ঝালকাঠিতে কমিউনিটি ক্লিনিকে সাত বিষধর সাপের আতঙ্ক

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার মগড় ইউনিয়নের কারুয়াকাঠি কমিউনিটি ক্লিনিকে একসঙ্গে সাতটি বিষধর সাপ পাওয়া গেছে। বুধবার (৮ অক্টোবর) সকালে এ ঘটনা ঘটলে স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

ক্লিনিকটিতে দায়িত্বরত হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) মারজিয়া খানম জানান, “সকাল ৯টার দিকে প্রতিদিনের মতো আমি ক্লিনিকে যাই। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ ফ্লোরে সাপের নড়াচড়া লক্ষ্য করি। ভয় পেয়ে চিৎকার দিলে স্থানীয় কয়েকজন দ্রুত এগিয়ে আসেন। পরে তারা ফ্লোরের গর্ত ও বাথরুম থেকে মোট সাতটি বিষধর সাপ ধরে মেরে ফেলেন।”

তিনি আরও জানান, ক্লিনিক ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় মেঝের ইট ও গাঁথুনি ভেঙে গর্ত তৈরি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ঐ গর্তেই সাপগুলো বাসা বেঁধেছিল।

ঘটনার পর থেকে ক্লিনিকের স্টাফ ও আশপাশের সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ক্লিনিক ভবনটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরগুনায় বিচারপ্রার্থীদের জন্য যাত্রা শুরু করলো ‘ন্যায়কুঞ্জ’

বরগুনায় বিচারপ্রার্থীদের বিশ্রাম ও সুবিধার জন্য উদ্বোধন করা হয়েছে আধুনিক বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’। এতে নারী ও শিশুদের জন্য রাখা হয়েছে আলাদা মাতৃদুগ্ধ কর্নার, যা দেশের আদালত প্রাঙ্গণে এক প্রশংসনীয় সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় বরগুনা জেলা আদালত প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি জে বি এম হাসান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ মো. সাইফুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আলম, জেলা ও দায়রা জজ (নারী ও শিশু) লাইলাতুল ফেরদৌস, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল আলম, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. ওসমান গনি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ (পিপিএম) এবং গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোল্লা রবিউল ইসলাম।

বিচারপ্রার্থীদের জন্য মানবিক উদ্যোগ

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি জে বি এম হাসান বলেন,“ন্যায়কুঞ্জ নির্মাণের মাধ্যমে বিচারপ্রার্থীদের জন্য একটি শান্ত ও মানবিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সবার আন্তরিক সহযোগিতা অপরিহার্য।”

উদ্বোধনের পর বিচারপতি আদালত প্রাঙ্গণের বিভিন্ন ভবন ও কক্ষ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বরগুনার বিচার বিভাগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন বিষয়ে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা করার আশ্বাস দেন।

নতুন ভবনের পরিকল্পনা

অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা আদালতের ১২ তলা বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণের স্থান নির্বাচন বিষয়েও আলোচনা হয়।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-১ কাজী আশরাফুজ্জামান, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-২ দেব্রত বিশ্বাস, সিনিয়র সহকারী জজ এম এ আজহারুল ইসলাম, সহকারী জজ আরিফ হোসেন, মোহা. রানা শেখ, সেলিনা আক্তার, পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন, স্থানীয় প্রশাসন ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা এবং আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ।

প্রকল্পের পটভূমি

এর আগে, ২০২৩ সালের ২ জুন বিচারপ্রার্থীদের জন্য আধুনিক এই বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. সেলিম।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আজ সেটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হওয়ায় বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবী মহলে স্বস্তি ও সন্তুষ্টি দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় আইনজীবীরা মনে করছেন, ন্যায়কুঞ্জ শুধু বিশ্রামের জায়গা নয় — এটি হবে মানবিক বিচার ব্যবস্থার প্রতীক, যেখানে ন্যায়বিচারপ্রার্থী মানুষ এক মুহূর্ত স্বস্তির নিশ্বাস নিতে পারবেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বিদ্যালয় ভবনে গোয়ালঘর! আমতলীতে পাঠদান ব্যাহত ও পরিবেশ দূষণ

