পিরোজপুরে সিভিল সার্জনসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের প্রায় ২ কোটি টাকার ঔষধ ও শল্য চিকিৎসা সামগ্রী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রহন না করেও কাগজপত্রে গ্রহন দেখানোর মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পিরোজপুরের সিভিল সার্জন এবং হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও)সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে।
মামলাটি পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ সহকারী পরিচালক মোঃ শরীফ শেখ বাদী হয়ে দায়ের করেন। দুদকের পিরোজপুর অফিসে ২০ ফেব্রুয়ারী মামলাটি রেকর্ড করা হয়। মামলার আসামীরা হলেন, পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনী) ডা. ফারহানা রহমান, আরএমও ডা. মোঃ নিজাম উদ্দিন, জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. সুরঞ্জিত কুমার সাহা, স্টোর কিপার মোঃ আল আমীন গাজী এবং ঔষধ সরবরাহকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা।
উল্লেখ্য, পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে ঔষধ সরবরাহের জন্য ঢাকার ৪টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ পেয়েছিল। তবে, এই ৪টি প্রতিষ্ঠান ২ কোটি টাকার ঔষধ সরবরাহ না করেও, গত বছরের ১৬ ও ২৮ এপ্রিল কাগজপত্রে গ্রহন দেখানো হয়। দুদক জানায়, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে জড়িত ৫ জন এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ৪ জন আসামীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দায়ের করা হয়।
এই ঘটনা জানার পর পিরোজপুর দুদক অফিস ২৭ জানুয়ারী জেলা হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে স্টোর রুমে উল্লেখিত ঔষধ সামগ্রী না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে। এরপর ২ ফেব্রুয়ারী গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা থেকে ট্রাকে আনা ঔষধ আটক করা হয়।
ডিএডি মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন জানালেন, ২০ ফেব্রুয়ারী এ ঘটনায় আসামীদের বিরুদ্ধে দুদক আইনে মামলা করা হয়।
এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি মামলার বিষয়ে এখনও কিছু জানেন না। তবে, তিনি আশাবাদী যে, তদন্তে আসল ঘটনা বের হয়ে আসবে।
মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম








