সরকারি বরাদ্দে খাল ভরাট করে বাজার

বরিশাল অফিস :: খালটি দিয়ে একসময় নৌকা চলত। জোয়ার-ভাটার পানি আসত। নিষ্কাশন হতো জমে থাকা বৃষ্টির পানি। চলত সেচকাজ। পৌর কর্তৃপক্ষ সেই খাল ভরাট করে বাজার বসিয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন যে যার মতো দখল করে দোকান তৈরি করেছে। এতে সংকুচিত হয়ে পড়েছে খালটি।

এ চিত্র বরগুনার বেতাগী পৌরসভার টাউনব্রিজ এলাকার বেতাগী খালের। পাইলিং দিয়ে বালু ফেলে ভরাট করা হয়েছে খালটির। বাজার বসিয়ে ইজারা দিয়ে রীতিমতো খাজনা আদায় করছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

তবে পৌর কর্তৃপক্ষ বলছে, এ এলাকায় কাঁচাবাজার, দুধ বিক্রি ও চায়ের দোকানিদের বসার কোনো জায়গা নেই। সেতু ও রাস্তার ওপর পণ্য বিক্রি করা হয়। এতে শিক্ষার্থী ও পথচারীদের চলাচলে সমস্যা হয়। তাদের কথা চিন্তা করেই পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ভূমি অফিসের সঙ্গে আলোচনা করে কাবিটা, টিআর ও উন্নয়ন খাতের অর্থ দিয়ে খালটি ভরাট করে বাজার বসানো হয়েছে।

এতে বছরে ১০ লাখ টাকার রাজস্ব আয় বেড়েছে। আক্ষেপ করে বরগুনা পলিসি ফোরামের আহ্বায়ক হাসান ঝন্টু বলেন, সাময়িক লাভের আশায় পরিবেশের এত বড় ক্ষতি মেনে নেওয়া যায় না। সরকারি কোন কোন প্রতিষ্ঠান এর সঙ্গে জড়িত, তা নিয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। খাল রক্ষায় আইনের শতভাগ প্রয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

বিষখালী নদীর মোহনা থেকে বেতাগী মৌজায় ৭ হাজার মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩৫ মিটার প্রস্থের খালটি বেতাগী সদর ও হোসনাবাদ ইউনিয়ন পর্যন্ত বিস্তৃত। এ খাল ব্যবহার করে একসময় নৌকায় করে সরকারি খাদ্যগুদাম ও বেতাগী বন্দরের ব্যবসায়ীদের মালপত্র পরিবহন হতো। কয়েক বছর ধরে খালটি দখল ও ভরাট করছে স্থানীয় লোকজন। গত বছর এ কার্যক্রমে যোগ দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

এতে খাল দিয়ে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া খাল ভরাটের কারণে পানি সরবরাহ, মৎস্য অভয়াশ্রমসহ বেশ কয়েকটি প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দাসহ পরিবেশবিদরা।

মৎস্য অফিসের একাধিক কর্মকর্তা জানান, খাল সংকুচিত হওয়ায় অভয়াশ্রম থেকে মাছসহ জলজ প্রাণী অন্য এলাকায় চলে যাচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীন কাজে খালটি অস্তিত্ব হারানোর উপক্রম হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানজিলা আহমদ বলেন, খাল ভরাট হয়ে গেলে কৃষকের সেচ সুবিধা সংকুচিত হবে। ফসল আবাদে খরচ বেড়ে যাবে। এতে তাদের জীবন-জীবিকা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। পাশাপাশি খাদ্য সংকট দেখা দেবে।

দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামের জেলে আফজাল হোসেন বলেন, আমরা গরিব মানুষ। মাছ ধরে খাই। খাল ভরাট হয়ে গেলে আমরা না খেয়ে মারা যাব।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক বছর ধরে খালটি স্থানীয় লোকজন বিভিন্নভাবে দখল করে আসছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড, পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে বাধা দেওয়া হয়নি। খোদ পৌর কর্তৃপক্ষ কীভাবে খালটি ভরাট করল বোধগম্য নয়।

পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দীন বলেন, সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়ার পর খালে বালু ফেলে ভরাট করা হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে পৌর প্রশাসক হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যেভাবে নির্দেশ দেবেন, সে অনুযায়ী কাজ করব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী ভূমি কমিশনার ফারুক আহমদ বলেন, যৌক্তিক কারণ ছাড়া খাল ভরাটের এখতিয়ার ভূমি অফিস বা পৌর কর্তৃপক্ষের নেই। আমি এখানে যোগদানের আগেই এ কাজ হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হবে। সত্যতা পেলে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই সঙ্গে খালের ভরাট অংশ উচ্ছেদেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেন বলেন, খালটি ভূমি অফিসের ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত। আমাদের সংশ্লিষ্টতা না থাকায় ভরাটে বাধা দেওয়া হয়নি।




বিদ্যালয়ে সংসার পেতেছেন প্রধান শিক্ষক দম্পতি!

বরিশাল অফিস :: বরগুনার আমতলী উপজেলার উত্তরপূর্ব তক্তাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামাজ পড়ার স্থানে সংসার পাতার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে।

সরেজমিন জানা যায়, আমতলী উপজেলার উত্তরপূর্ব তক্তাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০০৩ সালে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পান মো. শাহজাহান তালুকদার। একই বিদ্যালয়ে তার স্ত্রী সহকারী শিক্ষিকা পদে চাকরি করছেন তাছলিমা আক্তার। প্রধান শিক্ষক হওয়ার পর থেকে শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, টাকা আদায়, স্বেচ্ছাচারিতা, রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

এসব অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক দম্পতির পদত্যাগ দাবিও করছেন বিদ্যালয়ের বর্তমান-সাবেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষিকা বলেন, প্রধান শিক্ষক শাহজাহান তালুকদার ২০০৩ সালে বিদ্যালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা এবং লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছেন। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে কোনো নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে শিক্ষক দম্পতি বিদ্যালয়ের স্টোর রুমের পাশে নামাজের স্থানে হাঁড়িপাতিল, গ্যাসের চুলা, বিছানা বিছিয়ে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করে সংসার পেতে বসেছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষকসহ সিন্ডিকেট করে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি শুরু করেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি আদায়, ভুয়া বিল করে টাকা আত্মসাৎসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতি করেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রধান শিক্ষক কখনো শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতেন না। এমনকি এসব অনিয়ম নিয়ে এলাকার কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে উল্টো রাজনৈতিক নেতাদের দিয়ে হুমকি-ধমকি ও নানাভাবে হয়রানি করা হতো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মো. শাহজাহান তালুকদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তেমন কিছু না, এখানে দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় মাঝেমধ্যে তরকারি গরম করা হয়।

প্রধান শিক্ষকের স্ত্রী সহকারী শিক্ষিকা তাছলিমা আক্তার বলেন, এখানে স্থায়ীভাবে থাকা হয় না, বাচ্চাদের খাবার খাওয়ানো হয়।

আমতলী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুর রহমান বলেন, দুপুরে খাবার তৈরি করা হয়, চুলা, হাঁড়িপাতিল এটা প্রায় স্কুলে রয়েছে। এটা স্থায়ী নয়।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মাদ আশরাফুল আলম বলেন, আমি বিষয়টি জেনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




শনিবার সাফ চ্যাম্পিয়নদের সংবর্ধনা দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপাজয়ী বাংলাদেশের মেয়েদের সংবর্ধনা দেবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

কাঠমাণ্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে বুধবার স্বাগতিক নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ উইমেনস চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতে নেয় বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে দেশে ফেরার পর বাংলাদেশ দলকে ছাদখোলা বাসে করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) নিয়ে যাওয়া হয়।

আর এই পুরো পথজুড়ে চলে উৎসব।
দুই বছর আগে ওই মাঠেই নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবার এ ট্রফির স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ।




জাতীয় পার্টির সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল স্থগিত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির ডাকা শনিবারের (২ নভেম্বর) সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে জাতীয় পার্টি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স ২৯ ধারার ক্ষমতাবলে (সভাস্থল) পাইওনিয়ার রোডের ৬৬ নম্বর ভবন, কাকরাইলসহ আশপাশের এলাকায় যেকোনো সভা, সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

জাতীয় পার্টি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি সাময়িক স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ
কাকরাইল ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
বিজ্ঞাপন

পরবর্তী কর্মসূচি জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।

এর আগে শনিবার দুপুর ২টায় রাজধানীর কাকরাইলে মিছিল ও সমাবেশের ঘোষণা দেয় দলটি। চেয়ারম্যান ও মহাসচিবসহ দলের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ছাড়াও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে এ সমাবেশ ডেকেছিল জাতীয় পার্টি। একইদিন জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে গণপ্রতিরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতা। এ অবস্থায় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে রাজধানীর কাকরাইল ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।




চিকিৎসা শেষে আবারও কী দলের হাল ধরবেন খালেদা জিয়া?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বিএনপির শীর্ষ নেতাদের প্রত্যাশা, বিদেশে চিকিৎসা শেষে বেগম খালেদা জিয়া আবারও দলের হাল ধরবেন। নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিএনপি চেয়ারপার্সনকে যুক্তরাজ্যে নিতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। জানা গেছে, কানাডা থেকে আসা একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ৮ নভেম্বর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়তে পারেন বেগম জিয়া।

বেগম খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার হওয়ার পর কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কারাগারে ৯ মাস পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়, কিন্তু ১ মাস ২ দিন পর আবারও কারাগারে নেয়া হয়।

২ বছর ৩ মাসের কারাজীবনে বেগম জিয়াকে কয়েক দফা বিএসএমএমইউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি প্রথমবার বিদেশে চিকিৎসার জন্য আবেদন করা হয়। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ২৭ নভেম্বর বিএনপি চেয়ারপার্সনের লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ পায়। ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত সরকারিভাবে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে ৭ বার আবেদন করা হয়, যা প্রত্যেকবারই নাকচ হয়।

গত ৬ আগস্ট মুক্তির পর বেগম জিয়ার উন্নত চিকিৎসার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। জানা গেছে, ৮ নভেম্বর বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেয়ার সব প্রস্ততি সম্পন্ন হয়েছে। কানাডা থেকে আসা বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডন যাবেন তিনি। তার সঙ্গী হবেন মেডিকেল বোর্ডের ৭ চিকিৎসক এবং পরিবারের সদস্যসহ ১৫ জনের একটি দল।

যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা শেষে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অধীনে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও তার বড় পুত্র তারেক রহমান ও পরিবারের সঙ্গে কিছুদিন থাকার পর, লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নেয়া হবে বেগম খালেদা জিয়াকে। বিএনপির নেতাদের প্রত্যাশা, চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে তিনি আবারও দলের হাল ধরবেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “আরও সাত বছর আগে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা করানো দরকার ছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার সে সুযোগ দেয়নি। যদি আগে চিকিৎসা করানো যেত, তাহলে তিনি সুস্থভাবে জীবনযাপন করতে পারতেন। আমরা আশা করছি, এবার সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে তিনি আবারও পুরোপুরিভাবে দলের হাল ধরবেন।”

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৩৫টি মামলা দায়ের করা হয়, যার মধ্যে জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় তাকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।




সার্কফিন্যান্স নেটওয়ার্কের চেয়ারপারসন পদে দায়িত্ব নিলেন ড. আহসান এইচ মনসুর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: সার্কভুক্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করা সংস্থা সার্কফিন্যান্স নেটওয়ার্কের নতুন চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পেলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। গত ২৪ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম সার্কফিন্যান্স গভর্নরস গ্রুপ মিটিংয়ে তাকে আগামী এক বছরের জন্য এ দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্সের সহকারী মুখপাত্র ও পরিচালক সাঈদা খানমের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে আরও জানানো হয়, চলতি বছরের জুন মাসে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত ৪৫তম গভর্নরস্ গ্রুপ মিটিংয়ে সার্কভুক্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর গভর্নরদের অনুরোধে সার্কফাইন্যান্স নেটওয়ার্কের চেয়ার কান্ট্রি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণে সম্মতি জানায় বাংলাদেশ।

ড. আহসান এইচ মনসুর এর আগে সার্কফাইন্যান্স নেটওয়ার্কের চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শ্রীলঙ্কার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. মনসুর সার্কভুক্ত দেশগুলোর আর্থিক উন্নয়নে কার্যকর নীতিমালা ও প্রযুক্তি বিনিময় এবং সহযোগিতার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সার্কফাইন্যান্স নেটওয়ার্কের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর সার্কভুক্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর গভর্নর এবং অর্থসচিবদের অংশগ্রহণে দুটি গভর্নর গ্রুপ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে একটি সাধারণত সার্কফাইন্যান্স চেয়ার কান্ট্রিতে এবং অন্যটি আইএমএফ-ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের অক্টোবর বা নভেম্বর মাসের বৈঠকের সময় সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত হয়।




স্মার্টফোনে ধীর ইন্টারনেট? গতি বাড়ানোর সহজ কৌশলগুলো জানুন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: স্মার্টফোনে ধীর ইন্টারনেট অনেকেরই সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যা ভিডিও স্ট্রিমিং, সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিং, এবং চলার পথে কাজের ক্ষেত্রে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে। তবে কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো সম্ভব। দেখে নিন কয়েকটি কার্যকরী উপায়।

সফটওয়্যার আপডেট: পুরনো সফটওয়্যার অনেক সময় নেটওয়ার্ক পারফরম্যান্সে সমস্যা করে। সর্বোচ্চ ইন্টারনেট গতি পেতে নিয়মিত সফটওয়্যার ও অ্যাপ আপডেট নিশ্চিত করুন।

ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপস বন্ধ করুন: ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান অ্যাপগুলো অতিরিক্ত ডেটা ব্যবহার করে ইন্টারনেটকে ধীর করে। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো বন্ধ করুন।

ভিপিএন ব্যবহার: কিছু ভিপিএন সেবার মাধ্যমে ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো সম্ভব। এটি ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে দ্রুত ও স্থিতিশীল সংযোগ দিতে পারে।

অ্যাড ব্লকার ব্যবহার করুন: পপ-আপ বিজ্ঞাপনগুলো ডেটা খরচ বাড়ায়। একটি অ্যাড ব্লকার ব্যবহার করলে ইন্টারনেটের গতি বাড়তে পারে।

ক্যাশে ও কুকিজ পরিষ্কার করুন: অ্যাপে জমে থাকা ক্যাশে ও কুকিজ মুছে ফেললে ইন্টারনেটের গতি উন্নত হয়।

নেটওয়ার্ক সেটিংস রিসেট করুন: কোনো টিপস কাজ না করলে নেটওয়ার্ক সেটিংস রিসেট করতে পারেন।

ম্যাক্সিমাম লোডিং ডেটা অপশন: অ্যান্ড্রয়েড ফোনে Wireless এবং Network সেটিংসে GPRS to Data Prefer চালু করুন, যা ইন্টারনেট গতি বাড়াতে সহায়ক।




বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যে ১০ দেশে অল্প খরচে পড়তে পারেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্যে প্রতিটি শিক্ষার্থীর ভাবনার বিষয় থাকে স্বল্প খরচে দেশের বাইরে পড়াশোনা। বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা ও উন্নত জীবনব্যবস্থার সঙ্গে বাজেটের দিকটা মিলে গেলেই উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে দেশটিতে পাড়ি জমান অনেক শিক্ষার্থী। ইউরোপ, মধ্য-এশিয়া, আমেরিকার বিভিন্ন দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় কম খরচে অধ্যয়নের সুযোগ আছে। বেশ ভালো শতাংশ ছাড়ের পরও আর্থিক সংকুলান না হলে আছে স্কলারশিপের ব্যবস্থা। এতে টিউশন ফিসহ থাকা-খাওয়ার খরচ অনেকটাই পুষিয়ে নেওয়া যায়। স্বল্প খরচে দেশের বাইরে পড়ার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অন্যতম ১০ গন্তব্য হতে পারে এসব দেশ

জার্মানি
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য এখন শিক্ষার্থীদের শীর্ষ পছন্দের দেশ জার্মানি। এখানকার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের অর্থায়নে পরিচালিত। এগুলোর ব্যাচেলর কোর্স এবং বেশির ভাগ মাস্টার্স কোর্সের জন্য সাধারণত কোনো ফি নেই। কিছু মাস্টার্স প্রোগ্রামে টিউশন ফি থাকলেও তা অন্যান্য দেশের তুলনায় তেমন বেশি নয়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খরচ বলতে আছে সেমিস্টার কন্ট্রিবিউশন ফি, যার সঙ্গে টিউশন ফির কোনো সম্পর্ক নেই।

এটি শিক্ষার্থীদের কল্যাণেই পাবলিক পরিবহন, ক্রীড়া, অনুষদ/বিভাগীয় ছাত্রসংগঠন এবং প্রশাসনিক ফি ব্যায়ভার বহন করে। এই ফি প্রতিষ্ঠান ভেদে পরিবর্তিত হয় এবং সাধারণত ১০০ থেকে ৩৫০ ইউরোর (১ ইউরো সমান বাংলাদেশি টাকা ১১৮ টাকা ৯১ পয়সা) মধ্যে থাকে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রার খরচ সাধারণত প্রতি মাসে ৭২৫ ইউরোর মতো হয়ে থাকে, যেখানে বাসস্থান, খাবার, পোশাক এবং বিনোদনমূলক কার্যক্রম সবই অন্তর্ভুক্ত।

নরওয়ে
এখানেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সব আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফি মুক্ত। প্রতি সেমিস্টারে শুধু একটি শিক্ষার্থী ইউনিয়ন ফি দিতে হবে, যা ৩০ থেকে ৬০ ইউরোর মধ্যে। এর মাধ্যমে পাবলিক পরিবহন, জাদুঘর এবং সাংস্কৃতিক ইভেন্ট, স্বাস্থ্যসেবাতে বিশেষ ছাড় এবং ক্রীড়া সুবিধাগুলোসহ বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। নরওয়েতে জীবনযাত্রার জন্য প্রতি মাসে গড়ে ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ ইউরোর মতো খরচের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বড় শহরগুলোয় স্বাভাবিকভাবেই খরচ অনেক বেশি কিন্তু ছোট শহরগুলোয় গড়পড়তায় ৮০০ থেকে ১ হাজার ইউরোর মধ্যেই থাকা-খাওয়া, চলাফেরার যাবতীয় খরচ হয়ে যায়।

ফ্রান্স

বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বর্গ বলা যেতে পারে ফ্রান্সকে। শুধু পড়াশোনার জন্যই নয়; বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং সমগ্র ইউরোপীয় বাজারে তাদের রয়েছে অভিজাত পদচারণ। স্নাতক করার পর আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা এখানে বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতে আকর্ষণীয় কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়ার আশা করতে পারেন। সুস্বাদু খাবার থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক ল্যান্ডমার্ক, ফ্যাশন, শিল্প-সাহিত্য এবং জীবনধারা; জীবনের প্রায় সবকিছুর একটি আনন্দদায়ক মিশ্রণের নাম ফ্রান্স। এখানে লাইসেন্স (স্নাতক) স্তরে প্রতিবছর খরচ হতে পারে ২ হাজার ৭৭০ ইউরো। মাস্টার লেভেলে খরচ আছে বছরপ্রতি ৩ হাজার ৭৭০ ইউরো।

জীবনযাত্রার জন্য প্যারিস, নিস, লিয়ন, ন্যান্টেস, বোর্দো বা টুলুজের মতো অভিজাত শহরগুলো বাদ দিয়ে বাকি অন্যান্য শহরগুলোকে বাছাই করলে ৬৫০ ইউরোর নিচেই দিন যাপন করা যাবে।

অস্ট্রিয়া
ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র অস্ট্রিয়া। ইউ (ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন)/ইইএ(ইউরোপিয়ান ইকোনমিক এরিয়া) দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য এখানকার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টিউশন ফি একদম ফ্রি। কিন্তু নন-ইউ/ইইএ দেশগুলোর ছাত্রছাত্রীদের জন্য এখানকার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রতি সেমিস্টারে ২০ ইউরো ছাড়াও টিউশন ফি বাবদ গড়ে ৭২৬ দশমিক ৭২ ইউরোর মতো খরচ হয়।




গায়ক-গীতিকারদের নিয়ে ‘গানওয়ালাদের গান’ কনসার্ট আজ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ‘গানওয়ালাদের গান’ শিরোনামে একটি বিশেষ কনসার্টের আয়োজন করেছে শিল্পী জয় শাহরিয়ারের প্রতিষ্ঠান ‘আজব কারখানা’। এই কনসার্টের নামকরণ বেশ ব্যতিক্রম, কারণ এখানে অংশ নিচ্ছেন শুধু গায়ক-গীতিকার-সুরকাররা। কনসার্টটি আজ (২ নভেম্বর) ঢাকার কারওয়ান বাজারের ঢাকা ট্রেড সেন্টারে (দ্য অ্যাটেনশন নেটওয়ার্ক) অনুষ্ঠিত হবে।

জয় শাহরিয়ারের মতে, এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য দেশের সিঙ্গার-সং রাইটারদের সামনে আনা, যারা নিজেদের কথায় সুর বেঁধে গান পরিবেশন করেন। এই আয়োজনে পারফর্ম করবেন সাতজন গায়ক-গীতিকার-সুরকার: জয় শাহরিয়ার, লিমন, আহমেদ হাসান সানি, সভ্যতা, শুভ্র, সুহৃদ স্বাগত ও ব্যান্ড ‘কাকতাল’। কনসার্টটি বিকেল সাড়ে ৪টায় শুরু হয়ে রাত সাড়ে ৮টায় শেষ হবে।

জয় শাহরিয়ার বলেন, “দেশের সিঙ্গার-সং রাইটাররা নিজেদের একটি বিশেষ দর্শন বা ভাবাদর্শ নিয়ে কাজ করেন। আমি নিজেও আমার গান নিজে লিখে ও সুর করে গাই, তাই এই অনুভূতিটি ভালোভাবে বুঝতে পারি। আশা করছি, এই কনসার্টে দর্শকদের একটি মনোমুগ্ধকর সময় উপহার দিতে পারব।”

কনসার্টের টিকেট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্লাটিনাম ১ হাজার টাকা এবং গোল্ড ৫শ’ টাকা। টিকেটগুলো গেট সেট রক ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে।




ড. ইউনূসকে নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাসে যা বললেন সজীব ওয়াজেদ জয়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সজীব ওয়াজেদ জয় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ফ্যাসিস্ট বলে অভিহিত করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সজীব ওয়াজেদ জয় তার ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে লিখেছেন, অনির্বাচিত ও অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখল করা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ফ্যাসিস্ট।

তিনি লেখেন– বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন, বৃহত্তম ও মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া দল কারও কথায় নিষিদ্ধ হয়ে যাবে না।

এর আগে জয় গণমাধ্যম প্রসঙ্গে দেয়া এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, বাংলাদেশে মিডিয়ার স্বাধীনতার ক্ষেত্রে অতীতের সামরিক স্বৈরশাসকের চেয়ে ইউনূস সরকার কোনোভাবে ভালো নয়।

বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট পার্টির (আওয়ামী লীগ) কোনো জায়গা নেই।

প্রফেসর ড. ইউনূস আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ফ্যাসিবাদের সব বৈশিষ্ট্যই দেখিয়েছে। তাই নিকট ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের কোনো জায়গা নেই। তবে আওয়ামী লীগের ভাগ্য নির্ধারণ করবে না অন্তর্বর্তী সরকার। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে কিনা, সে সিদ্ধান্ত ঐক্যমতের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলগুলোকেই নিতে হবে।