পবিপ্রবিতে র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় তিন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে শহীদ জিয়াউর রহমান হলে প্রথম বর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ওপর র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে শৃঙ্খলা বোর্ডের ৪১তম সভায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন— কৃষি অনুষদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফারহান ইসরাক খান সুপ্ত (দুই সেমিস্টার), মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. নাফিউল আলম নাহিদ (এক সেমিস্টার) এবং কৃষি অনুষদের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ফারিয়া আক্তার নাতাশা (এক সেমিস্টার)।

বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ইকতিয়ার উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্যাম্পাসে র‍্যাগিংয়ের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে।

তদন্ত কমিটির এক সদস্য জানান, অভিযোগের যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়ার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নবীন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে তিনি জানান।

আল-আমিন



আবারও ফিরে এলো বাউফলের সেই সাদা বক, প্রিয় সঙ্গী হেমায়েতের পাশে এখনো অটুট বন্ধন!

পটুয়াখালীর বাউফলে আলোচিত সেই সাদা বকটি অবমুক্তির কয়েকদিন পর আবারও ফিরে এসেছে তার প্রিয় মানুষ হেমায়েত উদ্দিনের কাছে। এ ঘটনা এখন পুরো এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বকটি বাউফল উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর বাজারে অবস্থিত হেমায়েত উদ্দিনের স্টেশনারির দোকানের সামনে এসে আগের মতোই তার পাশে বসে পড়ে। মুহূর্তেই বাজারজুড়ে জড়ো হয় কৌতূহলী মানুষজন।

স্থানীয়রা জানান, গত ২৭ অক্টোবর বন বিভাগ বকটিকে ‘বকের বাড়ি’ নামে পরিচিত একটি গাছের নিচে অবমুক্ত করে। কিন্তু অবমুক্তির পর থেকেই বকটি কিছু না খেয়ে নীরব হয়ে পড়ে। চোখেমুখে ছিল বিষণ্ণতা, আর গত দুই দিন ছিল একেবারে নিশ্চল। অবশেষে বুধবার সন্ধ্যায় হেমায়েতের দোকানে ফিরে এসে বকটি আগের মতো শান্তভাবে পাশে দাঁড়িয়ে থাকে।

চার মাস আগে ঝড়ের সময় নুরাইনপুর বাজারের কাছে গাছ থেকে একটি বকের ছানা পড়ে গেলে সেটিকে একটি গুইসাপ আক্রমণ করেছিল। তখন স্থানীয় ব্যবসায়ী হেমায়েত উদ্দিন ছানাটিকে উদ্ধার করে নিজের সন্তানসুলভ যত্নে লালন-পালন করেন। ধীরে ধীরে সেই বকটি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠে এবং দোকানে হেমায়েতের সঙ্গে বসবাস শুরু করে।

এরপর বকের সঙ্গে হেমায়েতের এমন বন্ধুত্বের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে সারাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলে। স্থানীয়রা এখন একে মানুষ ও প্রাণীর এক অনন্য বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “মানুষ যেখানে মানুষকে ভুলে যায়, সেখানে একটা পাখি তার প্রিয় মানুষকে চিনে ফিরে এসেছে—এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য।”

এ ঘটনায় আবেগাপ্লুত হেমায়েত উদ্দিন বলেন,

“আমি ভেবেছিলাম ও আর ফিরবে না। কিন্তু আল্লাহর রহমতে আমার সাথীটা আবার ফিরে এসেছে। গত কয়েকদিন খুব চিন্তায় ছিলাম, ভাবতাম হয়তো না খেতে পেরে মারা গেছে।”

এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বন কর্মকর্তা বদিউজ্জামান খান বলেন,

“ওর মতো করে ওকে থাকতে দিন। আমরা এখন আর ওদিকে হস্তক্ষেপ করব না। যেহেতু বকটি কোথাও যাচ্ছে না এবং বাইরে থেকে খাবারও নিচ্ছে না, তাই আপাতত হেমায়েতের কাছেই থাকুক। সময় হলে স্বাভাবিকভাবেই উড়ে যাবে।”

মানুষ ও পাখির এই ব্যতিক্রমী বন্ধুত্বের গল্প এখন শুধু বাউফল নয়, পুরো পটুয়াখালী জুড়েই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।


লেখক: মো. আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পবিপ্রবিতে নিয়োগ ও পদোন্নতি অনিয়মে দুদকের অভিযান

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পবিপ্রবির রেজিস্ট্রার দপ্তর ও প্রশাসনিক অফিসে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

দুদকের পটুয়াখালী জেলা সমন্বিত দপ্তরের সহকারী পরিচালক তাপস বিশ্বাস নেতৃত্বে দলের সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নথি, পদোন্নতি ও নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র জব্দ করেন। অভিযানের মূল অভিযোগের বিষয় ছিল প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ এবং মো. কবির শিকদার-এর নিয়োগ ও পদোন্নতিতে নিয়মবিধি লঙ্ঘনের সম্ভাবনা।

দুদক কর্মকর্তা তাপস বিশ্বাস জানান, প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী কিছু কর্মকর্তা পদোন্নতি গ্রহণের সময় নিয়মবিধি মেনে চলেননি এবং কিছু সনদ যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযান চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মচারীদের একাংশ দুদকের এই পদক্ষেপকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালীতে আইডিইবি’র ২৩ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন

পটুয়াখালীতে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) জেলা শাখার ২৩ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী কবির হোসেন কমিটির অনুমোদন দেন।

নতুন কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম, এবং সদস্য সচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন প্রকৌশলী নাজমুল আহসান মুন্না

কমিটির অন্য গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীগণ হলেন:

  • সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক: প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেন
  • যুগ্ম আহ্ব্যক: প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির সোহাগ, প্রকৌশলী মো. ইব্রাহীম খলিল
  • যুগ্ম সদস্য সচিব: প্রকৌশলী মো. সোয়েব মাহমুদ, প্রকৌশলী মশিউর রহমান খান সৈকত

বিভিন্ন দায়িত্বের জন্য কমিটিতে আরও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন:

  • অর্থ বিষয়ক: প্রকৌশলী মো. মাইনুল ইসলাম
  • সাংগঠনিক: প্রকৌশলী এস. এম. সাব্বির আহমদ অভি
  • চাকরি বিষয়ক: প্রকৌশলী বিশ্বদেব বিশ্বাস
  • গ্রন্থাগার ও দপ্তর: প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান
  • জনসংযোগ ও প্রচার: প্রকৌশলী লিটন চন্দ্র বার
  • সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা: প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম নাহিদ
  • সমাজকল্যাণ: প্রকৌশলী মিজানুর রহমান
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম
  • তথ্য ও গবেষণা: প্রকৌশলী মো. ইব্রাহীম
  • মহিলা ও পরিবার কল্যাণ: প্রকৌশলী তানজিলা আক্তার
  • শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম
  • ছাত্র বিষয়ক: প্রকৌশলী সোয়েবুর রহমান

নির্বাহী সদস্য হিসেবে কমিটিতে যুক্ত হয়েছেন:
প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান হাবিব, প্রকৌশলী আল আমিন সুমন, প্রকৌশলী মুরাদ মোল্লা, এবং প্রকৌশলী মিরাজ মোর্শেদ

কমিটির লক্ষ্য হলো পটুয়াখালী জেলা শাখার কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করা এবং সদস্যদের মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে প্রফেশনাল ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বাউফলের বকটি অবমুক্ত, কিন্তু খাবারে অনীহা

পটুয়াখালীর বাউফলে চার মাস আগে ঝড়ের সময় আহত হওয়া বকের ছানাটি অবশেষে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে। তবে অবমুক্তির পর থেকে বকটি কিছু খাচ্ছে না এবং স্থিরভাবে গাছের উপর দাঁড়িয়ে আছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বাউফল উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর বাজার সংলগ্ন ‘বকের বাড়ি’ নামক স্থানে বকটিকে অবমুক্ত করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে ঝড়ের সময় বকের ছানাটি পড়ে যায়। তখন একটি গুইসাপ সেটিকে আক্রমণ করলে স্থানীয় ব্যবসায়ী হেমায়েত উদ্দিন এগিয়ে এসে বকটিকে উদ্ধার করেন। নিজের সন্তানের মতো পরিচর্যা করে সুস্থ করে তোলার পর বকটি হেমায়েত উদ্দিনের দোকানে বসবাস করছিল।

বকটির সঙ্গে দোকানদারের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। বিষয়টি নজরে আসার পর বন বিভাগ ও প্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তারা হেমায়েত উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করে। বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ আইনের আওতায় কোনো বন্য পাখিকে দীর্ঘদিন গৃহপালিত অবস্থায় রাখা যায় না, তাই বকটিকে অবমুক্ত করা হয়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অবমুক্তির পর থেকে বকটি খাবারে অনীহা প্রকাশ করছে। তারা বলেন, “বকটি যেন নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছে না। দোকানদারের সঙ্গে তার যে সম্পর্ক ছিল, সেটির অভাব বোধ করছে।”

দোকানদার মো. হেমায়েত উদ্দিন বলেন, “আমি আইনকে শ্রদ্ধা করি। বন বিভাগের কর্মকর্তারা মিডিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমার কাছে আসেন। বকটিকে অবমুক্ত করার চেষ্টা করলেও সেটি উড়তে চায়নি। পরে যেখান থেকে উদ্ধার করেছি সেই গাছেই সেটিকে অবমুক্ত করা হয়। কিন্তু গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত বকটি কিছু খায়নি। আমার কাছে থাকলে নিয়মিত খাওয়াতে পারতাম। আরেকটু বড় হলে তখন অবমুক্ত করলে ভালো হতো।”

বন বিভাগের কর্মকর্তা বদিউজ্জামান খান জানান, “বকটি নির্দিষ্ট স্থানে লালন-পালন করা হয়েছে। তাই অন্য কোথাও অবমুক্ত করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে ‘বকের বাড়ি’ গাছটিতে অবমুক্ত করা হয়েছে। আমরা খাবারের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি, কিন্তু আইনগতভাবে লালন-পালনের সুযোগ নেই।”

এ ঘটনায় স্থানীয়রা আশা করছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বকটি নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেবে এবং খাবারে আগ্রহ ফিরে আসবে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পবিপ্রবির নতুন বাস-শেডে উদ্বোধনের আগেই ফাটল

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) বরিশাল ক্যাম্পাসে সদ্য নির্মিত টিনের ছাউনিযুক্ত বাস-শেড উদ্বোধনের আগেই একটি অংশে ফাটল ও মেঝের স্ল্যাব ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নির্মাণের মান ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই বাস-শেড নির্মাণের জন্য প্রায় ১৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে উদ্বোধনের আগেই স্ল্যাব ভেঙে পড়ায় প্রকল্পের গুণগত মান নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে থাকা দুর্বল কংক্রিট, খোয়া ও মরিচা ধরা রডের টুকরো নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলছেন, নতুন স্থাপনার এমন পরিণতি চরম উদ্বেগজনক। এটি ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য নির্মাণ প্রকল্পের মান নিয়েও সন্দেহ সৃষ্টি করছে।

ফাটল ও ভাঙচুরের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্ল্যাব পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। ঠিকাদার আব্দুল হালিম জানান, “সাধারণত নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর ২৭ দিন পর্যন্ত ব্যবহার না করার নির্দেশনা থাকে। কিন্তু ভারী পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে স্ল্যাবের এক পাশে ক্ষতি হয়েছে।”

নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, “শুরুর দিকে কিছু পুরোনো ইট ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে অভিযোগ পাওয়ার পর তা বন্ধ করা হয়েছে।”

মনিটরিং কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. আহসানুর রেজা বলেন, “নিম্নমানের ইট ব্যবহারের বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। কাজ বন্ধ করা হয়েছে। স্ল্যাব ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি দ্রুত ঠিক করার ব্যবস্থা করা হবে।”

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, এই ধরনের নির্মাণ ত্রুটি ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হতে পারে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




লোহালিয়ায় সাক্ষী হত্যা: বিএনপি নেতা নিহত, পুলিশ আহত

পটুয়াখালীর লোহালিয়া ইউনিয়নে ধর্ষণ মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হওয়ার কারণে স্থানীয় বিএনপি নেতা মফিজুল মৃধাকে (৩৮) কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করার সময় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনা ঘটেছে সদর উপজেলার পালপাড়া বাজারে, গত ৮ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে। নিহত মফিজুল স্থানীয় বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

মফিজুল সম্প্রতি এলাকার এক ধর্ষণ মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিলেন। ক্ষুব্ধ প্রতিপক্ষ সোহাগ মাঝি ও তার সহযোগীরা রাতের বেলায় বাজার এলাকায় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার পাশাপাশি বাজারে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসীরা পুলিশের ওপরও হামলা চালায়। এতে আহত হন এএসআই জহির, এসআই আবদুর রহমান, কনস্টেবল মহিবুল্লাহ, রানা ও সাইফুল ইসলাম। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মফিজুলকে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। আইসিইউতে টানা ২০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

নিহতের পরিবার ও স্বজনদের বক্তব্য:

  • স্ত্রী রাবেয়া খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার স্বামী অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিল বলেই ওরা তাকে হত্যা করেছে। ওর কোনো দোষ ছিল না। আমার দুই মেয়ে মিম আর ফাতিমা এখন কাকে বাবা বলবে?”
  • বোন সোনিয়া আক্তার বলেন, “ভাইকে আগেও হুমকি দিয়েছিল তারা। পুলিশকে জানালেও কেউ গুরুত্ব দেয়নি। আজ আমার ভাই নেই।”
  • মা আকলিমা বেগম বলেন, “ছেলেকে মানুষ করেছি সৎ পথে চলার জন্য। ন্যায়ের পাশে থাকায় আজ তার প্রাণ গেল।”

পুলিশ অভিযান চালিয়ে আমিনুল হক চৌধুরী (৪৫), পলাশ হাওলাদার (২৫) ও রমজান আলী (৬৫) নামে তিনজনকে আটক করেছে।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, “ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্য দেয়ার কারণে এবং স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আলাদা মামলা দায়ের করা হয়েছে।”


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



কুয়াকাটায় ডেঙ্গুতে আবারও দুইজনের মৃত্যু, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও দুই ব্যক্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এ নিয়ে এলাকায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ জনে।

রবিবার (২৬ অক্টোবর) রাতে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খাজুরা এলাকার নুরজামাল ফকির ও মিশ্রীপাড়া এলাকার হাবিব। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লতাচাপলী ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য রাহিমা আক্তার রূপা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা প্রথমে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনেরই মৃত্যু হয়।

এর আগে গত ১৩ অক্টোবর মহিপুর এলাকায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুই নারী, এক শিশু ও এক অন্তঃসত্ত্বাসহ চারজনের মৃত্যু হয়। অন্তঃসত্ত্বা ওই নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন।

বর্তমানে মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারী বলেন,
“ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রচারণা চালাচ্ছি এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছি। সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের খবর মহিপুর ও কুয়াকাটা এলাকা থেকে আসছে।”

অপরদিকে, কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাওসার হামিদ জানান,
“ডেঙ্গুতে মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফগার মেশিন দিয়ে মশা নিধন কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বাড়িঘর ও ড্রেন পরিষ্কার রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

এদিকে, এলাকাজুড়ে ডেঙ্গু আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে কুয়াকাটা ও আশপাশের অঞ্চলে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আরও বিস্তৃত হতে পারে।


আল-আমিন



পবিপ্রবিতে উৎসবমুখর আন্তঃসৃজনী বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য আন্তঃসৃজনী বিজ্ঞান মেলা। সোমবার সকাল থেকে সৃজনীবিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণজুড়ে ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়— ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা একটি গ্রুপে, আর নবম থেকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অন্য গ্রুপে। মেলা ঘুরে দেখা যায়, ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা বিকল্প উপায়ে প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন, রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং, আগ্নেয়গিরির প্রকৃতি, পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ ১২টি উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শন করেছে।

দর্শনার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকরাও মেলা পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগ ও সৃজনশীলতার প্রশংসা করেন। এ সময় শিশুদের চোখে-মুখে ছিল ভবিষ্যতের বিজ্ঞানী হয়ে ওঠার স্বপ্ন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সৃজনীবিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন। তিনি বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানের প্রতি আরও আগ্রহী হতে হবে। উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণার মাধ্যমেই দেশ এগিয়ে যাবে। শিক্ষকদেরও ব্যবহারিক বিজ্ঞানের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পারভীন নাহার, সৃজনী সংসদের উপদেষ্টা শফিউল রাজিব, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল হুদা রিফাত এবং সদস্য রাজিবুল ইসলাম রন্টি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শিক্ষক সুজন মরগান

মেলার শেষে শ্রেষ্ঠ প্রকল্প উপস্থাপকদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা। দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এই বিজ্ঞান মেলা শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী দক্ষতা, কৌতূহল ও সৃজনশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালী জুড়ে অনুমোদনহীন ক্লিনিকের রাজত্ব, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে লাখো মানুষ

পটুয়াখালী জেলায় স্বাস্থ্যসেবার নামে চলছে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির মহোৎসব। জেলায় দিন দিন গজিয়ে উঠছে অসংখ্য বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। কিন্তু এর বড় একটি অংশই পরিচালিত হচ্ছে সরকারি অনুমোদন বা নবায়ন ছাড়াই। ফলে প্রতিদিন হাজারো মানুষ পড়ছেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পটুয়াখালীতে বর্তমানে ২৪০টি বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৮১টির লাইসেন্স বৈধ। বাকি ১৫৯টি প্রতিষ্ঠান কোনো অনুমোদন ছাড়াই বছরের পর বছর রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকদের অধিকাংশই সরকারি চিকিৎসক বা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রভাবশালী কর্মকর্তারা। সরকারি দায়িত্বে থেকে ব্যক্তিগত ক্লিনিক চালিয়ে তারা গড়ে তুলেছেন বিপুল সম্পদ, বিলাসবহুল বাড়ি এবং অ্যাপার্টমেন্ট।

সরকারি হাসপাতালে রোগীরা গেলে, অনেক চিকিৎসক নানা অজুহাতে তাদের নিজেদের ক্লিনিকে পাঠান। সেখানে চিকিৎসা বা সিজার অপারেশনের নামে গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। এতে একদিকে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হচ্ছেন, অন্যদিকে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাও ধীরে ধীরে অকার্যকর হয়ে পড়ছে।

পটুয়াখালী পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় “পটুয়াখালী ইসলামী চক্ষু হাসপাতাল” নামের একটি প্রতিষ্ঠান কোনো অনুমোদন ছাড়াই তিন বছর ধরে চোখের অপারেশন করছে। মাসে ৩০ থেকে ৫০ জন রোগীর চোখের সার্জারি করা হয় বলে স্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া শহরের বাধঘাট এলাকায় অবস্থিত “পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার”-এ এমবিবিএস চিকিৎসক না থাকলেও একজন ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী নারী রোগী দেখছেন, প্রেসক্রিপশন দিচ্ছেন এমনকি অ্যান্টিবায়োটিকও লিখছেন। ল্যাব টেকনিশিয়ান বা টেকনোলজিস্টও সেখানে স্থায়ীভাবে পাওয়া যায়নি।

প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. সুমন বলেন, “আমরা ছোট পরিসরে ব্যবসা করছি। আত্মীয় এমবিবিএস পাশ করেছে, তাকে বসাবো শিগগিরই।”

গলাচিপা উপজেলা হাসপাতাল রোডে “নিউ লাইফ ক্লিনিক” নামের প্রতিষ্ঠানের ভবনের সামনে দুর্গন্ধযুক্ত নর্দমা সংলগ্ন পুকুর রয়েছে। পাশাপাশি এটির অনুমোদনের মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে গত অর্থবছরে।

রোগী হামিদা বেগম বলেন, “বাধঘাটের পপুলার ডায়াগনস্টিকে রক্ত পরীক্ষা করাই, রিপোর্ট ভুল আসায় ঢাকায় গিয়ে দেখি সেটি ভুয়া। এতে আমি বিপাকে পড়েছি।”

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, “বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে অনিয়ম পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনুমোদনহীনভাবে রোগী ভর্তি বা চিকিৎসা আইন লঙ্ঘন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. খালিদুর রহমান মিয়া জানান, “আমরা ইতোমধ্যে চারটি উপজেলার তথ্য সংগ্রহ করেছি। বাকিগুলোর কাজ শেষ করেই অভিযানে নামবো। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

পটুয়াখালী জুড়ে এভাবে অনুমোদনবিহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বেপরোয়া কার্যক্রমের কারণে সাধারণ মানুষ আজ মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে অভিযানের মাধ্যমে এসব অনিয়ম বন্ধ না হলে স্বাস্থ্যসেবা খাত পুরোপুরি অরাজকতায় নেমে যেতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম