আট মাস পর নতুন ছবিতে বুবলী

 




আমি পদত্যাগ করতে প্রস্তুত: মমতা




বিসিসি’র মজুরিভিক্তির কর্মীদের মাঝে ছাঁটাই আতঙ্ক!

বরিশাল অফিস :: দৈনিক মজুরির অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) কর্মচারীদের মাঝে ছাঁটাই আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে গত বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) থেকে অনেক কর্মচারীকে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে দেওয়া হচ্ছেনা। তাদের ছাঁটাই করা হয়েছে কিনা তাও স্পষ্ট করেননি নগর ভবনের দায়িত্বশীলরা।

তবে গুঞ্জন ছড়িয়ে পরেছে অস্থায়ী ১০২ জন কর্মচারী ছাঁটাই হচ্ছেন।

সূত্রমতে, স্বাক্ষর করতে না পারা কর্মচারীদের অধিকাংশরাই সদ্য সাবেক মেয়র আবুল খায়ের
আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের মেয়াদে নিয়োগ পেয়েছেন।

দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারী আল-আমিন বলেন, আমরা ১৬ জন মেয়রের দপ্তরে স্বাক্ষর করতাম। বুধবার সকালে কর্মস্থলে গেলে স্বাক্ষরের জন্য হাজিরা খাতা খুঁজে পাইনি। পরে চলে এসেছি।

আরেক কর্মচারী বাদল বলেন, আমাদের স্বাক্ষর করতে দেওয়া হয়নি, সকলকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নাঈম উদ্দিন বলেন, বুধবার সকালে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন আমাদের আর কর্মস্থলে যেতে হবে না। হাজিরা খাতায় আমাকেও স্বাক্ষর করতে দেওয়া হয়নি। চাকরি হারালে আমার মতো আরও অনেক কর্মচারীকে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে পথে বসতে হবে।

অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীরা ছাঁটাই হচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে বিসিসি’র প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি জনসংযোগ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। জনসংযোগ কর্মকর্তা আহসান উদ্দিন রোমেল বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল সিটি করপোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শওকত আলী বলেন, নগর ভবনে চুক্তিভিত্তিক ৪২ জন কর্মচারী রয়েছেন। তবে তাদের চুক্তির সুনির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ করা হয়নি। ফলে এ নিয়োগ বিধিমতো হয়নি।

তিনি আরও বলেন, আনুমানিক ১৫ জনের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের প্রক্রিয়া চলছে। তবে অস্থায়ী কর্মচারী ছাঁটাইয়ের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।




ছাত্রদের আন্দোলনে প্রথম দিন থেকেই ছিলাম : জিএম কাদের




‘বরিশালে বিএনপি নেত্রী শিরীন বাড়ি দখল করেনি সংবাদ সম্মেলনে মারিয়া মুন্নি”

বরিশাল অফিস :: দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে বিএনপি নেত্রী সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাড. বিলকিস জাহান শিরীন এর বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের বিষয়টি সত্য নয়। এ বি এম সালাউদ্দিন খাঁন সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে এ সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। এমন অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মারিয়া মুন্নি।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় বরিশাল সদর রোড কাকলীর মোড় সংলগ্ন সোবাহান কম্পলেক্স এর ২য় তলায় গার্ডেন ইন রেস্তোরাঁয় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে মারিয়া মুন্নি বলেন, আমি নগরীর ব্রাউন কম্পাউন্ড এলাকার বাসিন্দা। আমার প্রতিবেশী আ ব ম মহিউদ্দিন খাঁন চৌধুরী ও সাদিয়া আক্তার ডালিয়া। তাদের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি সহ নীচ তলা সম্পূর্ণ ফ্লাট বিক্রিব জন্য প্রস্তাব দিলে, আমি আমার বাবাকে উক্ত ফ্লাট ক্রয়ের জন্য জানাই। আমার বাবা, মা, ভাই ও বোন প্রায় ১৮ বছর ধরে আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে উক্ত সময়ে তারা দেশে আসতে পারেনি। তাদের পাঠানো অর্থে এবং পরিবারের সম্মতিতে ২০১৯ সালের ২০ নভেম্বর উক্ত জমি সহ ফ্লাটটি আমি আমার নিজের নামে ক্রয় করি। তারপর গত ৫ বছর ধরে জমি সহ ক্রয়কৃত ফ্লাটটিতে আমি ও আমার পরিবার বসবাস করে আসছি।

বরিশাল নগরীতে আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি হল- মৌজাঃ বগুড়া আলেকান্দা, জে.এল নং-৫০, এস এ খতিয়ান নং-১২২২৮, মোট জমির পরিমান ৩ শতাংশ ও উপরিস্থিত ২য় তলা সম্পূর্ণ ও ৩ তলার অর্ধেক নির্মিত যাহার মধ্যে আমার খরিদ ও ভোগকৃত সম্পত্তি জমির পরিমান ১ শতাংশ এবং নিচ তলা সম্পূর্ণ ও ৩য় তলার অর্ধেক।

মুন্নি আরো বলেন, উক্ত বিল্ডিং এর ২য় তলায় বিক্রেতাদের এক ভাই মৃত. মনিরুল ইসলাম কামাল এর পরিবার বসবাস করছেন। সুতারং বাড়ী দখলের তথ্যটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে আমি বরিশাল পুলিশ কমিশনার, সদর কোতয়ালী মডেল থানা, বিভাগীয় কমিশনার, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বরিশাল প্রেস ক্লাব বরাবর সহযোগীতার আবেদন করেছি। একটি মহল এ্যাড. বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এর রাজনৈতিক ও সামাজিক সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য উক্ত এ বি এম সালাউদ্দিন খাঁন কে দিয়ে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এ বি এম সালাউদ্দিন খাঁন এর পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে তারই এক ভাই বরিশাল যুগ্ম জজ আদালতে একটি মোকদ্দমা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১১৩/২০১৯। বিজ্ঞ আদালতে মামলাটি এখনও চলমান রয়েছে। এ বি এম সালাউদ্দিন খাঁন দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তার বাড়ী দখলের তথ্যটি ভিত্তিহীন। তিনি সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুন্নি বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের অনুকূলে সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষ বরাবর ‘শিরীনের বাড়ী দখলের তথ্যটি ভিত্তিহীন’ সেই মর্মে কোন প্রতিবাদ বা লিখিত আবেদন করেননি। বিষয়টি তিনি (মুন্নি) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়েছেন বলে ব্যক্ত করেন। ওয়ারিশগণের মধ্যে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব বা মামলা থাকলে সেই জমি ক্রয় করেছিলেন কিভাবে? এমন প্রশ্নে মুন্নি বলেন, পারিবারিক বন্টন নামা বা বাটোয়ারা রয়েছে। সেই বন্টন নামার অনুকূলে জমি ক্রয়-বিক্রয় হয়েছিল। বন্টন নামটি বাসায় রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়-স্থানীয় প্রিন্ট পত্রিকাও অনলাইন নিউজ পোর্টালের বরিশালের সাংবাদিকবৃন্দ।




পটুয়াখালীতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পটুয়াখালীতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পটুয়াখালীর ঝাউতলা ফোরলেন ওয়াকওয়েতে অনুষ্ঠিত হয় এ সম্মেলন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল বশর আজিজী।

ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাস এবং শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ১৩ জন শহীদ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হয়েছে। আমরা আজকের এই দিনে তাদের স্মরণ করছি এবং আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। পাশাপাশি আমরা এই ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনা সরকারের রাজনৈতিক সংগঠনকে আজীবনের জন্য বাংলার জমিনে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি, কারণ এই খুনি দলের রাজনীতি করার কোনো অধিকার বাংলার জমিনে নেই।

সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম রশিদী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলা সভাপতি মুফতি মুহাম্মাদ হাবিবুর রহমান, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) মাওলানা আর আই এম অহিদুজ্জামান, বাংলাদেশ কোরআন শিক্ষা বোর্ড পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মো. আনসার উল্লাহ আনসারী এবং ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ পটুয়াখালী জেলা সভাপতি উপাধ্যক্ষ মুহাম্মাদ জসিম উদ্দিন জাফর।

অনুষ্ঠানে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম, বাংলাদেশ কোরআন শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন এর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়ে যা বললেন জয়শঙ্কর




ফেনী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা




গলাচিপায় বজ্রপাতে ৩ গরু নিহত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় বজ্রপাতে এক দরিদ্র কৃষকের ৩টি গরু মারা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক ভোর ৫ টার দিকে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নলুয়াবাগীর বাদুরা গ্রামের কৃষক মজিবার খানের তিনটি গরু মারা যায়।

এ বিষয়ে দরিদ্র কৃষক মজিবার খান বলেন, গরুগুলো আমার নিজ গোয়াল ঘরে বাঁধা ছিল।আনুমানিক ভোর ৫ টার দিকে বজ্রপাতের কারণে গরুগুলো মারা গেছে।

তিনি আরও বলেন, এতে আমার প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এ দিকে গোলখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো.নাসির উদ্দিন জানান, খোঁজ নিয়েছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। দেখি পরবর্তীতে উনার জন্য কিছু করা যায় কিনা।

উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা.সজল দাস বলেন, আমি আপনার মাধ্যমে খবরটি জানলাম। আমার অফিস থেকে লোক পাঠিয়ে খবর নিচ্ছি। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




সমুদ্রে সতর্কসংকেতে জেলেদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ দিকে পায়রা বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেতে উপকূলীয় অঞ্চল কলাপাড়ার জেলেদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। আবহাওয়ার খারাপ পরিস্থিতিতে সাগরে মাছ শিকার থেকে বঞ্চিত জেলেরা। গত সপ্তাহের শুরুতে আবহাওয়া খারাপ থাকায় জেলেরা সমুদ্রে অবস্থান না করতে পেরে আলিপুর ও মহিপুর বন্দরে নিরাপদে অবস্থান করছে। আবারো সমুদ্রে সতর্ক সংকেত দেওয়ায় জেলেদের মধ্যে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে।

জেলেরা জানান, আশা ছিল এ সপ্তাহে মাছ ধরার সুযোগ পেলে কিছুটা স্বস্তি মিলবে। কয়েকদিন পরেই আবার ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা গত ২৩ জুলাই মধ্যরাতে শেষ হলেও নদ-নদী ও সাগরে তেমন ইলিশ ধরা পড়ছে না। কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা না পেয়ে জেলেরা হতাশ। ইলিশের ভরা মৌসুমেও উপকূলীয় কুয়াকাটা জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না রুপালি ইলিশ। একদম ইলিশ শূন্য জেলেরা। দুশ্চিন্তা পিছু ছাড়ছে না এখানকার জেলেদের।

কলাপাড়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের ইলেকট্রনিক প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অ্যান্ড পিবিও আব্দুল জব্বার শরীফ বলেন, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। জেলেদের সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে।