মারধরের পর সাবেক এমপি শাহে আলমকে থানায় দিল জনতা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বরিশাল–২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহে আলম তালুকদারকে মারধরের পর রাজধানীর গুলশান থানায় সোপর্দ করেছে সাধারণ মানুষ।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে গুলশান থানায় সোপর্দ করা হয় জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপ–পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রিয়াজুল হক।

পুলিশ কর্মকর্তা জানান, শাহে আলম তালুকদার বর্তমানে গুলশান থানায় আটক অবস্থায় আছেন। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা থাকলে, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে সূত্র জানিয়েছে, চাঁদার দাবিতে হামলা মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ১১ সেপ্টেম্বর শাহে আলম তালুকদারের বিরুদ্ধে বরিশালের একটি আদালতে মামলা করেছেন সৈয়দ আতিকুর রহমান নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে। মামলায় শাহে আলমের সঙ্গে তার তিন ভাইসহ ১৪ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। তাকে সেই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হতে পারে।

শা‌হে আলম তালুকদার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-২ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।




সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গ্রেফতার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : গণঅভ্যুত্থানে সদ্য বিদায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাজধানী ইস্কাটন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সাবেক এই মন্ত্রীকে রাজধানীর আদাবর থানার একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাকে র‌্যাব আদাবর থানায় হস্তান্তর করেছে বলে জানিয়েছেন আদাবর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজ ইমতিয়াজ।

র‍্যাবের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় বলা হয়, গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন ছাত্র জনতার ওপর গুলিবর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে রাজধানীর ইস্কাটন এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-২।

ফরহাদ হোসেন ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর–১ আসন থেকে প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে দ্বিতীয়বার বিজয়ী হওয়ার পর তিনি জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হওয়ার পর তাকে একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। এই আন্দোলনে গুলি করে শত শত মানুষ হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা হয় দলটির নেতা, সরকারের মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের। ইতোমধ্যে দলটির নেতাদের বিরুদ্ধে কয়েকশ মামলা হয়েছে, যার বেশির ভাগই হত্যা মামলা।




ইসরাইলি সেনাপ্রধান পদত্যাগ করছেন, বিপাকে নেতানিয়াহু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইসরাইলের সেনাপ্রধান চিফ অব স্টাফ হারজি হালেভি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী ডিসেম্বর নাগাদ তিনি পদত্যাগ করবেন বলে জানা যায়। এ পরিস্থিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু চরম বিপাকে পড়েছেন। তার কাছের বলয়ের একের পর এক শীর্ষ কর্মকর্তা পদত্যাগ করছেন। শুক্রবার গণমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ইসরাইলে হামলা চালায়। ওই হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হয় ইসরাইলের নিরাপত্তা বাহিনী। সে ঘটনায় ব্যর্থতার দায়ে এবার সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন ইসরাইলি সেনাপ্রধান। ওই হামলা ঠেকাতে সেনাবাহিনীর ব্যর্থতা নিয়ে তদন্ত ডিসেম্বর নাগাদ শেষ করবে তেল আবিব। এ সময়ে লেবাননের সঙ্গে সর্বাত্মক যুদ্ধের সব প্রস্তুতিও শেষ করবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। এর আগে ইসরাইলি সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী ইউনিট ৮২০০-এর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়োসি সারিয়েল পদত্যাগের ঘোষণা করেছেন। অপর এক খবরে বলা হয়, ফিলিস্তিনের গাজায় দীর্ঘসময় ধরে যুদ্ধ চলতে থাকায় এক হাজারেরও বেশি ইসরাইলি সেনা চাকরি ছাড়ার আবেদন করেছে। ইসরাইলি সংবাদ মাধ্যমগুলো এই তথ্য ফাঁস করে জানিয়েছে, আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন পদ-মর্যাদার অফিসার বা সেনা-কর্মকর্তা। সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, ব্যাপক বিক্ষোভ ও নৈরাজ্য দেখা দেওয়ার ভয়ে ইসরাইলের সশস্ত্র বাহিনী এই সেনাদের পদত্যাগ বা ইস্তফার আবেদনের খবর গোপন রেখেছে। সম্প্রতি ৮ হাজার ২০০ নম্বর ইউনিট নামে ইসরাইলি সেনা গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান পদত্যাগ করেছেন। ইসরাইলি সেনা কর্মকর্তারা এর আগেও জানিয়েছেন যে ইসরাইলি সশস্ত্র বাহিনী ব্যাপক সেনা-ঘাটতি রয়েছে। এর ফলে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ রিজার্ভ সেনাদের যুদ্ধে যোগ দিতে বলেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ ১১ মাস ধরে ইসরাইলি আগ্রাসন ও অপরাধযজ্ঞ চালিয়েও গাজার প্রতিরোধ যোদ্ধাদের কাবু করতে পারেনি ইসরাইল। বরং ইসরাইলি সেনাদের ক্রমবর্ধমান ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের কারণে গাজায় পরাজয়ের মুখে রয়েছে ইসরাইল। এ অবস্থায় এক হাজারেরও বেশি ইসরাইলি সেনা এই যুদ্ধের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে ইস্তফা দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। আনাদোলু, রয়টার্স।




পটুয়াখালীতে বৈরী আবহাওয়ায় উপকূলের জেলেরা দিশেহারা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বৈরী আবহাওয়া ও গভীর সমুদ্রে আশানুরূপ ইলিশের দেখা না পাওয়ায় হতাশা দেখা দিয়েছে পটুয়াখালীর বৃহত্তম মৎস্যবন্দর আলিপুর – মহিপুরের জেলে পরিবারের মাঝে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে লোকসানের মুখে সামুদ্রিক মাছ আহরণের সঙ্গে জড়িত জেলেরা।

পায়রা সমুদ্র বন্দরের ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ায় বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস। তাই দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে আলিপুর- মহিপুর মৎস্য বন্দরে অবস্থান করছেন মাছ ধরার হাজার হাজার ট্রলার। তাই ট্রলারের শহরে পরিণত হয়েছে শিব বাড়িয়া নদী। বোটগুলো ঘাটে ফিরলেও ইলিশের দেখা মেলেনি।

জেলেরা জানান, বছরের বেশিরভাগ সময় সরকারি নিষেধাজ্ঞা তারমধ্যে আবার আবহাওয়া খারাপ থাকায় আমাদের পেশা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আমরা অবরোধ শেষে সাগরে যেতে পারলাম না, এর মধ্যে আবার আবহাওয়া খারাপের কারণে ফিরে আসলাম। কোন ইলিশের দেখা পায়নি, তৈল এবং বাজারের টাকা সব লস হয়ে গেল। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে একযোগে অবরোধ এবং জেলেদের সরকারি সুবিধা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের দাবি জানান তারা।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু শাহ বলেন, গত মৌসুমের তুলনায় এবার বেশি ইলিশ আহরণের সম্ভবনা রয়েছে। তাই আবহাওয়া অনুকূলে এলেই আবারও শিকারে গভীর সমুদ্রে যাবেন জেলেরা।

এদিকে জেলেদের নিরাপত্তায় নানান ধরনের ডিভাইস প্রদানসহ অন্যান্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।




যাদের আয়কর রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: গত আয় বর্ষের আয়ের ওপর ব্যক্তি শ্রেণির আয়কর রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম শুরু হয়েছে। করদাতাদের কর প্রদান সহজ করার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দেওয়ার ব্যবস্থা প্রচলন করা হয়েছে।

বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে সর্বশেষ আয়কর আইন অনুযায়ী করযোগ্য আয় রয়েছে এবং এর বাইরে বেশ কিছু সেবা গ্রহণের জন্যও আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের মধ্যে যাদের বার্ষিক আয় সাড়ে ৩ লাখ টাকা অতিক্রম করেছে, তাদের আয়কর রিটার্ন দিতে হবে। তবে মহিলা বা যাদের বয়স ৬৫ অতিক্রম করেছে, তাদের বার্ষিক আয় ৪ লাখ টাকা হলে বা করদাতা তৃতীয় লিঙ্গের হলে বার্ষিক আয় পৌনে ৫ লাখ টাকা এবং গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের আয় ৫ লাখ টাকা হলে আয়কর রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক।

এর বাইরে আরও কিছু ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। সর্বশেষ আয় বছরে করযোগ্য আয় না থাকলে যদি আগের তিন বছরের মধ্যে যে কোনো বছর কর নির্ধারণ হয়ে থাকলে বা আয়করযোগ্য হয়ে থাকলে তাকে রিটার্ন দিতে হবে। কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হলে, কোনো কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার  হলে, সরকারি কর্মচারী হলে, কোনো ব্যবসায় বা পেশায় যে কোনো নির্বাহী বা ব্যবস্থাপনা পদে বেতনভোগী কর্মী হলে এবং কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত হারে করযোগ্য আয় থাকলে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক।

২০ লাখ টাকার বেশি ঋণ নিতে হলে, আমদানি বা রপ্তানি নিবন্ধন সনদ পেতে বা বহাল রাখতে, সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স পেতে বা নবায়ন করতে, সমবায় সমিতির নিবন্ধন পেতে, সাধারণ বীমা তালিকাভুক্ত সার্ভেয়ার হতে ও লাইসেন্স পেতে বা নবায়ন করতে, সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় ১০ লাখ টাকার বেশি মূল্যে কোনো জমি বা ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি বা লিজ বা হস্তান্তর বা বায়নানামা বা আমমোক্তারনামা নিবন্ধন করতে রিটার্ন জমা দিতে হবে। ক্রেডিট কার্ড নিতে বা বহাল রাখতে, বিয়ের রেজিস্ট্রার হিসেবে লাইসেন্স পেতে বা নিয়োগ পেতে, ব্যবসায়ী বা পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যপদ পেতে বা বহাল রাখতে, ড্রাগ বা ফায়ার লাইসেন্স পেতে বা নবায়ন করতে বা পরিবেশ ছাড়পত্র বা বিএসটিআই লাইসেন্স বা ছাড়পত্র পেতে, যে কোনো এলাকায় গ্যাসের বাণিজ্যিক ও শিল্প সংযোগ পেতে বা বহাল রাখতে, সিটি করপোরেশন এলাকায় আবাসিক গ্যাস সংযোগ নিতে বা বহাল রাখতে, লঞ্চ বা স্টিমার বা মাছ ধরার ট্রলার বা কার্গো বা কোস্টার বা ডাম্ব বার্জসহ যে কোনো ধরনের ভাড়ায় চালিত নৌযানের সার্ভে সার্টিফিকেট পেতে বা বহাল রাখতে, পরিবেশ অধিদপ্তর বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ইট উৎপাদনের অনুমতি পেতে বা নবায়ন করতে জমা দিতে হবে রিটার্ন।

সিটি করপোরেশন বা জেলা সদর বা পৌরসভা এলাকার ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে শিশু বা পোষ্য ভর্তিতে, সিটি করপোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে বা বহাল রাখতে, কোনো কোম্পানির এজেন্সি বা ডিস্ট্রিবিউটরশিপ পেতে বা বহাল রাখতে, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে বা বহাল রাখতে, আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খুলতে, ৫ লাখ টাকার বেশি পোস্ট অফিস সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে, যে কোনো ব্যাংকে ১০ লাখ টাকার বেশি মেয়াদি আমানত (টার্ম ডিপোজিট) হিসাব খুলতে বা বহাল রাখতে, ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে, ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়া পৌরসভাসহ জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিতে, মোটরযান বা স্পেস বা বাসস্থান বা অন্যান্য সম্পদ সরবরাহের মাধ্যমে শেয়ারড ইকোনমিক কার্যক্রমে অংশ নিতে, ব্যবস্থাপনা বা প্রশাসনিক বা উৎপাদন কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানকারী পদমর্যাদার কর্মকর্তা ব্যক্তির বেতন-ভাতাদি পেতে, মোবাইল ব্যাংকিং বা মোবাইল ফোনের হিসাব রিচার্জের মাধ্যমে কমিশন পেতে, অ্যাডভাইজরি বা কনসালট্যান্সি বা ক্যাটারিং বা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট বা জনবল সরবরাহ বা নিরাপত্তা সরবরাহ সেবা বাবদ কোনো দেশীয় কোম্পানির কাছ থেকে অর্থ পেতে জমা দিতে হবে আয়কর রিটার্ন।

এমপিওভুক্ত ১৬ হাজার টাকার বেশি পেতে, বীমা কোম্পানির এজেন্ট লাইসেন্স পেতে, চার চাকার মোটরযানের নিবন্ধন বা মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়নকালে, এনজিও ব্যুরো বা মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি থেকে লাইসেন্স পেতে বা বিদেশি অনুদানের অর্থ ছাড় করতে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বাংলাদেশি ভোক্তাদের কাছে পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে, কোম্পানি বা সোসাইটি আইনের অধীনে নিবন্ধিত ক্লাবের সদস্যপদ পেতে, পণ্য সরবরাহ বা চুক্তি সম্পাদন বা সেবা সরবরাহের উদ্দেশ্যে নিবাসীর টেন্ডার দাখিলে, কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো ধরনের পণ্য বা সেবা সরবরাহ গ্রহণকালে, পণ্য আমদানি বা রপ্তানির বিল অব এন্ট্রি দাখিলে, রাজউক বা অনুরূপ কর্তৃপক্ষের থেকে ভবনের নকশা অনুমোদন নিতে, স্ট্যাম্প বা কোর্ট ফি বা কার্টিজ পেপারের ভেন্ডর বা দলিল লেখক হিসেবে নিবন্ধন বা লাইসেন্স নিতে বা তালিকাভুক্ত হতে বা বহাল রাখতে, ট্রাস্ট বা তহবিল বা ফাউন্ডেশন বা এনজিও বা ক্ষুদ্রঋণ বা সোসাইটি বা সমবায় সমিতির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে বা চালু রাখতে, সিটি করপোরেশন এলাকায় বাড়িভাড়া বা লিজ নিতে, হোটেল বা রেস্টুরেন্ট বা মোটেল বা হাসপাতাল বা ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স পেতে বা নবায়ন করতে, সিটি করপোরেশন এলাকায় কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন হলের সেবা নিতে হলে আয়কর রিটার্ন দিতে হবে।

এ ছাড়া আয়করদাতা চিকিৎসক, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউনট্যান্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি বা সার্ভেয়ার বা সমজাতীয় পেশায় নিয়োজিতদের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

 




৫৮৯ জনের পাসপোর্ট বাতিল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: শেখ হাসিনার পাসপোর্টের মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত। কিন্তু বাতিল হওয়ায় অন্য কোনো দেশে যাওয়া কঠিন * বাতিল পাসপোর্ট ব্যবহার করে দেশ ত্যাগ বা তৃতীয় কোনো দেশে যাতায়াতের ওপর কঠোর নজরদারির নির্দেশ হয়েছে l

হাসিনা সরকারের সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নামে ইস্যুকৃত বিশেষ প্রাধিকারভুক্ত লাল পাসপোর্ট বাতিল এবং সংরক্ষিত ব্যক্তিগত তথ্য (ডাটা) জব্দ করা হয়েছে।

এছাড়া বাতিল পাসপোর্ট ব্যবহার করে তারা যাতে বাংলাদেশ ত্যাগ বা তৃতীয় কোনো দেশ ভ্রমণ করতে না পারেন সে বিষয়ে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সাবেক মন্ত্রী-এমপি ও তাদের পরিবারের সদস্য মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৫৮৯ জনের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ পদক্ষেপের ফলে শেখ হাসিনাসহ ইতোমধ্যে যারা সীমান্ত অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছেন তাদের পক্ষে বিদেশের মাটিতে নির্বিঘ্নে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়বে। এছাড়া হাতে বৈধ পাসপোর্ট বা স্বীকৃত ভ্রমণ দলিল না থাকায় বন্ধ হবে রাজনৈতিক আশ্রয়ের পথ।

সূত্র জানায়, সরকার পতনের পরপরই হাসিনার মন্ত্রী-এমপি ছাড়াও ১৪ দলীয় জোট নেতাদের পাসপোর্টও বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া আওয়ামী লীগের আশীর্বাদপুষ্ট সাবেক সচিব, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত বিভিন্ন সংস্থা প্রধান ও পদত্যাগকারী ভিসিদের পাসপোর্ট নবায়নে এখন ব্যাপকভাবে কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে।

এদের মধ্যে যারা লাল পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন করেছেন তাদের ক্ষেত্রে অন্তত দুটি গোয়েন্দা সংস্থার ছাড়পত্র প্রয়োজন হবে।

সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের পাসপোর্ট বাতিল ও অন্য কোনো দেশ ভ্রমণে কড়াকড়ি আরোপের বিষয়ে ৩ সেপ্টেম্বর চিঠি দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত হওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উক্ত সংসদের কূটনৈতিক পাসপোর্টের প্রাধিকারভুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীবর্গ, প্রতিমন্ত্রীবর্গ, উপমন্ত্রী, চিফ হুইপ, সংসদ-সদস্য, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, উপনেতা, উপদেষ্টা পদমর্যাদার ব্যক্তিবর্গের অনুকূলে ইস্যুকৃত কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে। উক্ত বাতিল পাসপোর্ট ব্যবহার করে যাতে কেউ বাংলাদেশ হতে বিদেশে বা বিদেশ হতে তৃতীয় কোনো দেশে ভ্রমণ করতে না পারেন সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

তালিকায় যারা : ইতোমধ্যে সাবেক মন্ত্রী-এমপি ও তাদের পরিবারের সদস্য মিলিয়ে ৫৮৯ জনের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ২২ আগস্ট পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর পরপরই দ্রুততম সময়ে লাল পাসপোর্টধারী মন্ত্রী-এমপি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের তালিকা করা হয়।

পরে তালিকার কপি আগারগাঁও বিভাগীয় কার্যালয়সহ দেশের সব পাসপোর্ট অফিসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া পুলিশের বিশেষ শাখা ও অন্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত শাখা প্রধানদের কাছেও অনুলিপি দেওয়া হয়।

সূত্র জানায়, তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট বাতিলের পর কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত তাদের ব্যক্তিগত তথ্যও (ডাটা) জব্দ করা হয়েছে। ফলে এদের মধ্যে কেউ পাসপোর্ট প্রতিস্থাপন বা নবায়নের চেষ্টা করলে আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রত্যাখ্যান হচ্ছে। এতে দালাল চক্রের মাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে পেছন দরজা দিয়ে কেউ পাসপোর্ট নেওয়ার চেষ্টা করলে লাভ হবে না।

বাতিল পাসপোর্টের তালিকা ঘেঁটে দেখা যায়, ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট রয়েছে। তার পাসপোর্ট নম্বর ডি০০০১০০১০। দেশে ই-পাসপোর্ট সেবা চালুর পরপরই তিনি তার পুরোনো এমআরপি (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট) বদল করেন। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি ৬৪ পাতার একটি ই-পাসপোর্ট নেন তিনি। তবে কূটনৈতিক পাসপোর্ট ৫ বছর মেয়াদি হলেও নিয়ম ভেঙে হাসিনাকে ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট দেওয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পাসপোর্ট কর্মকর্তা  বলেন, শেখ হাসিনার হাতে বৈধ পাসপোর্ট না থাকায় ভারতের বাইরে অন্য কোনো দেশে যাওয়া তার পক্ষে কঠিন। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে আগে তার অনুকূলে বৈধ ট্রাভেল পাশ ইস্যু করতে হবে। অন্যথায় তিনি ভ্রমণের অযোগ্য হিসাবে বিবেচিত হবেন। এছাড়া পাসপোর্ট বাতিল হওয়ায় হাসিনার পক্ষে তৃতীয় কোনো দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়া কঠিন।

সরেজমিন আগারগাঁও বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে জানা যায়, আত্মগোপনে থাকা সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা নিজে না এলেও পরিবারের নামে ইস্যুকৃত লাল পাসপোর্ট বদলে সাধারণ পাসপোর্ট পাওয়ার তদবির করছেন তাদের প্রতিনিধিরা।

এছাড়া সাধারণ পাসপোর্ট পেতে বর্তমানে ঢাকার পাসপোর্টের প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত যাতায়াত করছেন সরকার ঘনিষ্ঠ সাবেক ও বর্তমান উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। এদের মধ্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাঈনউদ্দিন আব্দুল্লাহ সস্ত্রীক নিজে থেকেই লাল পাসপোর্ট সমর্পণ করেছেন। বর্তমানে তারা সাধারণ পাসপোর্ট নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পাসপোর্ট কর্মকর্তা  বলেন, নিজে আত্মগোপনে থাকালেও সাবেক একজন মন্ত্রী স্ত্রীসহ পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য পাসপোর্ট নবায়নের চেষ্টা করছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টির বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা পাসপোর্ট নিয়ে জটিলতায় পড়েছেন। বিশেষ করে তারা লাল পাসপোর্ট সমর্পণ করে সাধারণ পাসপোর্ট নেওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সফল হননি।

বিদেশি পাসপোর্ট : বেশিরভাগ আটকা পড়লেও পতিত হাসিনা সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-এমপি ইতোমধ্যে দেশ ত্যাগ করেছেন এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে কুমিল্লার সাবেক প্রতাপশালী এমপি আ ক ম বাহার উদ্দিন ও মেয়ে সাবেক কুসিক মেয়র সূচনা বাহার ৫ আগস্টের পরপরই পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

বর্তমানে তারা ভারতে অবস্থান করছেন বলে জানা যায়। এছাড়া সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ভারত হয়ে বর্তমানে বেলজিয়ামে অবস্থান করছেন। এমনকি প্রতাপশালী পুলিশ কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার ভারতীয় পাসপোর্টে দেশ ছেড়েছেন বলে খবর ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ।

সূত্র বলছে, কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় বিপদ টের পেয়ে আগেভাগেই দেশ ছাড়েন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, শেখ হাসিনার কথিত আত্মীয় এবং এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ আরও অনেকে। এদের মধ্যে কেউ কেউ ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ের খোঁজ করছেন বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব বা অন্য কোনোভাবে কেউ বিদেশি পাসপোর্ট নিয়ে থাকলে তার পক্ষে দেশ ত্যাগ এবং বিদেশ ভ্রমণ সহজ। কারণ ইমিগ্রেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার কাছে দেশীয় পাসপোর্টের তথ্য থাকলেও বিদেশি পাসপোর্টের তথ্য থাকে না। ফলে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য ছাড়া বিদেশি পাসপোর্টধারীদের আটকানো কঠিন। এছাড়া সিঙ্গাপুর, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, হংকং ও ফ্রান্সসহ বেশ কয়েকটি দেশের পাসপোর্টধারীরা বিশ্বের যে কোনো দেশে অবাধ যাতায়াতের সুযোগ পেয়ে থাকেন। আগে থেকে তাদের ভিসা নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

প্রাধিকার তালিকা অনুযায়ী সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও কূটনৈতিক ছাড়াও অন্তত ১৯টি ক্যাটাগরিতে লাল পাসপোর্ট দেওয়া হয়। এর মধ্যে মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিযুক্ত ব্যক্তি, সিটি করপোরেশনের মেয়র, সচিব, সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল, আইজিপি ও তাদের স্বামী বা স্ত্রী বিশেষ সুবিধার লাল পাসপোর্ট পেয়ে থাকেন। অবশ্য সংশ্লিষ্টদের কেউ ইচ্ছে করলে লাল পাসপোর্টের বদলে সাধারণ পাসপোর্টও নিতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে তাকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিতভাবে পূর্ব-অনুমোদন নিতে হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে কূটনৈতিক মর্যাদার লাল পাসপোর্ট কতজনকে দেওয়া হয়েছে তার সঠিক হিসাব পাসপোর্ট অধিদপ্তর বা অন্য কোনো একক সংস্থার কাছে নেই। কারণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও পররাষ্ট্রসহ একাধিক মন্ত্রণালয় থেকে কূটনৈতিক পাসপোর্ট ইস্যুর নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে বুকলেট প্রিন্টিংয়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয় পাসপোর্ট অধিদপ্তর। তবে দেশে লাল পাসপোর্টধারীর সংখ্যা দেড় হাজারের কাছাকাছি হতে পারে।




নেতাকর্মীদের জরুরি নির্দেশনা দিলো আওয়ামী লীগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: নেতাকর্মী ও সমর্থকদের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, দলীয় নেতাকর্মীদের প্রথম কাজ তৃণমূলের পাশে দাঁড়ানো। তথ্যের জন্য আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ইমেইলে [ info@albd.org ] যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো প্রকার উস্কানি বা প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না। সারাদেশে জুলাই মাসের শেষ থেকে আগস্টের শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর যত হামলা হয়েছে, ভাঙচুর, লুটপাট ও হত্যাকাণ্ড হয়েছে সেইগুলোর ছবি এবং ভিডিও টুইটার [এক্স], ফেসবুক, ইউটিউবে প্রচার করুন। দেশবাসীকে জানাতে হবে কী নির্যাতন হয়েছে গত দেড় মাসে আওয়ামী লীগের উপর।

জনগণের আস্থা অর্জন কররার লক্ষ্যে কোনো ধরনের উস্কানিমূলক পোস্ট বা ভুয়া বার্তায় বিভ্রান্ত না হতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও হয়, প্রতি মহানগর, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কার্যালয় ও নেতারকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে যে ক্ষতি হয়েছে তা দেশের মানুষকে জানান এবং বর্তমানে যারা দেশ চালাচ্ছে তাদের কাছেও আমরা দাবি জানাবো- সকল হামলা, নির্যাতন, ভাঙচুর, লুটপাটের বিচার করতে হবে, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দিতে  l




টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন আজ 




গাজায় যুদ্ধ না থামালে ইসরায়েলিদের বাড়ি ফিরতে দেবে না হিজবুল্লাহ




ফের খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট