১০ বিষয়ে একমত বিএনপি-ইসলামী আন্দোলন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ইসলামী শরিয়াহ বিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়া ও ইসলাম বিরোধী কথা না বলাসহ ১০ বিষয়ে একমত হয়েছে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সোমবার দুপুরে রাজধানীর পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টার বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান।

যে সব বিষয়ে দুটি দল একমত হয়েছে

১. আধিপত্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ মুক্ত স্বাধীন সার্বভৌম টেকসই রাষ্ট্র গঠনে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা।
২. দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি ও টাকা পাচারকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।
৩. ভোটাধিকারসহ সব মানবাধিকার রক্ষায় জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা।
৪. ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।
৫. দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং সব অধিকার বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করে নিয়ে আসা।
৬. আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী সব শক্তি দেশ পুনর্গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা।
৭. ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে আঘাত করে কথা না বলা।
৮. আগামীতে যেন আওয়ামী লীগের মতো আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি ক্ষমতায় আসতে না পারে, সে ব্যাপারে রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকা।
৯. ইসলামী শরিয়াহ্বিরোধী কোন সিদ্ধান্ত না নেওয়া এবং ইসলাম বিরোধী কোনো কথা না বলা।
১০. প্রশাসনে এখনো বিদ্যমান আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসরদের দ্রুত অপসারণ করা।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ার বরকতউল্লাহ বুলু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান, ইমতিয়াজ আলম, সহকারী মহাসচিব আতিকুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।




মিলল না আঙুলের ছাপ, সাইফকাণ্ডে শরিফুলকে ফাঁসানো হচ্ছে?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  সাইফ আলি খানের বাড়িতে ঢুকে গৃহকর্তার উপর হামলার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে শরিফুল ইসলাম শেহজাদকে। ৩১ বছর বয়সী ওই যুবককে বাংলাদেশের নাগরিক বলে দাবি করেছে মুম্বাই পুলিশ।

কিন্তু প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, সে রাতে বান্দ্রার অভিজাত আবাসনে ঢুকে পড়া ব্যক্তি কি আদৌ শরিফুল? ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ থেকে শরিফুলের বাবা দাবি করেছেন, পুলিশের প্রকাশ করা সিসিটিভি ফুটেজে যে ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে, সেটা তার ছেলে শরিফুল নন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের কাছে ইতোমধ্যে ছেলেকে ফেরত আনার জন্য আবেদনও করেছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, তার এমন দাবির পর এবার সাইফের বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা নমুনার সঙ্গেও মিলল না শরিফুলের হাতের ছাপও।

গত ১৬ জানুয়ারি ভোরে রক্তাক্ত অবস্থায় মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় সাইফকে। দাবি করা হয়, আগের রাতে কোনও দুষ্কৃতী ঢুকে পড়ে তার বাড়িতে। ডাকাতিতে বাধা পেয়েই গৃহকর্তার উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয়।

তদন্তে নেমে গত ১৮ জানুয়ারি মুম্বাই পুলিশের অপরাধ দমন শাখার সদস্যরা ঠাণে এলাকার এক শ্রমিক বসতি থেকে গ্রেপ্তার করে শরিফুলকে। এরপর দাবি করা হয়, অভিনেতার ওপর হামলার ঘটনায় তিনিই মূল অভিযুক্ত।

জানা গেছে, ধৃত শরিফুল ইসলাম শেহজাদের ১০টি আঙুলের ছাপ পাঠানো হয়েছিল ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। মহারাষ্ট্র সিআইডি-র ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞরা যে রিপোর্ট দিয়েছেন তাতে জানা যাচ্ছে, সাইফের বাড়ি থেকে পাওয়া ১৯টি নমুনার একটিও মিলছে না শরিফুলের সঙ্গে।

প্রশ্ন উঠছে, আদৌ শরিফুলই সাইফের বাড়িতে হামলা চালিয়েছিলেন তো? নাকি শরিফুলের বাবার সন্দেহই ঠিক। তাকে আসলে ফাঁসানো হচ্ছে সাইফকাণ্ডে!




পটুয়াখালী-ঢাকা নৌপথে নাব্যতা সংকট, চরম দুর্ভোগ যাত্রীদের

শীত মৌসুমে পটুয়াখালী-ঢাকা নৌপথে নাব্যতা সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। নদ-নদীর বিভিন্ন স্থানে ডুবোচরের কারণে লঞ্চ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে লাউকাঠি, লোহালিয়া, কারখানা এবং কবাই নদীতে লঞ্চ আটকে পড়ার ঘটনা নিয়মিত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভাটার সময় নদীতে গভীরতা আরও কমে যায়, ফলে লঞ্চ চলাচল কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে। যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। যাত্রা বিলম্বিত হওয়ায় সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে। পটুয়াখালী নদীবন্দরের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ড্রেজিং কার্যক্রম চালু থাকলেও তা প্রয়োজনীয় মাত্রায় পৌঁছেনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ড্রেজিং কার্যক্রমে সঠিক বরাদ্দ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবে এই সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ডিন মো. নুরুল আমিন জানান, ‘নদীর নাব্যতা সংকট নিরসনে সঠিক ড্রেজিং কার্যক্রম অত্যন্ত জরুরি। বারবার অসম্পূর্ণ কাজ করার কারণে সমস্যা আরও প্রকট হচ্ছে।’

নৌপথের যাত্রী মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঢাকা যাওয়ার পথে লঞ্চ ডুবোচরে আটকে পড়ায় ছয় ঘণ্টা বিলম্ব হয়। জরুরি কাজ থাকায় ব্যাপক অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছি।’

যাত্রীরা অভিযোগ করছেন, নাব্যতা সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে নৌপথে চলাচল কার্যত বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। লঞ্চ মাস্টাররাও জানিয়েছেন, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলে যাত্রীসেবা বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

বিআইডব্লিউটিএর সহকারী পরিচালক মো. শাহাদাত হোসেন জানান, ‘নাব্যতা সংকট নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। খুব শিগগিরই প্রয়োজনীয় ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু হবে। বর্তমান পরিস্থিতি সমাধানে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি।’

বর্তমানে অভ্যন্তরীণ ১৭টি রুটে মাত্র ৮টি ছোট লঞ্চ এবং ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে মাত্র ৪টি বড় লঞ্চ চলাচল করছে। যেখানে আগে এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল। দ্রুত ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু না হলে নৌপথ আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজ ইস্যু: আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, এটি আলোচনা মাধ্যমে সমাধান হওয়া সম্ভব। তিনি সকল পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন এবং এ ব্যাপারে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সৃষ্টির আশা প্রকাশ করেছেন।

সচিবালয়ে সোমবার (২৭ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, এই সংঘর্ষের ঘটনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের আওতায় আসে না। এটি শিক্ষাবিষয়ক সমস্যা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দিক থেকে এটি সমাধান হওয়া উচিত। তবে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বিষয়টিতে যুক্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “ধৈর্য্য ধারণ করা উচিত সকল পক্ষের, কারণ অধৈর্য হয়ে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।” শিক্ষার্থীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান, তারা যেন আলোচনা ও ধৈর্যের মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানে এগিয়ে আসে।

এছাড়া, রাস্তা অবরোধের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মাঠ কিংবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রতিবাদ জানালে জনগণের জন্য সুবিধাজনক হবে। যদি দাবি থাকে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমাধান চাওয়া উচিত।”

এসময় তিনি ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তারা দেশের জন্য কাজ করে, কখনোই দেশের জন্য ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে কিছু করে না। যদিও কিছু ভুল হতে পারে, তাও সবসময় ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




 দিঘিতে মিলল মানুষের কলিজাসহ ৬ টুকরা দেহাংশ, এলাকায় চাঞ্চল্য

বরিশালের কাশিপুর এলাকায় একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে কাশিপুরের হাতেম মীরের দিঘি ও এর আশপাশের এলাকা থেকে মানবদেহের ৬টি টুকরা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সকালে স্থানীয় এক ব্যক্তি আলতাফ মেয়ার পুকুরে হাতমুখ ধুতে গিয়ে মানুষের পায়ের একটি অংশ দেখতে পান। কিছুক্ষণ পর, পার্শ্ববর্তী হাতেম মীরার দিঘিতে এক কিশোর মরা মাছ মনে করে একটি বস্তু তুলে সেখানে আরেকটি পায়ের অংশ পেয়ে হতভম্ব হয়ে যান। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মানবদেহের ৬টি টুকরা উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া অংশগুলোর মধ্যে রয়েছে পলিথিনে মোড়ানো কলিজা, পায়ের অংশ এবং রানের অংশ। তবে, এ ঘটনায় মাথা বা হাত-পায়ের আঙুলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার রুনা লায়লা জানান, উদ্ধারকৃত দেহাংশগুলো নারী না পুরুষের তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ডিএনএ টেস্টসহ অন্যান্য পরীক্ষা নিরীক্ষার পর দেহাংশগুলোর পরিচয় জানা যাবে। তিনি আরও জানান, গত কয়েকদিনে কোন নিখোঁজ মামলা বা সাধারণ ডায়েরি জমা না হওয়ায় পুলিশ ধারণা করছে, এটি নগরীর বাইরের একটি ঘটনা হতে পারে। তবে, পুলিশ পরিচয় উদ্ধারের জন্য তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং রহস্য উদঘাটনের জন্য কাজ করছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীসহ সবার মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশ দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




টস জিতে বোলিংয়ে বরিশাল, একাদশে ২ পরিবর্তন

আজ (২৭ জানুয়ারি) মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিপিএল ২০২৫ এর দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ফরচুর বরিশাল ও খুলনা টাইগার্স। টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

এটি বরিশালের জন্য বিশেষ একটি ম্যাচ, কারণ তারা ইতোমধ্যেই প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে এবং তাদের লক্ষ্য সরাসরি কোয়ালিফায়ারে খেলা। বিপরীতে, খুলনা টাইগার্সের জন্য এটি প্লে-অফে যাওয়ার শেষ সুযোগ। খুলনার মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে, তারা আজকের ম্যাচে জয়লাভ করে ১০ পয়েন্ট অর্জনের আশায় আছে।

এদিকে, বরিশাল একাদশে দুটি পরিবর্তন করেছে। বরিশালের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা মাঠে নামছে ইবাদত হোসেন এবং তানভির ইসলামকে দিয়ে, যারা রিপন মন্ডল ও তাইজুল ইসলামের পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন।

খুলনা টাইগার্সেও একটি পরিবর্তন ঘটেছে। মোহাম্মদ নাওয়াজের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পেয়েছেন আমের জামাল।

এখন পর্যন্ত ৯ ম্যাচে ৪ জয় নিয়ে খুলনা তালিকার পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে। তারা আজ জিতলে ১০ পয়েন্ট অর্জন করে চিটাগং কিংস এবং দুর্বার রাজশাহীর সঙ্গে লড়াইয়ে ফিরতে পারবে।

অন্যদিকে, বরিশাল ইতোমধ্যেই ৯ ম্যাচের মধ্যে ৭টি জয় নিয়ে ১৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি প্রকাশ ১০ ফেব্রুয়ারি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি চলতি অর্থবছরের (২০২৪-২৫) দ্বিতীয়ার্ধের জন্য মুদ্রানীতি (এমপিএস) ঘোষণা করতে পারে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তারিখটি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা ১০ ফেব্রুয়ারি একটি সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করেছি।’

তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য ‘সঙ্কোচনমূলক’ ধরন বজায় রেখে এবং মূল্যস্ফীতি মোকাবিলাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এমপিএস প্রণয়ন করা হচ্ছে।

গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হওয়া ড. আহসান এইচ মনসুর প্রথমবারের মতো মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওই কর্মকর্তা বলেন, মুদ্রানীতি প্রণয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভেতরের ও বাইরের অংশীজনের পাশাপাশি অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করছে।

তিনি আরও বলেন, তারা বিভিন্ন পক্ষের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামের অর্থনীতিবিদদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি নগরীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে দেশের শীর্ষস্থানীয় গবেষণা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্ভাব্য নীতিগত পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছে।

সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও দক্ষিণ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং।

২০২৩ সালের মার্চ থেকে বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে রয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিদ্যমান সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি এখনও দ্রব্য মূল্য কমাতে পারেনি।

বাংলাদেশ ব্যাংক তখন থেকে নীতি সুদের হার কয়েকবার বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করেছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে যে হারে ঋণ নেয় তা হলো নীতি সুদের হার।

কিন্তু বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)’র তথ্য মতে সদ্য সমাপ্ত বছরের ডিসেম্বরে মুদ্রাস্ফীতি আগের মাসের ১১.৩৮ শতাংশ থেকে কিছুটা কমে ১০.৮৯ শতাংশে নেমেছে।

গত বছরের ১৮ জুলাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি অর্থবছর (২৪-২৫) প্রথমার্ধের জন্য সর্বশেষ মুদ্রানীতি প্রকাশ করে।




মধ্যরাত থেকে সারা দেশে বন্ধ হতে পারে ট্রেন চলাচল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মূল বেতনের সঙ্গে রানিং অ্যালাউন্স যোগ করে পেনশন প্রদান এবং আনুতোষিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে জটিলতা নিরসন না হওয়ায় কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন রেলওয়ের রানিং স্টাফরা। ফলে সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে সারা দেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ হতে পারে। এ কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতি।

বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কারভাবে কিছু জানায়নি রেলপথ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রানিং স্টাফদের দাবি নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

রেলওয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী একজন রানিং স্টাফ (চালক, সহকারী চালক, গার্ড, টিকিট চেকার) ট্রেনে দায়িত্ব পালন শেষে তার নিয়োগপ্রাপ্ত এলাকায় (হেডকোয়ার্টার) হলে ১২ ঘণ্টা এবং এলাকার বাইরে (আউটার স্টেশন) হলে ৮ ঘণ্টা বিশ্রামের সুযোগ পান। রেলওয়ের স্বার্থে কোনো রানিং স্টাফকে তার বিশ্রামের সময়ে কাজে যুক্ত করলে বাড়তি ভাতা-সুবিধা দেওয়া হয়। যা রেলওয়েতে ‘মাইলেজ’ সুবিধা হিসেবে পরিচিত।

২০২১ সালের ৩ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় মাইলেজ সুবিধা সীমিত করতে রেল মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়। ওই চিঠিতে আনলিমিটেড মাইলেজ সুবিধা বাদ দিয়ে তা সর্বোচ্চ ৩০ কর্মদিবসের সমপরিমাণ করার কথা জানানো হয়। এ ছাড়া বেসামরিক কর্মচারী হিসেবে রানিং স্টাফদের পেনশন ও আনুতোষিক ভাতায় মূল বেতনের সঙ্গে পাওয়া ভাতা যোগ করার বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়। এরপরই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন রানিং স্টাফরা।

মাইলেজ সুবিধা পুনর্বহালের দাবিতে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন করছেন রানিং স্টাফরা। কয়েক দফায় অতিরিক্ত কাজ থেকে বিরত থাকাসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। তবে বিভিন্ন সময়ে তৎকালীন রেলওয়ের মহাপরিচালক, রেলসচিব, রেলমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসে তারা আন্দোলন থেকে সরে আসেন।

এ বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয় থেকে আবারও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত জানতে চাইলে সর্বশেষ গত ২৩ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয় রেলপথ মন্ত্রণালয়কে জানায়, ‘২০২২ সালের ২১ আগস্ট অর্থ বিভাগের ৯১নং স্মারকে জারি করা পত্রের (খ) অনুচ্ছেদটি অপরিবর্তিত রাখা হলো এবং (ক) অনুচ্ছেদটি নিম্নরূপে সংশোধন করা হলো।’

সংশোধনে বলা হয়, ‘রানিং স্টাফ হিসেবে চলন্ত ট্রেনে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ভ্রমণ ভাতা বা দৈনিক ভাতার পরিবর্তে রেলওয়ে এস্টাবিলিশমেন্ট কোডের বিধান অনুযায়ী রানিং অ্যালাউন্স প্রাপ্য হবেন। চলন্ত ট্রেনে দায়িত্ব পালনের জন্য রানিং অ্যালাউন্স ছাড়া অন্য কোনো ভাতা প্রাপ্য হবেন না এবং মাসিক রানিং অ্যালাউন্সের পরিমাণ প্রাপ্য মূল বেতনের চেয়ে বেশি হবে না।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ মত জানার পর আরও ফুঁসে ওঠেন রানিং স্টাফরা। তারা বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৮ ঘণ্টার বেশি আমরা কাজ করব। আমরা তো সবাই টাকার জন্যই কাজ করি। ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে যদি টাকাই না দেয়, তাহলে আমরা কাজ করব কেন?

বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতি জানিয়েছে, কর্মচারীদের অবসরোত্তর ৭৫ শতাংশ মাইলেজ মূল বেতনের সঙ্গে যোগ করে পেনশন নির্ধারণের বিধান প্রায় ১৬০ বছর ধরে চলমান ছিল। কিন্তু ২০২০ সালে রেলওয়ের কোডিফাইড রুল অমান্য করে রানিং স্টাফদের পার্ট অব পে হিসেবে গণ্য মাইলেজ, যা যুগ যুগ ধরে বেতন খাতের অংশ ছিল, সেখান থেকে সরিয়ে টিএ খাতে নেওয়ার ফলে জটিলতা তৈরি হয়। এরপর ২০২১ সালের ৩ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ রেলওয়ের রানিং স্টাফদের মাইলেজ যোগ করে পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানায়।

কর্মচারী সমিতি আরও জানিয়েছে, ২০২২ সালের ৪ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ১০ এপ্রিল রানিং স্টাফদের কর্মবিরতিতে সারা দেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে অর্থ মন্ত্রণালয় ১৩ এপ্রিল চিঠিটি প্রত্যাহার করে নেয়। পরে তৎকালীন রেলমন্ত্রী ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে এ সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। যার ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ১১ জুন তৎকালীন রেলওয়ের মহাপরিচালক স্পষ্ট করে রানিং স্টাফদের মাইলেজ যোগে পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু ওই বছর ১৮ জুন অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আবারও আপত্তি জানায়। ফলে রানিং স্টাফদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

 




হাসিনা ঘনিষ্ঠদের অর্থ লোপাট তদন্তে অডিটর নিয়োগ বাংলাদেশ ব্যাংকের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের অর্থ লোপাট তদন্তে ইওয়াই, ডেলোওয়েট এবং কেপিএমজি নামের তিনটি অডিট প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যেসব ব্যাংক থেকে অর্থ লুটপাট হয়েছে সেগুলোতে নিরীক্ষা চালাবে এই প্রতিষ্ঠানগুলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান মনসুর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ব্যাংক থেকে হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা ১৭ বিলিয়ন ডলার লুটপাট করেছেন।

সংবাদমাধ্যমটিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট এসব লোপাট করা অর্থে কেনা সম্পদ ফিরিয়ে আনা এবং এরসঙ্গে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করতে ১১টি যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

ইওয়াই এবং ডেলোওয়েট এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি। অপরদিকে কেপিএমজির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে ফিন্যান্সিয়াল টাইম।




এস কে সুরের দেড় লাখের বেশি ডলার, এক কেজি স্বর্ণালংকার পেল দুদক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টের লকারে তল্লাশি চালিয়ে ব্যাংকটির সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার (এস কে) সুর চৌধুরীর রাখা ৫৫ হাজার ইউরো, ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩০০ মার্কিন ডলার জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭০ লাখ টাকার এফডিআর ও প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যের এক কেজি (প্রায় ৮৬ ভরি) সোনার অলংকার জব্দ করা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি দল রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে তল্লাশি করতে যায়। সেই দলের নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জামান। তিনি বলেন, জব্দকৃত মালামাল বাংলাদেশ ব্যাংকের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

১৪ জানুয়ারি দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হন সিতাংশু কুমার (এস কে) সুর চৌধুরী। ১৯ জানুয়ারি তাঁর ধানমন্ডির বাসায় অভিযান চালিয়ে ১৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে দুদক। এ সময় সঞ্চয়পত্র ও বিমার প্রায় চার কোটি টাকার কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। তাঁর তিনটি ফ্ল্যাটেরও সন্ধান পায় দুদক।