বরিশালে পরিবেশ অধিদফতরের অভিযান

বরিশালের বানারীপাড়ায় অবস্থিত একটি প্লাস্টিক কারখানায় অভিযান চালিয়ে পরিবেশ অধিদফতর বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পলিথিন ও কাঁচামাল জব্দ করেছে। অভিযানটি সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে পৌর এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান গলি সড়কে পরিচালিত হয়।

পরিবেশ অধিদফতর বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেসার্স জাবের প্লাস্টিক অ্যান্ড প্যাকেজিং কারখানায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পলিথিন তৈরির ৩ হাজার কেজি কাঁচামাল (পিপিই দানা) এবং ৭২০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় কোনো ব্যক্তিকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

কারখানার মালিক মো. জিয়া মুঠোফোনে দাবি করেছেন, কারখানায় কোনো নিষিদ্ধ পলিথিন তৈরি হচ্ছিল না। তিনি বলেন, “আমাদের কারখানায় শুধুমাত্র অনুমোদিত প্লাস্টিক পণ্য তৈরি করা হয়।”

পরিবেশ অধিদফতর জানান, এই ধরনের অভিযান পরিবেশ রক্ষায় এবং নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার বন্ধে নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




অনিরাপদ উপকূলে অস্তিত্ব সংকটে অতিথি পাখি

ভোলার চরাঞ্চলে থমকে যাচ্ছে শীতের কলকাকলি

শীত এলেই ভোলার উপকূলীয় চরাঞ্চল হয়ে উঠত রঙিন ও প্রাণবন্ত। দিগন্তজোড়া জলরাশিতে হাজার হাজার অতিথি পাখির উড়াউড়ি, দলবেঁধে খাবার খোঁজা আর কিচিরমিচির শব্দে মুখর থাকত চর কুকরী মুকরী, ঢালচর, মনপুরাসহ বিস্তীর্ণ উপকূল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই চিত্র। এখন সেখানে শোনা যায় যান্ত্রিক নৌযানের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের চাপ। ফলে পরিযায়ী পাখিদের জন্য ভোলার চরাঞ্চল দিন দিন হয়ে উঠছে অনিরাপদ।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, একসময় চর কুকরী মুকরী, চর শাহজালাল, চর শাজাহান, চর পিয়াল, আইলউদ্দিন চর, চরনিজাম, দমার চর, ডেগরারচরসহ মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মধ্যবর্তী প্রায় অর্ধশত নতুন চর ছিল পাখিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। সুদূর সাইবেরিয়া ও হিমালয় অঞ্চল থেকে আসা অতিথি পাখির কলতানে মুখর থাকত সাগরকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা।

কিন্তু মানুষের বসতি স্থাপন, কৃষি আবাদ বৃদ্ধি, অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন, চরগুলোকে গোচারণভূমি হিসেবে ব্যবহার এবং দিনরাত যান্ত্রিক নৌযানের শব্দদূষণে সেই শান্ত পরিবেশ আজ স্তব্ধপ্রায়। চর কুকরী মুকরির বাসিন্দা নিয়ামুল মাঝি ও স্থানীয় ব্যবসায়ী মিজান খানের মতে, মানুষের অযাচিত হস্তক্ষেপে পাখিরা এখন আর আগের মতো এসব চরে ভিড়ছে না।

সম্প্রতি বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের রিসার্চ কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ড. সায়াম ইউ. চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল ১১ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও পটুয়াখালীর ৫৩টি চরে পাখি শুমারি পরিচালনা করে। জরিপে উপকূলীয় মেঘনা মোহনায় ৬৩ প্রজাতির মোট ৪৭ হাজার ১৫৭টি জলপাখির অস্তিত্ব নথিভুক্ত করা হয়।

শুমারিতে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে ইউরেশিয়ান উইজিয়ন (৬,০১২টি), ব্ল্যাক-টেইলড গডউইট (৪,৪৩৪টি) এবং লেসার স্যান্ড প্লোভার (৩,৯৬২টি)। মনপুরার কাছে চর আতাউর, ভাসান চরের পাশে জৈজ্জার চর ও আন্ডার চরে পাখির ঘনত্ব তুলনামূলক বেশি ছিল। চর আতাউরে ৬,৪৭৯টি, জৈজ্জার চরে ৫,৮১৪টি এবং আন্ডার চরে ৪,৯৮৭টি পাখি রেকর্ড করা হয়েছে।

তবে এই পরিসংখ্যানের আড়ালে লুকিয়ে আছে উদ্বেগজনক চিত্র। শুমারি দলের সদস্য এম এ মুহিত জানান, একসময় ভোলার উপকূলে বার-হেডেড গুজ বা রাজহাঁস হাজারেরও বেশি দেখা যেত, এ বছর তা নেমে এসেছে মাত্র ২০–২৫টিতে। খয়রা চখাচখি, গাঙচষা, লেনজা হাঁস, ইউরেশিয়ান টিল, গ্যাডওয়ালসহ বহু প্রজাতির সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। এমনকি আগে শত শত দেখা যেত এমন হাড়গিলা পাখির একটি নমুনাও এবার পাওয়া যায়নি।

শুমারি দলের আরেক সদস্য নাজিম উদ্দিন প্রিন্স বলেন, পাখি শিকারিদের উপদ্রবের পাশাপাশি নতুন হুমকি হিসেবে যুক্ত হয়েছে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে তরমুজসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ। এতে পাখিদের বিচরণভূমি সংকুচিত হচ্ছে। প্রায় ৫০০ কিলোমিটার নৌপথ পাড়ি দিয়ে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে শিগগিরই বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

বন অধিদফতরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ফা-তু-জো খালেক মিলা জানান, জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত কাদাজলের চরগুলো পরিযায়ী পাখিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু মানুষের অবাধ যাতায়াত ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় পাখিরা ভীত হয়ে এলাকা ছাড়ছে। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় এসব চরাঞ্চলে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে শিগগিরই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উপকূলীয় চরাঞ্চল রক্ষা না করা গেলে শুধু অতিথি পাখিই নয়, হারাবে প্রকৃতির স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভোলার শীতকাল আর কখনোই আগের মতো কলকাকলিতে ভরে উঠবে না।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




নুরের আসনে অনড় মামুন, প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন না বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা–গলাচিপা) আসনে নাটকীয়তা অব্যাহত রয়েছে। বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনেও নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াননি। বরং ভোটগ্রহণের দিন পর্যন্ত মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন হাসান মামুন। ফলে এই আসনে জোটের প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও বিএনপি ঘরানার ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট থেকে প্রার্থী হয়েছেন অধ্যাপক শাহ আলম। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন আবু বকর।

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নুরুল হক নুর, হাসান মামুন ও অধ্যাপক শাহ আলম—এই তিনজনের মধ্যেই মূলত ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আবু বকর ভোটের হিসাবকে প্রভাবিত করতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে নুরুল হক নুর জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি পেলেও পটুয়াখালী-৩ আসনে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক যোগাযোগ বজায় রেখে আসছিলেন হাসান মামুন। নুরকে জোটের প্রার্থী ঘোষণার পরও দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলার বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের সিংহভাগ নেতাকর্মী প্রকাশ্যে মামুনের পক্ষেই মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

এমনকি দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগে দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলা বিএনপি এবং গলাচিপা পৌর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করা হলেও মাঠপর্যায়ের অবস্থানে তেমন পরিবর্তন আসেনি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে নুরুল হক নুর বলেন,
“নির্বাচন মানেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আমি কাউকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি না। এলাকার উন্নয়ন ও নিরাপত্তার প্রশ্নে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাকে ভোট দেবে। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি।”

অন্যদিকে বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন বলেন,
“এলাকার সাধারণ মানুষের চাপের কারণে নির্বাচন থেকে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই। ভোটগ্রহণ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিভক্তি পটুয়াখালী-৩ আসনে ভোটের সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে। শেষ পর্যন্ত কার পক্ষে পাল্লা ভারী হয়, তা নির্ভর করবে মাঠপর্যায়ের সংগঠিত শক্তি ও ভোটারদের সিদ্ধান্তের ওপর।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবি: নিখোঁজ দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার

বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ চার জেলের মধ্যে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের মেঘনা নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন—মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পালপাড়া গ্রামের শাহীন মীর (১৭) ও আরিফ সিকদার (১৯)। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন শাহীন সিকদার (১৭) ও নয়ন ব্যাপারী (১৯)।

হিজলা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই গৌতম চন্দ্র মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ১০ জানুয়ারি মেঘনা নদীর হিজলার গোবিন্দপুর এলাকার লাল বয়া সংলগ্ন স্থানে পাঁচ জেলেসহ একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ডুবে যায়। ওই দুর্ঘটনায় চার জেলে নিখোঁজ হন।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে নৌ পুলিশের একটি দল মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে শাহীন মীর ও আরিফ সিকদারের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ দুটি তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিখোঁজ অপর দুই জেলের সন্ধানে উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে নৌ পুলিশ। দুর্ঘটনার পর থেকে নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরগুনায় নৌবাহিনী-পুলিশের যৌথ চেকপোস্ট অভিযান

বরগুনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জেলা সদরের লাকুরতলা মোড় সংলগ্ন সড়কে এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বরগুনা কন্টিনজেন্টের লেফটেন্যান্ট আসিফ মোস্তফা মুন বিএন (পি নং-৩৫০২) এর নেতৃত্বে নৌবাহিনীর সাত সদস্যের একটি দল এবং বরগুনা থানা ট্রাফিক পুলিশের দুই সদস্য অংশ নেন।

চেকপোস্টে বিভিন্ন যানবাহনের কাগজপত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট ব্যবহারসহ সড়ক আইন মেনে চলার বিষয়গুলো সতর্কভাবে পরীক্ষা করা হয়। পাশাপাশি সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের দেহ তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

অভিযানকালে ৪৫টি মোটরসাইকেল, ৪টি বাস, ৩টি প্রাইভেটকার, ৪টি ট্রাক ও ৩টি মাইক্রোবাসের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১টি বাস ও ৪টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে মোট ২০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযান শেষে লেফটেন্যান্ট আসিফ মোস্তফা মুন বলেন, “সড়কে চালকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধ দমন কার্যক্রমকে আরও জোরদার করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।”

এই যৌথ অভিযানকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




কাফনের কাপড় নিয়ে পার্কে বিষপান, পাঁচদিনের লড়াই শেষে ঝরে গেল তরুণীর প্রাণ

বরিশালে কাফনের কাপড় সঙ্গে নিয়ে পার্কে প্রকাশ্যে বিষপান করা জান্নাত আক্তার (২২) আর বাঁচলেন না। পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষে রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় নগরজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নিহত জান্নাত আক্তার বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের বুখাইনগর এলাকার বাসিন্দা। হাসপাতাল ও স্বজন সূত্রে জানা যায়, একই উপজেলার সাহেবের হাট এলাকার প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান সাগরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ে হয় জান্নাতের। তবে বিয়ের মাত্র চার মাসের মাথায় দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে।

এই বিচ্ছেদের মানসিক যন্ত্রণা সইতে না পেরে গত ১২ জানুয়ারি বরিশাল নগরীর একটি পার্কে কাফনের কাপড় সঙ্গে নিয়ে প্রকাশ্যে আগাছানাশক প্যারাকোয়াট বিষপান করেন তিনি। বিষপানের পর পার্কের একটি গাছের নিচে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকেন জান্নাত। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

চিকিৎসকরা জানান, প্যারাকোয়াট অত্যন্ত মারাত্মক ধরনের বিষ। এ ধরনের বিষপানে আক্রান্ত অধিকাংশ রোগীরই বাঁচার সম্ভাবনা থাকে না। সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হলেও জান্নাতকে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, প্রেম করে বিয়ের পর স্বামীর তালাক দেওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে জান্নাত। সেই কষ্ট থেকেই তিনি প্রকাশ্যে বিষপান করেন। মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ঘটনা আবারও প্রশ্ন তুলেছে—মানসিক বিপর্যয় ও সম্পর্কের ভাঙনে তরুণ-তরুণীদের জীবন কেন এমন করুণ পরিণতির দিকে ধাবিত হচ্ছে? সচেতন মহলের মতে, সম্পর্কের সংকটে মানসিক সহায়তা ও সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো না গেলে এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা আরও বাড়তে পারে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




পটুয়াখালী–৩ আসনে আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগ, প্রশাসনের দ্বারস্থ প্রার্থী

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাসান মামুনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন একই আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির উচ্চতর পরিষদ সদস্য কৃষিবিদ মো. শহিদুল ইসলাম ফাহিম।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন বিভিন্ন সভা, সমাবেশ ও প্রকাশ্য স্থানে নির্বাচনের ফলাফল আগেভাগেই ঘোষণা করে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। তিনি প্রকাশ্যে কে প্রথম, দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় অবস্থানে থাকবেন তা উল্লেখ করে বক্তব্য দিচ্ছেন, যা নির্বাচনী পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তুলছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এ ধরনের বক্তব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণবিধি ২০০৮-এর শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী বক্তব্য সংক্রান্ত বিধান এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী নির্বাচনী অপরাধের শামিল।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হাসান মামুনের সমর্থকরা সাধারণ ভোটারদের ধর্মগ্রন্থকে সাক্ষী রেখে শপথ গ্রহণে বাধ্য করছেন। ভোটারদের ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের এমন কর্মকাণ্ড নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। এতে ভোটারদের স্বাধীন মত প্রকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। এসব কর্মকাণ্ড গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী অসদাচরণ ও অবৈধ প্রভাব বিস্তারের আওতায় পড়ে।

পটুয়াখালী–৩ আসনে নির্বাচনী সমীকরণে রয়েছে একাধিক রাজনৈতিক কৌশল। বিএনপির সমর্থন নিয়ে এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। একই সঙ্গে নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির উচ্চতর পরিষদ সদস্য কৃষিবিদ মো. শহিদুল ইসলাম ফাহিমকেও প্রার্থী করা হয়েছে।

অন্যদিকে, মো. হাসান মামুন দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং একসময় দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। তবে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। এ সিদ্ধান্তের পর তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

অভিযোগকারী কৃষিবিদ মো. শহিদুল ইসলাম ফাহিম বলেন, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন ও তার অনুসারীরা ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনসংক্রান্ত আইন ও আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চলেছেন। এতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ হুমকির মুখে পড়ছে। তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, ভ্রাম্যমাণ আদালতসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, ধর্মীয় শপথ ও উসকানিমূলক কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনিক নির্দেশনা এবং পটুয়াখালী–৩ আসনে বিশেষ নজরদারি জোরদারের দাবি জানান।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




যমুনায় জামায়াতের নেতারা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়েছেন  জামায়াতে ইসলামীর চার সদস্যের প্রতিনিধি দল।

আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টা ১৭ মিনিটে কালো রঙের একটি গাড়িতে চড়ে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান যমুনায় প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

এর কিছুক্ষণ আগে আরেকটি গাড়িতে করে যমুনায় প্রবেশ করেন জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।




রাজনীতির কঠিন সময়ে মানবিক বার্তা দিলেন ড. মাসুদ

দলীয় সিদ্ধান্তে অব্যাহতি পাওয়ার ঘটনায় যখন বাউফলের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা, তখন মানবিকতা ও সৌহার্দ্যের ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত সামনে আনলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের নেতা ও পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের এমপি প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগপূর্ণ বার্তায় তিনি বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল জব্বার মৃধার প্রতি সহমর্মিতা ও সমর্থনের কথা প্রকাশ করেন। রাজনৈতিক ভিন্নতার ঊর্ধ্বে উঠে তার এই অবস্থান ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

বার্তায় ড. মাসুদ বলেন, মহান আল্লাহ যেন আবদুল জব্বার মৃধাকে মানসিক প্রশান্তি দান করেন এবং তাঁর দয়া ও নিরাপত্তায় তাকে ও তার পরিবারকে আগলে রাখেন। তিনি দোয়া ও ভালোবাসার ভাষায় নেতার পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার বক্তব্যে আবদুল জব্বার মৃধার সততা, যোগ্যতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, জব্বার মৃধা দীর্ঘদিন ধরে বাউফলের মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এলাকাবাসীর ভালোবাসা ও সম্মান তিনি পাবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আবদুল জব্বার মৃধার সততা ও নিষ্ঠা দেশ, জাতি ও ইসলামের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তার এই মূল্যবোধ অটুট থাকবে বলেই তিনি মনে করেন।

রাজনৈতিক বিভক্তির এই সময়ে ড. মাসুদের এমন মানবিক বার্তাকে অনেকেই ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে রাজনীতি করলে তা শুধু দলীয় সীমাবদ্ধতায় আটকে থাকে না, বরং মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

উল্লেখ্য, শনিবার পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল জব্বার মৃধাকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপিতে বড় ধাক্কা, দুই উপজেলা কমিটি বিলুপ্ত

পটুয়াখালী-৩ আসনের রাজনীতিতে বড় ধরনের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশ সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটনকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অবিলম্বে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির বিদ্যমান কমিটি বাতিল করে সাংগঠনিক কার্যক্রম নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী না দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে সমর্থন দেওয়ার কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির একাংশ অনাগ্রহ দেখায়। মাঠপর্যায়ে নুরুল হক নুরের পক্ষে প্রত্যাশিত সাংগঠনিক তৎপরতা না থাকায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ক্ষুব্ধ হয়।

একই আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদ্য বহিষ্কৃত সদস্য হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। স্থানীয়ভাবে বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর তার পক্ষে সক্রিয় থাকার বিষয়টিও কেন্দ্রীয় নজরে আসে। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে এমন ভূমিকা রাখাকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

এর আগে বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিনের নেতৃত্বে একটি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে। ওই বৈঠকে নুরুল হক নুরের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন হওয়ায় শেষ পর্যন্ত কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় দল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক দায়িত্বশীল নেতা জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ যদি ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক অবস্থানের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাহলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া বিকল্প থাকে না। তিনি বলেন, শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবে না।

অন্যদিকে গলাচিপা উপজেলা বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, যিনি দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন, তার সঙ্গে অবস্থান নেওয়ায় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। তার দাবি, সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্র কিছুটা দেরি করেছে। তিনি আরও বলেন, অন্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার সুযোগ নেই এবং তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের সঙ্গেই থাকবেন।

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন জানান, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্তির চিঠি তারা হাতে পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে বলে তিনি জানান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পটুয়াখালী-৩ আসনে এই সিদ্ধান্ত বিএনপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় বার্তা দিচ্ছে। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অনড় অবস্থান দেখিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব স্পষ্ট করে দিয়েছে, নির্বাচনি কৌশলে ভিন্নমত বা দ্বিমুখী ভূমিকার সুযোগ নেই।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম