পদত্যাগ করছেন উপদেষ্টা নাহিদ?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে আসছে বদল। কিছুদিনের মধ্যেই নিজেসহ উপদেষ্টা পরিষদে থাকা শিক্ষার্থীরা পদ ছাড়তে পারেন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। আর চলতি মাসের শেষের দিকেই ঘোষণা আসছে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের নিয়ে নতুন রাজনৈতিক দলের। দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটা জানিয়েছেন তথ‍্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

কোটা বাতিল আন্দোলন থেকে সরকার পতনের ঘোষণা। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন। এরইমধ্যে চলে গেছে ছয় মাসের বেশি সময়।

দেশ পুনর্গঠনে ঐকমত্য তৈরির লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরে শিক্ষার্থীরা গঠন করেন জাতীয় নাগরিক কমিটি। তাদের পক্ষ থেকেই গঠিত হচ্ছে নতুন রাজনৈতিক দল। আর, এই নতুন দলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে এ মাসেই।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানান, দলের কার্যক্রমে যোগ দিতে তিনিসহ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন কয়েকদিনের মধ্যেই।




গাজা নিয়ে বিকল্প প্রস্তাব আনছে আরব দেশগুলো

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে ওই ভূখণ্ডের দখল নিতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এ ধরনের প্রস্তাব সামনে এনেছেন। এর জবাবে ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে আরব দেশগুলো বিকল্প প্রস্তাব আনতে জরুরি চেষ্টা চালাচ্ছে। এর নেতৃত্ব দিচ্ছে সৌদি আরব। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ১০টি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ নিয়ে এ মাসেই সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করতে যাচ্ছে সৌদি আরব, মিসর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো আরব দেশগুলো। এ বৈঠকে ফিলিস্তিন নিয়ে খসড়া নানা প্রস্তাব আলোচনা হতে পারে। এসব প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতৃত্বে ফিলিস্তিন পুনর্গঠন তহবিল গঠন। এ ছাড়া হামাসকে পাশ কাটিয়ে একটু চুক্তি সম্পাদন করা। পাঁচটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।




বাংলাসহ ৯টি ভাষায় সরাসরি সম্প্রচারিত হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি




জুলাই চার্টারের ওপর নির্ভর করবে আগামী নির্বাচন : প্রেস সচিব




১৬ মাস পর জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেলেন ৩ ইসরায়েলি




রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের প্রথম বৈঠক আজ




জাতিসংঘের রিপোর্টে অনিশ্চিত আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর (ওএইচসিএইচআর)-এর তথ্যানুসন্ধান দল যে প্রতিবেদন দিয়েছে তা নিয়ে চলছে নানা ধরনের আলোচনা৷ রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎকে কি শঙ্কায় ফেলে দিলো এ প্রতিবেদন?
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে৷ গত ১১ অক্টোবর আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘আগামী অক্টোবরের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে দুই-তিনটি মামলার রায় হয়ে যাবে৷’ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ১০৮টি হত্যা মামলা হয়েছে যার মধ্যে ১৬টি ট্রাইব্যুনালে গেছে৷

গত সপ্তাহে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন (এলজিআরডি) ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও এ বিষয়ে কথা বলেন৷ সরকার নিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা বাসসকে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে বর্তমান সরকার শিগগিরই পদক্ষেপ নেবে৷’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা অত্যন্ত ইতিবাচক যে, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও একধরনের ঐকমত্য তৈরি হচ্ছে৷’

৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং তাদের আরেকটি সংগঠন জাতীয় নাগরিক কমিটি আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে আসছে৷ তারা বলছে, শেখ হাসিনার বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুনর্বাসন অসম্ভব৷ অন্তর্বর্তী সরকার এরইমধ্যে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করেছে৷ বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকায় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতেও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ৷

সংগঠনটির মূখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘জাতি সংঘের প্রতিবেদনের পর শেখ হাসিনা এখন আন্তর্জাতিভাবে স্বীকৃত সন্ত্রাসী৷ তার দল আওয়ামী লীগও সন্ত্রাসী দল৷ গণহত্যার মাস্টারমাইন্ড শেখ হাসিনা সরকারের পুলিশ , প্রশাসন ও তার দলকে ব্যবহার করে মানুষ হত্যা করে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছে৷ শেখ হাসিনা এখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা অপ্রাসঙ্গিক বিষয়৷ আর বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ রাখতে হবে৷’

জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, ‘আয়না ঘরের ভয়ঙ্কর চিত্র তো আমরা দেখলাম৷ একই দিনে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে এটা স্পষ্ট যে, শেখ হাসিনা এবং তার দল গণহত্যায় জড়িত৷ আমরা শুধু আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ নয়, আওয়ামী লীগের বিচারও চাই৷ সেজন্য যদি আইনের কোনো সংশোধন দরকার হয়, সকারকে তা করতে হবে৷ আর শুধু শেখ হাসিনা নয়, যারা যারা গণহতায় জড়িত, তাদের সবাইকে বিচারের আওতায় আনতে হবে৷’

তিনি মনে করেন, ‘আওয়ামী লীগ দল হিসেবে তার বৈধতা হারিয়েছে৷ আর পুরো গণহত্যার মাস্টার মাইন্ড ওই দলটির প্রধান শেখ হাসিনা৷ ফলে, দল বলেন আর শেখ হাসিনা বলেন, কারুরই আর রাজনীতিতিতে পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ নাই৷’




বিচার প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘ প্রতিবেদনের সুবিধা, জটিলতা ও চ্যালেঞ্জ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) তদন্ত প্রতিবেদনে বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার কর্তৃক সংগঠিত নৃশংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আবার বেশ অনেকগুলো সুপারিশও করা হয়েছে।

এই প্রতিবেদনের মধ্য দিয়ে যেমন বিচার প্রক্রিয়ায় সামনে এগোনোর জন্য সুবিধাজনক পথ সৃষ্টি হয়েছে, একইসঙ্গে প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের জায়গাও রয়েছে।

জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রোরি মুনগোভেন বলছেন, এই প্রতিবেদনে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে যা আন্তর্জাতিক অপরাধের পর্যায়ে পড়ে এবং সেসবের সুবিচার হওয়া প্রয়োজন।

কীভাবে কাজে আসবে এই প্রতিবেদন?

রোরি মুনগোভেন বলছেন, জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনে বড় পরিসরে যে পরিমাণ তথ্য-প্রমাণ জোগাড় করা হয়েছে সেগুলো সামনের দিনগুলোতে বিচারকাজ এগিয়ে নিতে কাজে আসবে। এমনকি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ছাড়াও বাংলাদেশ চাইলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে যেতে বা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

তার ভাষ্য, এগুলো আমরা আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে সংরক্ষণ করেছি, যা ভবিষ্যতের জবাবদিহিতা প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা যেতে পারে। আমরা নিশ্চিত করতে চাই, যেকোনো বিচারিক প্রক্রিয়া যেন ন্যায়বিচারের আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পরিচালিত হয়।

এ নিয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের দোষরদের বিচারের আবশ্যকতা, ন্যায্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা আরও অনেক বেশি স্পষ্ট করে ফুটিয়ে তুলেছে। আমি মনে করি এটা বিচারকাজের সহায়ক ম্যাটেরিয়াল হিসেবে সাক্ষ্যমূল্য রয়েছে।




দুমকিতে অপারেশন ডেভিল হান্ট: এক জন গ্রেফতার

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় অপারেশন ডেভিল হান্ট এর আওতায় অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে দুমকি থানা পুলিশ।

(১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টায় উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের সন্তোষদী গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন মো. মনিরুল ইসলাম মহিবুল্লাহ (৩৫), পিতা- নুরল হক মাস্টার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজান শিকদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তিনি বৈষম্য ছাত্রবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন এবং ৫ আগস্টের পর পটুয়াখালী সদর থানায় দায়ের করা একটি মামলার আসামি ছিলেন।

এ বিষয়ে দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, “দুমকিতে বিএনপি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




রাঙ্গাবালীতে ধসে পড়ছে সেতুর সংযোগ সড়ক, ঝুঁকিতে চলাচল

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার উত্তর চরমোন্তাজ এলাকায় একটি সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে পড়েছে। এছাড়া, সেতুর গাইডওয়ালের গোড়ায় দেখা দিয়েছে ফাটল, যা পুরো সেতুটিকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

উত্তর চরমোন্তাজ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এমএ মতিনের বাড়ির পাশে খালের ওপর নির্মিত ৬৬ মিটার দীর্ঘ সেতু এবং ৩৫০ মিটার সংযোগ সড়ক ভারী বর্ষণের কারণে এক বছরের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণকাজের ফলে সংযোগ সড়ক ধসে পড়েছে এবং গাইডওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে যেকোনো সময় সেতুটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা বাহাদুর ইসলাম বলেন, “সেতুটির সংযোগ সড়ক ও গাইডওয়াল নির্মাণের ছয়-সাত মাসের মধ্যেই ভেঙে পড়েছে। এর মূল কারণ নিম্নমানের নির্মাণকাজ। দ্রুত সংস্কার না হলে সেতুটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে।”

স্থানীয় ইজিবাইক চালক মো. সলেমান বলেন, “এক বছর পার না হতেই সংযোগ সড়ক বৃষ্টিতে ভেঙে পড়েছে। ঠিকাদার নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করেছেন। ফলে আমাদের এখন ঝুঁকি নিয়ে সেতু পার হতে হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার না করলে আগামী বর্ষায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।”

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) রাঙ্গাবালী কার্যালয় সূত্র জানায়, অনূর্ধ্ব ১০০ মিটার ব্রিজ প্রকল্পের আওতায় ৬৬ মিটার সেতু ও ৩৫০ মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণে ব্যয় হয়েছে সাড়ে ৬ কোটি টাকা। কিন্তু বছর না যেতেই সংযোগ সড়কের একাংশ ধসে পড়েছে এবং গাইডওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে ঠিকাদার জামাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান বলেন, “ঠিকাদার সংস্কারকাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। দ্রুত সংস্কার না হলে তার বকেয়া টাকা দেওয়া হবে না এবং জামানতের টাকাও আটকে রাখা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করে সেতুটিকে ঝুঁকিমুক্ত করা হোক, যাতে পথচারী ও যানবাহন নিরাপদে চলাচল করতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম