শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ভারতের শুভসূচনা

বরিশাল অফিস :: শ্রীলঙ্কার মাটিতে নতুন যুগের শুরু হলো ভারতের। অধিনায়ক হিসেবে সূর্যকুমার যাদব এসেছেন, কোচ হয়ে এসেছেন গৌতম গম্ভীর।

সে যুগের শুরুটা ভালোভাবেই করল ভারত। শুরুতে ব্যাট করে ২১৩ রানের পাহাড় গড়ল। এরপর শ্রীলঙ্কাকে আটকে রাখল ১৭০ রানে। দারুণভাবে তুলে নিল ৪৩ রানের জয়।

পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে আজ টস হেরে ব্যাট করতে নামা ভারতের সর্বোচ্চ ইনিংসটা ছিল ৫৮ রানের। সূর্য সেটা করলেন ২৬ বলে, স্ট্রাইক রেটটা ২২৩+! তার আগে শুভমান গিল আর যশস্বী জয়সওয়ালও খেলেছেন অমন ঢঙেই। দুজন করেছেন যথাক্রমে ৩৪ আর ৪০, তাদের স্ট্রাইকরেটও ২১২ আর ১৯০!

ঋষভ পান্ত শুরুতে খানিকটা রয়েসয়ে খেললেও শেষমেশ ৩৩ বলে তিনি করেন ৪৮। শেষ দিকে ব্যাটাররা দ্রুত রান তোলার তাড়নায় উইকেট খুইয়েছেন বেঘোরে। নাহয় ভারতের রানটা আরও বড় হতেই পারত। তবে তারপরও সব মিলিয়ে ৭ উইকেট খুইয়ে ২১৩ রান ভালোই তো!

জবাবে শ্রীলঙ্কাও শুরুটা নেহায়েত মন্দ করেনি। ওপেনিং জুটি থেকে এসেছে ৮৪ রান। কুশল মেন্ডিস ২৭ বলে ৪৫ রান করে ফেরেন।

এরপর পাথুম নিসাঙ্কার ব্যাটে আশা টিকে ছিল শ্রীলঙ্কার। তিনি যতক্ষণ ছিলেন, লঙ্কানদের রান ছিল ওভারপ্রতি ১০ করে। যেই না নিসাঙ্কা ফিরলেন ৪৮ বলে ৭৯ রান করে, শ্রীলঙ্কাও মুখ থুবড়ে পড়ল রীতিমতো।

কুশল-নিসাঙ্কার পর দুই অঙ্ক ছুঁতে পারলেন আর মোটে দুজন, কুশল পেরেরা আর কামিন্দু মেন্ডিস, সে ইনিংস দুটোও মোটে ২০ আর ১২ রানের। এরপরের বাকি সবাই রান করলেন ফোনের ডিজিটে, এক অঙ্কে। ফলটা যা হওয়ার তাই হয়েছে। শ্রীলঙ্কা শেষমেশ ১৭০ রানে অলআউট হয়েছে। ভারত ম্যাচটা জিতেছে ৪৩ রানের বড় ব্যবধানে।




আন্দোলন চলাকালে নুরকে এক নেতা ৪ লাখ টাকা দেন: ডিবিপ্রধান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে গণ-অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হককে (নুর) এক নেতা ৪ লাখ টাকা দিয়েছেন। রিমান্ডে তিনি এ কথা স্বীকার করেছেন। এ টাকা পরে কাকে দেওয়া হয়েছে এবং কী কাজে খরচ করা হয়েছে, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে। খবর: বাসস

শনিবার রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিবিপ্রধান।

হারুন অর রশীদ বলেন, ‘নুরকে আমরা রিমান্ডে নিয়েছিলাম। তাঁর কাছ থেকে অনেক তথ্য পেয়েছি। সেই তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আন্দোলন চলাকালে একজন নেতা তাঁকে চার লাখ টাকা দিয়েছেন। আমরা সেই নেতাকেও নিয়ে এসেছি। কী জন্য তিনি টাকা নুরকে দিয়েছেন, সেসব বিষয়ে ওই নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে নুরুল হকের যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলেও জানান ডিবিপ্রধান।

শুক্রবার পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হককে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এর আগে ২১ জুলাই তাঁর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।




বিদেশে সাজাপ্রাপ্তদের বিষয়ে সরকার খুবই উদ্বিগ্ন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি দেখাতে গিয়ে অনেকেই আইনের আওতায় এসেছেন এবং সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব প্রবাসীর ব্যাপারে খুবই উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

শনিবার (২৭ জুলাই) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব ঘটনা ঘিরে আমাদের অন্য প্রবাসীরা যেন আর কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হন সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দূতাবাসগুলো কাজ করছে। সরকার প্রবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে বদ্ধপরিকর।

এর আগে, বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিক্ষোভ করায় ৫৭ প্রবাসী বাংলাদেশিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন দেশটির আদালত। এদের মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন, ৫৩ জনকে ১০ বছর এবং একজনকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।




প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে ঢাকায় আবু সাঈদের পরিবার

বরিশাল অফিস :: কোটা সংস্কারের আন্দোলনে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে ঢাকায় এসেছেন।

বর্তমানে তারা রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে অবস্থান করছেন বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।

শুক্রবার (২৭ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে ঢাকায় রওনা দেয় আবু সাঈদের পরিবার। বর্তমানে তার পরিবার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে অবস্থান করছেন। শুধু আবু সাঈদের পরিবার নয়, কোটা আন্দোলনে নিহত সকলের পরিবার রোববার গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা যায়।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই কোটা আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তম ব্যাচের ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জে।




পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হোস্টেলের কাজ বন্ধ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ছাত্রলীগের বাধায় বন্ধ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুরুষ ও মহিলা হোস্টেলের আসবাব ফিটিং ও সেটিংয়ের কাজ।

হোস্টেলগুলোতে আসবাব স্থাপনে ঢাকা থেকে দুই দফা টেকনিশিয়ান পাঠানো হয়। কিন্তু ছাত্রলীগ কর্মীরা তাদের হুমকি দিয়ে কাজে বাধা দেয়। এ ছাড়া তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। ফলে এসব কাজ বাস্তবায়ন অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

গত ৯ জুলাই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের লিখিত অভিযোগ করেন গণপূর্ত ই/এম কাঠের কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজেদুল ইসলাম। তিনি বলেন, স্থানীয় কলেজ ছাত্রলীগ কর্মীরা বাধা দিয়ে সরকারি কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না।

এতে আরও বলা হয়, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রকল্পের অধীনে হোস্টেলে আসবাবপত্র সরবরাহ ও স্থাপন করার কথা। এসব কাজ সম্পন্ন করতে গত ১২ মে ঢাকা থেকে আসবাবপত্র ফিটিংয়ে টেকনিশিয়ান আসেন। এ সময় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের কাজ করতে বাধা দেন। ফলে কাজ বন্ধ রেখে টেকনিশিয়ানরা ঢাকা ফিরে যান। কাজের স্বাভাবিক গতি ফেরাতে ২৩ মে কলেজ অধ্যক্ষ, তত্ত্বাবধায়ক এবং ছাত্রলীগের নেতাদের সহযোগিতা চাওয়া হয়। এরপর অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে ঢাকা থেকে আবারও টেকনিশিয়ান পটুয়াখালীতে এলে গত ২২ জুন রাত সাড়ে ১১টায় মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী পরিচয়ে ফোন করে তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে এবং কাজ না করতে হুমকি দেয়। এখানেই শেষ নয়। ঈদুল আজহার পরে আবার কাজ শুরু করতে গেলে মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে কর্মীরা টেকনিশিয়ানদের আবাসিক হোটেলে গিয়ে মারধর করে, মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং কলেজে না ঢুকতে হুমকি দেয়। এতে তারা ভীত হয়ে পড়েন। তারা হোটেলে থাকতেও রাজি হয়নি।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের এক শিক্ষক জানান, কলেজ ছাত্রলীগ অনেকদিন ধরেই বেপরোয়া। তারা কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত। কলেজ প্রশাসন থেকে শুরু করে কেউই তাদের কিছু বলতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহস করে না।

তবে, এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পটুয়াখালী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইফাদুল ইসলাম। তিনি মন্তব্য প্রদানে অনীহা প্রকাশ করে ছাত্রলীগের প্যাডে লিখিত বিবৃতি পাঠান। এতে উল্লেখ করা হয়, আসবাবগুলো নিম্নমানের হওয়ায় তারা টেকনিশিয়ানদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কোনো ধরনের হুমকি বা অসদাচরণ করা হয়নি। তাদের নাম ব্যবহার করে কেউ তাদের হুমকি বা এ ধরনের কিছু করে থাকলে তার দায়ভার ছাত্রলীগ নেবে না।

জানতে চাইলে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মনিরুজ্জামান শাহীন বলেন, ছাত্রলীগের ছেলেরা ভীষণ দুষ্টু। তারা হোস্টেলের কাজ বন্ধ করেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মেডিসিন, গাইনিসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান এবং হোস্টেল সুপারের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি অভিযুক্তদের হাজির হতে নির্দেশ দিলে অসুস্থতার অজুহাতে তারা উপস্থিত হয়নি। কিন্তু সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছে। তবে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




একটি সেতুর অভাবে ৮ লাখ মানুষের ভোগান্তি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর লোহালিয়া নদীর বগা পয়েন্টে একটি সেতুর অভাবে বাউফল, দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলার প্রায় ৮ লাখ মানুষ দেশের সার্বিক উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফেরি ও ট্রলারে পারাপারে সময় নষ্টের পাশাপাশি নানামুখী ভোগান্তি পোহাচ্ছে বিভাগীয় শহর ও রাজধানী গামী যাত্রীরা। তিন উপজেলার প্রায় ৮ লাখ মানুষের বহু বছরের লালিত স্বপ্ন লোহালিয়া নদীর ওপরে বগা সেতু নির্মাণ হবে। রাজধানী ঢাকা যেতে বগা ছাড়া অন্যকোথাও ফেরি পারাপার হতে হয় না।

এ অঞ্চলের ভুক্তভোগী জনগণ ও সংশ্লিষ্টরা জানায়, পটুয়াখালী জেলা শহরের সাথে বাউফল, দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলাকে বিভক্ত করেছে লোহালিয়া নদী। প্রতিদিন এই নদীর বাউফল উপজেলার বগা পয়েন্টের ফেরি পারাপার হয়ে জেলা, বিভাগ ও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করে হাজার হাজার যানবাহন। প্রতিনিয়ত ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরি ঘাটে আটকে থেকে ব্যাহত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

অন্যদিকে ট্রলারে করে এই নদী পাড় হতে নানা ধরনের ভোগান্তিতে পড়ছে মানুষ। জেলার ভিতর সবচেয়ে বৃহৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা বাউফল। এই উপজেলাতেই রয়েছে দেশের প্রাচীণতম বাণিজ্যিক এলাকা কালাইয়া ও কালিশুরি বন্দর। এই বাণিজ্যিক এলাকা থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছেড়ে যায় শতশত ভাড়ি ও মাঝাড়ি আকৃতির ট্রাক। এছাড়াও বাউফল-ঢাকা মহাসড়ক দিয়ে বগা ফেরি হয়ে রাজধানীতে চলাচল করে দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলার বহু যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন।

ঢাকা থেকে বাউফল আসা যাত্রী আরিফুর জানান, ঢাকা থেকে বাউফল আসতে সময লেগেছে ৪ঘন্টা অথচ ফেরি ঘাটে এসে ১ঘণ্টা বসে আছি এটা খুবই দুঃখজনক।

অপর যাত্রী বলেন, সেতু না থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছি আমরা সাধারণ মানুষ।

পরিবহন চালক আব্দুর রহমান বলেন, পদ্মা সেতুর সুফল পাচ্ছি না আমরা। বগা ফেরিতে এসে ১/দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় এই দূর্ভোগ থেকে রক্ষা পেতে চাই।

এই অঞ্চলের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ফেরি কারণে সবথেকে বেশি বিপাকে পড়ে ইমার্জেন্সি রোগী ও তাদের স্বজনরা। অনেক সময় ফেরিতে দেড়ির কারণে রোগীদের মৃত্যু ঝুঁকি থাকে বলেও জানান তারা।

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সাহা বলেন, সেতু না থাকায় রোগীদের বেশি সমস্যা হচ্ছে। ফেরিতে দেড়ি হওয়ায় রোগীদের চিকিৎসা পেতে দেড়ি হয় এতে মৃত্যু ঝুকি বেড়ে যায়।

বাউফলের ৮ বারের এমপি দীর্ঘ ৪০ বছর বিভিন্ন সময়ে জনগণকে সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে তা আজও বাস্তবায়ন না করায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনগণ।

বাউফল পৌরসভার সরকার দলীয় মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল বলেন, বগা সেতু নির্মাণ হলে এই অঞ্চল হবে শিল্পাঞ্চল এবং এই অঞ্চলের কৃষির অপার সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাবে। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই অঞ্চলের মানুষ। বদলাবে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান, কমবে বেকারত্ব। প্রধানমন্ত্রী বগা সেতু নির্মাণে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আ স ম ফিরোজ বলেন, সেতু নির্মানে বিলম্ব হওয়ার বিষয় সরকারের কোনো হাত নেই। চীনা সরকার বিষয়টি নিয়ে স্টাডি করতেছে। তারা ইতিমধ্যে সেতুর সম্ভব্যতা নিশ্চিত হয়েছে। তাদের তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত সেতুটি বাস্তবায়ন করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।




বঙ্গোপসাগরে পাঁচ ট্রলার ডুবি – ৪৭ জেলে উদ্ধার – নিখোঁজ ২

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল সাগরের ঢেউয়ের তোড়ে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের ১নং বয়া হাইরের চর এলাকায় ৪৯ জেলে নিয়ে পাঁচটি মাছ ধরা ট্রলার ডুবে গেছে। এরমধ্যে একটি ট্রলারসহ ৪৭ জেলে উদ্ধার হলেও চারটি ট্রলারসহ নিখোঁজ দুই জেলের তিন দিনেও সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ জেলেরা হলেন কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের জাকির প্যাদার ট্রলারের জেলে ফিরোজ তালুকদার ও মৌডুবির আবদুল করিমের ট্রলারের জেলে নাঈম চৌকিদার।

গত বৃহস্পতিবার রাতের পৃথক সময়ে এ ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে।

কলাপাড়ার লালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন বিশ্বাস তপন জানান, ২৩ জুলাই সাগরে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা শেষে ১৪ জেলে নিয়ে সাগরে মাছ শিকারে যায় লালুয়ার জাকির প্যাদার ট্রলার। বৃহস্পতিবার রাতে ট্রলারের পিছনে বসা অবস্থায় প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে ফিরোজ তালুকদার সাগরে পড়ে যায়।

শনিবার দুপুর পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে ট্রলার মালিক জাকির প্যাদা।

মৎস্য বন্দর আলীপুর আড়তদার মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল জলিল জানান, তার আড়তে মাছ বিক্রি করে আবদুল করিম, শাহীন মাতুব্বর, সোহরাব গাজী, রাজ্জাক মাতুব্বর ও মো. উজ্জলের পাঁচটি ট্রলার সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে যায়। এরমধ্যে একটি ট্রলারসহ ৪৭ জেলে উদ্ধার হলেও বেল্লাল চৌকিদারের ট্রলারের জেলে নাঈম চৌকিদার নিখোঁজ রয়েছে।

এদিকে লঘুচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার কয়েকশ ট্রলার মাছ শিকার বন্ধ করে আলীপুর ও মহিপুর মৎস্য বন্দর ও বিভিন্ন মোহনায় আশ্রয় নিয়েছে। তবে এখনও ঝুঁকি নিয়ে সাগরে মাছ শিকার করছে কলাপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় হাজারেরও বেশি ট্রলার এমনটাই জানিয়েছেন সাগর থেকে ফিরে আসা ট্রলারের জেলেরা।




রোববার থেকে মঙ্গলবার অফিস ৯টা-৩টা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: রোববার থেকে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত অফিস চলবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

শনিবার (২৮ জুলাই) বিকেলে ঢাকা পোস্টকে তিনি এ তথ্য জানান।

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত সপ্তাহে তিনদিন (রোববার, সোমবার ও মঙ্গলবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে বুধবার থেকে সীমিত পরিসরে চালু হয় সরকারি অফিস। বুধ ও বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত মোট চার ঘণ্টা চলে অফিস। সময় কমিয়ে ওই দুইদিন চলে ব্যাংকিং কার্যক্রম ও পুঁজিবাজারে লেনদেন। চলেছে আদালত। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। চলমান কারফিউয়ের সময়সীমা শিথিল করছে সরকার। এ অবস্থায় সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময়ও বাড়ানো হচ্ছে। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী তিনদিন অফিস চলবে ছয় ঘণ্টা করে।

এদিকে, অফিস-আদালত খুলে দেওয়া হলেও সারাদেশে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সরকার থেকে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

গত ১৯ জুলাই দিবাগত রাত ১২টা থেকে সেনাবাহিনী মোতায়েন ও কারফিউ জারি করে সরকার।




মিলছে না কাক্সিক্ষত ইলিশ উপকূলে জেলেদের হতাশা

বরিশাল অফিস :: সাগরে মাছ ধরার ক্ষেত্রে সরকারের দেয়া টানা ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পরপরই ইলিশ মাছ ধরার প্রস্তুতি শুরু করলেও আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় অধিকাংশ ইঞ্জিনচালিত মাছধরা ট্রলার নিরাপদে ঘাটে বাঁধা রয়েছে। ২৩ জুলাই রাত ১২টায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হলে বরগুনার জেলেপাড়াগুলোতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে। বৈরী আবহাওয়া ও কাক্সিক্ষত ইলিশ ধরা না পড়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন উপকূলীয় জেলেরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার কারণে দুই মাসের বেশী সময় ধরে বেকার হয়ে ছিল জেলার উপকূলীয় জনপদের জেলেপাড়ার বাসিন্দারা। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে সরকারি সহায়তা দেয়া হলেও তা পর্যাপ্ত ছিল না বলে জানিয়েছেন জেলেরা।

পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের জেলে মোশাররফ হাওলাদার বলেন, এ উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের বাইরেও অনেক জেলে রয়েছে। নিবন্ধিত হয়েছে কিছুসংখ্যক। যারা নিবন্ধিত হয়েছে তারা নিষেধাজ্ঞার সময় সুযোগ-সুবিধা পেয়েছে। বেশিরভাগ জেলে পরিবারের দু’মাস মানবেতর জীবনযাপন করতে হয়েছে।

বরগুনা সদরের নলটোনা ইউনিয়নের জেলে শামসুল আলম বলেন, দীর্ঘ দুমাস পর নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেদের কিছুটা উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকলেও ঋণের বোঝা নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে। অনেকের ঋণ রয়েছে। কিন্তু দুই মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকায় পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। এখন মাছ ধরে নিজেও চলতে হবে, ঋণও পরিশোধ করতে হবে। এবার অনেক আশায় নিয়ে আমরা সাগরে নেমেছিলাম। কাক্সিক্ষত ইলিশ মাছ পাচ্ছি না। গত ২/৩ দিন যে মাছ পেয়েছি তাতে খরচই পোষাবে না। গত বছরও আশানুরূপ ইলিশ পাওয়া যায়নি। এ বছর ভাগ্যে কি রয়েছে জানিনা।

বরগুনা জেলা মৎস্য অফিসের তথ্যমতে, এসব জেলের দাবি, তারা এখন সাগরে কাক্সিক্ষত মাছ পেলে নিষেধাজ্ঞার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন। একই এলাকার জেলে মো. নাসির উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় ছেলে-মেয়ে নিয়ে কষ্টে দিন কাটিয়েছি। এখন সাগরে যদি মাছ পাই, তবে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকতে পারব।’

পাথরঘাটার চার ভাইবোন ট্রলারের স্বত্বাধিকারী মো. কামাল বলেন, নিষেধাজ্ঞা জারীর আগেও সাগরে তেমন মাছ পাইনি। এর মধ্যে আবার নিষেধাজ্ঞা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ। চরম অভাব অনটনের মধ্যেই দিনাতিপাত করতে হয়েছে।

বরগুনা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার কারণে উপকূলের জেলেরা কঠিন সময় পার করেছেন। তবে তারা আশা করছেন, নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগে জালে যে হারে ইলিশ ধরা পড়েছে, এখন তার থেকেও বেশি ইলিশ পাবেন। কাঙ্খিত ইলিশ পেলে দুরাবস্থা থেকে মুক্তি মিলবে।

পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের বিপণন কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে রাজস্ব আদায় বাড়বে এবং যা দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মহসিন বলেন, বরগুনা জেলায় মোট ৩৬ হাজার ২২ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। নিষেধাজ্ঞার সময়ে অবৈধ জাল বিনষ্ট করা ও অসাধু জেলেদের আইন অনুযায়ী শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। ৬৫ দিন শেষে বরগুনার জেলেরা সমুদ্রে আশানুরূপ মাছ পেলে অর্থনৈতিক দুর্দশা-দৈন্য কাটিয়ে উঠতে পারবেন।




বরিশাল আ.লীগে নেতৃত্ব পরিবর্তনের গুঞ্জন

বরিশাল অফিস :: কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি মোকাবিলায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শীর্ষ পর্যায় থেকে বরিশালের নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এরপরও থামেনি আন্দোলন। বিভিন্ন স্থানে দাঁড়াতেই পারেনি আওয়ামী লীগ।

এমনকি বিএনপি প্রকাশ্যে মাঠে এসে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ওই সংঘর্ষে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হামলার শিকার হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। মহানগরীতে দলের এ ব্যর্থতা ভালো চোখে দেখছে না কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। সারা দেশের মতো বরিশালেও তাই নগর আওয়ামী লীগের পরিবর্তন নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশ যখন উত্তাল, তখন বরিশালও ছিল আন্দোলনকারীদের দখলে। বিশেষ করে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, বিএম কলেজ ছিল আন্দোলনকারীদের দখলে। ওই সময় নগর আওয়ামী লীগ কিংবা অঙ্গসংগঠনের নেতাদের অস্তিত্ব মাঠে খুঁজে পাওয়া যায়নি। যে কারণে মার খেতে হয়েছে ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে রাজপথেও।

শেষ মুহূর্তে ১৯ জুলাই নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নেতৃত্বে সিঅ্যান্ডবি রোডে বিএনপির মিছিল মোকাবিলা করতে গিয়ে হামলার শিকার হন সাদিক নিজেই। দলের সাধারণ সম্পাদক হামলার শিকার হওয়ায় নগর আওয়ামী লীগের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র। পরে সাদিক অনুসারী নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক গোলাম সরোয়ার রাজিব বাদী হয়ে বিএনপির নামধারী ২৮ জনসহ ৮০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল এক নেতা বলেছেন, বরিশালে আওয়ামী লীগের চরম ব্যর্থতা আছে। তাঁরা শুরু থেকে যেমন তৎপর ছিলেন না, তেমনি প্রতিরোধও করেননি। কেন্দ্র থেকে কথা বলার পর ১৭ জুলাই রাতে এক শ্রমিক লীগ নেতা লাইভে গালাগালি করেছেন। তিনি মন্ত্রিপরিষদের এক সদস্যের ভূমিকা নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন। তা ছাড়া মহানগর আওয়ামী লীগ যেভাবে মহড়া দিয়েছে, তা সাংগঠনিক পর্যায়ে পড়ে না। কারণ এখানকার আওয়ামী লীগের অনেকেই সাংগঠনিক নন। দল এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে।

বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি রেজাউল হক হারুন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের এই ব্যর্থতা নগর আওয়ামী লীগের নেতাদেরই বহন করতে হবে। তাঁরা সাংগঠনিকভাবে আন্দোলন মোকাবিলা করতে পারেননি। ওবায়দুল কাদের মেয়র খোকনকেও ফোন দিয়েছিলেন; কিন্তু বিগত সময়ে মেয়রই থাকতেন নগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে। আমরা মনে করি, এই ব্যর্থতার দায়ে মেয়াদ উত্তীর্ণ নগর কমিটি ভেঙে দিয়ে সিটি মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতের নেতৃত্বে সাংগঠনিক অবস্থা দৃঢ় করা দরকার।’

মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম বলেন, সাংগঠনিক ব্যর্থতার কারণে বরিশাল নগরের অনেক জায়গায় ওই আন্দোলন প্রতিরোধ করা যায়নি। মহানগর আওয়ামী লীগ মেয়াদ উত্তীর্ণ। এখন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের দিয়ে নগরের নেতৃত্ব গঠন দরকার। তাতে বরিশাল আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হবে।

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসাইন বলেন, ছাত্র আন্দোলনের নামে বিএনপি-জামায়াতের নগরীতে সৃষ্ট ঘটনা মোকাবিলার জন্য কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা না থাকায় প্রথমে মহানগর আওয়ামী লীগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। পরে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ভাই ফোনে নির্দেশ দিলে সাদিক মাঠে নেমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এরপর উচিত ছিল সব নেতাকে একসঙ্গে বসা। এ পরিস্থিতিতে সবাইকে বসে ঐক্যবদ্ধ হওয়া দরকার। কারণ বিপদ সামনে আরও আসতে পারে।