বিচার প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘ প্রতিবেদনের সুবিধা, জটিলতা ও চ্যালেঞ্জ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) তদন্ত প্রতিবেদনে বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার কর্তৃক সংগঠিত নৃশংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আবার বেশ অনেকগুলো সুপারিশও করা হয়েছে।
এই প্রতিবেদনের মধ্য দিয়ে যেমন বিচার প্রক্রিয়ায় সামনে এগোনোর জন্য সুবিধাজনক পথ সৃষ্টি হয়েছে, একইসঙ্গে প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের জায়গাও রয়েছে।
জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রোরি মুনগোভেন বলছেন, এই প্রতিবেদনে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে যা আন্তর্জাতিক অপরাধের পর্যায়ে পড়ে এবং সেসবের সুবিচার হওয়া প্রয়োজন।
কীভাবে কাজে আসবে এই প্রতিবেদন?
রোরি মুনগোভেন বলছেন, জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনে বড় পরিসরে যে পরিমাণ তথ্য-প্রমাণ জোগাড় করা হয়েছে সেগুলো সামনের দিনগুলোতে বিচারকাজ এগিয়ে নিতে কাজে আসবে। এমনকি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ছাড়াও বাংলাদেশ চাইলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে যেতে বা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।
তার ভাষ্য, এগুলো আমরা আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে সংরক্ষণ করেছি, যা ভবিষ্যতের জবাবদিহিতা প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা যেতে পারে। আমরা নিশ্চিত করতে চাই, যেকোনো বিচারিক প্রক্রিয়া যেন ন্যায়বিচারের আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
এ নিয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের দোষরদের বিচারের আবশ্যকতা, ন্যায্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা আরও অনেক বেশি স্পষ্ট করে ফুটিয়ে তুলেছে। আমি মনে করি এটা বিচারকাজের সহায়ক ম্যাটেরিয়াল হিসেবে সাক্ষ্যমূল্য রয়েছে।







