সাবেক আইজিপি শহীদুল হক ও আবদুল্লাহ আল মামুন আটক

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক ও চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) দিবাগত রাতে সাবেক এই দুই পুলিশপ্রধানকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির ডিবিপ্রধান রেজাউল করিম মল্লিক।

পুলিশসূত্র বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদেরকে আটক করেছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তাদের কী ভূমিকা ছিল— এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে। এরপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হবে কি না।

শহীদুল হক ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার মাধ্যমে ১৯৮৬ সালে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। পুলিশ সুপার হিসেবে তিনি চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম ও সিরাজগঞ্জ জেলায় কার্যভার পালন করেছেন। ডিআইজি হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, রাজশাহী রেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ছাড়াও পুলিশের ভিন্ন ভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ২০১৪ সালের শেষদিন আইজিপির দায়িত্ব পান এবং ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি অবসরে যান।

শহীদুল হকের বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার নরবালাখানা গ্রামে। তার ছোট ভাই ইসমাইল হক জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নড়িয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। আরেক ভাই নুরুল হক ব্যাপারী নড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। গত ৭ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শহীদুল হক শরীয়তপুর-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন।

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বাংলাদেশ পুলিশের ৩১তম (সদ্য সাবেক) মহাপরিদর্শক ছিলেন। ২০২২ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর থেকে তাকে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক হিসাবে নিযুক্ত করা হয়। এরপূর্বে তিনি র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ানের (র‌্যাব) মহাপরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান ছিলেন।

চৌধুরী মামুনের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার শ্রীহাইল গ্রামে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৯৮৬ ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে তিনি ১৯৮৯ সালের ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট (এএসপি) হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার, এডিসি (ডিএমপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পরে তিনি ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সদর দপ্তরে ডিআইজি (অপারেশনস) এবং ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সবশেষ তিনি ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি পদে দায়িত্ব থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আইজিপি পদে পদোন্নতি পান।

২০২৩ সালের ৯ জানুয়ারি অবসরে যাওয়ার কথা থাকলেও তাকে পুনরায় দেড় বছরের জন্য চুক্তিতে নিয়োগ দেয় পতিত আওয়ামী লীগ সরকার। এরপর গত জুলাইয়ের ৫ তারিখে পুনরায় তাকে আরও এক বছরের জন্য দ্বিতীয় দফায় চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান। এসময় অন্তর্বর্তী সরকার তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করে। এরপর থেকে তিনি আত্মগোপনেই ছিলেন।




দুর্বৃত্তের আগুনে বরিশাল সিটি করপোরেশনের পৌণে ১৯ কোটি টাকার ক্ষতি

অন্ধকারে বিবির পুকুর, দর্শনার্থীদের ভোগান্তি

বরিশাল অফিস :: বৈষম্য বিরোধী দাবির মুখে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতনের দিন গত ৫ আগস্ট দুর্বৃত্তের দেয়া আগুন সন্ত্রাসে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের তিনটি ভবন ও বিবির পুকুরের সৌন্দর্য বর্ধনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ সময় জ্বালিয়ে দেয়া হয় এ্যানেক্স ভবন। এতে ১৮ কোটি ৭৫ লাখ ৩১ হাজার ১শ ৩৫ টাকার ক্ষতির হিসেব প্রস্তুত করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন। ক্ষতির হিসেব ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে।

বরাদ্দ না আসলে এসব ভবনে কাজ করা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে সিটি কর্তৃপক্ষ।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট পাঁচ তলা বিশিষ্ট এ্যানেক্স ভবনটি অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গিয়ে ১২ কোটি ৩১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৪৯ টাকা ক্ষতি হয়। পাঁচতলা বিশিষ্ট অডিটোরিয়ামের মালামাল বিনষ্ট করায় ৪ কোটি ৪১ লাখ ২৭ হাজার ১৫০ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়। তিন তলা বিশিষ্ট নগর ভবনে হামলা ভাঙচুর করায় ৭ লাখ ১৮৬ টাকা ক্ষতি হয়। বিবির পুকুরের চতুর্পার্শ্বের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ভাঙচুর ও বিনষ্ট করায় ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৭১০ টাকা ক্ষতি হয়। এ্যানেক্স ভবনে সংরক্ষিত জনস্বাস্থ্য বিভাগে সরকার প্রদত্ত ভ্যাকসিন ঔষধ, লজিস্টিক মালামাল, ভিটামিন এ ক্যাপসুল, আসবাবপত্র পুড়ে গিয়ে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। একই ভবনে সংরক্ষিত মশক নিধন কার্যক্রমে ব্যবহৃত ঔষধ, মালামাল পুড়ে গিয়ে ৬৯ লাখ ২৮ হাজার ৩৪০ টাকার ক্ষতি হয়। এছাড়া এ্যানেক্স ভবনের নিচ তলায় পরিছন্ন বিভাগের সংরক্ষিত মালামাল, আসবাবপত্র পুড়ে ১৫ লাখ ৩২ হাজার টাকার ক্ষতি হয়।

সিটি কর্পোরেশনের বিদ্যুৎ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী অহিদ মুরাদ জানান, বিবির পুকুরের ওয়াল ওয়াসার ৩০ টি লাইট ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং তার ছিড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া তিন বাহুর ৩টি, পাঁচ বাহুর একটি, দুইটি গার্ডেন লাইট, ছয়টি ফোয়ারা লাইট ভেঙে ফেলে দুর্বৃত্তরা। এর ফলে গত ৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত এভাবেই রয়েছে বিবির পুকুর। সৌন্দর্য হারাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী এই পুকুরটির। সন্ধ্যা হলেই বিবির পুকুর অন্ধকারে তলিয়ে যায়। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় দর্শনার্থীদের। দশরথীরা জানিয়েছেন, বিবির পুকুরের চারপাশের লাইটিং ব্যবস্থা দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। তা না হলে এখানে ঘটতে পারে নানা ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।

জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতন হয়। এদিন বরিশালের একাধিক ভবনে অগ্নিকাণ্ড হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় নগরীর এ্যানেক্স ভবন, অডিটোরিয়াম, নগর ভবনে হামলা ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। এতে ব্যাহত হয় নাগরিক সেবা। থমকে যায় সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম।

আরো কতদিন এ পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে এমনটা জানা নেই সিটি কর্তৃপক্ষেরও। তবে তারা বলছেন বরাদ্দ এলেই পুনরায় সংস্কার করা হবে এই ভবনগুলোর। পাশাপাশি নাগরিক সেবাও নিশ্চিত করা যাবে।




দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছর পরে নিজ গ্রামে ফিরলেন বিএনপি নেতা এস শরফুদ্দিন সান্টু

বরিশাল অফিস :: বরিশাল-২ আসন (উজিরপুর- বানারীপাড়া) নির্বাচনী এলাকা ও নিজ গ্রামে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছর পরে গমন করছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বরিশাল জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক, উজিরপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এস শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।

বরিশালের উজিরপুর বানারীপাড়ার মাটি ও মানুষের আস্থা ভাজন জনদরদী নেতা বরিশাল বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস.সরফুদ্দিন আহম্মেদ সেন্টুর কে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেয় উজিরপুর উপজেলা পৌরসভা বিএনপির সভাপতি মোঃ সোহিদুল ইসলাম খান ও উজিরপুর উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মোঃ সোলায়মান খান (হাইয়ুম) সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এস.সরফুদ্দিন আহম্মেদ সেন্টুর আশাকে কেন্দ্র করে হাজারো মানুষের ঢল নেমে আসে রাজপথে সকলের মুখে মুখে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত রাজপথ অবরো মানুষের স্বস্তি ফিরে এসেছে সকালের মুখে মুখে একটাই স্লোগান সেন্টু ভাই সেন্টু ভাই ।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর স্বৈরাচারী হাসিনার পতনের পর স্বাধীন দেশে স্বাধীন ভাবে কথা বলতে পারছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা ও সাধারণ জনগণ তারা বলেন স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের আমলে আমরা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছি আমরা অনেক মিথ্যা মামলা হামলার শিকার হয়েছি ।

এস. সরফুদ্দিন আহম্মেদ সেন্টুর আশাকে কেন্দ্র করে এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন ও নেতৃত্ব দেন উজিরপুর উপজেলা পৌরসভা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সভাপতি মোঃ সোহিদুল ইসলাম খান ও উজিরপুর উপজেলা পৌরসভা জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের জননেতা মোঃ সোলায়মান খান (হাইয়ুম) সহ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




বরিশালে জমি লিখে না দেওয়ায় মামলা দিয়ে হয়রানি করতেন নানক

বরিশাল অফিস :: সাধারণ মানুষের জমি দখল না করতে পেরে তাদের ওপর বিভিন্ন সময় ক্ষমতা দিয়ে মামলা ও হয়রানি করতেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ও সাবেক বস্ত্রমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। এমনকি জমির একজন ওয়ারিশ মারা গেলে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করতে দেননি নানক। উল্টো পুলিশ দিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ডাকাতি ও অস্ত্র মামলা করেছেন।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (বিআরইউ) সংবাদ সম্মেলন করে এমন দাবি তোলেন ভুক্তভোগী কামরুল ইসলাম হিরণ, হারুন আকবর ও নেহার বেগম। তারা বরিশাল নগরীর নিউ সার্কুলার রোড মুহুরী বাড়ির বাসিন্দা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কামরুল ইসলাম হিরণ বলেন, বরিশাল নগরীর নিউ সার্কুলার রোড মুহুরী বাড়ির মৃত জুলমত আলীর ওয়ারিশদের ১৩৯ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে জাহাঙ্গির কবির নানক ও তার ভাই নাসির আহমেদ লিটু। নানকের বাবা বজলুর রহমান সন্যামত বরিশাল কালেক্টরেট অফিসের কর্মচারী হওয়ার সুযোগে জুলমত আলীর নামের ১৩৯ শতাংশ জমির কাগজপত্রে গড়মিল করেন। এরপর থেকে শুরু হয় জমি দখলের পাঁয়তারা। দখলে নিতে না পেরে প্রথমে নানকের বাবা এবং পরে নানাক ও তার ভাই মিলে জমি দখলে নিতে মামলা চালিয়ে আসছে। নানক বিভিন্ন সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে জুলমত আলীর ওয়ারিশদের বিভিন্ন মামলায় আসামি করেছেন।

তিনি আরও বলেন, সিএস রেকর্ডীয় সম্পত্তি ১৮৫৯ সালে ১১ আইনে তৌজি নিলামভিত্তিক নিলাম খরিদদার বাবু ‘অশোক চন্দ্র গুপ্তের নিকট হইতে বন্দোবস্ত নিয়া ১৯৪৮ সালে আরএস রেকর্ড করে নেন। এ সময় নানকের বাবা বজলুর রহমান সন্যামত প্রথমে ১৯৫৫ সালে মামলা করেন এবং বিচারে তিনি হেরে যান। মোতালেবদের বিরুদ্ধে দখল প্রমাণে ব্যর্থ হলে নানকের বাবা দেওয়ানি মামলা রেন। যেখানে তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে মোতালেব ওরফে মোসলেম আলী হাওলাদারের বাবার নাম জুলমত আলী হাওলাদারের পরিবর্তে তহম্মদ লিখে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেন।

কামরুল ইসলাম হিরণ বলেন, দুঃখের বিষয় হল বারেক হাওলাদারের মৃত্যু হলেও তাকে পারিবারিক কবরস্থানে নানক ক্ষমতা বলে দাফন করতে পারিনি। নানক ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে পুলিশকে বাদী বানিয়ে ডাকাতি ও অস্ত্র মামলায় আমাদের আসামি করেছিল। ভুক্তভোগীরা দ্রুত জমির মামলা অবসানের পাশাপাশি এই হয়রানি করার অভিযোগে নানকের বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে জানাতে জাহাঙ্গীর কবির নানক ও তার ভাই নাসির আহমেদ লিটুর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাদের মুঠোফোনও বন্ধও পাওয়া গেছে।




পরিচয় একটাই আমরা বাংলাদেশি: তারেক রহমান

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বাংলাদেশের মানচিত্রে ঠিকানা আপনার আমার যেখানেই হোক—পরিচয় একটাই, আমরা সবাই বাংলাদেশি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দেশব্যাপী ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসাবে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, আমরা কেউ মসজিদে যাই, কেউ মন্দিরে বা প্যাগোডায় কিংবা গির্জায়, তেমনি কারো উৎসব ঈদুল ফিতর কারো বা দুর্গাপূজা কিংবা বড়দিন, সেটাও আমার আপনার সবার অভিন্ন পরিচয় নয়। বাংলাদেশের মানচিত্রে আপনার ঠিকানা হতে পারে পাহাড়ে, কারো আবার সমতলে, কেউবা থাকেন হাওড়ে আবার কেউ ছোট্ট দ্বীপে, নয়তো উপকূলের প্লাবন ভূমিতে কিংবা সুন্দরবনের পাশে- সব ক্ষেত্রে পরিচয় আমাদের একটাই, আমরা সবাই বাংলাদেশি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, যারা বাংলাদেশি পরিচয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেষ্টা করেন তারাও জনরোষ এড়িয়ে পালানোর সময় যে পাসপোর্ট ব্যবহার করেছেন সেখানেও তাকে বাংলাদেশি পরিচয়টিই ব্যবহার করতে হয়েছে। এই পরিচয় আমার আপনার যোগ্যতার মূল্যায়নের সময় যেমন নিরপেক্ষভাবে ব্যবহার করতে হবে। ঠিক তেমনি আমাদের অপরাধের ক্ষেত্রেও থাকবে একই মাপকাঠি।

তারেক রহমান বলেন, সংখ্যালঘুর কার্ড দিয়ে অনেক খেলা হয়েছে সেটা দেশেও যেমন হয়েছে, দেশের বাইরেও কম হয়নি। নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে আর দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তে যুগ যুগ ধরে এই সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরুর খেলা খেলে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অপচেষ্টা দেশে বিদেশে বার বার কারা করেছে সেটাও আমরা সবাই জানি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ধ্বংসের এই পুরনো খেলার পুনরাবৃত্তি এদেশে আর করতে দেওয়া হবে না। এদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি ধ্বংসের ষড়যন্ত্রকারীদের হাত থেকে এক ধর্মের উপাসনালয় আরেক ধর্ম অনুসারীরা ঐতিহ্যগতভাবে সুরক্ষিত রেখেছে যুগ যুগ ধরে, বার বার প্রমাণ করেছে এদেশে সংখ্যালঘু আর সংখ্যাগুরু বলে কিছু নেই। আমাদের সবারই এক ও অভিন্ন পরিচয়, আমরা সবাই বাংলাদেশি। শুধু কথায় নয় কাজেও এটার প্রমাণ দিতে হবে যখনই প্রয়োজন হবে।

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার দেশপ্রেম, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ আর শত সহস্র নেতাকর্মীর আত্মত্যাগের বিনিময়ে বিএনপি জনগণের আস্থা আর বিশ্বাসের যে জায়গায় পৌঁছেছে, কতিপয় বিপথগামীর হঠকারিতায় সেটা বিনষ্ট হতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে দল আপোষহীন, তিনি দলের কত শীর্ষে অবস্থান করেন সেটা বিবেচ্য নয়। সম্প্রতি চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহে দল সেটার প্রমাণ রেখেছে বলেও তিনি জানান। মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস আর অনুশাসনকে পুঁজি করে যারা ধর্মীয় স্থাপনায় রাজনীতি করবে, বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করবে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে যারা ধর্ম বর্ণের বিভক্তিকে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবে, নিজ নিজ এলাকায় ঐক্যবদ্ধভাবে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দিয়ে তাদের প্রতিহত করতে তিনি পরামর্শ দেন।

রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজ থেকে প্রায় দুই বছর আগে দেশের সাংবিধানিক কাঠামো আর জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি নিয়ে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো ৩১ দফা কর্মসূচি দিয়েছে। যেটা সংশোধন ও পরিমার্জনের জন্য এখনো উন্মুক্ত। তবে তিনি নিশ্চয়তা দিয়ে বলেন, যারা যে সংস্কারের প্রস্তাবনাই আনুন আমাদের সংস্কার প্রস্তাবে সেগুলোর সবই অন্তর্ভুক্ত আছে।

তিনি বলেন, বিজয় এখনো অনেক দূরে, সফলতার পথ অনেক দীর্ঘ, আমরা গত সতের বছর বিরোধী দলে ছিলাম, আজো আছি। এখন আত্মতুষ্টির সময় নয়, বরাবরের মত তৃণমূল নেতাকর্মীরা অতন্দ্র প্রহরীর মত অতীতে যেমন সংকটকালে দলের পাশে ছিলেন আগামীতেও বাংলাদেশের জনমানুষের প্রত্যাশার ভাষা বুঝে তাদের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করলে বিএনপি দেশের মানুষকে একটা নতুন আর পরিবর্তিত বাংলাদেশ উপহার দিতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 




এস আলমের নিয়ন্ত্রণে থাকা আরও ২ ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে পুনর্গঠন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::বেসরকারি খাতের আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ও বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার ব্যাংক দুটিতে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ করে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে দেওয়া হয়েছে।

দুই ব্যাংকে পাঠানো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আদেশে বলা হয়েছে, আমানতকারী ও ব্যাংকের স্বার্থ রক্ষার্থে এবং ব্যাংকিং সুশাসন নিশ্চিত করা ও জনস্বার্থে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ক্ষমতাবলে পরিচালনা পর্ষদ নতুনভাবে গঠনের জন্য পাঁচজনকে স্বতন্ত্র পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য থেকে চেয়ারম্যানও নির্দিষ্ট করে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের নতুন পর্ষদে চেয়ারম্যান করা হয়েছে লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাজা শাহরিয়া। তার সঙ্গে থাকা অপর চার স্বতন্ত্র পরিচালক হলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. শাহীন উল ইসলাম, এনআরবি ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল ওয়াদুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের অধ্যাপক এম আবু ইউসুফ ও হিসাববিদ মোহাম্মদ আশরাফুল হাছান।

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের নতুন পর্ষদে চেয়ারম্যান করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. আতাউর রহমান। তার সঙ্গে থাকা অপর চার স্বতন্ত্র পরিচালক হলেন মেঘনা ব্যাংকের সাবেক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মহসিন মিয়া, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব কামরুল হক মারুফ, জনতা ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গোলাম মরতুজা ও হিসাববিদ শেখ আশ্বাফুজ্জামান।

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ছিল এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের হাতে। আর আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ছিল তার ভাই আবদুস সামাদের হাতে। তবে দেশের পটপরিবর্তনের পর এস আলম গ্রুপের ব্যাংকগুলো নিয়ে নানা পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই প্রেক্ষাপটে নিজেই পদ ছেড়ে দিয়েছেন আবদুস সামাদ।

এরপর ব্যাংকটিতে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ ছিল। কারণ চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আসেন সেলিম রহমান। তিনি কেডিএস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা খলিলুর রহমানের ছেলে। খলিলুর রহমানের সঙ্গে এস আলমের সখ্য ছিল। এই দুটি ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার মাধ্যমেও এস আলম মুক্ত হলো।

এর আগে বেসরকারি খাতের সাত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলো হলো ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি)। এর মধ্যে প্রথম ছয়টি এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন। তবে পর্ষদ পুনর্গঠন করে গ্রুপটির নিয়ন্ত্রণমুক্ত করা হয়েছে এসব ব্যাংক।




আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার চিঠি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফেডারেল আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ৫৭ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। এ জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে একটি চিঠি দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে একটি চিঠির মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানান ড. ইউনূস।

আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ড. ইউনূস বলেন, সাম্প্রতিক ছাত্র-গণবিপ্লবের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশকারী ৫৭ জন বাংলাদেশি সংযুক্ত আরব আমিরাতের কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ করেছেন। তাদেরকে ক্ষমা করার আপনার উদার সিদ্ধান্তের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমাদের টেলিফোন কথোপকথনের পর এই ক্ষমাশীলতার কাজটি শুধু সহানুভূতিশীল নেতৃত্বের উদাহরণই দেয় না বরং আমাদের দুই দেশের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের স্থায়ী বন্ধনকে শক্তিশালী করার জন্য একটি বাহক হিসেবে কাজ করে।

তিনি আরও বলেন, সাজা বাতিল করার জন্য আপনার উদার সিদ্ধান্ত বিশেষ করে জড়িতদের পরিবার এবং বাংলাদেশের মানুষ সংযুক্ত আরব আমিরাতের বসবাসরত আমাদের দেশের নাগরিকরা স্বস্তি পেয়েছে। আমরা সত্যিই, আপনার সহানুভূতি গভীরভাবে অনুধাবন করেছি। আমরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইনের প্রতি আমাদের পূর্ণ সম্মান প্রকাশ করছি। আমাদের নাগরিকদের বাংলাদেশ থেকে প্রস্থান করার আগে তাদের স্বাগতিক দেশগুলির স্থানীয় আইন ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ও শিক্ষিত করার প্রতিশ্রুতি করছি।

চিঠিতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনার সদয় সিদ্ধান্তের জন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। যা আমাদের জাতির মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে। আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে এবং আমাদের জনগণের পারস্পরিক সুবিধার জন্য একসঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ। আমি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের জন্য আপনার সুস্বাস্থ্য, সুখ, দীর্ঘ জীবন এবং অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধি কামনা করছি।




ইতিহাস গড়া টাইগারদের সংবর্ধনা দেবে সরকার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বাংলাদেশ ক্রিকেট দল পাকিস্তানের মাটিতে ইতিহাস গড়েছে। স্বাগতিকদের দুই ম্যাচ সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছে টাইগাররা। এবারের আগে তাদের বিপক্ষে কোনো টেস্ট ম্যাচ জয়েরও রেকর্ড ছিল না। ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের পর বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে ফোন করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অভিনন্দন জানিয়েছেন।

পরে ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, দেশে ফেরার পর ক্রিকেট দলকে সংবর্ধনা দেবে সরকার।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট অপারেশন্সের সহকারী ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফিস সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অফিস থেকে মাত্র ফোন পেলাম। শান্তকে ফরওয়ার্ড করে দিয়েছি। বাংলাদেশ দলকে অনেক অনেক অভিনন্দন।’

জয়ের পরপর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়েছে, জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে ফোনে করে তাকে এবং দলকে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

ইউনূস বলেছেন ‘সরকার এবং আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন। তোমাদের নিয়ে পুরো জাতি গর্বিত।’ বাংলাদেশ দল দেশে ফেরার পর তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলে প্রেস উইংয়ের বার্তায় জানানো হয়।




হাসপাতালে স্বাভাবিক সূচিতে চিকিৎসাসেবা শুরু কাল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: সারাদেশের সব হাসপাতালে আগামীকাল বুধবার থেকে ফের স্বাভাবিক সূচিতে চিকিৎসাসেবা চলবে। আজ মঙ্গলবার আন্দোলনরত চিকিৎসকদের পক্ষে এ তথ্য জানান ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আব্দুল আহাদ।

তিনি বলেন, ‘পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সকাল ৮টা থেকে দুই ঘণ্টা আমরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছি। এরপর সকাল ১০টা থেকে আমাদের বহির্বিভাগে সেবা চালু হয়েছে। চিকিৎসকরাও বহির্বিভাগসহ অন্যান্য বিভাগে কাজে যোগ দিয়েছেন। আগামীকাল থেকে সারাদেশের হাসপাতালগুলোতে স্বাভাবিক সূচিতে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।’

এর আগে, গত ৩১ আগস্ট রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় অবহেলার অভিযোগে ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওপর হামলা হয়। এর প্রতিবাদে পরের দিন রবিবার থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ পালন করেন ঢামেকসহ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা। হামলাকারীদের গ্রেপ্তার-বিচার, নিরাপদ কর্মস্থল নিশ্চিত করাসহ চার দফা দাবিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করেন।




যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন পুতিন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকা অবস্থাতেই মঙ্গোলিয়ায় সফর করছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আইনগতভাবে তাই যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

গত বছর আন্তর্জাতিক আদালত (আইসিসি) তার ওপর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। ওই পরোয়ানা জারির পর প্রথমবারের মতো আইসিসির কোনো সদস্য দেশে পা রাখলেন তিনি। স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোরে পা রাখেন পুতিন।

তার এই সফরকে ঘিরে কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে তাকে গ্রেপ্তারের দাবি তোলা হয়েছিল। আইসিসির একজন মুখপাত্রও জানিয়েছে পুতিনকে গ্রেপ্তার করতে মঙ্গোলিয়া বাধ্য। কারণ তারা আইসিসির সনদে স্বাক্ষর করা দেশ।

তবে পুতিন উষ্ণ অভ্যর্থনাই পেয়েছেন মঙ্গোলিয়ায়। তার এই সফরকে কেন্দ্র করে সেখানে জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দেশটির শীর্ষ নেতারা পুতিনকে স্বাগত জানান।

ক্রেমলিনের এক মুখপাত্র বলেছেন, পুতিনকে এই সফরের সময় গ্রেপ্তার করার মতো কিছু ঘটবে বলে তারা মনে করেন না। পাঁচ বছরের মধ্যে মঙ্গোলিয়ায় পুতিনের প্রথম সফর উপলক্ষে রাজধানী উলানবাটোরের সেন্ট্রাল চেঙ্গিস খান চত্বরে দুই দেশের পতাকা দিয়ে সাজানো হয়। সেখানে মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্ট উখনাগিন খুরেলসুখের সঙ্গে সাক্ষাত করেন পুতিন।