অ্যাপল ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন টিম কুক

মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক প্রতিষ্ঠানটি থেকে অবসর নেওয়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি তার ব্যক্তিগত অনুভূতির ওপর নির্ভর করবে। এখনই এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা তার নেই।

টিম কুক বলেন, “আমি অ্যাপল ভালোবাসি। এখানে কাজ করা আমার জীবনের সৌভাগ্য। যতক্ষণ না আমার ভেতরের কণ্ঠ বলছে যে সময় হয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাব। এরপর হয়তো পরবর্তী অধ্যায়ের দিকে নজর দেব।”

টিম কুক ২০১১ সাল থেকে অ্যাপলের সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে তার যাত্রা শুরু ১৯৯৮ সালে। দীর্ঘ ২৬ বছরের এই পথচলায় তিনি অ্যাপলের চিফ অপারেটিং অফিসারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। সিইও হওয়ার পর অ্যাপলের পণ্য এবং পরিষেবার বৈপ্লবিক উন্নয়ন ঘটিয়ে তিনি প্রযুক্তি জগতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন।

অ্যাপলের স্মৃতিচারণ করে আবেগাপ্লুত কুক বলেন, “অ্যাপল ছাড়া আমার জীবন কেমন হবে তা কল্পনাই করতে পারি না। এখানে কাটানো সময় আমার কাছে অমূল্য।”

অ্যাপলে যোগদানের আগে টিম কুক ১২ বছর আইবিএমে কাজ করেছেন। কিন্তু অ্যাপলের সঙ্গেই তার নাম বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ভারতে বাংলাদেশী দূতাবাসে হামলার প্রতিবাদে বাউফলে বিক্ষোভ মিছিল

ভারতে বাংলাদেশী দূতাবাসে হামলা, মুসলিম হত্যা এবং ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে আজ (৬ ডিসেম্বর) বাউফল উপজেলা ইমাম পরিষদের উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা তাদের অবস্থান তুলে ধরতে শহরের বিভিন্ন সড়কে মিছিল করে এবং পরে প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেয়।

মিছিলটি শহরের গোলবাড়িস্থ শাহি মসজিদের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদের সামনে এসে শেষ হয়। সেখানে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাউফল উপজেলা মসজিদের ইমাম অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ হাবিবুল্লাহ, শাহি মসজিদের ইমাম আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ইমাম নজরুল ইসলাম, এবং বাউফল সরকারি কলেজ জামে মসজিদের ইমাম আলহাজ্ব মাওলানা শাহজাহান প্রমুখ।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, চট্টগ্রামে ইসকনের সদস্যরা আইনজীবী আরিফুর রহমানকে হত্যার পর চট্টগ্রামকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে ভারতের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেছে। তারা এই আগ্রাসনেই থেমে নেই, তারা বাংলাদেশে কথিত হিন্দু নির্যাতনের কথা তুলে ধরে ভারতে বাংলাদেশের দূতাবাসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে এবং জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করেছে।

তারা আরও বলেন, এই সময় মোদি সরকারের পুলিশ বাহিনী নীরব ছিল, যা সরকারের নির্লিপ্ততার চিত্র ফুটে ওঠে। বক্তারা দাবি করেন যে, ভারতের হিন্দুরা সম্প্রতি তিন মুসলিমকে হত্যা করেছে এবং বাবরী মসজিদ ভেঙে রাম মন্দির নির্মাণ করেছে। এর পাশাপাশি, তারা সুফি সাদক খাঁজা মাইনউদ্দিন চিশতির দরগায় হাত তুলে অপমানের সাহস দেখিয়েছে।

বক্তারা বিদেশী কুটনৈতিক এবং সাংবাদিকদের কাছে আহ্বান জানান, তারা যেন বাংলাদেশে কোথাও হিন্দু নির্যাতন এবং ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর ভাঙচুর সরেজমিন দেখে প্রতিবেদন দেন।

এসময় বক্তারা ইসকন নেতা চিম্ময়কে দেশদ্রোহী হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তিনি বাংলাদেশের পতাকার অবমাননা করেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে, মিডিয়ায় অপপ্রচার চালিয়ে বিদেশীদের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তী বিনষ্টের চেষ্টা করা হচ্ছে। বক্তারা আরও বলেন, “আমরা মুসলিমরা বীরের জাতি, যে কোনো হামলা প্রতিহত করতে প্রয়োজনে শহীদ হয়ে যাবো।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আগামী ৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সফরে আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি। শুক্রবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জসওয়াল।

ফরেন অফিস কনসাল্টেশন বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। তার মূল বৈঠকটি হবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মোহম্মদ জসীম উদ্দিনের সঙ্গে। পাশাপাশি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে মিশ্রির। ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর এই প্রথম উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে শামিল হচ্ছে দুই দেশ। যদিও ড. ইউনূস সরকারের গত চার মাসে দু-দেশের তিনটি টেকনিক্যাল কমিটির বৈঠক করেছে।




হিজবুল্লাহর হামলায় ইসরাইলি শহরের ৬০ ভাগ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় দখলকৃত ইসরাইলি শহর মেতুলার ৬০ শতাংশেরও বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম।

ইসরাইলি মিডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শহরটি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতিদিনই হিজবুল্লাহর তীব্র গোলাবর্ষণ ও অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে।

ইসরাইলি মিডিয়ার বরাতে আল-মায়াদিন জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর হামলার কারণে মেতুলা একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত সামরিক অঞ্চলে পরিণত হয়েছে।

সেখানকার ৪৫০টিরও বেশি বাড়ি হিজবুল্লাহর আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ৬০ ভাগ বাড়ির কাঠামো মারাত্মকভাবে ধ্বংস হয়েছে।

মেতুলার মেয়র ডেভিড আজুলাই শহরটির বর্তমান পরিস্থিতি বর্ণনা করে বলেছেন, ‘আমরা এখন খুব জটিল অবস্থায় আছি। মেতুলায় ঠিক কী কী অবশিষ্ট আছে, সে বিষয়ে আমরা অনিশ্চিত’।

তিনি মেতুলাকে প্রতিবেশী শহর হার জাভিয়া অঞ্চলের সঙ্গে তুলনা করেছেন। যা নিকটবর্তী ওদাইসা এবং কফর কিলার সম্মুখভাগে অবস্থিত।

মেয়র আজুলাই জানান, ঐ এলাকায় ১০০টি বাড়ির মধ্যে অন্তত ৭৫ ভাগ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার সবই ব্যবহার অযোগ্য। সেগুলোর অধিকাংশকেই ধ্বংস করা প্রয়োজন।

এছাড়াও ফিলিস্তিনের দখলকৃত উত্তরাঞ্চলে ২০,০০০ বসতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আজুলাই আরও উল্লেখ করেন, দখলকৃত উত্তরাঞ্চলে সরাসরি ক্ষতির পরিমাণ ২ বিলিয়ন শেকেলের (ইসরাইলি মুদ্রা) বা ৫৫ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি




আলেপ্পোর পর আরেক প্রধান শহর হামাও দখলে নিল সিরিয়ার বিদ্রোহীরা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:বিদ্রোহী বাহিনীর সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষের পর হামা শহর থেকে নিজেদের বাহিনী প্রত্যাহার করে নিয়েছে সিরিয়ার সামরিক বাহিনী। আর এর মাধ্যমে সিরিয়ার বিদ্রোহীরা আলেপ্পোর পর দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় শহর হামাও নিজেদের দখলে নিলো।

এটিকে চলমান গৃহযুদ্ধে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের আরও একটি বড় পরাজয় বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ার সেনাবাহিনী হামা থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করার পর দেশটির দ্বিতীয় বড় শহরের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা জানিয়েছে সিরীয় বিদ্রোহীরা। ইসলামপন্থি গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) এর নেতা আবু মোহাম্মদ আল-জাওলানি হামাতে “বিজয়” ঘোষণা করেছেন এবং “কোনও প্রতিশোধ” নেওয়া হবে না বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এর আগে, এইচটিএস যোদ্ধারা এবং তাদের সহযোগীরা হামা কেন্দ্রীয় কারাগার দখল করে এবং ভয়ঙ্কর যুদ্ধের মধ্যেই বন্দিদের ছেড়ে দেয়। অন্যদিকে সিরিয়ার সামরিক বাহিনী বলেছে, তারা শহরের বাইরে সেনা মোতায়েন করেছে।

হামা শহরটি ১০ লাখ লোকের আবাসস্থল এবং এটি আলেপ্পো থেকে ১১০ কিলোমিটার (৭০ মাইল) দক্ষিণে অবস্থিত। অতীতে প্রেসিডেন্ট আসাদ তার বিরোধীদের পরাস্ত করতে রাশিয়া ও ইরানের ওপর নির্ভর করতেন। কিন্তু উভয় মিত্র তাদের নিজস্ব বিষয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি নিজেই এখন বিদ্রোহীদের কাছে পরাস্ত হচ্ছেন।




পুলিশ প্রশাসন সংস্কার বিষয়ক প্রস্তাব জমা দিয়েছে বিএনপি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: পুলিশ প্রশাসন সংস্কার বিষয়ক প্রস্তাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ভবনে পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রধান সফর রাজ হোসেনের কাছে বিএনপির পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য সাবেক সচিব এস এম জহিরুল ইসলাম দলের পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব জমা দেন।

পুলিশ প্রশাসনিক সংস্কারে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করেছিল বিএনপি।




‘ভারতের উসকানিতে পা না দিয়ে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে জনগণ’

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ভারতের উসকানিতে পা না দিয়ে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশের জনগণ’

চট্টগ্রামে আমাদের আইনজীবী ভাইকে হত্যার মাধ্যমে তারা একটি হত্যার হোলি খেলার ফাঁদ পেতেছিল, কিন্তু বাংলার জনগণ ধৈর্য এবং বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে তাদের মুখে চুনকালি মেরে দিয়েছে।

আজ দুপুরে কুমিল্লা নগরীর টাউন হল মাঠে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা জীবন দেব কিন্তু বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও ছাড়ব না। এটা আমাদের কমিটমেন্ট। আমরা সমতা, ভালোবাসা, অহিংস ঐক্য সাম্যের বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই। এদেশে সব ধর্মের-বর্ণের মানুষ মিলেমিশে আছি। বাংলাদেশ আমাদের সবার। আমরা সোচ্চারভাবে বলেছি বাংলাদেশে কোনো মেজরিটি এবং মাইনোরিটি মানি না। এদেশে যারা জন্মগ্রহণ করেছেন তারা সবাই এদেশের গর্বিত নাগরিক। মাইনোরিটি শব্দটি ব্যবহার করে দেশের বাইরে থেকে একটি গোষ্ঠী তাদের স্বার্থ হাসিল করতে চায়।

তিনি বলেন, ভারতের কিছু হলুদ মিডিয়া যখন আমাদের দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে, তখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের হিন্দু ভাইয়েরা মিছিল করে তার প্রতিবাদ করেছেন। তারা প্রমাণ করেছেন দেশ আমাদের সবার। আমরা ভারতের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয় নিয়ে হস্তক্ষেপ করি না, কিন্তু তারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

জামায়াত আমির বলেন, দেশবাসী এখন পূর্ণ স্বাধীনতার স্বাদ পাচ্ছে। যারা অকাতরে জীবন দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে তাদের প্রতি দোয়া এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে গুম-খুন আর ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। বিডিআর বিদ্রোহের নামে পরিকল্পিতভাবে দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীর ৫৭ জন চৌকস অফিসারকে হত্যা করেছে। ষড়যন্ত্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার ভিশন নিয়ে তারা নেমেছিল। জাতি ২০২৪ সালের গণহত্যাসহ প্রতিটি হত্যার বিচার চায়। আইনের মাধ্যমে এ বিচার অবশ্যই করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সংস্কার শেষে যৌক্তিক সময়ে নির্বাচন দিতে হবে। আমরা দেশের মানুষের সেবা করার জন্য সবার সহযোগিতা চাই। এই দেশ নতুনভাবে গড়তে হবে। এই দেশ গড়তে হলে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ কলঙ্কমুক্ত কিছু মানুষ দরকার। সংস্কার এবং স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে।




কুয়াকাটায় ১৮ কেজি ২০০ গ্রাম কোরাল মাছ, বিক্রি ২০ হাজার টাকায়

পটুয়াখালির কুয়াকাটা থেকে একটি বিশাল কোরাল মাছ ধরা পড়েছে। বঙ্গোপসাগরের গভীর সাগরে জাল ফেলে জেলে জালাল মাঝি (৩৬) ১৮ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের এই কোরাল মাছটি উদ্ধার করেন। মাছটি বিক্রি হয়েছে ২০ হাজার টাকায়, এবং ব্যবসায়ী খলিল খান সেটি কিনে নেন।

শুক্রবার (০৬ ডিসেম্বর) সকাল ৭.৩০ মিনিটে কুয়াকাটা মেয়র মৎস্য মার্কেটে মাছটি নিয়ে আসা হয়, যেখানে খলিল খান এই মাছটি কিনে নেন। মাছটি দেখে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। মাছটি বিক্রির স্থানেই উপস্থিত ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়।

গত বৃহস্পতিবার (০৫ ডিসেম্বর) ভোরে বঙ্গোপসাগরের বলেশ্বর নদীর সাগর মোহনায় জাল ফেলার সময় মাছটি ধরা পড়ে। কোরাল মাছটি অত্যন্ত সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর, যার মধ্যে জিংক ও আয়োডিন রয়েছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এই মাছটি হৃদযন্ত্রের জন্যও ভালো, কারণ এতে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এর পাশাপাশি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে সেলেনিয়াম।

মাছটি পাওয়ার বিষয়ে জালাল মাঝি জানান, “প্রতিদিনের মত গভীর সাগরে ট্রলার নিয়ে গিয়েছিলাম। বলেশ্বর নদীর সাগর মোহনায় জাল ফেলার পর অন্যান্য মাছের সঙ্গে কোরাল মাছটি ধরা পড়ে। এসব মাছের চাহিদা অনেক, তাই ভালো দামে বিক্রি করেছি।”

কুয়াকাটায় মাছ কিনতে আসা ক্রেতা তৈয়বুর রহমান বলেন, “এরকম মাছ খুব একটা পাওয়া যায় না, তবে দাম বেশী হওয়ায় আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের পক্ষে কিনা সম্ভব হয় না। যদি মাছগুলো কেটে বিক্রি করা হয়, তবে আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী কিনতে পারব।”

মাছ ব্যবসায়ী খলিল খান বলেন, “এ ধরনের বড় কোরাল মাছ সব সময় পাওয়া যায় না। আমি দেখে পছন্দ করেছি, তাই নিলামের আগেই ১১০০ টাকা কেজি দাম দিয়ে জেলের কাছ থেকে মাছটি কিনে নিয়েছি। আশা করছি ভালো দামে বিক্রি করতে পারব।”

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, “কোরাল মাছ অত্যন্ত সুস্বাদু এবং শিশুদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ। পায়রা, বিষখালী, বলেশ্বর ও সুন্দরবনের মোহনাগুলোতে এই ধরনের মাছ আরও ধরা পড়বে, এমন আশা রাখি।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গীতিকার ও সুরকার আবু জাফর আর নেই

দেশাত্মবোধক গান ‘এই পদ্মা এই মেঘনা’-এর গীতিকার ও সুরকার আবু জাফর আর আমাদের মাঝে নেই। দীর্ঘ অসুস্থতার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা ৩০ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে সংগীতাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আবু জাফর বাংলাদেশের এক প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার, কবি এবং সংগীতশিল্পী। তার রচিত বহু গান আজও মানুষের মুখে মুখে ফিরে আসে। ‘তোমরা ভুলেই গেছো মল্লিকাদির নাম’, ‘নিন্দার কাঁটা যদি না বিঁধিল গায়ে’ সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা ছিলেন তিনি। আবু জাফর ছিলেন একাধারে শিক্ষকও, চুয়াডাঙ্গা কলেজ ও কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেছেন।

কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামে ১৯৩৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন আবু জাফর। তার পিতা খোন্দকার মো. জমির উদ্দিন ছিলেন একজন সমাজসেবক। সংগীতের প্রতি তার অনুরাগ ছোটবেলা থেকেই ছিল এবং তিনি রাজশাহী ও ঢাকা বেতার এবং টেলিভিশনের নিয়মিত গীতিকার ও সংগীতশিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন।

আবু জাফরের গানে দেশাত্মবোধক সুর ও বক্তব্য ছিল যা মানুষের মন ছুঁয়ে যেত। তার সর্বাধিক জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে ‘এই পদ্মা এই মেঘনা’ অন্যতম, যা দেশের শৃঙ্গী গানে পরিণত হয়েছে। তার গানের সুর, সংগীত ও গীতিকবিতা আমাদের স্মৃতিতে চিরকাল অম্লান থাকবে।

মৃত্যু পরবর্তী আবু জাফরের অবদানকে আমরা চিরকাল স্মরণ করবো। তার সৃষ্টির মধ্যে তিনি যে কালজয়ী গানগুলো রেখে গেছেন তা দেশের সংগীত ইতিহাসে একটি অমূল্য রত্ন হয়ে থাকবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



খালেদার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ফেনীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে বোমা হামলা ও আগুন দেওয়ার ঘটনার সাত বছর পর তৎকালীন পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর সরকারসহ ১৭৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) ফেনী সদর আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মো. শাফায়াত শুনানি শেষে মামলাটি তদন্ত করে ৪৫ দিনের মধ্যে পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) প্রতিবেদন জামা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর যমুনা হাই ডিলাক্স পরিবহনের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিলন বাদী হয়ে ২৮ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ১০০-১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে ফেনী সদর আমলি আদালতে এ মামলার আবেদন করেন।