কলাপাড়ায় ১৪৫০ ফুট কাঁচা সড়ক, শতাধিক পরিবারের ভোগান্তি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাত্র ১৪’শ ৫০ ফুট কাঁচা সড়কের জন্য শতাধিক পরিবারের কয়েক’শ মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে।

উপজেলার পৌর শহরের নিকটবর্তী টিয়াখালী ইউনিয়নের নাচনাপাড়া গ্রামের ওলামা নগর সড়ক নামে পরিচিত কেশব মাস্টার বাড়ি থেকে রব হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত সড়কটি অত্র এলাকার অভিশাপ হিসেবে পরিণত হয়েছে।

বর্ষা মৌসুমে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীদের নিয়ে চরম দুর্ভোগে রয়েছে এ এলাকার সাধারণ মানুষগুলো। অথচ ইচ্ছে করলেই স্বল্প বাজেটে অন্তত কিছু ইট বিছিয়ে হলেও জনগণের এ ভোগান্তি লাগব করতে পারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার পৌর শহরের নিকটবর্তী টিয়াখালী ইউনিয়নের ওলামা নগর সড়ক নামে পরিচিত এ সড়কটি দীর্ঘ বছর ধরে অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন কয়েকশ সাধারণ মানুষ চলাচল করে। এ সড়ক দিয়েই শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে।

তবে, বর্ষা মৌসুমে বিদ্যালয়ে যেতে তাদের চরম বেগ পোহাতে হয়। প্রায়শই তারা বিদ্যালয়ে যেতে পারে না। এদিকে, সড়কের বেহাল অবস্থায় বয়োবৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীদের যাতায়াতে বেগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। রাস্তাটি পাঁকাকরনের জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করলেও মিলছে না কোন সঠিক সমাধান এমনটাই অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দা মতিউর রহমান, খলিলুর রহমান, রাধা রানী, সুমি রানী ও কৃষ্ণকান্তিসহ আরো অনেকে বলেন, সড়কটির পাঁকাকরনের জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও মেম্বারসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছি কিন্তু কোন সুরাহা মিলেনি। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি অবহেলায় পরে থাকলেও বিষয়টি কারোর নজরে আসছে না। এ ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে রাস্তাটি পাঁকাকরনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন স্থানীয়রা।

বিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী সুমন বলেন, বর্ষা মৌসুমে তাদের বিদ্যালয় যেতে খুবই কষ্ট হয়। প্রায় সময়ই কাঁদায় স্লিপ কেটে পড়ে ড্রেস নষ্ট হয়ে যায়। এতে বিদ্যালয় শিক্ষকদের কথা শুনতে হয়।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান বলেন, সড়কটির আইডি নাম্বার না থাকায় এই মুহূর্তে কিছু করতে পারছেন না। তবে, আইডিভূক্ত করে অতিদ্রুত সড়কটির পাঁকাকরনের কাজ করা হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।




ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে গ্রুপ খুলেছিলেন শিল্পীরা

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন :: কোটা সংস্কার আন্দোলন গেল জুলাইয়ে রূপ নেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে। উত্তাল হয়ে উঠে পুরো বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগের একদফা দাবিতে রাস্তায় নেমে আসেন শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে ছিলেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষও। ঠিক সেই সময়ই শেখ হাসিনার সরকার নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর অস্ত্র ও পেশিশক্তি প্রয়োগ শুরু করে। এতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আহত-নিহত হন আন্দোলনরত সাধারণ মানুষও।

রাজপথে যখন রাজনৈতিক (আওয়ামী লীগ) ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দখলে তখন বসে ছিলেন না বিনোদন অঙ্গনের তারকারাও। একদল শিল্পী ছাত্র-জনতার হয়ে সরব ছিলেন রাজপথে। কথা বলেছেন, অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, আরেক দলের শিল্পীরা ছিলেন হাসিনা সরকারের পক্ষে। শিক্ষার্থীদের ওপর চলা হামলা, দমন-নিপীড়নও তাদের মনকে ন্যায়ের পথে ফেরাতে পারেনি। বরং ছাত্র-জনতার আন্দোলন কীভাবে দমানো যায়, সে বিষয়ে তারা ছিলেন তৎপর। খুলেছিলেন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও।

শিল্পীরা তাদের এই গ্রুপের নাম দিয়েছিল ‘আলো আসবেই’। আর সেখানে তারা আলোচনা করত কোথায়, কী করবেন! খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিল্পীদের এই গ্রুপে ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, তারিন জাহান, তানভীন সুইটি, সোহানা সাবা, জ্যোতিকা জ্যোতি, অভিনেতা আজিজুল হাকিম, রিয়াজসহ অনেকে।

সেই গ্রুপের কিছু স্ক্রিনশট এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ফেসবুকে। যা নিয়ে চলছে তুমুল সমালোচনা। ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে গেল ৪ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) আগুনের তথ্য দিয়ে জ্যোতিকা জ্যোতি লিখেছিলেন, সেখানে ফায়ার সার্ভিস ও গণমাধ্যমকর্মীদের ঢুকতে দিচ্ছে না ‘টোকাই জামাত-শিবিরের মেধাবী আন্দোলনকারীরা’। উত্তরে অরুণা বিশ্বাস লিখেছেন, ‘গরম জল দিলেই হবে’। তানভীন সুইটি লিখেছিলেন, ‘কোনো ভাবেই পিছু হাঁটা চলবে না। আমরা কখন, কোথায়, কীভাবে একত্রিত হবো, সেটা আমরা সবাই মিলে ঠিক করে নেব।

 

 

Image not found

শিল্পীদের ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী একটি পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করা হলে অভিনেত্রী সোহানা সাবা লিখেন, ‘অসভ্য!’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তারকা দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে জানিয়েছেন, গ্রুপটি জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে খোলা হয়। আর গেল ৪ আগস্ট রাতে সেটি ডিলিট করা হয়। গ্রুপের অ্যাডমিন কে? সেটি না বললেও জানা যায়, গ্রুপটিতে সরব ছিলেন শোবিজের অনেক শিল্পী।

তিনি আরও বলেন, বিটিভিতে আগুন দেওয়ার পর যারা সেখানে গিয়ে আন্দোলনের বিপক্ষে কথা বলেন, তারা সবাই গ্রুপটিতে সক্রিয় ছিলেন।




বাউফলে বিএনপি নেতা গাজী গিয়াসের সাংবাদিক সম্মেলন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বিএনপি নেতা গাজী মো. গিয়াস উদ্দিন সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।

সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের প্যাদা রোডে নিজ বাসভবনে এ সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি।

সাংবাদিক সম্মেলনে গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘গতকাল (রোববার) কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন তুহিন ও দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। আমি ওই সাংবাদিক সম্মেলনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে স্বচ্ছতার সাথে রাজনীতি করে আসছি। প্রায় ১২ বছর উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে অত্যাচার নির্যাতন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছি। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর বিএনপি নামধারীদের চাঁদাবাজি, লুটপাট ও ব্যবসায়য়ীদের রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি। এতে বিএনপি নামধারী একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে কালাইয়া হাটের ইজারাদার ছিলেন স্থানীয় এমপি আসম ফিরোজের ভাতিজা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ মনির মোল্লা। সরকার পতনের পর তিনি পালিয়ে যান। তখন কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তুহিন ইজারাদার ফয়সাল আহম্মেদ মনির মোল্লার সাথে সমঝোতা করে হাট বাজার নিয়ন্ত্রণে নেন। আওয়ামী লীগের সাথে সমঝোতা করে হাট বাজার দখলের জন্য আমাকেও প্রস্তাব দেওয়া হয় । আমি এ প্রস্তাব প্রত্যাখান করি। এতে তারা (তুহিন ও আজম) আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেন।

তিনি আরও বলেন,‘ আওয়ামী লীগ ১৭ বছর বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন। সেই আওয়ামী লীগের সমঝোতা করে বিএনপি হাটবাজারের খাজনা আদায় করতে পারেন না। হাটের মূল ইজারাদার মনির মোল্লা। তার প্রতিনিধি হিসেবে তুহিন ও আজম হাট-বাজার পরিচালনা করে আসছে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আমার ওপর একাধিকবার হামলা চালায়। আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটপাট করে। আমার মোটরসাইকেল লুট করে নিয়ে যায়। তারপরেও স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রাজপথে ছিলাম। কিন্তু যারা তখন ঢাকা চাকরি করেছেন তারা এখন টাকার বিনিময় পদ-পদবী নিয়ে বিএনপি দাবি করছেন। আমিসহ ত্যাগী বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

যারা বিএনপির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, আওয়ামী লীগের সাথে সমঝোতা করে হাট বাজার দখল ও ত্যাগী বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠিনক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেন গাজী গিয়াস উদ্দিন।

ওই সাংবাদিক সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য নুর হোসেন খান, কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সদস্য মো. শাহজাহান মাতব্বর এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফুর রহমান রিফাতসহ শতাধিক বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মী।




প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে যে প্রস্তাব দিল সম্পাদক পরিষদ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- যেসব আইনে সাংবাদিকদের নিপীড়নের বিষয় রয়েছে, সেগুলো বাদ দিয়ে পরবর্তী সময়ে তা সংস্কার করা।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে সম্পাদক পরিষদ এই প্রস্তাব দেয়।

পরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকের কাছে বৈঠকের তথ্য তুলে ধরেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্‌ফুজ আনাম।

তিনি জানান, তারা চান, দেশে একটি জাতীয় ঐক্য স্থাপিত হোক। বৈঠকে তারা সংবিধানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছেন। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যত্রতত্র খুনের মামলা বন্ধ করতে বলেছেন।

এসময় মাহ্‌ফুজ আনাম আরও বলেন, ‘আমাদেরকে প্রধান উপদেষ্টা একটি সুসংবাদ দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাজাপ্রাপ্ত ৫৭ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে। এটি অত্যান্ত আনন্দের খবর। আমি মনে করি ইউনূস ভাইয়ের মত এমন একজন নেতা না হলে আন্তর্জাতিকভাবে এটি সম্ভব হত না। আমরা খবুই খুশি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের যে কর্মকাণ্ড তার সঙ্গে আমাদের সম্পূর্ণভাবে একাত্বতা ঘোষণা করছি। আমরা চাই একটা নতুন দিগন্ত বাংলাদেশে উন্মোচিত হোক।




রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্নীতির অনুসন্ধান চেয়ে রিট

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুর্নীতির অনুসন্ধান চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ রিটটি দায়ের করেন। রিটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে দুর্নীতির অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) কেন‌ নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা‌ হয়, দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলারেরও‌ বেশি আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচার করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়, শেখ রেহানা এবং টিউলিপ সিদ্দিকীসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু এ বিষয়ে দুদককে অনুসন্ধানের জন্য আবেদন জানালেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি সংস্থাটি।

রিট দায়ের পর তিনি বলেন, রূপপুর প্রকল্পের দুর্নীতির অনুসন্ধান চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করেছিলাম। দুদক এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।



পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে টাইগারদের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়

চন্দ্রদ্বীপ ক্রীড়া  :: প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট জয়ের ইতিহাস আগের ম্যাচেই গড়েছিল বাংলাদেশ। হাতছানি ছিল সিরিজ জয়ের। যেখানে এবার পাকিস্তানকে তাদেরই মাঠে ক্রিকেটের অভিজাত এই ফরম্যাটে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করার অনন্য কীর্তি গড়ল টাইগাররা। রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

পাকিস্তান: ২৭৪ ও ১৭২

বাংলাদেশ: ২৬২ ও ১৮৫/৪ (লক্ষ্য ১৮৫)

বাংলাদেশ নিজেদের ২৪ বছরের টেস্ট ইতিহাসে এ নিয়ে চতুর্থবার প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল। বাংলাদেশ এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুবার ও জিম্বাবুয়েকে একবার হোয়াইটওয়াশ করেছে টেস্ট সিরিজে। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২–০ ব্যবধানে হারিয়েই দেশের বাইরে প্রথম টেস্ট সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। ৯ বছর পর ২০১৮ সালে দেশের মাটিতে আবার ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ করার আগে ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়েকে ৩ ম্যাচ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে পাকিস্তান নিজেদের ইতিহাস দ্বিতীয়বার ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে। ২০২২ সালে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হারে পাকিস্তান।

দ্বিতীয় টেস্ট জিততে গতকাল সোমবার চতুর্থ দিন ১৮৫ রানের লক্ষ্য পায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের দুই ওপেনার জাকির হাসান ও সাদমান ইসলাম শুরু করেন দুর্দান্ত। বাংলাদেশও স্বপ্ন পূরণের পথে এগোতে থাকে। তবে রাওয়ালপিন্ডিতে চতুর্থ দিনের শেষ ঘণ্টার খেলা আলোকস্বল্পতায় ও বৃষ্টিতে পণ্ড হয়। তাতে স্কোরবোর্ডে বিনা উইকেটে ৪২ রান তুলে দিন শেষ করে সফরকারীরা। আজ মঙ্গলবার পঞ্চম ও শেষ দিনে জয়ের জন্য ১৪৩ রান দরকার ছিল।

ব্যাট হাতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন জাকির হাসান। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তুলছিলেন এই ওপেনার। তবে আজ ইনিংসটাকে আর লম্বা করতে পারলেন না তিনি। মির হামজার বলে ৩৯ বলে ৪০ রানে থাকা জাকিরের স্টাম্প ভাঙে। সকালের শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ।

জাকির হাসানের পর আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম আউট হন। ৫১ বলে ২৪ রান করা এই বাঁহাতি খুররম শাহজাদের বলে শান মাসুদকে ক্যাচ দেন।

লাঞ্চের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। সালমান আলি আঘার সাদামাটা এক ডেলিভারিতে শর্ট লেগে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৫ চারে ৮২ বলে ৩৮ রান করেন শান্ত। তার বিদায়ে ভাঙে ৫৭ রানের তৃতীয় উইকেট জুটি।

এরপর মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে দারুণ জুটি আভাস দিচ্ছিলেন মুমিনুল হক। তবে হুট করেই অতি আগ্রাসী শট খেলতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন মুমিনুল। আবরার আহমেদের বলে ক্রিজ ছেড়ে মারতে গিয়ে মিড অনে ক্যাচ দিয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ৪ চারে ৭১ বলে ৩৪ রান করেন মুমিনুল।

এরপর মুশফিক ও সাকিব আল হাসান আর কোনো বিপদ হতে দেননি। পঞ্চম উইকেট জুটিতে তারা ৩২ রান তুলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। মুশফিক ৫১ বলে ২২ ও সাকিব ৪৩ বলে ২১ রানে অপরাজিত থাকেন।

পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে একটি করে উইকেট পান মির হামজা, খুররম শাহজাদ, আববার আহমেদ ও সালমান আঘা।

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ১৩৮ রানের সুবাদে ম্যাচসেরা হন লিটন দাস। আর পুরো সিরিজে ১৫৫ রান ও ১০ উইকেট নেওয়ার মেহেদী হাসান মিরাজ সিরিজ সেরার পুরস্কার পান।




ইসরায়েল হামলা অব্যাহত রাখলে বন্দিরা ‘কফিনে’ ফেরত যাবে : হামাস




বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে বিডিআর হত্যা: মেজর হাফিজ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর অবসরপ্রাপ্ত হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘বিডিআর হত্যাকাণ্ড ছিল অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ ও অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার উদ্দেশে এই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল।’

আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মেজর হাফিজ বলেন, ‘বিডিআর হত্যাকাণ্ড হয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে। এই ঘটনায় কোনো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ ছিল কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশাই রয়ে গেছে। কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল তা তদন্তের জন্য প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা হয়েছে। স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।’

এই হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ছিল জানিয়ে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ ও অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার উদ্দেশে এই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপে এই ঘটনায় আওয়ামী লীগ সরকার সরাসরি জড়িত বলে আমরা মনে করি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা ছিল এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। কিন্তু আওয়ামী সরকারের আমলে তা সম্ভব হয়নি। এখন সুযোগ এসেছে। আমরা আশাবাদী আমরা সুষ্ঠু বিচার পাব।’




কুয়াকাটায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মো. মানিক মিয়া নামের এক আবাসিক হোটেল ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

সোমবার (০২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে কুয়াকাটা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের অবস্থিত দোতলা বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র, পিস্তল, চাপাতিসহ নানা সরঞ্জামাদি নিয়ে হানা দেয় ডাকাতদল।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ওই বাড়ির মালিক মানিক মিয়া, তার স্ত্রী ও কন্যা নিয়ে দুইটি রুমে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘুমিয়ে ছিল। এর কিচ্ছুক্ষণ পরেই ডাকাতদল বাড়িতে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁদের হাত পা ও চোখ বেঁধে রাখে এবং মানিক মিয়াকে বেধড়ক মারধর করে। প্রায় দেড় ঘন্টার যাবৎ তছনছ করে বাড়িতে থাকা প্রায় ৩০ ভরি স্বর্ন ও ৪৮ হাজার টাকা নিয়ে যায়। তবে ৮-১০ জনের সবাই মুখোশ পড়া অবস্থায় থাকা কাউকে চিনতে পারেনি তাঁরা।

ভুক্তভোগী মো. মানিক মিয়া জানান, আমরা ঘুমানোর পরে অর্থাৎ আনুমানিক রাত ২টার দিকে হঠাৎ দরজা ভাঙার বিকট শব্দ পাই, চোখ খুলেই দেখি সামনে ৮-১০ মুখোশ পর ডাকাত। তখনই আমি চিৎকার করি। সাথে সাথে আমার মুখ বেধে বেধড়ক মারধর করলে আমার ডান হাত ফেটে যায়। এরপরে আমার চোখ, হাত-পা বেধে ফেলে রেখে। পরে আমার স্ত্রীকে টেনে আমার মেয়ের রুমে নিয়ে যায়। আমাকে বারবার মার দিতেছে আর বলতেছে টাকা আর স্বর্ন কোথায়। পরে আমি দেখিয়ে দিলে তাঁরা ভেঙে সব নিয়ে যায়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিমল কৃষ্ণ মল্লিক জানান, আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই পরে আমরা উর্ধতন টিম এখানে এসেছি। চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে আমরা সব ধরনের পদ্ধতি গ্রহণ করবো এবং এটা নিয়ে মামলা হবে মামলার পরে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।




পাকিস্তানকে ‘বাংলাওয়াশ’ করে টাইগারদের ইতিহাস