নির্বাচনের আগে গণপরিষদ নির্বাচন চাই: ডা. মিতু

জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু বলেছেন, “নির্বাচনের আগে গণপরিষদ নির্বাচন চাই। আমাদেরকে এটা দিতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “সংবিধানের ম্যানডেট জনগণের হাতে, তারা জানাবেন কারা সংবিধান তৈরি করবেন। আমরা সংস্কার, গণপরিষদ নির্বাচন, তারপর নির্বাচন হবে, এই আমাদের দাবি।”

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে বরিশাল নগরের সদর রোডে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের লিফলেট বিতরণের সময় এসব কথা বলেন ডা. মিতু।

ডা. মিতু বলেন, “গত ১৬ বছরে আমরা একটি ফ্যাসিবাদী শাসনের মধ্য দিয়ে গিয়েছি। গুম, খুন, অন্যায়-অবিচারের একটি প্রথা গত ১৬ বছর ধরে চলে আসছিল। সেই ১৬ বছরের অবসান ঘটিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সব ধরনের মানুষ। এই আন্দোলনে ২ হাজার মানুষ শহীদ হয়েছে, প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ এখনও চিকিৎসাধীন। তাদের অনেকেরই হাত নেই, পা নেই এখনও হাসপাতালে বেডে কাতরাচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, “এই মানুষগুলোর একটি স্বীকৃতি প্রয়োজন এবং যারা রাজপথে ছিলাম, আমরাও মনে করি আমাদের একটা স্বীকৃতি দরকার। আমরা মনে করি, আমাদের এই স্বীকৃতি দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার বৈধতা ঘোষণা করবেন।”

তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদের সংবিধান আমরা মানি না। ফ্যাসিস্ট তৈরির যে সংবিধান রয়েছে, সেটিকে আমরা অবৈধ ঘোষণা করতে চাই এবং সেটিকে বাদ দিয়ে গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন করে সংবিধান ঘোষণা আমাদের দাবি।”

ডা. মিতু আরও বলেন, “সরকার আমাদের সঙ্গে সম্মত হয়েছে জুলাইয়ের প্রেরণা অনুযায়ী প্রোক্লেমেশন তথা ঘোষণাপত্র দিয়ে দেবেন। এটা এ মুহূর্তে আমাদের বড় পাওয়া বা অর্জন। এই প্রোক্লেমেশন তথা ঘোষণাপত্র সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন ও ১৫ তারিখের মধ্যে যাতে পাই সেই দাবিতে এবং জনগণের কথা শুনতে রাস্তায় এসেছি।”

বিকেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে যৌথভাবে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের লিফলেট বিতরণ করা হয়। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল মহানগরের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম সাহেদ, মুখপাত্র ইসরাত জাহান মায়া, শাহাদাত ইসলাম হোসাইন আল সোহানসহ জাতীয় নাগরিক কমিটির স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মো. আহসান হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বরিশাল




আ.লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে, বাকস্বাধীনতাকে হ*ত্যা করেছে: রহমাতুল্লাহ

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেছেন, “আমার মৌলিক স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতাকে কেউ যাতে কোনোদিন হত্যা না করতে পারে, সেজন্যই স্বাধীনতার সংগ্রাম হয়েছিল।” তিনি আরও বলেন, “আমরা ইতিহাস থেকে জানি, ১৯৭২ থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমান সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে আজীবনের জন্য রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছিলেন। সে সময় গণতন্ত্র হত্যা করেছিল আওয়ামী লীগ। এরপর আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে, মানুষের বাকস্বাধীনতা হত্যা করেছে।”

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নে প্রচেষ্টা সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র ও রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রহমাতুল্লাহ বলেন, “গত ১০-১৫ বছরে আপনাদের কেউ ভোট দিতে পারেননি। মানুষের ভোট তাদের লাগেনি, তাই তারা নিজেদের আখের গুছিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “তারা (আওয়ামী লীগ) আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে হত্যা করতে চেয়েছিল, তারা তারেক রহমানকে হত্যা করতে চেয়েছিল। আল্লাহর হাতে তো সব ফয়সালা। তিনি ফয়সালা করে দিলেন, খালেদা জিয়া সম্মানিত হবেন, তারেক রহমান বেঁচে থাকবেন—আর তাই হলো। কিন্তু আপনি (শেখ হাসিনা) ভারতে গিয়ে পালিয়েছেন। আপনার সহকর্মীরা বনে-জঙ্গলে, ভারতে, বিভিন্ন দেশে পালিয়ে আছেন। কারা করেছে? আল্লাহর পাঠানো আবাবিল পাখি সেটা করেছে। যেমন আল্লাহ কাবাঘর রক্ষা করেছেন আবাবিল পাখি দিয়ে, তেমনি বাংলাদেশের মানুষকে রক্ষা করেছেন ছোট ছোট বাচ্চাদের রাজপথে নামিয়ে দিয়ে।”

রহমাতুল্লাহ বলেন, “আল্লাহ যেমন মানুষের জন্য পরীক্ষার সময় দান করেন, ঠিক তেমনই তিনি আমাদের রক্ষা করেছেন এবং আগামীতে দেশের গণতন্ত্র হত্যা না হতে পারে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া খুব অসুস্থ, তার জন্য সবাই দোয়া করবেন। তিনি দেশের গণতন্ত্রের জন্য জীবনবাজি রেখে গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান করেছেন। তার অবস্থানের কারণে হাসিনা সরকার তাকে মিথ্যে মামলা দিয়ে জেলে ঢুকিয়েছে এবং তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছে।”

রহমাতুল্লাহ বলেন, “বিএনপির বিরুদ্ধে, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। সেই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আমরা যেন আমাদের মনের মতো, আশার মতো, আকাঙ্ক্ষার মতো একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি, সেই ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে তারেক রহমান যেন আমাদের মধ্যে এসে আগামীর নির্বাচনে নেতৃত্ব দিতে পারেন, সেজন্য সবাই দোয়া করবেন।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




কক্সবাজার সৈকতের ঝাউবনে খুলনার কাউন্সিলরকে গুলি করে হত্যা

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ঝাউবনে খুলনার এক কাউন্সিলরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাত সোয়া ৯টার দিকে সৈকতের সুগন্ধা ও সি-গাল পয়েন্টের মাঝখানে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। কক্সবাজার সদর থানার ওসি ইলিয়াস খান জানান, মোটরসাইকেল আরোহী হঠাৎ এসে কাউন্সিলর গোলাম রব্বানীকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

নিহতের পকেটে পাওয়া এনআইডি তথ্য অনুযায়ী, তার নাম গোলাম রব্বানী। তিনি খুলনা সিটি করপোরেশনের ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন এবং খুলনার দৌলতপুরের দেয়ানা উত্তর পাড়ার মো. গোলাম আকবরের ছেলে। গোলাম রব্বানী টিপু নামে পরিচিত ছিলেন। ৫ আগস্টের সরকার পতনের পর তিনি এলাকা থেকে পলাতক ছিলেন।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি ইলিয়াস খান আরও জানান, মোটরসাইকেল আরোহী হঠাৎ এসে গোলাম রব্বানীকে গুলি করে। গুলি তার মাথার এক পাশ দিয়ে লেগে অন্যপাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান, তবে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অটোরিকশাচালক সালাম জানিয়েছেন, সিগাল পয়েন্টের কাঠের ব্রিজের কাছে হঠাৎ গুলির আওয়াজ শোনা যায়। লোকজন ছুটে পালিয়ে যায়। তিনি সাহস করে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন এবং অটোরিকশায় করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এছাড়া, গোলাম রব্বানী কক্সবাজারে কখন এসেছিলেন, তা জানার চেষ্টা চলছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে আঞ্চলিক ভাষায় কনটেন্ট বানিয়ে ভাইরাল সাদ্দাম মাল

ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক জগতের প্রতি আগ্রহী সাদ্দাম মাল আজ দেশব্যাপী পরিচিত একটি কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তার জন্ম পটুয়াখালীর কুয়াকাটার হোসেনপাড়া এলাকায়, যা এখন দেশের অনেকের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছে। বর্তমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক এবং ইউটিউবের মাধ্যমে সাদ্দাম মাল তার অভিনয় এবং কনটেন্ট তৈরি করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। বিশেষত, তার অভিনীত আঞ্চলিক ভাষার কনটেন্টগুলো প্রায়ই ভাইরাল হয়ে চলে আসে।

শৈশব থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া সাদ্দাম মাল একসময় স্থানীয় কুয়াকাটা শিল্পী গোষ্ঠীতে যোগ দেন। সেখান থেকে শুরু হয় তার অভিনয়ের যাত্রা। ছোটবেলা থেকেই তার মধ্যে অভিনয়ের প্রতি অদ্ভুত এক আকর্ষণ ছিল, যা তাকে স্থানীয় সাংস্কৃতিক মঞ্চে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতে প্রেরণা দিয়েছে। পরে, ২০০০ সালের মাঝামাঝি সময়ে তিনি জাতীয় পর্যায়েও তার অভিনয়ের দক্ষতা প্রমাণ করেন, বিশেষ করে “নকশী কাথাঁর মাঠ” নাটকে তার দারুণ ভূমিকা ছিল।

আঞ্চলিক ভাষায় কনটেন্টের মাধ্যমে সাফল্য :: তবে সাদ্দাম মালের জীবনে বড় পরিবর্তন আসে কোভিড-১৯ মহামারীর সময়ে। তার ভাতিজা আবু বকর, ছোট ভাইরা এবং আরও কয়েকজন স্থানীয় যুবক মিলে সাদ্দাম মালকে পরামর্শ দেন আঞ্চলিক ভাষায় কনটেন্ট তৈরি করতে। সাদ্দামের ভাষায়, “এটা ছিল সোনালী সুযোগ, যেখানে নিজের ভাষা, নিজস্ব সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেলাম।” কুয়াকাটায় শুটিং শুরু হওয়া কনটেন্টগুলো প্রথমে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে, কিন্তু পরে ধীরে ধীরে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় তৈরি এসব কনটেন্ট ফেসবুক ও ইউটিউবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। সাদ্দাম মাল তার কনটেন্টে এমনভাবে অভিনয় করেন যে, দর্শকরা নিজেকে তার চরিত্রে দেখতে পায়। তার বিশেষ কনটেন্ট “ক্রিমিনাল জামাই” দর্শকদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, যেখানে তিনি মোতালেব নামক চরিত্রে অভিনয় করেন। তার এই চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে, সেই নামেই তাকে পরিচিতি লাভ করতে হয়।

শো-বিজে সাদ্দাম মালের যাত্রা :: তবে কনটেন্ট তৈরি করেই থেমে যাননি সাদ্দাম মাল। কনটেন্টের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে তাকে অভিনয় করার সুযোগও আসে। তিনি শাকিব খানের অভিনীত “রাজকুমার” সিনেমায় অভিনয় করেছেন, পাশাপাশি “নিথর কোলাহল”, “ভাইরাল ভাই”, “রসের হাঁড়ি বাড়াবাড়ি”, “হাউজ হাজবেন্ড ও ফাউল”, “জার্নি টু বরিশাল”, “লাল বাইসাইকেল”, “জাগরণী”, “ডিম”, “রোদ বৃষ্টির গল্প”, “ইলিশের গন্ধ”, “মেঘনার আকাশ” সহ একাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন। তার অভিনয়ের প্রতিভা এবং কনটেন্ট নির্মাণের দক্ষতার কারণে সাদ্দাম মাল এখন একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেতা।

সাদ্দাম মাল শুধু অভিনেতা নন, তিনি একজন দক্ষ কনটেন্ট নির্মাতা। কনটেন্ট তৈরির পুরো প্রক্রিয়াটি তার নিজের হাতে। চিত্রগ্রহণ, গল্প লেখা, শুটিং লোকেশন নির্বাচন — এসবের প্রতিটিতে তার রয়েছে বিশদ মনোযোগ। তার কনটেন্ট টিমের সদস্যরা, যেমন তার ভাতিজা এস.এম আলমাস, ছোট ভাই সাগর, আরিফ, আবু বকর, এবং আরও অনেক সহযাত্রী মিলেই এসব কাজ সম্পন্ন হয়। বিশেষত, তার ভাগিনা আলমাস, যিনি চেয়ারম্যান চরিত্রে অভিনয় করেন, সাদ্দাম মালের সঙ্গে কাজ করার এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা লাভ করেন।

সাদ্দাম মালের কাছে তার দর্শকদের প্রতি এক ধরনের কৃতজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বলেন, “আমার এই যাত্রা সম্ভব হয়েছে আমার দর্শকদের ভালোবাসায়। তাদের ভালোবাসা আমাকে সাফল্যের পথ দেখিয়েছে।” এখন তিনি আরও নতুন প্রকল্প নিয়ে কাজ করতে চান। তার পরিকল্পনা হল, আরও বেশি ভালো কনটেন্ট তৈরি করা, যাতে মানুষ আরও বেশি উপকৃত হতে পারে। এছাড়া, তিনি নিজ অঞ্চলে, কুয়াকাটায় আরও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গড়ে তুলতে চান এবং তার কর্মজীবনকে সামনের দিকে আরও বিস্তৃত করতে চান।

এখন সাদ্দাম মাল কনটেন্ট নির্মাণকে তার পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি নিজের এবং তার সহকর্মীদের ভালোভাবে জীবিকা নির্বাহ করছেন। বর্তমানে সাদ্দাম মাল তার পরিবার, সহকর্মী এবং টিমের সদস্যদের সঙ্গে মিলে প্রতিটি কাজের মধ্য দিয়ে তার পেশাগত লক্ষ্য পূরণ করছেন। তার মতে, “এই কাজই আমার জীবনের মুল অনুপ্রেরণা। আমি চাই আমার কাজের মাধ্যমে দেশের মানুষের মাঝে প্রভাব ফেলতে এবং ভালো কিছু উপহার দিতে।”

অবশ্যই, সাদ্দাম মাল চান তার এই কাজের মাধ্যমে দেশবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিতে এবং একদিন একজন ভালো কৃষক হয়ে মাটি ও মানুষের মাঝে মিশে থাকতে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




দর্শকদের মারামারি-ভাঙচুর, ঠাকুরগাঁওয়ে ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠান স্থগিত

ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত ‌‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠান ঘিরে ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনায় অনুষ্ঠান স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের রাজবাড়ীতে এই ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় ও আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ইত্যাদি কর্তৃপক্ষ ঠাকুরগাঁও জেলার জন্য প্রায় দুই হাজার প্রবেশ পাস বরাদ্দ করেছিল, কিন্তু অনুষ্ঠানে হাজির হন লাখো মানুষ। একপর্যায়ে, চেয়ারে বসা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, যার ফলে ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনা ঘটে। কর্তৃপক্ষ একাধিকবার পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি। পরিস্থিতির অবনতির ফলে অনুষ্ঠানের মাঝপথে এসে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকরা কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সানোয়ার হায়দার সবুজ নামক একজন দর্শক জানান, “আমি প্রবেশের পাস নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছি, তবে তবুও অনুষ্ঠান দেখতে পারিনি। এটি কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে হয়েছে।” আরেক দর্শক রাসেল বলেন, “এমন বিশাল পরিমাণ দর্শকের আগমন ছিল, এটা পূর্ব থেকেই অনুমানযোগ্য ছিল, তবে কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।”

তবে, ইত্যাদি কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার জন্য দর্শকদের উন্মুক্ত অবস্থানকে দায়ী করেছে। অনুষ্ঠানের পরিচালক হানিফ সংকেত এক বিবৃতিতে বলেন, “অনেক চেষ্টা করেও আপনাদের শান্ত করতে পারলাম না। আপনাদের জন্য একটি সুন্দর আয়োজন করতে চেয়েছিলাম, তবে সেটা আর সম্ভব হলো না।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে গণপূর্ত কর্মকর্তাদের বিলাসী জীবনযাপন, প্রশ্ন উঠছে অবৈধ সম্পদ অর্জন নিয়ে

বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনেকেই সরকারি চাকরি পেয়ে কোটিপতি বনে গেছেন। বিশেষ করে উপ সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুনের নাম শোনা যাচ্ছে সর্বাধিক। তিনি ২০১০ সালে চাকরিতে যোগদান করার পর মাত্র ১৫ বছরে নিজের জন্য গড়ে তুলেছেন বিপুল সম্পদ। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে মাসিক বেতন ৫০ হাজার টাকারও কম হলেও, তার মালিকানাধীন সম্পদ এখন কয়েক কোটি টাকার ওপরে পৌঁছেছে। তিনি নগরীর বাংলাবাজার এলাকায় ৭৫০০ বর্গফুট জমির ওপর একটি ৬ তলা বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেছেন, যা নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ কোটি টাকা।

এছাড়া, তার গ্রাম বাড়ি বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালীতে রয়েছে ৩ তলা বিশিষ্ট একটি মার্কেট। কুয়াকাটায় নির্মাণ করেছেন একটি বিলাসবহুল হোটেল। পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকাতেও তিনি কয়েক কোটি টাকার জমি কিনেছেন। তার স্ত্রীর ও সন্তানদের গাড়ির দাম ৩০ লাখ টাকার বেশি। মামুনের স্কুলশিক্ষক বাবা আব্দুল হক মিয়া আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত, এবং তার চাচা গুলশাখালী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি।

এভাবে শুধু আব্দুল্লাহ আল মামুনই নয়, বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের বেশিরভাগ কর্মকর্তারাই বিলাসী জীবনের মালিক। উপ সহকারী প্রকৌশলী বিধান চন্দ্র মজুমদার, ইউসুফ আলী, কামাল হোসেন হাওলাদার, মনিরুল ইসলাম ও অন্যান্যরা যারা সরকারি বেতন থেকে কোটি টাকার সম্পদ বানিয়েছেন।

বিশেষ করে, বিধান চন্দ্র মজুমদার নগরীর গাজী মিলনায়তের পাশে একটি ৯ তলা বিলাসবহুল ভবন তৈরি করেছেন, যার নির্মাণ ব্যয় ১৫ কোটি টাকার বেশি। কামাল হোসেন হাওলাদার ৬ তলা ভবন তৈরি করেছেন মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দীন সড়কে, এবং মনিরুল ইসলামও কয়েক কোটি টাকার ৫ তলা ভবন গড়েছেন কাউনিয়া বিসিক এলাকায়।

এখন প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে এই কর্মকর্তারা এত সম্পদ অর্জন করলেন, যখন তাদের বেতন সামান্য এবং সরকারের সঙ্গে কোনো সম্পর্কিত কাজের টাকা কিভাবে এসেছে তা নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হচ্ছে। এসব কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তারা ফোন ধরেননি এবং অফিসে গিয়ে কথা বলার সময় সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তারা সটকে পড়েন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




জাজিরায় মারা যাওয়া ওসির বাড়ী মুলাদীতে, শোকের ছায়া

শরীয়তপুর জেলার জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল আমিনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে জাজিরা থানা ভবনের তৃতীয় তলার নিজ কক্ষ থেকে এই লাশটি উদ্ধার করা হয়। ওসি আল আমিন বরিশালের মুলাদী উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাজিরচর গ্রামের মৃত হাজী বেলায়েত হোসেন বেপারীর ছেলে ছিলেন। তিনি ৩ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে সবার ছোট। তার মৃত্যুতে গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এদিকে, ওসি আল আমিনের ভাই মধুমতি ব্যাংকের কর্মকর্তা আবুল কালাম জানান, আল আমিনের স্ত্রী শরিফুন্নেছা পপি এবং জমজ দুই মেয়ে রাদিয়া ও রাফিয়া রয়েছেন। তারা ঢাকার ভিকারুন্নেছা নূন স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। প্রায়ই তারা গ্রামের বাড়িতে আসতেন না। আল আমিনের মা ২০২৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং চার মাসের মধ্যেই বড় ভাই আব্দুস সালামেরও মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই আল আমিন মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন, তবে কী কারণে দুশ্চিন্তায় ছিলেন তা কারও সঙ্গে শেয়ার করেননি। আল আমিনের স্ত্রী শরিফুন্নেছা পপিও স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েছেন।

ওসি আল আমিনের প্রতিবেশী মামুন মাতুব্বর বলেন, “ওসি আল আমিন অনেক ভালো মানুষ ছিলেন। যদিও তিনি গ্রামে বেশি আসতেন না, তবে সবার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রাখতেন। তার মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ঝালকাঠিতে শাক-সবজি ও লতা কৃষিতে হতাশা, বাজারে চাহিদার অভাব

ঝালকাঠিতে একাধিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে গত বছর শাক-সবজি এবং লতা কৃষিতে চাষিদের আগ্রহ বেড়েছে। তবে বর্তমানে বাজারে ক্রেতার চাহিদা কম থাকায় উৎপাদিত শাক-সবজি ও লতা কৃষির ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না চাষিরা। এ পরিস্থিতিতে চাষিরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর এবং নবগ্রাম ইউনিয়নের ৩৬ গ্রামে প্রায় সারাবছরই সবজি চাষ করেন চাষিরা। এ ছাড়া জেলার অন্যান্য ৪৩৫ গ্রামে অনেক পেশাদার কৃষিজীবী আছেন। উৎপাদিত সবজি যেমন বাঁধাকপি, ফুলকপি, চিচিঙা, করলা, টমেটো, বেগুন, আলু, কুমড়া, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানি হয়ে থাকে। কিন্তু বর্তমানে সবজির বাজারদর খুবই কম। চাষিরা বলছেন, উৎপাদিত সবজির দাম কম থাকায় পরিবহন ও শ্রমিক খরচের টাকাও উঠছে না, ফলে অনেক সবজি জমিতেই নষ্ট হচ্ছে।

ঝালকাঠির বিভিন্ন বাজারে বাঁধাকপি ও ফুলকপি বেশি বিক্রি হচ্ছে। তবে চাহিদার তুলনায় বাজারে ক্রেতা কম থাকায় বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। বাগড়ি বাজারের একাধিক সবজি বিক্রেতা জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা প্রচুর বেচাকেনা করছেন, কিন্তু দাম কম হওয়ায় লোকসান গুনছেন।

শিমুলেশ্বর গ্রামের সবজি চাষিরা জানান, এক বিঘা জমিতে ফুলকপির আবাদ করতে প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এখন এক বিঘা জমির ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ হাজার টাকায়, যা পরিবহন এবং শ্রমিক খরচের পরিমাণও পুষিয়ে দিচ্ছে না। বিক্রির জন্য ফুলকপি এবং বাঁধাকপি জমিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। চাষিরা জানান, তারা অনেক আশা নিয়ে এসব সবজি চাষ করেছিলেন, কিন্তু বিক্রি না হওয়ায় দিশাহীন হয়ে পড়েছেন।

এছাড়া, ভীমরুলী গ্রামের চাষি পারভেজ জানান, তার ক্ষেতের প্রায় অর্ধশত লাউ পরিপক্ব হয়ে গেছে, কিন্তু ক্রেতা না পাওয়ায় তাকে সবজি বিক্রি করতে পারছেন না। এ পরিস্থিতিতে শ্রম এবং খরচের পরিমাণ বৃথা যাচ্ছে।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, তারা প্রতিটি বিঘা জমির বাঁধাকপি ৬০ হাজার এবং ফুলকপি ৭০ হাজার টাকায় কিনে রেখেছিল, কিন্তু এখন তা বিক্রি করতে পারছেন না। বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর পরও বিক্রি হচ্ছে না।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছর ঝালকাঠিতে ৭ হাজার ৭০৪ হেক্টর শীতকালীন সবজি চাষাবাদে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপ-পরিচালক মনিরুল ইসলাম বলেন, “শীতকালীন শাক-সবজি ও লতা কৃষির আবাদ করা হচ্ছে, তবে একাধিক বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চাষিরা অনেক ক্ষেত হারিয়েছেন।” তিনি আরও জানান, শাক-সবজি ও লতা কৃষির অভাব থাকলেও অনেকেই পারিবারিকভাবে এই কৃষি কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




 পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত বিডিআর সদস্যদের ক্ষতিপূরণ দাবি – অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন পিলখানার ঘটনায় নিহত বিডিআর সদস্যদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিডিআর সদস্যদের উপর যে জুলুম চলছে তা অতি দ্রুত বন্ধ করতে হবে এবং বিনা বিচারে আটক ব্যক্তিদের মুক্তি দিতে হবে।

অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন আরও বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দণ্ডিত বিডিআর সদস্যদের মুক্তি, মিথ্যা মামলা বাতিল এবং চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহাল ও পুনর্বাসনও নিশ্চিত করতে হবে। তিনি ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষে পীর সাহেব চরমোনাই’র নির্দেশে একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ছিল একটি গভীর দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র। বিডিআর সদস্যরা এই ষড়যন্ত্রের শিকার, এবং তাদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

এদিন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিডিআর সদস্যদের চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই’র পক্ষে অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “বিডিআর সদস্যদের সাথে যে অবিচার ঘটেছে, তা সমাধানের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, নাহলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।”

আশরাফ আলী আকন অতীতে ভারতীয় এজেন্ট সরকারগুলির সেনাবাহিনী এবং বিডিআরকে দুর্বল করার প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে বলেন, এখন সময় এসেছে এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর।

এছাড়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, কেন্দ্রীয় কৃষি ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব আবদুর রহমান এবং ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ্ব কে এম বিল্লাল এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন এবং এ বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




উত্তরা পূর্ব থানা থেকে পালিয়েছেন গ্রেফতার হওয়া সাবেক ওসি শাহ আলম

রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানা থেকে পালিয়ে গেছেন সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম। গত বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাতে উত্তরা পূর্ব থানায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করার পর, আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছিল। এসময় তিনি কৌশলে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় কর্তব্যরত উত্তরা পূর্ব থানার সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) তাৎক্ষণিকভাবে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

ডিএমপির একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, সাবেক ওসি শাহ আলম গত ২ সেপ্টেম্বর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় গ্রেফতার হন। গত রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাকে আদালতে সোপর্দ করার জন্য প্রক্রিয়া চলছিল। এসময় তিনি পালিয়ে যান।

উল্লেখযোগ্য, শাহ আলম ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় একাধিক মামলায় আসামি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, এবং গত আগস্টে তিনি উত্তরা পূর্ব থানায় যোগদান করেছিলেন। পালানোর পর পুলিশ তাকে পুনরায় গ্রেফতারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলা হওয়ার কারণে উত্তরা পূর্ব থানার এএসআইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তবে তার নাম তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম