শেবাচিম হাসপাতালে পরিচালক পদে সেনা কর্মকর্তা নিয়োগ

বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবামেক) হাসপাতালে নতুন পরিচালক হিসেবে একজন সেনা কর্মকর্তা নিয়োগ পেয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন পরিচালকের দায়িত্ব হচ্ছে হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করা ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে উন্নয়ন ঘটানো।

নতুন পরিচালক একজন সেনা কর্মকর্তা হওয়ায় হাসপাতালে শৃঙ্খলা ও স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ানোর প্রত্যাশা করা হচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

হাসপাতালের রোগীসেবা, চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

“মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




কুয়াকাটায় সমুদ্র থেকে নানা প্রজাতির মাছ ধরা পড়ছে

কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা না মিললেও জেলেদের জালে ধরা পড়ছে সামুদ্রিক নানা প্রজাতির মাছ। ২২ দিনব্যাপী নিষেধাজ্ঞার পর যখন ইলিশের প্রজনন নিশ্চিত করতে নদী ও সাগরে মাছ শিকারের ওপর বন্ধ ছিল, তখন গভীর সমুদ্রে গিয়ে সেগুলোর পরিবর্তে ধরা পড়ছে অন্য প্রজাতির মাছ। এর মধ্যে রয়েছে বড় সাইজের কোরাল, পাঙাশ, পোয়া মাছসহ আরও অনেক ধরনের সামুদ্রিক মাছ।

জেলে মো. ইলিয়াস মাঝি জানান, ২২ দিনের অবরোধ কাটিয়ে তারা যখন সমুদ্রে মাছ শিকার করতে যান, তখন তাদের জালে লাক্কা মাছের পাশাপাশি ধরা পড়ে সামুদ্রিক পোয়া মাছও।

মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, “ইলিশের পাশাপাশি এখন পাঙাশ, পোয়া, কোড়ালসহ সামুদ্রিক অনেক মাছের প্রজনন এবং বড় হওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এতে জেলেরা লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

এ পরিস্থিতি থেকে একদিকে যেমন জেলেরা বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাচ্ছেন, অন্যদিকে প্রজনন মৌসুমে মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভবিষ্যতে বাজারে মাছের সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার আশা করা যাচ্ছে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পটুয়াখালীতে হৃদয় তরুয়া চত্বরের উদ্বোধন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থী হৃদয় তরুয়া স্মরণে পটুয়াখালীর ঝাউবাগান চত্বরের নামকরণ করা হয়েছে ‘হৃদয় তরুয়া চত্ত্বর’। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) বিকালে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফিন আনুষ্ঠানিকভাবে এই চত্বরের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন হৃদয় তরুয়ার বাবা রতন তরুয়া, পটুয়াখালীর শিক্ষার্থী সাগরসহ আন্দোলনের বিভিন্ন অংশের নেতৃবৃন্দ। সাগর এ সময় বলেন, ‘‘সকল শহীদদের প্রতীক হিসেবে আমরা তাদের স্মরণ করতে ঝাউবাগানের এই চত্বরকে হৃদয় তরুয়া চত্ত্বর ঘোষণা করেছি।’’ তিনি সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘‘হৃদয় তরুয়ার আত্মার শান্তি কামনায় এবং তার স্মৃতি ধারণ করতে অন্তত এই চত্বরে যেন কেউ কোনো ধরনের পোস্টার, ব্যানার বা ফেস্টুন না লাগায়।’’

এই স্মরণীয় উদ্যোগের মাধ্যমে পটুয়াখালীতে আন্দোলনের শহীদদের সম্মান প্রদর্শন করা হচ্ছে, এবং এলাকার জনগণের কাছে হৃদয় তরুয়া চত্ত্বর একটি শ্রদ্ধার্ঘ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, রিজার্ভ বেড়েছে

দীর্ঘদিন পর আবারও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ২০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ২০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে এবং গ্রস রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বিশেষ করে প্রবাসী আয় বৃদ্ধির কারণে এই মজুদ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংক।

গেল কয়েক বছর ধরে রিজার্ভের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে কমছিল। বিশেষত শেখ হাসিনা সরকারের শেষ সময়ে রিজার্ভের দ্রুত পতন ঘটেছিল, যার মূল কারণ ছিল ডলার সংকট। ডলার সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ডলার বিক্রি করার ফলে রিজার্ভ কমতে থাকে। তবে, পট পরিবর্তন হলে এবং ড. আহসান এইচ মুনসুর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব নেন, রিজার্ভের পতন থামিয়ে দেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর ডলার বিক্রি বন্ধ করে দেন তিনি এবং আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রাবাজার সচল করার মাধ্যমে ডলার সংকট মোকাবিলায় উদ্যোগ নেন।

গভর্নর নিজ উদ্যোগে ডলার সংগ্রহের নির্দেশ দিলে, এরপর থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। বর্তমানে রিজার্ভে কোনো ডলার বিক্রি হচ্ছে না, যার ফলে ধীরে ধীরে মজুদ বাড়ছে। পাশাপাশি, প্রবাসী আয়ও বৃদ্ধি পাওয়ায় রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




প্রতারণা প্রতিরোধে ইমো’র উদ্যোগ: ২ লাখ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ

ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ইমো সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত হ্যাকিং, হয়রানি ও প্রতারণার সাথে জড়িত প্রায় ১ লাখ ৭৯ হাজার ডিভাইস নিষিদ্ধ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইমো ব্যবহারকারীদের জন্য আরও সুরক্ষিত ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করতে চায়।

ইমো তার ‘অটো টেকনোলজি’ ব্যবহারের মাধ্যমে ৪ লাখ ৩৫ হাজার অ্যাকাউন্টকে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করেছে। এছাড়া, ৯ হাজার ৬০০টিরও বেশি অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করে তাদের মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে। সাইবার নিরাপত্তার হুমকি যেকোনো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। তাই ইমো এই সমস্যাগুলোর সমাধানে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসছে।

এই প্ল্যাটফর্মের অন্যতম নিরাপত্তা ফিচার হলো ‘লগইন প্রোটেকশন,’ যা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ বন্ধে সহায়তা করে। পাশাপাশি, ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’ এবং ‘ট্রাস্টেড ডিভাইস’ ফিচার ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা আরও সুরক্ষিত থাকতে পারেন। এছাড়াও, ‘সিম বাইন্ডিং’ ফিচার নির্ভরযোগ্য ডিভাইসের মাধ্যমে লগইন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য, ব্যবহারকারীরা নিয়মিতভাবে ‘ম্যানেজ ডিভাইস’ চেক করে সন্দেহজনক ডিভাইস অপসারণ করতে পারেন। এছাড়া, একাধিক ডিভাইসে লগইন এড়াতে ‘মাল্টি ডিভাইস’ ফাংশন বন্ধ রাখা যেতে পারে। ইমো কর্তৃপক্ষ মনে করে, এই পদক্ষেপগুলো ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত কার্যকর হবে এবং ভবিষ্যতে প্ল্যাটফর্মটি আরও সুরক্ষিত করার জন্য কাজ করে যাবে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে জামায়াতের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বরিশাল মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার বরিশাল প্রেসক্লাব অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মু. বাবর।

সভাপতির বক্তব্যে মহানগর আমির বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি ঐতিহাসিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল, যা জাতির সূর্যসন্তানদের দ্বারা পরিচালিত ছিল। এ বিপ্লব দেশের আপামর জনসাধারণের মাঝে আনন্দের জোয়ার এনে দিয়েছিল। তবে ৩রা নভেম্বর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেই বিপ্লবকে নসাৎ করার প্রচেষ্টা করা হয়। ৭ই নভেম্বর সেই বিপ্লবের প্রতি প্রতিবাদে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতা আবারো সংঘবদ্ধ হয়ে বিপ্লবকে সুরক্ষিত করেছিল।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ফ্যাসিবাদী আচরণে লিপ্ত হয়। যেমনটি ঘটেছিল ৭২ থেকে ৭৫ সালে। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরও একই কার্যক্রম তারা চালিয়ে গেছে এবং গোটা জাতিকে একপ্রকার বন্দী করে রেখেছে। তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান, যাতে ২০২৪ সালের এই বিপ্লবও যেন কেউ নসাৎ করতে না পারে। ৭ই নভেম্বরের শিক্ষা নিয়ে প্রতিবিপ্লব প্রতিহত করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আলোচনা সভাটি পরিচালনা করেন মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমান। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারি সেক্রেটারি মাস্টার মিজানুর রহমান, কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাওলানা হাবিবুর রহমান, তারিকুল ইসলাম, মাওলানা শফিউল্লাহ তালুকদার, অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান আমিন, অধ্যাপক সুনতানুল আরেফিন, অধ্যাপক আনোয়ার হোসাইন প্রমুখ।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




অতিরিক্ত প্রত্যাশা কমিয়ে হতাশা এড়ানোর পরামর্শ

প্রত্যাশা রাখা স্বাভাবিক, তবে অতিরিক্ত প্রত্যাশা প্রায়ই হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রত্যাশা কি এবং কিভাবে এটি মানুষের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, এ বিষয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের রেসিডেন্ট ডা. তানজিরা বিনতে আজাদ তাঁর পরামর্শ দিয়েছেন।

ডা. আজাদ বলেন, প্রত্যাশার ধারণা মূলত অন্যের কাছ থেকে কিছু পাওয়ার আশা প্রকাশ করে। তবে অতিরিক্ত প্রত্যাশা অনেকসময় হতাশার সৃষ্টি করতে পারে, যা মানসিক সুস্থতার পথে বাধা সৃষ্টি করে। এটি অনেকক্ষেত্রে অলীক কল্পনা বা অবাস্তব আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে জড়িত থাকে। এই ধরণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে হতাশার অনুভূতি জন্ম নিতে পারে। তাই প্রত্যাশা নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে মানসিক প্রশান্তি অর্জন সম্ভব।

তিনি জানান, প্রত্যাশা কমিয়ে আনার মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি নিজেকে আরও দৃঢ়ভাবে দাঁড় করানো যায়। অন্যের প্রতি অভিযোগ না করে নিজেকে আগে যাচাই করা, সামান্য ভালোবাসাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং অল্পতে সন্তুষ্ট থাকার অভ্যাস গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে প্রত্যাশা কমানো সম্ভব। এর সঙ্গে ধৈর্য ধরার মতো গুণাবলী চর্চা করা এবং ক্ষমাশীলতার মনোভাব গ্রহণ করা প্রয়োজন।

ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ভিক্টর ভ্রুমের ‘প্রত্যাশা তত্ত্ব’ অনুযায়ী, প্রত্যাশার তীব্রতা এবং অর্জনের বাস্তবতা এই প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। তিনি বলেছেন, প্রত্যাশা ও অর্জনের বাস্তবতাকে মিলিয়ে চলার অভ্যাস ব্যক্তিকে মানসিকভাবে সুরক্ষিত রাখতে পারে।

অতিরিক্ত প্রত্যাশা কমানোর কিছু কার্যকরী পরামর্শ:

১. নিজের প্রতি মনোযোগ বাড়ান ২. জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন ৩. সবসময় সৎ থাকুন ৪. আত্ম-মূল্য ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করুন ৫. সবসময় অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে না যাওয়া ৬. চাওয়ার সীমা নির্ধারণ করুন ৭. আবেগ নিয়ন্ত্রণ করুন এবং আবেগ সম্পর্কে সচেতন থাকুন ৮. নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকুন ৯. কৃতজ্ঞতার মনোভাব গড়ে তুলুন ১০. অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সহজভাবে নিন ১১. স্বার্থপর না হওয়া ১২. ক্ষমার অভ্যাস গড়ে তুলুন ১৩. নিয়ম মেনে জীবনযাপন করুন

ডা. তানজিরার মন্তব্য:
তিনি বলেন, “জীবনে কারো কাছ থেকে সবসময় বেশি কিছু আশা করা অবাস্তব হতে পারে। তাই নিজের কাজ নিজে করা এবং নিজের যোগ্যতার মূল্যায়ন করা উচিত।”

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সংস্কারের পর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা : প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

শফিকুল আলম বলেন, এই তিন মাসে অন্তর্বর্তী সরকার বেশ সফলতার সাথে কাজ করেছে। এতে যথেষ্ট সফলতাও দেখিয়েছে। এখন সব ঠিক হচ্ছে। আগে সংস্কার হবে, সংস্কার শেষ হলে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।

তিনি বলেন, ব্যাংকিং সেক্টরে আওয়ামী লীগ যে ভঙ্গুর অবস্থা রেখে গেছে, তার থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। আগের চেয়ে ব্যাংকিং ব্যবস্থা অনেক ভালো।

ওষুধ উৎপাদন, বাজার বিপণন ও দাম নিয়ে টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই টাস্কফোর্স এসব পুনর্মূল্যায়ন করবে বলেও জানিয়েছেন প্রেস সচিব।




প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর যে ৭টি কাজ করতে চান ট্রাম্প

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আবারো হোয়াইট হাউজে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে নির্বাচনে এক দফা হেরে আবার তার থেকেই ক্ষমতার চাবি নিচ্ছেন তিনি।

তবে নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সবার আগে কয়েকটি কাজ করার কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। সেগুলো হলো-

১) রাষ্ট্রপতি হলে ব্যাপক হারে অবৈধ অভিবাসীদের দেশটি থেকে বের করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। একইসাথে প্রথম মেয়াদের যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত যে প্রাচীর তোলার কাজ শুরু করেছিলেন, তা শেষ করার কথাও জানিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও এই কাজে আইনি এবং লজিস্টিক চ্যালেঞ্জের কথা বলছেন বিশ্লেষকরা।

২) অর্থনীতির ক্ষেত্রে কর কমানো, বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ এবং ‘মূল্যস্ফীতি শেষ করার’ প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে পণ্যে শুল্ক বাড়ালে সাধারণ মানুষের কেনার ক্ষমতা কমতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

৩) নির্বাচনী প্রচারণায় জলবায়ু বিষয়ক নীতি শিথিলের কথাও জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেক্ষেত্রে নবায়নযোগ্য শক্তির পরিবর্তে জীবাশ্ম জ্বালানির উৎপাদনকে উৎসাহিত করা এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিরোধিতা করে মার্কিন গাড়ির উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নতুন এই প্রেসিডেন্ট।

৪) ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে’ ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে আলোচনার অঙ্গীকার করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা দেননি।

৫) কিছু সমর্থকের ইচ্ছার বিপরীতে গিয়ে গর্ভপাতের বিষয়ে জাতীয় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। একইসাথে এই ইস্যুতে রাজ্যগুলোর অধিকারকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন তিনি।

৬) ৬ জানুয়ারির দাঙ্গায় অভিযুক্ত কয়েকজনকে ক্ষমা করার কথাও জানিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তাদের ‘ভুলভাবে বন্দি’ রাখা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প, যদিও তিনি এটিও স্বীকার করেছেন যে কয়েকজন ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল’।

৭) সবশেষে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে চালানো ফৌজদারি তদন্ত পরিচালনাকারী বিশেষ কৌঁসুলি জ্যাক স্মিথকে বরখাস্ত করার শপথ নিয়েছিলেন ট্রাম্প। ট্রাম্প দাবি করেন, স্মিথ রাজনৈতিক ‘উইচ হান্ট’ চালাচ্ছেন।

সূত্র : বিবিসি




এবার ইসরাইলে হামলা করে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করল হিজবুল্লাহ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: লেবাননের প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ প্রথমবারের মতো ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ‘ফাতেহ-১১০’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করেছে।

হিজবুল্লাহনিয়ন্ত্রিত লেবাননের আল-মানার টেলিভিশন নেটওয়ার্কে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৮ দশমিক ৫ মিটার দীর্ঘ ফাতেহ-১১০ ক্ষেপণাস্ত্রটি ৫০০ কেজি বিস্ফোরক বহন করতে পারে। উচ্চ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার অধিকারী ক্ষেপণাস্ত্রটি নির্দিষ্ট বা ভ্রাম্যমাণ প্ল্যাটফর্ম থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

হিজবুল্লাহর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কঠিন-জ্বালানিযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্রটির ওজন ৩,৪৫০ কেজি এবং এর পাল্লা ৩০০ কিলোমিটার।

আল মানার টেলিভিশনে গতকাল বুধবার ফাতেহ-১১০ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে তেল আবিবের দক্ষিণে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের কাছে দখলদার বাহিনীর জারফিন ঘাঁটিতে হামলা করার দৃশ্য দেখানো হয়েছে।

হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা হাইফা, তেল আবিব এবং বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত করেছে। ইসরাইলি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করতে প্রথমে রকেট দিয়ে হামলা করা হয়।

এর আগে গত রোববার (৩ নভেম্বর) হিজবুল্লাহ ‘ইমাদ-৫’ নামে একটি ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে। ওই বাঙ্কারের ফুটেজে বলা হয়েছে, ইসরাইলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে বিজয় অর্জন করা পর্যন্ত নিজ অবস্থানে অটল থাকবে হিজবুল্লাহ।

ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারটি হিজবুল্লাহর শহীদ নেতা সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহর বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশ করা হয়। যেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা কখনো যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করব না। আমরা কখনো আমাদের অস্ত্র সমর্পণ করব না।’

ফুটেজে দেখা যায়, হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা একটি জঙ্গল এলাকায় তাদের মোটরসাইকেলে চড়ছেন। এরপর তারা একটি টানেলের ভেতর দিয়ে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারটিতে প্রবেশ করেন।

সূত্র : পার্সটুডে