খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে আহত বিএনপি নেতা সোহেল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া গাড়িবহরে পায়ে আঘাত পেয়েছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, গুলশান অ্যাভিনিউতে চেয়ারপারসনের গাড়ির পেছনের চাকা উঠে যায় দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের পায়ের ওপর। এতে তিনি পায়ে মারাত্মক আঘাত পেয়েছেন।

তাকে আগামী দুই সপ্তাহ বিশ্রামে থাকতে হবে বলে জানান শায়রুল।




শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি নিয়ে যা বলছেন ভারতীয় কূটনীতিক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: গুমের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। পরোয়ানা জারির ঘটনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রি এই অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে তথ্য-প্রমাণের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের সঙ্গে আলাপকালে দেশটির সাবেক এই কূটনীতিক বলেছেন, আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশন এই বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পায়নি।

তিনি বলেন, ‘‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এই পরোয়ানা জোরপূর্বক গুমের অভিযোগে… আপনি যদি প্রথম গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়ে কথা বলেন, তাহলে সেটি ছিল তথাকথিত গণহত্যার অভিযোগে। কিন্তু কোনও তথ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। গত জুলাই-আগস্টে নিহতদের বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনকে একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। তারা বলেছে, আমাদের কোনও প্রমাণ দেওয়া হয়নি…। কোনও এফআইআর আছে কি? কী লেখা আছে এফআইআরে? প্রমাণ কী আছে? এমন কিছুই নেই…।’’




বরিশালে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

বরিশালে কিশোরী বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে হারুন মোল্লা নামে ২২ বছর বয়সী এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তার এক লাখ ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক রকিবুল ইসলাম এই আদেশ দেন।

রায়ের তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত হারুন আদালতে ছিলেন। এরপর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।

দণ্ডিত হারুন মোল্লা বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কালিদাসিয়া গ্রামের বাসিন্দা সিদ্দিক মোল্লার ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক।

মামলার বরাত দিয়ে বেঞ্চ সহকারী জানান, বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি গার্লস হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ২০১৮ সালের ৭ মে অপহরণ করা হয়। পরে মেয়েটিকে মারধর ও জখম করার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করে। এ অভিযোগে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে আদালতে নালিশি অভিযোগ করেন।

বিচারক অভিযোগটি আমলে নিয়ে বরিশাল মহানগর বন্দর থানা পুলিশকে মামলা হিসেবে গ্রহণের আদেশ দেন। পরে বন্দর থানার এসআই মো. আ. ছবুর ২০১৮ সালের ১৩ জুলাই চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। বিচারক সাতজনের সাক্ষ্য নিয়ে রায় দেন।

বেঞ্চ সহকারী আরও বলেন, দণ্ডিত হারুনকে অপহরণের দায়ে ১৪ বছর কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছেন বিচারক। জরিমানা অনাদায়ে তার আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া পৃথক অপরাধ ধর্ষণের দায়ে হারুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তার দুই সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও মামলাবাজদের বিরুদ্ধে মাইকিং করেছে বিএনপি

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও মামলাবাজদের বিরুদ্ধে জনসাধারণকে সচেতন করতে মাইকিং কর্মসূচি শুরু করেছে উপজেলা বিএনপি। সোমবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে বিএনপির আহ্বায়ক এস এম আহসান কবির ও সদস্য সচিব এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদের নেতৃত্বে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় মাদক ব্যবসায়ী এবং অসাধু ব্যক্তি বিভিন্ন রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় কিংবা প্রতিষ্ঠানের নামে মানুষের সঙ্গে মামলা-হামলা ও হয়রানি করছে। এমনকি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থের লেনদেনও হচ্ছে। উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে বিষয়টি লক্ষ্য করা হয়ে, এবং এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার জন্য মাইকিংয়ের মাধ্যমে জনগণকে সতর্ক ও সচেতন করা হয়েছে। জনগণকে পুলিশের সাহায্য গ্রহণ করারও আহ্বান জানানো হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, “ফ্যাসিবাদী সরকারের অধীনে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে অপকর্ম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় কাউখালী উপজেলা বিএনপি এই অনৈতিক কার্যকলাপগুলো রোধ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।” তিনি আরও জানান, “অনেক নামধারী রাজনীতিক মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের সঙ্গে যোগসাজশ করে জনসাধারণকে হয়রানি করছে, এই সব অপকর্মের বিরুদ্ধে কাউখালী বিএনপি কড়া পদক্ষেপ নেবে এবং এসব অপব্যবহার বন্ধ করার জন্য পুলিশকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হচ্ছে।”

“মো: তুহিন হোসেন,

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




বরগুনায় অবৈধ কয়লা চুল্লী ধ্বংস, এক লাখ টাকা জরিমানা

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করার জন্য পরিচালিত হয়েছে বিশেষ অভিযান, যেখানে ৪টি অবৈধ কয়লা চুল্লী স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। চোরাইভাবে বনের গাছ ব্যবহার করে চলা এই চুল্লীগুলি পুড়িয়ে পরিবেশে মারাত্মক ক্ষতি সাধন করছিল। অভিযানে পাওয়া গেছে যে, এসব চুল্লী বেশ কিছুদিন ধরে বনের গাছ পুড়িয়ে কয়লা উৎপাদন করছিল এবং এর ফলে স্থানীয় এলাকায় বনভূমি উজাড় হওয়ার পাশাপাশি মানবিক স্বাস্থ্যের জন্যও হুমকি তৈরি হয়েছিল।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি দল অভিযানে অংশ নেয়। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব অবৈধ চুল্লী স্থাপনার মালিক ফজলুর রহমানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই এসব অবৈধ চুল্লীর জন্য ভুগছিলেন। তারা জানিয়েছেন যে, একেকটি চুল্লীতে প্রতি সপ্তাহে ২০০-৩০০ মণ গাছ পুড়ানো হতো। এর ফলে একদিকে বনভূমি উজাড় হচ্ছিল, অন্যদিকে সেগুলির ফলে শিশু, বৃদ্ধ ও অন্তঃসত্ত্বা নারীরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছিল।

গ্রামবাসী জানিয়েছেন, অবৈধ চুল্লী ধ্বংস হওয়ার ফলে পরিবেশ কিছুটা পরিপূর্ণ হচ্ছে এবং তারা এই ধরনের পরিবেশ দূষণকারী কার্যক্রমের অবসান চাইছেন।

বরগুনা জেলার টিভি রিপোর্টার জিয়াদ মাহমুদ বলেন, “আমরা পেশাগত কাজে বিষখালী নদীর তীরে এসব অবৈধ চুল্লী দেখতে পেয়ে স্থানীয় পরিবেশ অধিদপ্তরকে জানিয়েছিলাম। এর পরপরই পাথরঘাটা উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালায়।”

পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) এমাদুল হোসেন জানান, “আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে, অবৈধ চুল্লীগুলিকে আইনানুগভাবে ধ্বংস করি।” তিনি আরও বলেন, “বৈধভাবে এসব চুল্লী ও ইটভাটা বন্ধের জন্য বরগুনা জেলা প্রশাসন আরও অভিযান চালাবে।”

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পঙ্গু হাসপাতালের আইসিইউতে আগুন

ঢাকার শের-এ-বাংলা নগরের জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) আইসিইউতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) রাত সোয়া ১০টার দিকে ফায়ার সার্ভিস আগুন লাগার খবর পায়।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার মো. শাহজাহান আলী জানান, রাত ১০টা ১৮ মিনিটে অর্থোপেডিক বিভাগের আইসিইউতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে এরই মধ্যে হাসপাতালের কর্মী ও উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

এ অগ্নিকাণ্ডের কারণে আইসিইউতে থাকা রোগীদের স্থানান্তরের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছে কি না বা আইসিইউর যন্ত্রপাতি কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা তদন্তের পর জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

পঙ্গু হাসপাতালের মতো স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা রোগী ও স্বজনদের উদ্বিগ্ন করেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন আইসিইউর মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত ছিল।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ নির্ণয় এবং এর পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




গোয়েন্দাজালে নৈশভোটের কুশীলব ১১৬ ডিসি-এসপি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ভোটের মাঠের ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলে তাঁদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ। কখনো কখনো এমন অভিযোগ যে তাঁরা পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ভোটের আগের রাতেই ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন! গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানো আওয়ামী সরকারদলীয় প্রার্থীদের জিতিয়ে দিতে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা হয়। বিশেষ করে ২০১৮ সালের নির্বাচনই আলোচনার কেন্দ্রে। ওই সময় তাঁরা প্রার্থীদের কাছ থেকে ‘হ্যান্ডসাম অ্যামাউন্ট’ কামিয়েছিলেন বলেও প্রচার রয়েছে।

বিগত নির্বাচনে তৎকালীন সরকারদলীয় প্রার্থীদের জিতিয়ে দেওয়ার নেপথ্যের আলোচিত-সমালোচিত ওই ডিসি-এসপিরা আবারও আলোচনায়। এবার তাঁদের ফাইল ধরে টান দিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরের কর গোয়েন্দারা। রাতের ভোটের কারিগর বলে পরিচিত এসব ডিসি-এসপির বিপুল অঙ্কের অবৈধ আয়ের কর ফাঁকি অনুসন্ধানে সংস্থাটির আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট ব্যাপক আয়োজনে মাঠে নেমেছে। তাদের তৈরি ১১৬ ডিসি-এসপির তালিকা এখন কালের কণ্ঠের কাছে।

জানা গেছে, রাতের ভোটের সেই নির্বাচনে সরাসরি যুক্ত ছিলেন তৎকালীন সময়ের ৫৭ জন ডিসি ও পুলিশের ৫৯ জন এসপি। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও ওই ডিসি-এসপিরা ঠিকই প্রশাসনে বহাল তবিয়তেই আছেন। আগের সরকার নির্বাচনের পর তাঁদের ভালো পদায়নও করেছিল। এখন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও তাঁদের অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

আলোচিত ৫৭ ডিসি : ময়মনসিংহে ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, জামালপুরে আহমেদ কবীর, শেরপুরে আনার কলি মাহবুব, সিলেটে এম কাজী এমদাদুল ইসলাম, সুনামগঞ্জে মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, মৌলভীবাজারে মো. তোফায়েল ইসলাম, হবিগঞ্জে মাহমুদুল কবীর মুরাদ, ঢাকায় আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান, গাজীপুরে ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, নারায়ণগঞ্জে রাব্বী মিয়া, মুন্সীগঞ্জে সায়লা ফারজানা, কিশোরগঞ্জে মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, টাঙ্গাইলে মো. শহীদুল ইসলাম, নরসিংদীতে সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, মাদারীপুরে মো. ওয়াহিদুল ইসলাম, শরীয়তপুরে মো. কাজী আবু তালেব, ফরিদপুরে উম্মে সালমা তানজিয়া, মানিকগঞ্জে এস এম ফেরদৌস, গোপালগঞ্জে মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকার, রাজবাড়ীতে মো. শওকত আলী, চট্টগ্রামে মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, রাঙামাটিতে এ কে এম মামুনুর রশিদ, বান্দরবানে মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, খাগড়াছড়িতে মো. শহিদুল ইসলাম, কক্সবাজারে মো. কামাল হোসেন, লক্ষ্মীপুরে অঞ্জন চন্দ্র পাল, চাঁদপুরে মো. মাজেদুর রহমান খান, ফেনীতে মো. ওয়াহিদুজ্জামান, নোয়াখালীতে তন্ময় দাস, কুমিল্লায় মো. আবুল ফজল মীর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হায়াত-উদ-দৌলা খান, রাজশাহীতে এস এম আব্দুল কাদের, চাঁপাইনবাবগঞ্জে এ জেড এম নুরুল হক, নওগাঁয় মো. মিজানুর রহমান, নাটোরে মো. শাহরিয়াজ, পাবনায় জসিম উদ্দিন, বগুড়ায় ফয়েজ আহমেদ, সিরাজগঞ্জে কামরুন নাহার সিদ্দীকা, জয়পুরহাটে মোহাম্মদ জাকির হোসেন, খুলনায় মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, বাগেরহাটে তপন কুমার বিশ্বাস, সাতক্ষীরায় এস এম মোস্তফা কামাল, যশোরে মো. আব্দুল আওয়াল, মাগুরায় মো. আলী আকবর, ঝিনাইদহে সরোজ কুমার নাথ, নড়াইলে আনজুমান আরা, কুষ্টিয়ায় মো. আসলাম হোসেন, মেহেরপুরে মো. আতাউল গনি, চুয়াডাঙ্গায় গোপাল চন্দ্র নাথ, বরিশালে এস এম অজিয়র রহমান, ঝালকাঠিতে মো. হামিদুল হক, পিরোজপুরে আবু আহমেদ সিদ্দিকী, পটুয়াখালীতে মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, বরগুনায় কবীর মাহমুদ, ভোলায় মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দীক ও রংপুরে এনামুল হাবীব।

আলোচিত ৫৯ জন এসপি : পঞ্চগড়ের এস এম সিরাজুল হুদা, ঠাকুরগাঁওয়ের উত্তম প্রসাদ পাঠক, দিনাজপুরে শাহ ইফতেখার আহমেদ, নীলফামারীতে মোহাম্মদ গোলাম সবুর, লালমনিরহাটে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, রংপুরে মো. ফেরদৌস আলী চৌধুরী, গাইবান্ধায় মো. কামাল হোসেন, জয়পুরহাটে মোহাম্মদ নূরে আলম, বগুড়ায় সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. ছাইদুল হাসান, নওগাঁয় মুহাম্মদ রাশিদুল হক, রাজশাহীতে মো. সাইফুর রহমান, নাটোরে মো. তারিকুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জে মো. আরিফুর রহমান, পাবনায় মো. আকবর আলী মুনসী, মেহেরপুরে মো. রফিকুল আলম, কুষ্টিয়ায় এ এইচ এম আবদুর রকিব, চুয়াডাঙ্গায় আব্দুল্লাহ আল মামুন, ঝিনাইদহে মো. আজিম-উল-আহসান, নড়াইলে মোসা. সাদিরা খাতুন, বাগেরহাটে আবুল হাসনাত খান, খুলনায় মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, সাতক্ষীরায় কাজী মনিরুজ্জামান, বরগুনায় মো. আবদুস ছালাম, পটুয়াখালীতে মো. সাইদুল ইসলাম, ভোলায় মো. মাহিদুজ্জামান, বরিশালে ওয়াহিদুল ইসলাম, ঝালকাঠিতে মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল, পিরোজপুরে মোহাম্মদ শফিউর রহমান, গোপালগঞ্জে আল-বেলী আফিফা, মাদারীপুরে মো. মাসুদ আলম, শরীয়তপুরে মো. মাহবুবুল আলম, ফরিদপুরে মো. শাহজাহান, রাজবাড়ীতে জি এম আবুল কালাম আজাদ, মানিকগঞ্জে মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, মুন্সীগঞ্জে মোহাম্মদ আসলাম খান, নরসিংদীতে মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জে গোলাম মোস্তফা রাসেল, ঢাকা জেলায় মো. আসাদুজ্জামান, গাজীপুরে কাজী শফিকুল আলম, টাঙ্গাইলে সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জামালপুরে মো. কামরুজ্জামান, শেরপুরে মোনালিসা বেগম, নেত্রকোনায় মো. ফয়েজ আহমেদ, কিশোরগঞ্জে মোহাম্মদ রাসেল শেখ, সুনামগঞ্জে মোহাম্মদ এহসান শাহ, সিলেটে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, মৌলভীবাজারে মো. মনজুর রহমান, হবিগঞ্জে এস এম মুরাদ আলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, কুমিল্লায় আব্দুল মান্নান, ফেনীতে জাকির হোসেন, নোয়াখালীতে মো. শহীদুল ইসলাম, লক্ষ্মীপুরে মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ, চট্টগ্রামে এস এম শফিউল্লাহ, কক্সবাজারে মো. মাহফুজুল ইসলাম, রাঙামাটিতে মীর আবু তৌহিদ ও বান্দরবানে সৈকত শাহীন।

বিতর্কিতদের যাঁরা গুরুত্বপূর্ণ পদে : মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব হিসেবে আনারকলি মাহবুব, রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) হিসেবে মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হিসেবে ড. সাবিনা ইয়াসমিন, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে মো. হামিদুল হক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মতিউল ইসলাম চৌধুরী, মাহমুদুল আলম ও হায়াত-উদ-দৌলা খান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব অঞ্জন চন্দ্র পাল, শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. মাজেদুর রহমান খান, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সৈয়দা ফারহানা কাওনাইন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কাজী আবু তাহের, পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু সালেহ মো. ফেরদৌস খান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ কে এম মামুনুর রশিদ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ শফিউল আরিফ, বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফয়েজ আহমদ, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ জেড এম নুরুল হক, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এস এম মোস্তফা কামাল, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস, সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের গোপাল চন্দ্র দাস, বিপিসির পরিচালক হিসেবে আছেন কবির মাহমুদ ও আব্দুল মতিন, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এস এম অজিয়র রহমান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিকী, সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার কাজী এমদাদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের পরিচালক ড. এনামুল হাবীব ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম আবদুল কাদের।




পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট পুনরায় চালু

প্রায় দুই মাসের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষে পটুয়াখালীর পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট সোমবার রাতে পুনরায় চালু হয়েছে। এর ফলে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ সরবরাহে ভূমিকা রাখছে কেন্দ্রটি।

পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ সোমবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে। জাতীয় গ্রীডে কেন্দ্রের উভয় ইউনিট থেকে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

প্ল্যান্ট ম্যানেজার শাহ আব্দুল মাওলা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসসকে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গত বছরের ৯ নভেম্বর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল। রক্ষণাবেক্ষণ শেষে পুনরায় এটি চালু করা হয়েছে।

পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে এই কেন্দ্রটি, যা পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনতে সক্ষম।

এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুতের সরবরাহ স্থিতিশীল হবে এবং দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

মো: আল-আমিন



টুকু জামিল: টিম পটুয়াখালীর প্রতিষ্ঠাতা এবং ম্যারাথন কিংবদন্তি

টুকু জামিলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ, ৭ জানুয়ারি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে ২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি চট্টগ্রামের পতেঙ্গার মেরিন ড্রাইভে ২১.১ কিলোমিটার চট্টগ্রাম সিটি হাফ ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। প্রতিযোগিতা শেষে ‘ফিনিশ লাইন’ পার করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত পতেঙ্গা নেভি হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

টুকু জামিল ম্যারাথন দুনিয়ায় এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী নাম। ২০১৮ সাল থেকে ৩০টি ট্রেইল আলট্রা, হাফ ম্যারাথন এবং মিনি ম্যারাথনে অংশ নেন। ২০২০ সালে নিজ উদ্যোগে গড়ে তোলেন “টিম পটুয়াখালী”। এ ব্যানারে দেশের প্রতিভাবান ও কম সুবিধাপ্রাপ্ত রানারদের নিয়ে দেশের বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে পটুয়াখালী জেলার পরিচিতি ছড়িয়ে দেন। তার অসাধারণ দৌড় প্রতিভা ও সংগঠন ক্ষমতা তাকে ‘রেইস অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

জীবনের শেষ ম্যারাথনে অংশগ্রহণকালে টুকু জামিল ফিনিশ লাইনে পৌঁছে পায়ের মোজায় রাখা “পটুয়াখালী” ব্যানারটি সবার সামনে তুলে ধরেন। এ সময় তার মুখে ছিল এক অনবদ্য হাসি, যা তার জেলা প্রেমের এক অনন্য নজির হয়ে থাকবে।

টুকু জামিল ছিলেন পটুয়াখালীর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সন্তান। তার পিতা ছিলেন এ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন সুলতান মিয়া এবং মাতা হোসনে আরা বেগম। ১৯৯৩ সালে পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পাস করেন। পটুয়াখালী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পড়াশোনার সময় তিনি ছাত্রদলের হয়ে এজিএস নির্বাচিত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ এয়ার ফোর্সে যোগ দেন। প্রশিক্ষণের শেষ মুহূর্তে ২০০১ সালে রাজনৈতিক কারণে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

টুকু জামিলের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বাদ আসর পটুয়াখালী গোরস্থান রোডস্থ বাসভবনে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। তার বড় ভাই মো. জাকির হোসেন, পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক, সকলকে দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




চট্টগ্রামে ফিরলেন ভারত থেকে মুক্তি পাওয়া ৯০ জেলে ও নাবিক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ভারতীয় কোস্ট গার্ডের হাতে আটক দুটি ফিশিং ট্রলার, ৭৮ জেলে ও নাবিকসহ ভারতের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ৯০ বাংলাদেশি এসে পৌঁছেছেন চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পতেঙ্গার কর্ণফুলী চ্যানেলের ১৫ নং ঘাটে এসে পৌঁছান তারা। বাংলাদেশের ‘এফভি লায়লা-২’ এবং ‘এফভি মেঘনা-৫’ নামের দুটি ফিশিং ভেসেলও ফেরত এসেছে।

রোববার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে পশ্চিমাঞ্চলীয় আন্তর্জাতিক জলসীমায় ভারতে আটক থাকা ৯০ জন বাংলাদেশি জেলে/নৌকর্মী এবং বাংলাদেশে আটক ৯৫ জন ভারতীয় জেলেকে পারস্পরিক হস্তান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।