ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় উজিরপুর সেতু, বালুর বস্তায় ঠেকিয়ে চলছে যানচলাচল

বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল উজিরপুরের সেতুটি এখন মারাত্মক ঝুঁকিতে। সেতুর নিচের তিনটি গার্ডারের মধ্যে দুটি গার্ডারে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে যেকোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিন শত শত যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, পিকআপ ও মোটরসাইকেল সেতুটি পারাপার হচ্ছে। ফাটল ধরা গার্ডারগুলো বালুর বস্তা দিয়ে সাময়িকভাবে ঠেকিয়ে রেখেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)। তবে এই ব্যবস্থায় নিরাপত্তা নিশ্চিত নয় বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় ভ্যানচালক জুলহাস বলেন, “দেশ স্বাধীন হওয়ার আগেই সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে কোনো সংস্কার হয়নি। এখন নিচের মাটি সরে গেছে, পাশে বড় গর্ত হয়েছে। ছোট গাড়ি গেলেও সেতু কেঁপে ওঠে।”

আরেক বাসিন্দা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে এই রুটে ভারী যানবাহনের চাপ বেড়েছে। সেতুটি যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। আমরা আতঙ্কে আছি।”

সওজ সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে সেতুতে ফাটল দেখা দেওয়ার পর কর্মকর্তারা পরিদর্শনে যান। পরে তারা গার্ডারের নিচে বালুর বস্তা ফেলে সেতুটি সাময়িকভাবে সচল রাখেন।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী শাহীন খান বলেন, “সেতুর দুই পাশের মাটি নদীর স্রোতে ক্ষয় হয়ে গেছে। ফলে গার্ডারে অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। আপাতত বালুর বস্তা দিয়ে সেতুটি সচল রাখা হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হলে স্থায়ী সংস্কার কাজ শুরু হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু না হলে সেতুটি ধসে পড়লে বন্ধ হয়ে যেতে পারে ঢাকা থেকে বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠিসহ পুরো দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালের ১৭শ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজ থমকে, ভোগান্তিতে দক্ষিণাঞ্চল

বরিশাল অঞ্চলের প্রায় ১৭শ কিলোমিটার সড়ক ও মহাসড়কের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে আছে। নজিরবিহীন বর্ষণ, বাজেট ঘাটতি ও প্রশাসনিক জটিলতায় দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার অবস্থা এখন চরম নাজুক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বরিশাল-ফরিদপুর-ঢাকা এবং বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কসহ বরিশাল-ঝালকাঠি-রাজাপুর-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কগুলোতে মেরামত ও পুনর্বাসন কাজ শুরুই হয়নি। অথচ প্রতিদিন এসব সড়কে ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি পণ্যবাহী যানবাহন চলছে। বিশেষ করে ২০২২ সালের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর যানবাহন চলাচল তিনগুণ বেড়ে গেছে। পায়রা বন্দর চালুর পর প্রতিদিনই ৩৫-৪০ টন ওজনের কনটেইনারবাহী ট্রেইলার চলাচল করছে, কিন্তু সে অনুযায়ী সড়কের সক্ষমতা বাড়েনি।

বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানিয়েছে, তহবিল সংকটে জোড়াতালি দিয়ে কিছু এলাকায় চলাচল সচল রাখার চেষ্টা চলছে। তবে বড় ধরনের মেরামত কার্যক্রম প্রায় বন্ধ। ১৯৬০-এর দশকে নির্মিত এসব সড়কের বহনক্ষমতা তখনকার তুলনায় অনেক কম থাকায় বর্তমানে তা প্রায় অচল।

ইতোমধ্যে বরিশাল-ফরিদপুর-ঢাকা মহাসড়কের কিছু অংশে (গড়িয়ার পাড় থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার এবং জয়শ্রী থেকে কাসেমাবাদ পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার) পুনর্বাসন ও প্রসারিতকরণের জন্য দরপত্র মূল্যায়ন শেষ হয়েছে। প্রায় ১৪ কোটি টাকার এই প্রকল্প মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

অন্যদিকে বরিশাল-ঝালকাঠি-রাজাপুর-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের ১৮ কিলোমিটার অংশে ১৮ কোটি টাকার মেরামত প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়। এই মহাসড়ক দিয়েই চট্টগ্রাম, ভোলা, খুলনা ও মোংলা বন্দরের সাথে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ নির্ভরশীল।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় মোড় থেকে ভোলা লিংক রোড পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার অংশে মেরামতের কাজ শিগগিরই শুরু হচ্ছে। এছাড়া ভুরঘাটা থেকে মোস্তফাপুর পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার ও মোস্তফাপুর থেকে টেকেরহাট পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারেও প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে। টেকেরহাট থেকে ভাংগা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার অংশে ৭০ কোটি টাকার সংস্কারকাজ চলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বরিশাল-ফরিদপুর-ঢাকা মহাসড়কের ভাংগা পর্যন্ত ৯১ কিলোমিটার অংশ সচল না থাকলে তা শুধু দক্ষিণাঞ্চল নয়, সারাদেশের অর্থনীতিতেও বিরূপ প্রভাব ফেলবে।

বরিশাল সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এবারের অতিবৃষ্টি দেশের ৮ নম্বর জাতীয় মহাসড়কসহ প্রায় সব সড়কের ক্ষতি করেছে। ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থে সড়ক প্রশস্তকরণের পরিকল্পনা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া ঝুলে আছে। ফলে ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি।

এ অবস্থায় দ্রুত মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ ছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




১৩৩ বছরের পুরোনো পটুয়াখালী পৌরসভায় আবর্জনার ডাম্পিং স্টেশন নেই

১৩৩ বছরের পুরোনো পটুয়াখালী পৌরসভা আজও আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় স্থায়ী সমাধান পায়নি। শহরের কোথাও নেই নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশন। ফলে প্রতিদিনের বাসা-বাড়ি, দোকানপাট এমনকি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের মেডিকেল বর্জ্যও ফেলা হচ্ছে উন্মুক্ত স্থানে, নদীর তীরে। এতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন পৌর নাগরিকরা।

পৌর শহরের লোহালিয়া নদীর পাড়েই এখন আবর্জনার পাহাড়। সেখানে গৃহস্থালির ময়লার সঙ্গে ফেলা হচ্ছে ইনজেকশন, সিরিঞ্জ, ব্যান্ডেজ, প্লাস্টিক ও বিভিন্ন দূষিত বর্জ্য। বাতাসে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ, দূষিত হচ্ছে নদীর পানি। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বিষয়টি জানলেও পৌর কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি

বাসিন্দারা জানান, “ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় সবাই নদীর ধারে ফেলে দেয়। এতে পানি দূষিত হচ্ছে, দুর্গন্ধে থাকা দায়।” কেউ কেউ বলেন, “ছোট বাচ্চারা এই জায়গায় খেলে, তাতে সংক্রমণের আশঙ্কা আরও বাড়ছে।”

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জিয়াউল করিম বলেন,
“মেডিকেল বর্জ্য অত্যন্ত সংক্রামক। এটি সাধারণ বর্জ্যের সঙ্গে মেশানো বা উন্মুক্ত স্থানে ফেলা হলে ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।”

এ বিষয়ে পটুয়াখালী পৌর প্রশাসক জুয়েল রানা বলেন,
“আমরা সমস্যাটি জানি। মেডিকেল বর্জ্যের জন্য আলাদা পরিবহন ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি একটি আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জায়গা নির্ধারণ ও প্রাথমিক কাজ চলছে।”

এদিকে স্থানীয় পরিবেশবাদীরা বলছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে নদী ও পরিবেশের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে। তারা বলেন, “যেভাবে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে, তাতে লোহালিয়া নদী একদিন সম্পূর্ণ মৃতপ্রায় হয়ে যাবে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




কুয়াকাটায় আলোচিত সরদার মার্কেট অপসারণে পৌরসভার নির্দেশ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের আলোচিত ও ঝুঁকিপূর্ণ সরদার মার্কেট ৭ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে কুয়াকাটা পৌরসভা প্রশাসন।

গত ৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক সরদার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিতে মার্কেটটিকে অনুমোদনবিহীন, বিপজ্জনক এবং আইন ও জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, হাইকোর্টের রিট পিটিশনের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বেড়িবাঁধের বাইরে প্রায় ৪০ ফুট উঁচু লোহার পাইপের ওপর তিনতলা স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে, যা ইমারত নির্মাণ আইন, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করছে।

স্থানীয়রা জানান, জোয়ারের সময় মার্কেটটির নিচ পর্যন্ত উঠে আসে সাগরের পানি। দোকানিদের ভাষায়, “ঢেউ এলেই মনে হয় এখনই সব ভেসে যাবে।” ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যেই চলছে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য।

সরদার মার্কেটের মালিক সাজেদুল ইসলাম হিরু মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে গণমাধ্যমে আগের এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, “এটি আমার মালিকানাধীন জমি। প্রকৌশলীর পরামর্শ নিয়েই নির্মাণ করেছি। আদালতেরও একটি আদেশ আছে। তবে সাগর এতটা ভেতরে আসবে ভাবিনি, এখন বিপুল বিনিয়োগ নিয়ে বিপদে আছি।”

এ বিষয়ে কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদ বলেন,
“আমরা বিচ পরিদর্শন করেছি। এটি অনুমোদনহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা, যা পর্যটকদের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিকভাবে অপসারণের নোটিশ দেওয়া হয়েছে, এরপর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় পর্যটক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, এমন স্থাপনা কুয়াকাটা সৈকতের সৌন্দর্য ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। তাই দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

মো: আল-আমিন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




কাশিমপুর কারাগারে অসুস্থ পটুয়াখালীর সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় পটুয়াখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বুধবার (৩০ অক্টোবর) গভীর রাতে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন বলে জানা গেছে।

তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে।

তার বড় ভাই মো. আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, “বর্তমানে আগের তুলনায় তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।”

প্রসঙ্গত, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসার সামনে থেকে মহিউদ্দিন আহমেদকে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট গ্রেফতার করে।

তিনি জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার বাড্ডায় ছাত্রজনতার ওপর হামলায় সিরাজুল ইসলাম বেপারি নিহতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার আসামি।

বর্তমানে তার চিকিৎসা সুষ্ঠুভাবে চলছে এবং হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে।

 

আল-আমিন



‘আমার জীবনের কোনো কিছুই ভুল নয়’ — প্রাক্তন ও সন্তানের প্রসঙ্গে খোলামেলা পরীমণি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমণি। কাজের চেয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই বেশি আলোচনায় থাকেন তিনি। নিজের ইচ্ছেমতো বাঁচার দর্শনেই জীবন কাটান এই নায়িকা, তাই তাকে ঘিরে যত গুঞ্জনই উঠুক, তাতে বিন্দুমাত্র ভ্রূক্ষেপ করেন না।

একাধিকবার বিয়ে করেছেন পরীমণি। সর্বশেষ অভিনেতা শরীফুল রাজের সঙ্গে সংসার গড়েছিলেন, আর এই সংসারে জন্ম নেয় পুত্রসন্তান পূণ্য। তবে সেই সম্পর্কও টেকেনি। সম্প্রতি মাছরাঙা টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’-তে প্রেম, বিয়ে, বিচ্ছেদ ও মাতৃত্ব নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই অভিনেত্রী।

অনুষ্ঠানে সঞ্চালক জানতে চান, “তোমার কি মনে হয় বিয়েটা ভুল ছিল?”
জবাবে পরীমণি বলেন,

“না, আমার জীবনের কোনো কিছুই ভুল না। সবই অভিজ্ঞতা। ভুল বলার কিছুই নেই।”

এরপর সঞ্চালক বলেন, “আমার মনে হয়, পূণ্য থাকার কারণে হয়তো এমন বলছো।”
জবাবে পরীমণি বলেন,

“না, ও না থাকলেও একই কথা বলতাম। আমার কোনো প্রাক্তনের সঙ্গে এমন পর্যায় আসেনি, যেখানে গালাগালির মধ্যে যেতে হয়েছে।”

বিয়ের সম্পর্ক ভাঙার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন,

“আমরা দুই পক্ষ বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম—এটা আর এগোবে না। খুব সম্মানজনক জায়গায় থেকেই আলাদা হয়েছি। ভবিষ্যতে কোথাও দেখা হলে যেন অস্বস্তি না হয়, সেই জায়গাটা বজায় রাখতে চেয়েছি।”

তবে বিচ্ছেদের পরও কিছু কষ্ট রয়ে গেছে তার মনে। পরীমণি বলেন,

“যে প্রাক্তনের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি সম্মান পাওয়ার কথা ছিল, সেখান থেকেই সবচেয়ে বেশি অপমানিত হয়েছি। এই বিচ্ছেদটা আরও সুন্দরভাবে হতে পারত।”

সঞ্চালক যখন জানতে চান রাজ কি সন্তানের খোঁজখবর রাখেন—তখন পরীমণি বলেন,

“আমি তো কোথাও শুনিনি। উনি ভুলেই গেছেন, উনার একটা বাচ্চা আছে। কেউ কেউ বলেন, আমি যোগাযোগ করতে দিই না—এসব সম্পূর্ণ ভুল। আমি সব কিছু ক্লিয়ার রেখে গিয়েছি। আমি চাই না আমার সন্তান কখনো আমার দিকে আঙুল তুলে কিছু বলুক।”

তিনি আরও বলেন,

“আমার সন্তানের দাদা-দাদি আছেন, তারা কেন খোঁজ নেন না? পূণ্য অসুস্থ হলে একটা ফোনও দেয় না। রক্তের সম্পর্ক কি এভাবে মুছে যায়?”

মাতৃত্বকে জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হিসেবে দেখেন পরীমণি। তার ভাষায়,

“মাদারহুডে আমি ফেল করতে চাই না। আমার সন্তান যেন কোনোদিন মায়ের প্রতি হতাশ না হয়, সেই চেষ্টাই করছি।”

এই সাক্ষাৎকারে পরীমণি আবারও প্রমাণ করেছেন—তিনি যেমন খোলামেলা, তেমনি নিজের সত্য বলতে সাহসীও।

 

আল-আমিন



বাউফলে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিতে পথসভা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালীর বাউফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিতের লক্ষ্যে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর বাজারে এ পথসভা আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাউফলের সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার। সভার সভাপতিত্ব করেন বাউফল গার্লস হাইস্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসেন

পথসভায় সহিদুল আলম তালুকদার বলেন, “আমি সারাজীবন মানুষের পাশে থেকেছি, সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিয়েছি। রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার প্রতিযোগিতা নয়— এটি মানুষের সেবা ও ভালোবাসা অর্জনের পথ।”

তিনি আরও বলেন, “আজ দেশ এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে, যেখানে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া অপরিহার্য। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গঠিত এই দল মানুষের মুক্তির প্রতীক। ধানের শীষ মানে স্বাধীনতার প্রতীক, মানুষের অধিকারের প্রতীক। তাই আসুন, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই— এই প্রতীকের বিজয়ই হবে মানুষের বিজয়।”

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, “আগামী দিনে যদি সুযোগ পাই, আগের মতোই আপনাদের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে কাজ করে যাব। আমি কথা দিচ্ছি, এই অঞ্চলের প্রতিটি মানুষের কল্যাণে জীবন উৎসর্গ করবো।”

পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাউফল পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহজাহান হাওলাদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য অধ্যাপক মাসুদুর রহমান, এবং উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গাজী গিয়াস প্রমুখ।

নেতাকর্মীরা বলেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা ছাড়া বিকল্প নেই। তারা জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দুমকি সরকারি জনতা কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল (ছাত্রদল) কেন্দ্রীয় সংসদের অনুমোদনে পটুয়াখালীর দুমকি সরকারি জনতা কলেজ শাখার নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রকাশিত আংশিক কমিটিতে আরিফুল রহমানকে সভাপতি এবং আল-আমিনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের যৌথ স্বাক্ষরে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।


ঘোষিত আংশিক কমিটিতে যারা দায়িত্ব পেয়েছেন

সিনিয়র সহ-সভাপতি — মো. আবু ঈসা
সহ-সভাপতি — মো. শফিকুল ইসলাম ইমরান, মো. নাঈম মৃধা, মো. রাহাত শিকদার, মো. রাকিব হোসেন, মাইনুল ইসলাম আকাশ
সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক — মো. খালিদ হাসান
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক — মো. মিরাজ, মো. আমিনুল ইসলাম
সাংগঠনিক সম্পাদক — মো. বাইজীদ শুভ
দপ্তর সম্পাদক — মো. আবু রাফি
প্রচার সম্পাদক — জুবায়ের হোসেন আব্দুল্লাহ
ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক — মোসা. সাবেকুন্নাহার
সদস্য — মো. আরিয়ান ইসলাম অভি, মো. সানাউল্লাহ হাওলাদার, মো. রফিক খান


কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে নবগঠিত এই আংশিক কমিটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে সংগঠনের সকল কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ জানান, তারা দুমকি সরকারি জনতা কলেজে ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও সক্রিয়, ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।


রিপোর্টার: মো. আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দুমকিতে ৩২ লাখ টাকার সেতু দুই বছরেও ব্যবহারের অনুপযোগী, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে মানুষ

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের আসুরিয়ার সোতা খালের ওপর ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি বক্স কালভার্ট সেতু দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো ব্যবহার উপযোগী হয়নি। সেতুর দুই প্রান্তে সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে বাঁশ ও কাঠের মই ব্যবহার করে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রায় দুই বছর আগে সেতুটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে। কিন্তু অ্যাপ্রোচ রোড না থাকায় এটি আজও অকেজো পড়ে আছে। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগী ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে মই বেয়ে পার হওয়া হয়ে ওঠে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

স্থানীয় বাসিন্দা তৈয়ব আলী হাওলাদার বলেন, “৩২ লাখ টাকা খরচ করে সেতু বানানো হলেও আমাদের কোনো উপকার হচ্ছে না। প্রতিদিনই বাঁশের মই বেয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।” একই অভিযোগ করেন গৃহবধূ তাসলিমা বেগম। তিনি বলেন, “বৃষ্টি হলে মই পিচ্ছিল হয়ে পড়ে। তখন শিশুদের নিয়ে পার হওয়া খুব বিপদজনক হয়ে যায়।”

শ্রীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজাহার আলী মৃধা বলেন, “বিষয়টি আমরা এলজিইডি কার্যালয় ও ঠিকাদারকে জানিয়েছি। শিগগিরই অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণের কাজ শুরু হবে।”

ঠিকাদার মো. ইমরান হোসেন জানান, “বর্ষার সময় মাটির সংকটের কারণে রাস্তাটি করা সম্ভব হয়নি। এখন শুকনো মৌসুমে কাজ শুরু করা হবে।”

দুমকি উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “সেতুর মূল কাঠামো সম্পন্ন হলেও বর্ষার কারণে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা যায়নি। ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

স্থানীয়দের দাবি—দ্রুত অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ করে সেতুটি চালু করা হোক, যাতে জনসাধারণের ভোগান্তির অবসান হয়।


আল-আমিন

 




৪ নভেম্বর থেকে কুয়াকাটা সৈকতে শুরু হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব

ভক্তিমুখর আবহে আসছে শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব। পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব রাস পূর্ণিমা ও রাসমেলা। চার দিনব্যাপী এই উৎসব চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

কার্তিক মাসের পূর্ণিমা তিথিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলা ও লক্ষ্মীপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রতিবছর এ উৎসব পালিত হয়। এটি কুয়াকাটার সৈকতে অনুষ্ঠিত সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন হিসেবে পরিচিত।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে আয়োজকরা জানান, এ বছরও শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির ও তীর্থযাত্রী সেবাশ্রমের আয়োজনে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্দির ও তীর্থযাত্রী সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নীহার রঞ্জন মণ্ডল

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ইয়াসিন সাদেক, ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, এবং মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহমুদ হাসান। এছাড়াও রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় রাস উৎসব ও মেলা চলাকালীন নিরাপত্তা, যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যসেবা, স্যানিটেশন, আবাসন ব্যবস্থা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইঞ্জিনিয়ার নীহার রঞ্জন মণ্ডল বলেন, “রাস পূজা এখন শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি কুয়াকাটার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক। এখানে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষ একত্র হয়ে আনন্দ ভাগ করে নেয়। এতে পর্যটন শিল্প ও স্থানীয় অর্থনীতি প্রাণ ফিরে পায়।”

ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, “রাস উৎসবকে ঘিরে কুয়াকাটায় বিপুল জনসমাগম হয়। এজন্য আমরা বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। জেলা ও থানা পুলিশ, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও প্রশাসনের সমন্বয়ে বহিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় গঠন করা হয়েছে।”

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ বলেন, “রাস উৎসব শুধু ধর্মীয় নয়, এটি কুয়াকাটার একটি সর্বজনীন সাংস্কৃতিক উৎসব। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দর্শনার্থী ও ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”

প্রতি বছর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে হাজারো ভক্ত, সাধু, সন্ন্যাসী ও দর্শনার্থী কুয়াকাটা সৈকতে সমবেত হন। ভোরবেলা তারা গঙ্গাস্নান ও পূজা-অর্চনায় অংশ নেন। ফলে সমুদ্র তীর জুড়ে সৃষ্টি হয় এক অনন্য ধর্মীয় ও আনন্দঘন পরিবেশ।

কুয়াকাটা এখন প্রস্তুত ভক্তি, আনন্দ ও মিলনের এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবকে বরণ করে নিতে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম