চেয়েছিলেন সরকারি চাকরি, হয়ে গেলেন সরকার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: কোটা সংস্কার আন্দোলনের দুই নেতা মো. নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারে জায়গা করে নিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এই দুই সমন্বয়ক। দুজনেই বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। দেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে রেকর্ড গড়লেন তারা।

ইতিহাস বলছে, ৩০ বছর বয়সের কম কেউ কখনোই সরকারের উপদেষ্টা হতে পারেননি। সবসময় প্রবীণ এবং অভিজ্ঞদের জায়গা পেতে দেখা যায়। এবারই প্রথমবারের মতো দুই তরুণ তুর্কী জায়গা পান যাদের বয়স ৩০ বছরের কম। সার্টিফিকেট অনুযায়ী নাহিদ এবং আসিফ দুজনের বয়সেই ২৬ বছর। শুধু উপদেষ্টা নয় সংসদ সদস্যও এত কম বয়সে হওয়ার নজির নেই। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিলের ছেলে নিজাম উদ্দিন জলিল জন ছিলেন দেশের সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য। ওই সময় তার বয়স ছিল ২৭ বছর। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য হয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সাংসদ আজিজুল ইসলাম খন্দকার আজিজ। সেসময় তার বয়স ছিল ২৮ বছর। এছাড়া সদ্য সাবেক তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ২৯ বছর বয়সে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হয়ে সারা দেশে আলোচনায় এসেছিলেন।

আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া ও মো. নাহিদ ইসলাম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক। কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন তারা। জানা গেছে, আসিফ মাহমুদের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার আকুবপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মো. বিল্লাল হোসেন ও মায়ের নাম রোকসানা বেগম। ২৬ বছর বয়সী এ উপদেষ্টা আদমজী ক্যান্টমেন্ট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তিনি কলেজের বিএনসিসি ক্লাবের প্লাটুন সার্জেন্ট ছিলেন। আদমজী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী।

এছাড়া আরেক উপদেষ্টা হলেন নাহিদ ইসলাম। তার বয়সও ২৬। ১৯৯৮ সালে ঢাকায় নাহিদ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিবাহিত। তার বাবা একজন শিক্ষক এবং মা গৃহিনী। নাহিদের ডাকনাম ‘ফাহিম’। তার এক ছোট ভাই রয়েছে। তিনি ঢাকার সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্সে পড়াশুনা করছেন তিনি।

আসিফ এবং নাহিদ আলোচনায় আসেন এবারের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। নাহিদ এক নম্বর সমন্বয়ক এবং আসিফ চার নম্বর সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্বপালনকালে নির্যাতনেরও শিকার হোন তারা। তাদের দুজনকেই তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। নাহিদের দাবি, ‘অপহরণকারীরা ছিলেন ‘রাষ্ট্রীয় বাহিনী’র সদস্য। যদিও তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় তারা পরেছিলেন সাধারণ পোশাকে। নাহিদ দাবি করেছেন, তার হাত, চোখ বেঁধে অত্যাচার চালানো হয়েছিল। বার বার কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল তাকে। নাহিদের ‘অপহরণ’—এর খবর আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল আন্দোলনকারীদের মধ্যে। রাতারাতি তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। একই ঘটনা ঘটে আসিফের ক্ষেত্রেও। পরে তাদের ফেরত দেওয়া হলেও চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থায় আবারও তুলে নিয়ে যাওয়া হয় ডিবিতে। পরবর্তীতে আন্দোলন প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয় তাদের।

নির্যাতনের পরও দমে যাননি তারা। নাহিদ এবং আসিফসহ ৬ সমন্বয়ক ডিবি কার্যালয়ে ৩২ ঘণ্টা অনশনের পর সুশীল সমাজের চাপে তাদের পরিবারের জিম্মায় ছাড়া হয়। বের হয়েই তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে এক দফা ঘোষণা করেন নাহিদ ইসলাম। যার ফলশ্রুতিতে পদত্যাগ করতে বাধ্য হোন শেখ হাসিনা। আর তাদের নেতৃত্বে তৈরি হয় ইতিহাস, নিজেরাও হলেন ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।




শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরবেন!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসিনা-তনয় বলেছেন, ‘‘আমরা শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার। আমরা এ ভাবে অবলীলায় আমাদের দেশের মানুষ এবং আমাদের দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের থেকে মুখ ফিরিয়ে চলে যেতে পারি না।’’

ছাত্র আন্দোলনের ধাক্কায় বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা আবার তাঁর দেশে ফিরবেন! এমনই দাবি করলেন হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাজিদ বলেছেন, ‘‘মানছি আমি বলেছিলাম, মা আর দেশে ফিরবেন না। কিন্তু তার পর থেকে গত দু’দিনে পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। আমাদের পার্টির নেতাদের উপর ক্রমাগত আক্রমণ শুরু হয়েছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নিজেদের দলের নেতা-কর্মীদের বাঁচাতে যা যা করা প্রয়োজন, আমরা তা-ই করব।’’




অন্তর্বর্তী সরকারে ব্যবসায়ীদের সমর্থন আছে: এ কে আজাদ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি ব্যবসায়ীদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের প্রধান সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য এ কে আজাদ।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে বের হয়ে বঙ্গভবনের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা আশা করবো নতুন সরকার আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ফিরিয়ে আনবে।

সরকারের প্রতি তিনি প্রত্যাশা রেখে আরও বলেন, অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই খারাপ, ব্যাংকগুলো ভেঙে পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মুখ্য কাজ হবে প্রধানমন্ত্রীর যে অসীম ক্ষমতা, এই ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করা দরকার। এগুলো করার জন্য যতটুকু সময় প্রয়োজন তা ছাত্র জনতা ও রাজনীতিবিদদের দেওয়া উচিত।




অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না: উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, গত কয়েক দিন বিভিন্ন ধরনের অপরাধ হয়েছে। কোনো কোনো রাজনৈতিক দল দেশের বিভিন্ন এলাকায় দখলের সংস্কৃতিতে নেমেছে। দেশে গত কয়েক দিনে যেসব অপরাধ হয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। এর আগে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। তাঁর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে।




রাজশাহীতে গুলিবিদ্ধ শিবির নেতার মৃত্যু

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হওয়ার চার দিন পর রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী রায়হান (২৮) মারা গেছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।

এর আগে গত সোমবার নগরীর আলুপট্টি মোড় এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরকার পতনের এক দফা দাবির আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে রায়হান গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। ছাত্রশিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি আশরাফুল ইসলাম ইমন নিশ্চিত করেছেন, নিহত রায়হান সংগঠনের রাজশাহী মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহম্মদ বলেন, ‘রায়হানের মাথায় গুলি লেগেছিল। অস্ত্রোপচারও করা হয়েছিল। এরপর আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। শারীরীক অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় রায়হান মারা গেছেন।’

গত সোমবারের ওই সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হন। তাদের মধ্যে ৩০ জনই গুলিবিদ্ধ ছিলেন। সেদিন সংঘর্ষের স্থান থেকে পালানোর সময় ধারাল অস্ত্র দিয়ে সাকিব আনজুম (২৭) নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ আন্দোলনে রাজশাহীতে মৃত্যুর ঘটনা ছিল এটিই প্রথম। এরপর দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে রায়হান মারা গেলেন।




বরিশালে খুচরা বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি

বরিশাল অফিস :: বরিশালে সবজির পাইকারি বাজার সিটি মার্কেট। এর ২০০ মিটার দূরেই রয়েছে পোর্ট রোডের খুচরা বাজার। দুটি বাজারের দূরত্ব কম হলেও সবজির দামে রয়েছে কয়েক গুণ ব্যবধান। সিটি মার্কেটে ১৫ টাকা কেজির পেঁপে পোর্ট রোডে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা। শুধু পেঁপে নয়, সব ধরনের সবজির দাম স্থানভেদে কয়েক গুণ বড়েছে।

ক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে সবজি দুই-তিন গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। ক্রয়মূল্যের ৩০ শতাংশ মুনাফা করার নিয়ম থাকলেও খুচরা ব্যবসায়ীরা তার তোয়াক্কা করছেন না। পাইকারি ও খুচরা বাজারে দামের এমন পার্থক্যের কারণে চরম বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

তবে খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, পণ্য নষ্ট হওয়া, পরিবহন ব্যয়, শ্রমিক মজুরিসহ অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় সবজি বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

বরিশালের পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সিটি মার্কেটে গতকাল পটল বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ২৫ টাকা। সেটি পোর্ট রোডের খুচরা বাজারে বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা। একইভাবে ১৫ টাকা কেজির পেঁপে পোর্ট রোডে বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা। পাইকারি বাজারে শসা ১৫-২০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও খুচরা বাজারে তা ৪০ টাকা। পাইকারিতে কাঁচামরিচের কেজি ২০০ টাকা। তবে খুচরায় তা বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা। ২৫-৩০ টাকা কেজির চিচিঙ্গা ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলার সহকারী পরিচালক সুমি রাণী মিত্র বলেন, ‘দাম নিয়ন্ত্রণে আমরা নিয়মিত পাইকারি ও খুচরা বাজার তদারকি করছি। খুচরা ব্যবসায়ীরা আমাদের জানিয়েছেন, পণ্য কেনার পর বিভিন্ন কারণে পণ্যের ঘাটতি হয়। সে ঘাটতির মূল্য যুক্ত হয়ে দাম বেড়ে যায় বলে দাবি খুচরা বিক্রেতাদের।

 




বরিশালে বাড়িঘরে হামলার পর ভাঙচুর করা হয় মন্দিরও

বরিশাল অফিস :: বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৬নং ফরিদপুর ইউনিয়নের গাজীতলা বাজারসংলগ্ন বিপুল চন্দ্র এবং বিনয় দাসের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে মালামাল লুটের পর মন্দিরও ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। গত ৫ আগস্ট বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয় ৭ জন।

হামলার শিকার স্থানীয় একটি ইট ভাটার ম্যানেজার বিনয় দাস জানান, দুর্বৃত্তরা সামনের দরজার তালা ভেঙে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। এক থেকে দেড়শ লোক দুই দফায় হামলা চালায়।

এতে মন্দির ও ঘরের ভিতরের স্টিলের আলমারিতে থাকা ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ আট লাখ টাকা লুট হয় বলেও অভিযোগ বিনয় দাসের।

এ ঘাটনায় আহতরা হলো- রিপন চাপরাশি, মধুসূদন দাস, আলামিন হাওলাদার, বিনয়ের স্ত্রী লক্ষ্মী দাস, মুক্ত দাস, রিঙ্কু দাস, মনি দাস। আহাতরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বিনয় দাস আরও জানান, দুর্বৃত্তরা তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জমির দলিলপত্র নিয়ে যায়। তার অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা হলো ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সহযোগী আল আমিন হাওলাদার, শহিদুল হাওলাদার, আসিফ শিকদার, সায়েম শিকদার, রাজিব আকন, ফিরোজ খান, বাসার মৃধা, সাব্বির মৃধা, রফিকুল ইসলাম পাখি, বাদল শেখ।

বিনয় দাস জানান, বর্তমানে পরিবারের সবাই প্রাণভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে রয়েছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। প্রশাসনের কেউ এখন পর্যন্ত তাদের খোঁজ নেয়নি।




লিয়াজোঁ কমিটি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ৬ সদস্যের একটি লিয়াজোঁ কমিটি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। এই লিয়াজোঁ কমিটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে পরামর্শ দেবে এবং সরকার, অংশীজন ও ছাত্রজনতার সঙ্গে সমন্বয় করবে।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নাম ঘোষণা করেন ছাত্র আন্দোলনের সমম্বয়ক নাহিদ ইসলাম, সংগঠক মাহফুজ আব্দুল্লাহ।

লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা হলেন, মাহফুজ আব্দুল্লাহ, নাসির আব্দুল্লাহ, ভূইয়া, আসাদুজ্জামান, আরিফুল ইসলাম আদিব, আকরাম হোসাইন, মামুন আব্দুল্লাহ। তবে ভবিষ্যতে এই কমিটি আরও বর্ধিত করা হবে বলে জানিয়েছেন সমন্বয়করা।




পটুয়াখালী উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ড – যোগাযোগের নম্বর

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ছাত্র-জনতার বিক্ষোভে শেখ হাসিনার পতনের পর থমথমে হয়ে উঠে সারাদেশের পরিস্থিতি। ঢাকাসহ সারা দেশেই বিভিন্ন থানায় হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আতঙ্ক বিরাজ করে পুলিশ বাহিনীর মধ্যে। এমন পরিস্থিতিতে থানা পুলিশসহ সড়কের দেখা যাচ্ছে না ট্রাফিক পুলিশকেও। তবে সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের। এছাড়া দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সর্বসাধারণের জানমাল ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা।

এদিকে উপকূলীয় অঞ্চলে সার্বিক নিরাপত্তায় দায়িত্বে আছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। কেউ যেকোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড, লুটতরাজ, ভাঙচুর, হানাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকির সম্মুখীন হলে নিকটস্থ কোস্ট গার্ডে যোগাযোগ করুন। এ ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদান হতে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পটুয়াখালী উপকূলীয় অঞ্চলের জনসাধারণ যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এই নম্বারে যোগাযোগ করতে পারবেন।

বিসিজি বেইস অগ্রযাত্রা (পটুয়াখালী)
কন্ট্রোল রুম নম্বর- ০১৭৬৯৪৪৬১৬৬, ০১৭৬৯৪৪৬১১১, ০১৭৬৯৪৪৬১৬৫।




অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে জামায়াতের অভিনন্দন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

দলটির আমীর ডা. শফিকুর রহমান বৃহস্পতিবার রাতে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘শান্তিতে নোবেল বিজয়ী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মাদ ইউনূসকে প্রধান করে ৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। এই সরকারের নিকট ছাত্র-জনতার অনেক প্রত্যাশা। আমরা আশা করি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছাত্রসমাজ ও দেশবাসীর প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবেন।’

জামায়াত আমীর বলেন, ‘গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছেন। ছাত্র-জনতার বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বৈরশাসক মুক্ত হয়েছে।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব উপদেষ্টাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমরা প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনসহ রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করার এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

শপথ অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (সাবেক এমপি) ও ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের (সাবেক এমপি), সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম