আ. লীগ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছে বিএনপি নেতাকর্মীরা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: শহীদ নূর হোসেন দিবসকে ঘিরে আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

রোববার সকাল থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছেন বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা। সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অফিসের সামনে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিএনপির নেতাকর্মীরা ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। সেখানে তাদের বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়। আধা ঘণ্টা পরপর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে নূর চত্বর হয়ে আবার ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে জড়ো হচ্ছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।




২০২৪ ব্যালন ডি’অর পুরস্কারের ভোট গণনার ফলাফল প্রকাশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: গত ২৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে এবারের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। যেখানে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সেরা ফুটবলারের পুরস্কার জেতেন রদ্রি। এর প্রায় দুই সপ্তাহ পর পুরস্কারের আয়োজক ‘ফ্রান্স ফুটবল’ ২০২৪ ব্যালন ডি’অর পুরস্কারের ভোট গণনার বিস্তারিত প্রকাশ করেছে।

স্পেন ও ম্যানচেস্টার সিটির ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রদ্রি পেয়েছেন সর্বোচ্চ ১১৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ ও ব্রাজিল ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র পেয়েছেন ১১২৯ ভোট। রদ্রির থেকে ৪১ ভোট কম পেয়েছেন ভিনিসিয়ুস।

তৃতীয় স্থানে থাকা জুড বেলিংহ্যাম পেয়েছেন ৯১৭ ভোট। কারভাহাল ৫৫০ ভোট পেয়ে চতুর্থ অবস্থানে আছেন। এরপর আছেন যথাক্রমে আর্লিং হালান্ড (৪৩২), কিলিয়ান এমবাপে (৪২০), লাউতারো মার্টিনেজ (৪০২), লামিনে ইয়ামাল (৩৮৩), টনি ক্রুস (২৯১) ও হ্যারি কেইন (২০১)।

এর আগেই ফ্রান্সের আরেক সংবাদমাধ্যম ‘লেকিপ’ জানিয়েছে, ছেলেদের ব্যক্তিগত সেরার পুরস্কারে বিজয়ী বেছে নিতে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ ১০০ দেশের সাংবাদিকদের মাঝে ৯৯ জন (সিরিয়া ভোট দেয়নি) মনোনীতদের সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে পছন্দের শীর্ষ ১০ খেলোয়াড় বেছে নিয়েছেন।

তাদের এই শীর্ষ ১০ জনের তালিকায় সবার ওপরে থাকা খেলোয়াড় পেয়েছেন ১৫ পয়েন্ট, দ্বিতীয় ১২ পয়েন্ট ও ১০ পয়েন্ট পেয়েছেন তৃতীয় খেলোয়াড়। তাছাড়া চতুর্থ থেকে দশম স্থানের খেলোয়াড়েরা পেয়েছেন যথাক্রমে ৮, ৭, ৫, ৪, ৩, ২ ও ১ পয়েন্ট। অর্থাৎ মোট পয়েন্টসংখ্যা ৬,৬৩৩।




১ জানুয়ারি থেকে স্মার্ট কার্ডেই মিলবে টিসিবির পণ্য

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য দেয়া হবে। হাতে লেখা কার্ডে আর পণ্য দেয়া হবে না।

শনিবার (৯ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আঞ্চলিক কার্যালয়ে রমজান উপলক্ষে আগাম প্রস্তুতি বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবীর।

তিনি বলেন, ‘রমজান উপলক্ষে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। যেসব পণ্য আমদানি করা হয়, সেসবেরও প্রস্তুতি নেয়া শেষ। রমজানে পণ্যের কোনো সংকট হবে না।’

‘তেল, ডাল, চিনির পাশাপাশি খেজুর ও ছোলা ঢাকা ও অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় দেয়া হবে। ছোলা ও খেজুরের জন্য এরইমধ্যে চুক্তি হয়ে গেছে। জানুয়ারির ভেতর পণ্য টিসিবির গুদামে চলে আসবে’, যোগ করেন টিসিবির মুখপাত্র।

হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘একটি পরিবার থেকে যেন এক ব্যক্তির বেশি না পায়। এজন্য স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড করা হচ্ছে। ডিলারদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এখন ডিলার নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। ভবিষ্যতে ডিলারের প্রয়োজন হলে বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পণ্য স্থানীয় পর্যায়ে পৌঁছাতে বিঘ্ন হচ্ছে না। তবে মনিটরিংটা ঠিকমতো হচ্ছে না। ভোক্তার কাছে সঠিকভাবে যেতে যে সহযোগিতা দরকার, সেটাতে কমতি রয়েছে।’

বর্তমানে স্থানীয় প্রতিনিধিরা নিজ নজ এলাকায় না থাকায় পণ্য সরবরাহে সমস্যা হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে ডিসি অফিস ও সিটি করপোরেশনে চিঠি দেয়া হয়েছে বলেও জানান টিসিবির মুখপাত্র।

তিনি বলেন, ‘বণ্টন ও মনিটরিংয়ের জন্য স্থানীয় প্রশাসন দায়বদ্ধ থাকে। তাদের উদ্বুদ্ধ করতে সভার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।




পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জীবনমান উন্নয়ন সামগ্রী বিতরণ

কলাপাড়ায় পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০ জন মানুষের মাঝে জীবনমান উন্নয়ন সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দা খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির সহযোগিতায় এবং প্রগতিশীল তরুণ সমাজকল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে এই বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্র অধিকার পরিষদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রবিউল আউয়াল অন্তর, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি আবদুল মামুনসহ আরও অনেকেই। এসময় ১৫ জন গ্রামীণ নারীকে ১৫টি সেলাই মেশিন, ৫০ জন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ৫০ জেল কোরআন শরীফ, ১৫০ জন সাধারণ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাসামগ্রী এবং ৩৫ জন শিক্ষার্থীর মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকার আদায়ে স্থানীয় যুব সমাজ গত ৫ সেপ্টেম্বর মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছিল। তাদের আন্দোলনের ফলে বিদ্যুৎ বিভাগের নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি এই জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



নেপাল ভারত থেকে বাংলাদেশের জন্য ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমতি চেয়েছে

নেপাল ভারতের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করার অনুমতি চেয়েছে। কারণ, ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে নেপালকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হবে। ভারত নেপালের আহ্বানে সাড়া দিয়ে শিগগিরই অনুমতি প্রদান করবে, এমন আশ্বাস দিয়েছে নয়াদিল্লি।

নেপালের জ্বালানি ও পানিসম্পদমন্ত্রী দীপক খাড়কা ৩ থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতের সফর করেন। সফরের সময় তিনি ভারতের বিদ্যুৎমন্ত্রী মনোহর লাল খাট্টার এবং পানিসম্পদমন্ত্রী সি আর পাতিলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই বৈঠকে তারা জ্বালানি, পানিসম্পদ এবং সেচ সহযোগিতার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া, নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির জন্য ভারতের বিদ্যুৎ সরবরাহ অবকাঠামো ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

দীপক খাড়কা জানিয়েছেন, ভারত সফর শেষে নেপালে ফিরে এসে তিনি সাংবাদিকদের বলেন যে, ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির জন্য ভারতীয় ট্রান্সমিশন লাইন ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। নেপাল গত ১৫ জুলাই থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসের জন্য এই অনুমতি পেয়েছে। তবে, নেপালের পক্ষে ভারতের সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমতি পাওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরও জানান, ভারতীয় পক্ষ নেপালের অনুরোধকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে এবং শিগগিরই অনুমতি দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ৩ অক্টোবর কাঠমান্ডুর একটি হোটেলে বাংলাদেশ, নেপাল এবং ভারতের মধ্যে এক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি), নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (এনইএ) এবং ভারতের এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যবসা নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) এর প্রতিনিধিরাও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



স্মার্টফোন বিস্ফোরণ প্রতিরোধে যে বিষয়গুলো জানতে হবে

বর্তমান যুগে প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নতির ফলস্বরূপ স্মার্টফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। তবে, এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার কখনও কখনও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। স্মার্টফোন বিস্ফোরণ একটি অন্যতম ভয়াবহ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা অনেক ব্যবহারকারীকে আতঙ্কিত করে তোলে। সঠিকভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করলে এটি দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। এই লেখায় আমরা জানব, কী কী কারণে স্মার্টফোন বিস্ফোরিত হতে পারে এবং সেগুলো থেকে কিভাবে বাঁচা যাবে।

মোবাইল ফোন বিস্ফোরণের কারণ:

1. দীর্ঘ সময় ধরে ভারী অ্যাপ ব্যবহার: স্মার্টফোনে ভিডিও স্ট্রিমিং বা গেমিংয়ের মতো ভারী অ্যাপ ব্যবহার করলে ফোনের প্রসেসর গরম হয়ে যায়, যা ব্যাটারির ওপর চাপ সৃষ্টি করে। অতিরিক্ত উত্তাপে ব্যাটারি ফুলে গিয়ে বিস্ফোরণের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়।

2. ওভারচার্জিং: ফোনের চার্জ ১০০% পূর্ণ হওয়ার পরেও যদি সেটি প্লাগ-ইন অবস্থায় রেখে দেওয়া হয়, তবে ব্যাটারিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। একাধিকবার এই অবস্থায় থাকার ফলে ব্যাটারি ‘স্ট্রেস’ হয়ে বিস্ফোরিত হতে পারে।

3. উচ্চ তাপমাত্রা বা আর্দ্র পরিবেশ: ফোন যদি সূর্যের তাপ বা স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে রাখা হয়, তবে এর ব্যাটারি তাপ সঞ্চয় করতে পারে, যা বিস্ফোরণের কারণ হতে পারে।

4. নকল বা নিম্নমানের চার্জার ব্যবহার: সস্তা বা অদক্ষ চার্জার ব্যবহারের কারণে ফোনের বিদ্যুৎ পরিবহন ঠিকভাবে না হওয়ায় অতিরিক্ত উত্তাপ সৃষ্টি হয়, যা আগুন ধরানোর ঝুঁকি বাড়ায়।

5. বাহ্যিক আঘাত: ফোনের ব্যাটারি যদি নিম্নমানের হয়, তবে ছোট আঘাতেও এটি শর্ট সার্কিট হয়ে বিপদজনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

 

স্মার্টফোন বিস্ফোরণ থেকে বাঁচতে করণীয়:

1. চার্জ করার সময় ফোন ব্যবহার না করা: ফোন যখন চার্জে থাকে, তখন ব্যবহার না করাই উত্তম। গেমিং বা ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের সময় এটি চার্জে রাখা উচিত নয়।

2. আসল বা প্রত্যয়নকৃত সরঞ্জাম ব্যবহার করা: ফোনের ব্যাটারি, চার্জার এবং কেবল সবসময় মূল বা সার্টিফাইড ব্যবহার করা উচিত।

3. অতিরিক্ত চার্জ থেকে বিরত থাকা: ফোন পূর্ণ চার্জ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে চার্জার আনপ্লাগ করা উচিত। রাতে ফোন চার্জে রেখে ঘুমানো উচিত নয়।

4. উত্তপ্ত বা আর্দ্র পরিবেশ থেকে ফোন দূরে রাখা: ফোনকে কখনোই গরম গাড়ির মধ্যে বা সরাসরি সূর্যের আলোতে রেখে ব্যবহার করা উচিত নয়।

5. ফোনের ব্যাটারি খারাপ হলে তা বদলে ফেলা: যদি ব্যাটারি ফুলে গিয়ে আকার পরিবর্তন করে, তবে তা দ্রুত বদলে ফেলা উচিত।

6. রুটিনভাবে ফোন রিস্টার্ট করা: ফোনের সফ্টওয়্যার আপডেট করার পর রিস্টার্ট করা উচিত, যা ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়াতে সাহায্য করবে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



এআই টুলস: কাজের গতি ও সৃজনশীলতা বাড়ানোর সহজ উপায়

আজকের বিশ্বে অফিসের কাজের চাপের মধ্যে থাকতে গেলে সবকিছু সময়মতো সম্পন্ন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে, প্রযুক্তির সাহায্যে এখন এই চাপ অনেকটাই কমিয়ে ফেলা সম্ভব। বিশেষত, এআই টুলগুলো এমন একধরণের সহকারী, যা আপনার প্রতিদিনের কাজকে আরও সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর করে তুলতে সাহায্য করবে। চলুন জেনে নেয়া যাক, এমন ১০টি এআই টুল, যা আপনার অফিসের কাজের গতিকে দ্রুত এবং সৃজনশীল করে তুলতে পারে।

১. গ্রামারলি (Grammarly): ভাষাগত ভুল হবেনা আর!
ইমেইল, রিপোর্ট বা প্রেজেন্টেশন লিখতে গিয়ে কখনোই মনে হয় না, ‘এটি ঠিকভাবে লিখেছি তো?’ গ্রামারলি ঠিক সেই সময়েই আপনার সহকারী হয়ে উঠবে। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বানান এবং ব্যাকরণ সংশোধন করতে সাহায্য করবে এবং এমনকি লেখার ধরনও উন্নত করবে।

২. ট্রেলো-বাটলার: কাজের সঙ্গী
একাধিক প্রজেক্টের কাজ একসঙ্গে করতে গিয়ে সমস্যা? ট্রেলো এবং বাটলার আপনার কাজের প্রগ্রেস ম্যানেজমেন্টে সাহায্য করবে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজগুলো সাজিয়ে দিবে এবং শিডিউল তৈরি করে রিমাইন্ডার পাঠাবে।

৩. ওটার এআই (Otter.ai): মিটিংয়ের নোট নেওয়া সহজ
মিটিংয়ের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট একত্রিত করার কাজ আর হবে না। ওটার এআই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিটিংয়ের কথোপকথন রেকর্ড করে টেক্সটে রূপান্তর করে, ফলে আপনাকে আর নোট নিতে হবে না।

৪. জেপিয়ার (Zapier): অ্যাপের মধ্যে সংযোগ
জেপিয়ার একটি সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন অ্যাপকে একত্রিত করে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ সম্পন্ন করে। যেমন, গুগল শিটে ফর্ম ডাটা আপডেট করা বা ইমেইল পাঠানো খুব সহজ হয়ে যাবে।

৫. নোশন এআই (Notion AI): আইডিয়া জেনারেটর
নতুন প্রজেক্টের জন্য যদি আইডিয়া তৈরির চিন্তা থাকে, তবে নোশন এআই সেই কাজটি করবে। এটি আইডিয়া তৈরি করতে, কাজের স্ট্রাকচার সাজাতে এবং টাস্ক ম্যানেজ করতে সাহায্য করবে।

৬. ক্যানভা এআই (Canva AI): ডিজাইন তৈরি
গ্রাফিক ডিজাইনের অভিজ্ঞতা না থাকলেও ক্যানভা এআই এর মাধ্যমে আপনি পেশাদার মানের ডিজাইন তৈরি করতে পারবেন। এটি আপনাকে ডিজাইন তৈরি করতে সাহায্য করবে যেমন পোস্টার, প্রেজেন্টেশন স্লাইড ইত্যাদি।

৭. ক্লকিফাই (Clockify): সময় ব্যবস্থাপনা
ক্লকিফাই একটি সময় ট্র্যাকার যা আপনার প্রতিদিনের কাজের সময় বিশ্লেষণ করে আপনাকে জানাবে কোথায় বেশি সময় নষ্ট হচ্ছে এবং কখন কাজ শেষ করতে হবে।

৮. স্ক্রাইব (Scribe): নির্দেশিকা তৈরি
নতুন সহকর্মীদের জন্য কাজের ধাপগুলো শেখানোর জন্য স্ক্রাইব ব্যবহৃত হয়। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার কাজের প্রতিটি পদক্ষেপ রেকর্ড করে এবং একটি নির্দিষ্ট গাইড তৈরি করে।

৯. চ্যাটজিপিটি (ChatGPT): আপনার সব প্রশ্নের উত্তর
যেকোনো প্রশ্নের উত্তর আপনি সহজেই চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে পেতে পারেন। এটি ইমেইল লিখতে, রিপোর্ট তৈরি করতে বা প্রেজেন্টেশন তৈরিতে সহায়তা করবে।

১০. মাইক্রোসফট কো-পাইলট (Microsoft Copilot): অফিস সহকারী
মাইক্রোসফট কো-পাইলট, অফিস ৩৬৫-এর একটি সহকারী টুল যা এক্সেল, ওয়ার্ড এবং পাওয়ার পয়েন্টে কাজকে দ্রুততর করে তোলে।

এআই প্রযুক্তি কেবল একটি ট্রেন্ড নয়, বরং এটি আমাদের কাজের ধরনকে পরিবর্তন করছে। উপরের টুলগুলো আপনার কাজকে আরও দ্রুত, সৃজনশীল এবং মজাদার করে তুলতে সাহায্য করবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ‘জ্যাজ সিটি’ সিরিজে অভিনয়ে আরিফিন শুভ, শুটিং শুরু কলকাতায়

কলকাতার জনপ্রিয় নির্মাতা সৌমিক সেন মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নতুন ওয়েব সিরিজ ‘জ্যাজ সিটি’ নিয়ে হাজির হচ্ছেন। এই সিরিজের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন ঢালিউডের সুপারস্টার আরিফিন শুভ। গতকাল শুক্রবার সিরিজটির শুটিংয়ে যোগ দিতে কলকাতায় পৌঁছান শুভ এবং আজ শনিবার থেকে শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। তার বিপরীতে অভিনয় করছেন টলিউডের অভিনেত্রী সৌরসেনী মিত্র।

সিরিজটির শুটিং চলবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। বিশেষত বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হলেও, এর শুটিং বাংলাদেশে করা হবে না। শুটিং হবে শুধুমাত্র ভারতের বিভিন্ন লোকেশনে। সিরিজটিতে শুভ-সৌরসেনী ছাড়াও টলিউড ও বলিউডের বেশ কিছু খ্যাতনামা শিল্পী যুক্ত হয়েছেন।

‘জ্যাজ সিটি’ নির্মিত হচ্ছে সনি লিভ ওয়েব প্ল্যাটফর্মের জন্য। সিরিজটিতে ইংরেজি-সহ বিভিন্ন ভাষার গান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা দর্শকদের জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করবে।

এর আগে সৌমিক সেনের লেখা চিত্রনাট্যে নির্মিত ‘জুবিলি’ সিরিজ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। বিক্রম মোতওয়ানের পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, অদিতি রাও হায়দারি, অপারশক্তি খুরানা, রাম কাপুর প্রমুখ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



জিল্যান্ডিয়া মহাদেশের মানচিত্র প্রকাশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বিজ্ঞানীরা অষ্টম মহাদেশ হিসেবে ‘জিল্যান্ডিয়া’ আবিষ্কার নিয়ে কাজ করছেন অনেক দিন ধরেই। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর লুকানো এই অষ্টম মহাদেশ জিল্যান্ডিয়ার সম্পূর্ণ ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র উন্মোচন করেছেন। সমুদ্রতলের নমুনা বিশ্লেষণে একটি বিশাল আগ্নেয়গিরির অঞ্চল প্রকাশ করা হয়েছে। এই অঞ্চল গন্ডোয়ানা সুপারমহাদেশ গঠন ও চার হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ গ্রানাইট কাঠামোর বিচ্ছেদে অবদান রেখেছিল। নতুন ফলাফলে জিল্যান্ডিয়ার গতিশীল ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।

১৯৯৫ সালে প্রথম জিল্যান্ডিয়া মহাদেশের ধারণা প্রকাশ করা হয়। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের জিওলজিক্যাল ও নিউক্লিয়ার সায়েন্স ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা পুরোনো এই মহাদেশের অস্তিত্ব নিশ্চিত করেন। মাউরি ভাষায় এই মহাদেশের নাম রাখা হয়েছে তে রিউ-অ্যা-মাউই। তখন জিল্যান্ডিয়া পৃথিবীর লুকানো অষ্টম মহাদেশ হিসেবে ঘোষণা করেন তাঁরা। বৈচিত্র্যময় ভূত্বক ও বিশাল আকারের এই হারানো মহাদেশ অস্ট্রেলিয়া থেকে ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন। প্রশান্ত মহাসাগরের নিউ ক্যালেডোনিয়ার কাছে সমুদ্রতলের পাথরের নমুনা সংগ্রহ করার জন্য ২০১৭ সালে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তখনই এই মহাদেশের অস্তিত্ব খুঁজে পান বিজ্ঞানীরা।

২০২৩ সালে নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। গন্ডোয়ানা মহাদেশের বিভক্তির পেছনে বিশাল এক আগ্নেয়গিরি অঞ্চলের আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানীরা। জিল্যান্ডিয়া প্রায় ৪৯ লাখ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত ও দৈর্ঘ্যে ৪ হাজার ৩০০ কিলোমিটার প্রসারিত। জিল্যান্ডিয়ার ৯৫ শতাংশ এলাকা পানির নিচে রয়েছে। ১০ থেকে ৬ কোটি বছর আগে গন্ডোয়ানা থেকে জিল্যান্ডিয়া বিচ্ছিন্ন হয়।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া




গুলিস্তানে আ.লীগের বিচারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গণজমায়েত

বরিশাল অফিস: আওয়ামী লীগকে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে উল্লেখ করে তাদের বিচারের দাবিতে গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে গণজমায়েতের ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ মঞ্চের পক্ষ থেকে আয়োজিত এ জমায়েতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামীকাল দুপুর ১২টায়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ শনিবার এক ফেসবুক পোস্টে জানান, “স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে গণজমায়েত, স্থান: গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট, সময়: দুপুর ১২টা।”

এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে “ফ্যাসিবাদী দল” হিসেবে আখ্যা দেন এবং আওয়ামী লীগের যেকোনো কর্মসূচি দমনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় থাকবে বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদী এই দলকে বাংলাদেশে কোন প্রতিবাদ বা সমাবেশের সুযোগ নেই, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের শক্তভাবে প্রতিহত করবে।”

উল্লেখ্য, আগামীকাল (১০ নভেম্বর) শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগও গণতন্ত্রের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে।

“মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”