বরিশালে দেড়শ বছরের পুরোনো এক মন্দিরে অগ্নিকান্ড

বরিশাল অফিস :: বরিশালে দেড়শ বছরের পুরোনো এক মন্দিরে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৪টার দিকে বরিশাল নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাশিপুর ইছাকাঠি এলাকার মহামায়া সড়কে শ্রীশ্রী মহামায়া মন্দিরে এই ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস ও মন্দির কমিটির সভাপতি তপন মুখার্জীর বরাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের আইসিটি মিডিয়া সেল জানায়, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে, মন্দিরের প্রায় ৫৬ হাজার টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতি হয়।

অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মন্দির কমিটির কোন অভিযোগ নেই বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

তবে মন্দির কমিটির এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ জানিয়েছে বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ ও বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান যুব ঐক্য পরিষদ।

বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের দপ্তর সম্পাদক রণজিৎ সেন বলেন, ‘আমরা সকালেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

’ যদি শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুন লাগতো তাহলে বৈদ্যুতিক ক্যাবল কিভাবে ভালো থাকে। মিটার পুড়লেও বৈদ্যুতিক ক্যাবলের কিছু হয়নি। তাই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন।’

বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা বলেন, ‘ মন্দিরটির আশপাশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বসবাস নেই।

’ আমরা মন্দিরটি পরিদর্শন করেছি। ঐতিহ্যবাহী দেড়শ বছরের অধিক পুরোনো মন্দিরটি পুড়ে যাওয়ার ঘটনা মেনে নেয়া সম্ভব নয়। সন্ধ্যার পর সব সুইচ বন্ধ থাকে, তাহলে কিভাবে আগুন লাগলো। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন।’

এয়ারপোর্ট থানার ওসি লোকমান হোসেন বলেন, ‘ অগ্নিকান্ডের খবর শুনে ভোরে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিস আমাদেরকে জানিয়েছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের মাধ্যমেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

শ্রীশ্রী মহামায়া মন্দিরটি ১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে, ২০১০ সালে মন্দিরটি পুনঃসংস্কার করা হয়।




বৃষ্টি উপেক্ষা করে পবিপ্রবিতে নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকা দাহ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: লাগাতার আন্দোলনের অংশ হিসেবে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকা দাহ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তন (টিএসসি) প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সকাল থেকে আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকা সত্ত্বেও বৃষ্টি উপেক্ষা করে টিএসসি চত্বরে জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। পূর্ব নির্ধারিত সময়ের কিছু পরে কর্মসূচির অংশ হিসেবে নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থী বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে টিএসসি চত্বরে এসে শেষ হয়। মিছিল পরবর্তী শিক্ষার্থীরা নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকা দাহ করেন। এসময় শতাধিক শিক্ষার্থীরা মোদি ও ভারত বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদের শিক্ষার্থী নুরুন্নবী সোহান বলেন, বারবার ভারতের এমন আগ্রাসন আমরা নিতে পারি না। ভারত যদি তাদের নীতি থেকে সরে না আসে আমরাও তাদের সেভেন সিস্টার্স ধ্বংস করে দেব।

উল্লেখ্য, ভারত সরকার কর্তৃক ডম্বুর ও গজলডোবা বাঁধ খুলে দেওয়ায় বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে নোয়াখালী, ফেনী, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।




পটুয়াখালীতে টানা বৃষ্টিতে স্থবির জন জীবন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। গত এক সপ্তাহের টানা বৃষ্টিতে সব কিছুতে স্থবিরতা নেমে এসেছে। ভোগান্তিতে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল ছয়টা থেকে নয়টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টায় জেলার কলাপাড়া উপজেলায় ২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। এছাড়াও পানির নিচে তলিয়ে আছে আমন ক্ষেত। অনেক কৃষকের আমনের বীজ পচে নষ্ট হয়ে গেছে। চারা রোপণে পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। বর্ষাকালীন সবজি চাষিরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এদিকে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। বড় বড় ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে। স্বাভাবিকের চেয়ে নদ-নদীর পানির উচ্চতা ২ থেকে ৩ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে প্রতিদিন দুই দফা জোয়ারে নিম্নাঞ্চলের ঘর বাড়ি প্লাবিত হচ্ছে।

কলাপাড়ার নাচনাপাড়া এলাকার বেড়িবাঁধের বাইরে বসবাসকারী রুবেল ও সাইদ মিয়া জানান, প্রতিদিন দুই দফায় জোয়ারের পানি ভাসিয়ে দিচ্ছে। আমরা বেশ ভোগান্তিতে রয়েছি।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা গ্রামের কৃষক ইদ্রিস হোসেন জানান, আমাদের এখানকার বেশির ভাগ জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকের বীজ পচে গেছে। এদিকে চারা রোপণের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে। পানির কারণে এখন চারা রোপণ করতে পারছি না।

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় যে লঘুচাপটি অবস্থান করছিলো সেটি গুরুত্বহীন হয়ে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সাথে মিলিত হয়েছে। তবে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উপকূলে আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।




চট্টগ্রামের সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ




‘আমরা বাঁধের মুখ খুলিনি, একা একা খুলে গেছে’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বাংলাদেশের পূর্ব সীমান্তে বন্যার জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ডুম্বুর বাঁধ খুলে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সকালে নয়াদিল্লি এক বিবৃতিতে জানায়, বাঁধটি খুলে দেওয়া হয়নি; বরং অতিরিক্ত পানির চাপের কারণে বাঁধটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে গেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা বাংলাদেশে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখেছি যে, ত্রিপুরার গোমতী নদীর উজানে ডুম্বুর বাঁধ খুলে দেওয়ার কারণে বাংলাদেশের পূর্ব সীমান্তের জেলাগুলোতে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তবে বাস্তবে এটি সঠিক নয়।’

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, গোমতী নদীর ক্যাচমেন্ট এলাকায় সাম্প্রতিক কয়েকদিন ধরে এবছরের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। বাংলাদেশের বন্যা মূলত এই বৃহৎ ক্যাচমেন্ট এলাকা থেকে আসা অতিরিক্ত পানির কারণে হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ডুম্বুর বাঁধটি বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং এটি একটি কম উচ্চতার (প্রায় ৩০ মিটার) বাঁধ। এই বাঁধটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ভারতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে এবং বাংলাদেশও এখান থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পায়।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ১২০ কিলোমিটার নদীপথে অমরপুর, সোনামুড়া এবং সোনামুরা ২-এ তিনটি জলস্তর পর্যবেক্ষণ সাইট রয়েছে। ২১ আগস্ট থেকে ত্রিপুরা এবং পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশে ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে অতিরিক্ত পানি প্রবাহের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাঁধের পানি মুক্তি ঘটেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার অভিন্ন নদীগুলোর বন্যা একটি যৌথ সমস্যা, যা উভয় দেশের জনগণের জন্যই দুর্ভোগ সৃষ্টি করে। এর সমাধানের জন্য দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজন।




ভারতে বাঁধ খুলে দেওয়ায় দেশে বন্যা, প্রতিবাদে মধ্যরাতে উত্তাল পবিপ্রবি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ভারতের ত্রিপুরায় জলাধারের বাঁধ খুলে দেওয়ায় বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের আট জেলা ভেসেছে বন্যায়। এর প্রতিবাদে মাঝরাতে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে নেমে উত্তাল হয়ে ওঠে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি)।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত একটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত বাংলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ।

এ সময় পবিপ্রবির বিভিন্ন হল থেকে ছোট ছোট দলে এসে মুক্ত বাংলার চত্বরে সমবেত হন। পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার মুক্ত বাংলার পাদদেশে এসে সমাবেশ করেন।

‘পেতে চাইলে মুক্তি, ছাড়ো ভারত ভক্তি’ ‘বন্যায় আহাজারি, কোথায় গেল সম্প্রীতি’ ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা-ঢাকা’ ‘ভারতীয় আগ্রাসন, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ এমন নানা স্লোগানে প্রকম্পিত হয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিসাব নেওয়ার সময় এসে গেছে। এখন আর তাবেদারি নয়, চাই ন্যায্য দাবি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক যেকোনো,ধরনের আগ্রাসনের বিষয়ে ভারতকে হুঁশিয়ারি করেন শিক্ষার্থীরা।

ভারতের ত্রিপুরায় ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাজ্যটির পূর্বাঞ্চচলে বন্যা দেখা দেওয়ায় খুলে দেওয়া হয় গম্বুর ও গজলডোবা বাঁধ। এতে উজান থেকে নেমে আসা পানিতে তলিয়েছে বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, ফেনী, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জসহ আট জেলার বিভিন্ন উপজেলা।




অর্থনীতিতে চার চ্যালেঞ্জের সামনে ড. ইউনূস সরকার




সিলেটে শেখ হাসিনা, রেহানাসহ ৮৭ জনের নামে মামলা




সেনাবাহিনী সাদা পোশাকে অভিযান চালায় না: আইএসপিআর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক পোশাকে এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছাড়া কোনো অভিযান পরিচালনা করে না বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর)।

বুধবার (২১ আগস্ট) আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, ইদানীং পরিলক্ষিত হচ্ছে যে— কতিপয় স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে বেসামরিক পোশাকে সরকারি অফিস, কর্পোরেট অফিস, পারিবারিক বাসস্থান, শপিংমল ও দোকানে তল্লাশি চালাচ্ছে এবং ফোন কলের মাধ্যমে চাঁদাবাজির চেষ্টা করছে। আপনাদের সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক পোশাকে এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর (পুলিশ ও র‍্যাব ইত্যাদি) উপস্থিতি ছাড়া এ ধরনের কোনো অভিযান পরিচালনা করে না।

এ অবস্থায় জনসাধারণকে প্রতারিত না হয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হলো। দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।




ইসরায়েলে কখন হামলা করবে জানাবে না ইরান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : তেহরানে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে এবার ইরান ইসরায়েলে যে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার দিনক্ষণ সম্পর্কে তেলআবিবকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখা হবে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মাদ নায়িনি এ কথা জানান। খবর ইরনার।

তিনি বলেন, ইরানের এবারের প্রতিক্রিয়া ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এর আগে চালানো অভিযানগুলোর মতো হবে না।

জেনারেল নায়িনি বলেন, ইসমাইল হানিয়াকে হত্যা করতে গিয়ে ইসরায়েল কয়েকটি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে যার একটিও অর্জিত হয়নি। ইসরায়েল মনে করেছিল, তারা গাজা উপত্যকার যুদ্ধে যে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে হানিয়াকে হত্যা করে তা পুষিয়ে নেবে। কিন্তু তাদের সে ধারনাকে ভুল প্রমাণ করে গাজায় হামাসের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে গত ৩১ জুলাই তেহরানে ইসরায়েলের গুপ্তহত্যার শিকার হন হামাসের পলিটব্যুরো প্রধান ইসমাইল হানিয়া।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতাসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় সেনা কমান্ডাররা তাদের অতিথি ইসমাইল হানিয়াকে গুপ্তহত্যায় ইসরায়েলি পদক্ষেপের প্রতিশোধ নেয়ার হুমকি দেন।