তালতলীতে জামায়াতের কর্মী সম্মেলন

বরিশাল অফিস :: বরগুনার তালতলীতে দীর্ঘ ১৭ বছর পর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত  হয়েছে। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মডেল মসজিদের সভাকক্ষে এ কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

তালতলী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা মো. শাহজালাল পিয়াদার পরিচালনায় কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশের সূরা সদস্য ও বরগুনা জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মাওলানা মো. মুহিবুল্লাহ হারুন। তালতলী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে কর্মী সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আফজালুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান আল-মামুন সহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মী সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আওয়ামী-বাকশালীরা আমাদের প্রথমসারির সকল নেতাকে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। অসংখ্য নেতাকর্মীকে গুম-খুন করা হয়েছে। এমন কোনো জুলুম-নির্যাতন নেই, যা আমাদের ওপর চালানো হয়নি। কিন্তু তারা জামায়াতের অগ্রযাত্রা কোনোভাবেই রোধ করতে পারেনি। এ সময় বক্তারা আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদেরকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করেছে। আমরা এ সকল হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক বিচার দাবি করছি।




বরিশালের ২২ গ্রামে পেয়ারার রাজত্ব

বরিশাল অফিস :: এখন পেয়ারার মৌসুম। এ সময় ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে বরিশাল, পিরোজপুর ও ঝালকাঠির পেয়ারা হাটগুলো। এভাবে দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল, পিরোজপুর ও ঝালকাঠির পেয়ারা স্থানীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে আসছে।

বরিশাল জেলার বানারীপাড়া ও পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলার ২২টি গ্রামজুড়ে দেশের সবচেয়ে বড় পেয়ারা বাগান অবস্থিত। স্বরূপকাঠি উপজেলার আটঘর, কুড়িয়ানা, আদমকাঠি, ধলহার, কঠুরাকাঠি গ্রাম এবং ঝালকাঠি ও বরিশালের বানারীপাড়ার মোট ২২টি গ্রামের কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে পেয়ারার চাষ হয়। আটঘর-কুড়িয়ানা বাংলার আপেলখ্যাত পেয়ারাসমৃদ্ধ গ্রাম। এশিয়ার বিখ্যাত এ পেয়ারাকে স্থানীয় ভাষায় গইয়া কিংবা শবরি বলা হয়। তবে জাতীয়ভাবে এটি পেয়ারা নামে পরিচিত। পুষ্টিমানের দিক থেকে একটি পেয়ারা চারটি আপেলের সমতুল্য বলে কৃষি বিশেষজ্ঞরা অভিমত দিয়েছেন।

 

আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্রের অর্ধেক– এই আড়াই মাস জমে ওঠে পেয়ারা বেচাকেনা। পেয়ারা চাষ ও ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এসব এলাকায় গড়ে উঠেছে ২০টিরও বেশি ছোট-বড় ব্যবসাকেন্দ্র ও হাট। স্থানীয়ভাবে বলা হয় পেয়ারার মোকাম। এ মোকামগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে– আটঘর, কুড়িয়ানা, ভিমরুলী, ডুমুরিয়া, শতদশকাঠি, বাউকাঠি। প্রতিদিন সকালে এসব মোকামে চাষিরা ছোট ছোট ডিঙিতে করে সরাসরি বাগান থেকে পেয়ারা নিয়ে এসে পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন। পাইকাররা তা কিনে ট্রাক ও ট্রলারযোগে নিয়ে যান ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।

আটঘর-কুড়িয়ানাখ্যাত বাগান থেকে ছোট ও মাঝারি নৌকায় করে বিপুল পরিমাণ পেয়ারা ভিমরুলীর ভাসমান হাটে নিয়ে আসেন চাষিসহ বাগান পর্যায়ের ক্রেতারা। সেখান থেকে পাইকারসহ খুচরা ব্যবসায়ীরা পেয়ারা কিনে নিয়ে যান দেশের বিভিন্ন বাজারে। ট্রলার ছাড়াও লঞ্চ, বাস, পিকআপ ও ট্রাকে করেও ভিমরুলী থেকে পেয়ারা যায় দেশের বিভিন্ন বাজার ও মোকামে।

আটঘর-কুড়িআনার এ পেয়ারা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে গত এক দশক ধরে প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার আগরতলা বাজারেও বিক্রি হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, এ অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পেয়ারার চাষ হয় পিরোজপুরের নেছারাবাদে। এ উপজেলায় ৬০০ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে অন্তত ৭ হাজার ৬৫৬ টন পেয়ারা উৎপাদন হয়। ঝালকাঠি সদরে ৫৯১ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয় ৬ হাজার ৩৫৫ টন ও বরিশালের বানারীপাড়ায় ২১০ হেক্টর জমিতে উৎপাদিত হয় ২ হাজার ৯৪০ টন পেয়ারা। সব মিলিয়ে এ তিন উপজেলায় এক হাজার ৬৩৬ হেক্টর জমিতে ১৬ হাজার ৯৫১ টন পেয়ারা উৎপাদিত হয়; যার দাম প্রায় ২০ কোটি টাকার বেশি।

স্থানীয় প্রবীণ কৃষক লাল মিয়া জানান, ষাট-সত্তর দশকে ঢাকায় পেয়ারা পাঠানো হতো লঞ্চে। আশির দশকে ঝালকাঠি থেকে স্টিমারে তুলে দেওয়া হতো পেয়ারা। নব্বই দশকে বানারীপাড়ার জম্বুদ্বীপ থেকে প্রতিদিন দু-চারটি পিকআপে ঢাকায় পেয়ারা পাঠানো শুরু হয়। পরে ২০১৬ সালে মিনি ট্রাক এবং ২০১৯ সাল থেকে বড় ট্রাকের ব্যবহার শুরু হয়। এখানকার আড়তদারদের মতে, লঞ্চ-ট্রাক যে পথেই পাঠানো হোক, ঢাকার ভোক্তাদের কাছে পেয়ারা পৌঁছাত এক দিন পর। দ্রুত পচনশীল পণ্য হওয়ায় এ সময়ের মধ্যে পেয়ারার রং-স্বাদ নষ্ট হতো। পচে যেত অর্ধেক পেয়ারা। এতে চাষিরা ন্যায্য দাম পেতেন না। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এখন সকালে গাছ থেকে সংগৃহীত পেয়ারা দুপুরের আগেই পৌঁছে যাচ্ছে ঢাকায়। এতে রং-স্বাদ দুটিই থাকছে অটুট।

আটঘর কুড়িয়ানা এলাকার চাষি নিজামুদ্দিন জানান, আগে পেয়ারা আর লেবু বিক্রি করে কম দাম পেতাম। এ কারণে পেয়ারা বাগান পরিবর্তন করে অন্য কিছু চাষাবাদের চিন্তা করছিলাম। এখন সেই চিন্তা বাদ দিয়েছি। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। বেড়েছে দাম। ফলে আমরা লাভবান হতে শুরু করেছি।

স্বরূপকাঠি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চপল কৃষ্ণ নাথ জানান, নেছারাবাদের ২২টি গ্রামে ৬০০ হেক্টর জমিতে গড়ে ১০ টন করে পেয়ারার ফলন হচ্ছে। প্রতি মণ পেয়ারা ৩৫০ থেকে এক হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেয়ারা বাগানে ফুল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সার্বক্ষণিক মাঠে কৃষি কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীদের সহায়তায় কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়। সার, কীটনাশক ও কৃষি উপকরণ দিয়ে সহায়তা করা হচ্ছে। পেয়ারা চাষ করে এ অঞ্চলের কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

 




দেশের বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র চলছে: এলজিআরডি উপদেষ্টা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::সম্প্রীতি নষ্ট করতে দেশের বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন (এলজিআরডি) ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ।আজ শনিবার রাঙ্গামাটি সেনানিবাসে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও জাতিগোষ্ঠীর নেতা এবং নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ এফ হাসান আরিফ বলেন, ‘সবাই সম্প্রীতি চায়। কিন্তু এই সম্প্রীতিতে কোথায় যেনো একটা ছন্দপতন হচ্ছে। সম্প্রীতি নষ্ট করতে দেশের বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আলোচনায় একটি বিষয় এসেছে তা হচ্ছে- পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য একটি কমিশন গঠন করে তদন্ত কমিটি করা যেনো প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনা যায়। ’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে কোনো ভেদাভেদ দেখা যায়নি। প্রত্যেকের কণ্ঠে একটি কথা ছিল যে তারা সবাই সম্প্রীতি চায়। ফলে আশা করি রাঙ্গামাটি সুন্দর ও সম্প্রীতির শহর হিসেবে বাংলাদেশ ও বিশ্বে উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।’

এসময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লে. জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, পুলিশের আইজিপি মো. ময়নুল ইসলাম, চট্টগ্রাম ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. মাইনুর রহমান, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শওকত ওসমান, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




টেকসই ট্রাফিক কাঠামো বাস্তবায়নের মাধ্যমে নগরীর যানজট নিরসন করতে হবে: পুলিশ কমিশনার

বরিশাল অফিস :: সমন্বিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আওতায় একটি টেকসই ট্রাফিক কাঠামো বাস্তবায়নের মাধ্যমে নগরীর যানজট নিরসন করতে হবে এমন মন্তব্য করে নির্দেশনা দিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটনের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার নজরুল হোসেন।

শনিবার ( ২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় বিএমপি সদর দপ্তর সম্মেলন কক্ষে বরিশাল নগরীর সামগ্রিক যানজট নিরসনে বিশেষ সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমাদের ট্রাফিক ডিভিশন, ডিবি পুলিশ ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে সমন্বিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আওতায় একটি টেকসই ট্রাফিক কাঠামো বাস্তবায়ন করে বরিশাল মহানগরীর সার্বিক যানজট নিরসন করতে হবে।

এ সময় তিনি ট্রাফিক ডিভিশন, থানা ও ডিবি পুলিশের সমন্বিত ট্রাফিক টিমকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট যেমন- নতুল্লাবাদ বাস স্ট্যান্ড, রুপাতলী বাস স্ট্যান্ড, সাগরদী ব্রিজ, আমতলার মোড় ও সদররোড সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানের যানজট নিরসনের কর্মকৌশল সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

এছাড়াও তিনি যানজটের সময়, স্থান ও কারণ চিহ্নিত করে সম্ভাব্য সমাধানের উপর আলোকপাত করে যে কোন স্থানে যত্রতত্র পার্কিং না করা, রাস্তায় নির্মাণ সামগ্রী না ফেলে রাখা ও বিভিন্ন বিষয়ে সচেতন থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে মোটরযান আইন প্রয়োগ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

এক্ষেত্রে তিনি পরিবহন সেক্টর ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চালকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এসব আরও উপস্থিত ছিলেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিএসবি) অ্যাডিশনাল ডিআইজি (পদোন্নতি প্রাপ্ত) মােহাম্মদ জাকির হােসেন মজুমদার, পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এসপি (পদোন্নতিপ্রাপ্ত) রুনা লায়লা, সহকারী পুলিশ কমিশনার (স্টাফ অফিসার টু পুলিশ কমিশনার) প্রণয় রায় সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ,ট্রাফিক ডিভিশন, থানা ও ডিবি পুলিশের বিভিন্ন পদ পদবীর সদস্যরা।

 




ভোলায় আকস্মিক ঝড়ে বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

বরিশাল অফিস  :: ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় আকস্মিক আঘাত হেনেছে ভয়াবহ ঝড়। এতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, দোকান, ঘরের টিনের চালা উড়ে যায়। ঘূর্ণিঝড়ে গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে তজুমদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, দোকানপাট, নদীতে মাছ ধরার ট্রলার ডুবিসহ সুইচঘাট এলাকার প্রায় ২০ থেকে ২৫টি দোকান বিধ্বস্ত হয়েছে। অসংখ্য গাছপালা ভেঙে যায় এবং উপড়ে যায়।

অনেক জায়গায় সড়কের ওপরে গাছ পড়ে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। ঝড়ের সময় বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে ৫টি ইউনিয়নে ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন, সুইচঘাট এলাকার দোকানপাট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে এবং ঘরের বাড়ির টিন উড়ে যায়। ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে প্রশাসন কাজ শুরু করেছে।

শম্ভুপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা কামাল উদ্দিন বলেন, গত রাতের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে আমার বসতঘরটি লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। আমাদের গ্রামের আরও অনেকের ঘরবাড়ির টিনের চালা ঘূর্ণিঝড় উড়িয়ে নিয়ে যায়। এতে আমরা এখন মানবেতর জীবন যাপন করছি।

চাঁদপুর ইউনিয়ন ইউপি সদস্য সিরাজ উদ্দিন জানান, আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে সুইচঘাট এলাকার প্রায় ২০ থেকে ২৫টি দোকান বিধ্বস্ত হয়। এতে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়। তিনি বলেন, আমার ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকার বসতবাড়ির টিনের চালা ঝড়ে উড়ে গেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শুভ দেবনাথ জানান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে প্রশাসন কাজ শুরু করেছে।




পিরোজপুরে চার বছরেও শেষ হয়নি ১৮ মাসের কাজ

বরিশাল অফিস ::পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার হলতা নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুর নকশা জটিলতায় চার বছর ধরে কাজ বন্ধ রয়েছে। একটি সেতুর অভাবে চরম ভোগান্তিতে দুটি উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের বাসিন্দাদের।

এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হলেও চার বছর ধরে কাজ বন্ধ আছে। এ পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৩৫ শতাংশ। কাজ বন্ধ থাকার কারণে উপজেলার নলী জয়নগর গ্রাম ও পাশের বরগুনার পাথরঘাটার নাচনাপাড়া রশিদিয়া বন্দর বাজার সংলগ্ন দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সরেজমিনে দেখা গেছে, মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়ন বলেশ্বর নদ থেকে শুরু হয়ে হলতা নদী মঠবাড়িয়া ও পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে চলে গেছে। হলতা নদীর দুই তীর ভরাট হয়ে সরু হয়ে গেছে। নাচনাপাড়া রশিদিয়া বন্দর বাজার সংলগ্ন সেতু কাজ শুরু হয়ে থেমে আছে। নদীর দুই তীরে শুধু সেতুর পাইলের কাজ করা হয়েছে। নির্মাণাধীন সেতুর পাশে সাঁকো তৈরি করে মানুষ চলাচল করছে। জোয়ারের পানি বৃদ্ধির কারণে সাঁকো দিয়ে চলতে অসুবিধা হচ্ছে। সাঁকোটি পুরোনো হয়ে যাওয়ায় যে কোনো সময় এটি ভেঙে যেতে পারে।

 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নলী জয়নগর গ্রামের হলতা নদীর ওপর ৩৯ মিটার দৈর্ঘের গার্ডার সেতু নির্মাণের জন্য ২০১৯ সালের ১৭ নভেম্বর পিরোজপুরের আবির অ্যান্ড সর্দার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজের মেয়াদ ছিল ১৮ মাস। ২০২২ সালে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। ২০২০ সালের শেষ দিকে সেতুটির নির্মাণ কাজ ৩৫ ভাগ শেষ হওয়ার পর নকশা জটিলতার কারণে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তাই বর্তমানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আগের রেটে কাজ করতে না চাওয়ায় তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হয়। পুনরায় টেন্ডার আহ্বান করা হয়। বর্তমানে মঠবাড়িয়ার তহিদুল বাশার কবির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পেয়েছে।

মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. জিয়ারুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আগের ডিজাইন করা সেতু অনেক নিচু হয়ে যায়। জাহাজ চলাচল করতে অসুবিধা হবে। এসব কারণে সেতুটির নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া কিছুটা টেন্ডার জটিলতাও ছিল। আগের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হয়। আবার নতুন নকশা করে তিন ফুট উঁচু ডিজাইন করে টেন্ডার দিয়েছি। তহিদুল বাশার কবির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পেয়েছে, তারা অল্পের ভেতরেই কাজ শুরু করবে।




সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে দুমকিতে মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার দুমকি উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন পটুয়াখালী দুমকি উপজেলায় কর্মরত সংবাদকর্মীরা।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় দুমকি নতুন বাজার এলাকায় সংবাদকর্মীদের ঘন্টাব্যাপী মানব বন্ধনে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব দুমকি’র সভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদ।

বক্তব্য রাখেন- দৈনিক নয়া দিগন্ত প্রতিনিধি মোঃ কামাল হোসেন, দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি মোঃ সাইদুর রহমান, দৈনিক আমাদের নতুন সময় প্রতিনিধি মোঃ রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলারের অবৈধ ইটভাটা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় তার স্ত্রী কর্তৃক দায়েরকৃত ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় শিকার হয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার দুমকি প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান তারা। মামলা দিয়ে হয়রানী করে সংবাদকর্মীদের টুঁটি চেপে ধরা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতির প্রতিকার চেয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা। অন্যথায় সাংবাদিক হয়রানী বন্ধে সারাদেশ ব্যাপী কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়।

উল্লেখ অবৈধ ইটভাটা নিয়ে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় পর পর দুটি নিউজ প্রকাশিত হয়। তার জের ধরে আব্দুল মোতালেব হাওলাদারের স্ত্রী মোসম্মৎ রেহেনা বেগম বাঁদি হয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞ আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং (৯৮/২০২৪) বর্তমান মামলাটি পি বি আই তদন্তাধীন রয়েছে।




পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের অর্ধ-বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ১৯৬১ সালের প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিকদের সংগঠন পটুয়াখালী প্রেসক্লাব এর অর্ধ বার্ষিক সাধারন সভা আনন্দঘন পরিবেশে ও শান্তিপুর্নভাবে অনুষ্ঠিত।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাব ভবনের ড. আতহার উদ্দিন মিলনায়তনে ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. সোহরাব হোসেন এর সভাপতিত্বে সভার শুরুতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাংবাদিকসহ নিহত সকল বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অর্ধ বার্ষিক সাধারন সভায় সম্পাদকের রিপোর্ট পেশ করেন প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক জাকারিয়া হৃদয়, আয়- ব্যয়ের হিসেব উপস্থাপন করেন ক্লাবের ট্রেজারার মো. আতিকুর রহমান।

সভায় সম্পাদক ও ট্রেজারের পেশকৃত প্রতিবেধনের উপর আলোচনা করেন পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অতুল চন্দ্র দাস, সাবেক সভাপতি নির্মল কুমার রক্ষিত, সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, সাবেক সভাপতি মো. জাকির হোসেন, সাবেক সভাপতি কাজী শামসুর রহমান ইকবাল, সাবেক সাধারন সম্পাদক মুফতী সালাউদ্দিন, সাবেক সাধারন সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম প্রিন্স, সদস্য বিলাস দাস, সদস্য সৈয়দ হুমায়ুন কবির, সদস্য আব্দুল কাইউম, প্রাথমিক সদস্য কামরুজ্জামান হেলাল প্রমুখ।




ইবতেদায়ি মাদ্রাসা স্থাপন ও পরিচালনা শীর্ষক প্রকল্পের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

বরিশাল অফিস :: ইসলামিক ফাউণ্ডেশন বরিশাল এর আয়োজনে ইসলামিক ফাউণ্ডেশন কাশিপুর এর হলরুমে দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসা স্থাপন ও পরিচালনা শীর্ষক প্রকল্পের শিক্ষকদের ৩ দিনব্যাপী রিফ্রেসার্স প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়।

রবিবার ( ২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় প্রধান অতিথি ছিসাবে উপস্থিত ছিলেন,ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মুঃ আঃ আউয়াল হাওলাদার।

বরিশাল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন,দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসা স্থাপন ও পরিচালনা শীর্ষক প্রকল্প ইসলামিকপ্রকল্প পরিচালক মোঃ আব্দুস সবুর,বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মোঃ রবিউল হাসান ভূঁইয়া, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিভাগীয় কার্যালয় পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ নূরুল ইসলাম।

সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অতিথিরা দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসা প্রকল্পের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরে আলোচনা করেন।




অন্তর্বর্তী সরকারকে বিপাকে ফেলতে দেশকে অস্থির করা হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নানা ইস্যুতে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে মনে করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।আজ শনিবার দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব সংবিধান সংশোধন, সংস্কার কার্যক্রম, দেশের রাজনীতি প্রভৃতি বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘পাবর্ত্য চট্টগ্রামের ঘটনাকে আমি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে করি না। এর সঙ্গে অনেক কিছু জড়িত আছে। একদিকে শূন্যতার সুযোগ নেওয়া, অন্যদিকে জিও পলিটিক্সে যে পরিবর্তন ঘটছে মিয়ানমারকে কেন্দ্র করে আশপাশের অঞ্চলে, ওইদিকে ভারতবর্ষের মনিপুরের যে বিদ্রোহ এসবগুলোকে যদি আপনি আনেন, জিওপলিটিক্সের এ ঘটনাগুলো ভেরি সিগনিফিকেন্ট বলে আমি মনে করি। যেহেতু এখন কমেন্ট করাটা ঠিক হবে না। তবে আমি মনে করি যে, এটা নিঃসন্দেহে একটা সরকারকে ডিস্টার্ব করা, বাংলাদেশের পলিটিক্সকে ডি-স্টেবেলাইজড করা। অর্থাৎ এখন যে প্রক্রিয়াটা চলছে অন্যভাবে যে, আপনার এটাকে (পরিবর্তনটা) যারা বিপ্লব বলছেন, একটা প্রতিবিপ্লব ঘটানো, যে সুফল আমরা অর্জন করেছি সেই সুফলটাকে নষ্ট করা। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে যে, একটা বিরাজনীতিকরণের প্রক্রিয়াকে শুরু করার চেষ্টা করা।’

তিনি বলেন, ‘অন্যদিকে শেখ হাসিনা পার্শ্ববর্তী দেশে থেকে যে সমস্ত কথা বলছেন সেগুলো কতটুকু সত্য-মিথ্যা আমি জানি না। তবে সে কথাগুলো এখানে বড় ইম্পেক্ট তৈরি করছে। সব মিলিয়ে বিষয়গুলো খুব কমফোর্টেবল না, বেশ আন-কমফোর্টেবল… বলা যায় যে, উদ্বিগ্ন হবার কারণ আছে।

গত ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর সচিবালয়ে আনসার বাহিনীর ঘেরাও, বিভিন্ন সংগঠনের নানা দাবি-দাওয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মব লিঞ্চিং’, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার বিভিন্ন ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ উল্লেখ করে সরকারকে অস্থিতিশীল করতেই করা হয়েছে বলে মনে করেন বিএনপি মহাসচিব।

পাবর্ত্য চট্টগ্রামের অস্থিরতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার মেইন ঘটনাটা ঘটছে। আমাকে আমাদের দলে যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন দীপেন দেওয়ান…উনি আগে এমপি প্রার্থী ছিলেন… তিনি আমাকে ফোন করে বললেন যে, স্যার ইমিডিয়েটলি কারফিউ দিতে বলেন… কারফিউ ছাড়া একে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। তখন আমি জানার পরে যাদের চিনি তাদের জানানোর পরে কারফিউ হয়নি… ১৪৪ ধারা দিয়ে চেষ্টা করা হয়েছে। ঠিক এফেক্টিভ কনট্রোল তারা করতে পারেনি… এর মধ্যে এটা (ঘটনা) বিস্তারলাভ করেছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সরকার খুবই সিরিয়াস। তারা করতে চান, তারা সব কিছু করতে পারেন। আমার কথা হচ্ছে, আমরা সহযোগিতা করি। ইতোমধ্যে তারা অনেক বড় বড় কাজে হাত দিয়েছেন সেগুলো আমরা দেখি।’

এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপির পরামর্শ কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের পরামর্শ হচ্ছে, রেগুলার পলিটিক্যাল পার্টির সাথে বিশেষ মেইন পলিটিক্যাল পার্টিগুলোর সাথে কথা বলতে হবে। পাবর্ত্য চট্টগ্রামের বিষয়ে হলো, পাবর্ত্য চট্টগ্রামে তো আমাদের চুক্তি আছে, এতদিন কোনো সমস্যা হয়নি। এখানে শুধু পাবর্ত্য চট্টগ্রামের সমস্যা তা নয়, সামাজিক সমস্যা আছে। এই সমস্যাগুলো দীর্ঘকাল ধরে আমরা সমাধান করিনি। আওয়ামী লীগ সরকার এতো কথা বলেছে, চুক্তি করেছে কিন্তু সমস্যার সমাধান করেনি। এটা তো একদিনে হবে না, ওদের সাথে বসতে হবে, কথা বলতে হবে, বিষয়গুলোকে আলাপ-আলোচনা করে একটা জায়গায় নিয়ে আসতে হবে।