পবিপ্রবিতে ছাত্রলীগের রুম থেকে বিপুল পরিমাণে মাদক উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) আবাসিক হল গুলোতে প্রক্টরিয়াল টিমের অভিযানে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বসবাসরত রুম থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

রবিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খানের নেতৃত্বে শিক্ষকদের একটি টিম রাতভর এ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. জিল্লুর রহমান সহ আবাসিক হলের প্রভোস্টগণ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের রুমগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য সহ লাঠিসোঁটা, রড ও কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।একইসাথে মাদক বেচাকেনার হিসাব সম্বলিত একটি ডায়েরিও উদ্ধার করা হয়।বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর থেকেই সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ও ক্যাম্পাস সংস্কারের দাবি ওঠে। এরই প্রেক্ষিতে ক্যাম্পাস গুলোর প্রশাসনে ব্যপক রদবদল হয়। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো পবিপ্রবিতেও অভিযান পরিচালনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে হলের বিভিন্ন কক্ষ থেকে উদ্ধার দেশীয় অস্ত্র, মাদকের যে ভয়াবহ বিস্তার লক্ষ করছি, এককথায় বলা যায় ছাত্র রাজনীতির এরকম চেহারা আগে কখনো দেখিনি। ভেতর বাইরের রাজনৈতিক যোগসূত্রে মাদক ব্যবসায় ও সেবনের যে চিত্র আমরা দেখলাম, আমরা ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সত্যিই শঙ্কিত। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যত সুরক্ষায় আমরা মাদকের বিরুদ্ধে অবশ্যই প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।




নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সুজন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: আইসিসির ভবিষ্যৎ সূচী অনুযায়ী, নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ার কথা বাংলাদেশে। আগামী ৩ অক্টোবর টুর্নামেন্টটি শুরু হতে যাচ্ছে। তবে বাংলাদেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভ্রমণ সতর্কতা দিয়েছে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মতো দেশগুলো। সেক্ষেত্রে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশ আয়োজন করতে পারবে কি না, সেটি নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

ভারতও টুর্নামেন্টটি আয়োজনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সেক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে বিকল্প দেশ হিসেবে ভাবছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসি। তালিকায় আছে শ্রীলংকা আর জিম্বাবুয়েও। তবে টুর্নামেন্টটি আয়োজনে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই আত্মবিশ্বাসের কথা দেখিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন।

আজ সোমবার সাংবাদিকদের সুজন বলেন, ‘আমরা পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী, সঠিক সময়ের মধ্যে আমরা করতে পারব। তবে দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজ করছে সরকার, সহায়তা নিয়ে পাশে আছে সেনাবাহিনী, তারপরও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার কাজ করছেন। এই সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনই আমাদের ডাকা হয়েছিল বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা করতে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকেও আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। দুটি বিষয়ই আইসিসিকে আমরা অবহিত করেছি। প্রস্তুতি নিয়ে আমরা খুশি।’

এর আগে বাংলাদেশে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে দুই দফায় আশাবাদ জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। গতকাল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মলনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশে আয়োজনের ব্যাপারে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা আয়োজন করতে পারা আমাদের জন্য একটা ভালো মাইলফলক হবে। যেহেতু বাংলাদেশ একটা সংকটকাল পার করছে, একই সঙ্গে যারা আমাদের মেহমান হয়ে আসবে, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব। সবকিছু বিবেচনায় এটা শুধু ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; রাষ্ট্রীয় বিষয়।’

আসিফ মাহমুদ আরও যোগ করেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্যার আছেন, নতুন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আছেন, সবার সঙ্গে কথা বলে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নেব। এ ব্যাপারে আইসিসির সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলমান আছে। আশা করি, দ্রুতই এ বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত জানাতে পারব।’




পুরোনো স্মার্টফোনের গতি বাড়ানোর উপায়

চন্দ্রদ্বীপ বিজ্ঞান প্রযুক্তি  :: বর্তমানে প্রায় সবার হাতেই স্মার্টফোন দেখা যায়। কলিং, চ্যাটিং বা গেমিং ছাড়াও এখন এটি ব্যাংকিং, ব্যক্তিগত ও পেশাগত কাজেও ব্যবহৃত হয়। কিন্তু, আমরা দেখে থাকি নতুন ফোন কেনার পর কয়েক সপ্তাহ বেশ ভালোভাবেই চলে। তারপর হঠাৎ করে স্লো হতে শুরু করে সাধের অ্যান্ড্রয়েড ফোন। এই সমস্যা প্রায় সব মানুষেরই সঙ্গেই হয়ে থাকে। তবে সময়ের সঙ্গে ফোনের গতি কমে যাওয়া নতুন কিছু নয়। কিন্তু, অনেক সময় এটি বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তবে আপনি কি জানেন পুরোনো স্মার্টফোনকেও নতুনের মতো ফাস্ট করা যায়। এই সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তিভিত্তিক ওয়েবসাইট পিসিম্যাগের এক প্রতিবেদনে কিছু টিপস দেওয়া হয়েছে। চলুন সেসব কি কি জেনে নেওয়া যাক:

ফোন রিস্টার্ট দেওয়া

ফোন দীর্ঘ সময় ধরে চললে এর ‘ব্যাকগ্রাউন্ড’-এ থাকা বিভিন্ন প্রক্রিয়া ফোনের গতি কমিয়ে দিতে পারে। তাই মাঝেমধ্যে ফোন রিস্টার্ট করুন। যা ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা বিভিন্ন প্রক্রিয়া থামানোর জন্য যথেষ্ট। এমনকি এতে ফোনের কার্যকারিতা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও আছে।

অ্যাপ আনইনস্টল করা

ফোন থেকে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ মুছে ফেলুন। অনেকেই ধারণা করতে পারেন, অ্যাপ বন্ধ থাকলে ফোনের ওপর তেমন প্রভাব পড়ে না। তবে, ফোনের ‘ব্যাকগ্রাউন্ড’-এ বিভিন্ন অ্যাপ সক্রিয় থাকলে ফোনের গতি কমাতে পারে। তাই যে অ্যাপসগুলোর প্রয়োজন নেই সেগুলো আনইনস্টল করে দিতে পারেন।

অ্যাপ ক্যাশে ফাইল মুছে ফেলা

এই উপায়টা দারুণ কাজে আসে। বিশেষ করে ওয়েব ব্রাউজ করার সময় ফোনের গতি কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে। এর সম্ভাব্য কারণ হতে পারে সংশ্লিষ্ট অ্যাপে জমে থাকা ডেটার পরিমাণ। ব্যবহারকারী কেবল প্রতি ব্রাউজারের ভিত্তিতে ক্যাশে ফাইল মুছতে পারেন, যা খুবই সহজ একটি প্রক্রিয়া। আইফোনের ক্ষেত্রে সেটিংস অ্যাপে থাকা সাফারি অপশনে যেতে হবে। এরপর ক্লিয়ার হিস্ট্রি অ্যান্ড ওয়েবসাইট ডেটা অপশনে চাপ দিতে হবে। আর অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে, সেটিংস অ্যাপে থাকা ‘স্টোরেজ’ অপশনে যান। এরপর ‘অ্যাপস’ অপশনটি চাপুন। এখানে প্রতিটি অ্যাপ একত্রে বেছে নিয়ে ‘ক্লিয়ার ক্যাশে’ নামের অপশনে চাপ দিলেই সব তথ্য মুছে যাবে।

ফোন আপডেট দেওয়া

ফোনের সব অ্যাপ ও অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন নিয়মিত আপডেট করুন। অনেক সময় পুরোনো ভার্সন ব্যবহারের কারণে ফোন স্লো হতে থাকে। গুগল প্লে স্টোর থেকে সব অ্যাপ আপডেট করতে পারবেন। অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট করার জন্য ফোনের সেটিংস থেকে সিস্টেম সিলেক্ট করে সিস্টেম আপডেট অপশন বেছে নিতে হবে।

ফোন সাধারণ অবস্থায় রাখুন

ফোনের গতি কমছে এমন মনে হলে ডিভাইসে বিভিন্ন নতুন ফিচারের ব্যবহার কমিয়ে ফেলতে পারেন। এতে ডিভাইসটির ওপর চাপ কমবে। আইফোনের ক্ষেত্রে এর সম্ভাব্য মানে, হোম স্ক্রিন বা লক স্ক্রিন থেকে সব উইজেট সরানো। যেখানে এগুলোকে ঠিকঠাক রাখতে ক্রমাগত রিফ্রেশ করার প্রয়োজন পড়ে। যার ফলে ফোনের গতি কমে যেতে পারে।

এছাড়া, ফোনে সর্বশেষ আপডেট রাখাও গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে নতুন সফটওয়্যার আপডেট এলে তা ইনস্টল করার পরামর্শ দিয়েছে ইনডিপেন্ডেন্ট। এতে ফোনের নিরাপত্তার পাশাপাশি সফটওয়্যার আপডেট করার পর ফোনের কার্যকারিতাও বেড়ে যেতে পারে।

অ্যানিমেশন স্পিড কমানো

অ্যান্ড্রয়েড ফোন অ্যানিমেশনের জন্য অনেকটা স্লো হয়। বিশেষ করে বাজেট সেগমেন্টের ফোনে এই সমস্যা বেশি। ফোন সেটিংস থেকে অ্যানিমেশন বন্ধ করলে পারফরম্যান্সে উন্নতি পাবেন।

 




মৌমিতার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট, যা জানা গেল

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার মৌমিতার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সামনে এনেছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে এই ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

কলকাতার মাল্টি সুপার স্পেশালিটি সরকারি হাসপাতাল আরজি করে মৌমিতা নামে এক নারী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর খুনের ঘটনায় নজিরবিহীন প্রতিবাদ দেখছে ভারত। দোষীদের শাস্তির দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

মৌমিতার ময়নাতদন্ত রিপোর্টে বলা হয়, তার দেহে ছিল একাধিক আঘাতের চিহ্ন। ‘যৌন হেনস্থা’র প্রমাণও মিলেছে।

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছিল। এমনকি, তার যৌনাঙ্গে জোরপূর্বক কিছু প্রবেশ করানো হয়েছিল।

নিপীড়নের শিকার হয়ে প্রাণ হারানো মৌমিতার শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন ছিল। মাথা, গাল, ঠোঁট, নাক, ডান চোয়াল, চিবুক, গলা, বাঁ হাত, বাঁ কাঁধ, বাঁ হাঁটু, গোড়ালি এবং যৌনাঙ্গে ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, তার ফুসফুসে রক্ত জমাট (হেমারেজ) বেঁধেছিল। শরীরে আরও কিছু অংশেও জমাট বেঁধে ছিল রক্ত। তাকে যে শ্বাসরোধ করে ‘খুন’ করা হয়েছে রিপোর্টে লেখা রয়েছে তা-ও।

একাধিক মহল থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, নির্যাতিতার দেহে ‘১৫০ গ্রাম সিমেন’ মিলেছে। কলকাতা হাইকোর্টে তার পরিবার যে পিটিশন দায়ের করেছে, সেখানেও এই বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ‘সিমেন’ সংক্রান্ত কোনও উল্লেখ নেই। রিপোর্টে

রিপোর্টে ‘এক্সটারন্যাল ও ইন্টারন্যাল জেনিটালিয়া’ কলমে লেখা হয়েছে, ওজন ‘১৫১ গ্রাম’। প্রসঙ্গত, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নিয়ম মেনে মৃতদেহের বিভিন্ন অংশের ওজন উল্লেখ করা হয়। এ

বিভিন্ন মহল থেকে নির্যাতিতার শরীরের একাধিক হাড় ভাঙার যে সব কথা উঠে আসছিল, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তেমন হাড় ভাঙার কোনও উল্লেখ নেই। রিপোর্টে লেখা হয়েছে, ‘শ্বাসরোধ করার কারণে মৃত্যু। মৃত্যুর ধরন খুন। যৌনাঙ্গে জোরপূর্বক কিছু প্রবেশ করানোর মেডিক্যাল প্রমাণও রয়েছে। যৌন হেনস্থার সম্ভাবনা।’

গত ৯ আগস্ট সকালে আরজি কর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চারতলার সেমিনার হলে মৌমিতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ, যিনি পেশায় ছিলেন সিভিক ভলান্টিয়ার। হাইকোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই।




সুনামগঞ্জের একটি গ্রামে ‘গান-বাজনা নিষিদ্ধ’, যা জানা গেল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার একটি গ্রামে বিয়ে-জন্মদিন বা অন্য কোনো অনুষ্ঠানে গান-বাজনা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়নি।নিষিদ্ধ করা হয়েছে সাউন্ড বক্সে গান বাজনা বাজানো। সাউন্ড বক্সে উচ্চ শব্দ উৎপন্ন করে শব্দ দূষণ করা আইনীভাবেও নিষিদ্ধ।

জানা গেছে, গত শনিবার রাতে উপজেলা সদরের চিকসা গ্রামের মানুষ মাতব্বরদের নিয়ে এ নিয়ম চালু করেন। পরবর্তীকালে এ বিষয়টি গান বাজনা নিষিদ্ধ বলে প্রচার হতে থাকে।

বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে সাউন্ড বক্স দিয়ে উচ্চ শব্দে গানবাজনা করার কারণে রোগী, বৃদ্ধ ও শিশুদের শারীরিক সমস্যা হয়। সারারাত ধরে গান বাজানোর কারণে ঘুমাতে পারেন না প্রতিবেশীরা। তাই তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এ ক্ষেত্রেও হিন্দু বা অন্য ধর্মালম্বীদের উন্মুক্ত রাখা হয়েছে জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা।

চিকসা গ্রামের মেম্বার শফিকুল হক বলেন, ‘বিয়ে বা অন্য কোনো অনুষ্ঠানে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে যে পরিবেশের সৃষ্টি করা হয় তা অগ্রহণযোগ্য। এতে আশপাশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই সাউন্ড বক্সে গান বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যারা এটাকে অন্যভাবে উপস্থাপন করছেন তারা না বুঝে করছেন। আমাদের গ্রামে শুধুমাত্র সাউন্ড বক্সে গান বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাও শুধু মুসলমান ধর্মের মানুষের অনুষ্ঠানে। হিন্দু বা অন্যান্য যারা আছে তারা তাদের ইচ্ছে অনুযায়ী যা খুশী তা করতে পারবেন। এই নিষেধাজ্ঞা তাদের জন্য না।’

একই কথা বলেন তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জুনাব আলী। তিনি বলেন, ‘মুসলমান বিয়ে- জন্মদিনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বড় বড় সাউন্ড বক্সে উচ্চ শব্দে গান বাজনা করা হয়। এতে যারা রোগী, বয়স্ক কিংবা শিশুরা আছে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গ্রামের সর্বসাধারণের দাবি ছিল এটা। তাই ওই গ্রামের সবাই মিলে বড় বড় সাউন্ড বক্স নিষিদ্ধ করেছে। তবে হিন্দুদের রীতি নীতিতে গান বাজনা চলে আসতেছে তাই তারা গান বাজনা করবে এটাই স্বাভাবিক। তাদের জন্য কোনো বিধি নিষেধ নেই।’




‘কলকাতা টু করাচি, সবার মুখে বাংলাদেশ’

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন :: দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রেশ কাটতে না কাটতেই, কলকাতাতেও শুরু হয় গণ-আন্দোলন। কোটা নিয়ে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ‘দফা এক, দাবি এক, হাসিনার পদত্যাগ’র আদলে ওপার বাংলায় নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ‘দফা এক, দাবি এক, মমতার পদত্যাগ’ দাবি তোলা হয়েছে। এর আগে, পাকিস্তানের সংবিধান পুনরুদ্ধার ও উজ্জীবিত কারার লক্ষ্যে বিক্ষোভ করছে দেশটির শিক্ষার্থীরা।

এক কথায় বলা যায়, বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে ভারত ও পাকিস্তানেও। আর সেখানকার বিপ্লবীদের কণ্ঠে ঘুরে ফিরে উঠে আসছে বাংলাদেশের নাম ও স্লোগান।

খবর মিলছে, পকিস্তানের করাচিতে বিপ্লবীদের কণ্ঠে স্লোগান উঠেছে ঢাকার সুরে, ‘তুমি কে? আমি কে? বাংলাদেশ! বাংলাদেশ!’ একইভাবে কলকাতার আরজি কর কাণ্ডে ফুঁসে ওঠা নাগরিকরাও যেন ঢাকার ছাত্র আন্দোলনকে অনুসরণ করছে। আর এই বিষয়টি নজরে এনে তরুণ অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক বাংলাদেশ নামটার একটি বিশেষণ বা ট্যাগ লাইন ঘোষণা করেছেন। সেটি হলো ‘বীরের দেশ’ কিংবা ‘দ্য ল্যান্ড অব ব্রেইভ’।

চমকের কথায়, ‘কলকাতা টু করাচি, সবার মুখে বাংলাদেশের স্লোগান। বাংলাদেশীদের বীরত্বে যুগে যুগে বিস্মিত হয়েছে পুরো বিশ্ব। আর কিছু থাকুক আর না থাকুক, আমাদের পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেশপ্রেম আছে। আরও আছে বাঘের মতো একটা কলিজা।’

অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯০ ও ২০২৪- ইতিহাস বারবার ফিরে ফিরে আসে। বীরেরাও আসে নতুন রূপে নতুন পরিচয়ে, কিন্তু কলিজা সেই একই! বীরের কলিজা। আর তাই আমি আমার দেশকে একটা বিশেষণ দিতে চাই। সেটি হলো “বীরের দেশ”। ইংরেজিতে “দ্য ল্যান্ড অব ব্রেইভ”।’

বলা দরকার, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাঠে ও সোশ্যাল হ্যান্ডেলে বেশ সরব ছিলেন চমক।




সিসিলিতে বিলাসবহুল প্রমোদতরী ডুবে একজনের মৃত্যু

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: ইতালির সিসিলিতে এক ব্রিটিশ বিলাসবহুল প্রমোদতরী ডুবে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ছয়জন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার ভোররাতের দিকে দক্ষিণ ইতালির সিসিলি দ্বীপের উপকূলের কাছে যুক্তরাজ্যের পতাকাবাহী একটি জাহাজ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে ডুবে গেলে জাহাজে থাকা ২২ ব্যক্তি সাগরে ভেসে যান।

কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান চালিয়ে ১৫ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। বাকি ৭ জনকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।

জাহাজে থাকা ২২ জনের মধ্যে বেশির ভাগই যুক্তরাজ্যের নাগরিক। এছাড়া ছাড়া জাহাজে ২ জন মার্কিনি, ১ জন কানাডিয়ান, নিউজিল্যান্ডের ১ জন, শ্রীলঙ্কার ১ জন, ফ্রান্সের ২ জন এবং একজন আয়ারল্যান্ডের নাগরিক ছিলেন।



ববিতে ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের ফি বাতিল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::শিক্ষার্থীদের ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের ফি বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক মো. ফয়সল মাহমুদ পাঠানো ই-মেইল বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই অফিস আদেশে জানানো হয়, সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া গত ১৭ আগস্ট থেকে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।

এরমধ্যে শিক্ষার্থীদের ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের ফি বাতিল করা; তিন কর্মদিবসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর সরবরাহ করা; পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অফিসে জনবল সংকট নিরসনে চার জন কর্মকর্তাকে প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা; উন্নতমানের সনদ ছাপানো; ১৭ আগস্ট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসকে মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস হিসেবে ঘোষণা করা এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

এই দাবিগুলোসহ অন্যান্য দাবি শিগগিরই পূরণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করা হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।




গুলিবিদ্ধ বরিশালের ছাত্রদল কর্মীর পাশে বিএনপি নেতা

বরিশাল অফিস :: কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী রুহুল আমিনের (২১) চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন নগর বিএনপির সাবেক সদস্য মীর জাহিদুল কবির জাহিদ।

তিনি গত ৪ আগস্ট নগরের করিম কুটির এলাকায় সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন।

এরপর তাকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু ব্যয়ভার মেটাতে ব্যর্থ হওয়ায় চিকিৎসা খরচ বহনের দায়িত্ব নেন এ বিএনপি নেতা।

গুলিবিদ্ধ রুহুল নগরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রদলের কর্মী এবং মেট্রোপলিটন কলেজের ছাত্র। এছাড়া তিনি নগরের দক্ষিণ আলেকান্দার আর্শেদ আলী কন্টাকটার গলির বাসিন্দা।

ছাত্রদল কর্মী রুহুল আমিন বলেন, ‘সংঘর্ষের সময় আমার ডান পায়ের হাটুর ওপরে রানে গুলিবিদ্ধ হই। এরপর খরচ জোগাড় করতে না পেরে চিকিৎসা প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছিল।

এ বিষয়টি মহানগর ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন জানতে পারেন। তিনি বিষয়টি বিএনপি নেতা জাহিদকে জানালে তিনি আমার চিকিৎসার সব খরচ বহনের দায়িত্ব নেন।

এ বিষয়ে বিএনপি নেতা মীর জাহিদুল কবির জাহিদ বলেন, দেশ সংস্কারের আন্দোলনে ওই গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নিতে পেরে ভালো লাগছে।




ঘূর্ণিঝড় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জাগোনারীর নগদ অর্থ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জরুরি সাড়াদান কার্যক্রম ২০২৪ এর আওতায় শর্তবিহীন নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১১ টায় গলাচিপা উপজেলা পরিষদ হলরুমে এনজিও জাগোনারীর ব্যবস্থাপনায় এবং সেভ-দ্য চিলড্রেনস’র আর্থিক সহায়তায় চরকাজল ও চরবিশ্বাস ইউনিয়নের ১৫২ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ৬ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ তুলে দেয়া হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন চরবিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: তোফাজ্জেল হোসাইন বাবুল, জাগোনারীর প্রজেক্ট ম্যানেজার ইয়াছিন মনজু, গলাচিপা থানার সাব ইন্সপেক্টর মো. নজরুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংস্থার কমিউনিকেশন কো-অর্ডিনেটর ডিউক ইবনে আমিন, প্রকল্প সমন্বয়কারী গোপাল বিশ্বাস ও সেভ-দ্য-চিলড্রেন এর প্রোগ্রাম অফিসার রাসেল মিয়া প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত রোববার (১৮ আগস্ট) চরবিশ্বাস ও চরকাজল ইউনিয়নের ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।