অস্কারে সেরা সিনেমা ‘আনোরা’, বাজিমাত তিন বিভাগে

বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র পুরস্কার, অস্কারের ৯৭তম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে লস অ্যাঞ্জেলসের ডলবি থিয়েটারে। বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোর ৫টায় শুরু হওয়া এই আয়োজনে বিনোদন দুনিয়ার সেরা প্রতিভাবানদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

এবারের অস্কারে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছে ‘আনোরা’। প্রেম, নারীর সামাজিক অবস্থান ও সাংস্কৃতিক সংঘাতের গল্প তুলে ধরার জন্য প্রশংসিত সিনেমাটি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে—সেরা সিনেমা, সেরা পরিচালক ও সেরা অভিনেত্রী।

সেরা পরিচালকের পুরস্কার জিতেছেন শন বেকার, যিনি ‘আনোরা’ সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন। অন্যদিকে, মাত্র ২৫ বছর বয়সে সেরা অভিনেত্রীর স্বীকৃতি পেয়েছেন মাইকি ম্যাডিসন, ‘আনোরা’তে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য।

‘আনোরা’র গল্প

‘আনোরা’ সিনেমার কাহিনি আবর্তিত হয়েছে এক রাশিয়ান গ্যাংস্টারের ছেলে ও এক যৌনকর্মীর প্রেমের গল্প ঘিরে। তারা বিয়ে করে, কিন্তু সেই গ্যাংস্টার এটি মেনে নেয় না। সম্পর্কের টানাপোড়েন ও সামাজিক প্রতিকূলতা নিয়ে এগিয়েছে সিনেমার মূল কাহিনি।

উল্লেখ্য, গত বছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে স্বর্ণপাম জয় করেছিল ‘আনোরা’।

এবারের অস্কারে সেরা অভিনেতা হয়েছেন অ্যাড্রিয়েন ব্রডি, ‘দ্য ব্রুটালিস্ট’ সিনেমায় দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য।

পার্শ্ব চরিত্রে সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন কিইরিন কালকেইন, আর পার্শ্ব চরিত্রে সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন জোয়ি সালডানা


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ইউক্রেনের সুরক্ষায় ‘কোয়ালিশন অব উইলিং’ গঠনের ঘোষণা ব্রিটেনের




মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ




অস্কারে সেরা সিনেমা ‘অ্যানোরা’




জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার খালাসের রায় বহাল




ফের গাজায় অনিশ্চয়তা, যুদ্ধ শুরু করতে পারবে ইসরায়েল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে দখলদার ইসরায়েলর যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। গত ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরটি শুরু হওয়ার ১৬তম দিনে দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা শুরুর কথা ছিল। কিন্তু ইসরায়েল তা করেনি। ফলে এ ‍মুহূর্তে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে কোনো যুদ্ধ বিরতি নেই।
যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের মেয়াদ ছিল ৪২ দিন। এটি শেষ হওয়ার পরই আজ রোববার (২ মার্চ) গাজায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া দখলদাররা গাজায় সব ধরনের পণ্য প্রবেশও বন্ধ করে দিয়েছে।
যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হুমকি দিয়েছেন, হামাস যদি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে রাজি না হয় তাহলে গাজায় ফের বর্বর হামলা শুরু করবেন তিনি। যদিও হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যে যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি হয়েছিল, সেটির মাধ্যমে গাজায় সব ধরনের লড়াই বন্ধ এবং সব জিম্মির মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইসরায়েলই এটি আটকে রেখেছে।




ড. ইউনূস, আ.লীগ-জামায়াতকে নিয়ে যা বললেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশ, বাংলাদেশের রাজনীতি, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে কথা বলেছেন ভারতের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। বার্তাসংস্থা পিটিআইকে নিজের পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনের বাড়িতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য বলেছেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে এবং বাংলাদেশ কীভাবে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে সে ব্যাপারেও তিনি চিন্তিত। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জামায়াতকে পূর্বে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশে যেন ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় থাকে সেটি চাওয়া থাকবে তার।

অমর্ত্য সেন বলেন, “বাংলাদেশের পরিস্থিতি আমাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। কারণ আমার মধ্যে শক্তিশালী বাঙালী পরিচয় রয়েছে। আমি ঢাকায় দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি এবং সেখানেই আমার শিক্ষাজীবন শুরু করেছিলাম। ঢাকা ছাড়াও আমি আমার পূর্বপুরুষের ভিটা মানিকগঞ্জে প্রায়ই যেতাম। অপরদিকে মায়ের দিক দিয়ে আমি বিক্রমপুর গিয়েছি। বিশেষ করে সোনারঙে। এই জায়গাগুলো ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদের মতো আমিও চিন্তিত কীভাবে বাংলাদেশ তার ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবে।”

অমর্ত্য তার ছোটবেলার বেশিরভাগ সময় ঢাকায় কাটিয়েছেন। তিনি ঢাকার সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে আনুষ্ঠানিক পড়াশোনা শুরু করেন। পরবর্তীতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতন স্কুলে চলে যান এবং সেখানেই পড়াশোনা চালান।




গলাচিপায় ইউএনও’র অপসারণের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি ও সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমানের অপসারণের দাবি এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন তারিকুল ইসলাম মুন্না ও কাজী শাওন। তারা অভিযোগ করেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ইউএনও’র অপসারণের দাবিতে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করার পর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তাদের ও তাদের পরিবারকে মোবাইল ফোনে হুমকি দিচ্ছে। তাদের দুইজন নারী শিক্ষার্থীকে পারিবারিকভাবে চাপে রেখে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

শিক্ষার্থীদের দাবি, ইউএনও মিজানুর রহমান আওয়ামী লীগপন্থী এবং তিনি ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখছেন। সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। এছাড়া, তার নেতৃত্বে সরকারি তহবিলের অপব্যবহার করা হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ইউএনও মিজানুর রহমানকে অপসারণের দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা। এরই মধ্যে তারা এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন এবং তাদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে ইউএনও মিজানুর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থীদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তারা বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছিল, যা না পেয়ে এখন আন্দোলনে নেমেছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, গলাচিপা নিউজ ২৪ ডট কম

 




জেলেনস্কিকে অবশ্যই ট্রাম্পের সাথে সম্পর্ক সংশোধন করতে হবে: ন্যাটো




ডিজিএফআই’র সাবেক প্রধান সাইফুলের বাসা থেকে আড়াই কোটি টাকা জব্দ