সাওয়ান হত্যার ঘটনায় ইউপি সদস্যের ঘরে আগুন

গৌরনদী উপজেলার মধ্য হোসনাবাদে পাঁচ বছরের শিশু সাওয়ান হত্যার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা শুক্রবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক চৌধুরী ও তার সহযোগী রোমান চৌধুরীর ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নিহত শিশুর ময়নাতদন্ত শেষে জানাজার আগে উত্তেজিত এলাকাবাসী এ ঘটনা ঘটায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভাতে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা বাধা দেয়। ফলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস অসহায় অবস্থায় পড়ে।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, নিহত সাওয়ানের জানাজার আগে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বসতঘরে আগুন লাগায়। জানাজা শেষে শিশু সাওয়ানকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। সন্ধ্যায় হোসনাবাদ বাজারে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে এলাকাবাসী।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. ইউনুস মিয়া জানান, শিশু সাওয়ানের বাবা ইমরান হোসাইন বাদি হয়ে ছয়জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আসামিরা হলেন—রোমান চৌধুরী, তার বাবা লোকমান চৌধুরী, ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক চৌধুরী, রোমানের স্ত্রী আখি বেগম, বোন রাবিনা আক্তার ও শাহাদাত প্যাদা।
মামলায় আরও ৯/১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছে।
গত বুধবার দুপুরে মধ্য হোসনাবাদে স্থানীয় শিশুদের সাথে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সাওয়ান। পরিবারের খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে তার দাদা বারেক শিকদার গৌরনদী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরদিন ভোরে স্থানীয়রা মান্না বেপারীর বাড়ির পেছনে একটি জমিতে শিশুটির রক্তাক্ত লাশ দেখতে পায়।
পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় এবং ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করে।
মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম








