মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নতুন সিনেমা ‘৮৪০’ মুক্তি পাবে চলতি মাসেই

বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নতুন সিনেমা ‘৮৪০’ মুক্তির জন্য প্রস্তুত। আগামী ১৩ ডিসেম্বর দেশব্যাপী সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে। এ উপলক্ষ্যে সম্প্রতি সিনেমাটির ট্রেইলার ‘Democracy Pvt. Ltd.’ মুক্তি পেয়েছে, যা ইতোমধ্যে দর্শকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে।

গত ৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মুক্তি পায় ‘৮৪০’ সিনেমার অফিসিয়াল পোস্টার। একই দিনে সিনেমাটির মুক্তির তারিখও প্রকাশ করা হয়। এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন নাসির উদ্দিন খান, মারজুক রাসেল, ফজলুর রহমান বাবু, জাকিয়া বারী মম এবং রাজশাহী ও নওগাঁর স্থানীয় অভিনয়শিল্পীরা।

সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। সহযোগিতায় রয়েছে ইম্প্রেস টেলিফিল্ম। সিনেমার চিত্রগ্রহণ করেছেন শেখ রাজিবুল ইসলাম এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন পাভেল আরিন। সাউন্ড ডিজাইনে ছিলেন রিপন নাথ। সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন তাহসিন মাহিম এবং শিল্প পরিকল্পনায় ইব্রাহিম এইচ বাবু। পোশাক পরিকল্পনা করেছেন পূজাঞ্জলি চৌধুরী এবং মেকআপে ছিলেন মো. খাইরুল ইসলাম।

এর আগে ফারুকী ‘৪২০’ নামে একটি ধারাবাহিক নির্মাণ করেন, যা বাংলাদেশে সমসাময়িক সামাজিক ও রাজনৈতিক অসঙ্গতিগুলোকে স্যাটায়ার হিসেবে তুলে ধরে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। ‘৮৪০’ সিনেমায় সেই একই ধারার প্রতিফলন দেখা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে কাজ করবে নয়াদিল্লি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: নয়াদিল্লি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এবং দুই প্রতিবেশীর মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারে ‘সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রচেষ্টা’য় আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ঢাকায় সফররত ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘সম্পর্ক বাড়ানো ছাড়া দ্বিতীয় কোনো চিন্তা নেই। আমরা এটাকে উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হিসেবে দেখি।’

পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়ে আলোচনায় বিক্রম মিশ্রি বলেন, ‘আমরা যেখানে ছিলাম সেখান থেকেই আবার শুরু করতে চাই।’

প্রায় ৪০ মিনিটের ওই বৈঠকে সংখ্যালঘু ইস্যু, অপতথ্য প্রচার, ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বর্তমান সরকারের সঙ্গে কাজ করতে হবে।’

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ককে ‘খুবই দৃঢ়’ এবং ‘ঘনিষ্ঠ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে দুই প্রতিবেশীর সম্পর্কে কিছু মেঘ জমে ছায়া তৈরি করেছে। এই ‘কালো মেঘ’ মুছে ফেলতে ভারতের সাহায্য চেয়েছেন অধ্যাপক ইউনূস।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যিনি এখন ভারতে অবস্থান করছেন, আলোচনায় তার প্রসঙ্গও উঠে আসে।

বিগত ১৫ বছরের নির্মম ও দুর্নীতিগ্রস্ত স্বৈরশাসনের বর্ণনা করে ভারতের পররাষ্ট্র সচিবকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের লোকজন উদ্বিগ্ন কারণ তিনি সেখান (ভারত) থেকে অনেক বক্তব্য দিচ্ছেন। এটা উত্তেজনা সৃষ্টি করছে।’

বিক্রম মিশ্রি বলেন, তিনি জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের সময় প্রায় প্রতি ঘণ্টায় বাংলাদেশের ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণ করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টা জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শিক্ষার্থী, শ্রমিক ও জনতা কীভাবে এক হয়ে হাসিনার দুর্নীতিগ্রস্ত শাসনামলের অবসান ঘটিয়েছে তার একটি বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজ হলো তরুণদের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখা। এটি একটি নতুন বাংলাদেশ।’

এসময় অন্তর্বর্তী সরকারের যে-সব সংস্কার উদ্যোগ নিয়েছে সেসবের সংক্ষিপ্ত রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি।

বিক্রম মিশ্রি বলেন, অধ্যাপক ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর যে সব বিদেশি নেতা তাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন তাদের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামনের সারিতে আছেন।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে গণমাধ্যমের ন্যারেটিভ এবং ভারত সরকারের ধারণা ভিন্ন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা আপনার সাফল্য কামনা করি’।

‘বাংলাদেশের একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক রয়েছে এটা ভুল ধারণা’ উল্লেখ করে বিক্রম মিশ্রি বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোনো নির্দিষ্ট দলের জন্য নয়, বরং সকলের জন্য।’

বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস বন্যা এবং পানি ব্যবস্থাপনায় ঘনিষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য ভারতকে তার উদ্যোগে সাড়া দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা আমাদের সবার জন্য একটি সমৃদ্ধ নতুন ভবিষ্যৎ গড়তে চাই।’

বিক্রম মিশ্রি জানান, ভারত সার্কের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রেখেছে, যদিও কিছু বাধা রয়েছে।

সংখ্যালঘু ইস্যু সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিটি নাগরিকের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং ধর্ম, বর্ণ, জাতি ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সকলের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, ‘আমরা একটি পরিবার। আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ভারত গত মাসে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসার সংখ্যা দ্বিগুণ করেছে এবং আগামী দিনে এই সংখ্যা আরও বাড়াবে।

‘আমরা আমাদের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই,’ বলেন তিনি।




মসজিদের মিম্বার থেকে দুই দেশকে সতর্কবাতা বিদ্রোহী নেতার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সিরিয়ার স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদকে উৎখাত করে বিদ্রোহী জোটের নেতা আবু মোহাম্মদ আল-জোলানি দামেস্কের ঐতিহাসিক উমাইয়া মসজিদের মিম্বারে দাঁড়িয়ে তার প্রথম বিজয়ী বক্তব্য দেন।

এই বক্তব্য শুধু সিরিয়ার জনগণের জন্য নয়, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করে।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে আল-জোলানির বিজয়ী বক্তব্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে এই নেতার বক্তব্যে সিরীয় জনগণের দীর্ঘদিনের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং নির্যাতনের কথা স্মরণ করেন। আল-জোলানি বলেন, যারা দীর্ঘ সময় কারাবন্দি ছিলেন এবং অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন, তাদের আত্মত্যাগের ফলে এই বিজয় এসেছে।

আসাদের পতনের পর, আল-জোলানি আরও শক্তিশালী হয়েছে। তবে তার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো পশ্চিমা শক্তি, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, যাদের মধ্যে ইতোমধ্যে তার মাথার দাম এক কোটি ডলার ঘোষণা করা হয়েছে। তার এই বক্তব্য মূলত তাদের উদ্দেশ্যে ছিল।

আল-জোলানি পশ্চিমা শক্তি, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, নতুন সিরিয়ার সঙ্গে আপনারা যুক্ত হলেও, আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার আপনাদের নেই। তিনি সিরিয়ার ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক বিভাজন দূর করার আহ্বান জানান এবং সব ধর্মাবলম্বী সিরীয়দের একত্রিত হওয়ার ডাক দেন।

এছাড়াও বিজয়ী বক্তব্যে সিরিয়ার নাম খারাপ হওয়ার জন্য আসাদের শাসনকে দায়ী করে তিনি বলেন, সিরিয়া আর মাদকের রাজ্য হবে না, বরং এটি একটি স্বচ্ছ এবং মাদকমুক্ত দেশ হিসেবে পুনর্নির্মাণ হবে। আল-জোলানি সিরিয়াকে শান্তি এবং সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং বলেন, এই বিজয়ের মাধ্যমে সিরিয়া একটি নতুন যুগের দিকে পা বাড়িয়েছে।

এভাবে, আল-জোলানি তার বিজয়ের বার্তা শুধু সিরীয় জনগণের জন্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর জন্য একটি স্পষ্ট সতর্কীকরণও ছিল। সিরিয়ার নতুন নেতা হিসেবে তার কথাগুলো দেশটির ভবিষ্যতের জন্য একটি নতুন পথের সূচনা হতে পারে।




গাজা যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ‘অভূতপূর্ব’ অগ্রগতি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে চলমান পরোক্ষ আলোচনায় ‘অভূতপূর্ব’ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে মিশরের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র। আলোচনার মধ্যে বন্দি বিনিময় সম্পর্কিত বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সোমবার আল-আরাবি আল-জাদিদকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সূত্রটি জানায়, হামাস গাজায় আটককৃত ইসরাইলি বন্দিদের একটি প্রাথমিক তালিকা মিশরীয় মধ্যস্থতাকারীদের কাছে দিয়েছে। যা নিয়ে ইসরাইলি প্রতিনিধি দল পর্যালোচনা করছে।

সূত্রটি আরও জানায়, মিশর, কাতার, তুরস্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে আলোচনায় অংশগ্রহণকারী পক্ষগুলো একটি টেকসই যুদ্ধবিরতির বিষয়ে এক অভূতপূর্ব অগ্রগতি পৌঁছেছে।

আল-আরাবি আল-জাদিদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলি প্রতিনিধি দল গাজা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবিত শর্তাদি নিয়ে পরোক্ষ আলোচনায় অংশ নেবে। প্রস্তাবিত শর্তের মধ্যে চারজন বন্দির মুক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যাদের মধ্যে মার্কিন নাগরিকও রয়েছেন।

এছাড়া হামাস একটি ৬০ দিনের অন্তর্বর্তী সময়ের শর্ত মেনে নিয়েছে। যে সময়ে অবরুদ্ধ এলাকায় খাদ্য, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং জ্বালানি সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হবে।

মিশরীয় সূত্রগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নব-নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই একটি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী। সূত্র: ইরনা




বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদারে আগ্রহী ভারত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে এবং জোরদার করতে আগ্রহী ভারত। একই সঙ্গে বিভিন্ন কারণে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে যে কালো মেঘ জমেছে সেটিও দূর করতে চান তারা।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে বৈঠকে এমন আগ্রহ জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি।

বৈঠকের আলোচনা সম্পর্কে যমুনার সামনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।




সংখ্যালঘু ইস্যুতে উদ্বেগ জানিয়েছে ভারত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে গভীরভাবে কাজ করতে আগ্রহী ভারত। দিল্লি আশা করছে, দুই নিকট প্রতিবেশীর সম্পর্ক একটা ইতিবাচক এবং গঠনমূলক সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে সংল্যাঘলুদের নিরাপত্তার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে উদ্বেগের কথাও জানিয়েছে দেশটি।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র সচিব জসীম উদ্দিন এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর এসব কথা বলেন ঢাকা সফররত ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, পররাষ্ট্র সচিব জসীম উদ্দিনের আমন্ত্রণে আমি ঢাকায় এসেছি। অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মুহূর্তে আমি ঢাকায় এসেছি, বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার জন্য। এ বছর আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরে আমাদের উভয় দেশের নেতাদের মধ্যে প্রথম কথা হয়েছে। তাদের মধ্যে টেলিফোন আলাপ হয়েছে। নিউইয়র্কে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক হয়েছে।

বিক্রম মিশ্রি বলেন, আমার এ সফর তারই অংশ। নতুন সরকারের সঙ্গে এটা প্রথম ফরেন সচিব মিটিং। আজকের এই আলোচনা আমাদের উভয়পক্ষকে এই সুযোগটা করে দিয়েছে। আমাদের মধ্যে খোলামেলা এবং গঠনমূলক মতবিনিময় হয়েছে। আমাদের আকাঙ্ক্ষা হলো-ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং পারস্পরিক ও লাভজনক সম্পর্ক, যেটা বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে আমরা অতীতে দেখেছি ও আমরা ভবিষ্যতেও এটা দেখতে চাই।




কুয়াকাটায় যুবদলের তিন নেতা বহিষ্কার

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের তিন নেতাকে বহিষ্কার করেছে পটুয়াখালী জেলা যুবদল। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) পটুয়াখালী জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল্লাহ আল-নোমানের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বহিষ্কার হওয়া তিন নেতা হলেন কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সদস্য ইউসুফ ঘরামী, কুয়াকাটা ৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি সোহেল মিয়াজি এবং একই ওয়ার্ডের সদস্য মিরাজ হাওলাদার।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম লিটন এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. শিপলু খান এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের বহিষ্কৃতদের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, গত শনিবার রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল ‘হ্যান্ডি কড়াই (বার)’ ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বহিষ্কৃতদের বিরুদ্ধে। তবে বহিষ্কৃতরা এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামী বলেন, “আমাদের কেন বহিষ্কার করা হলো তা আমরা জানি না। আমরা কোনো অপরাধ করিনি। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, “বারে হামলার অভিযোগ শুনেছি। তবে দলের নিয়মের বাইরে যারা যাবে, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা সবসময় দলের নিয়ম-নীতিতে অটল থাকব।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, গোলান মালভূমি ইসরায়েলি দখলে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের হামলার মুখে ক্ষমতা থেকে উৎখাত হওয়া প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ দেশ ছেড়ে পালিয়ে রাশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন। আসাদ ও তার পরিবার সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় পাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে আসাদ পালাতে না পালাতেই সিরিয়ায় হামলা করেছে ইসরায়েল। দেশটি বলেছে, তারা সিরিয়ায় সন্দেহভাজন রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ এবং দূরপাল্লার রকেটে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে সিরিয়ায় আইএস ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও।

অপরদিকে সিরিয়ায় সরকারহীনতার সুযোগ নিয়ে গোলান মালভূমি দখল করে নিয়েছে ইসরায়েল। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) এসব তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও ডয়চে ভেলে।




বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দিলো আয়ারল্যান্ড

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ওয়ানডে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে দাপুটে জয়ের পর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ফিরতেই যেন মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে স্বাগতিক মেয়েদের হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দিলো সফরকারী আয়ারল্যান্ড।

চায়ের দেশ সিলেটে টানা দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ খুইয়েছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। আজ হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ানোর ম্যাচে ব্যাটিংয়ে নেমে নিগার সুলতানা জ্যোতিদের শুরুটা ইতিবাচক হলেও শেষটা ছিল হতাশার। বড় স্কোরের আশা জাগিয়েও নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রানে থামে বাংলাদেশ।

নাগালে থাকা টার্গেট তাড়া করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে একটা সময় জয় থেকে প্রায় ছিটকেই যাচ্ছিল আয়ারল্যান্ড। তবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ম্যাচটিতে শেষ হাসি হেসেছে আইরিশ মেয়েরাই।




প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ইউরোপের ২৮ রাষ্ট্রদূত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৮ জন রাষ্ট্রদূত।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে শুরু হয় বৈঠকটি।

জানা গেছে, বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের হেড অব ডেলিগেশন মাইকেল মিলার।

পট পরিবর্তনের পরে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সব সদস্য রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত একত্রিত হয়ে অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগটি এবারই প্রথম।

বৈঠকে সমসাময়িক ইস্যু ও অর্থনৈতিক খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্ভাব্য অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনায় থাকছে বলে জানা গেছে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রফিকুল আলম বলেছিলেন, এ সভা বাংলাদেশ ও ইইউ এর সম্পর্ককে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

দিল্লি থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০ দেশের রাষ্ট্রদূতের ঢাকায় আসার খবর ১৭ নভেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জানিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যাপক সমর্থন পাওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেছিলেন, কয়েক দিনের মধ্যে দিল্লিতে থাকা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০ দেশের রাষ্ট্রদূত একযোগে তার সঙ্গে দেখা করতে আসছেন, যা বাংলাদেশে আগে কখনও ঘটেনি।