ওপেনএআইয়ের বিজ্ঞাপন পরিকল্পনা: নতুন আয়ের উৎস হতে পারে এআই প্রযুক্তি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ওপেনএআই, তাদের চ্যাটজিপিটি সহ অন্যান্য পণ্যতে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের চিন্তা-ভাবনা করছে। প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য আগামী বছরের মধ্যে লাভজনক ব্যবসায়ে রূপান্তর ঘটানো, এবং এই উদ্দেশ্যে তারা বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা যুক্ত করতে চায়।

সম্প্রতি ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ওপেনএআইয়ের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) সারাহ ফ্রায়ার জানিয়েছেন, “বিজ্ঞাপন কখন এবং কোথায় প্রয়োগ করা হবে, তা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিজ্ঞাপন যুক্ত করার আগে তা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হবে।”

তাদের বিজ্ঞাপন কার্যক্রমের জন্য ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে, যার মধ্যে গুগলের সাবেক বিজ্ঞাপন বিভাগের প্রধান শিবকুমার ভেঙ্কটারমনও রয়েছেন। সারাহ ফ্রায়ার আরো বলেন, “আমাদের ব্যবসায়িক মডেল দ্রুত বিকশিত হচ্ছে, এবং আমরা এই ক্ষেত্র থেকে বড় সম্ভাবনা দেখছি।”

বর্তমানে, ওপেনএআইয়ের প্রধান আয়ের উৎস হলো এপিআই ফি। বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ডেভেলপাররা ওপেনএআইয়ের তৈরি চ্যাটজিপিটি বা জিপিটি-৪ এর মতো মডেল ব্যবহার করে এপিআই ফি পরিশোধ করে তাদের এআই পণ্য তৈরি করেন। তবে ভবিষ্যতে, ওপেনএআই বিজ্ঞাপন মডেলের মাধ্যমে নতুন আয়ের পথ খুঁজে পেতে পারে, এমনটিও ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

বর্তমানে ওপেনএআইয়ের মধ্যে যে অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা ভবিষ্যতে প্রযুক্তি শিল্পে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ওজন কমানোর ডায়েট প্লান কেন কাজ করছে না?

ওজন কমানোর বিষয়টি প্রায় সবার কাছে পরিচিত, এবং অনেকেই নানা উপায়ে চেষ্টা করছেন—ক্যালরি গণনা, বাড়তি খাবার এড়িয়ে চলা, এবং আরও নানা কৌশল। তবে, এতকিছুর পরেও আপনার ডায়েট প্লান যদি ঠিকভাবে কাজ না করে, তবে আপনি একা নন। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই পড়েন। তাহলে কেন আপনার ডায়েট প্লান সফল হচ্ছে না? চলুন জানি কিছু কারণ:

১. দ্রুত সমাধান পেতে চাওয়া:
আপনি যদি দ্রুত ওজন কমানোর চেষ্টা করেন, তাহলে আপনার খাদ্য পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত নাও হতে পারে। ডায়েটিশিয়ানরা বলছেন, ২-৩ মাসের মধ্যে ১৫-২০ কিলোগ্রাম ওজন কমানোর চেষ্টা করলে তা সম্ভবত সফল হবে না। এ ধরনের দ্রুত ফলাফল অর্জনের চেষ্টা আপনার শরীরের উপর চাপ সৃষ্টি করবে এবং আপনার শরীর দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল দিতে পারবেন না। শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকর ও টেকসই ফলাফল আসতে সময় লাগে।

২. উদ্দেশ্যহীনভাবে চেষ্টা করা:
অনলাইনে নানা ডায়েট প্লান দেখে আপনিও যদি এগুলোর মধ্যে থেকে কোনো একটি অনুসরণ করেন, তবে সফলতা আশা করা কঠিন। যদি আপনার স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকে, তাহলে সাধারণ ডায়েট প্লান আপনার জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে। ডায়েট পরিবর্তন শুরু করার আগে আপনার উদ্দেশ্য পরিষ্কার করা এবং স্বাস্থ্যগত দিক বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।

৩. উপযোগী খাবার বেছে না নেওয়া:
ওজন কমানোর জন্য উপযুক্ত ডায়েট প্লান বেছে নেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকের জীবনযাপন, সময়সূচী এবং শারীরিক পরিস্থিতি ভিন্ন। আপনার ডায়েট প্লান যদি এই বিষয়গুলো বিবেচনায় না নেয়, তাহলে এটি দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হবে না। তাই নিজের জীবনযাপন অনুযায়ী ডায়েট পরিকল্পনা সাজান।

৪. কঠোর ডায়েট অনুসরণ:
অনেকেই মনে করেন, কঠোর ডায়েট অনুসরণ করলে দ্রুত ওজন কমানো যাবে। তবে বাস্তবে এমন পরিকল্পনা সবসময় টেকসই হয় না। উদাহরণস্বরূপ, কেটো ডায়েট—এটি স্বল্পমেয়াদে কার্যকর হলেও দীর্ঘমেয়াদে কঠিন হয়ে পড়ে। মূল বিষয় হলো ভারসাম্য এবং পরিমিত খাবারের গ্রহণ, কঠোরতা নয়।

তাহলে, এই সকল কারণগুলি যদি আপনার ডায়েট প্লানকে ব্যাহত করে, তবে সময় নিয়ে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমানোর পথে হাঁটুন এবং আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করুন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে বাংলাদেশের যত রেকর্ড

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে হার দিয়ে শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তাই সিরিজ বাঁচাতে টাইগারদের সামনে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না। জ্যামাইকায় কিংস্টনে পেসারদের দাপট আর তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণিতে ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে মেহেদি হাসান মিরাজের দল।

ক্যারিবিয়ানদের ১০১ রানে হারিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তাতে ১-১ সমতায় সিরিজ শেষ করল বাংলাদেশ। এই জয়ে ১৫ বছর পর ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে জয় পেলো বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট জিতেছিল টাইগাররা।

প্রথম ইনিংসে ২০০ বা তার চেয়ে কম রানে অলআউট হয়েও এই প্রথম টেস্ট জিতল বাংলাদেশ। এর আগে ২০১৬ সালে মিরপুরে প্রথম ইনিংসে ২২০ রানে অলআউট হয়েও শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডকে ১০৮ রানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় পেসার হিসেবে টেস্টে সিরিজসেরা হলেন তাসকিন আহমেদ। প্রথমজন রবিউল ইসলাম ২০১৩ সালে জিম্বাবুয়েতে। দুজনের কেউই একবারও ম্যান অব দ্য ম্যাচ হননি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে বাংলাদেশের মোট টেস্ট জয়ের সংখ্যা তিন। যা দেশের বাইরে কোনো জায়গায় সর্বোচ্চ। পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়েতে বাংলাদেশ টেস্ট জিতেছে দুটি করে।




মিলেছে ‘হারিছ চৌধুরীর’ ডিএনএ, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের নির্দেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বিএনপি নেতা আবুল হারিছ চৌধুরীর পরিচয় নির্ধারণে কবর থেকে মরদেহ তুলে ডিএনএ টেস্ট করা হয়। টেস্টে তার ডিএনএ পরিবারের সঙ্গে মিলেছে। এখন পরিবারের পছন্দমতো কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে হারিছ চৌধুরীর মরদেহ দাফন করতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের পর বুধবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসাফের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহদীন চৌধুরী।

পরে আইনজীবী মাহদীন চৌধুরী বলেন, ছদ্মবেশে থাকা সেই মাহমুদুর রহমানই হারিছ চৌধুরী। ডিএনএ টেস্টে তা প্রমাণিত হয়েছে। হারিছ চৌধুরীর মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে সিলেটের কানাইঘাটে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এর আগে, ৫ সেপ্টেম্বর তার মেয়ে ব্যারিস্টার সামিরা তানজিনের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ হারিছ চৌধুরীর পরিচয় নির্ধারণে কবর থেকে মরদেহ তুলে ডিএনএ টেস্ট করার নির্দেশ দেন।

২০২১ সালে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব ও বিএনপির সাবেক নেতা হারিছ চৌধুরীকে ‘মাহমুদুর রহমান’ পরিচয়ে ঢাকার সাভারের জালালাবাদ এলাকায় একটি মাদ্রাসার কবরস্থানে দাফন করা হয়।

হারিছ চৌধুরীর মেয়ে জানান, সদ্য বিদায়ী স্বৈরাচার সরকারের গোয়েন্দা বিভাগ একটা নাটক রচনা করে বাবার মৃত্যুকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। মিডিয়া একটার পর একটা রিপোর্ট করেছে, হারিছ চৌধুরীর মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। এটা নিয়ে যেন কখনো প্রশ্ন না উঠে সেটা ডিটারমিন করার জন্য এ রিট করেছি। আমার বাবার মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ থাকবে সন্তান হিসেবে এটা খুব মর্মান্তিক, কষ্টদায়ক। এখনো মানুষ জিজ্ঞেস করে সত্যিই কি মারা গেছেন? আমাদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাই এটা শেষ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। আদালত নিরাশ করেননি।

সাভারের জামিয়া খাতামুন নাবিয়্যিন মাদ্রাসার কবরস্থানে মাহমুদুর রহমান নামে কবর দেওয়া আবুল হারিছ চৌধুরীর পরিচয় নির্ধারণে ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর তার নামে কেন ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করা হবে না, তার নামে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ কেন প্রত্যাহার করা হবে না, একইসঙ্গে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী নিজ জেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধার যথাযথ সম্মান দিয়ে কেন কবরস্থ করা হবে না এই মর্মে রুল জারি করা হয়।

স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, রেজিস্ট্রার জেনারেল (জন্ম ও মৃত্যু), সিআইডির পরিচালক, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার ও সাভার মডেল থানার ওসিকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

২০০৭ সালে দেশে জরুরি অবস্থা জারির পর হারিছ চৌধুরী সস্ত্রীক তার গ্রামের বাড়ি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার দর্পনগরে যান। রাত ১২টার পর তার ব্যক্তিগত সহকারী আতিক মোবাইল ফোনে জানান, ঢাকায় বিএনপি নেতাদের বাসভবনে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে। কয়েক ঘণ্টা পর যৌথ বাহিনী হারিছের বাড়িতে হানা দেয়। কিন্তু তার আগেই তিনি সটকে পড়েন। কিছুদিন সিলেটে লুকিয়ে থাকার পর ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারতে চলে যান। ভারতের আসামের করিমগঞ্জ জেলার বদরপুরে তার নানাবাড়ি। সেখানেই তিনি ওঠেন। সেখান থেকে বিদেশে যাতায়াত করতেন।




দুমকীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

দুমকী উপজেলায় আগামী ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন মাহমুদ। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মীর শহিদুল হাসান শাহীন, সদ্য যোগদানকৃত দুমকী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল আলম মৃধা এবং সরকারি জনতা কলেজের অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলাম।

আলোচনা সভায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নের জন্য পৃথক উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




এসপি বাবুল আক্তারের জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। এর ফলে তার কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে রোববার (১ ডিসেম্বর) বাবুল আক্তারের জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন মিতুর বাবা।

তারও আগে ২৭ নভেম্বর স্ত্রী মাহমুদা খানম (মিতু) হত্যা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি আলী রেজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ঐদিন আদালতে বাবুলের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

সেদিন শিশির মনির বলেন, স্ত্রী হত্যা মামলায় জামিন পাওয়ায় বাবুল আক্তারের মুক্তিতে বাধা নেই। বাবুল আক্তার তিন বছর সাত মাস ধরে কারাগারে আছেন, এই বিবেচনায় আদালত তাকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন। একইসঙ্গে কেন তাকে স্থায়ী জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।




পটুয়াখালীর আছিয়ার জীবন রক্ষায় সাহায্যের আবেদন

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নের ২০ মাস বয়সী ফুটফুটে শিশু আছিয়া চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর পথে এগিয়ে যাচ্ছে। জন্মগতভাবে হৃদযন্ত্রে দুটি ছিদ্র থাকার কারণে আছিয়া প্রায় সাত মাস আগে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে তার এই অবস্থা ধরা পড়ে। যথাযথ চিকিৎসার অভাবে ইতোমধ্যে তার হার্টের ভাল্ব এবং নিউরো সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, যার কারণে দ্রুত অপারেশন প্রয়োজন।

আছিয়ার বাবা ফয়জুল ইসলাম খুলনার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রহরীর চাকরি করেন। তার স্বল্প আয়ে তিন সদস্যের সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হয়। তাই মেয়ের চিকিৎসা করানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

আছিয়ার বাবা জানান, “আমার মেয়ের হার্টে দুটি ছিদ্র রয়েছে, যা বাউফল এলাকার কোনো ডাক্তার ধরতে পারেননি। দিনের পর দিন জ্বর, ঠান্ডা, কাশি লেগে থাকতো। পরে বাউফলের সৌরভ ডাক্তার রাজধানীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য পরামর্শ দেন। আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে পরীক্ষার পর চিকিৎসক প্রফেসর রাজ্জাক জানায়, হার্টে দুটি ছিদ্র রয়েছে এবং অপারেশন করতে হবে। তবে খরচের কারণে আমরা পরবর্তী সময়ে চিকিৎসা করাতে পারিনি।”

চিকিৎসক প্রফেসর রাজ্জাক জানান, “আছিয়ার অপারেশন দ্রুত করা প্রয়োজন। অপারেশন হলে সে সুস্থ হয়ে উঠবে।”

এদিকে, আছিয়ার চিকিৎসার জন্য প্রাথমিকভাবে দুই লাখ টাকার প্রয়োজন, যা আছিয়ার বাবার পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। তাই আছিয়ার বাবা সমাজের বিত্তবান এবং সামর্থ্যবানদের সাহায্য কামনা করেছেন।

শিশু আছিয়ার চিকিৎসার জন্য সাহায্য করতে চাইলে ফয়জুল ইসলামের নগদ অ্যাকাউন্ট নম্বর হলো ০১৭৭১৩৯৩৭৭৩।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গাজায় স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করছে ইসরায়েল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: গাজায় স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে ইসরায়েল। স্যাটেলাইট চিত্র এবং ভিডিও বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস।

নিউ ইয়র্ক টাইমস তাদের ওই প্রতিবেদনে জানিয়েছে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ৬শ ভবন ধ্বংস করে একটি বাফার জোন তৈরি করছে ইসরায়েলি বাহিনী।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের সূত্রে তুর্কি সংবাদমাধ্যম টিআরটি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী অঞ্চলটিতে কমপক্ষে ১৯টি বড় ঘাঁটি স্থাপন করেছে, পাশাপাশি বহু ছোট প্রতিরক্ষা স্থাপনাও রয়েছে।

যার মধ্যে যোগাযোগ টাওয়ারও রয়েছে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয় গাজা অঞ্চলকে বিভক্ত করে ইসরায়েল ৪ মাইল দীর্ঘ নেটজারিম করিডর তৈরি করছে যা শত শত ফিলিস্তিনিদের গাজার উত্তর দিকে ফিরে যাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে, পেন্টাগনের মুখপাত্র প্যাট রাইডার বলেছেন, তিনি এই প্রতিবেদনটি দেখেছেন তবে এর তথ্য গুলোর বিষয়ে নিশ্চিত নন।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি প্রথমত, গাজার যুদ্ধবিরতি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হওয়া উচিত এবং সেখানে মানবিক সহায়তার প্রবাহ বৃদ্ধি করতে হবে।

আমরা এটাও চাই না যুদ্ধবিরতির পর এবং হুমকি না থাকলে ইসরায়েল গাজা দখল করে থাকুক। যুক্তরাষ্ট্র এই বিষয়ে ইসরায়েলের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যুদ্ধবিরতি, বন্দি মুক্তি এবং এই ভয়াবহ সংঘাতের অবসান।




বাউফলের পশ্চিম কাছিপাড়া-গোপালিয়া সেতু মরণফাঁদে পরিণত

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম কাছিপাড়া-গোপালিয়া বাজার সংলগ্ন সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে চরম বেহাল অবস্থায় রয়েছে। সংস্কারের অভাবে এটি এখন স্থানীয়দের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে।

স্থানীয়রা জানান, ২৫-৩০ বছর আগে বাউফলের প্রকৌশল অধিদপ্তর এই সেতুটি নির্মাণ করেছিল। এরপর আর কোনো সংস্কার হয়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর মাঝখানের ঢালাই ভেঙে রেলিং বের হয়ে গেছে। কিছু অংশে রেলিং সম্পূর্ণ নেই। সেতুর নিচের পাইলিং মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে পড়েছে। সেতুটি এতটাই নড়বড়ে যে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

সেতুটি পশ্চিম কাছিপাড়া, গোপালিয়া বাজার, উত্তর ও দক্ষিণ পাকডাল, মান্দারবন এবং কারখানা গ্রামের মানুষের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। বিশেষ করে বর্ষার মৌসুমে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে।

সেতুটি দিয়ে কাছিপাড়া ডিগ্রি কলেজ, ১১নং পশ্চিম কাছিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঐতিহাসিক মৃধা বাড়ি জামে মসজিদ, পশ্চিম কাছিপাড়া দাখিল মাদ্রাসা এবং আরও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত হয়। এটি স্থানীয় অর্থনীতিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিরা সেতুটি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। পটুয়াখালী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ লতিফ হোসেন জানান, “সেতুটি শীঘ্রই পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সেতুটির সংস্কার না হলে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন তারা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বরিশালে মুজিবিয়ান বাংলাদেশ: গোয়েন্দাদের নজরদারিতে ৮৭ নেতাকর্মী

বরিশাল জেলার গোয়েন্দা সংস্থা সম্প্রতি ‘মুজিবিয়ান বাংলাদেশ’ নামে একটি সংগঠনের ৮৭ নেতাকর্মীকে খুঁজছে। জানা গেছে, এই ৮৭ জনকে বিভিন্ন পদে রেখে সংগঠনটির জেলা ও মহানগর কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে, এই ৮৭ জনের মধ্যে বেশিরভাগ অপরিচিত হলেও কিছু চিহ্নিত নেতাকর্মী হলেন ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য। তবে, পরিচিতি কম হওয়ায় এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়নি। গোয়েন্দা সংস্থাগুলি বর্তমানে তাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং যাচাই-বাছাই করছে।

‘মুজিবিয়ান বাংলাদেশ’ এর বরিশাল জেলা কমিটি ৯ সেপ্টেম্বর অনুমোদন পেয়েছে। কেন্দ্রীয় সভাপতি আবু হুরায়রা মুহাম্মদ মারুফ এবং সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব উদ্দিন ইমরান এই অনুমোদন দিয়েছেন। অনুমোদনের প্যাডে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ধাঁচে লেখা রয়েছে ‘ত্যাগ-সেবা-ঐক্য’ এবং ‘জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু’। প্যাডে ওয়েব পেজের ঠিকানা এবং বরিশাল জেলা কার্যালয়ের নামও দেওয়া আছে, যা আগে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। বর্তমানে এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

ফেসবুক পেজে বরিশাল মহানগর কমিটির ১১ সদস্যের তালিকা পাওয়া যায়, তবে জেলা কমিটির তালিকা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। বরিশাল জেলা কমিটিতে ৬৬ জন নেতাকর্মীর নাম পাওয়া গেছে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই অপরিচিত। নতুন জেলা কমিটির সভাপতি মো. মেহেদী হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. রাকিবুল ইসলাম। মহানগর কমিটিতে ২১ সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, যার মধ্যে ৭ জনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য, বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মোস্তাফিজুর রহমান অনিক এবং মাজাহারুল ইসলাম শোভন মহানগর কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এটি আসলে আওয়ামী লীগের মাঠে নতুন সাংগঠনিক শক্তি সৃষ্টি করার একটি পরিকল্পনা। এই কমিটিতে যোগ দেওয়া নেতাদের মধ্যে বেশিরভাগই আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য হলেও তাদের পরিচিতি কম। গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তাদের ব্যাপারে কঠোর নজরদারি রাখছে, কারণ এই নেতাদের বেশিরভাগের বিরুদ্ধে ৫ আগস্টের পর কোনো মামলা হয়নি। তাদের পরিচয় এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত না হলেও শিগগিরই সব তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত ৮৭ জন নেতাকর্মীর মধ্যে ৯ জনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে, তবে তাদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে যোগাযোগ করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম