২০৩৪ বিশ্বকাপের আয়োজক সৌদি আরব, নিশ্চিত করল ফিফা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আগে থেকেই অনেকটা নিশ্চিত ছিল ২০৩৪ ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজক হতে যাচ্ছে সৌদি আরব। এবার এসেছে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। আনুষ্ঠানিকভাবে ফিফা জানাল, আগামী ২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করবে সৌদি আরব।

আজ বুধবার একটি ভার্চুয়াল সভায় ২০৩৪ বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে সৌদি আরবের নাম ঘোষণা করেছে ফিফা। একই দিনে ফিফা আরো জানিয়েছে, ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করবে মরক্কো, স্পেন ও পর্তুগাল মিলে। এছাড়া, বিশ্বকাপের শতবর্ষ উপলক্ষে একটি করে ম্যাচ হবে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতে।




পররাষ্ট্রসচিবের বাংলাদেশ সফর নিয়ে যা জানালো ভারতীয় হাইকমিশন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ভারতের পররাষ্ট্র সচিব শ্রী বিক্রম মিশ্রির বাংলাদেশ সফরের পর এ নিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন। বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের বাংলাদেশ সফরের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে বৈঠকের ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে বৈঠকের ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি।

সফরের দুদিন পর বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ভারতীয় হাইকমিশনের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি এক সরকারি সফরে ঢাকায় গিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব জসিম উদ্দিনের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

এসব বৈঠকে পররাষ্ট্রসচিব মিশ্রি একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থনের কথা তুলে ধরেন। পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধা এবং একে অপরের উদ্বেগ ও স্বার্থের প্রতি পারস্পরিক সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে ভারতের ইচ্ছার কথাও পুনরায় ঘোষণা করেন তিনি।

বিবৃতি মতে, ভারতীয় পররাষ্ট্রসচিব জোর দিয়ে বলেছেন, জনগণই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রধান স্টেকহোল্ডার এবং উল্লেখ করেছেন যে, আন্তঃযোগাযোগ, বাণিজ্য, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উন্নয়ন সহযোগিতা ও বহুমুখী সম্পৃক্ততা, সমস্ত কিছু বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণের জন্যই।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পররাষ্ট্রসচিব কিছু সাম্প্রতিক ঘটনা ও সমস্যা নিয়েও আলোচনা করেছেন এবং ভারতের উদ্বেগ, বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন। তিনি সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও কূটনৈতিক স্থাপনার ওপর হামলাকে দুঃখজনক ঘটনা বলেও উত্থাপন করেন।

ফরেন অফিস কনসাল্টেশনস তথা পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকে উভয়পক্ষ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, বাণিজ্য ও সংযোগ, পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা, উন্নয়ন সহযোগিতা, কনস্যুলার, সাংস্কৃতিক এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক জোরদারসহ বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা করেছেন।

উভয় পররাষ্ট্রসচিব উপ-আঞ্চলিক, আঞ্চলিক এবং বহুপাক্ষিক বিষয়েও মতবিনিময় করেছেন এবং বিমসটেক কাঠামোর অধীনে আঞ্চলিক অখণ্ডতা এগিয়ে নিতে পরামর্শ ও সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছেন।

আরও বলা হয়, পররাষ্ট্র সচিবের এই সফর উদ্বেগ দূর করার পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে সহায়ক হবে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যে গত সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকা সফরে আসেন ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। দিনব্যাপী ব্যস্ত সময় কাটিয়ে রাতেই ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।




সাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, পূর্বাভাসে শীত নিয়ে নতুন বার্তা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সারাদেশে আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাত-দিনের তাপমাত্রা কমার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া, শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত সারা দেশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা এবং দেশের উত্তর-উত্তর পূর্বাংশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষ করে তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রামসহ রাজশাহী এবং রংপুর বিভাগের বিভিন্ন এলাকাগুলোতে তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে শীতের প্রকোপ বাড়বে বলেও জানানো হয়েছে।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের সই করা ওই বার্তায় সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়েছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিরাজমান লঘুচাপটি বর্তমানে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

এমন অবস্থায় আগামী ৭২ ঘণ্টা অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। একইসঙ্গে আগামী ৭২ ঘণ্টায় ও শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তর-উত্তর পূর্বাংশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

এই সময়ের মধ্যে বুধ ও বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।




এক রাতের জন্য ঐশ্বরিয়া পেয়েছিলেন ১০ কোটি রুপি!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মডেলিং থেকে বিশ্বসুন্দরীর খেতাব। তারপর বলিউডের নায়িকা। দেশীয় গণ্ডি পেরিয়ে হলিউড। কান ফিল্মোৎসবের রেড কার্পেটে দাঁড়ানো। নিজের ক্যারিয়ারে বহু সোনালি মুহূর্ত দেখেছেন অমিতাভ বচ্চনের পূত্রবধূ। একই সঙ্গে অস্বস্তিকর বিতর্কেও জড়িয়েছেন একাধিক বার।

ক্যারিয়ারের প্রথম থেকে উপমহাদেশে ঐশ্বরিয়া রাই মানেই বিশেষ কিছু। তাকে নিয়ে ভক্ত মনে উত্তেজনার পারদ বরাবরই তুঙ্গে। একসময় ঐশ্বরিয়াকে নিমন্ত্রণ জানাতে মরিয়া থাকত দেশ বিদেশের নাম করা ভক্তরা। এশিয়ানেট নিউজের খবর অনুযায়ী, সেই ভক্তদের একজন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি। ২০০৮ সালে তিনিও চেয়েছিলেন তার অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীকে আনতে।

অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিং— এমনকি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েও মোটা টাকা আয় করেন তারকারা। ঐশ্বরিয়াকেও সে সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখা যেত। শোনা যায়, জারদারি নিজের ইচ্ছেপূরণের জন্য ১০ কোটি রুপি ব্যয় করেছিলেন। যদিও এর প্রমাণ এখন পর্যন্ত নেই। এ প্রসঙ্গে ঐশ্বরিয়াও মুখ খোলেননি।

ঐশ্বরিয়াকে সাধারণত অধিকাংশ মানুষই মনে করে থাকেন বিশ্বের অন্যতম সুন্দরী নারী। ফলে সেই সেলেবকে নিজের দেশের অনুষ্ঠানে পেতে কে না চাইবে। জারদারি থেকে ১০ কোটি রুপি নিয়েছেন ঐশ্বরিয়া— প্রথম দিকে এ দাবি করেন পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষক শাহিদ মাসুদ।

জারদারির একটি ঘনিষ্ঠ সূত্রের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন পাক প্রেসিডেন্টের বাসভবনের অনুষ্ঠানে এক রাতে নৃত্য পরিবেশনা করেন ঐশ্বরিয়া। সে জন্যই নাকি তাকে ১০ কোটি রুপি দেন জারদারি। ঘটনার সত্যি-মিথ্যা জানা নেই। তবে মাসুদের দাবি ঘিরে পাকিস্তানের অনেকেই হতবাক।




সিরিয়ায় ইসরাইলি হামলায় ধ্বংস নৌবহর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সিরিয়ার নৌবহরে হামলার কথা নিশ্চিত করেছে ইসরাইল। বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার সামরিক স্থাপনাগুলোকে অকার্যকর করার যে পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি, এটি তারই অংশ।

এক বিবৃতিতে ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) বলেছে, সোমবার রাতে আল-বাইদা ও লাতাকিয়া বন্দরে তারা হামলা করেছে, যেখানে সিরিয়ার নৌ বাহিনীর ১৫টি জাহাজ নোঙ্গর করা ছিল।

লাতাকিয়া বন্দরে হামলার ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বন্দরের একাংশ এবং জাহাজগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আইডিএফ আরো জানিয়েছে, তাদের যুদ্ধবিমানগুলো সিরিয়াজুড়ে সাড়ে তিন শ’র বেশি বিমান হামলা করেছে। অন্যদিকে এর স্থলবাহিনী সিরিয়া ও দখলীকৃত গোলান মালভূমির মধ্যবর্তী বাফার জোনের সাময়িক নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

এর আগে যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (এসওএইচআর) বলেছে, রোববার সিরিয়ান বিদ্রোহীদের হাত আসাদ সরকারের উৎখাতের পর থেকে এ পর্যন্ত ৩১০টি হামলার তথ্য রেকর্ড করেছে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎয বলেছেন, ‘ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতি কৌশলগত যেসব হুমকি আছে সেগুলো ধ্বংসই তাদের লক্ষ্য।’

তিনি সিরিয়ার নৌবহর ধ্বংস করাকে ‘বিশাল সাফল্য’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

আইডিএফ অবশ্য আরো বিস্তৃত হামলার তথ্য দিয়েছে। এর মধ্যে এয়ারফিল্ড, সামরিক যানবাহন, বিমান বিধ্বংসী অস্ত্র এবং অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে। এগুলোর কিছু সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে। আর কিছু হোমস, তারতাস ও পালমিরায়।

এর বাইরে গোডাউন, গোলাবারুদের মজুত এবং কয়েক ডজন সাগর থেকে সাগরে উৎক্ষেপনযোগ্যও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাও ইসরাইলের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল।




বিজয় দিবসের আমন্ত্রণ পেলেন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

বিএনপি চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর পক্ষ থেকে দাওয়াতপত্র গ্রহণ করেন বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডাক্তার এজেডএম জাহিদ হোসেন।

এদিকে, ‘রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে দাওয়াতপত্র’ হস্তান্তর করেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী, এনডিসি, পিএসসি।




চরম শত্রুকে এবার পরম মিত্র বানাতে চায় রাশিয়া

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: নিজেদের স্বার্থেই একসময়কার শত্রুকে বহু আগেই মিত্রতে পরিণত করেছে রাশিয়া। এবার যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে ফেলতে সেই শত্রুকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিও দিতে চলছেন পুতিন। মনে করা হচ্ছে এতে করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনেকটাই চাপে পড়বে মার্কিন প্রশাসন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) রুশ সংসদের আফগানিস্তানে ক্ষমতাসীন তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দিতে একটি আইনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন আইনপ্রণেতারা। এতে মস্কোর সন্ত্রাসী তালিকা থেকে গোষ্ঠীটিকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, রুশ সংসদের নিম্নকক্ষ ডুমাতে এ-সংক্রান্ত আইন পাসের পক্ষে মত দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালে ক্ষমতায় আসার পর এখন পর্যন্ত বিশ্বের কোনো দেশই তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। তবে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই গোষ্ঠীটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে চীন ও রাশিয়া। এমনকি তাদের সঙ্গে নিয়মিত বাণিজ্যও করে যাচ্ছে বেইজিং ও মস্কো। গত জুলাইয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে তালেবানকে মিত্র বলে উল্লেখ করেছিলেন।

বর্তমানে নিজ নিরাপত্তার স্বার্থে আফগানিস্তানের সঙ্গে মিত্রতা করতে চাইলেও দেশটিতে রক্তক্ষয়ী ইতিহাস রয়েছে রাশিয়ার। ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বরে দেশটিতে হামলা চালায় তৎকালীন সোভিয়েত বাহিনী। সে সময় মার্কিন সমর্থনপুষ্ঠ তালেবান যোদ্ধাদের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেন। এ যুদ্ধে প্রায় ১৫ হাজার সোভিয়েত সেনার মৃত্যু হয়।




বিজয় দিবসের কনসার্টে অনেক শিল্পীর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রিন্স মাহমুদের আক্ষেপ

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আয়োজিত হতে যাচ্ছে ‘সার্বজনীন কনসার্ট’। সেখানে দেশের খ্যাতিমান শিল্পী ও ব্যান্ডরা অংশ নেবে। তবে কনসার্টের তালিকায় জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় শিল্পীদের অনেকের নাম না থাকায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বিখ্যাত গীতিকার প্রিন্স মাহমুদ।

‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই কনসার্টের ঘোষণা দেওয়া হয় মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সংস্কৃতি তুলে ধরা এবং নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করাই মূল লক্ষ্য। এছাড়া ভিনদেশি সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে মুক্তির আহ্বানও জানানো হবে।

কনসার্টের অংশগ্রহণকারী শিল্পী ও ব্যান্ড
অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করবেন সৈয়দ আব্দুল হাদী, খুরশিদ আলম, কনকচাঁপা, বেবী নাজনীন, মনির খান, কণা, ইমরান, প্রীতম, মৌসুমী ও জেফার। এছাড়াও নগরবাউল, ডিফারেন্ট টাচ, আর্ক, সোলস, শিরোনামহীন, আর্টসেন, অ্যাভয়েড রাফা এবং সোনার বাংলা সার্কাস পরিবেশনায় অংশ নেবে।

প্রিন্স মাহমুদের পোস্ট
বুধবার বিকেলে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রিন্স মাহমুদ কনসার্টের শিল্পীদের তালিকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, “‘সবার আগে বাংলাদেশ’ কনসার্টে যারা পুরো জুলাই, এমনকি আগস্ট ৩-এ রবীন্দ্র সরোবর থেকে শহীদ মিনারে মিছিলে ছিল, এমন অনেকের নাম দেখলাম না।”

তিনি আভাস ব্যান্ডের তানজীর তুহিন, লেমনেডের লিমন, সিনা হাসান, আরমিন মুসা, আহমেদ হাসান সানি, মেকানিকস, কাকতাল, সাবরিনা সাবা, ইমন চৌধুরীসহ আরও কয়েকজনের অনুপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। তার স্ট্যাটাসে ভক্তরাও সমর্থন জানান এবং তাদের প্রিয় শিল্পীদের কনসার্টে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান করেন।

কনসার্ট ঘিরে প্রত্যাশা
এই আয়োজন নিয়ে সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে যেমন উত্তেজনা রয়েছে, তেমনই কিছু বিতর্কও সৃষ্টি হয়েছে। আয়োজকরা আশা করছেন, বিজয় দিবস উপলক্ষে এই কনসার্ট দেশের সংগীত ও সংস্কৃতির প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস এড়াতে কার্যকর পরামর্শ

অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই স্বাস্থ্যের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মানসিক চাপ, একঘেয়েমি, বা অসচেতন অভ্যাস থেকে এটি শুরু হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি স্থূলতা, টাইপ ২ ডায়াবেটিস, এবং অন্যান্য বিপাকীয় রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। নিয়মিত সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং সচেতনতার মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

খাবার এড়িয়ে যাবেন না
দিনের কোনো খাবার, বিশেষত প্রাতঃরাশ এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। দীর্ঘ সময় ক্ষুধার্ত থাকলে শরীর স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে বেশি খাওয়ার তাড়া দেয়। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। সময়মতো সুষম খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

শরীরকে হাইড্রেটেড রাখুন
অনেক সময় তৃষ্ণাকে ক্ষুধা বলে ভুল করা হয়। শরীরের প্রতিদিন কমপক্ষে ২ লিটার পানি প্রয়োজন, যা খাবার হজমের প্রক্রিয়াকে সহজ করে। খাবারের আগে এক গ্লাস পানি পান করলে তৃষ্ণা মিটবে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমবে।

খাবারের প্রতি লোভ নিয়ন্ত্রণ করুন
আপনার যখন ক্ষুধা লাগে না, তবু কিছু খেতে ইচ্ছে করে, তখন নিজেকে সময় দিন। বিশ মিনিট অপেক্ষা করুন। যদি তখনও খাওয়ার ইচ্ছে থাকে, তাহলে বুঝবেন সত্যিই ক্ষুধার্ত। অন্যথায় এটি খাবারের প্রতি লোভ মাত্র। এভাবে নিজের খাওয়ার ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে ধৈর্য এবং সচেতনতা প্রয়োজন। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান, এবং নিয়ন্ত্রিত মানসিক চাপ এই অভ্যাস থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



একযোগে প্রত্যাহার হচ্ছেন ২০ দেশের রাষ্ট্রদূত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ৫ আগস্টের পর বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে রদবদলের অংশ হিসেবে আরো ২০টি দেশে রাষ্ট্রদূত পরিবর্তন করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। ইতোমধ্যে ওইসব দেশে অবস্থিত মিশনগুলোর বর্তমান রাষ্ট্রদূতদের ঢাকায় ফেরার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘কূটনীতিকদের সরিয়ে আনার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো থেকে যে সুপারিশ আসছে, সেটিও সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় রাখা হয়েছে। ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রদূত পোস্ট রিকোয়ারমেন্ট লিভ (পিআরএল)-এ চলে যাবেন। তাদের রিকল করা হয়েছে। প্রায় ২০টি দেশের মতো রাষ্ট্রদূত পরিবর্তন হচ্ছে। সেই নিয়োগের উদ্যোগও ইতোমধ্যে নেয়া হয়েছে। এগুলোর কিছু বিষয় প্রশাসনিক, এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হচ্ছে না। কিন্তু এ প্রক্রিয়া চলমান আছে।’

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গত ১৫ বছরে জনপ্রশাসনে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটি মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। এ বিষয়ে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘কমিটি নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রতিবেদন দেয়ায় প্রধান উপদেষ্টা ধন্যবাদ জানিয়েছেন। কমিটি সুপারিশসহ রিপোর্ট দিয়েছেন। জানিয়েছে তারা ১৫৪০ জনের মতো আবেদন পেয়েছিল, সেটা যাচাই-বাছাই করে ৭৬৪ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ সুযোগ-সুবিধা দিয়ে পদোন্নতি দেয়ার সুপারিশ করেছে। সুপারিশ পর্যালোচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। তারা ২০০৯ থেকে ৪ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত সচিব থেকে শুরু করে উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা বলেও তিনি জানান।’

এখনো প্রশাসনে বিগত সরকারের দোসর রয়ে গেছে। তাদের বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী জানতে চাইলে ‍উপ-প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রশাসনে রদবদল একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে কয়েক হাজার রদবদল হয়েছে। এটি চলমান রয়েছে। সরকার যখনই প্রয়োজন মনে করছে, সেখানে কাউকে পদোন্নতি দিচ্ছে, বদলি বা পদায়ন করছে। কারো বিরুদ্ধে আগের সরকারের সাথে কাজ করার বা সুবিধাভোগীর গুরুতর অভিযোগ আসছে। আবার প্রশাসনিক অন্যান্য কারণেও হচ্ছে।’