দেশে ফেরা হচ্ছে না সাকিবের!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ঘরের মাটিতে দেশের মানুষের সামনে বিদায়ী টেস্ট খেলতে চেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। টাইগার অলরাউন্ডারের আগ্রহে তাকে নিয়েই মিরপুর টেস্টের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শেষ টেস্ট খেলতে আমেরিকা থেকে দেশের উদ্দেশে নির্ধারিত সময়ে রওনাও করেছিলেন সাকিব। তবে এরই মধ্যে তার দেশে ফেরা একপ্রকার বন্ধ হয়ে গেছে।

শঙ্কা জেগেছিল গতকাল (বুধবার) মধ্যরাতেই। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে ফেরার পথে দুবাইয়ে এসে যাত্রাবিরতি দেন সাকিব। নিরাপত্তা শঙ্কার কথা বিবেচনায় রেখে তার ঢাকায় আগমন আপাতত বন্ধ রাখা হয়। জানানো হয়েছিল, সরকারের পক্ষ থেকে সবুজ সংকেত পেলেই কেবল দেশে পা রাখবেন সাকিব। মিরপুরে খেলবেন নিজের বিদায়ী টেস্ট। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আসা হচ্ছে না সাকিবের।

নিরাপত্তার কথা ভেবেই সাবেক এই অধিনায়ককে দেশে ফিরতে না করা হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। যদিও আজ বিকেল নাগাদ এ ব্যাপারে বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে বিসিবির তরফে। তবে আপাতত যা খবর, দেশে ফেরা হচ্ছে না সাকিবের। তাই এক অর্থে, কানপুরে ভারতের বিপক্ষে টেস্টই সাকিব আল হাসানের সাদা পোশাকে শেষ ম্যাচ।




২৫ হাজার কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় রাশেদ খান মেননের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। আওয়ামী সরকারের আমলে ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক। রমনা, মতিঝিল ও সবুজবাগ থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।

ছিলেন সমাজ কল্যাণমন্ত্রী এবং বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী। দায়িত্ব পালনকালে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘ ৮ বছর।

অভিযোগ, বিগত ১৬ বছরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের একান্ত দোসর ও সহযোগী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি বাণিজ্য, মাদক ব্যবসা, স্বর্ণ চোরাচালান, ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে চাঁদা, নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য, বিমান ক্রয় দুর্নীতি ও অবৈধভাবে বরাদ্দ নিয়ে দেশে এবং বিদেশে ওই সম্পদ গড়েছেন।

অবৈধ সম্পদের মধ্যে রয়েছে রাশেদ খান মেননের নামে লন্ডনে ২৫টি বাড়ি, কানাডায় স্ত্রীর নামে ৫টি বাড়ি ও আমেরিকায় ২টি বাড়িসহ বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার। অন্যদিকে ঢাকার গুলশানে ৪টি ফ্ল্যাট ও বানানীতে ২টি ফ্ল্যাটসহ ঢাকা ও ঢাকার বাইরে হাজার বিঘা জমির মালিকানা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নিজ ও আত্মীয় স্বজনের নামে দেড় হাজার কোটি টাকা ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন বলে জানা গেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গোয়েন্দা অনুসন্ধানে অভিযোগের বেশকিছু দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পর প্রকাশ্যে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সম্প্রতি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরপরই অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করে দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দেশের চলমান দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দুদক সদ্য সাবেক ক্ষমতাসীন মন্ত্রী-এমপি ও আমলাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কাজ চলমান। দুদকের গোয়েন্দা অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত পাওয়ায় কমিশন থেকে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধানে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য হয়ে সমাজ কল্যাণমন্ত্রী ও এবং বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী হন। তিনি ২০০৯ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ভিকারুননেছা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি হিসেবে অবৈধভাবে শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ করে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি বাণিজ্য, মাদক ব্যবসা, স্বর্ণ চোরাচালান ব্যবসা, ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে চাঁদা আদায়, ক্যাসিনো ব্যবসার চাঁদা, সমাজকল্যাণ ও বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য, বিমান ক্রয়, অবৈধভাবে বরাদ্দ প্রদান ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা অবৈধভাবে অর্জন করে দেশে এবং বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজধানীর কাকরাইলের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে তিনি বিধি বহির্ভূতভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আদেশ অমান্য করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অযোগ্য ব্যক্তিদের সহকারী শিক্ষক, হিসাব রক্ষক উচ্চমান সহকারী, অফিস সহকারী, অফিস সহায়ক ও সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগ দেন। দায়িত্বপালনকালে তিনি ১৮২ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রায় ১৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এছাড়া ওই প্রতিষ্ঠানে ২৭ জন সহকারী শিক্ষক থেকে প্রভাষক পদে অবৈধভাবে পদোন্নতি দিয়ে প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছেন। অনুরূপভাবে ১৫ জন প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে ২০১২ সনে পদোন্নতি দিয়ে প্রত্যেকের নিকট থেকে ১২ লাখ টাকা করে ১৫ জনের কাছ থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ঘুষ নেন। অথচ এডহক কমিটির শিক্ষক/কর্মচারী/পদোন্নতি দেওয়ার ক্ষমতা ছিল না। এমনকি ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে বিভিন্ন খাতে ভুয়া ভাউচারে ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন মেনন চক্র।

অভিযোগ সূত্র আরও বলছে, ২০০৯ থেকে ২০১৬ এবং ২০২২ থেকে ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানের অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবৈধভাবে দুর্নীতির মাধ্যমে ৪০ শতাংশ টাকা নিয়ে ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা প্রদান করিয়া প্রতিষ্ঠানের অর্থ লোপাট করা হয়েছে। অথচ এ ধরনের অবসর সুবিধা বাংলাদেশের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নাই। যেখানে বাংলাদেশের সব এমপিওভুক্ত শিক্ষক/কর্মচারীরা ৪ শতাংশ গ্রাইচুইটিবাবদ অবসরভাতা সুবিধা পেয়ে থাকে। অথচ উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসরভাতার নামে নিজেরাই হাতিয়ে নিয়েছেন। যা দণ্ড বিধির ৪০৯/৪২০ ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অপরাধ করেছেন। এই চক্রের অন্যান্য সদস্যরা হলেন সাবেক জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম, প্রভাষক শ্যামলী হোসেন এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষরা।

অন্যদিকে ভিকারুননেছা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২০০৯ হতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে থাকাকালীন সময়ে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ এবং ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির বাণিজ্য করে ৮ বছরে ৬ হাজার কোটি টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছেন।

দুর্নীতির মামলায় ডেপুটি পোস্ট মাস্টার মোস্তাক কারাগারে
আর রাশেদ খান মেনন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী থাকাকালে অবৈধভাবে চাকুরিতে নিয়োগ, টেন্ডার বাণিজ্য, স্বর্ণ চোরাচালান, বিমান ক্রয় অবৈধভাবে বরাদ্দ প্রদানসহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে কমপক্ষে ১৫ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ও অনিয়ম করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।

রাশেদ খান মেননের যত অবৈধ সম্পদ

সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন লন্ডনে ২৫টি বাড়ি ক্রয় করেছেন। যার আনুমানিক মূল্য ৮ হাজার কোটি টাকা। কানাডায় তার স্ত্রীর নামে ৫টি বাড়ি ক্রয় করেছেন। যার মূল্য প্রায় ১২০ কোটি টাকা এবং আমেরিকায় ২টি বাড়ি ও বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকার গুলশান-২, রোড-৫, বাড়ি নং-২৭ এ ৪টি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন যার মূল্য ১৫ কোটি টাকা। বনানী রোড নং-৪, বাড়ি নং-১৬ তে ৯ কোটি টাকার ২টি ফ্ল্যাট, ঢাকার আশুলিয়া ও সাভারে ৪৫০ কোটি টাকার ১৬০ বিঘা জমি, পূর্বাচলে ১০ কাঠার ১টি ও ৫ কাঠার ৪টি ৪০ কোটি টাকার প্লট ও কেরাণীগঞ্জ দক্ষিণ হাইওয়ে রোডে ২৫০ কোটি টাকার ২০ বিঘা জমিসহ রিসোর্ট ক্রয় করেছেন।

আর ঢাকার বাইরে বরিশাল জেলার উজিরপুর থানায় তিন কোটি টাকা মূল্যের ৩০০ বিঘা জমি, নিজ নামে, স্ত্রীর নামে, ভাইদের নামে, সন্তানদের নামে ও বিভিন্ন ব্যক্তির নামে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে এফডিআর রয়েছে। যার পরিমাণ প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা।

গত ২২ আগস্ট বিকেলে গুলশানের বাসা থেকে রাশেদ খান মেননকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কয়েকদফা রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

আরএম/পিএইচ




নাইজেরিয়ায় জ্বালানি ট্যাংকার বিস্ফোরণ, শিশুসহ নিহত ১৪৭

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: নাইজেরিয়ায় একটি জ্বালানি ট্যাংকার বিস্ফোরণে শিশুসহ ১৪৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বুধবার রাজধানী আবুজা থেকে প্রায় ৫৩০ কিলোমিটার উত্তরে জিগাওয়া রাজ্যের মাজিয়া শহরে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে একটি জ্বালানি ট্যাংকার বিস্ফোরণে শিশুসহ ১৪৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

দেশটির পুলিশের মুখপাত্র লাওয়ান শিসু অ্যাডাম বুধবার বলেন, রাতের বেলায় জিগাওয়া প্রদেশের মাজিয়া শহরের এক্সপ্রেসওয়েতে একটি জ্বালানিবাহী ট্যাংকার উল্টে যায়। ওই সময় আশপাশের অনেকে উল্টে যাওয়া ট্যাংকারটি থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে আসেন। কেউ কেউ গাড়ি নিয়ে আসেন। হঠাৎ করে ট্যাংকারটি বিস্ফোরিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, ট্যাংকারটিতে আগুন জ্বলছে। ঘটনাস্থলে মরদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে।

জিগাওয়া প্রদেশের জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান হারুনা মাইরিগা বলেন, ট্যাংকার বিস্ফোরণে অন্তত ১৪৭ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির জাতীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা (এনইএমএ) একই পরিসংখ্যান দিয়েছে।

গত মাসে নাইজেরিয়ার উত্তর-মধ্য নাইজার রাজ্যে একটি জ্বালানি ট্যাংকারের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষের পর বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৪৮ জন নিহত হন।




জাতীয় দিবস বাতিলের প্রতিবাদে তারকাদের পোস্ট

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসসহ আটটি জাতীয় দিবস বাতিলের বিষয়ে দেশের জনপ্রিয় তারকারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

খ্যাতিমান অভিনেতা সোহেল রানা ফেসবুকে লেখেন, “ভাই নাহিদ, যখন আপনাদের জন্মই হয়নি, তখনকার দেশ ও নেতাদের নিয়ে কথা বলা আপনার জন্য অনুচিত। অজ্ঞ বলতে বাধ্য করবেন না।”

অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন লিখেছেন, “৭ মার্চ জাতীয় দিবস হিসেবে বাতিল করা হলো! আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কিছুদিন পর হয়তো ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসও বাতিল হবে।”

তিনি আরও লেখেন, “৭ মার্চের পক্ষে কথা বলার জন্য যদি আমাকে দালাল বলা হয়, তবে আমি মুক্তিযুদ্ধের দালাল।”

ব্যান্ড তারকা মাকসুদুল হক ফেসবুকে লেখেন, “নয়া বাংলাদেশে একুশে ফেব্রুয়ারি ও পহেলা বৈশাখও বাতিল করা হবে নাকি?”

অভিনেত্রী সোহানা সাবা এবং কাজী নওশাবা আহমেদও নিজেদের মতামত প্রকাশ করে জাতীয় দিবসগুলো বাতিলের বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।




ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের পরিকল্পনা চূড়ান্ত ইসরায়েলের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাল্টা জবাব দিতে দেশটিতে হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে ইসরায়েল। তবে কবে বা কীভাবে হামলা হবে সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্রটি জানায়, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ ইসরায়েলি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করেছেন, তেল ও পারমাণবিক স্থাপনার পরিবর্তে বরং ইরানের সামরিক স্থাপনায় সীমিত পরিসরে পাল্টা হামলা চালানো হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন আরও জানিয়েছে, ইসরায়েল আগামী ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই ইরানে হামলা চালাতে পারে। চলতি মাসেই এ হামলা হতে পারে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা ধারণা করছেন।

১ অক্টোবর ইসরায়েলে প্রায় ২০০ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। লেবাননের হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ ও ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানায় তেহরান।

এরপর থেকে ওই হামলার জন্য ইরানকে পরিণতি ভোগ করতে হবে হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন ইসরায়েলে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। গত সপ্তাহে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট বলেন, ইরানে ইসরায়েলের হামলা হবে ‘মারাত্মক, সুনির্দিষ্ট এবং চমকে দেওয়ার মতো।’

এদিকে আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, পাল্টা হামলা চালালে ইসরায়েলকে কঠিন জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। গত মঙ্গলবার ফোনালাপে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ইসরায়েল যদি তার দেশে হামলা চালায়, তাহলে ‘কঠিন ও বেদানাদায়ক’ জবাব দিতে তেহরান প্রস্তুত।




ভোটার তালিকা হালনাগাদে ইসির প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার জন্য সকল বিষয়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে আগাম তথ্য গ্রহণ করতে হলে ভিন্ন ভিন্ন সময়সূচি ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি করবে নির্বাচন কমিশন।

ইসি সচিব শফিউল আজিম স্বাক্ষরিত ভোটার তালিকা, জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা সহজিকরণ এবং প্রাসঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নিমিত্ত সভার কার্যবিবরণী থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার জন্য আমরা ইতিমধ্যে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কার্যালয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য কী পরিমাণ সরঞ্জাম আছে, কী পরিমাণ লাগবে, তার হিসাব চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে এ বছর একসঙ্গে কত বছরের আগাম তথ্য নেওয়া হবে তা নির্ধারণ হয়নি। আগাম তথ্য নেওয়া হলেও কর্মপরিকল্পনা ও সময় থাকবে ভিন্ন ভিন্ন।

ইসি সচিব শফিউল আজিম বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। ভোটার নিবন্ধন কাজে ব্যবহৃত মালামালের বর্তমান অবস্থা জানার জন্য মাঠ পর্যায়ে পত্র প্রেরণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

 

সভায় সিনিয়র সহকারী সচিব (নির্বাচন সহায়তা-২) জানান, ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি, ২০২২ এ তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই কার্যক্রমে সময় দেয়া হয়েছিল ৩ সপ্তাহ, তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল বিদ্যমান ভোটারের ৭.৫%। কার্যক্রম শেষে তথ্য সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯.০৮% এবং রেজিস্ট্রেশন হয় ৮.৭৯%। ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে বিভিন্ন ফরম মুদ্রণ, যন্ত্রপাতি ক্রয়, রেজিস্ট্রেশন, ডাটা আপলোড, AFIS Matching, খসড়া ভোটার তালিকা প্রস্তুত, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, খসড়া ভোটার তালিকা উপর দাবি/আপত্তি দাখিল ও নিষ্পত্তি, এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের জন্য প্রায় ০১ (এক) বৎসর সময় লেগেছিল।

কার্যবিবরণী থেকে জানা গেছে, যে কোনো সময় ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার জন্য সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এখন থেকেই সকল বিষয়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়া ১, ২ বা ৩ বছরের তথ্য সংগ্রহ করলে তার জন্য পৃথক পৃথক সময়সূচি ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি করবে সংস্থাটি।

উল্লেখ্য যে, সর্বশেষ ২০২২ সালে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়। ওই সময় এক সঙ্গে ৩ বছরে তথ্য আগাম নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)।




মতিয়া চৌধুরীর জানাজা বৃহস্পতিবার, দাফন বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: অগ্নিকন্যা খ্যাত বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর জানাজা বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বাদ জোহর গুলশান আজাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্বামী প্রয়াত সাংবাদিক বজলুর রহমানের কবরের পাশে শায়িত করা হবে।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রয়াত মতিয়া চৌধুরীর ভাই মাসুদুল ইসলাম চৌধুরী।

মাসুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, কবরস্থান কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে আবেদন জানানো হয়েছে। জায়গা পেলে সেখানে দাফন করা হবে।এলাকার মানুষের দাবি থাকলেও দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় মতিয়া চৌধুরীকে নিজের নির্বাচনী এলাকায় নেওয়া হবে না।

প্রসঙ্গত, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বুধবার দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

১৯৪২ সালের ৩০ জুন পিরোজপুর জেলায় মতিয়া চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা এবং মা নুরজাহান বেগম ছিলেন গৃহিণী। ১৯৬৪ সালের ১৮ জুন খ্যাতিমান সাংবাদিক বজলুর রহমানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মতিয়া চৌধুরী।

ইডেন কলেজের ছাত্রী থাকাকালীন তিনি প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে জড়িত হন। ১৯৬২ সালে হামদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে যে প্রবল ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে, তারও সম্মুখসারির সংগঠক ছিলেন মতিয়া চৌধুরী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর ১৯৬৩ সালে তিনি রোকেয়া হল ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর পরের বছরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে ছাত্র ইউনিয়ন মতাদর্শিক কারণে বিভক্ত হলে মতিয়া চৌধুরী এক অংশের সভাপতি নির্বাচিত হন। অন্য অংশের সভাপতি হয়েছিলেন রাশেদ খান মেনন। সেই হিসাবে ছাত্র ইউনিয়ন মতিয়া গ্রুপ ও ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপ নামে পরিচিতি পেয়েছিল।

মতিয়া চৌধুরী তার জ্বালাময়ী বক্তৃতার কারণে ‘অগ্নিকন্যা’ হিসাবে ছাত্র-জনতার কাছে পরিচিতি পেয়েছিলেন। ছাত্রজীবন শেষ হওয়ার পর ১৯৬৭ সালেই মতিয়া চৌধুরী যোগ দিয়েছিলেন অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে। দ্রুতই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপকভাবে খ্যাতি অর্জন করেন তার বক্তৃতার কারণে।

১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আইয়ুব খানের পতন হলে শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেক রাজনৈতিক বন্দি কারাগার থেকে মুক্তি পান। মতিয়া চৌধুরীও তখন জেল থেকে বেরিয়ে এসে মাঠের রাজনীতিতে আবার সক্রিয় হন।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। মতিয়া চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ গেরিলা বাহিনী গঠনে তিনি একজন সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি ন্যাপের মাধ্যমে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের রাজনীতি করেন।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি-গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ-এই ধারার রাজনীতি থেকে মতিয়া চৌধুরী কখনো বিচ্যুত হননি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বামপন্থি রাজনীতিবিদদের ভালো সম্পর্ক ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় মতিয়া চৌধুরীও ছিলেন তার পছন্দের তালিকায়। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ বা বাকশাল গঠন করলে এর ১১৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটিতে মতিয়া চৌধুরীকেও রাখা হয়।

১৯৭৯ সালে তিনি আওয়ামী লীগের যোগ দেন। তিনি দলটির কৃষি সম্পাদক হয়েছিলেন। ১৯৯৬ ও ২০০৯ এবং ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ শাসনামলে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মতিয়া চৌধুরী। বর্তমান তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। একাদশ জাতীয় সংসদে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী মারা গেলে জাতীয় সংসদের উপনেতা নির্বাচিত হন মতিয়া চৌধুরী। দ্বাদশ জাতীয় সংসদেও একই দায়িত্ব পালন করেন।




ঈদ ও পূজার ছুটি বাড়তে পারে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: আগামী বছরের পবিত্র ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতরের ছুটি পাঁচ দিন এবং পূজার ছুটি দুই দিন করার পরিকল্পনা করছে সরকার।

এ সংক্রান্ত প্রস্তাব বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উঠতে পারে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানিয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদে পাঠিয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ওঠার পর অনুমোদন পেলে সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

উল্লেখ্য, সাধারণত ঈদে তিন দিন ও পূজায় একদিন ছুটি থাকে। তবে এবার পূজার ছুটি নির্বাহী আদেশে একদিন বাড়ানো হয়েছিল।




পটুয়াখালীতে স্বামীর লাথিতে স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় পারিবারিক জমিজমা নিয়ে সংঘর্ষের জেরে স্বামীর লাথির আঘাতে আমেনা বিবি (৫৮) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৬ অক্টোবর) সকালে রতনদী তালতলী ইউনিয়নের গুরিন্দা বাজারে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক জমি নিয়ে বিরোধের সময় আমেনার স্বামী নসু ঘরামী প্রথম স্ত্রীর সন্তানদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে নসু ঘরামীর লাথির আঘাতে আমেনা গুরুতর আহত হন। দ্রুত তাকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গলাচিপা থানার ওসি মো. আশাদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।




বরিশালে মামুনকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

বরিশাল অফিস :: বরিশাল মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব মাহমুদুল হক খান মামুনকে ঘিরে নানা বিতর্ক ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে।

ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতিতে সক্রিয় খান মামুন সবসময় পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করে আসছিলেন।

বরিশালের সাবেক এমপি ও আইনজীবী তালুকদার মোঃ ইউনুচ, লস্কর নুরুল হক, আফজালুল করিম এবং আনিচ উদ্দিন শহিদের মতো বিশিষ্ট নেতাদের সাথে পরিচ্ছন্ন রাজনীতি করেছেন তিনি।

রাজনৈতিক জীবনে দলীয়ভাবে উল্লেখযোগ্য কোনো সুবিধা না পেলেও, জনগণের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ভালোবাসা ও সমর্থন অর্জন করেছেন খান মামুন। তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য ছিল মানবসেবা, এবং তিনি বরাবরই অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন। করোনাকালীন মহামারী, বন্যা, এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় তিনি বরিশালের সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন, তাদেরকে সহায়তা করেছেন।

কিছু মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে যে, খান মামুনকে ঘিরে একটি ষড়যন্ত্র চলছে এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাকে হয়রানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিএনপি থেকে জানানো হয়েছে যে, যারা মাঠ পর্যায়ে ধ্বংসাত্মক কার্যক্রমে যুক্ত ছিল না, তাদের বিরুদ্ধে অহেতুক মামলা দিয়ে হয়রানি না করার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু সেই নির্দেশনা অমান্য করে নির্দোষ ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বরিশালের জনগণের মধ্যে খান মামুন একজন দানবীর এবং সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন মহলের ষড়যন্ত্রের মাঝেও তার প্রতি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অবিচল রয়েছে।