কাউখালীতে পটকা মাছ খেয়ে শিশুর মৃত্যু, ৪ নারী আশঙ্কাজনক অবস্থায়

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় পটকা মাছ খেয়ে ৫ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির নাম ফাতেমা আক্তার। এ ঘটনায় আরও ৪ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে শিশুর মা, খালা, তিন মেয়ে এবং শিশুর নানী রয়েছেন।

বুধবার (১২ মার্চ) রাতে উপজেলার চিরাপাড়া পার সাতুরিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চিরাপাড়া গ্রামে ভুমিহীন চরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান লাইকুজ্জামান তালুকদার মিন্টো ও সদস্য জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শিশুর নানা হানিফ সরদার জানান, রাতে তারা নদী থেকে শিকার করা অন্য মাছের সঙ্গে পটকা মাছ খেয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর সবাই অসুস্থ বোধ করলে তাদের কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। তবে হাসপাতালে আনার আগেই ফাতেমা মারা যায়। আর তার মা, খালা, তিন মেয়ে ও নানীকে চিকিৎসার জন্য বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সুব্রত কর্মকার জানান, রাত ২টার দিকে পটকা মাছ খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে ৫ জন হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে শিশুটি হাসপাতালে আসার আগেই মারা যায়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পটকা মাছ খাওয়া নিয়ে এলাকাবাসী আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।

মো: তৃুহিন হোসেন 
চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ধর্ষণ মামলায় খালাস পেলেন সাবেক উপসচিব রেজাউল




মাহমুদউল্লাহর অবসর নিয়ে যা বলছে বিসিবি




বরিশালে ক্যান্সার হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি, সময় বাড়িয়েও অগ্রগতি কম

বরিশালে ক্যান্সার, কিডনি এবং হৃদরোগীদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতালের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়নি, যদিও এর জন্য দু’বার সময় বাড়ানো হয়েছে। ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, এখন পর্যন্ত নির্মাণ কাজের মাত্র ৬৫ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যন্ত্রপাতি আমদানির জটিলতা এবং নির্মাণ কাজের ধীরগতির কারণে দ্বিতীয় দফায় সময় বাড়ানোর পরও কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। ২০২১ সালের ২৩ জুলাই, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পাশে আড়াই একর জমিতে ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগীদের জন্য ৪৬০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ কাজ শুরু হয়, যা শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৩ সালের জুনে। তবে নানা জটিলতায় কাজ শেষ না হওয়ায় মেয়াদ দুই বছর বাড়ানো হয়।

এ বিষয়ে হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্মাণ কাজে বিলম্বের ফলে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চাপ বেড়ে গেছে। প্রতিদিন রোগীদের সঠিকভাবে সেবা দিতে চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছেন। শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজের সহকারী পরিচালক রেজওয়ানুর আলম জানান, এই বিশেষায়িত হাসপাতাল চালু হলে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা একই জায়গায় আধুনিক চিকিৎসা পাবেন।

বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কামাল হোসেন বলেন, “নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ার প্রধান কারণ যন্ত্রপাতি আমদানির জটিলতা এবং নির্মাণ কাজে ধীরগতির কারণে। তবে ৩০ জুনের মধ্যে ৯০ শতাংশ কাজ শেষ করার আশা করা হচ্ছে।”

বর্তমানে, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতি মাসে প্রায় ৪০০ ক্যান্সার রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। বিশেষায়িত হাসপাতাল চালু হলে শেবামেক-এর ওপর রোগীদের চাপ অনেক কমে যাবে।

মো: তুহিন হোসেন 
চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরগুনায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার, স্বজনদের দাবি হত্যা

বরগুনার পৌরশহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কালিবাড়ি কড়ইতলা এলাকা থেকে মন্টু চন্দ্র দাস (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাত ১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মন্টু ওই এলাকার মৃত জগেশ্বর দাসের ছেলে এবং স্থানীয় একটি মুরগি ব্যবসায়ী দোকানের কর্মচারী ছিলেন।

স্বজনদের দাবি, মন্টুকে হত্যার পেছনে একটি মামলা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। নিহতের স্ত্রী শিখা রানী জানান, মন্টু রাতে ফোনে জানিয়েছিলেন যে, ব্যবসায়িক কাজে বাড়ি ফিরতে দেরি হবে। এরপর নির্ধারিত সময়েও বাড়িতে না ফিরলে তিনি আবার ফোন করেন, কিন্তু মন্টুর ফোন রিসিভ হয়নি। এরপর বাড়ির পেছনে গিয়ে তিনি ঝোপের মধ্যে মন্টুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন এবং পুলিশকে খবর দেন।

মন্টুর বোন কনক রানী বলেন, “গতকাল সন্ধ্যায় মন্টুর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। সে আমাকে জানিয়েছিল, তার দায়ের করা মামলার অভিযুক্তরা মীমাংসার জন্য বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করছে। আমি তাকে সাবধানে থাকতে বলেছিলাম। পরে রাতে শুনি সে বাড়ি ফেরেনি। আমি তার বাড়িতে গিয়ে দেখি, বাড়ির পেছনে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে।”

এ বিষয়ে বরগুনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হালিম বলেন, “ঘটনাস্থলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমরা তদন্ত শুরু করেছি এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে জড়িতদের গ্রেফতার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মো: তুহিন হোসেন 
চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ভোলায় ভোটার হতে এসে রোহিঙ্গা দম্পতি আটক

ভোলার দৌলতখানে ভোটার হতে এসে এক রোহিঙ্গা দম্পতি আটক হয়েছেন। তাদের সঙ্গে ছিল দেড় বছরের একটি শিশু সন্তান, এবং এসময় তাদের দুই সহযোগীকেও আটক করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার (১২ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। আটক রোহিঙ্গা দম্পতির নাম মো. আব্দুল হালিম (৩২) এবং তার স্ত্রী উম্মুল খায়ের (২৫)। আটক দুই সহযোগী হলেন—জুলফিকার আলী এবং তার বোন ফাতেমা, যাদের বাসস্থান দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ২ নম্বর ওয়ার্ডে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, রোহিঙ্গা দম্পতি টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে এসেছিলেন।

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চরপাতা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন সবুজ জানান, “চরপাতা ইউনিয়নে ভোটার হালনাগাদ ও নতুন ভোটারদের ছবি তোলা হচ্ছিল। ওই রোহিঙ্গা দম্পতি তাদের সন্তান নিয়ে ভোটার হতে এসেছিলেন। এসময় তাদের দুই সহযোগীও উপস্থিত ছিলেন। তাদের কথাবার্তায় সন্দেহ হলে তাদের ঠিকানা, ওয়ার্ড নম্বর ও অন্যান্য তথ্য জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু তারা সঠিকভাবে তথ্য দিতে পারেননি। তাদের ভাষাও আমাদের মতো ছিল না, যা সন্দেহ আরও বাড়িয়ে দেয়। একপর্যায়ে তারা রোহিঙ্গা বলে মনে হলে থানায় খবর দেওয়া হয়।”

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




মাগুরায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশু মারা গেছে

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মাগুরায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার ৮ বছর বয়সী সেই শিশুটি মারা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

বৃহস্পতিবার সকালে জানানো হয়, শিশুটির আজ আরও দু’বার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে (হৃদ্‌যন্ত্রের স্পন্দন বা হার্টবিট বন্ধ হয়ে যাওয়া); দ্বিতীয়বার প্রায় ৩০ মিনিট সিপিআর দেওয়ার পর রিভার্স করেছে। ব্রেন ফাংশন করছে না; জিসিএস (কোমা) লেভেল ৩। তার রক্ত চাপ ও অক্সিজেন লেভেল অনেক কম।

শিশুটি গত ৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকার সিএমএইচ-এ ভর্তি হয়। তার চিকিৎসার জন্য সব ধরনের সম্ভাব্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

গত ৬ মার্চ মাগুরার শহরতলী নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় ৮ বছর বয়সি শিশুটি। ওই সময় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও চালানো হয়।

ধর্ষণের ঘটনার পর গত ৮ মার্চ শনিবার শিশুটির মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে। এতে শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ, বোনের স্বামী সজিব, সজিবের বড় ভাই রাতুল ও বোনের শাশুড়ি জাহেদাকে আসামি করা হয়। মামলায় সকল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা মাগুরা কারাগারে রয়েছেন।




নিষেধাজ্ঞার ১২ দিনেও জেলেদের বাড়িতে পৌঁছায়নি সরকারি চাল

ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারের জন্য ২ মাসের নিষেধাজ্ঞা চলমান রয়েছে, তবে ১২ দিন পার হলেও এখনও জেলেদের কাছে সরকারি বরাদ্দের চাল পৌঁছেনি। এর ফলে জেলেরা অভাব-অনটনে দিন কাটাচ্ছেন এবং কেউ কেউ প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদীতে ইলিশ ধরতে নামছেন।

সরেজমিনে ভোলা জেলার সদর উপজেলার শিবপুর, ধনিয়া, ইলিশা, ভেদুরিয়া, ভেদুমিয়া ও দৌলতখান উপজেলার মদনপুরসহ ইউনিয়নগুলোর মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে জেলেদের মাছ শিকারের দৃশ্য দেখা গেছে। শিবপুর ইউনিয়নের মেঘনা নদীর জেলে মো. জামাল মাঝি ও সুমন মাঝি জানান, “২ মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞার ১০ দিন হয়ে গেছে, এখনও আমরা সরকারিভাবে চাল পাইনি। কাজ-কাম নেই, সংসারে অনেক অভাব। রোজার মধ্যে খুব কষ্ট হচ্ছে। যদি সরকারি চাল পেতাম, তাহলে অনেক উপকার হতো।”

ভেলুমিয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট এলাকার তেঁতুলিয়া নদীর জেলে মোশারেফ মাঝি ও ইলিশা ইউনিয়নের জাংশন এলাকার মেঘনা নদীর জেলে হানিফ মাঝি বলেন, “অভিযান চলাকালীন আমরা নদীতে নামি না, কিন্তু কাজকাম নেই। সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। আড়ৎদারদের থেকে টাকা ধার করে চাল কিনছি, কিন্তু যদি সরকারি চাল পেতাম, তাহলে আরও ভালো হতো।”

এছাড়া, কিছু জেলে নাম প্রকাশ না করে জানিয়েছেন যে, “নিষেধাজ্ঞার এই কয়েকদিন আমরা নদীতে নামিনি, কিন্তু ঘরের চাল কিনতে হতো, সংসার চালাতে হতো, এনজিওর কিস্তি পরিশোধ করতে হতো, তাই প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছি।”

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানিয়েছেন, “প্রতিটি উপজেলায় জেলেদের মাঝে দ্রুত চাল বিতরণের জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে। আশা করছি আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে ভোলার সাত উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে চাল বিতরণ শুরু হবে।”

তিনি আরও জানান, “মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় সব ধরনের মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ভোলা জেলার সাত উপজেলায় নিবন্ধিত ১ লাখ ৭০ হাজার ২৮৩ জন জেলে থাকলেও ৮৯ হাজার ৬০০ জেলেকে ৪০ কেজি চাল বরাদ্দ দেয়া হবে।”




তিন দিন ধরে নিখোঁজ বরিশালের এডিসি

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রাশেদুল ইসলাম রাশেদ তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি মামলার আসামি। গত ৯ মার্চ দুপুর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, ৯ মার্চ দুপুর ২টার দিকে বরিশালের শীতলাখোলা ট্রাফিক অফিস থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে বের হয়ে যান এডিসি রাশেদ। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, মামলায় গ্রেফতার এড়াতে তিনি আত্মগোপনে চলে গেছেন।

এডিসি রাশেদ ঢাকার রামপুরা এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার আসামি। পুলিশ অভিযোগ করেছে, ওই ঘটনায় তিনি কার্নিশে ঝুলতে থাকা এক আন্দোলনকারীকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়েছিলেন।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপ-কমিশনার শরফুদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, গত তিন দিন ধরে অফিসে আসেননি এডিসি রাশেদ। তবে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

এদিকে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, “রাশেদ পালিয়ে গেছেন কিনা, তা নিশ্চিত নই। তবে গত তিন দিন তার কোনো খোঁজ নেই। বিষয়টি পুলিশ হেডকোয়ার্টারে জানানো হয়েছে।” তিনি আরো বলেন, “ঢাকার রামপুরা থানার মামলার ব্যাপারে আমরা রাশেদ নিখোঁজ হওয়ার পরেই জানতে পারি।”

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ভারতে হোলির আগে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে ১০টি মসজিদ