আইটেম গানে ঝড় তুললেন কৌশানী

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন :: ওপার বাংলার অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জি। ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দক্ষতার সঙ্গে নিজেকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন। এবার আইটেম গানে নেটদুনিয়ায় ঝড় তুললেন কৌশানী। তার কোমর দোলানো নাচে মুগ্ধ নেটিজেনরা।

বুধবার ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে ‘ডাকাতিয়া বাঁশি’ শিরোনামে একটি গান। এ গানটিতে যৌথভাবে কণ্ঠ দিয়েছেন শ্রেষ্ঠা দাস, ননিচোরা দাস বাউল ও বনি চক্রবর্তী।

‘বহুরূপী’ সিনেমার এই আইটেম গানে প্রথমবারের মতো পারফর্ম করে দর্শক মাতালেন অভিনেত্রী কৌশানী।

আইটেম গানের ভিডিওতে দেখা যায়, অভিনেত্রীর খোলা চুলে পরনে লাল শাড়ি। কাজলমাখা চোখে যেন আবেগের প্রবল উন্মাদনা। গ্রামীণ মেলায় নৃত্যশিল্পীর সঙ্গে কোমর দোলাচ্ছেন কৌশানী।

গানটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই নেটিজেনরা এ অভিনেত্রীর দারুণ প্রশংসা করছেন। শুধু তারই নয়, অনিন্দ্য বোস-ননিচোরা দাস বাউল রচিত এ গানের কিছু কথা বেশ মনে ধরেছে নেটিজেনদের। আরও প্রশংসায় মেতেছেন তারা।

আইটেম গানে পারফর্ম প্রসঙ্গে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কৌশানী বলেন, ‘আমি আগে জানতাম না নাচটা করতে হবে। মাত্র সপ্তাহখানেক সময় পেয়েছিলাম। শুটিংয়ের ফাঁকে গোটা নাচটা তুলেছি আর শুটিংটা করতে সময় লেগেছিল আট ঘণ্টা। একটা গোটা দিনও নয়। তবে নন্দিতা দি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তিনি যেভাবে চেয়েছিলেন সেভাবেই দেখানো হয়েছে ঝিমলিকে (কৌশানীকে)।’

প্রসঙ্গত, আসন্ন দুর্গাপূজায় মুক্তি পাবে ‘বহুরূপী’ সিনেমা। তাই ‘ডাকাতিয়া বাঁশি’ গানটি নিয়ে ভীষণ আশাবাদী কৌশানী। অভিনেত্রীর ভাষ্য, আশা করব, আমার ‘ডাকাতিয়া বাঁশি’গানটাও ভাইরাল হবে। এবারের পূজার মণ্ডপে এ গানের সঙ্গে সকলে নাচবেন।




প্রধান উপদেষ্টার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি পূর্ণ সমর্থন প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি বলেছেন, জাতিসংঘ বাংলাদেশের সংস্কারে সহায়তা করতে প্রস্তুত।

নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রধান উপদেষ্টার সাথে বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিব এ সমর্থন ব্যক্ত করেন।

জাতিসংঘের আবাসিক টিম সহায়তা করতে চায় উল্লেখ করে অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘সদ্য গৃহীত জাতিসংঘের “প্যাক্ট অফ দ্য ফিউচার” বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক এবং এর প্রণোদনামূলক অর্থায়ন দেশটির জন্য বিশেষ সহায়ক হবে।’

গুতেরেস বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের প্রশংসা করে বলেন, ‘তারা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

প্রধান উপদেষ্টা জুলাই-আগস্ট মাসের ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের কথা উল্লেখ করে বলেন, এই আন্দোলন শেখ হাসিনার নির্মম স্বৈরাচারের অবসান ঘটায়। তিনি বলেন, ‘আমি এখানে উপস্থিত হতে পেরেছি কারণ তরুণরা নতুন বাংলাদেশের জন্য তাদের জীবন উৎসর্গ করেছে।’

বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন এবং বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের ওপর এর প্রভাব, রোহিঙ্গা সঙ্কট এবং জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনের সময় সংঘটিত নৃশংসতার তদন্তে জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন অনুসন্ধান মিশনের বিষয়ে আলোচনা হয়।




জুমার দিন যে আমল করলে গুনাহ মাফ হয়

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: জুমার দিন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ দিন। এই দিনে এমন কিছু সময় আছে যখন আল্লাহ তার বান্দার দোয়া ফিরিয়ে দেন না। দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ সময় কোনটি সে সম্পর্কে মতানৈক্য থাকলেও দোয়া কবুল হওয়ার বিষয়ে কারও দ্বিমত নেই। এই দিনে এমন একটি আমল আছে যা করলে মহান আল্লাহ তায়ালা ৮০ বছরের গুনাহ মাফ করে দেন।

জুমার গুরুত্ব আল্লাহ তায়ালার কাছে এত বেশি যে, কোরআনে ‘জুমা’ নামে একটি স্বতন্ত্র সূরা নাজিল করা হয়েছে।

আল্লাহ তা’আলা কোরআনে ইরশাদ করেন, হে মুমিনগণ! জুমার দিন যখন নামাজের আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে (মসজিদে) এগিয়ে যাও এবং বেচা-কেনা (দুনিয়াবি যাবতীয় কাজকর্ম ছেড়ে দাও। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর; যদি তোমরা জানতে। (সূরা জুমা- ০৯)।

রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন আসর নামাজের পর ওই স্থানে বসা অবস্থায় ৮০ বার নিচের দরুদ শরিফটি পাঠ করবে, তার ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হবে এবং ৮০ বছরের নফল ইবাদতের সওয়াব আমলনামায় লেখা হবে।’ (আফদালুস সালাওয়াত-২৬)

আরবি উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লিমু তাসলিমা।’

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) আমাদের সঙ্গে একদিন শুক্রবারের ফজিলত ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, সেই সময়টায় যদি কোনো মুসলিম নামাজ আদায়রত অবস্থায় থাকে এবং আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ অবশ্যই তার সে চাহিদা বা দোয়া কবুল করবেন এবং এরপর রাস‍ুল (সা.) তার হাত দিয়ে ইশারা করে সময়টির সংক্ষিপ্ততার ইঙ্গিত দেন। (বুখারি)

রাসুল (সা.) থেকে জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন, জুমার দিনে ১২ ঘণ্টা রয়েছে। তাতে এমন একটা সময়ে রয়েছে, যাতে আল্লাহর বান্দা আল্লাহর ক‍াছে যা চায় আল্লাহ তাই দেন। অতএব তোমরা আছরের শেষ সময়ে তা তালাশ করো। (আবু দাউদ, হাদিস নং : ১০৪৮, নাসাঈ, হাদিস নং : ১৩৮৯)।




ভেজা আউটফিল্ড, কানপুর টেস্টে টসে বিলম্ব

চন্দ্রদ্বীপ ক্রীড়া ডেস্ক :: কানপুরের গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই ঝরেছে বৃষ্টি। সারারাত বৃষ্টি হওয়ায় আউটফিল্ড ভেজা। যার করণে টস হতে দেরি হচ্ছে।

স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় টস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও মাঠ খেলার উপযুক্ত না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। মাঠ পরিদর্শন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন আম্পায়াররা।

তবে বর্তমানে স্টেডিয়াম এলাকায় বৃষ্টি নেই। কিন্তু আকাশে প্রচুর মেঘ দেখা গিয়েছে। যেকোনো সময় বৃষ্টি নামতে পারে বলে উইকেট কাভারে ঢেকে রাখা হয়েছে। সবমিলিয়ে খেলা শুরুর সময় নির্ভর করছে প্রকৃতির ওপর।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ:

সাদমান ইসলাম, জাকির হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ ও হাসকিন আহমেদ।

ভারতের সম্ভাব্য একাদশ:

রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), যশস্বী জয়সওয়াল, শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, রিষভ পান্ত, লোকেশ রাহুল, রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, কুলদীপ যাদব/অক্ষর প্যাটেল, জাসপ্রিত বুমরাহ ও মোহাম্মদ সিরাজ।




লেবাননে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল




ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ রপ্তানির সিদ্ধান্তে পরিবর্তন

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে তিন হাজার টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এনেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের প্রধান নিয়ন্ত্রককে চিঠি দিয়ে ২ হাজার ৪২০ টন ইলিশ রপ্তানি অনুমতির কথা জানানো হয়েছে। ৪৯টি প্রতিষ্ঠানকে এ অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি প্রতিষ্ঠান ৫০ টন করে ২ হাজার ৪০০ টন, আর একটি প্রতিষ্ঠান ২০ টন ইলিশ রপ্তানি করবে।ইলিশ রপ্তানির অনুমতি পাওয়ার জন্য আবেদনের শেষ সময় ছিল গত সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত। নতুন ও পুরোনো সব আবেদনপত্র এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে ইলিশ রপ্তানির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এর বিপরীতে দেওয়া হয় আটটি শর্ত। শর্তে বলা হয়েছে, অনুমতির মেয়াদ কার্যকর থাকবে আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত।

যেসব শর্ত দিয়ে প্রতিবছর ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়, এবারও সেগুলোই রাখা হয়েছে। শর্তগুলো হচ্ছে বিদ্যমান রপ্তানিনীতির বিধিবিধান মানা, শুল্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ইলিশের কায়িক পরীক্ষা করানো এবং প্রতিটি চালান (কনসাইনমেন্ট) শেষে রপ্তানিসংক্রান্ত কাগজপত্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা।

এছাড়া অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ইলিশ রপ্তানি না করা, অনুমতি কোনোভাবেই হস্তান্তর না করা এবং অনুমোদিত রপ্তানিকারক ছাড়া ঠিকায় (সাব–কন্ট্রাক্ট) রপ্তানি না করার শর্তও থাকছে। বলা হয়েছে, সরকার যেকোনো সময় রপ্তানি বন্ধ করতে পারবে। সব সময়ই এসব শর্ত থাকে।

ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- আরিফ সি ফুডস, জারা এন্টারপ্রাইজ, সততা ফিশ ফিড, এস এ আর এন্টারপ্রাইজ, নাহিয়ান এন্টারপ্রাইজ, তানিশা এন্টারপ্রাইজ, রুপালী সি ফুডস লিমিটেড, লাকি এন্টারপ্রাইজ, টাইগার ট্রেডিং, রিপা এন্টারপ্রাইজ, জেবিএস ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মাশফি অ্যান্ড ব্রাদার্স, মহিমা এন্টারপ্রাইজ, সেভেন স্টার ফিশ প্রসেসিং কোম্পানি লিমিটেড, রহমান ইমপেক্স, আসিফ ইমপেক্স, নোমান এন্টারপ্রাইজ, যমুনা অ্যাগ্রো ফিশারিজ, রুপালী ট্রেডিং করপোরেশন, সততা ফিশ, প্যাসিফিক সি ফুডস লিমিটেড, জেজে ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল, বিশ্বাস ইন্টারন্যাশনাল, ক্যাপিটাল এক্সপোর্ট ইমপোর্ট অ্যান্ড কোম্পানি, অর্পিতা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, সুমন ট্রেডার্স, সাজ্জাদ এন্টারপ্রাইজ, সততা ফিশ, আঁচল এন্টারপ্রাইজ, ২ এইচ ইন্টারন্যাশনাল, এমএপি ইন্টারন্যাশনাল, সরদার এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইমপোর্ট, ইউভা ট্রেডিং, ফারিয়া ইন্টারন্যাশনাল, আসফা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, স্ট্যান্ডার্ড ফুড করপোরেশন, জেএস এন্টারপ্রাইজ, পদ্মা অ্যাগ্রো ফিশারিজ, ন্যাশনাল অ্যাগ্রো ফিশারিজ, মেসার্স আহনাফ ট্রেডিং, নাফিজা এন্টারপ্রাইজ, ডিপ সি ফিশারিজ লিমিটেড, মাসুদ ফিশ প্রসেসিং, আরকে ট্রেডার্স, বৃষ্টি এন্টারপ্রাইজ, ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ ও লোকজ ফ্যাশন। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লোকজ ফ্যাশন ২০ টন, আর বাকি সবকটি প্রতিষ্ঠান ৫০ টন করে ইলিশ রফতানির অনুমোদন পেয়েছে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।

এর আগে গত ১১ আগস্ট মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছিলেন, ‘দেশবাসী ইলিশ পাবে না, আর বিদেশে রপ্তানি হবে, এটা হতে পারে না। আগে দেশকে গুরুত্ব দিতে হবে। এরপর রপ্তানি করা হবে।’

পরে গত ২১ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই ভারতে তিন হাজার টন ইলিশ রপ্তানির কথা জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, বৃহত্তর স্বার্থে এবং সর্বোচ্চ মহলের সিদ্ধান্তে ভারতে ইলিশ মাছ রপ্তানি করা l




কলাপাড়ায় মৎস্যজীবী পরিবারের নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নারীরা জাগছে, জীবন ও জীবিকায় অবদান রাখছে এ স্লোগনাকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এনহ্যান্সড কোস্টাল ফিশারিজ ইন বাংলাদেশ (ইকোফিশ-২) এর আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উইং এবং সিএসজি’র নারীবৃন্দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতব্য এ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মসিউর রহমান, উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ অফিসার শুভাশিস মজুমদার, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার, ইকোফিশ-২ এর প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. মাহবুবুল ইসলাম, জেন্ডার স্পেশালিস্ট রেজোয়ান শারমিন প্রমুখ।

এছাড়া এনজিও টিএমএসএসর প্রতিনিধি, নারীদের আয় ও পুষ্টি উন্নয়ন দলের সদস্যবৃন্দ, সুনীল প্রহরী এর প্রতিনিধি, সহ-ব্যবস্থা কমিটির সদস্যবৃন্দসহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




ড. ইউনূসকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে পটুয়াখালীতে মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ::অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাসুম বিল্লাহ নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কলাপাড়া চৌকি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশীষ রায় বাদীর নালিশি মামলা আমলে নিয়ে কলাপাড়া থানার ওসিকে এজাহার গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. কাইউম ও বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব মধুখালী গ্রামের আবুল হাসেম খানের ছেলে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাসান মাহমুদ বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার একমাত্র আসমি মাসুম বিল্লাহ একই গ্রামের মৃত তোজাম্বর আলী খানের ছেলে। তিনি রেলওয়েতে পয়েন্টস ম্যান পদে কর্মরত।

মামলায় বলা হয়, গত ২ মে ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি মামলায় হাজিরা শেষে আদালতের বাইরে এলে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন। তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দেন। যা সময় টিভিসহ বিভিন্ন টিভি চ্যানেল প্রচার করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ওই ভিডিওতে কমেন্টস করেন, শেয়ার করেন। তখন আসামি উক্ত ভিডিওতে কমেন্টস করেন ‘আপনাকে দেখে মনে হয় আমেরিকার দালাল।’ এতে বাদীর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। অতঃপর আসামি এলাকায় বসে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সুদখোর, ইহুদি পশ্চিমা দালাল বলে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে মানহানিমূলক উক্তি করেন। সর্বোপরি ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে একাকি পেলে গুলি করে হত্যার হুমকি দেন আসামি।

মামলার বিবাদী মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, বাদী হাসান মাহমুদ আমার আপন চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। গ্রামের স্কুলের নিয়োগ সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে আমাকে ঘায়েল করতে আমার বিরুদ্ধে এমন কাল্পনিক ইস্যুতে মামলা করেছে। এছাড়া ঘটনার তারিখে আমি গ্রামে নয়, অফিসে কর্মরত ছিলাম। অফিসের হাজিরা খাতায় আমার স্বাক্ষর রয়েছে।




দেশে ফিরতে বিসিবিকে যে ‘শর্ত’ দিলেন সাকিব




পটুয়াখালীতে খিচুড়ি রান্না করতে গিয়ে সাপের ছোবলে নারীর মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে খিচুড়ি রান্না করতে গিয়ে সাপের ছোবলে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মাধবখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত ওই নারীর নাম সামিয়া আক্তার বুলবুলি (২৫)। তিনি ওই গ্রামের আলাউদ্দিন হাওলাদারের মেয়ে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধবখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম নান্নু।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সামিয়া বিয়ের পর থেকে বাবার বাড়িতেই থাকেন। তিনি ২ সন্তানের জননী। বৃহস্পতিবার সকালে দেড় বছরের ছোট মেয়ে তোহা মনির জন্য খিচুড়ি রান্না করতে যান রান্না ঘরে। এ সময় রান্না ঘর থেকে একটি বিষধর সাপ তাঁকে ছোবল দেয়। পরে বাড়ির লোকজন তাঁকে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সামিয়া।

নিহতের বাবা মো. আলাউদ্দিন হাওলাদার বলেন, সকাল ৯টার দিকে মেয়ের জন্য সামিয়া খিচুড়ি রান্না করতে যায়। সেখান থেকেই তাঁকে বিষধর সাপে ছোবল দেয়। পরে তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক মুহা. উমর ফারুক জাবির বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে সাপে ছোবল দেওয়া সামিয়া নামের এক নারীকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অ্যান্টিভেনম প্রয়োগের আগেই রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হলেও হার্ট চলছিল। বিকল্পভাবে (আম্বু ব্যাগ) দিয়ে শ্বাস প্রশ্বাস চালানো হয় এবং অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি মারা যান।