হয় আমরা থাকব না হয় আওয়ামী লীগ থাকবো

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, বিপ্লবী ভাইয়ের শাহাদাত আমাদের ব্যর্থতা। আমরা এতদিন পর্যন্ত সুবিচার নিশ্চিত করতে পারিনি, আমরা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে পারিনি। এই ভূখণ্ডে হয় আমরা থাকব না হয় আওয়ামী লীগ থাকবে।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গাজীপুরে হামলায় নিহত শিক্ষার্থী আবুল কাশেমের জানাজা শেষে লাশের কফিন নিয়ে মিছিলে তিনি এ কথা বলেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আজকে আয়না ঘর প্রকাশিত হয়েছে, আজকেই অভ্যুত্থান বিষয়ক জাতিসংঘের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে, আজকেই আমাদের ভাই শহীদ হলেন। বিপ্লবী ভাইয়ের শাহাদাত আমাদের ব্যর্থতা। আমরা এতদিন পর্যন্ত সুবিচার নিশ্চিত করতে পারিনি, আমরা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে পারিনি।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর এ ভূখণ্ডের দখল আমরা পেয়েছি। এ ভূখণ্ডে হয় আমরা থাকব না হলে আওয়ামী লীগ থাকবে। বিপ্লবীরা ও আওয়ামী লীগ একসঙ্গে এ দেশে থাকতে পারে না। আমরা স্পষ্ট করে সরকারকে বলতে চাই, দ্রুততম সময়ের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীর শাস্তি নিশ্চিত করুন এবং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করুন।

মিছিলে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, গাজীপুরে অভ্যুত্থানের ৬ মাস পরে আমাদের ভাইকে কুপিয়ে শহীদ করা হলো। আমরা কিছুই করতে পারলাম না। লাশ সামনে নিয়ে বিগত দিনের ফ্যাসিবাদকে মনে পড়ছে। যে আওয়ামী লীগ আমার ভাইকে শহীদ করেছে সেই আওয়ামী লীগ এ দেশে রাজনীতি করার বিন্দু পরিমাণ অধিকার রাখে না। শহীদের লাশের শপথ করে বলছি, শরীরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাব।




মিশরে আক্রমণের প্রস্তুতি ইসরায়েলের, রিপোর্ট

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক মিশর এবং ইহুদিবাদী ইসরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে, হিব্রু ভাষার সাইটগুলো মিশরে ইসরায়েলের আক্রমণের প্রস্তুতি নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।

সামরিক বিষয়ে কাজ করে এমন হিব্রু ভাষার ওয়েবসাইট ‘নাজিউ’ দাবি করেছে যে ইসরায়েল সরকার মিশরে হামলা পরিকল্পনার অংশ হিসাবে শেষ মুহূর্তে আল-আলি বাঁধকে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্যান্য বিধ্বংসি অস্ত্র বাঁধ ধ্বংস করে বন্যার সৃষ্টি করতে পারে।

সাইটটি আরও জানিয়েছে ওই বন্যা আল আকসার এবং আসওয়ান অঞ্চলগুলোকে প্লাবিত করতে পারে এবং পানি নীল নদের তীরে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটি এবং শিল্প স্থাপনাগুলোতে পৌঁছে যেতে পারে, যার ফলে হাজার হাজার মানুষ মারা যেতে পারে!




বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি গঠন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কমিটি আগামী ৬ মাসের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে রাকিব আহমেদকে আহ্বায়ক এবং সিরাজুল ইসলামকে সদস্য সচিব হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সদস্য সচিব আরিফ সোহেল স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নবগঠিত কমিটিতে মো. শাহেদ হোসেনকে মুখ্য সংগঠক, মো. মাইনুল ইসলামকে মুখপাত্র, মো. জাহিদুল ইসলাম এবং শারমিলা জামান সেঁজুতিকে সহ-মুখপাত্র করা হয়েছে। এছাড়া ১৫ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক, ১৪ জনকে যুগ্ম সদস্য সচিব, ৮ জনকে সংগঠক এবং ৩২ জনকে সদস্য করা হয়েছে।

কমিটির আহ্বায়ক রাকিব আহমেদ বলেন, “২৪ আন্দোলনের প্রথম স্বাধীন ক্যাম্পাস বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। যাদের হাত ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীন হয়েছে, তাদের এই কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসের উন্নয়নে আমাদের এই কমিটি কাজ করে যাবে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পটুয়াখালীতে সরকারি কম্বল ও ক্রীড়াসামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

পটুয়াখালীতে সরকারি কম্বল ও ক্রীড়াসামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগে সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী কানিজ সুলতানা হেলেন ও তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

সোমবার রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা রিফাত কবির খান বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাজ হোসেন তালুকদার ও পটুয়াখালী পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহিন হোসেন তালুকদার। উল্লেখ্য, হেলেন পটুয়াখালী জেলা মহিলা লীগের সভাপতি।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা সরকারি ২,২০০ কম্বল ও ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ না করে নিজেদের বাসায় মজুত রাখেন।

বিষয়টি জানার পর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) চন্দন কর ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা অভিযুক্তদের বাসায় যান, তবে সেখানে কম্বল ও ক্রীড়াসামগ্রী পাওয়া যায়নি। পরে খবর আসে, পৌরসভার ডাম্পিং জোনসংলগ্ন ছাইচ্চার খালের পাশে কিছু সামগ্রী ফেলে রাখা হয়েছে।

পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে ২৫টি কম্বল, তিন জোড়া ক্রিকেট প্যাড ও দুটি হেলমেট জব্দ করা হয়।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহম্মেদ বলেন, “বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।”

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সাবেক সহকারী কমিশনার রাজন কুমারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ




বরিশালে পুকুরের পাড় থেকে পাঁচটি পাইপগান উদ্ধার

বরিশাল জেলা, বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের খানপুরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) পেছনের পুকুরের পাড় থেকে বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পাঁচটি পাইপগান উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ জানায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয়রা পুকুর পাড়ে বাজারের ব্যাগে মোড়ানো একটি সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পায় এবং তা থানায় জানায়। খবর পেয়ে এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ব্যাগটি খোলার পর পাঁচটি পাইপগান উদ্ধার করে। পরে এসব অস্ত্র থানায় হস্তান্তর করা হয়।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সুশান্ত সরকার সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশব্যাপী “অপারেশন ডেভিল হান্ট” চালু রয়েছে। এর অংশ হিসেবে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ ওই এলাকার অভিযান পরিচালনা করছে। ধারণা করা হচ্ছে, অপরাধীরা অভিযান শুরুর আগেই এ অস্ত্রগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে গেছে।

এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




নুরুজ্জামান কাফির ঘরে আগুন, দায়ীদের গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফির গ্রামের বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তিনি দাবি করেছেন, এটি পরিকল্পিত এবং প্রতিশোধমূলক হামলা।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার রজপাড়া গ্রামে পোড়া ঘরের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তোলেন। বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন কাফি।

তিনি বলেন, “স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্যই আমাকে টার্গেট করা হয়েছে। ধানমন্ডি ৩২ পোড়ানোর প্রতিশোধ নিতেই আমার ঘর প্রথমে পোড়ানো হলো।”

কাফি আরও জানান, “আমার বাবা ও ভাই দু’বার কেঁদেছেন— একবার জুলাই আন্দোলনের সময়, যখন আমি আত্মগোপনে ছিলাম, আর দ্বিতীয়বার আজ, যখন আমাদের বাড়ি আগুনে পুড়লো। বাবার সন্তান হিসেবে আজ আমি লজ্জিত!”

তিনি সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সাত দিনের মধ্যে আমার ঘর পুনর্নির্মাণ ও দোষীদের গ্রেপ্তার করা না হলে আমি একাই এই পোড়া বাড়ির সামনে দাঁড়াবো। বিপ্লবী ছাত্রজনতা আমার সঙ্গে আছে। প্রয়োজন হলে আমি বিপ্লবী সরকারের ডাক দেবো।”

কাফির দাবি, “দেশের ৬০ শতাংশ মানুষ ইতোমধ্যে সরকারের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। আমরা কখনো সুবিধা চাইনি, উপদেষ্টা হতে চাইনি। শুধু দেশের মানুষের নিরাপত্তা চেয়েছি, নিজের নিরাপত্তা চেয়েছি। অথচ আজ আমার নিজের ঘরই নেই!”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “এই আগুন হাসিনা দেননি, তবে এখানকার স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ এর সঙ্গে জড়িত। দেশে এখনও ৭০ শতাংশ আওয়ামী লীগ এক্টিভ আছে, এই ফ্যাসিস্টদের বিষদাঁত উপড়ে ফেলতে হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে কাফির বাবা এবিএম হাবিবুর রহমান ও বড় ভাই নুরুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, এই অগ্নিকাণ্ডের পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র থাকতে পারে, যা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




এ বছর হজ পালনে যেসব শর্ত দিলো সৌদি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  চলতি বছর সৌদির যেসব বাসিন্দা ও বিদেশি হজ করতে চান তাদের কিছু শর্ত দিয়েছে সৌদির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।

তারা বলেছে, এখন পর্যন্ত যারা একবারও হজ করেননি, এ বছর শুধুমাত্র তাদের রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রাধান্য দেওয়া হবে। তবে হজ যাত্রীদের গাইড হিসেবে যারা দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের জন্য শর্তটি শিথিল থাকবে।

আরেকটি শর্ত হলো ন্যাশনাল কার্ড অথবা রেসিডেন্সি কার্ডের মেয়াদ জিলহজ মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত থাকতে হবে।

হজের রেজিস্ট্রেশনের সময় শতভাগ নির্ভুল তথ্য দিতে হবে। যদি কেউ ভুল তথ্য দেন তাহলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যেতে পারে।

হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় বলেছে, যারা হজ করতে আগ্রহী তাদের শারীরিকভাবে ফিট থাকতে হবে। দুরারোগ্য ও মরণব্যাধীতে যারা ভুগছেন, তাদের হজের সুযোগ পাবেন না। এছাড়া আগ্রহী হজযাত্রীদের হজের আগে মেনিনজিটিস এবং মৌসুমী ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকা নেওয়া সম্পন্ন করতে হবে।

এছাড়া হজের পোগ্রাম শুরু হয়ে যাওয়ার পর কেউ যদি হজ না করতে চান, তাহলে তারা তাদের পরিশোধিত অর্থ আর ফেরত পাবেন না। এটি মেনেই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

হজযাত্রীদের সবাইকে স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ নিয়ম-নীতি, পবিত্র স্থানগুলোতে যাওয়ার নির্দিষ্ট সময় অনুসরণ করতে হবে। এছাড়া চলাচল, জড়ো হওয়া ও থাকার স্থান সংক্রান্ত সকল নির্দেশনাও কঠোরভাবে মানতে হবে।

যাদের হজের অনুমোদন দেওয়া হবে, তাদের নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে এটি প্রিন্ট করতে হবে। যেন অনুমোদনের কাগজে থাকা কিউআর কোডটি ভালোভাবে দেখা যায়। হজের পুরো সময়টায় এই কাগজটি সাথে রাখতে হবে। এছাড়া নিজে ছাড়া অন্য কাউকে এই কাগজটি দেওয়া যাবে না বলে শর্ত দিয়েছে হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।

এছাড়া এবারের হজে হজযাত্রীরা তাদের সঙ্গে শিশুদের নিতে পারবেন না বলেও জানিয়েছে সৌদি।

গত বছর সবমিলিয়ে ১৮ লাখ মানুষ হজ করেছিলেন। যারমধ্যে ১৬ লাখ ছিলেন বিদেশি। তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছিলেন। অপরদিকে সৌদি থেকে হজ পালন করেন দুই লাখ মানুষ।

সূত্র: গালফ নিউজ




যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনে লাগবে ৫৩০০ কোটি ডলার : জাতিসংঘ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  টানা ১৫ মাস ধরে ইসরায়েলের বর্বর আগ্রাসন ও হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ড ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। অবরুদ্ধ এই উপত্যকার পুনর্গঠন ও যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলজুড়ে চলমান মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রয়োজন ৫ হাজার ৩০০ কোটিরও বেশি মার্কিন ডলার।

জাতিসংঘের একটি রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

বার্তাসংস্থাটি বলছে, গাজা উপত্যকার পুনর্গঠনের জন্য ৫ হাজার ৩০০ কোটি ডলারেরও বেশি প্রয়োজন হবে বলে মঙ্গলবার জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। আর এই অঞ্চলটি পুনর্গঠনের জন্য প্রথম তিন বছরে স্বল্পমেয়াদে প্রয়োজন ২০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “গাজা উপত্যকাজুড়ে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠনের জন্য ৫৩.১৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম তিন বছরে স্বল্পমেয়াদে প্রয়োজন প্রায় ২০.৫৬৮ বিলিয়ন ডলার।”

সংঘাতের ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষতির কথা তুলে ধরে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গাজার অর্থনীতি ২০২৪ সালে ৮৩ শতাংশ সঙ্কুচিত হবে, বেকারত্ব ৮০ শতাংশে পৌঁছে যাবে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, “অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে দারিদ্র্য ২০২৪ সালে ৭৪.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে অনুমান করা হয়েছে, যা ২০২৩ সালের শেষে ছিল ৩৮.৮ শতাংশ।”

গুতেরেস জোর দিয়ে বলেছেন, অবিলম্বে মানবিক প্রয়োজনগুলো পূরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষায়, “তাৎক্ষণিকভাবে এবং স্বল্পমেয়াদে মানবিক সংকট মোকাবিলায় জীবন রক্ষাকারী মানবিক সহায়তা প্রদানের ওপর অবিরত মনোযোগের প্রয়োজন হবে।”

২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর জাতিসংঘের পক্ষ থেকে ৬.৬ বিলিয়ন ডলারের মানবিক সহায়তার আবেদনের কথা স্মরণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই আবেদন থেকে ৩.৬ বিলিয়ন ডলার গাজার ২১ লাখ ফিলিস্তিনির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা মেটাতে বরাদ্দ করা হয়েছে।

গাজায় ছয়-সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম পর্যায় গত ১৯ জানুয়ারি কার্যকর হয়েছে। সেদিন থেকেই গাজায় বন্ধ হয়েছে ইসরায়েলি আগ্রাসন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে চলা এই আগ্রাসনে গাজায় ৪৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী এবং শিশু। এছাড়া আরও ১ লাখ ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

তিন-পর্যায়ের এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যে বন্দি বিনিময় এবং স্থায়ী শান্তি, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যমাত্রাও রয়েছে। ভূখণ্ডটিতে ইসরায়েলি আক্রমণে নিখোঁজ রয়েছেন ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ।

মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছিল। ইসরায়েল ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।




‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বহুল আলোচিত আয়নাঘর পরিদর্শন করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আয়নাঘর নামে খ্যাত ঢাকার তিনটি স্থান পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা; যেগুলো পূর্বে নির্যাতন কক্ষ এবং গোপন কারাগার হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

আজ (বুধবার) প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি আয়নাঘর পরিদর্শন করতে যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস। সেদিন গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে গুমের ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি তুলে ধরেন কমিশনের সদস্যরা।

পোস্টের সঙ্গে আসিফ মাহমুদ সজীবের একটি ও আয়নাঘরের দুটি ছবিও জুড়ে দেন তিনি।

সুচিস্মিতা তিথি আরেক পোস্টে লেখেন, গত জুলাইয়ে সাদা পোশাকে তুলে নেওয়ার পর ডিজিএফআইয়ের এই টর্চারসেলে রাখা হয়েছিল নাহিদ ইসলামকে। আজ সেখানে পরিদর্শনে গিয়ে কক্ষটি আইডেন্টিফাই করেন নাহিদ। এই কক্ষের একপাশে টয়লেট হিসেবে একটি বেসিনের মতো ছিল বলে জানান তিনি। ৫ আগস্টের পর এই সেলগুলোর মাঝের দেওয়াল ভেঙে ফেলা হয়, দেওয়াল রঙ করা হয়।

এই পোস্টের সঙ্গেও নাহিদ ইসলামের একটি ছবি ও আয়নাঘরের কিছু ছবি দেন তিনি।