বরগুনার আমতলীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের নিচতলায় গোয়ালঘর তৈরি করে গরু ও মহিষ পালন করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দু’জন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। এতে বিদ্যালয়ের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পাঠদানও ব্যাহত হচ্ছে।

ঘটনাটি ঘটেছে আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক শতাধিক শিক্ষার্থী এই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে। গত তিন মাস ধরে স্থানীয় প্রভাবশালী শাহ আলম হাওলাদার পাঁচটি গরু এবং ফোরকান হাওলাদার তিনটি মহিষ বিদ্যালয় ভবনের নিচতলায় লালন-পালন করছেন। ফলে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে বর্জ্য ও দুর্গন্ধ, যা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য এক অসহনীয় পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার জানান, একাধিকবার নিষেধ করার পরও অভিযুক্তরা ভবনের নিচ থেকে গোয়ালঘর সরায়নি। তিনি বলেন, “বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আমরা বারবার অনুরোধ করেছি, কিন্তু তারা শুনছে না।”

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয় ভবনের নিচে বাঁধা রয়েছে ৫টি গরু ও ৩টি মহিষ। চারপাশ জুড়ে গোবর, খড়কুটা ও ঘাসে ভরে গেছে স্থানটি। দুর্গন্ধে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে থাকা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। বিদ্যালয়ের মাঠেও বর্জ্যের স্তূপে মশা-মাছির উপদ্রব বেড়েছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানজিল, সাদিয়া, সাব্বির ও মুসাদ্দিকা জানান, “গোয়ালঘর থেকে এমন দুর্গন্ধ আসে যে ক্লাসে থাকা যায় না। আমরা চাই, দ্রুত গোয়ালঘর সরানো হোক।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, গত তিন মাস ধরে গরু ও মহিষ রাখার কারণে বিদ্যালয় এলাকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভিযুক্ত শাহ আলম হাওলাদার বলেন, “বিদ্যালয়ে গোয়ালঘর করা আমার ভুল হয়েছে, আমি দ্রুত সরিয়ে নেব।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সফিউল আলম বলেন, “বিষয়টি এখনই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যদি দ্রুত গোয়ালঘর সরানো না হয়, তাহলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পবিত্র পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি। অন্যথায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও শিক্ষা কার্যক্রম আরও ব্যাহত হবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ভোলায় নির্বাচনী উত্তাপ: বিএনপিতে দ্বন্দ্ব, আত্মবিশ্বাসী জামায়াত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলা ভোলা এখন নির্বাচনী উত্তেজনায় সরগরম। বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে ভোলার রয়েছে চারটি গুরুত্বপূর্ণ আসন — ভোলা-১ (সদর), ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন), ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) এবং ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা)।
প্রতিটি আসনেই হেভিওয়েট প্রার্থীদের উপস্থিতিতে জমে উঠেছে নির্বাচনী সমীকরণ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোলার রাজনীতিতে এবারও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে। বিএনপিতে একাধিক প্রার্থী থাকায় অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে জামায়াত একক প্রার্থী দিয়ে মাঠে নামায় তুলনামূলক আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে রয়েছে।

ভোলা-১: নজরুল বনাম নবী

এ আসনে আলোচনায় রয়েছেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গোলাম নবী আলমগীর এবং হায়দার আলী লেলিন
ইসলামী আন্দোলনের ওবায়েদ বিন মোস্তফা ও বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।

নজরুল ইসলাম বলেন, “জনগণ এখন বুঝে গেছে কে দেশের বন্ধু, কে শত্রু। আমরা জনগণের পাশে ছিলাম ও থাকব, তাই দাঁড়িপাল্লায় ভোটই প্রমাণ করবে সত্যিকারের দেশপ্রেম।”

ভোলা-২: একাধিক প্রার্থী নিয়ে বিএনপিতে টানাপোড়েন

এই আসনে বিএনপি থেকে সাবেক এমপি হাফিজ ইব্রাহিম, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম ইব্রাহিম খলিলসহ অন্তত চারজন প্রার্থী সক্রিয়। অপরদিকে জামায়াতের সাবেক জেলা আমির মাওলানা ফজলুল করিম একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে।
তিনি বলেন, “আমরা চাঁদাবাজি বা সহিংস রাজনীতিতে নেই, জনগণের আস্থা নিয়েই নির্বাচনে যাচ্ছি।”

ভোলা-৩: মাঠে আলোচনায় নিজামুল হক নাঈম

এ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট নেতা মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ (অব.) আলোচনায় থাকলেও, জামায়াত সমর্থিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির নেতা নিজামুল হক নাঈম এখন ভোটারদের নজরে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন গণসংযোগ করে ভোটারদের আস্থা অর্জন করছেন তিনি। ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মুসলেমউদ্দীন ও খেলাফত মজলিসের মাওলানা রফিকুল ইসলামও প্রার্থী হচ্ছেন।

ভোলা-৪: সক্রিয় বিএনপি, প্রস্তুত জামায়াত

ভোলা-৪ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনজন—সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আলম, যুবদল নেতা নূরুল ইসলাম নয়ন ও এডভোকেট সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া
জামায়াতের পক্ষ থেকে একক প্রার্থী হিসেবে অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল এরই মধ্যে গণসংযোগ শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামী কোনো ব্যক্তির নয়, আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে। জনগণ এবার দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে আমাদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করবে।”

ভোটারদের দৃষ্টি জামায়াতের দিকে

ভোটারদের আলোচনায় এখন স্পষ্ট — ভোলায় প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। স্থানীয় বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়াতের প্রার্থীরা সামাজিক কর্মকাণ্ড, মানবিক সহায়তা এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ সংগঠন গড়ে তোলায় ভোটারদের আস্থা অর্জন করেছে।
অন্যদিকে, বিএনপির ভেতরের বিভাজন ও একাধিক প্রার্থী নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব তাদের অবস্থান দুর্বল করছে।

ভোটারদের মতে, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি সবাই দিচ্ছে, তবে জামায়াতের সামাজিক নিরাপত্তা, নদীভাঙন প্রতিরোধ, বেকারত্ব নিরসন ও শিল্প-কারখানা স্থাপনের অঙ্গীকারই এবার জনগণের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




একা থাকলে পাপে জড়িয়ে পড়েন? নিজেকে রক্ষা করার উপায়

বাসা বা ব্যক্তিগত কোনো পরিবেশে কেউ একা থাকলে পাপ বা গুনাহের কাজের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করতে পারেন। ইসলামী বিশেষজ্ঞদের মতে, শয়তানের প্ররোচনায় মানুষ অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল পথে প্রবেশ করে এবং পরে অনুশোচনায় ভুগতে থাকে।

নিজেকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পাপ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। তবে শুধু অনুশোচনা যথেষ্ট নয়; বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, তওবা ও পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপ হলো নিজের ভুল বুঝে নেওয়া এবং পরিবর্তনের চেষ্টা করা।

কীভাবে পাপ থেকে বাঁচবেন:

  1. পাপের কারণ দূর করুন:
    যে পরিবেশ, সঙ্গ বা অভ্যাস আপনাকে পাপের দিকে টেনে নেয়, তা থেকে নিজেকে দূরে সরান। উদাহরণস্বরূপ, খারাপ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, অশ্লীল কন্টেন্ট দেখা, অনুচিত সম্পর্ক ইত্যাদি এড়ান।
  2. দৃঢ় সংকল্প নিন:
    অন্তরে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করুন যে আর কখনো পাপে প্রবেশ করবেন না এবং পাপের মাধ্যমগুলো স্পর্শও করবেন না।
  3. ভালো কাজে ব্যস্ত থাকুন:
    ইমাম শাফেয়ি (রহ.) বলেছেন, মন যদি ভালো কাজে ব্যস্ত না থাকে, তা মন্দ কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তাই নেক কাজ বা উপকারী প্রজেক্ট খুঁজে সময় ব্যস্ত রাখুন।
  4. আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবেন না:
    কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছেন, তারা তাঁর রহমত থেকে নিরাশ হবেন না, কারণ তিনি সব গুনাহ মাফ করেন (সূরা আয-যুমার, আয়াত ৫৩)।
    এছাড়া যারা তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকাজ করে—তাদের গুনাহকে সওয়াবে পরিণত করে দেবেন (সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ৭০)।

তওবা মানে শুধু মুখে ক্ষমা প্রার্থনা নয়; বরং পাপ থেকে বিরত থাকা, সৎ কাজ শুরু করা এবং সেই পথে অটল থাকা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




তরুণ উদ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণায় ‘University Entrepreneur Award & Expo 2025’ দেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে এবং তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে দেশের শীর্ষ তরুণ-নির্ভর প্রতিষ্ঠান Lynovexa Limited আয়োজন করতে যাচ্ছে এক অনন্য ও যুগান্তকারী উদ্যোগ — “University Entrepreneur Award & Expo 2025”।

এই আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা ও প্রবর্তক Lynovexa Limited-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং University Entrepreneur Award-এর ফাউন্ডার সাদাত শাহ আল মুইজ।

তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা, তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনা প্রদান এবং উদ্যোক্তা-নেটওয়ার্ক তৈরির লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হচ্ছে।

সাদাত শাহ আল মুইজ বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২২ লাখ তরুণ কর্মবাজারে প্রবেশ করে। বিদেশে কর্মসংস্থান, সরকারি-বেসরকারি চাকরি এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে যুক্ত হওয়ার পরও প্রায় ১০ লাখ তরুণ শোভন কর্মসংস্থানের সুযোগ পায় না। যদি এই তরুণদের মাত্র ১০ শতাংশকেও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তবে তারা নিজেরাই বাকিদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবে। University Entrepreneur Award & Expo 2025 তরুণদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে এক গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।”

ইভেন্টের Organizing Board Advisor হিসেবে যুক্ত হয়েছেন ইউএস-বাংলা গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার কামরুল ইসলাম এবং রবি আজিয়াটা লিমিটেডের কর্পোরেট গভর্নেন্স ও প্রসেস ডিজিটালাইজেশন বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার আহমাদ জাওয়াদ।

তারা দুজনই তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা, দিকনির্দেশনা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে আয়োজনের কাঠামো ও পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

কামরুল ইসলাম বলেন, এই আয়োজন তরুণ উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্ব বিকাশে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আজকের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সফল উদ্যোক্তা ও দেশের অগ্রযাত্রার পথপ্রদর্শক হবে।

আহমাদ জাওয়াদ বলেন,বর্তমানে তরুণরা সীমাবদ্ধতায় আবদ্ধ থাকতে চায় না। তারা নিজেদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে চায় গণ্ডি পেরিয়ে। University Entrepreneur Award & Expo 2025 হবে সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়নের অনন্য এক প্ল্যাটফর্ম।”*

১৪ অক্টোবর ২০২৫ শান্তা মারিয়াম ইউনিভার্সিটি, ঢাকা আয়োজক:Lynovexa Limited ফাউন্ডার ও কনসেপ্ট ইনিশিয়েটর: সাদাত শাহ আল মুইজ, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, Lynovexa Limited ইভেন্ট পার্টনার: Bangladesh & Powered by Sales Machine সহযোগী প্রতিষ্ঠান: ইউএস-বাংলা গ্রুপ, পোলার আইসক্রিমসহ অন্যান্য স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ।

প্রথম ধাপে দেশের ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে, যা পরবর্তীতে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা শুধু উদ্যোক্তা ধারণার সঙ্গে পরিচিত হবেন না, বরং নিজেরা স্টার্টআপ উদ্যোগ তৈরি ও বাস্তবায়নেরও সুযোগ পাবেন।




পটুয়াখালীর লোহালিয়ায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশসহ ৬ জন আহত, আটক ৩

পটুয়াখালীর লোহালিয়া ইউনিয়নে মামলা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা হয়, এতে পুলিশসহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (৮ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের পালপাড়া বাজার এলাকায়। আহতদের উদ্ধার করে রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে।”

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন—এসআই আবদুর রহমান, এএসআই জহির উদ্দিন, কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. মহিবুল্লাহ ও কনস্টেবল রানা। এছাড়া স্থানীয় মফিজুল মৃধা ওরফে মাসুদ মৃধা (৩৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে উত্তেজিত পক্ষের সদস্যরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। একজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন, আর চারজন সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করেছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—

উত্তর লোহালিয়া গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হক চৌধুরীর ছেলে আমিনুল হক চৌধুরী (৪৮)

পাজাখালী গ্রামের রমজান আলীর ছেলে পলাশ হাওলাদার (২৩)

মৃত আমজেদ আলীর ছেলে রমজান আলী (৫৫)

ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “সংঘর্ষ ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এলাকায় বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক, তবে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পেছনে থাকা মূল কারণ ও সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করতে তদন্ত চলছে।

 

আল-আমিন



লোহালিয়া নদীতে নিখোঁজ পর মুরাদিয়ার বটতলা এলাকায় শিশু আলীফের মরদেহ উদ্ধার

পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুরে লোহালিয়া নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়া ৮ বছর বয়সী শিশু আলীফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় মৃত শিশুটি বরগুনা জেলার লাকৈর এলাকার নিজাম আকনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আলীফ খালার বাড়িতে বেড়াতে এসে সোমবার স্থানীয় শিশুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে তলিয়ে যায়। এরপর এলাকার মানুষ এবং ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা খোঁজাখুঁজি চালালেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

বুধবার বিকেলে পার্শ্ববর্তী দুমকী উপজেলার মুরাদিয়ার বটতলা এলাকায় একটি ভাসমান মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে সন্ধ্যার দিকে দুমকী থানার সহযোগিতায় পটুয়াখালী নৌ পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। স্বজনরা এসে ঘটনাস্থলে মরদেহ শনাক্ত করেন।

দুমকী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “নৌ পুলিশের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের স্বজনরা উপস্থিত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুমকী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন। আইনি কার্যক্রম শেষ হলে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালী র‍্যাব ক্যাম্পে ঘুমন্ত অবস্থায় সদস্যের মৃত্যু

পটুয়াখালী র‍্যাব-৮ ক্যাম্পে ঘুমন্ত অবস্থায় মনিরুজ্জামান (৩০) নামের এক র‍্যাব সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে ব্যারাক থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত মনিরুজ্জামান খুলনার পাইকগাছা উপজেলার মৌখালী গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। তিনি পরিবার থেকে দূরে থেকে চাকরির কারণে ক্যাম্পে অবস্থান করছিলেন। গ্রামের বাড়িতে তার স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে।

সহকর্মীদের বরাতে জানা যায়, সকালে তিনি ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ব্যারাকে ফিরে বিশ্রাম নিতে যান। জোহরের নামাজের সময়েও তিনি না ওঠায় সহকর্মীরা তাকে ডাকতে থাকেন। কিন্তু কোনো সাড়া না পেয়ে তারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মশিউর রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

র‍্যাব-৮ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহম্মেদ বলেন, “প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ জানার জন্য লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে।”

সহকর্মীরা জানান, মনিরুজ্জামান কর্মঠ, শান্তস্বভাব ও দায়িত্বশীল সদস্য ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে ক্যাম্পের সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালীতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন

“আমি কন্যাশিশু স্বপ্নগড়ি, সাহসে লড়ি, দেশের কল্যাণে কাজ করি”— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন ও জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে উদযাপিত হলো জাতীয় কন্যাশিশু দিবস-২০২৫। দিনটি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় র‍্যালি ও আলোচনা সভা।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় সোনালী ব্যাংক মোড় থেকে শুরু হওয়া বর্ণাঢ্য র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে অংশ নেন জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মাসুদ উল আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপু সরোয়ার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার উম্মে সালমা লাইজু, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক এস. এম. শাহাজাদা, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক শিরিন সুলতানা, এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ভুপেন চন্দ্র মণ্ডল

সভায় বক্তারা বলেন, কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা ও তাদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বাড়াতে হবে। একটি দেশ তখনই প্রকৃত অর্থে এগিয়ে যায়, যখন মেয়েরা শিক্ষা, নিরাপত্তা ও কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগ পায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মাসুদ উল আলম বলেন, “কন্যাশিশুদের স্বপ্ন পূরণের পথ সুগম করতে পরিবার থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায় পর্যন্ত সহযোগিতা দরকার। মেয়েরা এগিয়ে গেলে সমাজ ও দেশ এগিয়ে যাবে।”

সভা সঞ্চালনা করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ডে-কেয়ার ইনচার্জ রেখা রানী হালদার

এসময় জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং নারী উন্নয়ন সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম