পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার করতেই হবে: প্রধান উপদেষ্টা

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন শহীদ সেনা পরিবারের সদস্যরা। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তারা এই দাবি জানান। পাশাপাশি, ২৫ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ সেনা দিবস হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত না হওয়ার বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “এতো বছর ধরে এই হত্যাকাণ্ডের তথ্য গোপন রাখা অবিশ্বাস্য।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের যতোটুকু সক্ষমতা আছে, আমরা সমস্ত তথ্য প্রকাশ করব এবং দ্রুত এই ঘটনার তথ্য একত্রিত করতে হবে। সারাদেশের মানুষ এই হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী, এবং জাতির পক্ষ থেকে আমাদের এই হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে হবে।”
শহীদ পরিবারের সদস্যরা তাদের দুঃখ-দুর্দশা ও সরকার পক্ষ থেকে তাদের ওপর যে মানসিক নিপীড়ন ও হয়রানি করা হয়েছে তা বর্ণনা করেন। তারা জানান, বিচারের দাবিতে তাদের উপর নানা অত্যাচার করা হয়েছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডে শহীদ পরিবারদের পুর্নবাসন বিষয়ে যে প্রচারণা চালানো হয়েছিল তা মিথ্যা ছিল এবং সেখানে কোন শহীদ পরিবারকে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।
এসময় শহীদ পরিবারের সদস্যরা জানান, শহীদ পরিবারগুলোর সন্তানদের বিনা বেতনে লেখাপড়া এবং অন্যান্য প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, শিল্প ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদসহ অনেকে।








