ইংরেজিতে দক্ষ হতে কীভাবে চ্যাটজিপিটি কাজে লাগাবেন?

ভাষা শেখার ক্ষেত্রে কার্যকর টুল হতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি। এটি কেবল কথা বলা ও লেখার দক্ষতা অনুশীলন করতেই সহায়তা করে না, বরং ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডার নিয়েও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।

 




আরব আমিরাতে দণ্ডপ্রাপ্ত সেই ৫৭ বাংলাদেশিকে ক্ষমা




সোনাতলা নদের বাঁধের সংস্কারকাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তিতে কৃষক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বঙ্গোপসাগরের তীরঘেঁষা সোনাতলা নদের তীব্র ভাঙনে বিধ্বস্ত-বিপর্যন্ত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের গৈয়াতলা গ্রামের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। দুই বছরের ধারাবাহিক ভাঙনে ঝুঁকিপূর্ণ জীবনযাপন ও আমন-সবজি চাষাবাদ বন্ধ হওয়ার শঙ্কায় দিনাতিপাত করছিল ১০ থেকে ১২টি গ্রামের হাজারো কৃষক পরিবার। কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণ শুরু হওয়ায় নিশ্চিন্ত নীলগঞ্জের মানুষ।

সরেজমিন বিপন্ন বাঁধ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, সোনাতলা নদের জোয়ারের পানির তীব্র স্রোতের তোড়ে নদে ধসে পড়ছে বাঁধের মাটি।

এমন অবস্থা দেখে আতঙ্কিত গৃহবধূ আয়শা বেগম বলেন, ‘দ্যাহেন, ভাঙা বাঁধের কাছেই আমার বাড়ি। বেড়িবাঁধ ভাঙতে ভাঙতে আমার ঘরের খুব কাছে আইয়্যা পড়ছে। বাঁধ ভাঙার ভয়ে রাইতে পোলা-মাইয়া লইয়্যা ঘুমাইতে পারি না। দ্যাহেন বান্দের অবস্থা, দুই-এ্যাকটা ঢেউ আঘাত করলেই ভাইঙা যাইবে। পানিতে মুহূর্তেই ভাসাইয়া লইয়া যাইবে মোর বাড়িঘর সব।’

তবে বাঁধ সংস্কার কার্যক্রম শুরু হওয়া বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মোটরসাইকেল হাট এবং মা-বাবার দেওয়া এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি এনায়েত হোসেন বলেন, ‘আমরা এক সপ্তাহ আগে বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু করি। কিন্তু ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে কাজ পরিচালনা করা যাচ্ছিল না। তার পরও আমরা বাঁধের প্রটেকশনের কাজ অব্যাহত রেখেছি।

তবে এখন বৃষ্টিপাত কমেছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আমরা বাঁধের ৮০০ মিটার বাঁধ নির্মাণ সম্পন্ন করতে পারব। বেড়িবাঁধের ওহিদুল মিয়ার বাড়ি থেকে মতলেব সরদারের বাড়ি পর্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে বাঁধের কাজ শুরু হয়েছে। পর্যাপ্ত শ্রমিক এবং দুটি এক্সকাভেটর দিয়ে দিনরাত কাজ চলছে।’

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৪৬ পোল্ডারের দায়িত্বরত উপসহকারী প্রকৌশলী বিদ্যা রতন সরকার বলেন, পাঁচটি ধাপে মেসার্স মোটরসাইকেল হাট এবং এবং মা-বাবার দেওয়া এন্টারপ্রাইজ এ মাসেই বাঁধ নির্মাণকাজ শেষ করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।




গাজীপুর ও সাভারে আজ রাতেই যৌথ বাহিনীর অভিযান

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::তৈরি পোশাকশিল্পের নিরাপত্তা দিতে সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুর এলাকায় আজ সোমবার রাতেই সেনাবাহিনী, পুলিশ ও শিল্পপুলিশের যৌথ অভিযান শুরু করার নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

গতকাল বিকেলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর (অব.) সঙ্গে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান-বিজিএমইএ ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন-বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে বিজিএমইএ সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিশৃঙ্খলায় জড়িত বহিরাগতদের আজ রাতের মধ্যে আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দিয়ে পুলিশ, শিল্প পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে সব কারখানা চালু রাখতে মালিকদের অনুরোধ করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।



একশ সহকারী জজ নিয়োগ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ১০০ জন সহকারী জজ (শিক্ষানবিশ) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এ নিয়োগ দিয়ে আজ সোমবার আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের গত বছরের ৩১ ডিসেম্বরের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ‘১৬শ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০২৩’ এর মাধ্যমে মনোনীত ১০০ প্রার্থীকে কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত মেধাক্রম অনুসারে জ্যেষ্ঠতা অক্ষুণ্ণ রেখে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে সহকারী জজ পদে বাংলাদেশ ‘জুডিশিয়াল সার্ভিস (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৬’ এর বেতন স্কেলের ষষ্ঠ গ্রেডে ৩০৯৩৫-৬৪৪৩০ বেতনক্রমে বিভিন্ন শর্তে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ করা হলো। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মস্থলে তাদের সহকারী জজ (শিক্ষানবিশ) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এই নিয়োগপত্র অনুসারে যোগদানের তারিখ থেকে দুই বছর এর জন্য তিনি শিক্ষানবিশ স্তরে থাকবেন। তবে স্থায়ীকরণের আগে ওই মেয়াদ এক বা একাধিকবার অতিরিক্ত দুই বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
নিয়োগ করা সহকারী জজদের আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পদায়ন করা কর্মস্থলের জেলা ও দায়রা জজের কাছে যোগদানের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে চাকরিতে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করবেন না, তাই নিয়োগপত্র বাতিল হয়ে যাবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।



বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ  :: যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন করবে এবং ঢাকার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে সম্পর্ক আরও জোরদার করবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ। সোমবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এমন মনোভাবের কথা তুলে ধরেন।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। এরপর শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়।

সাক্ষাৎকালে হেলেন লাফেভ বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে অভিনন্দন জানাতে পেরে যুক্তরাষ্ট্র আনন্দিত। আগামীতে দিনগুলোতে ঢাকা ও ওয়াশিংটন আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস চলতি সপ্তাহে কনস্যুলার সেবা পুনরায় চালু করবে। চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জানান, হাজার হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছে।

স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শ্রম, আইনের শাসন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে ঘনিষ্ঠভাবে সহায়তা করবে বলে উল্লেখ করেন হেলেন লাফেভ।
তিনি বলেন, ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন ইতোমধ্যে শুরু করেছে এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন এই প্রক্রিয়া আরও দ্রুততর হবে।

রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় দাতা যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখ করে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বলেন, এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর ফলে রোহিঙ্গাদের মাসিক খাদ্য সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি রোহিঙ্গাদের জীবিকার সুযোগ তৈরি করার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস ওয়াশিংটনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বহুমাত্রিক সহায়তার ক্ষেত্রে কক্সবাজারের ক্যাম্পে বসবাসরত দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাদের আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করার মত।

অন্তর্বর্তী সরকার আমূল সংস্কার কার্যক্রম সম্পাদনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের এই কূটনীতিককে বলেন, ‘একটি যৌক্তিক সময় পরে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দাতাগোষ্ঠীকে একটি ‘কমন প্ল্যাটফর্ম’ গঠন এবং সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ বাংলাদেশের শ্রম পরিস্থিতি এবং সংখ্যালঘুদের বিষয় নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক ‘সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত’ এবং অন্তর্বর্তী সরকার সকল নাগরিকের মানবাধিকার সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

সাক্ষাৎকালে মানবাধিকার ইস্যু, সাইবার সিকিউরিটি আইন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জানান, ন্যায়বিচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে তার সরকার বাংলাদেশে একটি প্রসিকিউটোরিয়াল সার্ভিস স্থাপনে সহায়তা করার চেষ্টা করছে।




যেভাবে পরিচালিত হবে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : দেশে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বুধবার থেকে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু হবে। মঙ্গলবারই শেষ হতে যাচ্ছে সব ধরনের অস্ত্র জমা দেয়ার সময়সীমা।

এর মধ্যে বিভিন্ন থানা থেকে লুটপাট করা অস্ত্র যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে বৈধ অস্ত্রও।

গত ১৫ বছরে বেসামরিক জনগণকে দেয়া আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করেছে সরকার। মঙ্গলবারের মধ্যে গোলাবারুদসহ এসব আগ্নেয়াস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনার পতনের পর রাজধানীর বিভিন্ন থানায় হামলা করে লুটপাট করা হয়। লুণ্ঠিত ওই সমস্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেয়ার শেষ সময়ও মঙ্গলবার।

রোববার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানের ঘোষণা দেন।

তবে থানাগুলো থেকে কী পরিমাণ অস্ত্র লুট হয়েছে সে বিষয়ে পরিসংখ্যান মঙ্গলবারের পর জানানো হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

প্রশ্ন হলো কাদের কাছে রয়েছে এসব অবৈধ অস্ত্র? কিভাবে এই অভিযান পরিচালনা করবে যৌথ বাহিনী?

কেন এই অভিযান?
আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৫ বছরের শাসনামলে বিভিন্ন সময়েই বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার দেখা গেছে।

বিরোধীপক্ষকে শায়েস্তা করতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অস্ত্রের প্রদর্শন করতেও দেখা গেছে। এসব ক্ষেত্রে অবৈধ অস্ত্রের পাশাপাশি বৈধ অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অস্ত্র নিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হয়। এ সংক্রান্ত বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সে সময় ছড়িয়ে পড়ে।এসব ভিডিওতে তাদেরকে কখনো পুলিশের সামনে আবার কখনো নিজেরা সংঘবদ্ধ হয়ে আন্দোলনকারীদের দমাতে অস্ত্র হাতে দেখা গিয়েছে।

এ আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে তিন দিন রাজধানীসহ দেশজুড়ে প্রায় ৫০০ থানায় হামলা হয়। লুটপাট করা হয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ।

পুড়িয়ে দেয়া হয় থানা ও পুলিশের যানবাহন। এসব ঘটনায় পুলিশের প্রায় সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

পরবর্তীতে আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে সব থানার কার্যক্রম শুরু হয়। তবে পুলিশ এখনো পুরোপুরি কার্যক্রম চালাতে হিমশিম খাচ্ছে।

দেশের গণমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, দেশে বৈধ অস্ত্রের সংখ্যা কমবেশি ৫০ হাজার।

রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের হাতে ১০ হাজারের বেশি অস্ত্র রয়েছে। এদের বড় অংশই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।

২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আগের সময়ে এদের অনেকেই অস্ত্রের লাইসেন্স পেয়েছেন।

গত ২৫ আগস্ট গত সরকারের শাসনামলে দেয়া সব অস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়।

পরে গত ২৭ আগস্ট থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেয়ার সময়ও বেধে দেয় পুলিশ সদর দফতর।

পুলিশ সদর দফতর কোনো ব্যক্তির কাছে এ ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ থাকলে মঙ্গলবারের মধ্যে নিকটস্থ থানায় জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়। এ সময়ের মধ্যে কেউ এসব লুণ্ঠিত অস্ত্র জমা না দিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

হবে।

সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, র‍্যাব ও আনসারের যৌথ সমন্বয়ে অপারেশন টিম গঠন করে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

মহানগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করবেন পুলিশ কমিশনার। সব বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় কমিশনার এ অভিযান পরিচালনা করবেন।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে কোর কমিটির মাধ্যমে স্থগিত করা লাইসেন্সের তালিকা পর্যালোচনার ভিত্তিতে অভিযান পরিচালিত হবে। এই কমিটিতে পুলিশ সুপার, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি এবং অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন।

এছাড়া অবৈধ অস্ত্র সংরক্ষণ বা হেফাজতকারীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরসহ আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের বিষয়টি জেলা তথ্য অফিস প্রচার করবে।

সূত্র : বিবিসি




ওবায়দুল কাদেরের ২ ভাইয়ের নামে চুরির মামলা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের দুই ভাইয়ের নামে চাঁদাবাজি ও চুরির মামলা করা হয়েছে। আজ সোমবার জেলার বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের ২ নম্বর আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন বসুরহাট বাজারের মেসার্স হুমায়ুন টিম্বার অ্যান্ড স মিল এবং ফিরোজ অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক ফিরোজ আলম মিলন।

মামলায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও তার ভাই শাহাদাত হোসেনসহ ৪১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা দুজনই ওবায়দুল কাদেরের আপন ভাই।

বিচারক মো. ইকবাল হোসেন বাদীর অভিযোগ আমলে নিয়ে নোয়াখালী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুর রহিম সোহেল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কাদের মির্জা দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে তার সহযোগীদের দিয়ে বাদী ফিরোজ আলম মিলনের প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ টাকা চুরিসহ লুটপাট ভাঙচুর করে ২০ কোটি টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতি করেছেন। এ ঘটনার বিচার চেয়ে আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

মমালার অভিযোগে জানা গেছে, সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ২০২১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বাদীর বসুরহাট পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেসার্স হুমায়ুন টিম্বার অ্যান্ড স মিল এবং মেসার্স ফিরোজ অ্যান্ড ব্রাদার্সে লুটপাট করেন। এতে নগদ ২৮ লাখ ৭০ হাজার টাকাসহ ১৫ কোটি টাকার মালামাল গাড়িতে তুলে নিয়ে যান তারা।

মামলার বিষয়ে জানতে আবদুল কাদের মির্জার মোবাইল ফোন নেম্বরে বারবার ফোন দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।




হত্যার পরে লাশ আগুনে পুড়িয়ে ফেলা: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাফী আটক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ঢাকার আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতাকে হত্যার পর মরদেহ আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফীকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করেন ডিবি সদস্যরা।

গত ৫ আগস্ট ঢাকার আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতাকে হত্যার পর আগুনে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক সূত্র জানায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডিবি পুলিশ আব্দুল্লাহিল কাফীকে আটক করেছে।




পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার-প্রধান উপদেষ্টা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হচ্ছে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে পাচার হওয়া বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা।

সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা জানান।

টবি ক্যাডম্যান ব্রিটিশ আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, প্রত্যর্পণ বিশেষজ্ঞ এবং লন্ডনভিত্তিক দ্য জেনোসাইড ৩৭ ল ফার্মের যুগ্ম প্রধান।

ক্যাডম্যান ড. ইউনূসকে জানান, গত জুলাই ও আগস্ট মাসে সাধারণ ছাত্র-জনতার ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে নির্বিচারে গুলি করেছে তা সরাসরি গণহত্যা। বিপ্লবের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে জানান তিনি। এসব হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য দেশীয় ট্রাইব্যুনাল গঠন করার পরামর্শ দেন তিনি।

ক্যাডম্যান বলেন, বাংলাদেশকে দ্রুত সত্য, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার জন্য একটি কার্যকর অভ্যন্তরীণ আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যা যথাযথভাবে আন্তর্জাতিক মহলে সমর্থন পাবে এবং বাংলাদেশের জনগণ গ্রহণ করবে।

প্রধান উপদেষ্টার কাছে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করার সময় ব্রিটিশ আইনজীবী বলেন, তারা মানবতাবিরোধী অপরাধ, অর্থনৈতিক অপরাধ এবং রাজনৈতিক দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যক্তিদের প্রত্যর্পণের জন্য একটি কাঠামো তৈরির প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে সমর্থন করতে প্রস্তুত। যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা কাজ করতে চাই।

প্রধান উপদেষ্টা তার প্রস্তাবগুলো লিখিত আকারে দাখিল করতে বলেন। তিনি বলেন, ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিপ্লবের সময় যারা গণহত্যার নির্দেশ দিয়েছেন এবং পরিচালনা করেছেন তাদের আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য বিচারের জন্য তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হচ্ছে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে পাচার হওয়া বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা।