আটক অভিনেত্রী সোহানা সাবা, নেওয়া হয়েছে ডিবি কার্যালয়ে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে এবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে অভিনেত্রী সোহানা সাবাকে।

বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

তিনি বলেন, অভিনেত্রী সোহানা সাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অভিনেত্রী শাওনের পর সোহানা সাবা আমাদের নজরদারিতে ছিলেন। তাকে কিছু সময় আগে আমাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে।




শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়ে ভারতের পার্লামেন্টে আলোচনা

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। এরমধ্যে বাংলাদেশ সরকার সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধসহ একাধিক অভিযোগ এনেছে। একইসঙ্গে তাকে ফেরত দেওয়ার জন্য নয়াদিল্লির কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।

তবে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধে ভারত এখনো সাড়া দেয়নি। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে প্রশ্ন করেন এক সংসদ সদস্য। সেখানেও এই একই ধরনের বক্তব্য উঠে এসেছে।

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রাজ্যসভার সদস্য ডা. জন বৃত্তাস সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, বাংলাদেশ শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছে কি না, এর কারণ কী এবং ভারত সরকারের প্রতিক্রিয়া কী ছিল? জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেছেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধের জবাব দেয়নি ভারত।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে আসার আগে করা অপরাধের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশের এই প্রত্যর্পণের জবাব ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি।
হাসিনাকে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ভারত সরকারের প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ‘আমরা আমাদের অবস্থান সম্পর্কে ভারতকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছি। আমরা বলেছি, আমরা তাকে (শেখ হাসিনা) বিচারিক প্রক্রিয়ার জন্য ফেরত চাই।’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, অন্তর্বর্তী সরকার প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনা ও অন্যদের ভারত থেকে ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারাধীন ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।




মনির হায়দারকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী নিয়োগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মনির হায়দারকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য গঠন) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবুল হায়াত মো. রফিক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্ম–সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে ছয় মাস মেয়াদে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য গঠন) পদে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো।

এতে আরও বলা হয়, এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।




ভোলায় তোফায়েল আহমেদের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, উত্তেজিত জনতার প্রতিবাদ

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং ভোলা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) তোফায়েল আহমেদের বাসভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ ঘটিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ১টায় ভোলা শহরের গাজীপুর রোডে এই ঘটনা ঘটে। শেখ হাসিনা বিরোধী মিছিলের পর উত্তেজিত জনতা তোফায়েল আহমেদের গাজীপুর সড়ক এলাকার ‘প্রিয়কুটির’ নামের বাড়িতে হামলা চালায়।

এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা বাড়িটির প্রধান গেট ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে, এবং বাসার সব আসবাবপত্র রাস্তায় ফেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। রাতভর ঘটনার সময় আশপাশের মানুষ বাড়ির মূল্যবান মালামাল নিয়ে চলে যায়। বাসার ফ্রিজ, টিভি, ওয়াশিং মেশিন, আলমারি, শোকেস, খাট, সোফা, ফ্যান এমনকি হাড়ি-পাতিল পর্যন্ত নিয়ে যায়। কিছু মালামাল রাস্তায় ফেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

বিক্ষুব্ধ জনতা স্লোগান দেয়, “আওয়ামী লীগের আস্তানা এ ভোলাতে রাখবো না, খুনি হাসিনার আস্তানা এ বাংলাতে হবে না।”

এ ঘটনার পাশাপাশি, তোফায়েল আহমেদের বাড়ির পাশের জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহরুল ইসলাম নকীবের বাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। অভিযোগ উঠছে, এই সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়নি, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজিত করে তোলে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাঞ্ছিত করার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল হাফিজসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা করা হয়েছে। বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে ৫ ফেব্রুয়ারি এই মামলা দায়ের করেছেন দৈনিক মফস্বল বার্তা পত্রিকার বরগুনা জেলা প্রতিনিধি মতিউর রহমান।

মামলার বিবাদীরা হলেন বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল হাফিজ, যুগান্তরের পাথরঘাটা প্রতিনিধি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, প্রথম আলোর পাথরঘাটা প্রতিনিধি আমিন সোহেল, জিয়াউল ইসলাম, মাসুম বিল্লাহ এবং জাকির হোসেন জুয়েল।

বেঞ্চ সহকারী নাজমুল হাসান জানান, মামলার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. গোলাম ফারুক।

মামলার বাদী মতিউর রহমান জানিয়েছেন, তিনি বরগুনা জেলা প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে ৩০ জানুয়ারি পাথরঘাটার ডা. বশির আহম্মেদের চেম্বারে আমন্ত্রণ জানাতে যান। সেখানে গিয়েই তিনি বিবাদীদের কাছ থেকে অপমানিত হন। তারা তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে, পরে তার ছবি ও ভিডিও ধারণ করে এবং সেই ভিডিও ও ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেন। এতে বাদীর সম্মানহানি এবং সামাজিক মর্যাদায় ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অভিনেত্রী শাওন গ্রেফতার

খ্যাতনামা অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিবি) বিশেষ শাখা। ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে তাকে রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিবি প্রধান রেজাউল করিম মল্লিক জানান, “অভিনেত্রী শাওনকে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ধানমন্ডি এলাকার তার বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র সম্পর্কে তার সঙ্গে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।”

এই কর্মকর্তা আরও জানান, আগামীকাল শাওনকে সুনির্দিষ্ট মামলায় আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে।

বুধবার রাতে গ্রেফতারের সময় অভিনেত্রী শাওন সবার অগোচরে ছিলেন এবং কোনো ধরনের বক্তব্য দেননি। তবে, তার গ্রেফতারির খবর দ্রুতই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা দেশের বিভিন্ন মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আলোড়ন সৃষ্টি করে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পারিবারিক অশান্তি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন পপি

বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিকা পারভীন পপি আবারো শিরোনামে উঠে এসেছেন তার পরিবারের বিরুদ্ধে করা বিস্ফোরক মন্তব্যের কারণে। দীর্ঘদিনের বিরতির পর সম্প্রতি ক্যামেরার সামনে এসে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এক অন্ধকার অধ্যায় তুলে ধরেছেন তিনি।

পপি তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ করেছেন। গণমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, তার পরিবার, বিশেষ করে বাবা-মা এবং ভাই-বোনরা, তার আয়ের টাকা চুরি করত এবং তাকে খুন করার জন্য লোক ভাড়া করার কথাও বলেছিল। অভিনেত্রী বলেন, “আমি নিজের আত্মত্যাগে পরিবারকে বড় করেছি, কিন্তু এর বিনিময়ে পেয়েছি কৃতঘ্নতা।”

তিনি আরও বলেন, নিজের পরিশ্রমের টাকা দিয়ে বাড়ি, গাড়ি এবং জমি কিনেছিলেন, এবং সেইসব সম্পত্তি তিনি তার ভাই-বোনদের নামে করিয়েছিলেন। তবুও, সম্পত্তির লোভে তার ভাই-বোনেরা তাকে খুন করার পরিকল্পনা করেছিলেন।

এছাড়া, এর আগে তার মা এবং ভাইবোনেরা পপির বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ তুলেছিলেন। তাদের দাবি ছিল, পপি তার বাবার রেখে যাওয়া ৬ কাঠা জমি একাই দখল করতে চান। তবে, পপি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “সকল অভিযোগ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। আমি কখনও ওই জমি দখল করার কথা বলিনি।”

পপির এসব অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি মানুষের মনোভাব নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সরকারি টাকায় উড়োজাহাজ ভাড়া করতেন হাসিনা

বিদেশ সফরের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি টাকায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ ভাড়া করতেন। তিনি তার সফরসঙ্গীদের বিশাল বহর নিয়ে যেতেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ১৬ বছরের ক্ষমতায় জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রায় প্রতিটি সভায় অংশ নিতে শেখ হাসিনা নিউইয়র্কে যেতেন বিশাল বহর নিয়ে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ২২৭ জন, ২০১৪ সালে ১৭৮ জন এবং ২০১৩ সালে ১৩৪ জন সফরসঙ্গী নিয়ে তিনি নিউইয়র্কে গিয়েছিলেন।

শেখ হাসিনা তার সব সফরে অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৭৭ ও ৭৮৭ সিরিজের বিমান ব্যবহার করতেন। ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিমানের ৪৮টি ভিভিআইপি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ২৫০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ছিল শেখ হাসিনার সফরের ব্যয়।

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে স্থানীয় সময় বিকেলে শেখ হাসিনা ফিনল্যান্ডে অবতরণ করেন এবং সেখানে দুই দিন অবস্থান করেন। সফরসঙ্গীদের জন্য সব খরচসহ সাত কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়েছিল । এছাড়া, ২০২৩ পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সরকারের কাছে প্রায় ৫০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে ভাস্কর্য ও পার্ক ভাঙচুর

বরিশাল প্রেস ক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ও সড়কের পাশে তার ভাগ্নের স্ত্রীর নামে নির্মিত শিশু পার্কটি দ্বিতীয় দফায় ভাঙচুর করেছে একদল লোক। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৩টা থেকে এই ভাঙচুরের কাজ শুরু হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল মহানগরের আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম সাহেদ জানান, “মহাসড়ক দখল করে একটি শিশু পার্ক নির্মাণ করা হয়েছে, যার কারণে যানবাহন চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়েছে এবং দুর্ঘটনা ঘটছে। এটি একটি ফ্যাসিবাদের চিহ্ন। দেশে ফ্যাসিবাদের চিহ্ন মুছে ফেলতেই আমরা এই ভাঙচুর করেছি।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা বিএম কলেজের মূল ফটকে জড়ো হয়। এসময় তারা ঘোষণা দেয়, তারা সাহান আরা আবদুল্লাহ পার্ক ও বরিশাল প্রেস ক্লাবে নির্মিত শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙবে। এরপর তারা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে প্রেস ক্লাব ও পার্কের দিকে রওনা দেয়।

দুপুর ২টার দিকে, প্রেস ক্লাবে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য হাতুড়ি দিয়ে ভাঙা শুরু হয়। অপরদিকে, সাহান আরা আবদুল্লাহ পার্কটি বুলডোজার দিয়ে ভাঙা শুরু হয় ৩টার দিকে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ঝালকাঠিতে আমুর বাসভবন ও প্রতিষ্ঠানের নামফলক ভাঙচুর

বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ঝালকাঠিতে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর বাসভবন এবং তার নামে থাকা সকল প্রতিষ্ঠানের নামফলক ভাঙচুর করেছে।

৬ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের রোনালসে সড়কে অবস্থিত আমির হোসেন আমুর বাসভবনে হামলা চালিয়ে নামফলক ভাঙচুর করা হয়। এর আগে সুগন্ধা নদীর তীরে ডিসি পার্কে অবস্থিত ফিরোজা আমু টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলা হয়। ওই সময় ফিরোজা আমু হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের নামফলকও ভাঙচুর করা হয়। শিক্ষার্থীরা কলেজের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলতে এবং কলেজ কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফার্নিচার সরানোর জন্য নির্দেশ দেয়।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির পক্ষে জানান, “ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকার জোর করে ক্ষমতা দখল করেছিল এবং তাদের আমলে অবৈধভাবে এমপি-মন্ত্রীরা সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছিল। ঝালকাঠির সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুও এই তালিকায় আছেন। তিনি কালেক্টরেট স্কুলের জমি দখল করে নিজের এবং তার স্ত্রীর নামে দুটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাদের ফ্যাসিবাদী কার্যকলাপের প্রতিফলন হিসেবে এসব প্রতিষ্ঠানের নামফলক ভাঙচুর করা হয়েছে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম