বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভারতের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

বরিশাল অফিস :: মধ্যরাতে ভারতের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। ভারতের বাঁধ খুলে দিয়ে বাংলাদেশে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টির প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা।

বুধবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো থেকে মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রশিক্ষণ করেন।

বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী রশিদ সরদার বলেন, আমরা ভারতকে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, এই কৃত্রিম বন্যায় আমাদের জানমালের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার হিসাব ভারতকে দিতে হবে। আপনাদের সৃষ্টি বন্যায় আমাদের বাড়িঘর ভাসিয়ে দিয়ে আপনারা শান্তিতে থাকতে পারবেন না। যদি শান্তিতে থাকতে চান, তাহলে আন্তর্জাতিক নদী আইন মেনে আমাদের পানির অধিকার আমাদেরকে দেন।




জাতিসংঘ তথ্যানুসন্ধান দল ঢাকায় আজ আসছে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান মিশনের অংশ হিসেবে প্রাথমিক কারিগরি দলটি আজ বৃহস্পতিবার এক সপ্তাহের সফরে ঢাকায় আসছে।

বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন তাঁর দপ্তরে সাংবাদিকদের বলেন, জাতিসংঘের কারিগরি দলটির প্রাথমিকভাবে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকার কথা রয়েছে। তারা চাইলে এ সফর আরও দীর্ঘায়িতও হতে পারে।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডসহ সামগ্রিকভাব মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তদন্তে যুক্ত হচ্ছে জাতিসংঘ।

যে তদন্ত শুরু হতে যাচ্ছে, তাতে কীভাবে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হবে।

এদিকে জেনেভা থেকে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, জাতিসংঘ যখন বাংলাদেশের কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে নৃশংসতার তদন্ত করতে যাচ্ছে, একই সময়ে বিষয়টি জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের আলোচনায় তোলার জন্য কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন পশ্চিমা একাধিক দেশকে চাপ দিচ্ছে। বাংলাদেশ যখন উদারভাবে এ দেশের ইতিহাসের নৃশংসতম মানবাধিকার লঙ্ঘনে জাতিসংঘকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই সময়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের আলোচনায় বিষয়টি তোলা সমীচীন নয় বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা।




রাজস্ব আয়ে ২৩ হাজার কোটি টাকার বেশি গরমিল

রাজস্ব আয় অতিরিক্ত মাত্রায় বাড়িয়ে দেখানোর প্রবণতা শুরু হয় সাবেক চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানের সময়ে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এনবিআর ও অর্থমন্ত্রণালয়ের হিসাবে পার্থক্য দেখা দেয় ১৩ হাজার কোটি টাকা। অভিযোগ আছে, সরকারের সুনজরে থাকতে রাজস্ব আয় বাড়িয়ে দেখাতেন নজিবুর রহমান। পরবর্তী চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া গোঁজামিল থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু রহমাতুল মুনিমের সময়ে আগের ধারায় ফিরে যায় এনবিআর।

সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘নীতি নির্ধারকের জন্য এটা কিন্তু খুবই দরকার যে প্রকৃত অবস্থাটা তাদের জানা দরকার। তাহলে তারা বুঝতে পারবেন কখন কোন নীতি গ্রহণ করবেন, কোন নীতি বাস্তবায়ন করবেন।’

২০২৩-২৪ অর্থবছরের হিসাবের ফারাক অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভয়াবহ। রহমাতুল মুনিম প্রশাসনের দাবি, রাজস্ব আয় হয়েছে তিন লাখ ৮২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কিন্তু হিসাব মহানিয়ন্ত্রক সিজিএ’র হিসাবে, কোষাগারে জমা হয়েছে তিন লাখ ৫৯ হাজার পাঁচশ কোটি টাকা।

আয়কর, ভ্যাট ও আমদানি শুল্কে সবচেয়ে বেশি পার্থক্য ধরা পড়েছে ভ্যাটে। এনবিআরের দাবি, ভ্যাট আয় এক লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা প্রায়। কিন্তু সিজিএ’র হিসাবে জমা হয়েছে, এক লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। আয় করে পার্থক্য সোয়া চার হাজার কোটি। আর আমদানি শুল্কে কম-বেশি এক হাজার কোটি টাকা। এনবিআরের এমন তথ্যে হতাশা জানিয়েছেন নতুন চেয়ারম্যান।

এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, ‘আমাদের একটা বড় ইমেজ সংকট আছে, যেটা নিয়ে বাইরে হাসহাসি হয়। সেটা হলো এনবিআর ট্যাক্স সংগ্রহটা ওভার স্ট্রেইট করে এবং এটা বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সিজিএ সঙ্গে মেলে না। আমি আগামীকাল থেকেই এটা আমি বদ্ধ করতে চাই।’

রাজস্ব আয়ের হিসাব নির্ধারণে আইবাস প্লাস প্লাস ব্যবস্থাকে ভিত্তি ধরার নির্দেশনা দেন এনবিআর চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘যখন আয় আইবাসে আসবে কেবল তখনই তা গণ্য হবে।’




মোটা অঙ্কের টাকায় ‘বাংলাদেশের প্রভাবশালীরা’ আশ্রয় নিচ্ছেন ভারতে

বুধবার (২১ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের বাংলা দৈনিক আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সীমান্ত সিন্ডিকেটের সহায়তায় বাংলাদেশের এক এমপি ও তার পরিবারের ভারতে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। তবে বাংলাদেশি ওই এমপির পরিচয় প্রকাশ  হয়েছেনl

বুধবার (২১ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের বাংলা দৈনিক আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সীমান্ত সিন্ডিকেটের সহায়তায় বাংলাদেশের এক এমপি ও তার পরিবারের ভারতে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। তবে বাংলাদেশি ওই এমপির পরিচয় প্রকাশ করেনি আনন্দবাজার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলার কাশারীবাজার থেকে একজন এমপি ফোন করেন পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী কাথুলিবাজার এলাকার একটি বাড়িতে। দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে স্ত্রী ও চার সন্তানকে নিয়ে কিছু দিনের জন্য দেশ ছেড়ে ভারতে ‘নিরাপদ আশ্রয়’ চান তিনি। ফোন করার কিছুক্ষণ পর কাথুলিবাজার থেকে ফোন আসে নদিয়ার করিমপুর-২ ব্লকের রাউতবাটি গ্রামে। এতে ফোনের দুই প্রান্তের ব্যক্তির মাঝে প্রায় পাঁচ মিনিট আলোচনা হয়। যিনি আশ্রয় চাইছেন তার ‘প্রোফাইল’, রাজনৈতিক ঝুঁকি, আর্থিক সক্ষমতা-সহ বিভিন্ন বিষয় সংক্ষেপে জেনে নিয়ে ওই এমপিকে সীমান্ত পার করে ভারতে প্রবেশ করানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

এসময় জানিয়ে দেওয়া হয় ভারতে আসার জন্য ওই এমপির পরিবারের সদস্যদের মাথাপিছু খরচ পড়বে ভারতীয় মুদ্রায় এক লাখ করে টাকা। এছাড়া যতদিন ‘নিরাপদ আশ্রয়ে’ থাকবেন, ততদিন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নজর এড়িয়ে থাকার জন্য মাসিক ১০ লাখ টাকা গুনতে হবে! টাকার অংক নিয়ে দর কষাকষির পর ঠিক হয় সীমান্ত পার করানোর বিনিময়ে প্রত্যেকের মাথাপিছু ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। আর আশ্রয়ের জন্য দিতে হবে মাসিক ৫ লাখ টাকা। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত লাগোয়া এলাকার এই সিন্ডিকেট চক্রের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান বাংলাদেশের ওই এমপি। পরে গত সোমবার রাতে মেহেরপুর সদর থেকে পরিবারকে নিয়ে সীমান্তের দিকে রওনা দেন তিনি। সেখানে বাংলাদেশের একটি গ্রামে একদিন অপেক্ষার পর চুক্তির টাকা পরিশোধ করে কাথুলি ও কুলবেড়িয়া হয়ে উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের একটি গ্রামে গিয়ে পৌঁছান ওই এমপি ও তার পরিবার। বাংলাদেশের মইনুদ্দিন (নাম পরিবর্তিত) এবং পশ্চিমবঙ্গের দেবাংশু (নাম পরিবর্তিত) মিলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চাঞ্চল্যকর এই ‘অপারেশন’ সফল করেন।

আনন্দবাজার লিখেছে, দেশের চলমান পরিস্থিতিতে এমন অবৈধ উপায়েই বাংলাদেশের প্রভাবশালীরা ভারতে পাড়ি জমাচ্ছেন। তাদের নিরাপদে পৌঁছে দিতে কাজ করছে একাধিক চক্র। চক্রের সদস্যরা সীমান্ত পারাপারের বিনিময়ে বাংলাদেশিদের কাছ থেকে বিভিন্ন অংকের অর্থ নিচ্ছেন। কেউ মাথাপিছু লাখ টাকা নিচ্ছেন, তো কেউ ৫০ হাজার। আর এই চক্রের বিষয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফও অবগত রয়েছে। ইতোমধ্যে এই চক্রের সাথে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে বিএসএফ।
পশ্চিমবঙ্গের এই বাংলা দৈনিক বলছে, বাংলাদেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে তৈরি হয়েছে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের নতুন ‘সিন্ডিকেট’। পারাপার ও আশ্রয়ের জন্য কেউ খরচ করছেন ২ হাজার টাকা (তারা বেশিদিন থাকছেন না), কাউকে দিতে হচ্ছে ২ লাখ টাকা (বেশিদিন থাকার জন্য)। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আর্থিক সঙ্গতি এবং সামাজিক পরিচিতি বুঝেই টাকার পরিমাণ নির্ধারণ করেন চক্রের সদস্যরা।

কাথুলিবাজার এলাকায় ব্যবসা করেন শেখ নাজিম (নাম পরিবর্তিত)। আনন্দবাজারকে তিনি বলেন, আমরা এ সব এলাকা হাতের তালুর মতো চিনি। কোথায় কাঁটাতার আছে, কোথায় নেই, সব মুখস্থ। কোথায় পাচারকারী কাঁটাতার কেটে রেখেছে, সেটাও জানি।

তার কথায়, এই বর্ষায় ভৈরব নদী টইটম্বুর। নদী পুরো খোলা। বাংলাদেশ থেকে যারা ভারতে যেতে চাইছেন, তাদেরকে পরিচিত ও আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে শুধু সীমান্ত পার করিয়ে দিচ্ছি আমরা। বাকি দায়িত্ব তাদের।

সীমান্ত পারাপার ও ভারতে প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য কী পরিমাণ অর্থ নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে নাজিম বলেন, ঝুঁকি দু’পক্ষেরই রয়েছে। তাই টাকার ভাগাভাগিও সমান সমান।

পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তের বাসিন্দা ও পাচারচক্রের সদস্য দেবাংশু বললেন, কাঁটাতার পার হয়ে আমাদের চাষের জমি আছে। রোজ যাতায়াত করি। ওদিক থেকে বেশ কয়েকজন পরিচিত, আত্মীয়-স্বজনেরা ভারতে আসার জন্য মোটা টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। আমরা শুধু পার করে এখানে নিয়ে এসেছি। রাখার দায়িত্ব আমাদের নয়। সেটা দেখে অন্য লোক।

বিএসএফ ও পুলিশের নজর এড়ানোর বিষয়ে দেবাংশু বলেন, বিএসএফ এখন খুব সজাগ। সেটা ঠিক। তবে গ্রামে আমাদের সকলের সঙ্গে সুসম্পর্ক। তাই কাউকে আশ্রয় দিয়েছি জানলে কেউ মুখ খুলবে না। কিন্তু কাজটা তো অনৈতিক? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ থেকে যারা আসছেন, তারা তো সত্যিই বিপদে পড়েছেন। বিপদে মানুষকে আশ্রয় দেওয়া তো মানুষেরই কর্তব্য!

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ‘ঘনিষ্ঠ’ বা সমর্থকরা এখন বাংলাদেশে আন্দোলনকারী ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর নজরে রয়েছেন। শেখ হাসিনার আমলের অনেক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় লুক-আউট নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশের প্রশাসন। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন, এমন মানুষজনের ক্ষেত্রেও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া দেশ ছাড়ার অনুমতি দিচ্ছে না বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার।

তবে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন গ্রামে এই ‘হঠাৎ অতিথিদের’ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা। যদিও ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চাইছেন না। ‘নতুন পন্থায়’ অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ে বিএসএফ-ও উদ্বিগ্ন। সিন্ডিকেট চক্রের উপস্থিতি টের পেয়ে টহলদারি বেড়েছে সীমান্তবর্তী এলাকায়।

বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের ডিআইজি একে আর্য বলেন, প্রতিবেশি দেশের অশান্ত পরিস্থিতিতে সীমান্ত এলাকায় টহল কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের সঙ্গে জনসংযোগ বৃদ্ধি করেছি আমরা। অনুপ্রবেশের সব রকম খবর রাখার চেষ্টা করছে বিএসএফ। কয়েকটি অবৈধ অনুপ্রবেশ আটকেও দিয়েছেন জওয়ানরা। গ্রেপ্তার হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তবে সীমান্ত এলাকায় এই মুহূর্তে কোনও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির খবর নেই।

অবৈধ অনুপ্রবেশ আটকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কতটা সক্রিয়? বিজিবির উপ-মহাপরিচালক (যোগাযোগ) কর্নেল শফিউল আলম পারভেজ আনন্দবাজার অনলাইনকে বলেন, যারা রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেআইনি এবং অন্যায় কাজ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তার দাবি, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অভিযুক্তরা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিচ্ছেন। বাংলাদেশে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা যাতে কোনোভাবে রাজনৈতিক আশ্রয় না পায়, তার জন্য আমরা ভারত সরকারকে অনুরোধ




সুবিদখালী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী সরকারি ডিগ্রী কলেজে রাজনৈতিক প্রভাব, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও ইউএনও‍‍`র কাছে অভিযোগ জানিয়েছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২১ আগস্ট) বেলা ১টায় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলামের সাথে দেখা করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রবিবার থেকে কলেজে অনুপস্থিত রয়েছেন অভিযুক্ত অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. আসাদুজ্জামান। বিক্ষোভ মিছিলে ২শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন।

২০১৮ সালে কলেজটি জাতীয় করণের পরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামান গত ৬ বছরে প্রায় ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ তুলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক নেতা ফেইসবুকে পোস্ট করেন এবং কলেজের দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগ পেয়ে ১৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপজেলা সমন্বয়ক মো. সাইফুল ইসলাম সিয়ামসহ সাধারন শিক্ষার্থীরা কলেজের অধ্যক্ষের কাছে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে জানতে চান এবং ১৮ তারিখ রবিবার কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষক, ছাত্র-সুধীজনকে উপস্থিত থাকার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম সিয়াম। পূর্ব ঘোষনানুযায়ী রবিবার (১৮ জুলাই) বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা শিক্ষার্থীদের নিয়ে কলেজে উপস্থিত হলেও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ঐদিন কলেজে উপস্থিত না হয়ে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে একটি ছুটির আবেদন পাঠিয়ে দেন। পরে কলেজের শিক্ষকমণ্ডলী ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় কলেজ মিলনায়তনে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্ররা অধ্যক্ষের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেন উপস্থিত শিক্ষকমন্ডলীর কাছে। এতে এক বছরে সম্ভাব্য হিসেব অনুযায়ী ১ কোটি ৯৭ লক্ষ ৭১ হাজার ৭৫০ টাকার হিসাব তুলে ধরেন এবং ৬ বছরে ১১ কোটি ৮৬ লক্ষ ৩০ হাজার ৫০০ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ পেয়েছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্ররা। পরে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অধ্যক্ষ অনুপস্থিত থাকায় কলেজের সিনিয়র শিক্ষক বাবু রসিকলাল কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেন।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপজেলা সমন্বয়ক মো. সাইফুল ইসলাম সিয়াম বলেন, আমরা আজ বুধবার (২১ আগস্ট) কলেজে গিয়েছিলাম অধ্যক্ষ স্যার আসছেন কিনা জানতে। কিন্তু তিনি আসেননি। আমরা শিক্ষার্থীরা তার পদত্যাগের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল সহকারে ইউএনও ’র কার্যালয় গিয়ে ইউএনও মহোদয়ের সাথে কথা বলেছি, তিনি বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবেন এবং আশু সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক জানান, দলীয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের চেয়ারে বসে আধিপত্য বিস্তার করে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। ২০১৮ সালে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারপ্রাপ্তের অধ্যক্ষের দায়িত্ব নেয়ার পরে কলেজের কোন হিসাবনিকাশ কারো কাছে নেই। সাবেক অধ্যক্ষ স্যার অবসরে যাওয়ার পরে কলেজ ফান্ডে টাকা রেখে যান তা ভুয়া ভাউচার করে উত্তোলন করেন অধ্যক্ষ।

এ বিষয়ে সুবিদখালী সরকারি ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, আমি কোনও অন্যায় করিনি। আমার বিরুদ্ধে যে-সব অভিযোগ তোলা হয়েছে এসব ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। ছাত্ররা প্রত্যেকে কলেজ একাউন্টে টাকা জমা দেয়। এখানে অনিয়ম করার কোনও সুযোগ নেই। অন্যায়কে প্রশ্রয় না দেয়ার কারণে তারা এটা করছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা এসেছিল, তাদের দাবি শুনেছি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি,আশা করি দ্রুত সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান হবে।




পটুয়াখালীসহ ১০ জেলার পুলিশ সুপার প্রত্যাহার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: এবার ১০ জেলার পুলিশ সুপারসহ ১১ কর্মকর্তাকে নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (২১ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব মো. মাহাবুর রহমান শেখ প্রজ্ঞাপনে সই করেন।

চট্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, বাগেরহাট, মাগুরা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, হবিগঞ্জ ও পটুয়াখালী জেলার পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করা হয়। এ ছাড়া সিলেট মহানগর পুলিশের এক উপকমিশনারকে রাজশাহী রেঞ্জে পুলিশ সুপার পদে বদলি করা হয়েছে।

এর আগে আজ বুধবার আরেকটি প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ পুলিশের সব বিভাগের রেঞ্জ ডিআইজি ও মহানগরীর পুলিশ কমিশনারকে প্রত্যাহার করা হয়।




গলাচিপায় গৃহবধূর গলা কাটা লাশ উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় রান্নাঘর থেকে খাদিজা বেগম (৩৫) নামের এক গৃহবধূর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) সকালে উপজেলার উত্তর চরবিশ্বাস গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গৃহবধূ ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মানিক প্যাদার স্ত্রী।

এলাকাবাসী সূত্র জানায়, উপজেলার উত্তর চরবিশ্বাস গ্রামের মানিক প্যাদার মা, স্ত্রী ও এক পুত্রসন্তান নিয়ে চারজনের সংসার।

বুধবার সকালে মানিক সকালের খাবার খেয়ে জমিতে চাষাবাদ করতে যান। পুত্রসন্তান আবু রায়হান দাখিল মাদরাসায় পড়তে যায়। প্রতিবেশীর ঘরে পান খাওয়ার জন্য যান শাশুড়ি। কিছুক্ষণ পরে বাড়িতে এসে খাদিজাকে না দেখতে পেয়ে খোঁজাখুঁজি করলে রান্নাঘরের মেঝেতে গলা কাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা।
রহস্যজনক এই ঘটনা নিয়ে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

চরবিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফাজ্জেল হোসেন বাবুল জানান, কী কারণে এই ঘটনা ঘটল এখনো কিছু জানা যায়নি।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম খান জানান, ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।




গুম খুন ও গনহত্যার প্রতিবাদে পটুয়াখালীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ১৫ বছরে গুম খুন হামলা ও গনহত্যার প্রতিবাদ এবং শেখ হাসিনা সহ জড়িত সকলের বিচারের দাবিতে পটুয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা যুবদল।

বুধবার (২১ আগস্ট) বেলা সাড়ে এগারোটায় পৌর শহরের বনানী মোড়স্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের সভাপতি মনিরুল ইসলাম লিটন, সাধারন সম্পাদক শিপলু খান, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী আশফাকুর রহমান বিপ্লব প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১৫ বছরে স্বৈরাচারী খুনি হাসিনা লক্ষ লক্ষ বিএনপি নেতাকর্মীকে গুম খুন করে ও নির্যাতন চালায়। মিথ্যা মামলায় গনতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দী রাখে।

এছাড়া আলেম ওলামাদের পৌচাশিক কায়দায় হত্যা, পিলখানা হত্যাকান্ডসহ ছাত্র জনতার গনঅভ্যুথ্যানে হাজার হাজার ছাত্র জনতা ও শিশু হত্যা যখমের সরাসরি নির্দেশদাতা, শেখ হাসিনা সহ তার দোসরদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানান তারা।

এদিকে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে সেনাবাহিনীর অফিসার হত্যা, (২৮ অক্টোবর) লগি বৈঠার তান্ডব, শাপলা চত্ত্বরে রাতের অন্ধকারে অসংখ্য নিরহ আলেম ও মাদ্রাসা ছাত্রকে হত্যা, অসংখ্য গুম-খুন, রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলোকে দানবে পরিণত করার মাধ্যমে বিএনপি সহ বিরোধী দলগুলোর গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে নিষ্ঠুরভাবে দমন, হেফাজতে নির্যাতন ও হত্যা, নিরাপদ সড়ক ও কোটা সংস্কার আন্দোলনে নৃশংস গণহত্যায় শহীদদের স্মরণে শোক রেলী করেছে জেলা ছাত্রদল।

দুপুর ১২ টার দিকে পটুয়াখালী সরকারী কলেজ প্রাঙ্গন থেকে রেলীটি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে গিযে শেষ হয়। এসময় জেলা বিএনপির আহবায়ক আব্দুর রশিদ চুন্নু মিয়া, জেলা ছাত্রদল আহবায়ক মেহেদী হাসান শামীম সাধারন সম্পাদক জাকারিয়া আহাম্মেদ সহ অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।




ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান

 

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: তেহরানে হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার ঘটনায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে জাতিসংঘে একটি বিবৃতি জারি করেছে ইরানি মিশন। ইরানের প্রতিক্রিয়ার সুস্পষ্ট ফলাফল আসা উচিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা মেহের নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে ইসরায়েলে হামলার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রথমত ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আগ্রাসী দেশকে শাস্তি দিতে হবে। দ্বিতীয়ত ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে হবে এবং ভবিষ্যতে যে কোনো আগ্রাসন ঠেকাতে (ইসরায়েলি) সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়াও ইরানের প্রতিক্রিয়ায় একটি সম্ভাব্য (গাজা) যুদ্ধবিরতির নেতিবাচক প্রভাব এড়াতে হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, ইরান এমন সময় এবং পদ্ধতিতে প্রতিক্রিয়া জানাবে যা ইসরায়েলিদের অবাক করে দেবে। হয়তো যখন তাদের চোখ আকাশে এবং রাডার স্ক্রিনের দিকে থাকে তখন তারা মাটিতে কোনো কিছু ঘটতে দেখে বিস্মিত হয় এবং হয়ত এই দুটিরই সংমিশ্রণ ঘটতে পারে।

এর আগে ইসরায়েলে দফায় দফায় রকেট হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) লেবানন থেকে সকাল ও বিকেলের দিকে ৭০টি রকেট ছোড়া হয়। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে। তবে খোলা জায়গায় আঘাত হানার আগেই অধিকাংশ রকেট আকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, আপার গ্যালিলি, ওয়েস্টার্ন গ্যালিলি ও গোলান মালভূমিতে হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে কিছু খোলা জায়গায় আগুন ধরে যায়। এ সময় সেনাবাহিনীর সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।

হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। ফলে প্রায়ই এই দুই পক্ষের মধ্যেই হামলার ঘটনা ঘটছে। অপরদিকে ইরানে অবস্থানের সময় ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার ঘটনায় এখন তেহরানের সঙ্গেও ইসরায়েলের যুদ্ধপরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 




শেখ হাসিনার বিচারের দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল

বরিশাল অফিস :: বিগত ১৫ বছরে বিএনপিসহ অন্যান্য দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে গুম, খুন-জখম, শাপলা চত্বরে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা ও জখমের নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা ও তার দানবীয় বাহিনীর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বরিশাল জেলা দক্ষিণ ও মহানগর যুবদলের আয়োজনে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর সদররোডস্থ জেলা ও মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলের শুরুতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান।

বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট এইচএম তছলিম উদ্দিন, সালাউদ্দিন নাহিদ, যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আমিন কায়েস, মহানগর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাকসুদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাযহারুল বাসলাম জাহান প্রমুখ।

 

অপরদিকে একই দাবিতে জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সবুজ আকনের নেতৃত্বে নগরীর জেলখানা মোড় এলাকা থেকে কালো পতাকার মিছিল বের করে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়। অন্যদিকে জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের আয়োজনে দলীয় কার্যালয় থেকে অনুরূপ বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে।