‘মাস্টারমাইন্ড’ ইস্যুতে যা বললেন নাহিদ ইসলাম

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই আলোচনায় ছিল জুলাই বিপ্লবের মাস্টারমাইন্ড কে ছিলেন? সম্প্রতি বিশ্বমঞ্চে মাহফুজ আলমকে জুলাই বিপ্লবের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম মাস্টারমাইন্ড শব্দটির সঙ্গে একমত নন বলে জানিয়েছেন। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার ঠিকানা টিভির প্রধান সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দীনের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা জানান।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যে আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে, তাতে কোনো একক নেতৃত্ব ছিল না। সাধারণ মানুষ একে এগিয়ে নিয়ে গেছে। আন্দোলনটাকে কয়েকজন মিলে পরিচালনা করতে হয়েছে। নিতে হয়েছে নানাজনের বুদ্ধি-পরামর্শ। তবে আমরা একে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন হিসেবেই দেখি।’

আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ নিয়ে করা খালেদ মুহিউদ্দীনের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ফ্ল্যাটফর্ম সাধারণ শিক্ষার্থীদের জায়গা। এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারাও ছিলেন। এই আন্দোলনে একক কোনো নেতৃত্ব ছিল না। সাধারণ মানুষ এটাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। একটা সময় আন্দোলন পরিচালনা করতে অনেকেই বুদ্ধি পরামর্শ দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে যার (মাহফুজ আলম) কথা বলা হয়েছে তিনি বিশেষভাবে আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন।’

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ‘মাহফুজ আলম বা আমরা কেউই এ মাস্টারমাইন্ড শব্দের সঙ্গে একমত নই। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা শব্দটাকে হয়তো ভালোবেসে ব্যবহার করেছেন।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে ’৬৯ এবং ’৯০-এর গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্ররা নেতৃত্ব দিলেও সামনে রাজনৈতিক দল ছিল। আন্দোলনের পর তারা ক্ষমতা নেয়। এবারের আন্দোলনে কোনো রাজনৈতিক দল সামনে ছিল না। ৫ আগস্টের পর এ দায়িত্বটা আমাদের ওপর এসে পড়েছে। যার জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম না।’




টানা ৪ ঘণ্টা ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটতে পারে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় স্টেশনে সংযুক্ত সব সার্কিটের ব্যান্ডউইডথ পরিষেবা চার ঘণ্টার জন্য বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য বিএসসিপিএলসি কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কুয়াকাটায় স্থাপিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সিস্টেমের কনসোর্টিয়াম কর্তৃক শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টা থেকে পরদিন রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টা পর্যন্ত মোট চার ঘণ্টা সাবমেরিন কেবলের লাইটিং ফিল্টার স্থাপন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এ সময় সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে কুয়াকাটা স্টেশনে সংযুক্ত সব সার্কিটের ব্যান্ডউইডথ পরিষেবা বন্ধ থাকবে। তবে একই সময়ে কক্সবাজার স্টেশন থেকে সাবমেরিন কেবলের সার্কিটগুলো যথারীতি চালু থাকবে। রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলাকালে গ্রাহকরা সাময়িকভাবে ইন্টারনেটের ধীরগতির সম্মুখীন হতে পারেন বা ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।




পটুয়াখালীর সাবেক এমপি শাহজাহান খান হত্যাকান্ডের ঘটনায় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সহ ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর সাবেক এমপি শাহজাহান খান হত্যাকান্ডের ঘটনায় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সহ ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলাপটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর জননন্দিত বিএনপি নেতা গলাচিপা-দশমিনা থেকে নির্বাচীত সাবেক এমপি শাহজাহান খান হত্যাকান্ডের ঘটনায় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কাজী আলমগীর সহ ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে পটুয়াখালী সদর থানায় থানায় মামলা দায়ের করেছেন ঘটনার প্রায় ২ বছর পর নিহত শাহজাখানের ছেলে জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক শিপলু খান।

মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক তানভির আহম্মেদ আরিফ,শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ: গনি সহ ৩৪ জনের নাম উল্লেখ সহ এবং অজ্ঞাতনামা ১ থেকে দেড়শো জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামালার বিবরনে প্রকাশ ,পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা -দশমিনা থেকে নির্বাচীত সাবেক সংসদ সদস্য ,বর্তমান জেলা আহবায়ক কমিটির ১ নং সদস্য শাহজাহান খান ২০২২ সালের ৫ নভেম্বরের বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে যোগদানের উদ্দেশ্যে ৪ নভেম্বর বিকেলে নেতাকর্মীদের নিয়ে ৭/৮টি মটর সাইকেল যোগে পটুয়াখালী-বরিশাল মহসড়কের শিয়ালী এলাকায় পৌছলে মহসমাবেশ বানচালকরার পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মহসমাবেশে যোগদানকারীদরে পথে বাধা দেয়ার অংশ হিসেবে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কাজী আলমগীর সহ জেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা মোতাবেক খুন করার পরিকল্পনায় আসামীরা বে-আইনীভাবে জনতাবদ্ধভাবে শাহজাহান খান সহ সাথে থাকা নেতা-কর্মীদের উপর দা,রামদা, রোহার রড জিআইপাইপ, লাঠিসোটা নিয়ে হামলাচালায় । এসময় মামলায় উল্লেখিত আসামাদীরে বেশ কয়েকজন শাহজাহান খানের মাথায় রামদার কোপ, জিআইপাইপ দিয়ে পিটিয়ে শরীরেরে বিভিন্ন অংশ জখম সহ ডানপাশের কোমড়ে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মারাতœক রকম জখম করে। এ সময় বহরের ৪ টি মটর সাইকেল ভাংচুর সহ প্রত্যেককে পিটিয়ে জখম সহ পকেটে থাকা নগদ টাকা এবং মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা শাহজাহান খানকে কেউ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করালে মেরে ফেলার হুমকী দিয়ে তাদের চিকিৎসা কিবাং হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদের মেরে ফেলার হুমকী দিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন গুরুতর জখম অবস্থায় শাহজাহান খানকে শহরের সবুজবাগের বাসায় নিয়ে যায় । স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের ভয়ে শহজাহানখানকে পরিবারের লোকজন হাসপাতালে ভর্তি করতে না পেরে বাসায় বসে চিকিৎসা চালান। পরবর্তীতে শাহজাহান খানের অবস্থা অবনতি ঘটতে থাকলে আসামীদের লোক চক্ষুর আড়ালে তাকে ঢাকায় নিয়ে ২২ নভেম্বর ঢাকায় পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫ নভেম্বর ঢাকার ধানমন্ডি ল্যাব এইড হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ নভেম্বর হামলার ঘটনায় কিডনীতে আঘাত জনিত জটিলতায় ২৮ নভেম্বর শাহজাহান খান মারা যান। পরবর্তীতে ঢাকায় পল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় অফিসে নামাজে জানাযা শেষে পটুয়াখালী বড় মসজিদ মাঠে, গলাচিপা এবং পরে নিজ বাড়ী গলাচিপার সুতাবাড়িয়ায় জানাযা শেষে দাফন করা হয়।

মামলার সত্যতার কথা স্বীকার করে পটুয়াখালী সদর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: জসিম জানান, এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা মামলা দায়ের হয়েছে মামলা নং ৩৯ ,তারিখ ২৬.৯ ২০২৪ । এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা করা হবে।

শাহাজাহন খান হত্যাকান্ডের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের বিষয়েএ প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে গিয়ে জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক শিপলু খান বলেন,আওয়ামীলীগের আমলে কোন মানুষই গুম, হত্যার কোন সঠিক বিচার পায়নি। আমার পিতা ছিলেন বিএনপির একজন সাবেক এমপি, জেলা- উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা। সুতরাং তার হত্যার মামলা দায়ের করা ছিল আমার জন বিরাট হুমকী স্বরুপ। আমি যাতে আমার পিতার মৃত্যুর পোর্স্ট মর্টেম না করতে পারি, মামলা না করতে পারি সে জন্য আমার উপর আওয়ামীলীগের জেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীল হত্যাকান্ডের জড়িত নেতারা প্রচন্ড ভাবে থ্রেট করে। আমি যদি মামলা করতাম তাহলে তারা মামলাটা শেষ করে ফেলতো প্রশাসনের সহায়তায়। তাই আমি আমার পিতার হত্যাকান্ডের পর পল্টনের বিএনপির কেন্দ্রী অফিসের সামনে নামাযে জানায, এবং পটুয়াখালীর জানাযায় বলেছিলাম এ সরকারের কাছে আমি বিচার চাইনা। যখন দেশে সুষ্ঠু বিচার পাওয়া সম্ভব হবে তখন আমি আমার পিতার হত্যাকান্ডের বিচার চাইবো।এখন দেশ আওয়ামী স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে , তাই আমি এ হত্যা মামলা দায়ের করেছি, আমার পিতার হত্যাকান্ডের সঠিক বিচার চাইতে।




পটুয়াখালীর হাসপাতালে ২ মাস ধরে নেই জলাতঙ্কের টিকা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ২ মাসের বেশি সময় ধরে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে র‌্যাভিস ভ্যাকসিন (জলাতঙ্কের টিকা) সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত রোগীদের বাধ্য হয়ে উচ্চমূল্যে এ ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে।

জেলা শহরসহ উপজেলা শহরগুলোতে প্রতিদিন বিভিন্ন বয়সী মানুষ কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত হচ্ছেন। আক্রান্ত এসব রোগীরা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভিড় করলেও ১ মাসেরও বেশি সময় ধরে র‌্যাভিস ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। এতে করে আক্রান্ত রোগীদের বাহির থেকে ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে। যা অনেকের পক্ষে কেনা সম্ভব হচ্ছে না।

কালিকাপুর এলাকার কৃষক মোতাহার হাওলাদার জানান, দুদিন আগে নাতনিকে কুকুর কামড় দিয়েছে। এরপর তিনি পটুয়াখালী হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন। হাসপাতাল থেকে ড্রেসিং করে দিলেও কুকুরে কামড়ের যে ভ্যাকসিন দিতে হয় তা বাহির থেকে কিনতে হয়েছে।

এদিকে পটুয়াখালী শহরের বিভিন্ন ফার্মেসিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে প্রতিটি ভ্যাকসিন বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়। তবে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগীরা এ ভ্যাকসিন না দিয়েই ফিরে যাচ্ছেন। এতে করে জলাতঙ্ক ছড়িয়ে পরার সম্ভাবনাও দেখছেন স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে জড়িতরা।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ড. দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা জানান, কেন্দ্রীয় ওষুধ ভাণ্ডার থেকে র‌্যাভিস ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়। প্রতি বছর প্রতি লডে দুই হাজারের মত ভ্যাকসিন আসে। কিন্তু সরবরাহের থেকে আমাদের রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। এ কারণে বর্তমানে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে শহরে ফার্মেসিগুলোতে ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে।




‘বিদেশি প্রভুদের নিয়ে বিপ্লবকে নস্যাৎ করার চেষ্টা চালাচ্ছে শেখ হাসিনা’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পরাজিত ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা বিদেশি প্রভুদের নিয়ে ছাত্র জনতার বিপ্লবকে নস্যাৎ করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। দীর্ঘ ৬ বছর পর তুরষ্ক থেকে শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময়টায় সবাইকে ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানান মাহমুদুর রহমান।

উদ্ভট মামলায় তাকে অন্যায়ভাবে ৭ বছরের সাজা দিয়েছে হাসিনা সরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শতাধিক মামলা রয়েছে আমার নামে। এসব মামলার আইনি মোকাবেলা করা হবে। ’

হাসিনার আমলে ৫ বছর জেল খাটার কথা উল্লেখ করে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘এ সরকারের আমলে আরও ৫ মাস জেল খাটলেও অসুবিধা নেই। জেল থেকে বের হয়ে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলবো। ’

এ সময় যে বিপ্লব অর্জিত হয়েছে, তা যেন দীর্ঘমেয়াদি হয় এমন প্রত্যাশা করেন মাহমুদুর রহমান।




ডিম-মুরগি-মাছ সবই দাম নাগালের বাইরে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: দেশের বাজারে দফায় দফায় বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। অবস্থা এমন যে, মাছ-মাংস-ডিম কিছুই ছুঁয়ে দেখতে পারছেন না মধ্য ও নিম্নবিত্তরা। একদিকে বাজারে দাম বেড়েছে ডিম ও মুরগির, সেই সঙ্গে বেড়েছে মাছের দামও।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে। সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, যা এখন ১৯০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। অর্থাৎ সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। সোনালি মুরগির দামও ১০ টাকা বেড়ে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা হয়েছে। যা ২৬০ থেকে ২৭০ টাকা ছিল গেল সপ্তাহে।

খুচরা বাজারে একটি ফার্মের মুরগির ডিমের দাম ১৪ টাকা, হালি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। পাড়া-মহল্লার দোকানে একটি ডিম ১৫ টাকাও বিক্রি হতে দেখা গেছে। সে হিসাবে হালি ও ডজনের দাম দাঁড়ায় আরও বেশি। ডজন ১৮০ টাকাও উঠেছে।

চলতি সপ্তাহে মাছের দামও বাড়তি দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়, চাষের কই প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়, প্রতি কেজি পাঙাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়, রুই প্রতি কেজি ৩৫০ টাকায়, কাতল মাছ প্রতি কেজি ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, শিং মাছ প্রতি কেজি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, গলসা প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, টেংরা প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, পাবদা প্রতি কেজি ৪৮০ টাকা, চাপিলা প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, বোয়াল প্রতি কেজি ৮০০ টাকা, সরপুঁটি প্রতি কেজি ৩০০ টাকা, রুপচাঁদা প্রতি কেজি ৭০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ মাছও অতিরিক্ত বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর চেয়ে কিছুটা ছোট ইলিশ ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, পেঁপে ছাড়া অন্য কোনো সবজি প্রতি কেজি ৫০ টাকার নিচে মিলছে না।

রামপুরা বাজারের মাছ বিক্রেতা আব্দুল খালেক বলেন, ‘বাজারে ইলিশ মাছের দাম বেশি থাকায় অন্য মাছের দামও কমছে না। এ ছাড়া অন্য নিত্যপণের দামও বেশি রয়েছে।’

এদিকে হঠাৎ বাজারে ডিমের দামে অস্থিরতা নিয়ে তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ীরা বলেন, চাহিদার তুলনায় বাজারে ডিমের সরবরাহ কম। এর ফলে দাম কিছুটা বেড়েছে। বৃষ্টিপাত কমলে, বাজারে শাকসবজির সরবরাহ বাড়লে ডিমের ওপর থেকে চাপ কমবে। তখন হয়তো দাম কমতে পারে।

শুক্রবাদ বাজারে কথা হয় মমিনুল হক নামের এক ক্রেতার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমাদের মতো হিসাব করে চলা মানুষ আর ইলিশ মাছ-গরুর মাংস খেতে পারবে না। কমদামে ব্রয়লারও এখন কেনা যায় না। মাছের দামও বেড়েছে। আমরা এখন কী খাবো।




কুয়াকাটায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: “পর্যটন শান্তির সোপান” এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় পালিত হয়েছে বিশ্ব পর্যটন দিবস।

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯ টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন, কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসন ও কুয়াকাটা পৌরসভার যৌথ আয়োজনে পৌরসভা চত্তর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সৈকতে গিয়ে মিলিত হয়। সেখানে বীচ ক্লিনিং কার্যক্রম শেষে শোভাযাত্রাটি পর্যটন হলিডে হোমস চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

পরে কুয়াকাটা বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম এর সভাপতিত্বে পর্যটন ইয়ুথ হল রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরিফীন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক কৌশিক আহমেদ, টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজওয়ানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ, পটুয়াখালী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) যাদব সরকার, স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক জুয়েল রানা, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ মুসল্লী প্রমূখ।
এছাড়াও পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশন, ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক), কুয়াকাটা ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট এসোসিয়েশন (কুটুম), কুয়াকাটা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কুয়াকাটা বয়েস ক্লাব, হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশন, ফিস ফ্রাই সমিতি, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, ট্যুরিস্ট বোর্ড মালিক সমিতি সহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার কয়েকশত মানুষ শোভাযাত্রা ও রেলীতে অংশ নেয়।

সভা শেষে কুয়াকাটা পর্যটন ভিত্তিক একটি ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়। www.Kuakata.gov.bd নামক এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হোটেল মোটেল রিসোর্ট বুকিং সহ কুয়াকাটার নানা বিষয় জানতে পারবেন পর্যটক দর্শনার্থীরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা কুয়াকাটা পর্যটন উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষা, সেবা এবং নিরাপত্তা বিষয়ে আলোকপাত করেন। এ সময় সকল পর্যটন নির্ভর ব্যবসায়ীদের এ বিষয়ে যার যার স্থান থেকে সহযোগিতার আহবান জানান পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক।




কানপুর টেস্ট : শান্ত-মুমিনুলের জুটিতে স্বস্তির প্রথম সেশন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ২৯ রানের মধ্যে দুই ওপেনার সাজঘরে। কানপুর টেস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ বেশ চাপে পড়ে গিয়েছিল। তবে নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুমিনুল হক মিলে ৪৫ রানের জুটিতে স্বস্তির সেশন এনে দিয়েছেন টাইগারদের।

২৬ ওভারে ২ উইকেটে ৭৪ রান নিয়ে প্রথম দিনের লাঞ্চ বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। শান্ত ২৮ আর মুমিনুল ১৭ রানে অপরাজিত আছেন।

কানপুর টেস্ট শুরুর আগের দিন বৃষ্টি হয়েছে। ভেজা আউটফিল্ডের কারণে টসও হয় দেরিতে। পেসাররা সহায়তা পাবেন, এমনটা ভেবেই বোধ হয় টস জিতে প্রথমে বোলিং বেছে নেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা।

প্রথম কয়েক ওভার পেসাররা বিপদে ফেলতে পারেন, জানাই ছিল। তবে দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম এবং জাকির হাসান বেশ দেখেশুনে শুরু করেন।

অনায়াসেই কাটিয়ে দেন প্রথম ৮ ওভার। তবে নবম ওভারের তিন নম্বর বলে এসে জাকির হাসান স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ভারতীয় পেসার আকাশ দীপ নিজের প্রথম ওভারে এসেই সুইংয়ে পরাস্ত করেন জাকিরকে।

স্লিপে জয়সওয়াল দারুণ ক্যাচ নিলেও ক্যাচটি নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ ছিল। রিপ্লে বেশ ঘোলা দেখা যায়, কোনো অ্যাঙ্গেল থেকেই নিশ্চিত হওয়া যায়নি বল মাটিতে স্পর্শ করেছে কিনা। আম্পায়ার আউট দেন। ২৪ বল খেলে ০ রান করে ফেরেন টাইগার ওপেনার।

এরপর সাদমান ইসলামও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। আম্পায়ার আউট দেননি। কিন্তু বোলার আকাশ দীপ বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। বোলারের সঙ্গে কথা বলে রিভিউ নিয়ে নেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা।

রিভিউতে দেখা যায়, সাদমান ইসলামের প্যাডে লাগা বল লেগস্টাম্প আঘাত করতো। সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হয় আম্পায়ারের। বড় স্ক্রিনে এই আউট দেখে অবাক হতে দেখা যায় রোহিতকেও। অনেকটা অপ্রত্যাশিত উইকেট পেয়ে বিরাট কোহলিসহ অন্য ক্রিকেটাররাও উল্লাসে ফেটে পড়েন।

সাদমান বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই খেলছিলেন। কিন্তু ৩৬ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২৪ করে সাজঘরে ফিরতে হয় বাংলাদেশ ওপেনারকে। ২৯ রানে দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে টাইগারদের।




পটুয়াখালী জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সাংবাদিক এ্যাডভোকেট মোয়াজ্জম হোসেন সুলতান মিয়ার ৩৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: আজ ২৭ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ,সাংবাদিক এ্যাডভোকেট মোয়াজ্জম হোসেন সুলতান মিয়ার ৩৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯১ সালে ২৭ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, পটুয়াখালী নাইট কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ, পটুয়াখালী লতিফ মিউনিসিপ্যাল সেমিনারীরর প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক, পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি , দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার পটুয়াখালী জেলা সংবাদদাতা বিশিষ্ট সমাজসেবক মরহুম মোয়াজ্জম হোসেন সুলতান মিয়া ইন্তেকাল করেন ।

মরহুমের ৩৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের সন্তান পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার জেলা সংবাদদাতা এ্যাডভোকেট মো: জাকির হোসেন সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।




দেশের ১২ সিটি কর্পোরেশনের সব কাউন্সিলরকে অপসারণ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনের ও সংরক্ষতি নারী কাউন্সিলরসহ সব কাউন্সিলরকে স্ব স্ব পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ।

 

 

এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এতদ্বারা স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’এর ধারা ১৩ক প্রয়োগ করে বাংলাদেশের নিম্নবর্ণিত সিটি কর্পোরেশনসমূহের কাউন্সিলরগণকে (সংরক্ষিত আসনসহ) স্ব স্ব পদ হতে অপসারণ করা হলো।

 

 

সিটি কর্পোরেশনগুলো হলো- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, খুলনা সিটি কর্পোরেশন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন, রংপুর সিটি কর্পোরেশন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন।

 

 

জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

 

এর আগে, ১৯ আগস্ট এই ১২টি সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগ দেয় সরকার।