‘আন্দোলনে ৩২ শিশু নিহতের তথ্য সরকারের কাছে নেই’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জুলাই মাসে বিক্ষোভের সময় অন্তত ৩২ শিশু নিহত হয়েছে বলে ইউনিসেফ যে বিবৃতি দিয়েছে সে সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছে সরকার। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শনিবার (৩ আগস্ট) এই কথা বলা হয়।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন থেকে গতকাল (২ আগস্ট) জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা (ইউনিসেফ)-এর দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক সঞ্জয় উইজেসেকেরার দেওয়া বিবৃতি বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সঞ্জয় উইজেসেকেরার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জুলাই মাসে বিক্ষোভের সময় অন্তত ৩২ শিশু নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছে ইউনিসেফ। এ ছাড়া অনেক শিশু আহত হয়েছে এবং অনেককে আটক করা হয়েছে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের কাছে ৩২ জন শিশু নিহত হওয়ার এ মুহূর্তে কোনো তথ্য নেই। তাছাড়া ইউনিসেফের এশিয়া অঞ্চলের পরিচালকের এ বিবৃতিতে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য সূত্রের উল্লেখ নেই এবং নিহতদের নাম, পরিচয়, প্রোফাইল বা তালিকা উল্লেখ নেই। তবে ইউনিসেফের পক্ষ থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য সূত্রের উল্লেখসহ ৩২ জন শিশু মৃত্যুর তালিকা সরবরাহ করা হলে বাংলাদেশ সরকার এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। শিশুসহ বাংলাদেশের মানুষের অনাকাঙ্ক্ষিত একটি মৃত্যুও কোনোভাবেই সরকারের কাম্য নয় এবং কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনা স্বাধীন বিচার বিভাগীয় কমিশনের মাধ্যমে তদন্ত করে সরকার এর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।

ইউনিসেফের বিবৃতিতে শিশু বেআইনিভাবে আটকের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে সরকারের সুস্পষ্ট বক্তব্য হলো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জ্ঞাতসারে কোনো শিশুকে বেআইনিভাবে আটক করেনি। তদুপরি কোথাও এ সংক্রান্ত ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে তা জানা মাত্রই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।




নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করলো আওয়ামী লীগ

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের দুদিনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এর মধ্যে রয়েছে- আগামীকাল রোববার (৪ আগস্ট) রাজধানীর ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে এবং জেলা ও মহানগরে জমায়েত। পরদিন সোমবার বিকেল ৩টা থেকে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে থেকে বঙ্গবন্ধু ভবন পর্যন্ত জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্ট নিহত এবং সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে শোক মিছিল।

শনিবার (৩ আগস্ট) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, একদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া অন্যদিকে আমরা কোনো রকম মুখোমুখি অবস্থানে ড়াতে চাই না। সে কারণে সংঘাত হতে পারে এ ধরনের প্রোগ্রাম আমরা এড়িয়ে চলেছি। গতকাল (শুক্রবার) এবং আজও (শনিবার) আমাদের নির্ধারিত কর্মসূচি ছিল।

আওয়ামী লীগের নতুন কর্মসূচির কথা জানিয়ে কাদের বলেন, রোববার ঢাকা সিটির সব ওয়ার্ডে জমায়েত এবং বাংলাদেশের সব জেলা ও মহানগরীতে জমায়েত। ৫ আগস্ট (সোমবার) বিকেল ৩টায় আমরা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে থেকে বঙ্গবন্ধু ভবন পর্যন্ত শোক মিছিল করবো।

সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতির অভিভাবক। এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তিনি বসতে চান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংঘাত এড়াতে পক্ষ-বিপক্ষ হতে পারে, পাল্টাপাল্টি হতে পারে এমন কর্মসূচি এড়িয়ে চলছি। বিবেক নয়, আমরা ঐক্যে বিশ্বাসী। যারা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও প্রগতিতে বিশ্বাস করেন, তাদের সবার ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস আমরা চাই। সাধারণ শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে দেশের অর্জিত গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও অগ্রগতি যারা বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের প্রতিহত করতে আমরা মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সবার সম্মিলিত সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছি।

কাদের বলেন, এখানে আমরা একটা বিষয় উল্লেখ করতে চাই। অবুঝ শিশুরা কোনো রাজনৈতিক বিবেচনায় পড়ে না। অবুঝ শিশুর তাজা প্রাণ ঝড়িয়ে আমাদের সরকারি দলের কোনো লাভ নেই। লাভ তাদের যারা এ শিশুর লাশ থেকে ফায়দা লুটতে চায়। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা। তারপরও আমরা ইউনিসেফকে বলবো, অনুরোধ করবো যে ৩২ জন শিশু হত্যার কথা তারা বলছেন, আমরা সেই শিশুদের নাম-ঠিকানা জানতে চাই। এটা পেলে ব্যবস্থা নেবো। সত্য খুঁজে বের করুন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার। এ দেশের মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারই ফিরিয়ে এনেছে। আজ গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাতের অপচেষ্টা চালাচ্ছে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির প্রতিভূ বিএনপি-জামায়াত। তারা বারবার জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত এবং রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ। তাই যে কোনো আন্দোলন দেখলে সেটাকে সরকারবিরোধী রূপ দিতে উন্মত্ত হয়ে ওঠে। এখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ওপর ভর করে সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা করছে।

বিএনপি-জামায়াত লাশের রাজনীতি করছে দাবি করে কাদের বলেন, গত শুক্রবার তাদের ষড়যন্ত্র ও উসকানির মাধ্যমে ছাত্রদল ও শিবিরের ক্যাডার বাহিনী সহিংসতা করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার অপচেষ্টা করছে। ফলে দুটো তাজা প্রাণ ঝরে গেলো। পুলিশ বাহিনীর সদস্যসহ অনেকেই আহত। এছাড়াও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করেছে। পুলিশ সদস্য হত্যার দায় কার, তা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে জানতে চান কাদের।

শুক্রবার দেশের বিভিন্ন জায়গায় যে সহিংসতা হয়েছে তার সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীরা জড়িত নয় উল্লেখ করে কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়েছেন। আমরা শিক্ষার্থীদের বলতে চাই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবার সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন গুজব ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। দেশবিরোধী একটা মহল চলমান সংকট জিইয়ে রেখে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, এরই মধ্যে পরিষ্কার হয়ে গেছে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বেহাত হয়ে গেছে। চলে গেছে তৃতীয় পক্ষের হাতে, যারা বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে এবং দেশকে খাদের কিনারায় নিয়ে যেতে চায়। এ অশুভ শক্তির অশুভ তৎপরতা আমরা সফল হতে দিতে পারি না। আমাদের মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের প্রতি কমিটমেন্ট শতভাগ। আমরা শিক্ষার্থীদের নিকট দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করি। তারা আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন। দেশটি আমাদের। কোনো পক্ষকে বাদ দিয়ে নয়, বরং সবার সম্মিলিত প্রয়াসে এগিয়ে যাবে আমাদের এ বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য আওয়ামী লীগের তিন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কাদের বলেন, আমরা অফিসিয়ালি সেটা বলিনি। আমাদের যোগাযোগের একটা মাধ্যম তো আছে। যখন যোগাযোগটা হবে, তখন আপনারা দেখতে পাবেন, জানতে পাবেন। এখানে কোনো রাখঢাকের বিষয় নেই। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন আলোচনার দরজা খোলা। কাজেই বিভিন্নভাবে যোগাযোগ হতে পারে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী যেখানে বলছেন তার দরজা খোলা, তিনি আলোচনা করবেন। তাহলে নিচের দিকে আর কাউকে দায়িত্ব দেওয়া বা না দেওয়ার কোনো ব্যাপার নয়। আমাদের যোগাযোগের দরজা খোলা।

তারা আলোচনা না করলে আওয়ামী লীগ কী করবে- এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, আমি আমার পজিটিভ বিষয়টা বললাম। নেগেটিভে যাবো কেন? দরজা খোলা রাখছি।

বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা হয়েছে, এ ধরনের ঘটনা আরও ঘটতে পারে কি না, ঘটলে আওয়ামী লীগ কী করবে– জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রী বলেন, আইনগত ব্যবস্থা নেবো।

তদন্তে সহযোগিতার জন্য জাতিসংঘের কাছে সরকার আবেদন করেছে কি না– জানতে চাইলে কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী এটা তার বক্তব্যে বারবার উল্লেখ করেছেন। একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী বলার পর…। জাতিসংঘ একটা প্রস্তাব দিয়েছে। এটা তো চিঠি দিয়ে বলেনি। আমরাও সেটাতে সায় দিয়েছি।

রোববার থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সর্বাত্মক অসহযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের কর্মসূচি বলে দিয়েছি। এজন্য আমরা জমায়েত কর্মসূচি দিয়েছি।

 




প্রাথমিক বিদ্যালয় ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

 




কলাপাড়ার উপকূলে অনবরত বৃষ্টি – পায়রা বন্দরে ০৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গত ১০ দিন ধরে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে মাঝারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তবে গত ৩ দিন ধরে অনেক স্থানে অনবরত বৃষ্টি হচ্ছে।

আজ শনিবার সকাল নয়টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় ৪৫.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে জেলা আবহাওয়া অফিস। টানা বৃষ্টির পানিতে খাল বিল একাকার হয়ে গেছে। পানি বন্দি হয়ে আছে অনেক মানুষ। ভোগান্তিতে রয়েছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরা। কর্দমাক্ত হয়ে আছে গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা।
এদিকে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর বেশ উত্তাল রয়েছে। বাতাসের চাপ অনেকটা বেশি লক্ষ্য করা গেছে। উপকূলীয় এলাকা দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পায়রা সহ সমুদ্র বন্দরকে ০৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সকল মাছধরা ট্রলার সমূহকে নিরাপদে থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

মহিপুর মৎস আড়ৎ মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ দিদার উদ্দিন আহম্মেদ মাসুম বলেন, সমুদ্রে থাকা মাছধরা ট্রলারের বেশীরভাগই মহিপুর শিব্বারিয়া নদীতে আশ্রয় নিয়েছে।




পটুয়াখালীতে করলার বাম্পার ফলনেও ক্ষতির মুখে কৃষক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি পাশের জেলাসহ ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয় পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের করলা। উচ্চ মূল্যের ফসল উৎপাদন করে নজর কেড়েছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারার কৃষকরা।

স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্ট (এসএসিপি) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কলাপাড়ার আওতায় ২৫ কৃষক গ্রুপ করে পাঁচ একর জমিতে করলা চাষ করে এবার বাম্পার ফলন ফলিয়েছেন।

চাষাবাদের সময় থেকে ফসল উৎপাদন পর্যন্ত পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে প্রায় ২০ লাখ টাকা আয়ের আশা কৃষকদের। তবে বর্তমানে প্রবল বৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে এসব কৃষক। কৃষকদের মাথায় হাত। লাভের সম্ভবনা মুহূর্তেই হারিয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শুধু গ্রুপ নয়, আধুনিক চাষাবাদ দেখে ইউনিয়নের অনেক কৃষক এখন করলা চাষ করে লাভবান। যেদিকে চোখ যাবে মাঠভর্তি শুধু করলা আর করলা। প্রবল বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে এসব করলার ক্ষেত। আরও কয়েক দিন এমন ধারাবাহিকভাবে বৃষ্টি থাকলে পুরো ক্ষেতে পচন ধরার সম্ভাবনা। ফলে লাখ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে এখানকার কৃষক।

কৃষকরা বলেন, যদি পানি নামার ব্যবস্থা ভালো থাকত তাহলে হয়তো ক্ষতির পরিমাণ কমে আসত।

কৃষক আলতাফ হোসেন গাজী জানান, বাংলাদেশের মধ্যে আমরা নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষকরা এসএসিপির প্রশিক্ষণ পেয়ে সবচেয়ে বেশি করলা উৎপাদন করতে পেরেছি। কিন্তু প্রবল বৃষ্টিতে আমাদের উৎপাদিত করলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

কৃষক সুলতান গাজী জানান, আগে আমরা সনাতন পদ্ধতিতে কৃষিকাজ করতাম। এখন আমরা কৃষি অফিস থেকে এসএসিপির প্রশিক্ষণ পেয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে করলা চাষাবাদ করে ব্যাপক ফলন পেয়েছি। বর্তমানে দুশ্চিন্তার কারণ হচ্ছে প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টিতে গাছ পচন শুরু হয়েছে।

আড়তদার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, পাখিমারা থেকে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় চারশ থেকে পাঁচশ মণ করলা পাঠানো হয়। আজ থেকে কমতে শুরু করেছে। বৃষ্টিতে উৎপাদন কমছে, পাশাপাশি গাছ মরে যাচ্ছে।

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আরাফাত হোসেন জানান, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষকরা প্রচুর পরিমাণ উচ্চ মূল্যের ফসল করলা উৎপাদন করেছে। তারা স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এ করলা পাঠাচ্ছে। এসএসিপিসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের আমাদের অফিসে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আধুনিক পদ্ধতিতে রেইজড বেড করে কীভাবে করলা চাষ করতে হয় তা আমরা কৃষকদের হাতে-কলমে শিখিয়েছি। আর এ প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে কৃষকরা আজ লাভবান। এ সময়টায় বাধ সাধে প্রবল বৃষ্টি। আজ টানা বৃষ্টিতে কৃষকরা ক্ষতির মুখে।




কোটা আন্দোলনকারীদের কথা শুনতে চান প্রধানমন্ত্রী

বরিশাল অফিস :: “কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসার জন্য গণভবনের দরজা খোলা রয়েছে। আমি তাদের সাথে বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না।”

শনিবার (৩ আগস্ট) গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন।

এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রস্তাবিত প্রত্যয় স্কিম বাতিলেরও ঘোষণা দেন।




বরিশালে নয় কেজি গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার

বরিশাল অফিস :: বরিশালে নয় কেজি গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার বরিবশাল গোয়েন্দা শাখার এসআই মিজানুর রহমান ও আল মামুনের নেতৃত্বে বরিশালের উজিরপুর থানার ইচলাদি বাসস্ট্যান্ড থেকে ৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এ সময় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এলাকার কাজী তোফাজ্জল হোসেনকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে।

জেলা ডিবির অফিসার ইনচার্জ অসিম কুমার সিকদার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, জেলা পুলিশ সুপারের সার্বিক নির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে উজিরপুরের শিকারপুর বাসস্ট্যান্ডের সংযোগ সড়কে অভিযান পরিচালনা করা হয়।




টিভিতে দেখুন আজকের খেলা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:

অলিম্পিক
লাইভ ইভেন্ট
দুপুর ১২টা, স্পোর্টস ১৮-১ ও এমটিভি

ক্রিকেট
গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি
ব্রাম্পটন উলভস-বাংলা টাইগার্স মিসিসাগা
রাত ৯টা, টি স্পোর্টস

টরন্টো ন্যাশনালস-ভ্যাঙ্কুভার নাইটস
রাত ২টা, টি স্পোর্টস

দ্য হানড্রেড
বার্মিংহাম ফিনিক্স-সাউদার্ন ব্রেভ
রাত ৮টা, সনি স্পোর্টস টেন ৫

ট্রেন্ট রকেটস-ওয়েলশ ফায়ার
রাত ১১টা, সনি স্পোর্টস টেন ৫

ফুটবল

ডুরান্ড কাপ
ওডিশা-বিএসএফ
বিকেল ৪-৩০ মিনিট, সনি স্পোর্টস টেন ২

বেঙ্গালুরু-ইন্টার কাশী
সন্ধ্যা ৭-৩০ মিনিট, সনি স্পোর্টস টেন ২

 




গণভবনে জরুরি বৈঠক: আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে বসতে চায় আওয়ামী লীগ

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে বসে পরিস্থিতি শান্ত করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এজন্য আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ ও কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমকে দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি।

চলমান পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার রাতে গণভবনে জরুরি বৈঠকে বসে আওয়ামী লীগ। দলটির সভাপতি ছাড়াও এতে অংশ নেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুর নাহার চাপা, তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

বৈঠকে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি যত্নবান ও সহনশীল থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। একইভাবে তিন নেতার একটি টিম করে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করার দায়িত্ব দিয়েছেন। এই টিমে ১৪ দলীয় জোটের সিনিয়র নেতাদের যুক্ত করারও নির্দেশনা দিয়েছেন।

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বলা হয়েছে, আমরা তাদের দাবির সঙ্গে একমত। এরই মধ্যে তাদের দাবি মেনে কোটা সংস্কার করা হয়েছে। হতাহতের ঘটনায় সঠিক তদন্তের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। এর সঠিক বিচারও হবে। আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত টিম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। তাদের কথা শুনবেন। এ বিষয়ে দলীয় সভাপতি ও জোটনেত্রীকে রিপোর্ট করবেন।




সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত, ১০ অঞ্চলে হতে পারে ঝোড়ো বৃষ্টি

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে দেশের ১০টি অঞ্চলে। আজ শনিবার (৩ আগস্ট) সকালে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আজ ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, ফরিদপুর, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছেI

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।