কোথায় আছেন ডিবির হারুন?

বিকেলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আবারও পুলিশ সদর দপ্তর লাগোয়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দেয়াল টপকে কোন রকমে প্রাণে বেঁচে ফিরেন হারুন। ওইদিন রাতে তিনি কোথায় ছিলেন সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি।

তবে পুলিশের একটি সূত্র বলছে, তিনি কূটনৈতিক এলাকায় একটি দূতাবাসে/হাইকমিশনে আশ্রয় নেন।

এরপর বিকেলে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সোয়াটের একটি গাড়ি তাকে মিরপুরের দিকে একটি জায়গায় দিয়ে আসে। সেখানে কিছু ব্যক্তির সাথে আলাপ করে– বিমানবন্দর দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন হারুন। গাড়িতে করে পৌঁছেও যান বিমানবন্দরে। তবে বিমানবন্দের টার্মিনালে প্রবেশের আগেই জনতা তাকে দেখে চিনে ফেললে, মারধরের শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া রাজধানীর একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে। সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হারুন সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।




যুদ্ধবিরতি হলে ইসরায়েলে এখন হামলা চালাবে না ইরান




পুলিশের চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হলো মনিরুল ও হাবিবুরকে 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানকে চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে।  মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ অধিশাখা-১ থেকে জারি করা আলাদা প্রজ্ঞাপনে তাঁদের অবসর দেওয়ার কথা জানানো হয়। দুজনই পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তা ছিলেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮–এর (২০১৮ সালের ৫৭ নম্বর আইন) ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে মনিরুল ইসলাম ও হাবিবুর রহমানকে অবসর দেওয়া হলো।

এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা অপর এক প্রজ্ঞাপনে মনিরুল ইসলামকে এসবি থেকে পুলিশ অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছিল। আর হাবিবুর রহমানকে ৭ আগস্ট ডিএমপি কমিশনারের পদ থেকে বদলি করে পুলিশ অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছিল।




১১ সেপ্টেম্বর থেকে হতে পারে এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলন ও শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে স্থগিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাগুলো আগামী ১১ সেপ্টেম্বর থেকে নিতে চায় শিক্ষা বোর্ডগুলো। এ লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার  এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, আমরা আগামী মাসের ১১ তারিখ থেকে স্থগিত পরীক্ষাগুলো নেওয়ার ব্যাপারে সরকারের কাছে একটি প্রস্তাব দিয়েছি। এর মধ্যে সব গুছিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছি। সরকার যদি এ প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে নির্দেশনা দেয় তাহলে আমরা নতুন সংশোধিত সময়সূচি করে শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেবো। তারা প্রস্তুতি নিয়ে যাতে পরীক্ষায় বসতে পারে, সেই সময়ও তাদের দেওয়া হবে।

এর আগে সোমবার (১২ আগস্ট) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্থগিত পরীক্ষাগুলো পূর্ণ নম্বরেই অনুষ্ঠিত হবে। শিগগির এসব পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ করা হবে।




কলাপাড়ায় হিন্দুরা আওয়ামী লীগের আমলেই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত ছিল – বিকাশ সাহা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় হিন্দুরা (সনাতন ধর্মাবলম্বী) আওয়ামী লীগের আমলেই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত ছিল। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আমরা ভালো থাকি। পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের শ্রী শ্রী জগন্নাথ নাঠ মন্দির কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কলাপাড়া বিএনপি নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভায় একথা বলেন মন্দির কমিটির সহ-সভাপতি বিকাশ সাহা।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ডাকাতি হওয়ার খবর শোনা যাচ্ছে, যার কারণে আমরা আতঙ্কিত। তাই আপনাদের কাছে সহযোগিতা চাচ্ছি, যাতে এই পরিস্থিতিতে আপনারা আমাদের সঙ্গে থেকে আমাদের সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব নিবেন।

মন্দির কমিটির সভাপতি শ্রী রতন কৃষন সাহা গোসাইয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র হাজী হুমায়ুন সিকদার।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু, কলাপাড়া পৌর বিএনপি’র সভাপতি গাজী মো. ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নান্নু মুন্সি প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কলাপাড়া পৌর বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন সিকদার, তারেক আনাম সুমন, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সাংঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কাজল তালুকদার, নাসির উদ্দীন রতন, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি গাজী মো. হারুন। উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হারুন-অর রশিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক কবির মৃধা, জুয়েল সিকদার, সজল বিশ্বাস, রাসেল কবির মুরাদ, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বিশ্বাস রাশেদ মোশাররফ কল্লোল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ঢালী রুহুল আমিন অভিসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শ্রী শ্রী জগন্নাথ আখড়া নাঠ মন্দির কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং ৬নং ওয়ার্ডের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

কলাপাড়া পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নান্নু মুন্সি বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু বলতে কিছু নেই। এটা আওয়ামী লীগের দেয়া টোপ মাত্র। আপনারা নিজেকে কখনো ছোট ভাববেন না।

কলাপাড়া পৌর বিএনপি’র সভাপতি গাজী মো. ফারুক বলেন, এই কলাপাড়ায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কেউ নষ্ট করতে চাইলে কলাপাড়া বিএনপি যেকোনো মূল্যে তাদের প্রতিহত করবে। আপনাদের যেকোনো প্রয়োজনে কলাপাড়া বিএনপি আপনাদের সঙ্গে আছে।

উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার বলেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে আমাদের সমাজ। কোনো ধর্মীয় অসহায় মানুষ বা তার সম্পদের উপর হামলা করতে কেউ আসলে আমাদের লাশের উপর দিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গত বছর আপনারা যেভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করেছেন তার চেয়ে অনেক বড় অনুষ্ঠান করবেন, আমরা আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো।




গলাচিপায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে সেনাবাহিনীর মত বিনিময়

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: গলাচিপা উপজেলা সদরের বিভিন্ন সিভিল সোসাইটি, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, মসজিদ-মন্দিরের সভাপতি, বণিক সমিতির প্রতিনিধি ও বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) বেলা ৩ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসের দরবার হলে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে জন-জীবন স্বাভাবিক, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, নাশকতা সৃষ্টিকারী, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং গুজবকারীদের প্রতিরোধকল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জিওসি-৭ পদাতিক ডিভিশন এবং বরিশাল এরিয়া কমান্ডার জনাব মেজর জেনারেল আঃ কাইয়ুম মোল্লা প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিগ্রেড কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান ওয়ানা মার্জিয়া নিতু সহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ নাছিম রেজা। মত বিনিময় সভায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রস্তাবনা দিয়ে বক্তব্য রাখেন গলাচিপা প্রেসক্লাব সভাপতি ও কলামিস্ট

সাংবাদিক মু. খালিদ হোসেন মিল্টন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শংকর লাল দাস, পূজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র সাহা, ডা. এস. বিমল, সমিত কুমার দত্ত মলয়, মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ শাহজাহান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি ও বরিশাল বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র মো. সাহেদ হোসেন প্রমুখ।

সভা শেষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জিওসি-৭ পদাতিক ডিভিশন এবং বরিশাল এরিয়া কমান্ডার সকলের মতামতের ভিত্তিতে জন-জীবনের শান্তি শৃঙ্খলায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানিয়ে সভা শেষ করেন।




পটুয়াখালীতে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের টাকায় নদী ভরাট

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: কোনো ধরনের নিয়মনীতি অনুসরণ না করেই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থে বালি দিয়ে পটুয়াখালী সদর উপজেলা এবং বাউফল উপজেলার মধ্যকার কাশিপুর নদী (মতান্তরে করাতখালী খাল) ভরাট করার ঘটনা ঘটেছে। এতে করে প্রবাহমান নদীর একটি অংশ দখলের নতুন প্রবণতা শুরু হলো। আর এর দায় এড়াতে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নদীর জমিকে সিকিস্তি জমি হিসেবে দাবি করছেন।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, ভিন্ন কথা।

বাউফল উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের ‘কাবিটা’ প্রকল্পের আওতায় কাশিপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন মাছ বাজারের টেকসই উন্নয়ন করার নামে ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়। তবে বাজারের টেকসই উন্নয়নের নামে বালি দিয়ে নদীর মধ্যে গাছের খুঁটি দিয়ে পাইলিং করে বালি ভরাট করা হয়েছে। আর নথিপত্রে নদী ভরাটের বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে ৩৫ লাখ টাকা দিয়ে কি কি কাজ করা হবে, কিংবা কীভাবে এই অর্থ বরাদ্দ ও ব্যয় হলো, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজিব বিশ্বাস। এ ছাড়া এই একই ইউনিয়নে কাবিটা প্রকল্পের মাধ্যমে আরও ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, পটুয়াখালী থেকে লোহালিয়া হয়ে বাউফল উপজেলায় যাতায়াতের বিকল্প পথ সৃষ্টি এবং পানি ব্যবস্থাপনার জন্য ৯০ এর দশকে কাশিপুর নামক স্থানে পটুয়াখালীর লোহালিয়া-গলাচিপার শাখা নদী কাশিপুর নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে স্স্নুইচ গেট তৈরি করা হয়। স্থানীয়দের কাছে এটি করাতখালী খাল হিসেবেও পরিচিত। তবে বাঁধের দুই পাশে নদীর অস্তিত্ব এবং পানিপ্রবাহ থাকলেও নদীর দক্ষিণ পাশে ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সৃষ্টি হওয়ার পাশপাশি পলি পরে নদীর দক্ষিণপাড় ভরাট হয়েছে। তবে কিছু কিছু স্থানে নদীপাড়ের মানুষরা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছিল। আর সম্প্রতিক সময় কাশিপুর বাঁধের দক্ষিণ পাশে নদীর মধ্যে বিশাল একটি এলাকা বালি দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। বালি ভরাট কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সাবেক সংসদ সদস্য বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ স ম ফিরোজ।

তবে এ বিষয়ে জানতে সাবেক সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম বলেন, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কাবিটা প্রকল্পের আওতায় ‘কাশিপুর খেয়াঘাট মাছ বাজারের টেকসই উন্নয়ন’ নামে একটি প্রকল্প থেকে কাজটি করা হয়েছে। জায়গাটি যদি নদীর জমি হয়ে থাকে, তবে অন্য কাজে ব্যবহারের সুযোগ নেই। এরপরও এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। নদীর জমিতে বালি ভরাট করা হলে অবশ্যই তা অপসারণ করতে হবে। তবে নথিপত্রে যেটা দেখছি, জায়গাটি সিকিস্তি হিসেবে খতিয়ানভুক্ত করা হয়েছে।’

এদিকে স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ৯০-এর দশকে কাশিপুর নামক স্থানে বাঁধ দিলেও ২০১৪ সালেও এই স্থানটি প্রবাহমান নদীর একটি অংশ ছিল। আর ভরাট করার আগ পর্যন্ত জায়গাটিতে জোয়ারের সময় পানিপ্রবাহ করত। বর্তমানে যে অংশটুকু ভরাট করা হয়েছে, তা পুরোটাই নদীর জায়গা।




বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত হত্যার বিচার দাবিতে রাঙ্গাবালীতে বিক্ষোভ মিছিল

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় পরবর্তী সংঘাত সহিংসতা বন্ধেরও দাবি জানানো হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা সদরের বাহেরচর বাজারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

কর্মসূচির শুরুতে রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। পরে উপজেলা সদরের সড়ক এবং রাঙ্গাবালী থানা ঘুরে বাহেরচর চৌরাস্তায় পথসভা করে শিক্ষার্থীরা।

পথসভায় বক্তারা বলেন, ‘শহীদ আবু সাঈদ এবং মুগ্ধের রক্তের দাগ এখনও শুকায়নি। নির্বিচারে চালানো গুলি এবং এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার হতেই হবে। এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলায় জড়িত দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

তারা আরও বলেন, ‘দেশকে সংস্কারের এখনই সুযোগ। সুতরাং মাদক, চাঁদাবাজি, ঘুষ-দুর্নীতি, সহিংসতা, কালোবাজারি, অবৈধ দখলদারিত্ব এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রুখে দিতে ছাত্র সমাজ ঐক্যবদ্ধ। লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি বন্ধ করতে হবে।

এ কর্মসূচিতে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী তানজিমুল আবিদ, পটুয়াখালী সরকারি কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী মুন্সি সুইম, নর্দান ইউনিভার্সিটির ইমরুজ মাহমুদ রুদ্র, জগন্নাথের রবিউল হাসান নয়ন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবিত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।




১৫ আগস্টের সাধারণ ছুটি বাতিল




পটুয়াখালীতে ফ্রিল্যান্সার ও আইটি উদ্যোক্তাদের ১৪ দফা দাবী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে পটুয়াখালীতে ফ্রিল্যান্সার ও আইটি উদ্যোক্তাদের ১৪ দফা দাবী আদায়ে শুক্রবার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেছেন স্থানীয় আইটি সংশ্লিষ্টরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আইটি বিশেষজ্ঞ প্রেপটেকোর প্রধান নির্বাহী পরিচালক আবদুর রব আখন্দ, ইকম ডিজিটাল টেকনোলজির প্রধান নির্বাহী পরিচালক আতিকুর রহমান, ডিজিটাল মার্কেটার ও মেন্টর সপ্তল চ্যাটার্জী, ওয়পব ডেভেলপার হৃদয় হাওলাদার, গ্রাপেগোর প্রতিষ্ঠা মাহমুদুর রহমাও স্থানীয় ফিল্যান্সার।

আইটি উদ্যোক্তাদের ১৪ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- পটুয়াখালী জেলার আইটি সেক্টরের উন্নয়নের স্বার্থে পটুয়াখালীর প্রত্যন্ত একালা ভুরিয়া ইউনিয়নে প্রস্তাবিত “শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এ- ইনকিউবেশন সেন্টার” সরিয়ে সদর উপজেলার প্রাণকেন্দ্র ঝাউতলার আশপাশে স্থাপন, আইটি উদ্যোক্তাদের পেমেন্ট সমস্যা নিরাসনে অতিদ্রুত আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে সমূহ যেমন- পেপাল, স্ট্রাইপ, স্কায়ার, গুগল পে (জিপে) ইত্যাদি চালু, বাংলাদেশ ব্যাংক গত ৩০ জানুয়ারি ২০২২ খ্রি. এক সার্কুলারে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ স্বীকৃত ৫৫টি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেসর আয়ের উপর ঘোষণাকৃত ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ৪% এবং আইটি উদ্যোক্তাদের জন্য ১০% সরকারি প্রণদনা অতি দ্রুক কার্যকর, কার্ডে ডলার এন্ডোর্সমেন্ট এবং ট্রানজেকশন এর ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা তুলে দিয়ে আইটি উদ্যোক্তাদের জন্য ডলার এন্ডোর্সমেন্ট এবং ট্রানজেকশন উন্মুক্ত করে দেয়া এছাড়াও কার্ডে ডলার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্তৃক ১৫% ভ্যাট চার্জ ফ্রি করে দেয়া। যদি কোন অপারগতা থাকে তাহলে এই ভ্যাট চার্জ ১৫% থেকে নামিয়ে ১%-৫% এ নিয়ে আসা, বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বিএফডিএস) কে বিলুপ্তি ঘোষনা করা অথবা এটি পূর্ণগঠন, টাকার বিনিময়ে চালুকৃত ফ্রিল্যান্সার পরিচয়পত্র নামক কার্ড ব্যবস্থা বাতিল করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তত্ববধায়নে বৈধ ফ্রিল্যান্সারদের বিনামূল্যে সাটিফিকেট কিংবা আইডি কার্ড প্রদান করা এবং সকল ক্ষেত্রে এর সার্বজনীন স্বকৃতি নিশ্চিত করা। অনলাইনে কাজ করার ক্ষেত্রে সাইবার হামলাসহ যে কোনভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ফ্রিল্যান্সাদের আর্থিক সহায়তাদানে একটি ফান্ড গঠন করা। এদিকে ফ্রিল্যান্সার এবং আইটি উদ্যোক্তাদের কাজে প্রয়োজনীয় ডিভাইস এবং গেজেট সহজভাবে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট করার সুযোগ তৈরি করে এর উপর ট্যাক্স এর পরিমাণ কমিয়ে আনা এবং সকলের জন্য সহজলভ্য করাসহ নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টরনেট সুবিধা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা স্টারলিংক চালু করা এবং দেশীয় ইন্টারনেট ব্যবস্থায় উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা এবং তা সহজলভ্য ও পাসপোর্ট তৈরি, ভিসা প্রসেসিং সহ সকল ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সার এবং আইটি উদ্যোক্তাদের পেশা নিবার্চনে ফ্রিল্যান্সার এবং আইটি উদ্যোক্তা ক্যাটাগরি সংযুক্ত করার দাবী জানান। প্রতিটি জেলা আইসিটি অফিস এর আওতায় সকল উপজেলায় ফ্রিল্যান্সিং হাব তৈরি করা এবং ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারি নীতিমালা প্রনয়ন করে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের অনুমতি প্রদান ও আইটি উদ্যোক্তাদের আয়ের উপর ট্যাক্স ফ্রি করে দেয়া এবং আইটি উদ্যোক্তাদের জন্য সর্বনিম্ন ১০ বছরের জন্য ভ্যাট ফ্রি করে দেওয়ার দাবী জানানো হয়েছে।