যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্টের বার্তা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বাজছে যুদ্ধের দামামা। লেবানন, গাজা এবং ইরান থেকে ইসরায়েলে দফায় দফায় হামলা হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে সর্বাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে মধ্যপ্রাচ্য। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি নিয়ে বার্তা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

রোববার (০৩ নভেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, তাদের মিত্র এবং ইসরায়েলের মধ্যে একটি সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার প্রতি তেহরানের প্রতিক্রিয়ার তীব্রতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

ইরানের সংবাদমাধ্যম ইরনা প্রেসিডেন্টের বরাতে জানিয়েছে, যদি তারা (ইসরায়েল) তাদের আচরণ পুনর্বিবেচনা করে, একটি যুদ্ধবিরতি মেনে নেয় এবং এই অঞ্চলের নিপীড়িত ও নিরপরাধ মানুষদের গণহত্যা বন্ধ করে তবে এটি আমাদের প্রতিক্রিয়ার তীব্রতা এবং ধরনকে প্রভাবিত করতে পারে।

তিনি বলেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসনের ব্যাপারে নীরব থাকবে না।

উল্লেখ্য, গত ২৬ অক্টোবর ইরানের ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান। এর আগে ১ অক্টোবর ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যারেজ ছুড়েছে ইরান। আর এ হামলাকে তারা ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর কমান্ডার ও নিজেদের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

গত মাসে এ হামলার পর ইরান ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়ার কথা জানিয়ে আসছে। অন্যদিকে ইসরায়েল এ বিষয়ে দেশটিকে সতর্ক করে আসছে। শনিবার (০২ নভেম্বর) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিশোধ নেবে।

এক ভাষণে তিনি বলেন, শত্রু, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইহুদিবাদী শাসক উভয়েরই জানা উচিত যে তারা ইরান, ইরানি জাতি এবং প্রতিরোধ ফ্রন্টের বিরুদ্ধে যা করছে তার অবশ্যই দাঁতভাঙা জবাব পাবে।




মাদক ও অস্ত্রবিরোধী সংগ্রামে তরুণদের পাশে জামায়াত নেতা মাসুদ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে রক্ষা করতে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বাউফলে উপজেলা জামায়াত ইসলামীর যুব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, “এখনো অনেকের ইশারায় দোকানগুলোতে চা ও চকলেটের চেয়ে মাদক বেশি বিক্রি হয়। আমাদের তরুণ সমাজকে ধ্বংস করার এ ষড়যন্ত্র বন্ধে আমি আজ থেকেই মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছি। তরুণদের রক্ষা করতে প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে নিজেদের পাশে দাঁড়াতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “তরুণদের হাত থেকে কলম ও খাতা ছিনিয়ে নিয়ে যারা অস্ত্র ও মাদক তুলে দিতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। আমরা এক হাতে তরুণদের খাতা ও কলম দেব, অন্য হাতে কুরআন ও হাদিস তুলে দেব, যাতে তারা দেশের কল্যাণে কাজ করতে পারে।”

সম্মেলনে মাসুদ তার বক্তব্যে তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমাদের তরুণ সমাজের জন্য এক কঠিন সময় চলছে। এ সময় তাদের নৈতিক ও সামাজিকভাবে শক্তিশালী হতে হবে। আমাদের যুবকদের নেতৃত্ব দিতে হবে, যাতে তারা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অগ্রগামী হয়।”

তিনি বলেন, “মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে এ যুদ্ধ আমাদের শেষ নয়। যেকোনো মূল্যেই এ বাউফলকে মাদকমুক্ত ও নিরাপদ করব। এ লড়াইয়ে হয় আমরা জিতব, নয়তো আরও বড় ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান, বাউফল উপজেলা আমির মাওলানা রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতাকর্মী। তারা মাসুদের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে মাদক ও অস্ত্রবিরোধী আন্দোলনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

সম্মেলনের শেষে সকল নেতাকর্মী মাদক ও অস্ত্রমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে শপথ করেন।

 




সাকিবের চোখে ‘দুর্ভাগা’ ক্রিকেটার নাসির, সাব্বির, ইমরুল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::  সাকিব আল হাসানের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার আটকে গেছে হঠাৎ করেই। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে খেলতে পারলেন না, আফগানিস্তান সিরিজ থেকে সরেই দাঁড়ালেন।

তবে এ সময়টা সাকিব দিচ্ছেন আবুধাবি টি-টেন লিগের দল বাংলা টাইগার্সকে। সেখানকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কিছু সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি কথা বললেন বাংলাদেশের দুর্ভাগা কিছু মানুষকে নিয়ে। প্রশ্ন করা হয়েছিল বাংলাদেশে এমন ক্রিকেটার কারা? তার জবাবে সাকিব বলেন, ‘নাসির হোসেন, সাব্বির রহমান, ইমরুল কায়েস—এ রকম আরও অনেক খেলোয়াড় আছে। এ রকম আসলে অনেক অনেক…। এটা নির্বাচকেরা ভালো উত্তর দিতে পারবেন। এ রকম অনেক খেলোয়াড়ই আছে যারা দুর্ভাগা, আপনি যাদের নাম বললেন সঙ্গে মিঠুন—আরও অনেক খেলোয়াড়ই আছে যাদের ক্যারিয়ার অনেক ছোট ছিল, হয়তো আরও ভালো করতে পারত।’

কেন দুর্ভাগা, সেটার জবাবও সাকিব দিলেন। বললেন, ‘সব খেলোয়াড় সমান সুযোগ পায় না। কেউ বেশি, কেউ কম। আসলে খেলাটাই এমন। ওই যে আপনার ১৫ জন নির্বাচন করতে হবে, তারপর ১১ জন। সেখান থেকে যারা সুযোগ পায় আসলে, তাদের পারফর্ম করারও একটা দায়িত্ব আছে আসলে। কেউ বলতে পারে, কেউ কম সুযোগ পেয়েছে। যা ঘটে, সবাই আসলে একরকম সুযোগ পায় না। এটা দেওয়াও আসলে সম্ভব না।’

এমন কিছু হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়, বিশ্বাস তার। সাকিবের কথা, ‘আপনার দল, আপনি দল চালাচ্ছেন, সবাইকে আপনি একভাবে বিশ্বাসও করতে পারবেন না, একভাবে সুযোগও দিতে পারবেন না। কাউকে এক ম্যাচ পর মনে হবে, না একে দিয়ে মনে হয় হবে না। আবার কাউকে দেখে মনে হবে না ও পারবে। এ ব্যাপারটা আসলে থাকে। এটা ভুল কিছু না।’

তবে সুযোগ যখনই আসবে, সেটাতেই মেলে ধরতে হবে নিজেকে, অভিমত সাকিবের, ‘যেটা হচ্ছে, কেউ কম সুযোগ পাবে কেউ বেশি সুযোগ পাবে। যে কম পাচ্ছে, তার জন্য সেটাই যথেষ্ট সুযোগ, যে বেশি পাচ্ছে তার জন্য ওটাই যথেষ্ট। ওখান থেকেই একজন খেলোয়াড়ের দায়িত্ব নিজেকে কীভাবে মেলে ধরতে পারবে।’




চরফ্যাশনে পানিতে ডুবে শিশুসহ ২ জনের মৃত্যু

বরিশাল অফিস :: ভোলার চরফ্যাশনে পানিতে ডুবে শিশুসহ দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) পৃথক স্থানে এ মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট থানাসূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোরে বাড়িতে ফজরের নামাজ শেষ করে রাস্তায় হাঁটতে বের হয়ে পানিতে ডুবে মো. ছিদ্দিক (৬৯) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়।

নিহত ব্যক্তি দুলারহাট থানা এলাকার আমিনাবাদ ইউনিয়নের ফরিদাবাদ গ্রামের মৃত মতলব মিয়ার ছেলে। পরিবার জানিয়েছে, তিনি মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

একই উপজেলার ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে পানিতে ডুবে তানজিম নামের দুই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির বাবার নাম কালাম উদ্দিন আজাদ। বাড়ির উঠানে খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত শিশুটি পুকুরের পানিতে ডুবে মারা যায়।

সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বার্তা২৪কম-কে জানিয়েছেন, মৃত্যুর বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার কার্যক্রম চলছে।




ভোট দিতে ফ্লোরিডায় ট্রাম্প

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট দিতে ফ্লোরিডায় পৌঁছেছেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সকালে ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচ এলাকায় পৌঁছান তিনি। আর কিছুক্ষণের মধ্যে ফ্লোরিডার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়া কথা রয়েছে সাবেক এই প্রেসিডেন্টের। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় সোমবার (৪ নভেম্বর) রাত ২টায় যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের গ্র্যান্ড র‌্যাপিডস এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা শেষে আজ সকালে ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচ এলাকায় পৌঁছান ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এর আগে, আমেরিকার পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ভার্মন্টে স্থানীয় সময় ভোর ৫টায় (গ্রেনিচ মান সময় ১২টায়) ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোট গ্রহণ চলবে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা। যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য ও ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ায় ১৮ কোটি ৬০ লাখ ভোটার ভোট দিতে পারবেন। তবে বেশির ভাগ রাজ্যে ডাকযোগে এবং আগাম ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা থাকায় ইতোমধ্যেই ৮ কোটির বেশি মানুষ ভোট দিয়ে ফেলেছেন।

ভোটের মহারণ শুরু হলেও সবার অপেক্ষা কার হাতে উঠছে হোয়াইট হাউসের চাবি। বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্র কি তার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট পাচ্ছে, নাকি দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের পদ্ধতি বেশ জটিল। পপুলার ভোটে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন না। ৫০টি অঙ্গরাজ্য এবং ডিস্ট্রিক্ট অব কলম্বিয়া খ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি মিলে ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট রয়েছে। নির্বাচনে জয়ী হতে হলে ২৭০টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট প্রয়োজন। একেক রাজ্যে একেক সংখ্যায় ইলেকটোরাল কলেজ ভোট আছে। যে রাজ্যে যে দল জয়ী হয়, সেই রাজ্যের সব ইলেকটোরাল কলেজ ভোট সেই দল পেয়ে যায়। অর্থাৎ উইনার্স গেট অল।

এবারের নির্বাচনে সাতটি সুইং স্টেটে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। এসব সুইং স্টেটের মধ্যে উইসকনসিনে ১০টি, পেনসেলভিনিয়ায় ১৯টি, আরিজোনায় ১১টি, জর্জিয়ায় ১৬টি, মিশিগানে ১৫টি, নেভাদায় ৬টি এবং নর্থ ক্যারেলিনায় ১৬টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট রয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসির জন্য ইলেকটোরাল কলেজ ভোট তিনটি।

কবে নাগাদ ফলাফল জানা যাবে? ,

প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার নিজ নিজ আইন অনুযায়ী ভোট দেওয়ার সময়সীমা ঘোষণা করা আছে। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ব্যালট গণনা ও কখন চিঠির মাধ্যমে আসা ভোট গ্রহণ করা যাবে, সে সংক্রান্ত আলাদা আলাদা আইন রয়েছে। এ কারণে কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের চূড়ান্ত ফলাফল নির্বাচনের পরের দিন বা তারও পরে জানা যাবে।

২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে বেশ কয়েক দিন লেগে গিয়েছিল। এবারও এমন হতে পারে যে নতুন প্রেসিডেন্ট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে বিজয়ীদের নাম জানতে ৫ নভেম্বরের বেশ কয়েকদিন পর পর্যন্ত অপেক্ষার প্রয়োজন দেখা দেবে।




মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

চন্দ্রদ্বীপ  আন্তজাতিক :: যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। জাতীয় এ ভোট পরবর্তী প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি প্রতিনিধি সভা ও সিনেট গঠনও নির্ধারণ করবে।

এ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ডেমোক্রেটি প্রার্থী কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত কয়েক সপ্তাহের জরিপে দুজনেরই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা গেছে। ভোটের ফল যা-ই হোক না কেন, তা আগামী চার বছরের জন্য মার্কিন রাজনীতি এবং পররাষ্ট্রসহ বিভিন্ন নীতি নির্ধারণ করবে।

আমেরিকার পূর্ব উপকূলে ভারমন্টে স্থানীয় সময় ভোর ৫টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কানেকটিকাট, ইন্ডিয়ানা, কেনটাকি, মেইন, নিউজার্সি, নিউইয়র্ক এবং ভার্জিনিয়ার ভোটাররাও ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।

ভোট শুরু হয়েছে ওহাইও, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া ও নর্থ ক্যারোলাইনাতেও। ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, ইলিনয়, লুসিয়ানা, ম্যারিল্যান্ড, মাসাচুসেটস, মিশিগান, মিসৌরি, পেনসিলভানিয়া, রোড আইল্যান্ড, সাউথ ক্যারোলাইনা ও ওয়াশিংটন ডিসিতেও ভোট শুরু হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এটি এক ঐতিহাসিক নির্বাচন। কারণ ভোটাররা হয় হ্যারিসকে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে, অথবা ট্রাম্পকে প্রথম দণ্ডিত অপরাধী হিসেবে নির্বাচিত করবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের এ নির্বাচনের আগাম ভোট দেওয়ার সংখ্যা আট কোটি ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে চার কোটি ৪০ লাখের বেশি ভোটার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে আর প্রায় তিন কোটি ৭ লাখ ভোটার ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন।

নির্বাচনের আগে এবারের প্রচারণায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সংকট সমাধানের পাশাপাশি ইউক্রেন ও গাজা-ইসরায়েল যুদ্ধ, আফগানিস্তানে তালেবান ইস্যুসহ গুরুত্বপূর্ণ নানান বৈশ্বিক বিষয়গুলোও গুরুত্ব পেতে দেখা গেছে।

আমেরিকার বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস জানেন যে এবারের নির্বাচনে জয়ী হতে হলে তাকে তরুণ ভোটারদের সমর্থন পেতে হবে।

তাই তিনি তরুণ ও নতুন ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, তোমাদের আমি বিশেষভাবে বলছি, আমি তোমাদের শক্তি দেখি এবং আমি তোমাদেরকে নিয়ে গর্বিত।

অন্যদিকে মিশিগানে শেষ ভাষণে ট্রাম্প উপস্থিত সমর্থকদের প্রশ্ন করেন, তারা এখন চার বছর আগের চেয়ে ভালো অবস্থায় আছেন কি না। তার এই প্রশ্নের বিপরীতে র‌্যালিতে উপস্থিত জনতা উচ্চস্বরে না-সূচক জবাব দেন।

এরপর ট্রাম্প বলেন বলেন, আজ রাতে আপনাদেরসহ সব আমেরিকান নাগরিকের প্রতি আমার খুব সহজ বার্তা, আমাদের এমনভাবে বেঁচে থাকতে হবে না।

প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান পার্টির কমলা হ্যারিসকে আক্রমণ করতেও ছাড়েননি ট্রাম্প। তিনি বলেন, হ্যারিস ‘একজন উগ্র বামপন্থী পাগল’।




জলহস্তী মু ডেং ভবিষ্যদ্বাণী ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলীয় প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্র্যাট দলীয় কমালা হ্যারিসের মাঝে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মঙ্গলবার আর কয়েক ঘণ্টা পরই ভোট শুরু হতে যাচ্ছে দেশটিতে। কিন্তু এর মাঝেই ডোনাল্ড ট্রাম্পই আবারও হোয়াইট হাউসে ফিরছেন বলে ভবিষ্যদ্বাণী করে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে থাইল্যান্ডের এক শিশু জলহস্তী।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ডের মহাতারকা খ্যাত শিশু জলহস্তী মু ডেং ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও হোয়াইট হাউসে ফিরছেন বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে।

থাইল্যান্ডের চনবুড়ি এলাকার খাও খেও ওপেন চিড়িয়াখানায় এই ভবিষ্যদ্বাণী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো ঝড় তুলেছে মু ডেং। ট্রাম্পের বিষয়ে করা ভবিষ্যদ্বাণীর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হলে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল হয়ে যায়




ইলিশ অভিযানের চালে,বিএনপির নেতার ভাগ বসানোর অভিযোগ

বরিশাল অফিস::  বরিশাল সদর উপজেলা ৩নং চরবাড়িয়া ইউনিয়নের জেলেদের চালে ভাগ বসানোর অভিযোগ উঠেছে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মৎস্য দলের সহ সভাপতি মনির হাওলাদারের বিরুদ্ধে।

এ নিয়ে বরিশাল সদর উপজেলা মৎস্য বিএনপির সিনিয়র নেতা ও কর্মীদের মধ্যে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপি সভাপতি খোকন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন,গত ১৫ বছর আমরা ক্ষমতায় ছিলাম না, তাই সঠিক ভাবে কেনো কিছু বন্টন করতে পারি নাই। গত ৫ ই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পরে আওয়ামী লীগের স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর তারা দেশ থেকে পলিয়ে যায়। জেলেদের চাল বন্টন করার মতো কেউ ছিলো না, তাই আমরা সঠিক ভাবে জেলেদের মাঝে চাল বন্টন করার চেষ্টা করি।

কিন্তু আমাদের চরবাড়িয়া ইউনিয়ন মৎস্য বিএনপি সহ সভাপতি মনির হাওলাদার নগরীর ৯নং ওয়ার্ড রসুলপুর এলাকা থেকে ৩০ টি’ আইডি কার্ড এনে বিভিন্ন মানুষের পরিচয় দিয়ে তাদের তাদের চাল দিতে হবে এমন মন্তব্য করে প্রভাব খাটায় আমি তাদের চাল দিতে অস্বীকার করায় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালায়।

আর এক ভুক্তভোগী বরিশাল সদর উপজেলা মৎস্য বিএনপি সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম লিটন অভিযোগ করে বলেন, গত ১৫ বছর আমার ক্ষমতায় ছিলাম না কিন্তু আ’লীগের চেয়ারম্যান মাহাতাব হোসেন সুরুজ থাকার কারনে এতো দিন জেলেরা সঠিক ভাবে চাল পায় নায়। তিনি সবসময় তার আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে চাল বিতরণ ও আত্মসাত করে আসছিলো।

তিনি বলেন, ৩০২ জন জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করার কাগজের কলমে থাকলেও বাস্তবে তা তিনি করেনি। তিনি চাল সকলের মাজে বিতরণ না করে ১০৯ জনের চাল আত্মসাত করে। এই বার আমরা ৪১১ জন জেলেদের চাল দিয়েছি তাই আর কেনো জেলেকে বাদ দেওয়া হয়নি। সবাই সঠিক ভাবে চাল পেয়েছে।

কিন্তু, আমাদের চরবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি মৎস্য সহ সভাপতি মনির হাওলাদারকে চাল দিতে অস্বীকার করায় আমাদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করে ও কমিটি বিলুপ্ত করার জন্য পায়তারা করেন। অন্যদের কমিটি দিবে বলেন এবং আমাদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করেন।

এ বিষয় অভিযুক্ত চরবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি মৎস্য দলের সহ সভাপতি মনির হাওলাদার বলেন,আপনারা আমার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করে দেখেন, আমি কোন আইডি কার্ড আনিও নাই। আর কাউকে দেইওনাই।

তিনি বলেন, কমিটি বিষয়ে আমার কাছে চন্দ্র মোহন ইউনিয়নের একজন সদস্য জিজ্ঞেসা করছে নতুন কমিটি দিতে কতো টাকা খরচ হবে, আমি বলছি সব নেতাকর্মীরা গেলে এক লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। তা আমার উপর চাপিয়ে বলা হয় আমি নাকি তাদের কাছে একলক্ষ টাকা দাবি করছি। আমার বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করছে।

এ বিষয়ে বরিশাল জেলা (দক্ষিন) বিএনপি মৎস্য জীবী দলের সভাপতি মোঃ রুস্তম আলী মল্লিক বলেন, যদি সে গরীব দুস্ত হয়,তাহলে সে চাল চাইতেই পারেন, এখানে কোনো অপরাধের কিছুই দেখিনা। আর মনির কমিটি দেওয়ার কেউ না




কর্মসংস্থান প্রশ্নের বাস্তব হালনাগাদ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ::বাংলাদেশে আমরা এমন একটা সময়ে ও বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থান প্রসঙ্গ বিবেচনা করছি, যেখানে আমাদের কিছু অনিবার্য প্রশ্ন করতেই হবে। কারণ, অনেকের কাছেই এখন কর্মসংস্থান প্রশ্ন ধাঁধা আকারে হাজির হয়েছে। বিগত দেড় দশকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী রেজিমের অর্থনীতিকেন্দ্রিক যেসব তথাকথিত মহাবয়ান—

যেমন প্রবৃদ্ধি, উন্নয়ন, রপ্তানি আয়, ‘ডিজিটাল’ বাংলাদেশের প্রযুক্তি-নিবিড় শিক্ষা ইত্যাদির মধ্যে আদতে কর্মসংস্থান প্রশ্নের কোনো সুরাহা হয়েছে কি না। যাবতীয় সামষ্টিক মহাবয়ানের মধ্যে থেকে আমরা কি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে কর্মমুখী ও দক্ষ মানবসম্পদ সরবরাহযোগ্য করতে পেরেছি? সে ক্ষেত্রে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের তোড়জোড়, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রস্তুতি এবং মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার গুঞ্জন কি কেবলই রাজনৈতিক ভোজবাজি ও বৈধতা উৎপাদনের উপাদান ছিল? এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমাদের দরকার ওই মহাবয়ানগুলোর রাজনৈতিক অর্থনীতি তালাশ করা। এ জন্য এই রচনাকে পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝাই করা আমার উদ্দেশ্য নয়।

বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের পুরো ক্ষেত্র অনেক বেশি সংকুচিত। কয়েকটা প্রচলিত খাতের মধ্যেই সব চাকরি সীমাবদ্ধ। এর মধ্যে আবার সিংহভাগই অপ্রাতিষ্ঠানিক। যেমন তুলনামূলকভাবে কর্মসংস্থানের বড় কয়েকটি খাত হচ্ছে সরকারি চাকরি, কৃষি, সেবা, ভোগ্যদ্রব্য উৎপাদন, তৈরি পোশাক, অভিবাসন, মজুরিভিত্তিক শ্রম ইত্যাদি। কিন্তু এ ছাড়া বেশ কিছু সম্ভাবনাময় খাত রয়েছে, যেখানে শ্রমপ্রবাহ পর্যাপ্ত নয়। উল্লেখ্য, যে বৃহৎ জনশক্তি প্রচলিত খাতগুলোয় নিয়োজিত, ব্যতিক্রম বাদ দিলে সে খাতগুলোও দক্ষতানির্ভর নয়। ফলে দেশের বিপুল জনশক্তি অদক্ষ থেকে গেছে।

লক্ষণীয়, বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের খাতগুলোয় বৈচিত্র্য আনার মাধ্যমে বিস্তৃত করা এবং সেগুলোয় শ্রমপ্রবাহ ত্বরান্বিত করা সম্ভব না হওয়ার পেছনে বেশ কিছু পরস্পর আন্তসম্পর্কিত কারণ রয়েছে। মোটাদাগে দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগের অভাব, খাতে বিদ্যমান অপ্রাতিষ্ঠানিকতা, প্রতিকূল ব্যবসায় পরিমণ্ডল, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা বিকাশের অভাব, অদক্ষ শ্রমপ্রবাহ, সরকারি চাকরির প্রতি অস্বাভাবিক ঝোঁক ইত্যাদি। প্রাতিষ্ঠানিক গুণগত মান, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপস্থিতি ইত্যাদি রাজনৈতিক পূর্বশর্ত ছাড়াও বৈদেশিক বিনিয়োগ আহরণের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যিক কাঠামো, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের নির্ভরযোগ্যতা, অপ্রাতিষ্ঠানিকতা, প্রতিকূল ব্যবসায় পরিমণ্ডল অন্যতম অন্তরায়। পাশাপাশি অদক্ষ শ্রমপ্রবাহও বিনিয়োগকারীদের বহুলাংশে নিরুৎসাহিত করে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, বাস্তবিক প্রতিবন্ধকতার প্রায় সব শর্তই আমাদের বেলায় খাটে। তবে অর্থনীতির আওতার বাইরে গিয়ে কর্মসংস্থানের সমস্যা ও চাকরিপ্রার্থী তরুণ জনগোষ্ঠীর মনস্তাত্ত্বিক দিক এবং আমাদের সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থার দর্শনের মৌলিক ও নীতিগত গলদের পটভূমি আরও তলিয়ে দেখা দরকার।




পায়রা বন্দরের কৃষি জমি মালিকদের চাষের সুযোগ চেয়ে মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা বন্দরে অধিগ্রহণকৃত অব্যবহৃত কৃষি জমি ইজারা না দিয়ে স্থানীয় মালিকদের নিজেদের জমিতে চাষাবাদের সুযোগ দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় লালুয়া ইউনিয়নের বানাতী বাজারে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের কৃষি জমি ফেরত পেতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস, সজল বিশ্বাস, কৃষক জসিম উদ্দিন মৃধা, মজিবর প্যাদা, ইব্রাহিম সাউগারসহ আরও অনেকে। তারা জানান, অধিগ্রহণের পরও অনেক জমির মালিক ক্ষতিপূরণের অর্থ পাননি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা এসব জমি চাষ করেই জীবিকা নির্বাহ করেন, এবং এই জমিগুলোই তাদের আয়ের প্রধান উৎস। অধিগ্রহণের পর থেকে বন্দর কর্তৃপক্ষের ইজারার সিদ্ধান্তে তাদের জীবনে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন যে, বন্দরের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জমিগুলোতে ইজারার পরিবর্তে বাইরের ব্যক্তিদের কাছে দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। এর ফলে স্থানীয় কৃষকদের আয়ের উৎস বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জমিগুলোতে তাদের চাষাবাদ করতে না দিলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।