বিএনপির জাতীয় ঐক্যের দাবির সঙ্গে একমত জামায়াত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির ব্যাপারে বিএনপির দাবির সঙ্গে তারা একমত। গত ২৮ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার, দলের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “বৈঠকে আমরা দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি এবং একমত হয়েছি যে, দেশের সকল মানুষকে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। যারা দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে এবং ধর্ম, বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে সকলের একমত হওয়া প্রয়োজন। এ জন্য আমরা দেশবাসীকে আহ্বান জানাই।”

তিনি আরও জানান, জাতীয় ঐক্য গঠন নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে, নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়নি। “আমরা আগে যে দাবি জানিয়েছি, তা হলো কিছু নির্দিষ্ট সংস্কারের পর দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের দাবি,” বলেন ডা. শফিকুর রহমান।

বিভিন্ন মহল থেকে ইসকন নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে, এ বিষয়ে জামায়াতের অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, “শুধু ইসকন নয়, যারা দেশের জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে, তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করেছি দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে। এ আলোচনা হয়েছে কিভাবে দেশে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে নির্বাচন দিকে এগিয়ে যাওয়া যায়, কীভাবে প্রশাসনে গতি আনা যায় এবং কিভাবে জাতীয় ঐক্য করা যায়।”

ডা. শফিকুর রহমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে বলেন, “বর্তমানে জিনিসপত্রের উচ্চমূল্যে মানুষের কষ্ট হচ্ছে। এটি লাঘব করার জন্য আলোচনা হয়েছে এবং আমরা পরামর্শ করেছি যাতে রমজান মাসে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পিরোজপুরে সড়কের উপরে বাড়ি, চলাচলে দুর্ভোগ

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সড়কের উপর একটি বাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে, যা প্রতিদিনের চলাচলে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ হয়ে উঠছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের রাস্তার উপরে অবস্থিত এই বাড়িটি অজ্ঞাত কারণে স্থান ছাড়ছে না তার মালিক। ফলে এই এলাকার সড়কটি প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, এক ব্যক্তির গোঁড়ামির কারণে এটি যাতায়াতকারীদের জন্য মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

পিরোজপুরের সাথে নেছারাবাদ উপজেলার সড়ক যোগাযোগের একমাত্র পথটি কাউখালী উপজেলা দিয়ে চলে গেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ, এই সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। তবে কাউখালী উপজেলার কচুয়াকাঠী বেইলি ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার মাঝ বরাবর বাড়িটি অবস্থান করায়, রাস্তার অপর পাশ থেকে আসা যানবাহন বা মানুষ হঠাৎ করেই দেখা যায় না। এই কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। অনেকেই দুর্ঘটনায় পঙ্গুত্বের শিকার হচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের উপর এভাবে অবস্থিত বাড়িটি তাদের জন্য বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বাড়িটির অপসারণের দাবি দীর্ঘদিন ধরে উঠছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানিয়েছে, বাড়িটি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে, যার কারণে বাড়িটি সরাতে তারা পারছেন না। তবে, সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা দাবি করছেন, মামলার জটিলতা শেষ হওয়ার পর সড়কের জায়গা থেকে বাড়িটি অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে মাওলানা নুরুল হক, বাড়ির মালিক, জানিয়েছেন যে, আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত, এবং তিনি বাড়ি সরানোর জন্য প্রস্তুত নন। সড়ক ও জনপথ বিভাগ বর্তমানে আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

স্থানীয় অটোচালক লিটন হোসেন বলেন, “রাস্তার প্রায় মাঝখানে এই বাড়িটি থাকার কারণে আমাদের অটো চালাতে খুবই সমস্যা হয়। সামনের অংশ আমরা দেখতে পাই না, যার কারণে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে।” তিনি আরও বলেন, “বাড়িটির কারণে আমরা যে ঝুঁকিতে আছি, তা সমাধান হওয়া দরকার।”

পিরোজপুরের বাস ও ট্রাক চালকরা জানিয়েছেন, বাড়িটির কারণে তাদের চলাচলে অসুবিধা হয়। সামনে কিছু না দেখতে পেয়ে যেকোনো সময় মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।

পিরোজপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, “সব জটিলতার অবসান ঘটিয়ে রাস্তার উপর থেকে বাড়িটি অপসারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

এ বিষয়ে বাড়ির মালিকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও, তিনি কথা বলবেন না বলে জানান।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আইনজীবী হ*ত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে শেখ হাসিনার বিবৃতি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: চট্টগ্রামে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, চট্টগ্রামে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করা হয়েছে, এই হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে খুঁজে বের করে দ্রুত শাস্তি দিতে হবে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। একজন আইনজীবী তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছিল, আর তাকে এভাবে জবাই করে হত্যা করা এক ধরনের জঙ্গিবাদী আচরণ। এই কাজ যারা করেছে তারা সন্ত্রাসী এবং জঙ্গি। তারা যেই হোক না কেন শাস্তি তাদের পেতেই হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূস সরকার যদি এই সন্ত্রাসীদের শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে তাকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। দেশবাসীর প্রতি আমি আহবান জানাচ্ছি,‌ এই ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ান। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি বলেন, বর্তমান ক্ষমতা দখলকারীরা সর্বক্ষেত্রেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে চলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব‍্যমূল‍্য নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ, মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতেও ব্যর্থ। সাধারণ মানুষের ওপরে প্রত‍্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এইসব নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানাই।

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন শীর্ষ নেতাকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, অবিলম্বে তাকে মুক্তি দিতে হবে। চট্টগ্রামে মন্দির পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ইতোপূর্বে মসজিদ, মাজার, গির্জা, মঠ এবং আহমাদিয়া সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি আক্রমণ করে ভাঙচুর ও লুটপাট করে আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সকল সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মী, ছাত্র-জনতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করার পরে চলছে হামলা-মামলা ও গ্রেপ্তারের মাধ‍্যমে হয়রানি। আমি এসব নৈরাজ‍্যবাদী ক্রিয়াকলাপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।




পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ওপর জোর দিতে হবে : তারেক রহমান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “লেখাপড়া করে মেধার ভিত্তিতে যেমন ডাক্তার, প্রকৌশলী বা আর্কিটেক্ট হতে হবে, তেমনি পেশাদার খেলোয়াড় বা শিল্পী তৈরী করতে হবে। কারণ একজন পেশাদার খেলোয়াড় বা শিল্পীও তার পেশার মাধ্যমে পরিবারকে সাহায্য করতে পারেন।”

আজ বৃহস্পতিবার লালমনিরহাটের বড়বাড়ীতে শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪’-এর ফাইনাল ম্যাচে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন। এই ছিল ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’ এর ৬ষ্ঠ আসর।

তারেক রহমান বলেন, “দেশের মানুষ স্বৈরাচার বিদায় করেছে। সামনের দিকে দেশ গড়ার পালা। এ প্রত্যয় নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। এজন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।” তিনি আরো বলেন, “দেশকে নিয়ে এখনও ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”

পেশাদার খেলোয়াড় তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “এর পাশাপাশি ভালো সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং শিল্পী তৈরির কাজ করতে হবে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে জনপ্রিয় খেলাগুলো বাছাই করে আমরা দেশের তরুণ সমাজের মধ্যে থেকে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি করবো। বাইরের দেশের খেলোয়াড়ের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে হবে।” তিনি উদাহরণ হিসেবে শহীদ জিয়ার আমলে শুরু হওয়া ‘নতুন কুড়ি’ অনুষ্ঠানের কথা উল্লেখ করে বলেন, “ওই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভালো সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং শিল্পী বের করে আনা। বাংলাদেশি শিল্পী বেবী নাজনীন ‘নতুন কুড়ি’-এর ফসল।”

তারেক রহমান বলেন, “তেমনিভাবে, আমরা ৮ থেকে ১০টি খেলা বাছাই করে ওইসব খেলার ওপর গুরুত্ব দেব। যিনি যে খেলা ভালো করবেন, তাকে সেই খেলায় পারদর্শী করে তুলতে হবে, যাতে আমাদের খেলোয়াড়রা আন্তর্জাতিক ইভেন্টগুলোতে ভালো ফলাফল আনতে পারে।”

তিনি বলেন, “জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে পারলে আমরা সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাজের পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ওপরও জোর দেব।” তিনি আরও বলেন, “আমরা মেধাবী ডাক্তার, প্রকৌশলী, আর্কিটেক্ট তৈরির পাশাপাশি ভালো রাজনীতিবিদ, ভালো খেলোয়াড় ও শিল্পী তৈরির চেষ্টা করবো।”

তিনি আরো জানান, “যে ব্যক্তি যে বিষয়ে মেধাবী, তার মেধাকে মূল্যায়ন করে সেই বিষয়ে দক্ষ করে তোলা হবে। আমরা সবাই মিলে নতুন বাংলাদেশ তৈরি করবো।”

তিনি শেষ করে বলেন, “যদি আমরা বিভিন্ন খেলায় পেশাদার খেলোয়াড় এবং ভালো সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিল্পী তৈরি করতে পারি, তবে ওইসব ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা হবে।”

উল্লেখ্য, লালমনিরহাটের বড়বাড়ি শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে ১২ নভেম্বর শুরু হওয়া ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’-এ বিএনপি’র রংপুর বিভাগের ১০টি সাংগঠনিক দল অংশগ্রহণ করে। আজ, বৃহস্পতিবার বিকেলে পঞ্চগড় বিএনপি একাদশ ও রংপুর মহানগর বিএনপি একাদশের মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। টাইব্রেকারে ১-০ গোলে পঞ্চগড় জেলা বিএনপি একাদশ বিজয়ী হয়।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




“পিলখানার শহীদ পরিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করবে”

২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের সময় শহীদ হওয়া ৫৭ অফিসারসহ ৭৪ জনের হত্যাকাণ্ডের ‘সঠিক বিচার’ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করতে যাচ্ছে শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) রাজধানীর মহাখালী রাওয়া হলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে শহীদ পরিবারের সদস্যরা জানান, তারা আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাদের অভিযোগ দাখিল করবেন। বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার প্রকৃত দায়ীদের, বিশেষ করে পর্দার আড়ালের ষড়যন্ত্রকারীদের বিচার দাবি করেন তারা।

বিদ্রোহে শহীদ কর্নেল কুদরত ইলাহীর সন্তান অ্যাডভোকেট সাকিব রহমান বলেন, “বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যারা ষড়যন্ত্র করেছেন, তাদের বিচারের আওতায় আনা উচিত।” তিনি অভিযোগ করেন যে, বিগত সরকারের সময়ে বিচার প্রক্রিয়ায় কোনও সঠিক অগ্রগতি হয়নি এবং মামলার পরিস্থিতি শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেয়ার করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, “আমরা আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করব। সেখানে শেখ হাসিনা, শেখ ফজলে নূর তাপস, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজমসহ তৎকালীন সেনা কর্মকর্তা, বিশেষ করে ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হবে।”

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শহীদ পরিবারের সদস্যরা এই দিনটিকে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে গ্যাজেটের মাধ্যমে ঘোষণা করার দাবি জানান। শহীদ কর্নেল মজিবুল হকের স্ত্রী নাহরীন ফেরদৌসী বলেন, “২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হোক এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের জন্য নতুন তদন্ত শুরু করা হোক।”

তিনি আরও বলেন, “৫৭ জন শহীদ সেনাকে অফিসিয়াল গ্যাজেটে শহীদের মর্যাদা দেওয়া, পিলখানা ট্র্যাজেডি স্কুলের পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা এবং আটককৃত নির্দোষ ব্যক্তিদের দ্রুত ন্যায় বিচার দেওয়া উচিত।”

এসময় শহীদ লে. কর্নেল কাজী রবি রহমানের স্ত্রী ডা. ফৌজিয়া রশিদ, শহীদ কর্নেল এরশাদের ভাই ডা. মামুন, শহীদ কেন্দ্রীয় সুবেদার মেজর নুরুল ইসলামের ছেলে আশরাফুল আলম হান্নান, শহীদ কর্নেল কুদরত এলাহী সহ অন্যান্য শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 




বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে ফাঁদ পেতেছে ভারত: জামায়াত সেক্রেটারি

বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ভারত একটি ফাঁদ পেতেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তবে তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “আমরা সেই ফাঁদে পা দিব না।”

তিনি আরও বলেন, “ইসকন যতই উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড করুক না কেন, আমাদের উত্তম সবরের মাধ্যমে তার জবাব দিতে হবে।” এই মন্তব্য তিনি চট্টগ্রামে ইসকন সদস্যদের হামলায় নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের কবর জিয়ারত শেষে ২৮ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার বিকেলে করেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “আমরা দোয়া করি, বাংলাদেশের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া এবং দক্ষিণ অঞ্চল হবে ইসলামের ঘাঁটি।” তিনি অভিযোগ করেন, “ইসকন নামক উগ্র জঙ্গিবাদী গোষ্ঠী সন্ত্রাসের আগুন জ্বালাতে চেষ্টা করছে।” তবে জামায়াতের আমিরের নির্দেশনা অনুযায়ী, তারা উত্তম ধৈর্য ধারণ করে এবং সংযতভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করবে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় এ নেতা আরও বলেন, “ইসলামী আন্দোলনের বিজয়ের বিপুল সম্ভাবনা দেখে আমাদের আটকানোর জন্য ভারতসহ কিছু শক্তি ফাঁদ পাতছে। আমরা কখনোই এই ফাঁদে পা দেব না।” তিনি নিশ্চিত করেন যে, ধৈর্যের সাথে তারা আল্লাহর দ্বীনের সৌন্দর্য রক্ষা করবেন এবং নিজেদের কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করবেন।

তিনি জামায়াত নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমরা যা কিছু পেয়ে থাকি, তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। তবে আমাদের উদ্দেশ্য কখনোই উগ্রবাদীদের ফাঁদে পা দেওয়া নয়। সময়ের কষ্ট সহ্য করেই আমাদের কাজ করতে হবে।”

এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির শাহজাহান চৌধুরী, নায়েবে আমীর নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক জাফর সাদেক, মাওলানা বদরুল হক, অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কালামসহ স্থানীয় জামায়াত ও ছাত্রশিবির নেতারা।


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পদত্যাগের দাবিতে উপাচার্য কার্যালয়ে তালা, তীব্র আন্দোলনের হুমকি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনের পদত্যাগের দাবিতে বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটায় উপাচার্যের কার্যালয়ে তালা দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন। শিক্ষার্থীরা উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনের নামফলক তুলে দিয়ে কার্যালয়টি তালাবদ্ধ করে দেন এবং দুইটি কাচের গেট বন্ধ করে দেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, গতকাল (বুধবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি পদত্যাগ করেননি। এই কারণে তারা আন্দোলনকে আরও তীব্র করতে উপাচার্যের কার্যালয় তালাবদ্ধ করেছেন। তারা ঘোষণা করেছেন, উপাচার্য পদত্যাগ না করলে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সংগঠনের মাধ্যমে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

আগের দিনই, মঙ্গলবার রাতে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন উপাচার্য অধ্যাপক শুচিতা শরমিন। তিনি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেননি।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মো. মোকাব্বেল শেখ বলেন, “বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আল্টিমেটামে উপাচার্যের পদত্যাগের সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি পদত্যাগ না করায় আমরা তার কার্যালয় তালাবদ্ধ করেছি। পরবর্তী সময়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সংগঠনের মাধ্যমে আমরা আরও শক্তিশালী আন্দোলন করব।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব আহমেদ বলেন, “আল্টিমেটামে দেওয়া সময়ের মধ্যে উপাচার্য পদত্যাগ না করায় আমরা তার কার্যালয়ে তালা লাগিয়েছি। যদি তিনি দ্রুত পদত্যাগ না করেন, তবে আমরা ভিসির বাংলো ঘেরাও করবো।”

ছাত্রদলের ববি শাখার সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ বলেন, “এই উপাচার্য আওয়ামী দোসরদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করছেন। তিনি বিতর্কিত ব্যক্তিদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিয়েছেন, যা শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করেছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছি এবং আজকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে তার কার্যালয়ে তালা দিয়েছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এটিএম রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, “শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে উপাচার্যের কার্যালয়ে তালা দিয়েছেন। আমরা বিষয়টি অবগত আছি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনের সাথে এই বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বাউফলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন স্মরণে অনুষ্ঠান

পটুয়াখালীর বাউফলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের স্মরণে স্মরণসভা এবং জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বাউফল সরকারি কলেজের ২০১ নম্বর কক্ষে কলেজ কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এই অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আন্দোলনে শহীদ বাউফল উপজেলার ৬ জনসহ সকল শহীদ ও আহতদের স্মরণে কোরআন তেলাওয়াত এবং দোয়া করা হয়। এতে অংশ নেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অন্যান্য অতিথিরা।

স্মরণসভায় বক্তব্য দেন কলেজের শিক্ষার্থীরা এবং শিক্ষকমণ্ডলী। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাউফল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বশার তালুকদার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “আমাদের তরুণ প্রজন্ম বৈষম্যের শৃঙ্খল ভেঙে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংগ্রাম করেছিল। এই আন্দোলন এক মাসের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত বিজয় এনে দেয়। আমাদের সবার উচিত এই প্রেরণাকে ধারণ করে নিজেদের অবস্থান থেকে দেশ গড়ার দায়িত্ব পালন করা।”

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন, এবং আন্দোলনের পেছনের কারণ, এর সূচনা এবং বিজয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। শিক্ষার্থীরা নিজেদের পরিবেশনার মাধ্যমে আন্দোলনের তাৎপর্য ও ইতিহাস তুলে ধরে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ইসরাইলের বিরুদ্ধে জয় ঘোষণা হিজবুল্লাহর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: লেবাননে ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি মেনে নেয়াকে বিজয় অর্জন বলে মন্তব্য করেছে হিজবুল্লাহ।

বুধবার হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর সংগঠনটি প্রথম বিবৃতিতে এ মন্তব্য করে।

হিজবুল্লাহ বলছে, তারা ইসরাইলের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছে এবং তাদের যোদ্ধারা প্রস্তুত রয়েছে।

ইরান-সমর্থিত সংগঠনটি আরো বলেছে, ‘ন্যায়নিষ্ঠতার কারণে সর্বশক্তিমান আল্লা’র কাছ থেকে আমাদের বিজয় এসেছে।’

সরাসরি যুদ্ধবিরতির শর্তাবলীর উল্লেখ না করে বিবৃতিতে আরো বলা হয়, হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা ইসরাইলি শত্রুর উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং তার আক্রমণের মোকাবেলা করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে।

ইসরাইল ২৩ সেপ্টেম্বর লেবাননে হিজবুল্লাহর শক্ত ঘাঁটি লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালায়। গাজা যুদ্ধের জন্য এক বছরেরও বেশি সময় ধরে হিজবুল্লার সাথে আন্তঃসীমান্ত গুলি বিনিময়ের পর স্থল অভিযান চালায় ইসরাইল।

দীর্ঘদিনের নেতা হাসান নাসরুল্লাহ এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হত্যাসহ সংঘর্ষের সময় ইসরাইল হিজবুল্লাহকে প্রচণ্ড আঘাত করে।

হিজবুল্লাহর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী তাদের কোনো শহর দখল ও স্থাপন করার প্রচেষ্টা, হিজবুল্লাহর আন্তঃসীমান্ত আক্রমণ ঠেকাতে বা শত্রুদের আশা অনুযায়ী একটি সামরিক ও নিরাপত্তা বাফার জোন প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এতে বলা হয়, হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা আগ্রাসনের শেষ দিন পর্যন্ত ইসরাইলকে লক্ষ্যবস্তু করে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় হিজবুল্লাহকে ইসরাইল-সংলগ্ন সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার (২০ মাইল) দূরে লিটানি নদীর উত্তরে ফিরে যেতে এবং দক্ষিণ লেবাননে এর সামরিক অবকাঠামো ভেঙে ফেলতে হবে।
সূত্র : বাসস




পটুয়াখালীতে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

পটুয়াখালীর গলাচিপায় ট্রাক-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মো. তারিকুল তুহিন (৩২) নামের এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে গলাচিপা-পটুয়াখালী সড়কের তালতলা মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তুহিন মোটরসাইকেলে করে সুহরী ব্রিজ বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা রডবোঝাই ট্রাক (খুলনা মেট্রো-ট ১১-২১৪৮) তার মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

তুহিন গোলখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুর রহিম খানের ছেলে। তিনি গলাচিপা উপজেলা ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী এবং সুহরী ব্রিজ বাজারে ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবসা করতেন।

দুর্ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রাকটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, ট্রাকচালককে আটক করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি স্থানীয় জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম