।




জনবল সংকটে কাউখালী বিআরডিবি অফিস

বরিশাল অফিস :: পিরোজপুরের কাউখালীতে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) অফিসের জনবল সংকট থাকার কারণে কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ভুক্তভোগী জনগণ। অফিস সূত্রে জানা গেছে, অফিসের কর্মকর্তা, সহকারী কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন শাখার ৩৩ টি পদ থাকলেও আছে মাত্র ১৪ জন। উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সহ ১৯ পদ খালি রয়েছে, ফলে কাঙ্খিত সেবা দিতে পারছে না বিআরডিবি অফিস।

২০২২ সালের ১ নভেম্বর মোহাম্মদ নূর হোসেন চৌধুরী উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা অন্যত্র বদলী হয়ে যাওয়ার পর আর কোন কর্মকর্তা কাউখালীতে যোগদান করেনি, পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন উপজেলা থেকে অতিরিক্ত কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদ দীর্ঘদিন যাবত শূন্য রয়েছেন। বর্তমানে জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মনজুর এলাহী অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। জনবল সংকট থাকার কারণে মাঠ পর্যায়ে কোন পরিদর্শক না থাকায় ঋণ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে।

সমিতির সদস্যরা ঋণ পরিশোধ করেও নতুন কোন ঋণ পাচ্ছে না। এ ব্যাপারে সমবায় সমিতির উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম কচুয়াকাটি ম্যানেজার সাবেক ইউপি সদস্য শ্যামল কৃষ্ণ কর বলেন, এক বছর পূর্বে লোনের টাকা পরিশোধ করে ও নতুন কোন লোন পাচ্ছিনা ফলে আমাদের সমিতির কার্যকলাপ ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এ ব্যাপারে সদ্য বিদায়ী সাবেক বিআরডিবির চেয়ারম্যান মোঃ হারুন অর রশিদ খান বলেন, বিআরডিবি কৃষকদের জন্য একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। কিছু কর্মকর্তাদের গাফিলতি ও জনবল না থাকার কারণে বিআরডিবি অফিসের কার্যকলাপ বিলুপ্তির পথে।

এখন আর কৃষকরা ক্ষুদ্রঋণ ও কৃষি সরঞ্জাম কৃষকরা পাচ্ছে না। তিনি আরো বলেন লোন চাইলে লোন দিতে চায় না, তারা বলেন লোন আদায় করবে কে? এ ব্যাপারে কাউখালীতে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন কর্মরত পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মনজুর এলাহী বলেন, জনবল সংকট থাকায় আমরা ভুক্তভোগীদের কাঙ্খিত সেবা দিতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। মাঠ পর্যায় কোন পরিদর্শক না থাকায় ঋণ কার্যক্রমে বিঘœ ঘটছে। পিরোজপুর জেলার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড বিআরডিবির উপ-পরিচালক বিএম কামরুজ্জামান জানান, কাউখালীতে জনবল সংকট সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মৌখিক এবং লিখিতভাবে অবগত করেছি।আশা করি কিছুদিনের ভিতরে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।